بسم الله الرحمن الرحيم يس
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম ইয়া-সী-ন্
ইয়াসিন!
يسٓ
Chapter 36, 83 verses
بسم الله الرحمن الرحيم يس
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম ইয়া-সী-ন্
ইয়াসিন!
يسٓ
والقرآن الحكيم
অল্ ক্বর্ আ-নিল্ হাকীম্।
শপথ বিজ্ঞানময় কুরআনের,
وَٱلْقُرْءَانِ ٱلْحَكِيمِ
إنك لمن المرسلين
ইন্নাকা লামিনাল্ র্মুসালীন্।
অবশ্য অবশ্যি তুমি রসূলদের একজন,
إِنَّكَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ
على صراط مستقيم
'আলা-ছির-ত্বিম্ মুস্তাক্বীম্ ।
(প্রতিষ্ঠিত আছো) সিরাতুল মুস্তাকিমের উপর।
عَلَىٰ صِرَٰطٍ مُّسْتَقِيمٍ
تنزيل العزيز الرحيم
তান্যীলাল্ 'আযীর্যি রহীম্।
(এই কুরআন) নাযিল হচ্ছে মহাশক্তিধর অতীব দয়াবানের পক্ষ থেকে,
تَنزِيلَ ٱلْعَزِيزِ ٱلرَّحِيمِ
لتنذر قوما ما أنذر آباؤهم فهم غافلون
লিতুন্যিরা ক্বওমাম্ মা য়উন্যিরা আ-বা-য়ুহুম্ ফাহুম্ গ-ফিলূন্ ।
যাতে তুমি সতর্ক করতে পারো এমন একটি কওমকে, যাদের পূর্ব পুরুষদের সতর্ক করা হয়নি। ফলে তারা গাফিল (অসতর্ক)।
لِتُنذِرَ قَوْمًا مَّآ أُنذِرَ ءَابَآؤُهُمْ فَهُمْ غَٰفِلُونَ
لقد حق القول على أكثرهم فهم لا يؤمنون
লাক্বাদ্ হাকক্বল্ ক্বওলু 'আলা য় আক্ছারিহিম্ ফাহুম্ লা-ইয়ুমিনূন্।
তাদের অধিকাংশের জন্যে সেই বাণী (শাস্তি) অবধারিত হয়ে গেছে, ফলে তারা আর ঈমান আনবেনা।
لَقَدْ حَقَّ ٱلْقَوْلُ عَلَىٰٓ أَكْثَرِهِمْ فَهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ
إنا جعلنا في أعناقهم أغلالا فهي إلى الأذقان فهم مقمحون
ইন্না-জ্বা'আল্না-ফী য় আ'না-ক্বিহিম্ আগ্লা-লান্ ফাহিয়া ইলাল্ আয্ক্বা-নি ফাহুম্ মুকমাহূন্।
আমরা চিবুক পর্যন্ত তাদের গলায় বেড়ি পরিয়ে দিয়েছি, ফলে তারা ঊর্ধ্বমুখী হয়ে আছে।
إِنَّا جَعَلْنَا فِىٓ أَعْنَٰقِهِمْ أَغْلَٰلًا فَهِىَ إِلَى ٱلْأَذْقَانِ فَهُم مُّقْمَحُونَ
وجعلنا من بين أيديهم سدا ومن خلفهم سدا فأغشيناهم فهم لا يبصرون
অজ্বা'আল্না-মিম্ বাইনি আইদী হিম্ সাদ্দাঁও মিন্ খল্ফিহিম্ সাদ্দান্ ফায়াগ্শাইনা-হুম ফাহুম্ লা-ইয়ুব্ছিরূন্।
আমরা তাদের সামনে প্রাচীর এবং পেছনেও প্রাচীর স্থাপন করে দিয়েছি, আর তাদের চোখে সৃষ্টি করে দিয়েছি আবরণ, ফলে তারা দেখতে পায়না।
وَجَعَلْنَا مِنۢ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنَٰهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ
وسواء عليهم أأنذرتهم أم لم تنذرهم لا يؤمنون
অসাওয়া-য়ুন্ 'আলাইহিম্ আ আর্ন্যাতাহুম্ আম্ লাম্ তুর্ন্যিহুম্ লা-ইয়ুমিনূন্।
তুমি তাদের সতর্ক করো কিংবা সতর্ক না করো দুটোই তাদের জন্যে সমান, তারা ঈমান আনবেনা।
وَسَوَآءٌ عَلَيْهِمْ ءَأَنذَرْتَهُمْ أَمْ لَمْ تُنذِرْهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ
إنما تنذر من اتبع الذكر وخشي الرحمن بالغيب ۖ فبشره بمغفرة وأجر كريم
ইন্নামা-তুন্যিরু মানিত্তাবা'আয্ যিকর অখশির্য়া রাহ্মা-না বিল্গাইবি ফাবার্শ্শিহু বিমাগ্ফিরতিঁও অআজরিন্ কারীম্।
তুমি তো সতর্ক করতে পারো তাকে, যে আয্ যিকির (আল কুরআন) - এর অনুসরণ করে এবং না দেখেও দয়াময় রহমানকে ভয় করে। তাকে সুসংবাদ দাও মাগফিরাতের আর সম্মানজনক পুরস্কারের।
إِنَّمَا تُنذِرُ مَنِ ٱتَّبَعَ ٱلذِّكْرَ وَخَشِىَ ٱلرَّحْمَٰنَ بِٱلْغَيْبِ فَبَشِّرْهُ بِمَغْفِرَةٍ وَأَجْرٍ كَرِيمٍ
إنا نحن نحيي الموتى ونكتب ما قدموا وآثارهم ۚ وكل شيء أحصيناه في إمام مبين
ইন্না-নাহ্নু নুহ্য়িল্ মাওতা- অনাক্তুবু মা-ক্বাদ্দামূ অআ-ছা-রহুম্ অকুল্লা শাইয়িন্ আহ্ছোয়াইনা-হু ফী য় ইমা-মিম্ মুবীন্।
আমরা অবশ্যি মৃতদের জীবিত করবো, আর আমরা তো লিখে রাখি তারা যা আগে পাঠায় আর যা পেছনে রেখে যায়। প্রতিটি বস্তুই আমরা স্পষ্ট কিতাবে (রেকর্ড পত্রে) সংরক্ষিত রেখেছি।
إِنَّا نَحْنُ نُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰ وَنَكْتُبُ مَا قَدَّمُوا۟ وَءَاثَٰرَهُمْ وَكُلَّ شَىْءٍ أَحْصَيْنَٰهُ فِىٓ إِمَامٍ مُّبِينٍ
واضرب لهم مثلا أصحاب القرية إذ جاءها المرسلون
অদ্ব্রিব্ লাহুম্ মাছালান্ আছ্হা-বাল্ র্ক্বইয়াহ্ ইয্ জ্বা-য়াহাল্ র্মুসালূন্।
তাদের কাছে বর্ণনা করো দৃষ্টান্ত সেই জনপদের বাসিন্দাদের, যখন তাদের কাছে রসূলরা এসেছিল।
وَٱضْرِبْ لَهُم مَّثَلًا أَصْحَٰبَ ٱلْقَرْيَةِ إِذْ جَآءَهَا ٱلْمُرْسَلُونَ
إذ أرسلنا إليهم اثنين فكذبوهما فعززنا بثالث فقالوا إنا إليكم مرسلون
ইয্ র্আসালনা য় ইলাইহিমুছ্ নাইনি ফাকায্যাবূহুমা- ফা'আয্যায্না-বিছা-লিছিন্ ফাক্ব-লূ য় ইন্না য় ইলাইকুম্ র্মুসালূন্।
যখন তাদের কাছে আমরা পাঠিয়েছিলাম দুজন রসূল, তারা দুজনকেই প্রত্যাখ্যান করেছিল। তখন আমরা তাদের শক্তিশালী করেছিলাম তৃতীয় একজনকে পাঠিয়ে। তারা তাদের বলেছিল: ‘আমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর প্রেরিত রসূল।’
إِذْ أَرْسَلْنَآ إِلَيْهِمُ ٱثْنَيْنِ فَكَذَّبُوهُمَا فَعَزَّزْنَا بِثَالِثٍ فَقَالُوٓا۟ إِنَّآ إِلَيْكُم مُّرْسَلُونَ
قالوا ما أنتم إلا بشر مثلنا وما أنزل الرحمن من شيء إن أنتم إلا تكذبون
ক্বা-লূ মা য় আন্তুম ইল্লা-বাশারুম্ মিছ্লুনা- অমা য় আন্যার্লা রহ্মা-নু মিন্ শাইয়িন্ ইন্ আন্তুম ইল্লা-তাক্যিবূন্।
(বিরোধী পক্ষ) বললো: ‘তোমরা তো আমাদের মতোই মানুষ ছাড়া আর কিছু নও, রহমান তোমাদের প্রতি কিছুই নাযিল করেননি। তোমরা তো কেবল মিথ্যা কথাই বলছো।’
قَالُوا۟ مَآ أَنتُمْ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُنَا وَمَآ أَنزَلَ ٱلرَّحْمَٰنُ مِن شَىْءٍ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا تَكْذِبُونَ
قالوا ربنا يعلم إنا إليكم لمرسلون
ক্ব-লূ রব্বুনা-ইয়া'লামু ইন্না য় ইলাইকুম্ লার্মুসালূন্।
তারা বললো: ‘আমাদের প্রভু জানেন, আমরা তোমাদের প্রতি প্রেরিত রসূল।
قَالُوا۟ رَبُّنَا يَعْلَمُ إِنَّآ إِلَيْكُمْ لَمُرْسَلُونَ
وما علينا إلا البلاغ المبين
অমা- 'আলাইনা য় ইল্লাল্ বালা-গুল্ মুবীন্।
সুস্পষ্টভাবে বার্তা পৌঁছে দেয়াই আমাদের দায়িত্ব।’
وَمَا عَلَيْنَآ إِلَّا ٱلْبَلَٰغُ ٱلْمُبِينُ
قالوا إنا تطيرنا بكم ۖ لئن لم تنتهوا لنرجمنكم وليمسنكم منا عذاب أليم
ক্ব-লূ য় ইন্না-তাত্বোয়াইর্য়্যানা-বিকুম্ লায়িল্লাম্ তান্তাহূ লার্না জুমান্নাকুম্ অলা-ইয়ামাস্ সান্নাকুম্ মিন্না-'আযা- বুন্ আলীম্।
তারা বললো: ‘আমরা তোমাদের কুলক্ষণে মনে করি। তোমরা যদি বিরত না হও, আমরা অবশ্যি তোমাদের পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করবো এবং আমাদের পক্ষ থেকে তোমাদের স্পর্শ করবে বেদনাদায়ক আযাব।’
قَالُوٓا۟ إِنَّا تَطَيَّرْنَا بِكُمْ لَئِن لَّمْ تَنتَهُوا۟ لَنَرْجُمَنَّكُمْ وَلَيَمَسَّنَّكُم مِّنَّا عَذَابٌ أَلِيمٌ
قالوا طائركم معكم ۚ أئن ذكرتم ۚ بل أنتم قوم مسرفون
ক্ব-লূ ত্বোয়া-য়িরুকুম্ মা'আকুম্ আয়িন্ যুর্ক্কিতুম্ বাল্ আন্তুম্ ক্বওমুম্ মুস্রিফূন্।
তারা (রসূলরা) বললো: ‘তোমাদের কুলক্ষণ তোমাদেরই সাথে। এটা কি এজন্যে যে, আমরা তোমাদের উপদেশ দিয়ে যাচ্ছি? বরং তোমরা একটি সীমালংঘনকারী কওম (জাতি)।’
قَالُوا۟ طَٰٓئِرُكُم مَّعَكُمْ أَئِن ذُكِّرْتُم بَلْ أَنتُمْ قَوْمٌ مُّسْرِفُونَ
وجاء من أقصى المدينة رجل يسعى قال يا قوم اتبعوا المرسلين
অজ্বা-য়া মিন্ আকছোয়াল্ মাদীনাতি রাজুলুঁই ইয়াস্'আ-ক্ব-লা ইয়া-ক্বওমিত তাবি'উল্ মুরসালীন্
নগর প্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি দৌড়ে এলো। সে বললো: ‘‘হে আমার কওম! তোমরা রসূলদের অনুসরণ করো,
وَجَآءَ مِنْ أَقْصَا ٱلْمَدِينَةِ رَجُلٌ يَسْعَىٰ قَالَ يَٰقَوْمِ ٱتَّبِعُوا۟ ٱلْمُرْسَلِينَ
اتبعوا من لا يسألكم أجرا وهم مهتدون
ইত্তাবি'ঊ মাল্লা-ইয়াস্য়ালুকুম্ আজরঁও অহুম্ মুহ্তাদূন্।
তোমরা তাদের ইত্তেবা (অনুসরণ) করো, যারা তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চান না এবং যারা হিদায়াতপ্রাপ্ত।
ٱتَّبِعُوا۟ مَن لَّا يَسْـَٔلُكُمْ أَجْرًا وَهُم مُّهْتَدُونَ
وما لي لا أعبد الذي فطرني وإليه ترجعون
অমা-লিয়া লা য় আ'বুদুল্লাযী ফাত্বোয়ারানী অ ইলাইহি র্তুজ্বা'ঊন্।
কী কারণে আমি তাঁর ইবাদত করবো না, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যাঁর কাছে তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে?
وَمَا لِىَ لَآ أَعْبُدُ ٱلَّذِى فَطَرَنِى وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ
أأتخذ من دونه آلهة إن يردن الرحمن بضر لا تغن عني شفاعتهم شيئا ولا ينقذون
আ আত্তাখিযু মিন্ দূনিহী য় আ- লিহাতান্ ইঁইয়্যুরির্দ্নি রহমা-নু বির্দ্বুরিল্ লা-তুগ্নি 'আন্নী শাফা-'আতুহুম্ শাইয়াঁও অলা-ইয়ুন্ক্বিযূন্।
আমি কি তাঁর পরিবর্তে অন্য ইলাহ্ গ্রহণ করবো? রহমান যদি আমার ক্ষতি করতে চান, তবে তাদের সুপারিশ আমার কোনো কাজে আসবেনা এবং তারা আমাকে রক্ষাও করতে পারবেনা।
ءَأَتَّخِذُ مِن دُونِهِۦٓ ءَالِهَةً إِن يُرِدْنِ ٱلرَّحْمَٰنُ بِضُرٍّ لَّا تُغْنِ عَنِّى شَفَٰعَتُهُمْ شَيْـًٔا وَلَا يُنقِذُونِ
إني إذا لفي ضلال مبين
ইন্নী য় ইযাল্লাফী দ্বলা-লিম্ মুবীন্।
এমনটি করলে তো আমি নিমজ্জিত হবো সুস্পষ্ট গোমরাহিতে।
إِنِّىٓ إِذًا لَّفِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ
إني آمنت بربكم فاسمعون
ইন্নী য় আ-মান্তু বিরব্বিকুম্ ফাস্মা'ঊন্।
আমি তোমাদের প্রভুর প্রতি ঈমান আনলাম, তোমরা আমার কথা মেনে নাও!’’
إِنِّىٓ ءَامَنتُ بِرَبِّكُمْ فَٱسْمَعُونِ
قيل ادخل الجنة ۖ قال يا ليت قومي يعلمون
ক্বীলাদ্ খুলিল্ জ্বান্নাহ্ ক্ব-লা ইয়ালাইতা ক্বওমী ইয়া'লামূন্।
তাকে বলা হলো: ‘দাখিল হও জান্নাতে।’ সে বলে উঠলো: ‘হায়, আমার কওম যদি জানতে পারতো
قِيلَ ٱدْخُلِ ٱلْجَنَّةَ قَالَ يَٰلَيْتَ قَوْمِى يَعْلَمُونَ
بما غفر لي ربي وجعلني من المكرمين
বিমা-গফারলী রব্বী অ জ্বা'আলানী মিনাল্ মুক্রমীন্।
কী কারণে আমার প্রভু আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং আমাকে সম্মানিতদের অন্তরভুক্ত করেছেন।’
بِمَا غَفَرَ لِى رَبِّى وَجَعَلَنِى مِنَ ٱلْمُكْرَمِينَ
۞ وما أنزلنا على قومه من بعده من جند من السماء وما كنا منزلين
অমা য় আন্যাল্না 'আলা- ক্বওমিহী মিম্ বা'দিহী মিন্ জুন্দিম্ মিনাস্ সামা-য়ি অমা- কুন্না-মুন্যিলীন্।
আমরা তার (মৃত্যুর) পর তার জাতির বিরুদ্ধে আসমান থেকে কোনো বাহিনী নাযিল করিনি আর আমরা নাযিল করতামও না।
وَمَآ أَنزَلْنَا عَلَىٰ قَوْمِهِۦ مِنۢ بَعْدِهِۦ مِن جُندٍ مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَمَا كُنَّا مُنزِلِينَ
إن كانت إلا صيحة واحدة فإذا هم خامدون
ইন্ কা-নাত্ ইল্লা-ছোয়াইহাতাঁও ওয়া-হিদাতান্ ফাইযা-হুম্ খ-মিদূন্।
একটা মহাবিকট শব্দই যথেষ্ট ছিলো, সাথে সাথে তারা নিথর হয়ে গেলো।
إِن كَانَتْ إِلَّا صَيْحَةً وَٰحِدَةً فَإِذَا هُمْ خَٰمِدُونَ
يا حسرة على العباد ۚ ما يأتيهم من رسول إلا كانوا به يستهزئون
ইয়া-হাস্রতান্ 'আলাল্ 'ইবা-দি মা-ইয়াতীহিম্ র্মি রসূলিন্ ইল্লা-কা-নূ বিহী ইয়াস্তাহ্যিয়ূন্।
পরিতাপ বান্দাদের জন্যে! যখনই তাদের কাছে কোনো রসূল এসেছে, তারা তাদের নিয়ে বিদ্রুপ করেছে।
يَٰحَسْرَةً عَلَى ٱلْعِبَادِ مَا يَأْتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ
ألم يروا كم أهلكنا قبلهم من القرون أنهم إليهم لا يرجعون
আলাম্ ইয়ারও কাম্ আহ্লাক্না-ক্বব্লাহুম্ মিনাল্ কুরূনি আন্নাহুম্ ইলাইহিম্ লা-ইর্য়াজ্বি'ঊন্।
তারা কি দেখেনা তাদের আগে আমরা কতো প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়েছিলাম! তারা আর তাদের মাঝে ফিরে আসবেনা।
أَلَمْ يَرَوْا۟ كَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُم مِّنَ ٱلْقُرُونِ أَنَّهُمْ إِلَيْهِمْ لَا يَرْجِعُونَ
وإن كل لما جميع لدينا محضرون
অইন্ কুল্লুল্লাম্মা-জ্বামী'উল্লাদাইনা-মুহ্দ্বোয়ারূন্।
তবে অবশ্যি তাদের সবাইকে একত্রে আমার কাছে হাজির করা হবে।
وَإِن كُلٌّ لَّمَّا جَمِيعٌ لَّدَيْنَا مُحْضَرُونَ
وآية لهم الأرض الميتة أحييناها وأخرجنا منها حبا فمنه يأكلون
অ আ-ইয়াতু ল্লাহুমুল্ র্আদুল্ মাইতাতু আহ্ইয়াইনা-হা অ আখ্রজনা-মিন্হা-হাব্বান্ ফামিন্হু ইয়াকুলূন্।
তাদের জন্যে একটি নিদর্শন হলো মৃত জমিন, আমরা তাকে জীবিত করি এবং তা থেকে বের করে আনি শস্য, যা থেকে তারা খায়।
وَءَايَةٌ لَّهُمُ ٱلْأَرْضُ ٱلْمَيْتَةُ أَحْيَيْنَٰهَا وَأَخْرَجْنَا مِنْهَا حَبًّا فَمِنْهُ يَأْكُلُونَ
وجعلنا فيها جنات من نخيل وأعناب وفجرنا فيها من العيون
অজ্বা'আল্না- ফীহা-জ্বান্না-তিম্ মিন্ নাখীলিঁও অআ'না বিঁও অফার্জ্জ্বানা-ফীহা-মিনাল্ 'উইয়ূন্।
তাতে আমরা সৃষ্টি করি খেজুর আর আঙুরের বাগান এবং তাতে আমরা জারি করে দেই ঝরণাধারা,
وَجَعَلْنَا فِيهَا جَنَّٰتٍ مِّن نَّخِيلٍ وَأَعْنَٰبٍ وَفَجَّرْنَا فِيهَا مِنَ ٱلْعُيُونِ
ليأكلوا من ثمره وما عملته أيديهم ۖ أفلا يشكرون
লিয়াকুলূ মিন্ ছামারিহী অমা 'আমিলাত্হু আইদীহিম্ আফালা-ইয়াশ্কুরূন্।
যাতে করে তারা খেতে পারে তার ফল। অথচ তাদের হাত তা সৃষ্টি করেনি। তবু কি তোমরা শোকর আদায় করবেনা?
لِيَأْكُلُوا۟ مِن ثَمَرِهِۦ وَمَا عَمِلَتْهُ أَيْدِيهِمْ أَفَلَا يَشْكُرُونَ
سبحان الذي خلق الأزواج كلها مما تنبت الأرض ومن أنفسهم ومما لا يعلمون
সুব্হা-নাল্লাযী খলাক্বল্ আয্ওয়াজ্বা কুল্লাহা-মিম্মা-তুম্বিতুল্ র্আদু অমিন্ আন্ফুসিহিম্ অমিম্মা-লা-ইয়া'লামূন্।
তিনি পবিত্র ও মহান। তিনি উদ্ভিদকে, মানুষকে এবং তারা যাদের জানেনা তাদের সবাইকে সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায়।
سُبْحَٰنَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلْأَزْوَٰجَ كُلَّهَا مِمَّا تُنۢبِتُ ٱلْأَرْضُ وَمِنْ أَنفُسِهِمْ وَمِمَّا لَا يَعْلَمُونَ
وآية لهم الليل نسلخ منه النهار فإذا هم مظلمون
অআ-ইয়াতুল্লা হুমুল্ লাইলু নাস্লাখু মিন্ হুন্নাহা-র ফাইযা-হুম্ মুজ্লিমূন্
তাদের জন্যে আরেকটি নিদর্শন হলো রাত, তা থেকে আমরা অপসারিত করি দিনের আলো, তখন তারা নিমজ্জিত হয়ে পড়ে অন্ধকারে।
وَءَايَةٌ لَّهُمُ ٱلَّيْلُ نَسْلَخُ مِنْهُ ٱلنَّهَارَ فَإِذَا هُم مُّظْلِمُونَ
والشمس تجري لمستقر لها ۚ ذلك تقدير العزيز العليم
অশ্শাম্সু তাজ্ব্রী লিমুস্তার্ক্বরিল্লাহা- যা-লিকা তাকদীরুল্ 'আযীযিল্ 'আলীম্।
সূর্য চলে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে, এটা মহাপরাক্রমশালী মহাজ্ঞানী কর্তৃক নির্ধারিত।
وَٱلشَّمْسُ تَجْرِى لِمُسْتَقَرٍّ لَّهَا ذَٰلِكَ تَقْدِيرُ ٱلْعَزِيزِ ٱلْعَلِيمِ
والقمر قدرناه منازل حتى عاد كالعرجون القديم
অল্ ক্বমার ক্বর্দ্দানা-হু মানা-যিলা হাত্তা- 'আ-দা কাল্ 'র্উজুনিল্ ক্বদীম্।
আর আমরা চাঁদের জন্যে নির্দিষ্ট করে দিয়েছি মনযিলসমূহ। অবশেষে তা শুকনা বাঁকা পুরানো খেজুর ডালের আকৃতি ধারণ করে।
وَٱلْقَمَرَ قَدَّرْنَٰهُ مَنَازِلَ حَتَّىٰ عَادَ كَٱلْعُرْجُونِ ٱلْقَدِيمِ
لا الشمس ينبغي لها أن تدرك القمر ولا الليل سابق النهار ۚ وكل في فلك يسبحون
লাশ্ শাম্সু ইয়াম্বাগী লাহা য় আন্ তুদ্রিকাল্ ক্বমার অলাল্লাইলু সা-বিকুন্ নাহার্- অ কুল্লুন্ ফী ফালাকিইঁ ইয়াস্বাহূন্।
সূর্যের পক্ষে সম্ভব নয় চাঁদের নাগাল পাওয়া এবং রাতের পক্ষেও সম্ভব নয় দিনকে অতিক্রম করা। এরা প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথ ও অক্ষপথে চলছে সাঁতার কেটে।
لَا ٱلشَّمْسُ يَنۢبَغِى لَهَآ أَن تُدْرِكَ ٱلْقَمَرَ وَلَا ٱلَّيْلُ سَابِقُ ٱلنَّهَارِ وَكُلٌّ فِى فَلَكٍ يَسْبَحُونَ
وآية لهم أنا حملنا ذريتهم في الفلك المشحون
অ আ-ইয়াতুল্লাহুম্ আন্না-হামাল্না র্যুরিয়্যাতাহুম্ ফিল্ ফুল্কিল্ মাশ্হূন্।
তাদের জন্যে আরেকটি নিদর্শন হলো, আমরা তাদের বংশধরদের (পূর্ব পুরুষদের) বোঝাই করে আরোহন করিয়েছিলাম নৌযানে,
وَءَايَةٌ لَّهُمْ أَنَّا حَمَلْنَا ذُرِّيَّتَهُمْ فِى ٱلْفُلْكِ ٱلْمَشْحُونِ
وخلقنا لهم من مثله ما يركبون
অখলাক্ব্না-লাহুম্ মিম্ মিছ্লিহী মা-ইর্য়াকাবূন্।
আর তাদের জন্যে অনুরূপ নৌযান সৃষ্টি করেছি, যাতে তারা আরোহণ করে।
وَخَلَقْنَا لَهُم مِّن مِّثْلِهِۦ مَا يَرْكَبُونَ
وإن نشأ نغرقهم فلا صريخ لهم ولا هم ينقذون
অইন্ নাশানুগ্রিক হুম্ ফালা-ছোয়ারীখ লাহুম্ অলা-হুম্ ইয়ুন্ক্বযূন্।
আমরা চাইলে তাদের ডুবিয়ে দিতে পারি, তখন তাদের কোনো সাহায্যকারী থাকবেনা এবং তাদের রক্ষাও করতে পারবেনা কেউ।
وَإِن نَّشَأْ نُغْرِقْهُمْ فَلَا صَرِيخَ لَهُمْ وَلَا هُمْ يُنقَذُونَ
إلا رحمة منا ومتاعا إلى حين
ইল্লা-রহ্মাতাম্ মিন্না- অমাতা-'আন্ ইলা-হীন্।
তবে আমাদের রহমত পেলে এবং আমরা কিছু সময়ের জন্যে জীবন উপভোগ করার সুযোগ দিলে ভিন্ন কথা।
إِلَّا رَحْمَةً مِّنَّا وَمَتَٰعًا إِلَىٰ حِينٍ
وإذا قيل لهم اتقوا ما بين أيديكم وما خلفكم لعلكم ترحمون
অইযা-ক্বীলা লাহুমুত্তাকু মা-বাইনা আইদীকুম্ অমা-খল্ফাকুম্ লা'আল্লাকুম্ র্তুহামূন্।
যখন তাদের বলা হয়: ‘সতর্ক হও সেই সম্পর্কে, যা তোমাদের সামনে রয়েছে এবং সেই ব্যাপারে যা তোমাদের পেছনে রয়েছে, যাতে করে তোমরা রহমতপ্রাপ্ত হও।’
وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ ٱتَّقُوا۟ مَا بَيْنَ أَيْدِيكُمْ وَمَا خَلْفَكُمْ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
وما تأتيهم من آية من آيات ربهم إلا كانوا عنها معرضين
অমা-তাতীহিম্ মিন্ আ-ইয়া-তীম্ মিন্ আ-ইয়া-তি রব্বিহিম্ ইল্লা-কা-নূ 'আন্হা-মু'রিদ্বীন্।
যখনই তাদের কাছে আল্লাহর নিদর্শনসমূহের কোনো নিদর্শন এসেছে, তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
وَمَا تَأْتِيهِم مِّنْ ءَايَةٍ مِّنْ ءَايَٰتِ رَبِّهِمْ إِلَّا كَانُوا۟ عَنْهَا مُعْرِضِينَ
وإذا قيل لهم أنفقوا مما رزقكم الله قال الذين كفروا للذين آمنوا أنطعم من لو يشاء الله أطعمه إن أنتم إلا في ضلال مبين
অ ইযা- ক্বীলা লাহুম্ আনফিকু মিম্মা-রযাক্ব কুমুল্লা-হু ক্ব-লাল্লাযীনা কাফারূ লিল্লাযীনা আ-মানূ য় আনুত্ব'ইমু মাল্লাও ইয়াশা-য়ুল্লা-হু আত্ব্'আমাহূ য় ইন্ আন্তুম্ ইল্লা-ফী দ্বোয়ালা-লিম্ মুবীন্।
যখনই তাদের বলা হয়েছে, তোমাদের যে রিযিক দিয়েছেন তা থেকে (আল্লাহর পথে) ব্যয় করো, তখনই কাফিররা মুমিনদের বলেছে: ‘ চাইলে যাকে খাওয়াতে পারতেন, তাকে কি আমরা খাওয়াবো? তোমরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছো।’
وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ أَنفِقُوا۟ مِمَّا رَزَقَكُمُ ٱللَّهُ قَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَنُطْعِمُ مَن لَّوْ يَشَآءُ ٱللَّهُ أَطْعَمَهُۥٓ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا فِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ
ويقولون متى هذا الوعد إن كنتم صادقين
অ ইয়াকুলূনা মাতা-হা-যাল্ ওয়া'দু ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্
তারা আরো বলে: ‘তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে বলো, কখন আসবে সেই ওয়াদা করা সময়টি (কিয়ামত)?’
وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ
ما ينظرون إلا صيحة واحدة تأخذهم وهم يخصمون
মা-ইয়ান্জুরূনা ইল্লা-ছোয়াইঁহাতাওঁ ওয়া-হিদাতান্ তাখুযুহুম্ অহুম্ ইয়াখিছ্ছিমূন্।
হ্যাঁ, তারা যে জিনিসের অপেক্ষা করছে, তা এক মহাবিকট শব্দ ছাড়া আর কিছু নয়। সেটা তাদের আঘাত করবে তাদের বিবাদকালেই।
مَا يَنظُرُونَ إِلَّا صَيْحَةً وَٰحِدَةً تَأْخُذُهُمْ وَهُمْ يَخِصِّمُونَ
فلا يستطيعون توصية ولا إلى أهلهم يرجعون
ফালা-ইয়াস্তাত্বী'ঊনা তাওছিয়াতাঁও অলা য় ইলা য় আহ্লিহিম্ ইর্য়াজ্বি'ঊন্।
তখন তারা কোনো অসিয়ত করতেও সমর্থ হবেনা এবং তাদের পরিবারবর্গের কাছে ফিরে যাবারও সুযোগ পাবেনা।
فَلَا يَسْتَطِيعُونَ تَوْصِيَةً وَلَآ إِلَىٰٓ أَهْلِهِمْ يَرْجِعُونَ
ونفخ في الصور فإذا هم من الأجداث إلى ربهم ينسلون
অনুফিখ ফিছ্ ছূরি ফাইযা-হুম্ মিনাল্ আজদা-ছি ইলা-রব্বিহিম্ ইয়ান্সিলূন্।
যখন (দ্বিতীয়বার) শিঙায় ফুৎকার দেয়া হবে, তখন সাথে সাথে তারা কবর থেকে উঠে ছুটে আসবে তাদের প্রভুর দিকে।
وَنُفِخَ فِى ٱلصُّورِ فَإِذَا هُم مِّنَ ٱلْأَجْدَاثِ إِلَىٰ رَبِّهِمْ يَنسِلُونَ
قالوا يا ويلنا من بعثنا من مرقدنا ۜ ۗ هذا ما وعد الرحمن وصدق المرسلون
ক্ব-লূ ইয়া-অইলানা-মাম্ বা'আছানা-মিম্ র্মাক্বদিনা-হা-যা-মা-অ'আর্দা রহ্মা-নু অ ছদাক্বাল্ র্মুসালূন্।
তারা বলবে: ‘হায়, ধ্বংস আমাদের, কে উঠালো আমাদেরকে আমাদের নিদ্রাস্থল থেকে?’ (বলা হবে:) এটাই হলো সেটা, দয়াময় - রহমান যার ওয়াদা দিয়েছিলেন। আর রসূলরাও সত্য বলেছিলেন।
قَالُوا۟ يَٰوَيْلَنَا مَنۢ بَعَثَنَا مِن مَّرْقَدِنَا هَٰذَا مَا وَعَدَ ٱلرَّحْمَٰنُ وَصَدَقَ ٱلْمُرْسَلُونَ
إن كانت إلا صيحة واحدة فإذا هم جميع لدينا محضرون
ইন্ কা- নাত্ ইল্লা- ছোয়াইহাতাঁও ওয়া-দাহিদাতান্ ফাইযা-হুম্ জ্বামী'উল্ লাদাইনা-মুহ্দ্বোয়ারূন্।
সেটাও হবে মহাবিকট শব্দ, যা সংঘটিত হবার সাথে সাথে সবাইকে হাজির করা হবে আমাদের সামনে।
إِن كَانَتْ إِلَّا صَيْحَةً وَٰحِدَةً فَإِذَا هُمْ جَمِيعٌ لَّدَيْنَا مُحْضَرُونَ
فاليوم لا تظلم نفس شيئا ولا تجزون إلا ما كنتم تعملون
ফাল্ ইয়াওমা লা-তুজ্লামু নাফ্সুন্ শাইয়াঁও অলা-তুজযাওনা ইল্লা-মা-কুন্তুম্ তা'মালূন্।
আজ কারো প্রতি বিন্দুমাত্র যুলম করা হবেনা এবং তোমরা যা আমল করতে কেবল তারই প্রতিদান দেয়া হবে।
فَٱلْيَوْمَ لَا تُظْلَمُ نَفْسٌ شَيْـًٔا وَلَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
إن أصحاب الجنة اليوم في شغل فاكهون
ইন্না আছ্হা-বাল্ জ্বান্নাতিল্ ইয়াওমা ফী শুগুলিন্ ফাকিহূন্।
নিশ্চয়ই আজ জান্নাতের অধিবাসীরা থাকবে আনন্দ আর উৎফুল্লে মশগুল।
إِنَّ أَصْحَٰبَ ٱلْجَنَّةِ ٱلْيَوْمَ فِى شُغُلٍ فَٰكِهُونَ
هم وأزواجهم في ظلال على الأرائك متكئون
হুম্ অআয্ওয়া-জুহুম্ ফী জিলা-লিন্ 'আলাল্ আর-য়িকি মুত্তাকিয়ূন্।
তারা এবং তাদের স্ত্রীরা/স্বামীরা থাকবে সুমধুর ছায়ায় সুসজ্জিত আসনে সমাসীন।
هُمْ وَأَزْوَٰجُهُمْ فِى ظِلَٰلٍ عَلَى ٱلْأَرَآئِكِ مُتَّكِـُٔونَ
لهم فيها فاكهة ولهم ما يدعون
লাহুম্ ফীহা-ফা-কিহাতুঁও অলাহুম্ মা- ইয়াদ্দা'ঊন্।
তাদের জন্যে সেখানে থাকবে ফলফলারি এবং তারা যা চাইবে সবকিছু।
لَهُمْ فِيهَا فَٰكِهَةٌ وَلَهُم مَّا يَدَّعُونَ
سلام قولا من رب رحيم
সালা-মুন্ ক্বওলাম্ র্মি রর্ব্বি রহীম্।
তাদের প্রতি পরম দয়াবান প্রভুর পক্ষ থেকে সম্ভাষণ হবে - ‘সালাম’।
سَلَٰمٌ قَوْلًا مِّن رَّبٍّ رَّحِيمٍ
وامتازوا اليوم أيها المجرمون
ওয়াম্তা-যুল্ ইয়াওমা আইয়ুহাল্ মুজরিমূন্।
সেদিন বলা হবে: ‘হে অপরাধীরা! তোমরা আজ আলাদা হয়ে যাও।’
وَٱمْتَٰزُوا۟ ٱلْيَوْمَ أَيُّهَا ٱلْمُجْرِمُونَ
۞ ألم أعهد إليكم يا بني آدم أن لا تعبدوا الشيطان ۖ إنه لكم عدو مبين
আলাম্ আ'হাদ্ ইলাইকুম্ ইয়া-বানী য় আ-দামা আল্লা-তা'বুদুশ্ শাইত্বোয়া-না ইন্নাহূ লাকুম্ 'আদুওয়্যুম্ মুবীন্।
হে বনি আদম! আমি কি তোমাদের নির্দেশ দেইনি: ‘‘তোমরা শয়তানের ইবাদত করোনা, কারণ সে তোমাদের সুস্পষ্ট দুশমন।
أَلَمْ أَعْهَدْ إِلَيْكُمْ يَٰبَنِىٓ ءَادَمَ أَن لَّا تَعْبُدُوا۟ ٱلشَّيْطَٰنَ إِنَّهُۥ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
وأن اعبدوني ۚ هذا صراط مستقيم
অআ নি'বুদূনী হা-যা-ছির- তুম্ মুস্তাক্বীম্।
আর কেবল আমারই ইবাদত করো, এটাই সিরাতুল মুস্তাকিম (সরল সঠিক পথ)?’’
وَأَنِ ٱعْبُدُونِى هَٰذَا صِرَٰطٌ مُّسْتَقِيمٌ
ولقد أضل منكم جبلا كثيرا ۖ أفلم تكونوا تعقلون
অলাক্বদ্ আদ্বোয়াল্লা মিন্কুম্ জ্বিবিল্লান্ কাছীর- আফালাম্ তাকূনূ তা'ক্বিলূন্।
শয়তান তো তোমাদের বহু মানবদলকে পথভ্রান্ত করেছিল, তবু কি তোমরা বুঝতে পারোনি?
وَلَقَدْ أَضَلَّ مِنكُمْ جِبِلًّا كَثِيرًا أَفَلَمْ تَكُونُوا۟ تَعْقِلُونَ
هذه جهنم التي كنتم توعدون
হা-যিহী জ্বাহান্নামুল্লাতী কুন্তুম্ তূ'আদূন্।
এ হলো সেই জাহান্নাম, যার ওয়াদা তোমাদের দেয়া হয়েছিল।
هَٰذِهِۦ جَهَنَّمُ ٱلَّتِى كُنتُمْ تُوعَدُونَ
اصلوها اليوم بما كنتم تكفرون
ইছ্লাওহাল্ ইয়াওমা বিমা-কুন্তুম্ তাক্ফুরূন্।
এতেই আজ প্রবেশ করো, কারণ তোমরা কুফুরি করেছিলে।
ٱصْلَوْهَا ٱلْيَوْمَ بِمَا كُنتُمْ تَكْفُرُونَ
اليوم نختم على أفواههم وتكلمنا أيديهم وتشهد أرجلهم بما كانوا يكسبون
আল্ইয়াওমা নাখ্তিমু 'আলা য় আফ্ওয়া-হিহিম্ অ তুকাল্লিমুনা য় আইদীহিম্ অতাশ্হাদু র্আজুলুহুম্ বিমা-কা-নূ ইয়াক্সিবূন্।
আমরা আজ তাদের মুখ সীলমোহর করে দেবো এবং আমাদের সাথে কথা বলবে তাদের হাত আর সাক্ষ্য দেবে তাদের পা সে সম্পর্কে, যা তারা কামাই করেছিল।
ٱلْيَوْمَ نَخْتِمُ عَلَىٰٓ أَفْوَٰهِهِمْ وَتُكَلِّمُنَآ أَيْدِيهِمْ وَتَشْهَدُ أَرْجُلُهُم بِمَا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ
ولو نشاء لطمسنا على أعينهم فاستبقوا الصراط فأنى يبصرون
অলাও নাশা-য়ু লাত্বোয়ামাস্না-'আলা য় আ' ইয়ুনিহিম্ ফাস্তাবাক্বছ্ ছির-ত্বোয়া ফাআন্না-ইয়ুব্ছিরূন্।
আমরা চাইলে তাদের চোখ বিলুপ্ত (অন্ধ) করে দিতে পারতাম, তখন তারা পথ চলতে চাইলে কি চলতে পারতো?
وَلَوْ نَشَآءُ لَطَمَسْنَا عَلَىٰٓ أَعْيُنِهِمْ فَٱسْتَبَقُوا۟ ٱلصِّرَٰطَ فَأَنَّىٰ يُبْصِرُونَ
ولو نشاء لمسخناهم على مكانتهم فما استطاعوا مضيا ولا يرجعون
অলাও নাশা-য়ু লামাসাখ্না-হুম্ 'আলা-মাকা-নাতিহিম্ ফামাস্ তাত্বোয়া-'ঊ মুদ্বিয়্যাওঁ অলা- ইর্য়াজ্বি'ঊন্।
আমরা চাইলে তাদের স্বস্থানে তাদের আকৃতি পরিবর্তন করে বিকৃত করে দিতে পারতাম, তখন তারা কোথাও যেতেও পারতোনা, ফিরেও আসতে পারতোনা
وَلَوْ نَشَآءُ لَمَسَخْنَٰهُمْ عَلَىٰ مَكَانَتِهِمْ فَمَا ٱسْتَطَٰعُوا۟ مُضِيًّا وَلَا يَرْجِعُونَ
ومن نعمره ننكسه في الخلق ۖ أفلا يعقلون
অ মান্ নু'আ র্ম্মিহু নুনাক্কিস্হু ফিল্ খল্ক্ব আফালা-ইয়া'ক্বিলূন্।
আমরা যাকে দীর্ঘ জীবন দান করি, তার সৃষ্টিগত প্রকৃতির অবনতি ঘটিয়ে দেই। তবু কি তারা বুঝার চেষ্টা করবেনা?
وَمَن نُّعَمِّرْهُ نُنَكِّسْهُ فِى ٱلْخَلْقِ أَفَلَا يَعْقِلُونَ
وما علمناه الشعر وما ينبغي له ۚ إن هو إلا ذكر وقرآن مبين
অমা-'আল্লাম্না-হুশ্ শি'রা অমা-ইয়াম্বাগী লাহ্ ইন্ হুওয়া ইল্লা-যিক্রুঁও অক্বর্ আ-নুম্ মুবীন্।
তাকে (মুহাম্মদকে) আমরা কবিতা রচনা করতে শিখাইনি এবং এটা তাঁর জন্যে উপযুক্ত কাজও নয়। এ - তো একটা উপদেশ এবং সুস্পষ্ট কুরআন ছাড়া আর কিছুই নয়,
وَمَا عَلَّمْنَٰهُ ٱلشِّعْرَ وَمَا يَنۢبَغِى لَهُۥٓ إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ وَقُرْءَانٌ مُّبِينٌ
لينذر من كان حيا ويحق القول على الكافرين
লিইয়ুন্যির মান্ কা-না হাইয়্যাঁও অ ইয়াহিকক্বল্ ক্বওলু 'আলাল্ কা-ফিরীন্।
যাতে সে জীবিত লোকদের সতর্ক করতে পারে এবং যাতে কাফিরদের বিরুদ্ধে শাস্তির ফায়সালা সত্য হতে পারে।
لِّيُنذِرَ مَن كَانَ حَيًّا وَيَحِقَّ ٱلْقَوْلُ عَلَى ٱلْكَٰفِرِينَ
أولم يروا أنا خلقنا لهم مما عملت أيدينا أنعاما فهم لها مالكون
আওয়া লাম্ ইয়ারাও আন্না-খলাক্না-লাহুম্ মিম্মা-'আমিলাত্ আইদীনা য় আন্'আ-মান্ ফাহুম্ লাহা-মা-লিকূন্।
তারা কি দেখেনা, আমরা আমাদের হাতে যেসব জিনিস তৈরি করেছি, তার মধ্যে তাদের জন্যে পশুও তৈরি করেছি এবং তারাই সেগুলোর মালিক হয়?
أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّا خَلَقْنَا لَهُم مِّمَّا عَمِلَتْ أَيْدِينَآ أَنْعَٰمًا فَهُمْ لَهَا مَٰلِكُونَ
وذللناها لهم فمنها ركوبهم ومنها يأكلون
অ যাল্লাল্না-হা লাহুম্ ফামিন্হা- রকূবুহুম্ অ মিন্হা-ইয়াকুলূন্।
আর আমরা সেগুলোকে করে দিয়েছি তাদের বশীভূত। ফলে সেগুলোর কিছু পশুকে তারা ব্যবহার করে বাহন হিসেবে, আর তারা আহার করে কিছু পশুর গোশত।
وَذَلَّلْنَٰهَا لَهُمْ فَمِنْهَا رَكُوبُهُمْ وَمِنْهَا يَأْكُلُونَ
ولهم فيها منافع ومشارب ۖ أفلا يشكرون
অলাহুম্ ফীহা-মানা-ফি'ঊ অমাশা-রিব্ আফালা- ইয়াশ্কুরূন্।
সেগুলোতে তাদের জন্যে রয়েছে বহু রকম মুনাফা, রয়েছে পানীয় (দুধ)। তবু কি তারা শোকর আদায় করবেনা?
وَلَهُمْ فِيهَا مَنَٰفِعُ وَمَشَارِبُ أَفَلَا يَشْكُرُونَ
واتخذوا من دون الله آلهة لعلهم ينصرون
অত্তাখযূ মিন্ দূনিল্লা-হি আ-লিহাতাল্ লা'আল্লাহুম্ ইয়ুন্ছোয়ারূন্।
অথচ তারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের ইলাহ্ হিসেবে গ্রহণ করে এই আশা নিয়ে যে, তাদের সাহায্য করা হবে।
وَٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِ ٱللَّهِ ءَالِهَةً لَّعَلَّهُمْ يُنصَرُونَ
لا يستطيعون نصرهم وهم لهم جند محضرون
লা-ইয়াস্তাত্বী'ঊনা নাছ্রহুম্ অহুম্ লাহুম্ জ্বুন্দুম্ মুহ্দ্বোয়ারূন্।
এসব ইলাহ্ তাদের সাহায্য করার সামর্থ রাখেনা। তাদেরকে তাদের (পূজারীদের) বিরুদ্ধে বাহিনী হিসেবে হাজির করা হবে।
لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَهُمْ وَهُمْ لَهُمْ جُندٌ مُّحْضَرُونَ
فلا يحزنك قولهم ۘ إنا نعلم ما يسرون وما يعلنون
ফালা- ইয়াহ্যুন্কা ক্বওলুহুম্ ইন্না-না'লামু মা-ইয়ুর্সিরূনা অমা-ইয়ু'লিনূন্।
সুতরাং তাদের কথাবার্তা যেনো তোমাকে দুঃখ না দেয়। আমরা জানি তারা যা গোপন করে, আর যা করে প্রকাশ।
فَلَا يَحْزُنكَ قَوْلُهُمْ إِنَّا نَعْلَمُ مَا يُسِرُّونَ وَمَا يُعْلِنُونَ
أولم ير الإنسان أنا خلقناه من نطفة فإذا هو خصيم مبين
আওয়ালাম্ ইয়ারল্ ইন্সা-নু আন্না-খলাক্ব্ না-হু মিন্ নুত্ব্ ফাত্ব্ন্ ফাইযা-হুঅ খছীমুম্ মুবীন্।
মানুষ কি দেখেনা, আমরা তাদের সৃষ্টি করেছি নোতফা (শুক্রবিন্দু) থেকে? কিন্তু তারপর তারা (আমাদের বিরুদ্ধেই) সুস্পষ্ট বিতর্ককারী হয়ে দাঁড়ায়।
أَوَلَمْ يَرَ ٱلْإِنسَٰنُ أَنَّا خَلَقْنَٰهُ مِن نُّطْفَةٍ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌ مُّبِينٌ
وضرب لنا مثلا ونسي خلقه ۖ قال من يحيي العظام وهي رميم
অ দ্বোয়ারাবা লানা-মাছালাঁও অ নাসিয়া খল্ক্বাহ্ ক্ব-লা মাইঁ ইয়ুহ্য়িল্ 'ইজোয়া-মা অহিয়া রমীম্।
সে আমাদের সম্পর্কে দৃষ্টান্ত তৈরি করে এবং ভুলে যায় তার সৃষ্টির কথা। সে বলে: ‘পঁচে গলে মাটির সাথে মিশে যাবার পর হাড়গোড়ে কে সঞ্চার করবে প্রাণ?
وَضَرَبَ لَنَا مَثَلًا وَنَسِىَ خَلْقَهُۥ قَالَ مَن يُحْىِ ٱلْعِظَٰمَ وَهِىَ رَمِيمٌ
قل يحييها الذي أنشأها أول مرة ۖ وهو بكل خلق عليم
কুল্ ইয়ুহ্য়ীহাল্লাযী য় আন্শায়াহা য় আও অলা র্মারাহ্ অহুওয়া বিকুল্লি খল্ক্বিন্ 'আলীমুনি।
তুমি বলো: ‘তাতে প্রাণ সঞ্চার করবেন তিনি, যিনি তা প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি প্রতিটি সৃষ্টি সম্পর্কে অগাধ জ্ঞানী।’
قُلْ يُحْيِيهَا ٱلَّذِىٓ أَنشَأَهَآ أَوَّلَ مَرَّةٍ وَهُوَ بِكُلِّ خَلْقٍ عَلِيمٌ
الذي جعل لكم من الشجر الأخضر نارا فإذا أنتم منه توقدون
ল্লাযী জ্বা'আলা লাকুম্ মিনাশ্ শাজ্বারিল্ আখ্দ্বোয়ারি না-রন্ ফাইযা য় আন্তুম্ মিন্হু তূক্বিদূ ন্।
তিনি সেই সত্তা, যিনি তোমাদের জন্যে সবুজ গাছ থেকে উৎপাদন করেন আগুন এবং তোমরা তা প্রজ্জ্বলিত করো।
ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُم مِّنَ ٱلشَّجَرِ ٱلْأَخْضَرِ نَارًا فَإِذَآ أَنتُم مِّنْهُ تُوقِدُونَ
أوليس الذي خلق السماوات والأرض بقادر على أن يخلق مثلهم ۚ بلى وهو الخلاق العليم
আওয়া লাইসাল্লাযী খলাক্বস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বোয়া বিক্ব-দিরিন্ 'আলা য় আইঁ ইয়াখ্লুক্ব মিছ্লাহুম্ বালা-অহুওয়াল্ খল্লাকুল্ 'আলীম্।
যিনি মহাকাশ এবং পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে সক্ষম নন? হ্যাঁ, (অবশ্যি) তিনি মহাজ্ঞানী মহান স্রষ্টা।
أَوَلَيْسَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِقَٰدِرٍ عَلَىٰٓ أَن يَخْلُقَ مِثْلَهُم بَلَىٰ وَهُوَ ٱلْخَلَّٰقُ ٱلْعَلِيمُ
إنما أمره إذا أراد شيئا أن يقول له كن فيكون
ইন্নামা য় আম্রুহূ য় ইযা য় আর-দা শাইয়ান্ আইঁ ইয়াকুলা লাহূ কুন্ ফাইয়াকূন্
তাঁর সৃষ্টির নির্দেশ কার্যকর হয় তো এভাবে, তিনি যখন কিছু চান, তাকে বলেন, ‘হও’, সঙ্গে সঙ্গে তা হয়ে যায়।
إِنَّمَآ أَمْرُهُۥٓ إِذَآ أَرَادَ شَيْـًٔا أَن يَقُولَ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ
فسبحان الذي بيده ملكوت كل شيء وإليه ترجعون
ফাসুব্হা-নাল্ লাযী বিয়াদিহী মালাকূতু কুল্লি শাইয়িঁও অ ইলাইহি র্তুজ্বাঊ'ন্
সুতরাং পবিত্র ও মহান তিনি, যাঁর হাতে রয়েছে প্রতিটি জিনিসের কর্তৃত্ব এবং তাঁরই কাছে ফেরত নেয়া হবে তোমাদের।
فَسُبْحَٰنَ ٱلَّذِى بِيَدِهِۦ مَلَكُوتُ كُلِّ شَىْءٍ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ