بسم الله الرحمن الرحيم سبح لله ما في السماوات والأرض ۖ وهو العزيز الحكيم
মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবাই আল্লাহর তসবিহ করছে এবং তিনি মহাশক্তিধর মহাপ্রজ্ঞাবান।
Chapter 57, 29 verses
بسم الله الرحمن الرحيم سبح لله ما في السماوات والأرض ۖ وهو العزيز الحكيم
মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবাই আল্লাহর তসবিহ করছে এবং তিনি মহাশক্তিধর মহাপ্রজ্ঞাবান।
له ملك السماوات والأرض ۖ يحيي ويميت ۖ وهو على كل شيء قدير
মহাকাশ ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব তাঁর। তিনিই জীবনদান করেন এবং মউত ঘটান। তিনি প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
هو الأول والآخر والظاهر والباطن ۖ وهو بكل شيء عليم
তিনিই প্রথম, তিনিই শেষ, তিনি প্রকাশ্য, তিনি গোপন এবং প্রতিটি বিষয়ে তিনি জ্ঞানী।
هو الذي خلق السماوات والأرض في ستة أيام ثم استوى على العرش ۚ يعلم ما يلج في الأرض وما يخرج منها وما ينزل من السماء وما يعرج فيها ۖ وهو معكم أين ما كنتم ۚ والله بما تعملون بصير
তিনি সেই সত্তা, যিনি সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ ও পৃথিবী ছয়টি কালে, অত:পর তিনি সমাসীন হয়েছেন আরশে। তিনি জানেন যা প্রবেশ করে জমিনে এবং যা বের হয় জমিন থেকে, যা নাযিল হয় আসমান থেকে এবং যা মে’রাজ হয় (উঠে যায়) আসমানে। তিনি তোমাদের সাথে থাকেন, তোমরা যেখানেই থাকো। তোমরা যা করো তিনি সবকিছুর দ্রষ্টা।
له ملك السماوات والأرض ۚ وإلى الله ترجع الأمور
মহাকাশ এবং পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব তাঁরই। আল্লাহর দিকেই ফিরে যায় সমস্ত বিষয়।
يولج الليل في النهار ويولج النهار في الليل ۚ وهو عليم بذات الصدور
তিনিই রাতকে ঢুকিয়ে দেন দিনের মধ্যে এবং দিনকে ঢুকিয়ে দেন রাতের মধ্যে এবং তিনিই অন্তরযামী।
آمنوا بالله ورسوله وأنفقوا مما جعلكم مستخلفين فيه ۖ فالذين آمنوا منكم وأنفقوا لهم أجر كبير
তোমরা ঈমান আনো আল্লাহর প্রতি, তাঁর রসূলের প্রতি, আর তোমাদের যা কিছুর উত্তরাধিকারী করেছেন তা থেকে ব্যয় করো (আল্লাহর পথে)। তোমাদের মধ্য থেকে যারা ঈমান আনে এবং ব্যয় করে (আল্লাহর পথে) তাদের জন্যে রয়েছে মহাপুরস্কার।
وما لكم لا تؤمنون بالله ۙ والرسول يدعوكم لتؤمنوا بربكم وقد أخذ ميثاقكم إن كنتم مؤمنين
তোমাদের কী হয়েছে, কেন তোমরা ঈমান আনোনা আল্লাহর প্রতি, অথচ রসূল তোমাদের দাওয়াত দিচ্ছেন ঈমান আনতে তোমাদের প্রভুর প্রতি, আর তো তোমাদের থেকে মজবুত অংগীকার গ্রহণ করেছেনই, যদি তোমরা হয়ে থাকো।
هو الذي ينزل على عبده آيات بينات ليخرجكم من الظلمات إلى النور ۚ وإن الله بكم لرءوف رحيم
তিনিই তাঁর দাসের প্রতি নাযিল করেন সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ যা তোমাদের বের করে আনে অন্ধকাররাশি থেকে আলোতে এবং অবশ্যি তোমাদের প্রতি পরম করুণাময়, পরম দয়াবান।
وما لكم ألا تنفقوا في سبيل الله ولله ميراث السماوات والأرض ۚ لا يستوي منكم من أنفق من قبل الفتح وقاتل ۚ أولئك أعظم درجة من الذين أنفقوا من بعد وقاتلوا ۚ وكلا وعد الله الحسنى ۚ والله بما تعملون خبير
তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কেন ব্যয় করবেনা আল্লাহর পথে? অথচ মহাকাশ এবং পৃথিবীর মালিকানা তো আল্লাহরই। তোমাদের যারা বিজয়ের আগে ব্যয় করেছে এবং যুদ্ধ করেছে, তারা ঐসব লোকদের চেয়ে মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ, যারা ব্যয় করেছে এবং যুদ্ধ করেছে বিজয়ের পরে। তবে উভয়ের জন্যেই কল্যাণের ওয়াদা দিয়েছেন। তোমরা যা আমল করো সে বিষয়ে খবর রাখেন
من ذا الذي يقرض الله قرضا حسنا فيضاعفه له وله أجر كريم
কে আছে আল্লাহকে ‘করজে হাসানা’ (উত্তম ঋণ) দেবে, তাহলে তার জন্যে তা বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেবেন। তাছাড়া তার জন্যে থাকবে সম্মানজনক পুরস্কার।
يوم ترى المؤمنين والمؤمنات يسعى نورهم بين أيديهم وبأيمانهم بشراكم اليوم جنات تجري من تحتها الأنهار خالدين فيها ۚ ذلك هو الفوز العظيم
সেদিন তুমি দেখবে, পুরুষ এবং নারীদের, তাদের নূর (আলো) তাদের সামনে এবং ডানে দৌড়াদৌড়ি করছে। তাদের বলা হবে: ‘আজ তোমাদের জন্যে সুসংবাদ জান্নাতের, যার নিচে দিয়ে জারি থাকবে নদ নদী নহর। সেখানে থাকবে তোমরা চিরকাল। আর এটাই মহাসাফল্য।
يوم يقول المنافقون والمنافقات للذين آمنوا انظرونا نقتبس من نوركم قيل ارجعوا وراءكم فالتمسوا نورا فضرب بينهم بسور له باب باطنه فيه الرحمة وظاهره من قبله العذاب
সেদিন মুনাফিক পুরুষ এবং মুনাফিক নারীরা মুমিনদের বলবে: ‘আপনারা আমাদের জন্যে একটু অপেক্ষা করুন, যাতে আমরা আপনাদের নূর থেকে কিছু (আলো) গ্রহণ করতে পারি।’ তখন তাদের বলা হবে: ‘তোমরা তোমাদের পেছনে ফিরে যাও এবং আলোর সন্ধান করোগিয়ে।’ তখন উভয়ের মাঝখানে স্থাপিত হয়ে যাবে একটি প্রাচীর, যাতে থাকবে একটি দরজা। তার ভেতরভাগে থাকবে রহমত (জান্নাত), আর বহির্ভাগে থাকবে আযাব (জাহান্নাম)।
ينادونهم ألم نكن معكم ۖ قالوا بلى ولكنكم فتنتم أنفسكم وتربصتم وارتبتم وغرتكم الأماني حتى جاء أمر الله وغركم بالله الغرور
তখন মুনাফিকরা মুমিনদের ডেকে বলবে: ‘আমরা কি (পৃথিবীতে) আপনাদের সাথে ছিলাম না?’ তখন তারা বলবে: ‘হাঁ ছিলে, তবে তোমরা নিজেরাই নিজেদের ফিতনায় (পরীক্ষায়) ফেলেছিলে, তোমরা (আমাদের অমঙ্গলের) অপেক্ষা করছিলে, সন্দেহ পোষণ করছিলে এবং অবাস্তব আকাঙ্ক্ষা তোমাদের প্রতারিত করে রেখেছিল। এমনি করে আল্লাহর হুকুম (মৃত্যু কিংবা ইসলামের বিজয়) এসে পড়েছিল, আর মহাপ্রতারক (শয়তান) আল্লাহর ব্যাপারে তোমাদের প্রতারিত করে রেখেছিল।
فاليوم لا يؤخذ منكم فدية ولا من الذين كفروا ۚ مأواكم النار ۖ هي مولاكم ۖ وبئس المصير
সুতরাং আজ তোমাদের থেকে কোনো ফিদিয়া (মুক্তিপণ) গ্রহণ করা হবেনা এবং কাফিরদের থেকেও নয়। জাহান্নামই হবে তোমাদের আবাস এবং সেটাই হবে তোমাদের মাওলা (তত্ত্বাবধায়ক), আর সেটা যে কতো নিকৃষ্ট পরিণাম!
۞ ألم يأن للذين آمنوا أن تخشع قلوبهم لذكر الله وما نزل من الحق ولا يكونوا كالذين أوتوا الكتاب من قبل فطال عليهم الأمد فقست قلوبهم ۖ وكثير منهم فاسقون
যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহর যিকির এবং তিনি যে মহাসত্য (আল কুরআন) নাযিল করেছেন তার পাঠে তাদের হৃদয় বিগলিত হবার সময় কি এখনো হয়নি? ইতোপূর্বে যাদের কিতাব দেয়া হয়েছিল, এরা যেনো তাদের মতো না হয়। (তাদের অবস্থা এমন হয়েছিল যে,) একটা দীর্ঘসময় অতিবাহিত হবার পর তাদের অন্তর কঠিন হয়ে পড়েছিল এবং তাদের অনেকেই হয়ে পড়েছিল ফাসিক।
اعلموا أن الله يحيي الأرض بعد موتها ۚ قد بينا لكم الآيات لعلكم تعقلون
জেনে রাখো, মরে শুকিয়ে যাবার পর জমিনকে পুনর্জীবিত করেন। এভাবে আমরা তোমাদের জন্যে বিশদ বিবরণ দেই আমাদের আয়াতের, যাতে করে তোমরা বুঝতে পারো।
إن المصدقين والمصدقات وأقرضوا الله قرضا حسنا يضاعف لهم ولهم أجر كريم
নিশ্চয়ই দানশীল পুরুষ এবং দানশীল নারীদের এবং যারা আল্লাহকে করযে হাসানা (উত্তম ঋণ) দেয়, তাদের (ফেরত) দেয়া হবে বহুগুণ বেশি এবং তাদের জন্যে রয়েছে সম্মানজনক পুরস্কার।
والذين آمنوا بالله ورسله أولئك هم الصديقون ۖ والشهداء عند ربهم لهم أجرهم ونورهم ۖ والذين كفروا وكذبوا بآياتنا أولئك أصحاب الجحيم
যারা ঈমান আনে আল্লাহর প্রতি এবং তাঁর রসূলের প্রতি, তারাই তাদের প্রভুর কাছে সিদ্দিক (সত্যনিষ্ঠ) এবং শহীদ (সত্যের সাক্ষ্য)। তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে তাদের পুরস্কার এবং নূর। আর যারা কুফুরি করে এবং অস্বীকার ও প্রত্যাখ্যান করে আমাদের আয়াত, তারাই হবে জাহিমের (জাহান্নামের) অধিবাসী।
اعلموا أنما الحياة الدنيا لعب ولهو وزينة وتفاخر بينكم وتكاثر في الأموال والأولاد ۖ كمثل غيث أعجب الكفار نباته ثم يهيج فتراه مصفرا ثم يكون حطاما ۖ وفي الآخرة عذاب شديد ومغفرة من الله ورضوان ۚ وما الحياة الدنيا إلا متاع الغرور
জেনে রাখো, দুনিয়ার জীবনটা হলো খেল তামাশা, চাকচিক্য, পারস্পরিক অহমিকা এবং ধনমাল ও সন্তান - সন্ততির প্রাচুর্য লাভের প্রতিযোগিতা। এর উপমা হলো বৃষ্টি, যার উৎপাদিত শস্য কৃষকদের উৎফুল্ল করে। তারপর তা শুকিয়ে যায়। ফলে তুমি দেখতে পাও তা হলুদ বর্ণ হয়ে গেছে, অবশেষে তা পরিণত হয় খড়কুটায়। আর আখিরাতে রয়েছে কঠোর আযাব, মাগফিরাত (ক্ষমা) এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি। দুনিয়ার জীবনটা প্রতারণার সামগ্রী ছাড়া আর কিছু নয়।
سابقوا إلى مغفرة من ربكم وجنة عرضها كعرض السماء والأرض أعدت للذين آمنوا بالله ورسله ۚ ذلك فضل الله يؤتيه من يشاء ۚ والله ذو الفضل العظيم
তোমরা প্রতিযোগিতা করে দৌড়ে এসো তোমাদের প্রভুর ক্ষমার দিকে আর সেই জান্নাতের দিকে, যার প্রশস্ততা আসমান জমিনের প্রশস্ততার মতো। এই জান্নাত প্রস্ত্তত রাখা হয়েছে তাদের জন্যে, যারা ঈমান আনে আল্লাহর প্রতি এবং রসূলদের প্রতি। এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করেন। অতীব অনুগ্রহপরায়ণ।
ما أصاب من مصيبة في الأرض ولا في أنفسكم إلا في كتاب من قبل أن نبرأها ۚ إن ذلك على الله يسير
পৃথিবীতে কিংবা তোমাদের জীবনে যে বিপদ মসিবত আসে, তা সংঘটিত করার আগেই লিপিবদ্ধ থাকে, এটা আল্লাহর জন্যে খুবই সহজ।
لكيلا تأسوا على ما فاتكم ولا تفرحوا بما آتاكم ۗ والله لا يحب كل مختال فخور
যাতে করে তোমরা যা হারাও, তাতে বিমর্ষ না হয়ে পড়ো এবং যা তিনি তোমাদের দেন তাতে অতি উৎফুল্ল না হয়ে পড়ো। তো উদ্ধত দাম্ভিকদের পছন্দ করেন না।
الذين يبخلون ويأمرون الناس بالبخل ۗ ومن يتول فإن الله هو الغني الحميد
যারা বখিলি করে এবং মানুষকে বখিলি করার আদেশ করে এবং যারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তারা জেনে রাখুক, অভাবমুক্ত সপ্রশংসিত।
لقد أرسلنا رسلنا بالبينات وأنزلنا معهم الكتاب والميزان ليقوم الناس بالقسط ۖ وأنزلنا الحديد فيه بأس شديد ومنافع للناس وليعلم الله من ينصره ورسله بالغيب ۚ إن الله قوي عزيز
আমরা আমাদের রসূলদের পাঠিয়েছি সুস্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে এবং তাদের সাথে আমরা নাযিল করেছি কিতাব আর মিজান (মানদন্ড), যাতে করে মানুষ সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে। তাছাড়া আমরা নাযিল করেছি ইস্পাত, যাতে রয়েছে প্রচন্ড শক্তি এবং মানুষের জন্যে বহু রকম মুনাফা। এটা এ জন্যে, যাতে বাস্তবে জেনে নেন, না দেখেও কারা আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলদেরকে সাহায্য করে? নিশ্চয়ই শক্তিমান, পরাক্রমশালী।
ولقد أرسلنا نوحا وإبراهيم وجعلنا في ذريتهما النبوة والكتاب ۖ فمنهم مهتد ۖ وكثير منهم فاسقون
আমরা নূহ এবং ইবরাহিমকে রসূল বানিয়ে পাঠিয়েছিলাম এবং তাদের বংশধরদের মধ্যে দিয়েছিলাম নবুয়্যত এবং কিতাব। কিন্তু তাদের কিছু লোক হিদায়াতের পথ অনুসরণ করলেও অধিকাংশই ছিলো ফাসিক।
ثم قفينا على آثارهم برسلنا وقفينا بعيسى ابن مريم وآتيناه الإنجيل وجعلنا في قلوب الذين اتبعوه رأفة ورحمة ورهبانية ابتدعوها ما كتبناها عليهم إلا ابتغاء رضوان الله فما رعوها حق رعايتها ۖ فآتينا الذين آمنوا منهم أجرهم ۖ وكثير منهم فاسقون
আর আমরা তাদের আদর্শের অনুগামী করেছিলাম আরো অনেক রসূলকে এবং অনুগামী করেছিলাম ঈসা ইবনে মরিয়মকে আর তাকে দিয়েছিলাম ইনজিল। তার অনুসারীদের অন্তরে দিয়েছিলাম, করুণা এবং দয়া। আর বৈরাগ্য - যা তারা নিজেরাই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে উদ্ভাবন করে নিয়েছিল, আমরা এই বিধান তাদের দেইনি। অথচ এটাও তারা যথাযথভাবে পালন করেনি। ফলে তাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছিল আমরা তাদের দিয়েছিলাম তাদের পুরস্কার। তবে তাদের অধিকাংশই ছিলো ফাসিক (সত্যত্যাগী)।
يا أيها الذين آمنوا اتقوا الله وآمنوا برسوله يؤتكم كفلين من رحمته ويجعل لكم نورا تمشون به ويغفر لكم ۚ والله غفور رحيم
হে লোকেরা! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং ঈমান আনো তাঁর রসূলের প্রতি, তিনি তাঁর অনুগ্রহে তোমাদের দেবেন দ্বিগুণ পুরস্কার, আর তোমাদের দেবেন নূর (আলো) যার সাহায্যে তোমরা পথ চলবে (জীবন যাপন করবে) এবং তিনি তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন। নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল দয়াবান।
لئلا يعلم أهل الكتاب ألا يقدرون على شيء من فضل الله ۙ وأن الفضل بيد الله يؤتيه من يشاء ۚ والله ذو الفضل العظيم
এটা এজন্যে যে, আহলে কিতাবরা যেনো জানতে পারে, আল্লাহর সামান্যতম অনুগ্রহের উপরও তাদের কোনো অধিকার নেই। সমস্ত অনুগ্রহ আল্লাহরই এখতিয়ারে, তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করেন। আর মহা অনুগ্রহশীল।