بسم الله الرحمن الرحيم الحاقة
সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা,
অবশ্যম্ভাবী ঘটনা (কিয়ামত)।
নিশ্চিত - সত্য!
Chapter 69, 52 verses
بسم الله الرحمن الرحيم الحاقة
সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা,
অবশ্যম্ভাবী ঘটনা (কিয়ামত)।
নিশ্চিত - সত্য!
ما الحاقة
কী সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা?
অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কী?
কি সেই নিশ্চিত - সত্য?
وما أدراك ما الحاقة
আর তুমি কি জান সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কী?
আর কিসে তোমাকে জানাবে অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কী?
আহা, কি দিয়ে তোমাকে বোঝানো যাবে নিশ্চিত - সত্যটা কি?
كذبت ثمود وعاد بالقارعة
আদ ও সামূদ সম্প্রদায় অস্বীকার করিয়াছিল মহাপ্রলয়।
সামূদ ও ‘আদ সম্প্রদায় সজোরে আঘাতকারী (কিয়ামত)কে অস্বীকার করেছিল।
ছামূদ ও 'আদগোষ্ঠী আঘাতকারী প্রলয়কে অস্বীকার করেছিল।
فأما ثمود فأهلكوا بالطاغية
আর সামূদ সম্প্রদায়, উহাদেরকে ধ্বংস করা হইয়াছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দ্বারা।
আর সামূদ সম্প্রদায়, তাদেরকে বিকট শব্দ দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছিল।
তারপর ছামূদগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে - - তাদের তখন ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয়ে।
وأما عاد فأهلكوا بريح صرصر عاتية
আর ‘আদ সম্প্রদায়, উহাদেরকে ধ্বংস করা হইয়াছিল এক প্রচণ্ড ঝঞ্ঝাবায়ু দ্বারা,
আর ‘আদ সম্প্রদায়, তাদেরকে ধ্বংস করা হয়েছিল প্রচন্ড ঠান্ডা ঝঞ্ঝাবায়ু দ্বারা।
আর 'আদগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে - - তাদের তখন ধ্বংস করা হয়েছিল এক গর্জনকারী প্রচন্ড ঝড়ের দ্বারা - -
سخرها عليهم سبع ليال وثمانية أيام حسوما فترى القوم فيها صرعى كأنهم أعجاز نخل خاوية
যাহা তিনি উহাদের উপর প্রবাহিত করিয়াছিলেন সপ্তরাত্রি ও অষ্টদিবস বিরামহীনভাবে; তখন তুমি উক্ত সম্প্রদায়কে দেখিতে - উহারা সেখানে লুটাইয়া পড়িয়া আছে সারশূন্য খর্জুর কাণ্ডের ন্যায়।
তিনি তাদের উপর তা সাত রাত ও আট দিন বিরামহীনভাবে চাপিয়ে দিয়েছিলেন। ফলে তুমি উক্ত সম্প্রদায়কে সেখানে লুটিয়ে পড়া অবস্থায় দেখতে পেতে যেন তারা সারশূন্য খেজুর গাছের মত।
যাকে তিনি তাদের উপরে প্রবাহিত করেছিলেন সাত রাত ও আট দিনব্যাপী, অবিরতভাবে, ফলে তুমি সেই লোকদলকে দেখতে পেতে সেখানে লুটিয়ে পড়ে আছে, যেন তারা খেজুর গাছের ফাঁপা গুড়ি।
فهل ترى لهم من باقية
অতঃপর উহাদের কাহাকেও তুমি বিদ্যমান দেখিতে পাও কি?
তারপর তুমি কি তাদের জন্য কোন অবশিষ্ট কিছু দেখতে পাও?
তারপর তুমি তাদের অবশিষ্ট কিছু দেখতে পাও কি?
وجاء فرعون ومن قبله والمؤتفكات بالخاطئة
ফির‘আওন, তাহার পূর্ববর্তীরা এবং উল্টাইয়া দেওয়া জনপদ পাপাচারে লিপ্ত ছিল।
আর ফির‘আউন, তার পূর্ববর্তীরা এবং উল্টে দেয়া জনপদবাসীরা পাপাচারে লিপ্ত হয়েছিল।
আর ফিরআউন আর যারা তার পূর্ববর্তী ছিল, আর বিধবস্ত শহরগুলো পাপাচার নিয়ে এসেছিল,
فعصوا رسول ربهم فأخذهم أخذة رابية
উহারা উহাদের প্রতিপালকের রাসূলকে অমান্য করিয়াছিল, ফলে তিনি উহাদেরকে শাস্তি দিলেন - কঠোর শাস্তি।
আর তারা তাদের রবের রাসূলকে অমান্য করেছিল। সুতরাং তিনি তাদেরকে অত্যন্ত কঠোরভাবে পাকড়াও করলেন।
যেহেতু তাদের প্রভুর রসূলকে তারা অমান্য করেছিল, সেজন্য তিনি তাদের পাকড়াও করেছিলেন এক সুকঠিন পাকড়ানোতে।
إنا لما طغى الماء حملناكم في الجارية
যখন জলোচ্ছ্বাস হইয়াছিল তখন আমি তোমাদের - কে আরোহণ করাইয়াছিলাম নৌযানে,
যখন জলোচ্ছ্বাস হল, অবশ্যই তখন আমি তোমাদেরকে নৌযানে আরোহণ করিয়েছি।
নিঃসন্দেহ যখন পানি ফেঁপে উঠেছিল, তখন আমরা তোমাদের বহন করেলিাম জাহাজের মধ্যে,
لنجعلها لكم تذكرة وتعيها أذن واعية
আমি ইহা করিয়াছিলাম তোমাদের শিক্ষার জন্য এবং এইজন্য যে, শ্রুতিধর কর্ণ ইহা সংরক্ষণ করে।
একে তোমাদের নিমিত্তে উপদেশ বানানোর জন্য এবং সংরক্ষণকারী কান তা সংরক্ষণ করার জন্য।
যেন আমরা এটিকে তোমাদের জন্য বানাতে পারি স্মরণীয় বিষয়, এবং শ্রুতিধর কান যেন এটি মনে রাখতে পারে।
فإذا نفخ في الصور نفخة واحدة
যখন শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হইবে - একটি মাত্র ফুৎকার,
অতঃপর যখন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে- একটি মাত্র ফুঁক।
সুতরাং যখন শিঙায় ফুৎকার দেওয়া হবে - - একটি মাত্র ফুৎকার, - -
وحملت الأرض والجبال فدكتا دكة واحدة
পর্বতমালাসমেত পৃথিবী উৎক্ষিপ্ত হইবে এবং মাত্র এক ধাক্কায় উহারা চূর্ণ - বিচূর্ণ হইয়া যাইবে।
আর যমীন ও পর্বতমালাকে সরিয়ে নেয়া হবে এবং মাত্র একটি আঘাতে এগুলো চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে।
এবং পৃথিবী ও পাহাড় - পর্বত উত্তোলন করা হবে, আর একটিমাত্র ধাক্কায় তাদের চূর্ণবিচূর্ণ করা হবে।
فيومئذ وقعت الواقعة
সেদিন সংঘটিত হইবে মহাপ্রলয়,
ফলে সে দিন মহাঘটনা সংঘটিত হবে।
অতএব সেইদিন মহাঘটনা সংঘটিত হবে,
وانشقت السماء فهي يومئذ واهية
এবং আকাশ বিদীর্ণ হইয়া যাইবে আর সেই দিন উহা বিক্ষিপ্ত হইয়া পড়িবে।
আর আসমান বিদীর্ণ হয়ে যাবে। ফলে সেদিন তা হয়ে যাবে দুর্বল বিক্ষিপ্ত।
আর আকাশ বিদীর্ণ হবে, ফলে সেইদিন তা হবে ভঙ্গুর;
والملك على أرجائها ۚ ويحمل عرش ربك فوقهم يومئذ ثمانية
ফিরিশ্তাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকিবে এবং সেই দিন আটজন ফিরিশ্তা তোমার প্রতিপালকের আরশকে ধারণ করিবে তাহাদের ঊর্ধ্বে।
ফেরেশতাগণ আসমানের বিভিন্ন প্রান্তে থাকবে। সেদিন তোমার রবের আরশকে আটজন ফেরেশতা তাদের উর্ধ্বে বহন করবে।
আর ফিরিশ্তারা এর প্রান্তগুলোয় রইবে। আর তাদের উপরে সেইদিন তোমার প্রভুর আরশ বহন করবে আটজন।
يومئذ تعرضون لا تخفى منكم خافية
সেই দিন উপস্থিত করা হইবে তোমাদেরকে এবং তোমাদের কিছুই গোপন থাকিবে না।
সেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে। তোমাদের কোন গোপনীয়তাই গোপন থাকবে না।
সেইদিন তোমাদের অনাবৃত করা হবে, - - কোনো গোপন বিষয় তোমাদের থেকে গোপন থাকবে না।
فأما من أوتي كتابه بيمينه فيقول هاؤم اقرءوا كتابيه
তখন যাহাকে তাহার ‘আমলনামা তাহার দক্ষিণ হস্তে দেওয়া হইবে, সে বলিবে, ‘লও, আমার ‘আমলনামা, পড়িয়া দেখ ;
তখন যার আমলনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে সে বলবে, ‘নাও, আমার আমলনামা পড়ে দেখ’।
তারপর যাকে তার বই তার ডান হাতে দেয়া হবে সে তখন বলবে - - ''নাও, আমার এই বই পড়ে দেখো!
إني ظننت أني ملاق حسابيه
‘নিশ্চয়ই আমি জানিতাম যে, আমাকে আমার হিসাবের সম্মুখীন হইতে হইবে।’
‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, আমি আমার হিসাবের সম্মুখীন হব’।
''আমি নিশ্চয়ই জানতাম যে আমি আলবৎ আমার এই হিসাবের সম্মুখীন হতে যাচ্ছি।’’
فهو في عيشة راضية
সুতরাং সে যাপন করিবে সন্তোষজনক জীবন;
সুতরাং সে সন্তোষজনক জীবনে থাকবে।
সুতরাং সে থাকবে এক পূর্ণ - সন্তোষজনক জীবনযাপনে - -
في جنة عالية
সুউচ্চ জান্নাতে
সুউচ্চ জান্নাতে,
এক উঁচু পর্যায়ের জান্নাতে,
قطوفها دانية
যাহার ফলরাশি অবনমিত থাকিবে নাগালের মধ্যে।
তার ফলসমূহ নিকটবর্তী থাকবে।
যার ফলের থোকাগুলো নাগালের মধ্যে।
كلوا واشربوا هنيئا بما أسلفتم في الأيام الخالية
তাহাদেরকে বলা হইবে, ‘পানাহার কর তৃপ্তির সঙ্গে, তোমরা অতীত দিনে যাহা করিয়াছিলে তাহার বিনিময়ে।’
(বলা হবে,) ‘বিগত দিনসমূহে তোমরা যা অগ্রে প্রেরণ করেছ তার বিনিময়ে তোমরা তৃপ্তি সহকারে খাও ও পান কর’।
''খাও আর পান করো তৃপ্তির সঙ্গে সেইজন্য যা তোমরা আগেকার দিনগুলোয় সম্পাদন করেছিলে।’’
وأما من أوتي كتابه بشماله فيقول يا ليتني لم أوت كتابيه
কিন্তু যাহার ‘আমলনামা তাহার বাম হস্তে দেওয়া হইবে, সে বলিবে, ‘হায়! আমাকে যদি দেওয়াই না হইত আমার ‘আমলনামা,
কিন্তু যার আমলনামা তার বাম হাতে দেয়া হবে সে বলবে, ‘হায়, আমাকে যদি আমার আমলনামা দেয়া না হত’!
আর তার ক্ষেত্রে যাকে তার বই তার বাম হাতে দেওয়া হবে সে তখন বলবে - - ''হায় আমার আফসোস! আমার এই বই যদি আমায় কখনো দেখানো না হতো, - -
ولم أدر ما حسابيه
‘এবং আমি যদি না জানিতাম আমার হিসাব !
‘আর যদি আমি না জানতাম আমার হিসাব’!
''আর আমি যদি কখনো জানতাম না আমার এই হিসাবটি কী।
يا ليتها كانت القاضية
‘হায়! আমার মৃত্যুই যদি আমার শেষ হইত।
‘হায়, মৃত্যুই যদি আমার চূড়ান্ত ফয়সালা হত’!
''হায় আফসোস! এইটাই যদি আমার শেষ হতো!
ما أغنى عني ماليه ۜ
‘আমার ধন - সম্পদ আমার কোন কাজেই আসিল না।
‘আমার সম্পদ আমার কোন কাজেই আসল না!’
''আমার ধনসম্পদ আমার কোনো কাজে এল না;
هلك عني سلطانيه
‘আমার ক্ষমতাও বিনষ্ট হইয়াছে।’
‘আমার ক্ষমতাও আমার থেকে চলে গেল!
''আমার কর্তৃত্ব আমার থেকে বিনাশ হয়ে গেছে।’’
خذوه فغلوه
ফিরিশ্তাদেরকে বলা হইবে, ‘ধর উহাকে, উহার গলদেশে বেড়ি পরাইয়া দাও।
(বলা হবে,) ‘তাকে ধর অতঃপর তাকে বেড়ি পরিয়ে দাও।’
''তাকে ধরো এবং তাকে বাঁধো,
ثم الجحيم صلوه
‘অতঃপর উহাকে নিক্ষেপ কর জাহান্নামে।
‘তারপর তাকে তোমরা নিক্ষেপ কর জাহান্নামে’।
''তারপর জ্বলন্ত আগুনে তাকে নিক্ষেপ করো,
ثم في سلسلة ذرعها سبعون ذراعا فاسلكوه
‘পুনরায় তাহাকে শৃঙ্খলিত কর সত্তর হস্ত দীর্ঘ এক শৃঙ্খলে’,
‘তারপর তাকে বাঁধ এমন এক শেকলে যার দৈর্ঘ্য হবে সত্তর হাত।’
''তারপর তাকে এক শিকলে আবদ্ধ করো যার দৈঘ্য হচ্ছে সত্তর হাত।
إنه كان لا يؤمن بالله العظيم
সে তো মহান র প্রতি ছিল না।
সে তো মহান আল্লাহর প্রতি ঈমান পোষণ করত না,
''নিশ্চয় সে বিশ্বাস করত না মহান তে,
ولا يحض على طعام المسكين
এবং অভাবগ্রস্তকে অন্নদানে উৎসাহিত করিত না,
আর মিসকীনকে খাদ্যদানে উৎসাহিত করত না।
''আর সে উৎসাহ দেখাত না গরীবদের খাবার দিতে,
فليس له اليوم هاهنا حميم
অতএব এই দিন সেখানে তাহার কোন সুহৃদ থাকিবে না,
অতএব আজ এখানে তার কোন অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে না।
''সেজন্য আজ তার জন্যে এখানে কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে না,
ولا طعام إلا من غسلين
এবং কোন খাদ্য থাকিবে না ক্ষতনিঃসৃত পুঁজ ব্যতীত,
আর ক্ষত-নিংসৃত পূঁজ ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না,
''আর কোনো খাদ্য থাকবে না ক্ষতনিঃসৃত পুজঁ ব্যতীত - -
لا يأكله إلا الخاطئون
যাহা অপরাধী ব্যতীত কেহ খাইবে না।
অপরাধীরাই শুধু তা খাবে।
''যা পাপীরা ব্যতীত আর কেউ খায় না।’’
فلا أقسم بما تبصرون
আমি কসম করিতেছি উহার, যাহা তোমরা দেখিতে পাও,
অতএব তোমরা যা দেখছ, আমি তার কসম করছি।
কিন্ত না, আমি কসম খাচ্ছি যা তোমরা দেখছ তার,
وما لا تبصرون
এবং যাহা তোমরা দেখিতে পাও না ;
আর যা তোমরা দেখছ না তারও,
এবং যা তোমরা দেখছ না তারও, - -
إنه لقول رسول كريم
নিশ্চয়ই এই কুরআন এক সম্মানিত রাসূলের বহনকৃত বার্তা।
নিশ্চয়ই এটি এক সম্মানিত রাসূলের বাণী।
যে এটি এক সম্মানিত রসূলের বাণী,
وما هو بقول شاعر ۚ قليلا ما تؤمنون
ইহা কোন কবির রচনা নয়; তোমরা অল্পই বিশ্বাস কর,
আর এটি কোন কবির কথা নয়। তোমরা কমই বিশ্বাস কর।
আর এ কোনো কবির আলাপন নয়; সামান্যই তো যা তোমরা বিশ্বাস কর।
ولا بقول كاهن ۚ قليلا ما تذكرون
ইহা কোন গণকের কথাও নয়, তোমরা অল্পই অনুধাবন কর।
আর কোন গণকের কথাও নয়। তোমরা কমই উপদেশ গ্রহণ কর।
আর কোনো গনৎকারের বাক্চাতুরীও নয়, যৎসামান্য যা তোমরা চিন্তা কর!
تنزيل من رب العالمين
ইহা জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ।
এটি সৃষ্টিকুলের রবের পক্ষ থেকে নাযিলকৃত।
এ হচ্ছে এক অবতারণ বিশ্বজগতের প্রভুর কাছ থেকে।
ولو تقول علينا بعض الأقاويل
সে যদি আমার নামে কোন কথা রচনা করিয়া চালাইতে চেষ্টা করিত,
যদি সে আমার নামে কোন মিথ্যা রচনা করত,
আর তিনি যদি আমাদের নামে কোনো বাণী রচনা করতে চাইতেন, - -
لأخذنا منه باليمين
আমি অবশ্যই তাহার দক্ষিণ হস্ত ধরিয়া ফেলিতাম,
তবে আমি তার ডান হাত পাকড়াও করতাম।
তাহলে আমরা নিশ্চয়ই তাকে ডানহাতে পাকড়াও করতাম,
ثم لقطعنا منه الوتين
এবং কাটিয়া দিতাম তাহার জীবন - ধমনী,
তারপর অবশ্যই আমি তার হৃদপিন্ডের শিরা কেটে ফেলতাম।
তারপর নিশ্চয়ই তার কন্ঠশিরা কেটে ফেলতাম,
فما منكم من أحد عنه حاجزين
অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেহই নাই, যে তাহাকে রক্ষা করিতে পারে।
অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউই তাকে রক্ষা করার থাকত না।
তখন তোমাদের মধ্যের কেউই ওর থেকে নিবৃত্ত করতে পারতে না।
وإنه لتذكرة للمتقين
এই কুরআন মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই এক উপদেশ।
আর এটিতো মুত্তাকীদের জন্য এক নিশ্চিত উপদেশ।
আর নিশ্চয়ই এইটি ধর্মভীরুদের জন্য এক স্মারক - গ্রন্থ।
وإنا لنعلم أن منكم مكذبين
আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে মিথ্যা আরোপকারী রহিয়াছে।
আর আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে কতক রয়েছে মিথ্যারোপকারী।
আর নিশ্চয়ই আমরা তো জানি যে তোমাদের মধ্যে সত্যপ্রত্যাখ্যানকারী রয়েছে।
وإنه لحسرة على الكافرين
এবং এই কুরআন নিশ্চয়ই কাফিরদের অনুশোচনার কারণ হইবে,
আর এটি নিশ্চয় কাফিরদের জন্য এক নিশ্চিত অনুশোচনার কারণ।
আর নিঃসন্দেহ এটি অবিশ্বাসীদের জন্য বড় অনুতাপের বিষয়।
وإنه لحق اليقين
অবশ্যই ইহা নিশ্চিত সত্য।
আর নিশ্চয় এটি সুনিশ্চিত সত্য।
আর নিঃসন্দেহ এটি তো সুনিশ্চিত সত্য।
فسبح باسم ربك العظيم
অতএব তুমি মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।
অতএব তুমি তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ কর।
অতএব তোমার মহামহিমান্নিত প্রভুর নামের জপতপ করো।