You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
الجن
Chapter 72, 28 verses
Arabic
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান
Arabic
بسم الله الرحمن الرحيم قل أوحي إلي أنه استمع نفر من الجن فقالوا إنا سمعنا قرآنا عجبا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমার প্রতি ওহী প্রেরিত হইয়াছে যে, জিনদের একটি দল মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করিয়াছে এবং বলিয়াছে, ‘আমরা তো এক বিস্ময়কর কুরআন শ্রবণ করিয়াছি,
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমার প্রতি ওহী নাযিল করা হয়েছে যে, জিনদের একটি দল কোরআন শ্রবণ করেছে, অতঃপর তারা বলেছেঃ আমরা বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি;
Arabic
يهدي إلى الرشد فآمنا به ۖ ولن نشرك بربنا أحدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘যাহা সঠিক পথনির্দেশ করে; ফলে আমরা ইহাতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়াছি। আমরা কখনও আমাদের প্রতিপালকের কোন শরীক স্থির করিব না,
মুহিউদ্দীন খান
যা সৎপথ প্রদর্শন করে। ফলে আমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমরা কখনও আমাদের পালনকর্তার সাথে কাউকে শরীক করব না।
Arabic
وأنه تعالى جد ربنا ما اتخذ صاحبة ولا ولدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং নিশ্চয়ই সমুচ্চ আমাদের প্রতিপালকের মর্যাদা ; তিনি গ্রহণ করেন নাই কোন পত্নী এবং না কোন সন্তান।
মুহিউদ্দীন খান
এবং আরও বিশ্বাস করি যে, আমাদের পালনকর্তার মহান মর্যাদা সবার উর্ধ্বে। তিনি কোন পত্নী গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোন সন্তান নেই।
Arabic
وأنه كان يقول سفيهنا على الله شططا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং আরও এই যে, আমাদের মধ্যকার নির্বোধেরা র সম্বন্ধে অতি অবাস্তব উক্তি করিত।
মুহিউদ্দীন খান
আমাদের মধ্যে নির্বোধেরা তা’আলা সম্পর্কে বাড়াবাড়ির কথাবার্তা বলত।
Arabic
وأنا ظننا أن لن تقول الإنس والجن على الله كذبا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘অথচ আমরা মনে করিতাম মানুষ ও জিন সম্বন্ধে কখনও মিথ্যা আরোপ করিবে না।
মুহিউদ্দীন খান
অথচ আমরা মনে করতাম, মানুষ ও জিন কখনও তা’আলা সম্পর্কে মিথ্যা বলতে পারে না।
Arabic
وأنه كان رجال من الإنس يعوذون برجال من الجن فزادوهم رهقا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আরও এই যে, কতিপয় মানুষ কতক জিনের শরণ লইত, ফলে উহারা জিনদের আত্মম্ভরিতা বাড়াইয়া দিত।’
মুহিউদ্দীন খান
অনেক মানুষ অনেক জিনের আশ্রয় নিত, ফলে তারা জিনদের আত্নম্ভরিতা বাড়িয়ে দিত।
Arabic
وأنهم ظنوا كما ظننتم أن لن يبعث الله أحدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আরও এই যে, জিনেরা বলিয়াছিল, ‘তোমাদের মত মানুষও মনে করে যে, মৃত্যুর পর কাহাকেও পুনরুত্থিত করিবেন না।
মুহিউদ্দীন খান
তারা ধারণা করত, যেমন তোমরা মানবেরা ধারণা কর যে, মৃত্যুর পর তা’আলা কখনও কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না।
Arabic
وأنا لمسنا السماء فوجدناها ملئت حرسا شديدا وشهبا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং আমরা চাহিয়াছিলাম আকাশের তথ্য সংগ্রহ করিতে কিন্তু আমরা দেখিতে পাইলাম কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিণ্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ ;
মুহিউদ্দীন খান
আমরা আকাশ পর্যবেক্ষণ করছি, অতঃপর দেখতে পেয়েছি যে, কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিন্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ।
Arabic
وأنا كنا نقعد منها مقاعد للسمع ۖ فمن يستمع الآن يجد له شهابا رصدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর পূর্বে আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শুনিবার জন্য বসিতাম কিন্তু এখন কেহ সংবাদ শুনিতে চাহিলে সে তাহার উপর নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুত জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ডের সম্মুখীন হয়।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শ্রবণার্থে বসতাম। এখন কেউ সংবাদ শুনতে চাইলে সে জলন্ত উল্কাপিন্ড ওঁৎ পেতে থাকতে দেখে।
Arabic
وأنا لا ندري أشر أريد بمن في الأرض أم أراد بهم ربهم رشدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আমরা জানি না জগদ্বাসীর অমঙ্গলই অভিপ্রেত, না তাহাদের প্রতিপালক তাহাদের মঙ্গল চান।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা জানি না পৃথিবীবাসীদের অমঙ্গল সাধন করা অভীষ্ট, না তাদের পালনকর্তা তাদের মঙ্গল সাধন করার ইচ্ছা রাখেন।
Arabic
وأنا منا الصالحون ومنا دون ذلك ۖ كنا طرائق قددا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং আমাদের কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক ইহার ব্যতিক্রম, আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথের অনুসারী;
মুহিউদ্দীন খান
আমাদের কেউ কেউ সৎকর্মপরায়ণ এবং কেউ কেউ এরূপ নয়। আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত।
Arabic
وأنا ظننا أن لن نعجز الله في الأرض ولن نعجزه هربا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এখন আমরা বুঝিয়াছি যে, আমরা পৃথিবীতে কে পরাভূত করিতে পারিব না এবং পলায়ন করিয়াও তাঁহাকে ব্যর্থ করিতে পারিব না।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা বুঝতে পেরেছি যে, আমরা পৃথিবীতে তা’আলাকে পরাস্ত করতে পারব না এবং পলায়ন করেও তাকে অপারক করত পরব না।
Arabic
وأنا لما سمعنا الهدى آمنا به ۖ فمن يؤمن بربه فلا يخاف بخسا ولا رهقا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আমরা যখন পথনির্দেশক বাণী শুনিলাম তাহাতে বিশ্বাস স্থাপন করিলাম। যে ব্যক্তি তাহার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনে তাহার কোন ক্ষতি ও কোন অন্যায়ের আশংকা থাকিবে না।
মুহিউদ্দীন খান
আমরা যখন সুপথের নির্দেশ শুনলাম, তখন তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব, যে তার পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস করে, সে লোকসান ও জোর - জবরের আশংকা করে না।
Arabic
وأنا منا المسلمون ومنا القاسطون ۖ فمن أسلم فأولئك تحروا رشدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আমাদের কতক আত্মসমর্পণকারী এবং কতক সীমালংঘনকারী ; যাহারা আত্মসর্মপণ করে তাহারা সুচিন্তিতভাবে সত্যপথ বাছিয়া নেয়।
মুহিউদ্দীন খান
আমাদের কিছুসংখ্যক আজ্ঞাবহ এবং কিছুসংখ্যক অন্যায়কারী। যারা আজ্ঞাবহ হয়, তারা সৎপথ বেছে নিয়েছে।
Arabic
وأما القاسطون فكانوا لجهنم حطبا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘অপরপক্ষে সীমালংঘন - কারী তো জাহান্নামেরই ইন্ধন।’
মুহিউদ্দীন খান
আর যারা অন্যায়কারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন।
Arabic
وأن لو استقاموا على الطريقة لأسقيناهم ماء غدقا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা যদি সত্যপথে প্রতিষ্ঠিত থাকিত উহাদেরকে আমি প্রচুর বারি বর্ষণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করিতাম,
মুহিউদ্দীন খান
আর এই প্রত্যাদেশ করা হয়েছে যে, তারা যদি সত্যপথে কায়েম থাকত, তবে আমি তাদেরকে প্রচুর পানি বর্ষণে সিক্ত করতাম।
Arabic
لنفتنهم فيه ۚ ومن يعرض عن ذكر ربه يسلكه عذابا صعدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যদ্দ্বারা আমি উহাদেরকে পরীক্ষা করিতাম। যে ব্যক্তি তাহার প্রতিপালকের স্মরণ হইতে বিমুখ হয় তিনি তাহাকে দুঃসহ শাস্তিতে প্রবেশ করাইবেন।
মুহিউদ্দীন খান
যাতে এ ব্যাপারে তাদেরকে পরীক্ষা করি। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তিনি তাকে উদীয়মান আযাবে পরিচালিত করবেন।
Arabic
وأن المساجد لله فلا تدعوا مع الله أحدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং এই যে মসজিদসমূহ রই জন্য। সুতরাং র সঙ্গে তোমরা অন্য কাহাকেও ডাকিও না।
মুহিউদ্দীন খান
এবং এই ওহীও করা হয়েছে যে, মসজিদসমূহ তা’আলাকে স্মরণ করার জন্য। অতএব, তোমরা তা’আলার সাথে কাউকে ডেকো না।
Arabic
وأنه لما قام عبد الله يدعوه كادوا يكونون عليه لبدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর এই যে, যখন র বান্দা তাঁহাকে ডাকিবার জন্য দণ্ডায়মান হইল তখন তাহারা তাহার নিকট ভিড় জমাইল।
মুহিউদ্দীন খান
আর যখন তা’আলার বান্দা তাঁকে ডাকার জন্যে দন্ডায়মান হল, তখন অনেক জিন তার কাছে ভিড় জমাল।
Arabic
قل إنما أدعو ربي ولا أشرك به أحدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি আমার প্রতিপালককেই ডাকি এবং তাঁহার সঙ্গে কাহাকেও শরীক করি না।’
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমি তো আমার পালনকর্তাকেই ডাকি এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করি না।
Arabic
قل إني لا أملك لكم ضرا ولا رشدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি তোমাদের ইষ্ট - অনিষ্টের মালিক নই।’
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমি তোমাদের ক্ষতি সাধন করার ও সুপথে আনয়ন করার মালিক নই।
Arabic
قل إني لن يجيرني من الله أحد ولن أجد من دونه ملتحدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, র শাস্তি হইতে কেহই আমাকে রক্ষা করিতে পারিবে না এবং ব্যতীত আমি কোন আশ্রয়ও পাইব না,
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ তা’আলার কবল থেকে আমাকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না এবং তিনি ব্যতীত আমি কোন আশ্রয়স্থল পাব না।
Arabic
إلا بلاغا من الله ورسالاته ۚ ومن يعص الله ورسوله فإن له نار جهنم خالدين فيها أبدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘কেবল র পক্ষ হইতে পৌঁছান এবং তাঁহার বাণী প্রচারই আমার দায়িত্ব। যাহারা ও তাঁহার রাসূলকে অমান্য করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের অগ্নি, সেখানে তাহারা চিরস্থায়ী হইবে।
মুহিউদ্দীন খান
কিন্তু তা’আলার বাণী পৌছানো ও তাঁর পয়গাম প্রচার করাই আমার কাজ। যে ও তাঁর রসূলকে অমান্য করে, তার জন্যে রয়েছে জাহান্নামের অগ্নি। তথায় তারা চিরকাল থাকবে।
Arabic
حتى إذا رأوا ما يوعدون فسيعلمون من أضعف ناصرا وأقل عددا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন উহারা প্রতিশ্রুতি শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, বুঝিতে পারিবে, কে সাহায্যকারীর দিক দিয়া দুর্বল এবং কে সংখ্যায় স্বল্প।
মুহিউদ্দীন খান
এমনকি যখন তারা প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে, কার সাহায্যকারী দূর্বল এবং কার সংখ্যা কম।
Arabic
قل إن أدري أقريب ما توعدون أم يجعل له ربي أمدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমি জানি না তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহা কি আসন্ন, না আমার প্রতিপালক ইহার জন্য কোন দীর্ঘ মেয়াদ স্থির করিবেন?’
মুহিউদ্দীন খান
বলুনঃ আমি জানি না তোমাদের প্রতিশ্রুত বিষয় আসন্ন না আমার পালনকর্তা এর জন্যে কোন মেয়াদ স্থির করে রেখেছেন।
Arabic
عالم الغيب فلا يظهر على غيبه أحدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, তিনি তাঁহার অদৃশ্যের জ্ঞান কাহারও নিকট প্রকাশ করেন না,
মুহিউদ্দীন খান
তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না।
Arabic
إلا من ارتضى من رسول فإنه يسلك من بين يديه ومن خلفه رصدا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাঁহার মনোনীত রাসূল ব্যতীত। সেই ক্ষেত্রে রাসূলের অগ্রে এবং পশ্চাতে প্রহরী নিয়োজিত করেন,
মুহিউদ্দীন খান
তাঁর মনোনীত রসূল ব্যতীত। তখন তিনি তার অগ্রে ও পশ্চাতে প্রহরী নিযুক্ত করেন
Arabic
ليعلم أن قد أبلغوا رسالات ربهم وأحاط بما لديهم وأحصى كل شيء عددا
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
রাসূলগণ তাহাদের প্রতিপালকের বাণী পৌঁছাইয়া দিয়াছেন কি না জানিবার জন্য। রাসূলগণের নিকট যাহা আছে তাহা তাঁহার জ্ঞানগোচর এবং তিনি সমস্ত কিছুর বিস্তারিত হিসাব রাখেন।
মুহিউদ্দীন খান
যাতে তা’আলা জেনে নেন যে, রসূলগণ তাঁদের পালনকর্তার পয়গাম পৌছিয়েছেন কি না। রসূলগণের কাছে যা আছে, তা তাঁর জ্ঞান - গোচর। তিনি সবকিছুর সংখ্যার হিসাব রাখেন।