بسم الله الرحمن الرحيم والصافات صفا
শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা সফে (সারিতে) দাঁড়ানো।
وَٱلصَّٰٓفَّٰتِ صَفًّا
Chapter 37, 182 verses
بسم الله الرحمن الرحيم والصافات صفا
শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা সফে (সারিতে) দাঁড়ানো।
وَٱلصَّٰٓفَّٰتِ صَفًّا
فالزاجرات زجرا
ও যাহারা কঠোর পরিচালক
ও যাহারা কঠোর পরিচালক
শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা মেঘমালা পরিচালনাকারী।
فَٱلزَّٰجِرَٰتِ زَجْرًا
فالتاليات ذكرا
এবং যাহারা ‘যিকির’ আবৃত্তিতে রত -
এবং যাহারা ‘যিকির’ আবৃত্তিতে রত -
শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের), যারা তিলাওয়াত করে বা বহন করে আনে আল কুরআন (আল্লাহর নিকট থেকে)।
فَٱلتَّٰلِيَٰتِ ذِكْرًا
إن إلهكم لواحد
নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ্ এক,
নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ্ এক,
নিশ্চয়ই তোমাদের এক ও একক।
إِنَّ إِلَٰهَكُمْ لَوَٰحِدٌ
رب السماوات والأرض وما بينهما ورب المشارق
যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু এবং প্রভু সকল উদয়স্থলের।
যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু এবং প্রভু সকল উদয়স্থলের।
তিনিই মালিক মহাকাশ ও পৃথিবীর এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর, আর তিনিই মালিক উদয়াচলের।
رَّبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَرَبُّ ٱلْمَشَٰرِقِ
إنا زينا السماء الدنيا بزينة الكواكب
আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করিয়াছি,
আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করিয়াছি,
আমরা দুনিয়ার আকাশকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছি নক্ষত্ররাজি দিয়ে,
إِنَّا زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِزِينَةٍ ٱلْكَوَاكِبِ
وحفظا من كل شيطان مارد
এবং রক্ষা করিয়াছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হইতে।
এবং রক্ষা করিয়াছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হইতে।
এবং রক্ষা করেছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান থেকে।
وَحِفْظًا مِّن كُلِّ شَيْطَٰنٍ مَّارِدٍ
لا يسمعون إلى الملإ الأعلى ويقذفون من كل جانب
ফলে উহারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শ্রবণ করিতে পারে না এবং উহাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সকল দিক হইতে -
ফলে উহারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শ্রবণ করিতে পারে না এবং উহাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সকল দিক হইতে -
ফলে তারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শুনতে পায়না এবং তাদের আঘাত করা হয় সবদিক থেকে
لَّا يَسَّمَّعُونَ إِلَى ٱلْمَلَإِ ٱلْأَعْلَىٰ وَيُقْذَفُونَ مِن كُلِّ جَانِبٍ
دحورا ۖ ولهم عذاب واصب
বিতাড়নের জন্য এবং উহাদের জন্য আছে অবিরাম শাস্তি।
বিতাড়নের জন্য এবং উহাদের জন্য আছে অবিরাম শাস্তি।
তাদের তাড়ানোর জন্যে। আর তাদের জন্যে রয়েছে অবিরাম আযাব।
دُحُورًا وَلَهُمْ عَذَابٌ وَاصِبٌ
إلا من خطف الخطفة فأتبعه شهاب ثاقب
তবে কেহ হঠাৎ কিছু শুনিয়া ফেলিলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তাহার পশ্চাদ্ধাবন করে।
তবে কেহ হঠাৎ কিছু শুনিয়া ফেলিলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তাহার পশ্চাদ্ধাবন করে।
তবে হঠাৎ কেউ কিছু শুনে ফেললে তার পেছনে ছুটে যায় জ্বলন্ত উল্কা পিন্ড।
إِلَّا مَنْ خَطِفَ ٱلْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌ ثَاقِبٌ
فاستفتهم أهم أشد خلقا أم من خلقنا ۚ إنا خلقناهم من طين لازب
উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, উহারা সৃষ্টিতে দৃঢ়তর, না আমি অন্য যাহা কিছু সৃষ্টি করিয়াছি তাহা? উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি আঠাল মৃত্তিকা হইতে।
উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, উহারা সৃষ্টিতে দৃঢ়তর, না আমি অন্য যাহা কিছু সৃষ্টি করিয়াছি তাহা? উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি আঠাল মৃত্তিকা হইতে।
তাদের (কাফিরদের) জিজ্ঞেস করো, তারাই কি মজবুত সৃষ্টি, নাকি আমরা অন্য যাদের সৃষ্টি করেছি তারা? এদেরকে তো আমরা সৃষ্টি করেছি আঠাল মাটি দিয়ে।
فَٱسْتَفْتِهِمْ أَهُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَم مَّنْ خَلَقْنَآ إِنَّا خَلَقْنَٰهُم مِّن طِينٍ لَّازِبٍۭ
بل عجبت ويسخرون
তুমি তো বিস্ময় বোধ করিতেছ, আর উহারা করিতেছে বিদ্রুপ।
তুমি তো বিস্ময় বোধ করিতেছ, আর উহারা করিতেছে বিদ্রুপ।
তুমি তো বিস্ময়বোধ করছো, অথচ তারা করছে বিদ্রূপ।
بَلْ عَجِبْتَ وَيَسْخَرُونَ
وإذا ذكروا لا يذكرون
এবং যখন উহাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় উহারা তাহা গ্রহণ করে না।
এবং যখন উহাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় উহারা তাহা গ্রহণ করে না।
তাদের যখন উপদেশ দেয়া হয়, তারা সেদিকে মনোযোগ দেয়না।
وَإِذَا ذُكِّرُوا۟ لَا يَذْكُرُونَ
وإذا رأوا آية يستسخرون
উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে উপহাস করে
উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে উপহাস করে
যখনই তারা কোনো নিদর্শন দেখে, উপহাস করে।
وَإِذَا رَأَوْا۟ ءَايَةً يَسْتَسْخِرُونَ
وقالوا إن هذا إلا سحر مبين
এবং বলে, ‘ইহা তো এক সুস্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’
এবং বলে, ‘ইহা তো এক সুস্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’
তারা বলে: ‘‘এ তো এক পরিষ্কার ম্যাজিক ছাড়া কিছু নয়।
وَقَالُوٓا۟ إِنْ هَٰذَآ إِلَّا سِحْرٌ مُّبِينٌ
أإذا متنا وكنا ترابا وعظاما أإنا لمبعوثون
‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব, তখনও কি আমাদেরকে উত্থিত করা হইবে?
‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব, তখনও কি আমাদেরকে উত্থিত করা হইবে?
আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের পুনরায় উঠানো হবে?
أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَٰمًا أَءِنَّا لَمَبْعُوثُونَ
أوآباؤنا الأولون
‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকেও?’
‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকেও?’
আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকেও?’’
أَوَءَابَآؤُنَا ٱلْأَوَّلُونَ
قل نعم وأنتم داخرون
বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হইবে লাঞ্ছিত।’
বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হইবে লাঞ্ছিত।’
বলো: ‘হ্যাঁ, আর তখন তোমরা হবে লাঞ্ছিত।’
قُلْ نَعَمْ وَأَنتُمْ دَٰخِرُونَ
فإنما هي زجرة واحدة فإذا هم ينظرون
উহা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ - আর তখনই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
উহা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ - আর তখনই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
সেটা হবে একটা প্রচন্ড শব্দ, আর তখনই তারা তা দেখতে পাবে।
فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌ وَٰحِدَةٌ فَإِذَا هُمْ يَنظُرُونَ
وقالوا يا ويلنا هذا يوم الدين
এবং উহারা বলিবে, ‘দুর্ভোগ আমাদের! ইহাই তো কর্মফল দিবস।’
এবং উহারা বলিবে, ‘দুর্ভোগ আমাদের! ইহাই তো কর্মফল দিবস।’
তারা আরো বলবে: ‘হায় ধ্বংস আমাদের, এটা তো প্রতিফল দিবস।’
وَقَالُوا۟ يَٰوَيْلَنَا هَٰذَا يَوْمُ ٱلدِّينِ
هذا يوم الفصل الذي كنتم به تكذبون
ইহাই ফয়সালার দিন যাহা তোমরা অস্বীকার করিতে।
ইহাই ফয়সালার দিন যাহা তোমরা অস্বীকার করিতে।
(তখন তাদের বলা হবে:) ‘এটা হলো ফায়সালার দিন, যে দিনটিকে তোমরা করছিলে অস্বীকার।’
هَٰذَا يَوْمُ ٱلْفَصْلِ ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تُكَذِّبُونَ
۞ احشروا الذين ظلموا وأزواجهم وما كانوا يعبدون
ফিরিশ্তাদেরকে বলা হইবে, ‘একত্র কর ও উহাদের সহচরগণকে এবং উহাদেরকে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহারা -
ফিরিশ্তাদেরকে বলা হইবে, ‘একত্র কর ও উহাদের সহচরগণকে এবং উহাদেরকে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহারা -
(ফেরেশতাদের বলা হবে:) এনে জমা করো যালিমদের, তাদের সাথি সংগিদের এবং তাদের উপাস্যদের, যাদের তারা ইবাদত করতো
ٱحْشُرُوا۟ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ وَأَزْوَٰجَهُمْ وَمَا كَانُوا۟ يَعْبُدُونَ
من دون الله فاهدوهم إلى صراط الجحيم
র পরিবর্তে এবং উহাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে,
ব্যতীত। অতঃপর তাদরেকে পরচিালতি কর জাহান্নামরে পথে,
আল্লাহর পরিবর্তে। তাদের পরিচালিত করো জাহান্নামের দিকে।
مِن دُونِ ٱللَّهِ فَٱهْدُوهُمْ إِلَىٰ صِرَٰطِ ٱلْجَحِيمِ
وقفوهم ۖ إنهم مسئولون
‘অতঃপর উহাদেরকে থামাও, কারণ উহাদেরকে প্রশ্ন করা হইবে :
‘অতঃপর উহাদেরকে থামাও, কারণ উহাদেরকে প্রশ্ন করা হইবে :
তবে তাদের থামাও, কারণ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
وَقِفُوهُمْ إِنَّهُم مَّسْـُٔولُونَ
ما لكم لا تناصرون
‘তোমাদের কী হইল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করিতেছ না?’
‘তোমাদের কী হইল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করিতেছ না?’
তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছো না কেন?
مَا لَكُمْ لَا تَنَاصَرُونَ
بل هم اليوم مستسلمون
বস্তুত সেই দিন উহারা আত্মসর্মপণ করিবে
বস্তুত সেই দিন উহারা আত্মসর্মপণ করিবে
বরং তারা সেদিন আত্মসমর্পণ করে দেবে।
بَلْ هُمُ ٱلْيَوْمَ مُسْتَسْلِمُونَ
وأقبل بعضهم على بعض يتساءلون
এবং উহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে -
এবং উহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে -
তারা একে অপরের সামনা সামনি হয়ে পরস্পরকে প্রশ্ন করবে,
وَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَسَآءَلُونَ
قالوا إنكم كنتم تأتوننا عن اليمين
উহারা বলিবে, ‘তোমরা তো তোমাদের শক্তি লইয়া আমাদের নিকট আসিতে।’
উহারা বলিবে, ‘তোমরা তো তোমাদের শক্তি লইয়া আমাদের নিকট আসিতে।’
তারা বলবে: ‘তোমরা তো ডান দিক থেকে (তোমাদের শক্তি দেখিয়ে) আমাদের কাছে আসতে।’
قَالُوٓا۟ إِنَّكُمْ كُنتُمْ تَأْتُونَنَا عَنِ ٱلْيَمِينِ
قالوا بل لم تكونوا مؤمنين
তাহারা বলিবে, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,
তাহারা বলিবে, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,
তারা জবাবে বলবে: ‘‘তোমরা তো নিজেরাই ছিলে না,
قَالُوا۟ بَل لَّمْ تَكُونُوا۟ مُؤْمِنِينَ
وما كان لنا عليكم من سلطان ۖ بل كنتم قوما طاغين
‘এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না ; বস্তুত তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।
‘এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না ; বস্তুত তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।
আর তোমাদের উপর আমাদের কোনো কর্তৃত্বও ছিলনা। বরং তোমরা ছিলে আল্লাদ্রোহী লোক।
وَمَا كَانَ لَنَا عَلَيْكُم مِّن سُلْطَٰنٍۭ بَلْ كُنتُمْ قَوْمًا طَٰغِينَ
فحق علينا قول ربنا ۖ إنا لذائقون
‘আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিপালকের কথা সত্য হইয়াছে, আমাদেরকে অবশ্যই শাস্তি আস্বাদন করিতে হইবে।
‘আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিপালকের কথা সত্য হইয়াছে, আমাদেরকে অবশ্যই শাস্তি আস্বাদন করিতে হইবে।
তাই আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রভুর কথা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যি শাস্তি ভোগ করতে হবে।
فَحَقَّ عَلَيْنَا قَوْلُ رَبِّنَآ إِنَّا لَذَآئِقُونَ
فأغويناكم إنا كنا غاوين
‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’
‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’
আমরা তোমাদের বিপথগামী করেছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিপথগামী।’’
فَأَغْوَيْنَٰكُمْ إِنَّا كُنَّا غَٰوِينَ
فإنهم يومئذ في العذاب مشتركون
উহারা সকলেই সেই দিন শাস্তির শরীক হইবে।
উহারা সকলেই সেই দিন শাস্তির শরীক হইবে।
সেদিন তারা সবাই শরিকদার হবে আযাবের।
فَإِنَّهُمْ يَوْمَئِذٍ فِى ٱلْعَذَابِ مُشْتَرِكُونَ
إنا كذلك نفعل بالمجرمين
অপরাধীদের প্রতি আমি এইরূপই করিয়া থাকি।
অপরাধীদের প্রতি আমি এইরূপই করিয়া থাকি।
আমরা অপরাধীদের সাথে এ রকমই আচরণ করি।
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَفْعَلُ بِٱلْمُجْرِمِينَ
إنهم كانوا إذا قيل لهم لا إله إلا الله يستكبرون
উহাদেরকে ‘ ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই’ বলা হইলে উহারা অহংকার করিত
তাদের যখন বলা হত, ব্যতীত কােন উপাস্য নেই, তখন তারা ঔদ্ধত্য প্রর্দশন করত।
তাদের যখন বলা হতো: ‘কোনো নেই ছাড়া’, তখন তারা হঠকারিতা প্রদর্শন করতো।
إِنَّهُمْ كَانُوٓا۟ إِذَا قِيلَ لَهُمْ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ يَسْتَكْبِرُونَ
ويقولون أئنا لتاركو آلهتنا لشاعر مجنون
এবং বলিত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহ্গণকে বর্জন করিব?’
এবং বলিত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহ্গণকে বর্জন করিব?’
তারা বলতো: ‘আমরা কি একজন পাগল কবির জন্যে আমাদের ইলাহদের পরিত্যাগ করবো?’
وَيَقُولُونَ أَئِنَّا لَتَارِكُوٓا۟ ءَالِهَتِنَا لِشَاعِرٍ مَّجْنُونٍۭ
بل جاء بالحق وصدق المرسلين
বরং সে তো সত্য লইয়া আসিয়াছে এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলিয়া স্বীকার করিয়াছে।
বরং সে তো সত্য লইয়া আসিয়াছে এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলিয়া স্বীকার করিয়াছে।
বরং সে তো সত্য নিয়ে এসেছে এবং (অতীত) রসূলদের সত্য বলে মেনে নিয়েছে।
بَلْ جَآءَ بِٱلْحَقِّ وَصَدَّقَ ٱلْمُرْسَلِينَ
إنكم لذائقو العذاب الأليم
তোমরা অবশ্যই মর্মন্তুদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করিবে।
তোমরা অবশ্যই মর্মন্তুদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করিবে।
তোমরা অবশ্যি আস্বাদন করবে বেদনাদায়ক আযাব।
إِنَّكُمْ لَذَآئِقُوا۟ ٱلْعَذَابِ ٱلْأَلِيمِ
وما تجزون إلا ما كنتم تعملون
এবং তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল পাইবে -
এবং তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল পাইবে -
এবং তোমরা যেসব কর্মকান্ড করতে সেগুলোরই প্রতিদান পাবে।
وَمَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
إلا عباد الله المخلصين
তবে তাহারা নয় যাহারা র একনিষ্ঠ বান্দা।
তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা বান্দা।
তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা দাস।
إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ
أولئك لهم رزق معلوم
তাহাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযিক -
তাহাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযিক -
তাদের জন্যে রয়েছে পরিচিত রিযিক।
أُو۟لَٰٓئِكَ لَهُمْ رِزْقٌ مَّعْلُومٌ
فواكه ۖ وهم مكرمون
ফলমূল; আর তাহারা হইবে সম্মানিত,
ফলমূল; আর তাহারা হইবে সম্মানিত,
রয়েছে ফলফলারি, আর তারা হবে সম্মানিত,
فَوَٰكِهُ وَهُم مُّكْرَمُونَ
في جنات النعيم
সুখদ - কাননে
সুখদ - কাননে
জান্নাতুন নায়ীমে (নিয়ামতে ভরা জান্নাতে)।
فِى جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ
على سرر متقابلين
তাহারা মুখামুখি হইয়া আসনে আসীন হইবে।
তাহারা মুখামুখি হইয়া আসনে আসীন হইবে।
সেখানে তারা উপবেশন করবে মুখোমুখি আসনে।
عَلَىٰ سُرُرٍ مُّتَقَٰبِلِينَ
يطاف عليهم بكأس من معين
তাহাদেরকে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পরিবেশন করা হইবে বিশুদ্ধ সুরাপূর্ণ পাত্রে।
তাহাদেরকে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পরিবেশন করা হইবে বিশুদ্ধ সুরাপূর্ণ পাত্রে।
তাদের ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে (মদের) পেয়ালা বহমান ঝরণা থেকে
يُطَافُ عَلَيْهِم بِكَأْسٍ مِّن مَّعِينٍۭ
بيضاء لذة للشاربين
শুভ্র উজ্জ্বল, যাহা হইবে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।
শুভ্র উজ্জ্বল, যাহা হইবে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।
শুভ্র সাদা শরাব, যা হবে পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।
بَيْضَآءَ لَذَّةٍ لِّلشَّٰرِبِينَ
لا فيها غول ولا هم عنها ينزفون
উহাতে ক্ষতিকর কিছু থাকিবে না এবং উহাতে তাহারা মাতালও হইবে না,
উহাতে ক্ষতিকর কিছু থাকিবে না এবং উহাতে তাহারা মাতালও হইবে না,
তাতে ক্ষতিকর কিছু থাকবে না এবং তাতে মাতালও হবেনা কেউ।
لَا فِيهَا غَوْلٌ وَلَا هُمْ عَنْهَا يُنزَفُونَ
وعندهم قاصرات الطرف عين
তাহাদের সঙ্গে থাকিবে আনতনয়না, আয়তলোচনা হূরীগণ।
তাহাদের সঙ্গে থাকিবে আনতনয়না, আয়তলোচনা হূরীগণ।
তাদের কাছে থাকবে আনত নয়না এবং আয়তলোচনা নারীরা।
وَعِندَهُمْ قَٰصِرَٰتُ ٱلطَّرْفِ عِينٌ
كأنهن بيض مكنون
তাহারা যেন সুরক্ষিত ডিম্ব।
তাহারা যেন সুরক্ষিত ডিম্ব।
সেসব নারীরা হবে যেনো সযত্নে লালিত সাদা ডিম।
كَأَنَّهُنَّ بَيْضٌ مَّكْنُونٌ
فأقبل بعضهم على بعض يتساءلون
তাহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে।
তাহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে।
তারা পরস্পরের সামনাসামনি হয়ে প্রশ্ন করবে।
فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَسَآءَلُونَ
قال قائل منهم إني كان لي قرين
তাহাদের কেহ বলিবে, ‘আমার ছিল এক সঙ্গী;
তাহাদের কেহ বলিবে, ‘আমার ছিল এক সঙ্গী;
তাদের কেউ কেউ বলবে: (দুনিয়ায়) আমার ছিলো এক সাথি,
قَالَ قَآئِلٌ مِّنْهُمْ إِنِّى كَانَ لِى قَرِينٌ
يقول أإنك لمن المصدقين
‘সে বলিত, ‘তুমি কি ইহাতে যে,
‘সে বলিত, ‘তুমি কি ইহাতে যে,
সে বলতো তুমি কি একথায় যে:
يَقُولُ أَءِنَّكَ لَمِنَ ٱلْمُصَدِّقِينَ
أإذا متنا وكنا ترابا وعظاما أإنا لمدينون
‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং আমরা মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেওয়া হইবে?’
‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং আমরা মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেওয়া হইবে?’
‘আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের প্রতিফল দেয়া হবে?’
أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَٰمًا أَءِنَّا لَمَدِينُونَ
قال هل أنتم مطلعون
বলিবেন, ‘তোমরা কি তাহাকে দেখিতে চাও ?’
বলবনে, তােমরা কি তাকে উকি দয়িে দখেতে চাও?
কেউ একজন বলবে: তোমরা কি দেখতে চাও সে এখন কোথায়?
قَالَ هَلْ أَنتُم مُّطَّلِعُونَ
فاطلع فرآه في سواء الجحيم
অতঃপর সে ঝুঁকিয়া দেখিবে এবং উহাকে দেখিতে পাইবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে;
অতঃপর সে ঝুঁকিয়া দেখিবে এবং উহাকে দেখিতে পাইবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে;
তখন সে ঝুঁকে পড়ে দেখবে এবং তাকে দেখতে পাবে জাহান্নামের মাঝ বরাবর।
فَٱطَّلَعَ فَرَءَاهُ فِى سَوَآءِ ٱلْجَحِيمِ
قال تالله إن كدت لتردين
বলিবে, র কসম! তুমি তাে আমাকে প্রায় ধ্বংসই করিয়াছিলে,
বলিবে, আল্লাহর কসম, তুমি তাে আমাকে প্রায় ধ্বংসই করিয়াছিলে,
সে তাকে বলবে: ‘আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।
قَالَ تَٱللَّهِ إِن كِدتَّ لَتُرْدِينِ
ولولا نعمة ربي لكنت من المحضرين
‘আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ না থাকিলে আমিও তো হাযিরকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে শামিল হইতাম।
‘আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ না থাকিলে আমিও তো হাযিরকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে শামিল হইতাম।
যদি আমার প্রভুর অনুগ্রহ না হতো, তাহলে তো আমিও (জাহান্নামে) হাজির করা লোকদের অন্তরভুক্ত হতাম।’
وَلَوْلَا نِعْمَةُ رَبِّى لَكُنتُ مِنَ ٱلْمُحْضَرِينَ
أفما نحن بميتين
‘আমাদের তো আর মৃত্যু হইবে না
‘আমাদের তো আর মৃত্যু হইবে না
সে বলবে: ‘তাহলে কি আমাদের আর মৃত্যু হবেনা
أَفَمَا نَحْنُ بِمَيِّتِينَ
إلا موتتنا الأولى وما نحن بمعذبين
‘প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তিও দেওয়া হইবে না!’
‘প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তিও দেওয়া হইবে না!’
প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদের কি আযাবও দেয়া হবেনা?’
إِلَّا مَوْتَتَنَا ٱلْأُولَىٰ وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ
إن هذا لهو الفوز العظيم
ইহা তো মহাসাফল্য।
ইহা তো মহাসাফল্য,
নিশ্চয়ই এ হলো মহাসাফল্য।
إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ
لمثل هذا فليعمل العاملون
এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,
এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,
এ রকম সাফল্যের জন্যেই কর্মীদের কাজ করা উচিত।
لِمِثْلِ هَٰذَا فَلْيَعْمَلِ ٱلْعَٰمِلُونَ
أذلك خير نزلا أم شجرة الزقوم
আপ্যায়নের জন্য কি ইহাই শ্রেয় না যাক্কুম বৃক্ষ?
আপ্যায়নের জন্য কি ইহাই শ্রেয় না যাক্কুম বৃক্ষ?
আতিথ্য হিসেবে এটা ভালো, নাকি যাক্কুম গাছ?
أَذَٰلِكَ خَيْرٌ نُّزُلًا أَمْ شَجَرَةُ ٱلزَّقُّومِ
إنا جعلناها فتنة للظالمين
জালিমদের জন্য আমি ইহা সৃষ্টি করিয়াছি পরীক্ষাস্বরূপ,
জালিমদের জন্য আমি ইহা সৃষ্টি করিয়াছি পরীক্ষাস্বরূপ,
যালিমদের জন্যে আমরা এ গাছটি সৃষ্টি করেছি ফিতনা হিসেবে।
إِنَّا جَعَلْنَٰهَا فِتْنَةً لِّلظَّٰلِمِينَ
إنها شجرة تخرج في أصل الجحيم
এই বৃক্ষ উদ্গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হইতে,
এই বৃক্ষ উদ্গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হইতে,
সেটি এমন একটি গাছ, যা উৎপন্ন হয় জাহান্নামের তলদেশ থেকে।
إِنَّهَا شَجَرَةٌ تَخْرُجُ فِىٓ أَصْلِ ٱلْجَحِيمِ
طلعها كأنه رءوس الشياطين
ইহার মোচা যেন শয়তানের মাথা
ইহার মোচা যেন শয়তানের মাথা
সেটার মোচা দেখতে যেনো শয়তানের মাথা।
طَلْعُهَا كَأَنَّهُۥ رُءُوسُ ٱلشَّيَٰطِينِ
فإنهم لآكلون منها فمالئون منها البطون
অবশ্যই উহারা ইহা হইতে ভক্ষণ করিবে এবং উদর পূর্ণ করিবে ইহা দ্বারা।
অবশ্যই উহারা ইহা হইতে ভক্ষণ করিবে এবং উদর পূর্ণ করিবে ইহা দ্বারা।
তারা অবশ্যি তা থেকে খাবে এবং তা দিয়ে ভর্তি করবে পেট।
فَإِنَّهُمْ لَءَاكِلُونَ مِنْهَا فَمَالِـُٔونَ مِنْهَا ٱلْبُطُونَ
ثم إن لهم عليها لشوبا من حميم
তদুপরি উহাদের জন্য থাকিবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।
তদুপরি উহাদের জন্য থাকিবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।
তার উপর তাদের জন্যে থাকবে পুঁজ মিশ্রিত টগবগে ফুটন্ত পানি।
ثُمَّ إِنَّ لَهُمْ عَلَيْهَا لَشَوْبًا مِّنْ حَمِيمٍ
ثم إن مرجعهم لإلى الجحيم
আর উহাদের গন্তব্য হইবে অবশ্যই অগ্নির দিকে।
আর উহাদের গন্তব্য হইবে অবশ্যই অগ্নির দিকে।
তাদের গন্তব্য পথ হবে অবশ্যি জাহান্নামের দিকে।
ثُمَّ إِنَّ مَرْجِعَهُمْ لَإِلَى ٱلْجَحِيمِ
إنهم ألفوا آباءهم ضالين
উহারা উহাদের পিতৃপুরুষগণকে পাইয়াছিল বিপথগামী।
উহারা উহাদের পিতৃপুরুষগণকে পাইয়াছিল বিপথগামী।
সেখানে তারা তাদের পূর্ব পুরুষদের দেখতে পাবে বিপথগামী,
إِنَّهُمْ أَلْفَوْا۟ ءَابَآءَهُمْ ضَآلِّينَ
فهم على آثارهم يهرعون
এবং তাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণে ধাবিত হইয়াছিল।
এবং তাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণে ধাবিত হইয়াছিল।
এবং তারা তাদের পদাংক অনুসরণ করে চলেছিল।
فَهُمْ عَلَىٰٓ ءَاثَٰرِهِمْ يُهْرَعُونَ
ولقد ضل قبلهم أكثر الأولين
উহাদের পূর্বেও পূর্ববর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হইয়াছিল,
উহাদের পূর্বেও পূর্ববর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হইয়াছিল,
তাদের আগেও আগেকার অধিকাংশ লোকই বিপথগামী হয়েছিল।
وَلَقَدْ ضَلَّ قَبْلَهُمْ أَكْثَرُ ٱلْأَوَّلِينَ
ولقد أرسلنا فيهم منذرين
এবং আমি উহাদের মধ্যে সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছিলাম।
এবং আমি উহাদের মধ্যে সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছিলাম।
আমরা তাদের মাঝে পাঠিয়েছিলাম সতর্ককারী।
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا فِيهِم مُّنذِرِينَ
فانظر كيف كان عاقبة المنذرين
সুতরাং লক্ষ্য কর যাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল!
সুতরাং লক্ষ্য কর যাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল!
সুতরাং চেয়ে দেখো, যাদের সতর্ক করা হয়েছিল, কী জঘন্য পরিণতি হয়েছে তাদের?
فَٱنظُرْ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلْمُنذَرِينَ
إلا عباد الله المخلصين
তবে র একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।
তবে আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।
তবে আল্লাহর বাছাই করা বান্দাদের কথা ভিন্ন।
إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ
ولقد نادانا نوح فلنعم المجيبون
নূহ্ আমাকে আহ্বান করিয়াছিল, আর আমি কত উত্তম সাড়াদানকারী।
নূহ্ আমাকে আহ্বান করিয়াছিল, আর আমি কত উত্তম সাড়াদানকারী।
নূহ আমাদের ডেকেছিল, আর আমরা ডাকে কতোইনা উত্তম সাড়াদানকারী!
وَلَقَدْ نَادَىٰنَا نُوحٌ فَلَنِعْمَ ٱلْمُجِيبُونَ
ونجيناه وأهله من الكرب العظيم
তাহাকে এবং তাহার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
তাহাকে এবং তাহার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজনকে উদ্ধার করেছিলাম মহাসংকট থেকে।
وَنَجَّيْنَٰهُ وَأَهْلَهُۥ مِنَ ٱلْكَرْبِ ٱلْعَظِيمِ
وجعلنا ذريته هم الباقين
তাহার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রাখিয়াছি বংশপরম্পরায়,
তাহার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রাখিয়াছি বংশপরম্পরায়,
তার বংশধরদেরই আমরা অবশিষ্ট রেখেছি (প্রজন্মের পর প্রজন্ম)।
وَجَعَلْنَا ذُرِّيَّتَهُۥ هُمُ ٱلْبَاقِينَ
وتركنا عليه في الآخرين
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
আমরা তার (সুনাম) স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْءَاخِرِينَ
سلام على نوح في العالمين
সমগ্র বিশ্বের মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!
সমগ্র বিশ্বের মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক।
সমগ্র জগতের মধ্যে নূহের প্রতি ‘সালাম’ (শান্তি বর্ষিত হোক)।
سَلَٰمٌ عَلَىٰ نُوحٍ فِى ٱلْعَٰلَمِينَ
إنا كذلك نجزي المحسنين
এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি,
এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি,
এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করে থাকি কল্যাণপরায়ণদের।
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ
إنه من عبادنا المؤمنين
সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।
সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।
সে ছিলো আমার বান্দাদের একজন।
إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ
ثم أغرقنا الآخرين
অন্য সকলকে আমি নিমজ্জিত করিয়াছিলাম।
অন্য সকলকে আমি নিমজ্জিত করিয়াছিলাম।
তারপর বাকি সবাইকে আমরা ডুবিয়ে দিয়েছি পানিতে।
ثُمَّ أَغْرَقْنَا ٱلْءَاخَرِينَ
۞ وإن من شيعته لإبراهيم
আর ইব্রাহীম তো তাহার অনুগামীদের অন্তর্ভুক্ত।
আর ইব্রাহীম তো তাহার অনুগামীদের অন্তর্ভুক্ত।
আর তার অনুগামীদেরই একজন ছিলো ইবরাহিম।
وَإِنَّ مِن شِيعَتِهِۦ لَإِبْرَٰهِيمَ
إذ جاء ربه بقلب سليم
স্মরণ কর, সে তাহার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হইয়াছিল বিশুদ্ধচিত্তে;
স্মরণ কর, সে তাহার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হইয়াছিল বিশুদ্ধচিত্তে;
সে তার প্রভুর কাছে উপস্থিত হয়েছিল প্রশান্ত হৃদয় নিয়ে।
إِذْ جَآءَ رَبَّهُۥ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ
إذ قال لأبيه وقومه ماذا تعبدون
যখন সে তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের পূজা করিতেছ?
যখন সে তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের পূজা করিতেছ?
সে তার পিতা এবং তার কওমকে বলেছিল: ‘‘আপনারা কিসের ইবাদত (উপাসনা) করছেন?
إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِۦ مَاذَا تَعْبُدُونَ
أئفكا آلهة دون الله تريدون
‘তােমরা কি র পরিবর্তে অলীক ইলাহ্গুলিকে চাও ?
তােমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে অলীক ইলাহগুলিকে চাও?
আপনারা কি আল্লাহর পরিবর্তে মনগড়া ইলাহদের চান?
أَئِفْكًا ءَالِهَةً دُونَ ٱللَّهِ تُرِيدُونَ
فما ظنكم برب العالمين
‘জগতসমূহের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের ধারণা কী?’
‘জগতসমূহের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের ধারণা কী?’
‘রাববুল আলামিনের’ (বিশ্বজগতের প্রভুর) ব্যাপারে আপনাদের ধারণা কী?’’
فَمَا ظَنُّكُم بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ
فنظر نظرة في النجوم
অতঃপর সে তারকারাজির দিকে একবার তাকাইল
অতঃপর সে তারকারাজির দিকে একবার তাকাইল
অত:পর সে একবার তারকারাজির দিকে তাকালো
فَنَظَرَ نَظْرَةً فِى ٱلنُّجُومِ
فقال إني سقيم
এবং বলিল, ‘আমি অসুস্থ।’
এবং বলিল, ‘আমি অসুস্থ।’
এবং বললো: ‘আমি অসুস্থ।’
فَقَالَ إِنِّى سَقِيمٌ
فتولوا عنه مدبرين
অতঃপর উহারা তাহাকে পশ্চাতে রাখিয়া চলিয়া গেল।
অতঃপর উহারা তাহাকে পশ্চাতে রাখিয়া চলিয়া গেল।
তখন তারা তাকে ফেলে চলে গেলো।
فَتَوَلَّوْا۟ عَنْهُ مُدْبِرِينَ
فراغ إلى آلهتهم فقال ألا تأكلون
পরে সে সন্তর্পণে উহাদের দেবতাগুলির নিকট গেল এবং বলিল, ‘তোমরা খাদ্য গ্রহণ করিতেছ না কেন?’
পরে সে সন্তর্পণে উহাদের দেবতাগুলির নিকট গেল এবং বলিল, ‘তোমরা খাদ্য গ্রহণ করিতেছ না কেন?’
অত:পর সে সতর্কভাবে তাদের (দেবতা) গুলোর কাছে গেলো। তাদের বললো: ‘তোমরা কি খাবেনা?’
فَرَاغَ إِلَىٰٓ ءَالِهَتِهِمْ فَقَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ
ما لكم لا تنطقون
‘তোমাদের কী হইয়াছে যে, তোমরা কথা বল না?’
‘তোমাদের কী হইয়াছে যে, তোমরা কথা বল না?’
‘তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কথা বলোনা কেন?’
مَا لَكُمْ لَا تَنطِقُونَ
فراغ عليهم ضربا باليمين
অতঃপর সে উহাদের উপর সবলে আঘাত হানিল।
অতঃপর সে উহাদের উপর সবলে আঘাত হানিল।
তারপর সে তাদের আঘাত হানলো শক্তভাবে।
فَرَاغَ عَلَيْهِمْ ضَرْبًۢا بِٱلْيَمِينِ
فأقبلوا إليه يزفون
তখন ঐ লোকগুলি তাহার দিকে ছুটিয়া আসিল।
তখন ঐ লোকগুলি তাহার দিকে ছুটিয়া আসিল।
তখন লোকেরা ছুটে এলো তার দিকে।
فَأَقْبَلُوٓا۟ إِلَيْهِ يَزِفُّونَ
قال أتعبدون ما تنحتون
সে বলিল, ‘তোমরা নিজেরা যাহাদেরকে খোদাই করিয়া নির্মাণ কর তোমরা কি তাহাদেরই পূজা কর?
সে বলিল, ‘তোমরা নিজেরা যাহাদেরকে খোদাই করিয়া নির্মাণ কর তোমরা কি তাহাদেরই পূজা কর?
সে বললো: ‘‘তোমরা নিজেরা যেগুলোকে খোদাই করে তৈয়ার করো, তোমরা কি সেগুলোরই পূজা করো?
قَالَ أَتَعْبُدُونَ مَا تَنْحِتُونَ
والله خلقكم وما تعملون
‘প্রকৃতপক্ষে ই সৃষ্টি করিয়াছেন তোমাদেরকে এবং তোমরা যাহা তৈরি কর তাহাও।’
অথচ তা তোমাদেরকে এবং তোমরা যা নর্মিাণ করছ সবাইকে সৃষ্টি করছেনে।
অথচ তোমাদের তো সৃষ্টি করেছেন এবং তোমরা যা তৈরি করো সেগুলোকেও।’’
وَٱللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ
قالوا ابنوا له بنيانا فألقوه في الجحيم
উহারা বলিল, ‘ইহার জন্য এক ইমারত নির্মাণ কর, অতঃপর ইহাকে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিক্ষেপ কর।’
উহারা বলিল, ‘ইহার জন্য এক ইমারত নির্মাণ কর, অতঃপর ইহাকে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিক্ষেপ কর।’
তারা বললো: ‘তার জন্যে ঘেরাও করা প্রাচীরের একটা ইমারত নির্মাণ করো। অতপর তাকে সেই অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করো।’
قَالُوا۟ ٱبْنُوا۟ لَهُۥ بُنْيَٰنًا فَأَلْقُوهُ فِى ٱلْجَحِيمِ
فأرادوا به كيدا فجعلناهم الأسفلين
উহারা তাহার বিরুদ্ধে চক্রান্তের সংকল্প করিয়াছিল; কিন্তু আমি উহাদেরকে অতিশয় হেয় করিয়া দিলাম।
উহারা তাহার বিরুদ্ধে চক্রান্তেরর সংকল্প করিয়াছিল; কিন্তু আমি উহাদেরকে অতিশয় হেয় করিয়া দিলাম।
তখন তারা তার বিরুদ্ধে এক চরম চক্রান্ত করে, কিন্তু আমরা তাদের নিচু করে দিয়েছি।
فَأَرَادُوا۟ بِهِۦ كَيْدًا فَجَعَلْنَٰهُمُ ٱلْأَسْفَلِينَ
وقال إني ذاهب إلى ربي سيهدين
সে বলিল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চলিলাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিবেন;
সে বলিল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চলিলাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিবেন;
সে বলেছিল: ‘‘আমি আমার প্রভুর দিকে চললাম, তিনি আমাকে সঠিক পথ দেখাবেন।
وَقَالَ إِنِّى ذَاهِبٌ إِلَىٰ رَبِّى سَيَهْدِينِ
رب هب لي من الصالحين
‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর।’
‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর।’
আমার প্রভু! আমাকে একটি যোগ্য সন্তান দান করো।’’
رَبِّ هَبْ لِى مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ
فبشرناه بغلام حليم
অতঃপর আমি তাহাকে এক স্থিরবুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম।
অতঃপর আমি তাহাকে এক স্থিরবুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম।
তখন আমরা তাকে সুসংবাদ দিলাম এক স্থির বুদ্ধিসম্পন্ন পুত্র সন্তানের।
فَبَشَّرْنَٰهُ بِغُلَٰمٍ حَلِيمٍ
فلما بلغ معه السعي قال يا بني إني أرى في المنام أني أذبحك فانظر ماذا ترى ۚ قال يا أبت افعل ما تؤمر ۖ ستجدني إن شاء الله من الصابرين
অতঃপর সে যখন তাহার পিতার সঙ্গে কাজ করিবার মত বয়সে উপনীত হইল তখন ইবরাহীম বলিল, ‘বৎস! আমি স্বপ্নের দেখি যে, তোমাকে আমি যবেহ্ করিতেছি, এখন তোমার অভিমত কি বল?’ সে বলিল, ‘হে আমার পিতা! আপনি যাহা আদিষ্ট হইয়াছেন তাহাই করুন। র ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাইবেন।’
অতঃপর সে যখন তাহার পিতার সঙ্গে কাজ করিবার মত বয়সে উপনীত হইল তখন ইবরাহীম বলিল, ‘বৎস! আমি স্বপ্নের দেখি যে, তোমাকে আমি যবেহ্ করিতেছি, এখন তোমার অভিমত কি বল?’ সে বলিল, ‘হে আমার পিতা! আপনি যাহা আদিষ্ট হইয়াছেন তাহাই করুন। ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাইবেন।’
যখন সে তার পিতার সাথে কাজ করার বয়েসে উপনীত হয়, তখন সে (ইবরাহিম) বলেছিল: ‘আমার পুত্র! আমি স্বপ্ন দেখেছি, আমি তোমাকে যবেহ্ করছি। এখন তুমি বলো এ বিষয়ে তোমার অভিমত কী?’ সে বলেছিল: ‘আব্বু! আপনাকে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে আপনি তাই করুন। ইনশাল্লাহ ( চাইলে) আপনি আমাকে পাবেন ধৈর্যশীল।’
فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ ٱلسَّعْىَ قَالَ يَٰبُنَىَّ إِنِّىٓ أَرَىٰ فِى ٱلْمَنَامِ أَنِّىٓ أَذْبَحُكَ فَٱنظُرْ مَاذَا تَرَىٰ قَالَ يَٰٓأَبَتِ ٱفْعَلْ مَا تُؤْمَرُ سَتَجِدُنِىٓ إِن شَآءَ ٱللَّهُ مِنَ ٱلصَّٰبِ
فلما أسلما وتله للجبين
যখন তাহারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করিল এবং ইব্রাহীম তাহার পুত্রকে কাত করিয়া শায়িত করিল,
যখন তাহারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করিল এবং ইব্রাহীম তাহার পুত্রকে কাত করিয়া শায়িত করিল,
যখন তারা দুজনই আত্মসমর্পণ করলো এবং ইবরাহিম তার পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিলো,
فَلَمَّآ أَسْلَمَا وَتَلَّهُۥ لِلْجَبِينِ
وناديناه أن يا إبراهيم
তখন আমি তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিলাম, ‘হে ইব্রাহীম!
তখন আমি তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিলাম, ‘হে ইব্রাহীম!
তখন আমরা তাকে ডেকে বললাম: ‘হে ইবরাহিম!
وَنَٰدَيْنَٰهُ أَن يَٰٓإِبْرَٰهِيمُ
قد صدقت الرؤيا ۚ إنا كذلك نجزي المحسنين
‘তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করিলে!’ - এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
‘তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করিলে!’ - এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
অবশ্যি তুমি স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছো। আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করে থাকি পুণ্যবানদের।
قَدْ صَدَّقْتَ ٱلرُّءْيَآ إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ
إن هذا لهو البلاء المبين
নিশ্চয়ই ইহা ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।
নিশ্চয়ই ইহা ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।
নিশ্চয়ই এটা ছিলো একটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা।
إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ ٱلْبَلَٰٓؤُا۟ ٱلْمُبِينُ
وفديناه بذبح عظيم
আমি তাহাকে মুক্ত করিলাম এক কুরবানীর বিনিময়ে।
আমি তাহাকে মুক্ত করিলাম এক কুরবানীর বিনিময়ে।
অত:পর আমরা তাকে মুক্ত করেছিলাম এক মহাকুরবানির বিনিময়ে।
وَفَدَيْنَٰهُ بِذِبْحٍ عَظِيمٍ
وتركنا عليه في الآخرين
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
আর আমরা পরবর্তীদের মধ্যেও এই কুরবানির রীতি চালু রেখেছি।
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْءَاخِرِينَ
سلام على إبراهيم
ইব্রাহীমের উপর শান্তি বর্ষিত হউক!
ইব্রাহীমের উপর শান্তি বর্ষিত হউক!
সালাম (শান্তি বর্ষিত হোক) ইবরাহিমের প্রতি।
سَلَٰمٌ عَلَىٰٓ إِبْرَٰهِيمَ
كذلك نجزي المحسنين
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
পুণ্যবানদের আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি।
كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ
إنه من عبادنا المؤمنين
নিশ্চয়ই সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম;
নিশ্চয়ই সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম;
সে ছিলো আমাদের দাসদের একজন।
إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ
وبشرناه بإسحاق نبيا من الصالحين
আমি তাহাকে সুসংবাদ দিয়াছিলাম ইস্হাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম,
আমি তাহাকে সুসংবাদ দিয়াছিলাম ইস্হাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম,
তারপর আমরা তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম (পুত্র) ইসহাকের। সেও ছিলো একজন যোগ্য নবী।
وَبَشَّرْنَٰهُ بِإِسْحَٰقَ نَبِيًّا مِّنَ ٱلصَّٰلِحِينَ
وباركنا عليه وعلى إسحاق ۚ ومن ذريتهما محسن وظالم لنفسه مبين
আমি তাহাকে বরকত দান করিয়াছিলাম এবং ইস্হাককেও; তাহাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক নিজেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী।
আমি তাহাকে বরকত দান করিয়াছিলাম এবং ইস্হাককেও; তাহাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক নিজেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী।
আমরা বরকত দান করেছিলাম তাকে এবং ইসহাককেও। তাদের বংশধরদের মধ্যে কিছু কল্যাণপরায়ণ লোকও আছে, আর কিছু আছে নিজেদের প্রতি সুস্পষ্ট যুলুমকারীও।
وَبَٰرَكْنَا عَلَيْهِ وَعَلَىٰٓ إِسْحَٰقَ وَمِن ذُرِّيَّتِهِمَا مُحْسِنٌ وَظَالِمٌ لِّنَفْسِهِۦ مُبِينٌ
ولقد مننا على موسى وهارون
আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি,
আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি,
আমরা ইহসান করেছিলাম মূসা এবং হারূণের প্রতি,
وَلَقَدْ مَنَنَّا عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ
ونجيناهما وقومهما من الكرب العظيم
এবং তাহাদেরকে এবং তাহাদের সম্প্রদায়কে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
এবং তাহাদেরকে এবং তাহাদের সম্প্রদায়কে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
এবং আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাদেরকে এবং তাদের কওমকে মহাসংকট থেকে।
وَنَجَّيْنَٰهُمَا وَقَوْمَهُمَا مِنَ ٱلْكَرْبِ ٱلْعَظِيمِ
ونصرناهم فكانوا هم الغالبين
আমি সাহায্য করিয়াছিলাম তাহাদেরকে ফলে তাহারাই হইয়াছিল বিজয়ী।
আমি সাহায্য করিয়াছিলাম তাহাদেরকে ফলে তাহারাই হইয়াছিল বিজয়ী।
আমরা তাদের সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই হয়েছিল বিজয়ী।
وَنَصَرْنَٰهُمْ فَكَانُوا۟ هُمُ ٱلْغَٰلِبِينَ
وآتيناهما الكتاب المستبين
আমি উভয়কে দিয়াছিলাম বিশদ কিতাব।
আমি উভয়কে দিয়াছিলাম বিশদ কিতাব।
আমরা তাদের উভয়কে দিয়েছিলাম সুবিস্তারিত কিতাব।
وَءَاتَيْنَٰهُمَا ٱلْكِتَٰبَ ٱلْمُسْتَبِينَ
وهديناهما الصراط المستقيم
এবং তাহাদেরকে আমি পরিচালিত করিয়াছিলাম সরল পথে।
এবং তাহাদেরকে আমি পরিচালিত করিয়াছিলাম সরল পথে।
উভয়কেই পরিচালিত করেছিলাম সিরাতুল মুসতাকিমে (সরল সঠিক পথে)।
وَهَدَيْنَٰهُمَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلْمُسْتَقِيمَ
وتركنا عليهما في الآخرين
আমি তাহাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
আমি তাহাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
পরবর্তীদের মাঝে তাদের খ্যাতি সংরক্ষণ করেছি।
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِمَا فِى ٱلْءَاخِرِينَ
سلام على موسى وهارون
মূসা ও হারূনের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!
মূসা ও হারূনের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!
সালাম মূসা এবং হারূণের প্রতি।
سَلَٰمٌ عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ
إنا كذلك نجزي المحسنين
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি পুণ্যবানদের।
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ
إنهما من عبادنا المؤمنين
তাহারা উভয়েই ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
তাহারা উভয়েই ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
তারা উভয়েই ছিলো আমাদের দাসদের অন্তরভুক্ত।
إِنَّهُمَا مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ
وإن إلياس لمن المرسلين
ইল্ইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।
ইল্ইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।
নিশ্চয়ই ইলিয়াসও ছিলো রসূলদের একজন।
وَإِنَّ إِلْيَاسَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ
إذ قال لقومه ألا تتقون
স্মরণ কর, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?
স্মরণ কর, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?
স্মরণ করো, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা কি সতর্ক হবেনা?
إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِۦٓ أَلَا تَتَّقُونَ
أتدعون بعلا وتذرون أحسن الخالقين
‘তোমরা কি বা‘আলকে ডাকিবে এবং পরিত্যাগ করিবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা -
‘তোমরা কি বা‘আলকে ডাকিবে এবং পরিত্যাগ করিবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা -
তোমরা কি বা’আল (দেবতা) - কেই ডাকবে, আর পরিত্যাগ করবে সর্বশ্রেষ্ঠ স্রষ্টা
أَتَدْعُونَ بَعْلًا وَتَذَرُونَ أَحْسَنَ ٱلْخَٰلِقِينَ
الله ربكم ورب آبائكم الأولين
কে, যিনি প্রতিপালক তোমাদের - প্রতিপালক তোমাদের প্রাক্তন পূর্বপুরুষদের ?’
যনিি তা তোমাদের পালনর্কতা এবং তা তোমাদের র্পূবপুরুষদরে পালনর্কতা?
আল্লাহকে, যিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদেরও রব?’’
ٱللَّهَ رَبَّكُمْ وَرَبَّ ءَابَآئِكُمُ ٱلْأَوَّلِينَ
فكذبوه فإنهم لمحضرون
কিন্তু উহারা তাহাকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, কাজেই উহাদেরকে অবশ্যই শাস্তির জন্য উপস্থিত করা হইবে।
কিন্তু উহারা তাহাকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, কাজেই উহাদেরকে অবশ্যই শাস্তির জন্য উপস্থিত করা হইবে।
কিন্তু তারা তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রত্যাখ্যান করে। সুতরাং তাদেরকে অবশ্যি (শাস্তির জন্যে) হাজির করা হবে।
فَكَذَّبُوهُ فَإِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ
إلا عباد الله المخلصين
তবে র একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।
কিন্তু তা’আলার খাঁটি বান্দাগণ নয়।
তবে আমাদের মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দাদের কথা ভিন্ন।
إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ
وتركنا عليه في الآخرين
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
আমরা তাকে স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْءَاخِرِينَ
سلام على إل ياسين
ইল্ইয়াসীনের উপর শান্তি বর্ষিত হউক।
ইল্ইয়াসীনের উপর শান্তি বর্ষিত হউক।
সালাম ইলয়াসিনের (ইলিয়াসের) প্রতি।
سَلَٰمٌ عَلَىٰٓ إِلْ يَاسِينَ
إنا كذلك نجزي المحسنين
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করি কল্যাণপরায়ণদের।
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ
إنه من عبادنا المؤمنين
সে তো ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।
সে তো ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।
সে ছিলো আমাদের দাসদের একজন।
إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ
وإن لوطا لمن المرسلين
লূতও ছিল রাসূলদের একজন।
লূতও ছিল রাসূলদের একজন।
নিশ্চয়ই লুতও ছিলো রসূলদের একজন।
وَإِنَّ لُوطًا لَّمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ
إذ نجيناه وأهله أجمعين
আমি তাহাকে ও তাহার পরিবারের সকলকে উদ্ধার করিয়াছিলাম -
আমি তাহাকে ও তাহার পরিবারের সকলকে উদ্ধার করিয়াছিলাম -
আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজন সবাইকে নাজাত দিয়েছিলাম
إِذْ نَجَّيْنَٰهُ وَأَهْلَهُۥٓ أَجْمَعِينَ
إلا عجوزا في الغابرين
এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
এক বৃদ্ধাকে ছাড়া। সে ছিলো পেছনে পড়াদের একজন।
إِلَّا عَجُوزًا فِى ٱلْغَٰبِرِينَ
ثم دمرنا الآخرين
অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করিয়াছিলাম।
অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করিয়াছিলাম।
(তাদের নাজাত দিয়ে) বাকিদের আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।
ثُمَّ دَمَّرْنَا ٱلْءَاخَرِينَ
وإنكم لتمرون عليهم مصبحين
তোমরা তো উহাদের ধ্বংসাবশেষগুলি অতিক্রম করিয়া থাক সকালে ও
তোমরা তো উহাদের ধ্বংসাবশেষগুলি অতিক্রম করিয়া থাক সকালে ও
তোমরা তাদের ধ্বংসাবশেষগুলো অতিক্রম করো সকালে
وَإِنَّكُمْ لَتَمُرُّونَ عَلَيْهِم مُّصْبِحِينَ
وبالليل ۗ أفلا تعقلون
সন্ধ্যায়। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করিবে না?
সন্ধ্যায়। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করিবে না?
এবং রাত্রে। তবু কি তোমরা আকল খাটাবেনা?
وَبِٱلَّيْلِ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
وإن يونس لمن المرسلين
ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।
ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।
ইউনুস অবশ্যি রসূলদের একজন।
وَإِنَّ يُونُسَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ
إذ أبق إلى الفلك المشحون
স্মরণ কর, যখন সে পলায়ন করিয়া বোঝাই নৌযানে পৌঁছিল,
স্মরণ কর, যখন সে পলায়ন করিয়া বোঝাই নৌযানে পৌঁছিল,
স্মরণ করো, যখন সে পালিয়ে এসে বোঝাই করা নৌযানের কাছে পৌঁছালো।
إِذْ أَبَقَ إِلَى ٱلْفُلْكِ ٱلْمَشْحُونِ
فساهم فكان من المدحضين
অতঃপর সে লটারীতে যোগদান করিল এবং পরাভূত হইল।
অতঃপর সে লটারীতে যোগদান করিল এবং পরাভূত হইল।
তারপর সে লটারিতে যোগ দিলো এবং পরাজিত হলো।
فَسَاهَمَ فَكَانَ مِنَ ٱلْمُدْحَضِينَ
فالتقمه الحوت وهو مليم
পরে এক বৃহদাকার মৎস্য তাহাকে গিলিয়া ফেলিল, তখন সে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগিল।
পরে এক বৃহদাকার মৎস্য তাহাকে গিলিয়া ফেলিল, তখন সে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগিল।
(ফলে তারা তাকে ফেলে দিলো দরিয়ায়) এবং একটা বিশাল মাছ তাকে গিলে ফেললো। তখন সে নিজেকে তিরস্কার করতে থাকলো।
فَٱلْتَقَمَهُ ٱلْحُوتُ وَهُوَ مُلِيمٌ
فلولا أنه كان من المسبحين
সে যদি র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা না করিত,
যদি তিনি আল্লাহর তসবীহ পাঠ না করতনে,
সে যদি আল্লাহর তসবিহ ঘোষণাকারী না হতো,
فَلَوْلَآ أَنَّهُۥ كَانَ مِنَ ٱلْمُسَبِّحِينَ
للبث في بطنه إلى يوم يبعثون
তাহা হইলে তাহাকে উত্থান দিবস পর্যন্ত থাকিতে হইত উহার উদরে।
তাহা হইলে তাহাকে উত্থান দিবস পর্যন্ত থাকিতে হইত উহার উদরে।
তাহলে তাকে তার পেটেই থাকতে হতো পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।
لَلَبِثَ فِى بَطْنِهِۦٓ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ
۞ فنبذناه بالعراء وهو سقيم
অতঃপর ইউনুসকে আমি নিক্ষেপ করিলাম এক তৃণহীন প্রান্তরে এবং সে ছিল রুগ্ন।
অতঃপর ইউনুসকে আমি নিক্ষেপ করিলাম এক তৃণহীন প্রান্তরে এবং সে ছিল রুগ্ন।
তখন আমরা তাকে নিক্ষেপ করলাম এক তরুলতাবিহীন প্রান্তরে এবং তখন ভীষণ অসুস্থ ছিলো সে।
فَنَبَذْنَٰهُ بِٱلْعَرَآءِ وَهُوَ سَقِيمٌ
وأنبتنا عليه شجرة من يقطين
পরে আমি তাহার উপর এক লাউ গাছ উদ্গত করিলাম.
পরে আমি তাহার উপর এক লাউ গাছ উদ্গত করিলাম.
আমরা তার উপর উদগত করে দিলাম একটি লাউ গাছ।
وَأَنۢبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِّن يَقْطِينٍ
وأرسلناه إلى مائة ألف أو يزيدون
তাহাকে আমি এক লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করিয়াছিলাম।
তাহাকে আমি এক লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করিয়াছিলাম।
তারপর আমরা তাকে পুনরায় পাঠালাম এক লাখ বা তার চাইতে বেশি লোকের জনপদে।
وَأَرْسَلْنَٰهُ إِلَىٰ مِا۟ئَةِ أَلْفٍ أَوْ يَزِيدُونَ
فآمنوا فمتعناهم إلى حين
এবং তাহারা ঈমান আনিয়াছিল; ফলে আমি তাহাদেরকে কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করিতে দিলাম।
এবং তাহারা ঈমান আনিয়াছিল; ফলে আমি তাহাদেরকে কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করিতে দিলাম।
তখন তারা ঈমান আনলো, ফলে আমরা তাদেরকে কিছু কালের জন্যে জীবন ভোগ করতে দিয়েছিলাম।
فَـَٔامَنُوا۟ فَمَتَّعْنَٰهُمْ إِلَىٰ حِينٍ
فاستفتهم ألربك البنات ولهم البنون
এখন উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার প্রতিপালকের জন্যই কি রহিয়াছে কন্যা সন্তান এবং উহাদের জন্য পুত্র সন্তান?’
এখন উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার প্রতিপালকের জন্যই কি রহিয়াছে কন্যা সন্তান এবং উহাদের জন্য পুত্র সন্তান?’
এখন তুমি তাদের জিজ্ঞেস করো: সব কন্যা সন্তান কি তোমার প্রভুর জন্যে, আর তাদের জন্যে কি সব পুত্র সন্তান?
فَٱسْتَفْتِهِمْ أَلِرَبِّكَ ٱلْبَنَاتُ وَلَهُمُ ٱلْبَنُونَ
أم خلقنا الملائكة إناثا وهم شاهدون
অথবা আমি কি ফিরিশ্তাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করিয়াছিলাম, আর উহারা প্রত্যক্ষ করিতেছিল?
অথবা আমি কি ফিরিশ্তাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করিয়াছিলাম, আর উহারা প্রত্যক্ষ করিতেছিল?
নাকি আমরা ফেরেশতাদের নারী করে সৃষ্টি করেছি এবং এ ব্যাপারে তারা ছিলো প্রত্যক্ষদর্শী?
أَمْ خَلَقْنَا ٱلْمَلَٰٓئِكَةَ إِنَٰثًا وَهُمْ شَٰهِدُونَ
ألا إنهم من إفكهم ليقولون
দেখ উহারা তো মনগড়া কথা বলে যে,
দেখ উহারা তো মনগড়া কথা বলে যে,
সাবধান, তারা কথা রচনা করে বলে:
أَلَآ إِنَّهُم مِّنْ إِفْكِهِمْ لَيَقُولُونَ
ولد الله وإنهم لكاذبون
‘ সন্তান জন্ম দিয়াছেন!’ উহারা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।
সন্তান জন্ম দয়িছেনে। নিশ্চয় তারা মথ্যিাবাদী।
‘ সন্তান জন্ম দিয়েছেন।’ আসলে তারা চরম মিথ্যাবাদী।
وَلَدَ ٱللَّهُ وَإِنَّهُمْ لَكَٰذِبُونَ
أصطفى البنات على البنين
তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান পসন্দ করিতেন?
তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান পসন্দ করিতেন?
তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান বেছে নিয়েছেন?
أَصْطَفَى ٱلْبَنَاتِ عَلَى ٱلْبَنِينَ
ما لكم كيف تحكمون
তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা কিরূপ বিচার কর?
তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা কিরূপ বিচার কর?
তোমাদের হয়েছে কী, তোমাদের এ কেমন বিচার?
مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ
أفلا تذكرون
তবে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?
তবে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?
তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না?
أَفَلَا تَذَكَّرُونَ
أم لكم سلطان مبين
তোমাদের কী সুস্পষ্ট দলীল - প্রমাণ আছে?
তোমাদের কী সুস্পষ্ট দলীল - প্রমাণ আছে?
নাকি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে?
أَمْ لَكُمْ سُلْطَٰنٌ مُّبِينٌ
فأتوا بكتابكم إن كنتم صادقين
তোমরা সত্যবাদী হইলে তোমাদের কিতাব উপস্থিত কর।
তোমরা সত্যবাদী হইলে তোমাদের কিতাব উপস্থিত কর।
তবে তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে তোমাদের কিতাব নিয়ে আসো।
فَأْتُوا۟ بِكِتَٰبِكُمْ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ
وجعلوا بينه وبين الجنة نسبا ۚ ولقد علمت الجنة إنهم لمحضرون
উহারা ও জিন জাতির মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করিয়াছে, অথচ জিনেরা জানে তাহাদেরকেও নিশ্চয়ই উপস্থিত করা হইবে শাস্তির জন্য।
উহারা ও জিন জাতির মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করিয়াছে, অথচ জিনেরা জানে তাহাদেরকেও নিশ্চয়ই উপস্থিত করা হইবে শাস্তির জন্য।
তারা এবং জিনদের মাঝেও আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করে। অথচ জিনরা জানে, অবশ্যি তাদেরকে হাজির করা হবে বিচারের জন্যে।
وَجَعَلُوا۟ بَيْنَهُۥ وَبَيْنَ ٱلْجِنَّةِ نَسَبًا وَلَقَدْ عَلِمَتِ ٱلْجِنَّةُ إِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ
سبحان الله عما يصفون
উহারা যাহা বলে তাহা হইতে পবিত্র, মহান -
তারা যা বলে তা থাকলে পবত্রি।
তারা আল্লাহর প্রতি যা আরোপ করে তিনি তা থেকে পবিত্র, মহান।
سُبْحَٰنَ ٱللَّهِ عَمَّا يَصِفُونَ
إلا عباد الله المخلصين
র একনিষ্ঠ বান্দাগণ ব্যতিত,
তবে যারা আল্লাহর নষ্ঠিাবান বান্দা, তারা গ্রফেতার হয়ে আসবে না।
তবে আল্লাহর মুখলিস (একনিষ্ঠ) বান্দারা তা করে না।
إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ
فإنكم وما تعبدون
তোমরা এবং তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর উহারা -
তোমরা এবং তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর উহারা -
জেনে রাখো, তোমরা নিজেরা এবং তোমরা যাদের ইবাদত (পূজা, উপাসনা) করো, তারা (সবাই মিলে)
فَإِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ
ما أنتم عليه بفاتنين
তোমরা কাহাকেও সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করিতে পারিবে না -
তাদরে কাউকইে তােমরা সর্ম্পকে বভ্রিান্ত করতে পারবে না।
তোমরা কাউকেও আল্লাহর ব্যাপারে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।
مَآ أَنتُمْ عَلَيْهِ بِفَٰتِنِينَ
إلا من هو صال الجحيم
কেবল অগ্নিতে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।
কেবল অগ্নিতে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।
কেবল জাহিমে (জাহান্নামে) প্রবেশকারীকে ছাড়া।
إِلَّا مَنْ هُوَ صَالِ ٱلْجَحِيمِ
وما منا إلا له مقام معلوم
আমাদের প্রত্যেকের জন্যই নির্ধারিত স্থান রহিয়াছে,
আমাদের প্রত্যেকের জন্যই নির্ধারিত স্থান রহিয়াছে,
(ফেরেশতারা বলে:)! ‘‘আমাদের প্রত্যেকের জন্যেই রয়েছে নির্ধারিত স্থান।
وَمَا مِنَّآ إِلَّا لَهُۥ مَقَامٌ مَّعْلُومٌ
وإنا لنحن الصافون
আমরা তো সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
আমরা তো সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
আমরা অবশ্যি সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান।
وَإِنَّا لَنَحْنُ ٱلصَّآفُّونَ
وإنا لنحن المسبحون
‘এবং আমরা অবশ্যই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণাকারী।’
‘এবং আমরা অবশ্যই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণাকারী।’
আমরা অবশ্যি আল্লাহর তসবিহ্ (পবিত্রতা ও শ্রেষ্ঠত্ব) ঘোষণাকারী।’’
وَإِنَّا لَنَحْنُ ٱلْمُسَبِّحُونَ
وإن كانوا ليقولون
উহারাই তো বলিয়া আসিয়াছে,
উহারাই তো বলিয়া আসিয়াছে,
তারা তো বলে আসছে:
وَإِن كَانُوا۟ لَيَقُولُونَ
لو أن عندنا ذكرا من الأولين
‘পূর্ববর্তীদের কিতাবের মত যদি আমাদের কোন কিতাব থাকিত,
পূর্ববর্তীদের কিতাবের মত যদি আমাদের কোন কিতাব থাকিত,
‘‘আগেকার কিতাবের মতো কোনো কিতাব যদি আমাদের কাছে থাকতো,
لَوْ أَنَّ عِندَنَا ذِكْرًا مِّنَ ٱلْأَوَّلِينَ
لكنا عباد الله المخلصين
‘আমরা অবশ্যই র একনিষ্ঠ বান্দা হইতাম।’
তবে আমরা অবশ্যই আল্লাহর মনােনীত বান্দা হতাম।
তবে অবশ্যি আমরা আল্লাহর মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দা হয়ে যেতাম।’’
لَكُنَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ
فكفروا به ۖ فسوف يعلمون
কিন্তু উহারা কুরআন প্রত্যাখ্যান করিল এবং শীঘ্রই উহারা জানিতে পারিবে;
কিন্তু উহারা কুরআন প্রত্যাখ্যান করিল এবং শীঘ্রই উহারা জানিতে পারিবে;
কিন্তু তারা সেটির (কুরআনের) প্রতি কুফুরি করলো, এখন অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর পরিণাম)।
فَكَفَرُوا۟ بِهِۦ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
ولقد سبقت كلمتنا لعبادنا المرسلين
আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থির হইয়াছে যে,
আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থির হইয়াছে যে,
আমার রসূলদের ব্যাপারে আমার এই ফায়সালা পূর্ব থেকেই স্থির হয়ে আছে যে,
وَلَقَدْ سَبَقَتْ كَلِمَتُنَا لِعِبَادِنَا ٱلْمُرْسَلِينَ
إنهم لهم المنصورون
অবশ্যই তাহারা সাহায্যপ্রাপ্ত হইবে,
অবশ্যই তাহারা সাহায্যপ্রাপ্ত হইবে,
তারা অবশ্যি সাহায্যপ্রাপ্ত হবে,
إِنَّهُمْ لَهُمُ ٱلْمَنصُورُونَ
وإن جندنا لهم الغالبون
এবং আমার বাহিনীই হইবে বিজয়ী।
এবং আমার বাহিনীই হইবে বিজয়ী।
এবং আমাদের বাহিনীই হবে বিজয়ী।
وَإِنَّ جُندَنَا لَهُمُ ٱلْغَٰلِبُونَ
فتول عنهم حتى حين
অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
সুতরাং কিছুকালের জন্যে তুমি তাদের উপেক্ষা করে চলো।
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ حَتَّىٰ حِينٍ
وأبصرهم فسوف يبصرون
তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
এবং তাদের পর্যবেক্ষণ করতে থাকো, শীঘ্রি তারা দেখতে পাবে।
وَأَبْصِرْهُمْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ
أفبعذابنا يستعجلون
উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্বিত করিতে চায়?
উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্নিত করিতে চায়?
তারা কি আমাদের আযাব দ্রুত করার কামনা করে?
أَفَبِعَذَابِنَا يَسْتَعْجِلُونَ
فإذا نزل بساحتهم فساء صباح المنذرين
তাহাদের আঙিনায় যখন শাস্তি নামিয়া আসিবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হইবে কত মন্দ!
তাহাদের আঙিনায় যখন শাস্তি নামিয়া আসিবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হইবে কত মন্দ!
তাদের আঙিনায় যখন আযাব নেমে আসবে, তখন তারা দেখতে পাবে, যাদের সতর্ক করা হয়েছে তাদের সকাল বেলাটা কতো নিকৃষ্ট!
فَإِذَا نَزَلَ بِسَاحَتِهِمْ فَسَآءَ صَبَاحُ ٱلْمُنذَرِينَ
وتول عنهم حتى حين
অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
সুতরাং কিছু কালের জন্যে তাদের উপেক্ষা করো।
وَتَوَلَّ عَنْهُمْ حَتَّىٰ حِينٍ
وأبصر فسوف يبصرون
তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
এবং পর্যবেক্ষণ করো। অচিরেই তারা দেখতে পাবে (তাদের পরিণতি)।
وَأَبْصِرْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ
سبحان ربك رب العزة عما يصفون
উহারা যাহা আরোপ করে তাহা হইতে পবিত্র ও মহান তোমার প্রতিপালক, যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।
উহারা যাহা আরোপ করে তাহা হইতে পবিত্র ও মহান তোমার প্রতিপালক, যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।
তারা তাঁর প্রতি যা আরোপ করে, তা থেকে তোমার প্রভু পবিত্র ও মহান এবং সকল ক্ষমতার অধিকারী।
سُبْحَٰنَ رَبِّكَ رَبِّ ٱلْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ
وسلام على المرسلين
শান্তি বর্ষিত হউক রাসূলদের প্রতি!
শান্তি বর্ষিত হউক রাসূলদের প্রতি!
এবং সালাম রসূলদের প্রতি।
وَسَلَٰمٌ عَلَى ٱلْمُرْسَلِينَ
والحمد لله رب العالمين
আর সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক রই প্রাপ্য।
সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই প্রাপ্য।
আর সমস্ত প্রশংসা রাববুল আলামিনের জন্যে।
وَٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ