WaalnnaziAAati gharqan
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ وَالنَّازِعَاتِ غَرْقًا
ভাবো প্রচেষ্টাকারীদের প্রচন্ড - প্রচেষ্টার কথা;
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ তাদের, যারা প্রবলভাবে টেনে বের করে,
وَٱلنَّٰزِعَٰتِ غَرْقًا
Chapter 79, 46 verses
WaalnnaziAAati gharqan
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ وَالنَّازِعَاتِ غَرْقًا
ভাবো প্রচেষ্টাকারীদের প্রচন্ড - প্রচেষ্টার কথা;
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ তাদের, যারা প্রবলভাবে টেনে বের করে,
وَٱلنَّٰزِعَٰتِ غَرْقًا
Waalnnashitati nashtan
وَالنَّاشِطَاتِ نَشْطًا
আর ক্ষিপ্রগামীদের ত্বরিত এগুনোয়,
এবং যারা কোমলভাবে মুক্ত করে,
وَٱلنَّٰشِطَٰتِ نَشْطًا
Waalssabihati sabhan
وَالسَّابِحَاتِ سَبْحًا
আর সন্তরণকারীদের দ্রত সন্তরণে,
আর যারা তীব্র গতিতে সাঁতার কাটে,
وَٱلسَّٰبِحَٰتِ سَبْحًا
Faalssabiqati sabqan
فَالسَّابِقَاتِ سَبْقًا
আর অগ্রগামীরা এগিয়েই চলেছে,
এবং যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয়,
فَٱلسَّٰبِقَٰتِ سَبْقًا
Faalmudabbirati amran
فَالْمُدَبِّرَاتِ أَمْرًا
তারপর ঘটনানিয়ন্ত্রণকারীদের কথা!
অতঃপর যারা বিষয়সমূহ পরিচালনা করে,
فَٱلْمُدَبِّرَٰتِ أَمْرًا
Yawma tarjufu alrrajifatu
يَوْمَ تَرْجُفُ الرَّاجِفَةُ
সেদিন স্পন্দিত হবে বিরাট স্পন্দনে,
যেদিন প্রকম্পনকারী প্রকম্পিত করবে,
يَوْمَ تَرْجُفُ ٱلرَّاجِفَةُ
TatbaAAuha alrradifatu
تَتْبَعُهَا الرَّادِفَةُ
পরবর্তী ঘটনা তাকে অনুসরণ করবেই।
তারপর আরেকটি প্রকম্পন,
تَتْبَعُهَا ٱلرَّادِفَةُ
Quloobun yawmaithin wajifatun
قُلُوبٌ يَوْمَئِذٍ وَاجِفَةٌ
হৃদয় সেদিন সন্ত্রস্ত হবে,
কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,
قُلُوبٌ يَوْمَئِذٍ وَاجِفَةٌ
Absaruha khashiAAatun
أَبْصَارُهَا خَاشِعَةٌ
তাদের চোখ হবে অবনত।
তাদের দৃষ্টিসমূহ হবে অবনত,
أَبْصَٰرُهَا خَٰشِعَةٌ
Yaqooloona ainna lamardoodoona fee alhafirati
يَقُولُونَ أَإِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِي الْحَافِرَةِ
তারা বলছে - - ''আমরা কি সত্যিই প্রথমাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হব?
তারা বলবে, “আমাদের কি সত্যিই পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে?”
يَقُولُونَ أَءِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِى ٱلْحَافِرَةِ
Aitha kunna AAithaman nakhiratan
أَإِذَا كُنَّا عِظَامًا نَّخِرَةً
''যখন আমরা গলা - পচা হাড্ডি হয়ে যাব তখনও?’’
“ক্ষয়প্রাপ্ত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরেও?”
أَءِذَا كُنَّا عِظَٰمًا نَّخِرَةً
Qaloo tilka ithan karratun khasiratun
قَالُوا تِلْكَ إِذًا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌ
তারা বলে - - ''তাই যদি হয় তবে এ হবে সর্বনাশা প্রত্যাবর্তন।’’
তারা বলবে, “তবে তো এ প্রত্যাবর্তন হবে সর্বনাশা!”
قَالُوا۟ تِلْكَ إِذًا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌ
Fainnama hiya zajratun wahidatun
فَإِنَّمَا هِيَ زَجْرَةٌ وَاحِدَةٌ
কিন্ত এটি নিশ্চয়ই হবে একটি মহাগর্জন,
প্রকৃতপক্ষে তা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ,
فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌ وَٰحِدَةٌ
Faitha hum bialssahirati
فَإِذَا هُم بِالسَّاهِرَةِ
তখন দেখো! তারা হবে জাগ্রত।
তারপর তারা উন্মুক্ত ভূমিতে উপস্থিত হবে,
فَإِذَا هُم بِٱلسَّاهِرَةِ
Hal ataka hadeethu moosa
هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ مُوسَىٰ
তোমার কাছে মূসার কাহিনী পৌঁছেছে কি? - -
তোমার কাছে কি মূসার সংবাদ পৌঁছেছে?
هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ
Ith nadahu rabbuhu bialwadi almuqaddasi tuwan
إِذْ نَادَاهُ رَبُّهُ بِالْوَادِ الْمُقَدَّسِ طُوًى
যখন তাঁর প্রভু তাঁকে আহ্বান করেছিলেন পবিত্র উপত্যকা 'তুওয়া’তে - -
যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র 'তুওয়া' উপত্যকায় আহ্বান করেছিলেন,
إِذْ نَادَىٰهُ رَبُّهُۥ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًى
Ithhab ila firAAawna innahu tagha
اذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُ طَغَىٰ
''ফিরআউনের কাছে যাও, সে নিশ্চয়ই বিদ্রোহ করেছে - -
“ফিরাউনের কাছে যাও; নিশ্চয়ই সে সীমালঙ্ঘন করেছে।”
ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ
Faqul hal laka ila an tazakka
فَقُلْ هَل لَّكَ إِلَىٰ أَن تَزَكَّىٰ
''তারপর বলো - - 'তোমার কি আগ্রহ আছে যে তুমি পবিত্র হও?’
“এবং তাকে বলো, ‘তুমি কি পরিশুদ্ধ হতে চাও?’”
فَقُلْ هَل لَّكَ إِلَىٰٓ أَن تَزَكَّىٰ
Waahdiyaka ila rabbika fatakhsha
وَأَهْدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخْشَىٰ
''আমি তাহলে তোমাকে তোমার প্রভুর দিকে পরিচালিত করব যেন তুমি ভয় করো’।’’
“এবং আমি কি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথ দেখাবো, যাতে তুমি ভীত হও?”
وَأَهْدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخْشَىٰ
Faarahu alayata alkubra
فَأَرَاهُ الْآيَةَ الْكُبْرَىٰ
তারপর তিনি তাকে দেখালেন একটি বিরাট নিদর্শন।
অতঃপর তিনি তাকে মহা নিদর্শন দেখিয়েছিলেন,
فَأَرَىٰهُ ٱلْءَايَةَ ٱلْكُبْرَىٰ
Fakaththaba waAAasa
فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ
কিন্ত সে মিথ্যা আরোপ করল ও অবাধ্য হল।
কিন্তু সে অস্বীকার করেছিল এবং অবাধ্য হয়েছিল,
فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ
Thumma adbara yasAAa
ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَىٰ
অতঃপর ফিরে গেলো চেষ্টা করতে;
অতঃপর ফিরে গেলো চেষ্টা করতে;
ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَىٰ
Fahashara fanada
فَحَشَرَ فَنَادَىٰ
অতঃপর সে সমবেত করল এবং ঘোষণা করল,
অতঃপর সে সমবেত করল এবং ঘোষণা করল,
فَحَشَرَ فَنَادَىٰ
Faqala ana rabbukumu alaAAla
فَقَالَ أَنَا رَبُّكُمُ الْأَعْلَىٰ
এবং বলল, “আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।”
এবং বলল, “আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।”
فَقَالَ أَنَا۠ رَبُّكُمُ ٱلْأَعْلَىٰ
Faakhathahu Allahu nakala alakhirati waaloola
فَأَخَذَهُ اللَّهُ نَكَالَ الْآخِرَةِ وَالْأُولَىٰ
সেজন্য তাকে পাকড়াও করলেন পরকালের ও পূর্বের জীবনের দৃষ্টান্ত বানিয়ে।
তখন তাকে পরকাল ও ইহকালের শাস্তির জন্য ধরলেন।
فَأَخَذَهُ ٱللَّهُ نَكَالَ ٱلْءَاخِرَةِ وَٱلْأُولَىٰٓ
Inna fee thalika laAAibratan liman yakhsha
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَعِبْرَةً لِّمَن يَخْشَىٰ
নিঃসন্দেহ এতে বাস্তব শিক্ষা রয়েছে তার জন্য যে ভয় করে।
নিশ্চয়ই এতে শিক্ষা রয়েছে তার জন্য, যে ভয় করে।
إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَعِبْرَةً لِّمَن يَخْشَىٰٓ
Aantum ashaddu khalqan ami alssamao banaha
أَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ السَّمَاءُ ۚ بَنَاهَا
তোমরা কি সৃষ্টিতে কঠিনতর, না মহাকাশ? তিনিই এ - সব বানিয়েছেন।
তোমাদের সৃষ্টি কি অধিক কঠিন, না আকাশের? তিনি তা নির্মাণ করেছেন,
ءَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ ٱلسَّمَآءُ بَنَىٰهَا
RafaAAa samkaha fasawwaha
رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّاهَا
তিনি এর উচ্চতা উন্নীত করেছেন, আর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,
তিনি তার উচ্চতাকে সুউচ্চ করেছেন, অতঃপর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,
رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّىٰهَا
Waaghtasha laylaha waakhraja duhaha
وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَاهَا
আর এর রাতকে তিনি অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন, আর বের করে এনেছেন এর দিবালোক।
৭৯–২৯ :
এবং তার রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন ও তার সকালকে আলোকিত করেছেন,
وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَىٰهَا
Waalarda baAAda thalika dahaha
وَالْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَاهَا
আর পৃথিবী - - এর পরে তাকে প্রসারিত করেছেন।
এবং এরপর পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন,
وَٱلْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَىٰهَآ
Akhraja minha maaha wamarAAaha
أَخْرَجَ مِنْهَا مَاءَهَا وَمَرْعَاهَا
এর থেকে তিনি বের করেছেন তার জল, আর তার চারণভূমি।
তিনি তা থেকে তার পানি ও চারণভূমি বের করেছেন,
أَخْرَجَ مِنْهَا مَآءَهَا وَمَرْعَىٰهَا
Waaljibala arsaha
وَالْجِبَالَ أَرْسَاهَا
আর পাহাড় - পর্বত - - তিনি তাদের মজবুতভাবে বসিয়ে দিয়েছেন, - -
এবং পর্বতমালাকে সুদৃঢ়ভাবে গ্রথিত করেছেন,
وَٱلْجِبَالَ أَرْسَىٰهَا
MataAAan lakum walianAAamikum
مَتَاعًا لَّكُمْ وَلِأَنْعَامِكُمْ
তোমাদের জন্য ও তোমাদের গবাদি - পশুর জন্য খাদ্যের আয়োজন।
তোমাদের ও তোমাদের গবাদিপশুর জীবিকার জন্য।
مَتَٰعًا لَّكُمْ وَلِأَنْعَٰمِكُمْ
Faitha jaati alttammatu alkubra
فَإِذَا جَاءَتِ الطَّامَّةُ الْكُبْرَىٰ
তারপর যখন ভীষণ দুর্বিপাক আসবে,
অতঃপর যখন মহাবিপর্যয় আসবে,
فَإِذَا جَآءَتِ ٱلطَّآمَّةُ ٱلْكُبْرَىٰ
Yawma yatathakkaru alinsanu ma saAAa
يَوْمَ يَتَذَكَّرُ الْإِنسَانُ مَا سَعَىٰ
সেইদিন মানুষ স্মরণ করবে যার জন্য সে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল,
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে সে কিসের জন্য কষ্ট করেছিল,
يَوْمَ يَتَذَكَّرُ ٱلْإِنسَٰنُ مَا سَعَىٰ
Waburrizati aljaheemu liman yara
وَبُرِّزَتِ الْجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ
আর ভয়ংকর আগুন দৃষ্টিগোচর করানো হবে যে দেখে তার জন্য।
এবং জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে, যে দেখবে তার জন্য,
জাহিম: কুরআনে ব্যবহৃত জাহান্নামের একটি নাম, যা বিশেষভাবে প্রজ্বলিত ও তীব্র জ্বলন্ত আগুনের ধারণা প্রকাশ করে। কুরআনে জাহান্নামের জন্য বিভিন্ন নাম ও বর্ণনা ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
وَبُرِّزَتِ ٱلْجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ
Faamma man tagha
فَأَمَّا مَن طَغَىٰ
তাছাড়া তার ক্ষেত্রে যে সীমালংঘন করেছে,
অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করেছে,
فَأَمَّا مَن طَغَىٰ
Waathara alhayata alddunya
وَآثَرَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا
এবং দুনিয়ার জীবনকেই বেছে নিয়েছে,
এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,
وَءَاثَرَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا
Fainna aljaheema hiya almawa
فَإِنَّ الْجَحِيمَ هِيَ الْمَأْوَىٰ
সেক্ষেত্রে অবশ্য ভয়ংকর আগুন, - - সেটাই তো বাসস্থান।
তবে নিশ্চয়ই জাহিম হবে তার আশ্রয়,
فَإِنَّ ٱلْجَحِيمَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ
Waama man khafa maqama rabbihi wanaha alnnafsa AAani alhawa
وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَىٰ
পক্ষান্তরে যে তার প্রভুর সামনে দাঁড়াতে ভয় করে এবং আত্মাকে কামনা - বাসনা থেকে নিবৃত্ত রাখে - -
অপরদিকে যে তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোর ব্যাপারে ভীত হয়েছে এবং নিজেকে প্রবৃত্তি থেকে বিরত রেখেছে,
وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفْسَ عَنِ ٱلْهَوَىٰ
Fainna aljannata hiya almawa
فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَىٰ
সেক্ষেত্রে অবশ্য জান্নাত, - - সেটাই তো বাসস্থান।
তবে নিশ্চয়ই বেহেশতই হবে তার আশ্রয়,
فَإِنَّ ٱلْجَنَّةَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ
Yasaloonaka AAani alssaAAati ayyana mursaha
يَسْأَلُونَكَ عَنِ السَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَاهَا
তারা ঘড়ি - ঘান্টা সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে - - কখন তার আগমন হবে?’’
তারা তোমাকে সেই সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, ‘তা কখন ঘটবে?’
يَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلسَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَىٰهَا
Feema anta min thikraha
فِيمَ أَنتَ مِن ذِكْرَاهَا
এ - সন্বন্ধে বলবার মতো তোমার কী আছে?
সে ব্যাপারে আপনার কী বলার আছে?
فِيمَ أَنتَ مِن ذِكْرَىٰهَآ
Ila rabbika muntahaha
إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَاهَا
এর চরম সীমা রয়েছে তোমার প্রভুর নিকট।
তার চূড়ান্ত জ্ঞান তোমার প্রতিপালকের কাছেই,
إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَىٰهَآ
Innama anta munthiru man yakhshaha
إِنَّمَا أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخْشَاهَا
তুমি তো শুধু সতর্ককারী তার জন্য যে এ - সন্বন্ধে ভয় করে।
তুমি তো কেবল সতর্ককারী তার জন্য, যে তাকে ভয় করে,
إِنَّمَآ أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخْشَىٰهَا
Kaannahum yawma yarawnaha lam yalbathoo illa AAashiyyatan aw duhaha
كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَهَا لَمْ يَلْبَثُوا إِلَّا عَشِيَّةً أَوْ ضُحَاهَا
যেদিন তারা একে দেখবে সেদিন যেন তারা মাত্র এক সন্ধ্যাবেলা বা তার প্রভাতকাল ব্যতীত অবস্থান করে নি।
যেদিন তারা তা দেখবে, মনে হবে যেন তারা কেবল এক সন্ধ্যা বা সকালের বেশী অবস্থান করেনি।
كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَهَا لَمْ يَلْبَثُوٓا۟ إِلَّا عَشِيَّةً أَوْ ضُحَىٰهَا