বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম আলিফ্ লা-ম্ মী-ম।
আলিফ লাম মিম।
بسم الله الرحمن الرحيم الم
Chapter 32, 30 verses
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম আলিফ্ লা-ম্ মী-ম।
আলিফ লাম মিম।
بسم الله الرحمن الرحيم الم
তান্যীলুল্ কিতা-বি লা-রইবা ফীহি র্মি রব্বিল্ 'আ-লামীন্।
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এ কিতাব রাব্বুল আলামিনের নাযিলকৃত।
تنزيل الكتاب لا ريب فيه من رب العالمين
আম্ ইয়াকুলূনাফ্ তার-হু বাল্ হুওয়াল্ হাক্ব কু র্মি রব্বিকা লিতুন্যির ক্বওমাম্ মা য় আতা-হুম্ মিন্ নাযীরিম্ মিন্ ক্বব্লিকা লা'আল্লাহুম্ ইয়াহ্তাদূন্।
তারা কি বলে: ‘এটি সে নিজে রচনা করে নিয়েছে?’ বরং তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে এ এক মহাসত্য। এটি নাযিলের উদ্দেশ্য হলো: সেই কওমকে সতর্ক করা, যাদের মধ্যে তোমার পূর্বে কোনো সতর্ককারী আসেনি। হয়তো তারা সঠিক পথ ধরবে।
أم يقولون افتراه ۚ بل هو الحق من ربك لتنذر قوما ما أتاهم من نذير من قبلك لعلهم يهتدون
আল্লা-হুল্লাযী খলাক্বস্-সামা ওয়া-তি অল্র্আদ্বোয়া অমা-বাইনা হুমা-ফী সিত্তাতি আইয়্যা-মিন্ ছুম্মাস্ তাওয়া 'আলাল্-'র্আশ্ মা- লাকুম্ মিন্দূনিহী মিওঁ অলিয়্যঁও অলা- শাফী'ইন্ আফালা-তাতাযাক্কারূন্।
, তিনিই সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ, পৃথিবী এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয়টি সময়কালে, তারপর তিনি সমাসীন হন আরশে। তিনি ছাড়া তোমাদের কোনো অলিও নেই শফীও (শাফায়াতকারীও) নেই। তারপরও কি তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করবেনা?
الله الذي خلق السماوات والأرض وما بينهما في ستة أيام ثم استوى على العرش ۖ ما لكم من دونه من ولي ولا شفيع ۚ أفلا تتذكرون
ইয়ুদাব্বিরুল্ আম্র মিনাস্ সামা-য়ি ইলাল্ র্আদ্বি ছুম্মা ইয়া'রুজু ইলাইহি ফী ইয়াওমিন্ কা-না মিক্ব দা-রুহূ য় আল্ফা সানাতিম্ মিম্মা-তা'উদ্দূন্।
তিনিই আসমান থেকে জমিন পর্যন্ত সব বিষয় পরিচালনা করেন, তারপর একদিন সবকিছুই তাঁর কাছে উত্থাপন করা হবে, তোমাদের হিসাব অনুযায়ী যে দিনটির পরিমাণ হাজার বছর।
يدبر الأمر من السماء إلى الأرض ثم يعرج إليه في يوم كان مقداره ألف سنة مما تعدون
যা-লিকা 'আ-লিমুল্ গইবি অশ্শাহা-দাতিল্ 'আযীর্যু রহীম্।
তিনিই , তিনি (অদৃশ্যের) এবং শাহাদাতের (দৃশ্যের) জ্ঞানী, মহাশক্তিধর, অতীব দয়াবান।
ذلك عالم الغيب والشهادة العزيز الرحيم
আল্লাযী য় আহ্সানা কুল্লা শাইয়িন্ খলাক্বহূ অবাদায়া খল্ক্বল্ ইন্সা-নি মিন্ ত্বীন্।
তিনি অতি উত্তম ও সুষম করেছেন প্রতিটি জিনিসের সৃষ্টি এবং তিনি মানুষ সৃষ্টির সূচনা করেছেন কাদামাটি থেকে।
الذي أحسن كل شيء خلقه ۖ وبدأ خلق الإنسان من طين
ছুম্মা জ্বা'আলা নাস্লাহূ মিন্ সুলা-লাতিম্ মিম্মা-য়িম্ মাহীন্।
তারপর তিনি তার (মানুষের) বংশ চালু করেছেন তুচ্ছ পানির নির্যাস থেকে।
ثم جعل نسله من سلالة من ماء مهين
ছুম্মা সাওয়্যা-হু অনাফাখ ফীহি র্মি রূহিহী অজ্বা'আলা লাকুমুস্ সাম'আ অল্ আব্ছোয়া-র অল্আফ্য়িদাহ্ ক্বলীলাম্ মা-তাশ্কুরূন্।
তারপর তিনি তাকে সুষম ও সুঠাম করেন এবং তাতে ফুঁকে দেন তাঁর থেকে রূহ। আর তিনি তার শোনার জন্যে দিয়েছেন কান, দেখার জন্যে বানিয়ে দিয়েছেন চোখ এবং ভাববার জন্যে সৃষ্টি করে দিয়েছেন অন্তর। তোমরা খুব কমই শোকর আদায় করো।
ثم سواه ونفخ فيه من روحه ۖ وجعل لكم السمع والأبصار والأفئدة ۚ قليلا ما تشكرون
অক্ব-লূ য় য়া ইযা- দ্বোয়ালাল্না-ফিল্ র্আদ্বি আ ইন্না-লাফী খল্ক্বিন্ জ্বাদীদ্ বাল্ হুম্ বিলিক্ব-য়ি রব্বিহিম্ কা-ফিরূন্।
তারা বলে: ‘আমরা যখন মাটিতে বিলীন হয়ে যাবো, তখন কি আমাদের পুনরায় নতুন করে সৃষ্টি করা হবে?’ বরং তারা তাদের প্রভুর সাথে সাক্ষাতের বিষয়টিকেই অস্বীকার করছে।
وقالوا أإذا ضللنا في الأرض أإنا لفي خلق جديد ۚ بل هم بلقاء ربهم كافرون
কুল্ ইয়াতাওয়াফ্ফা-কুম্ মালাকুল্ মাওতিল্লাযী উক্কিলা বিকুম্ ছুম্মা ইলা-রব্বিকুম্ র্তুজ্বা'ঊন্।
বলো: ‘তোমাদের ওফাত ঘটাবে মালাকুল মউত (মউতের ফেরেশতা) যাকে তোমাদের মৃত্যু ঘটাবার জন্যে নিযুক্ত করা হয়েছে। তারপর তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে তোমাদের প্রভুর কাছে।’
۞ قل يتوفاكم ملك الموت الذي وكل بكم ثم إلى ربكم ترجعون
অলাও তারা য় ইযিল্ মুজ্ব রিমূনা না-কিসূ রুয়ূসিহিম্ 'ইন্দা রব্বিহিম্ রব্বানা য় আব্ছোর্য়ানা-অসামি'না র্ফাজ্বি'না না'মাল্ ছোয়া- লিহান্ ইন্না-মূক্বিনূন্।
হায়, তুমি যদি দেখতে, অপরাধীরা যখন তাদের প্রভুর সামনে মাথা নত করে বলবে: ‘আমাদের প্রভু! আমরা সবকিছু দেখলাম এবং শুনলাম, এখন তুমি আমাদের আবার পৃথিবীতে পাঠাও, আমরা সৎকাজ করবো এবং আমরা মজবুত হয়েছি।’
ولو ترى إذ المجرمون ناكسو رءوسهم عند ربهم ربنا أبصرنا وسمعنا فارجعنا نعمل صالحا إنا موقنون
অলাও শিনা লাআ-তাইনা- কুল্লা নাফ্সিন্ হুদা-হা-অলা-কিন্ হাক্ব ক্বল্ কওলু মিন্নী লাআম্লায়ান্না জ্বাহান্নামা মিনাল্ জ্বিন্নাতি অন্না-সি আজ্ব মা'ঈন্।
আমরা চাইলে প্রত্যেক ব্যক্তিকেই হিদায়াতের পথে নিয়ে আসতাম, কিন্তু আমি তো ফায়সালা করে রেখেছি: ‘আমি অবশ্যি পরিপূর্ণ করবো জাহান্নামকে জিন ও মানুষ উভয়কে দিয়ে।’
ولو شئنا لآتينا كل نفس هداها ولكن حق القول مني لأملأن جهنم من الجنة والناس أجمعين
ফাযূকু বিমা-নাসীতুম্ লিক্বা-য়া ইয়াওমিকুম্ হা-যা-ইন্না নাসীনা-কুম্ অযূকু 'আযা- বাল্ খুল্দি বিমা-কুন্তুম্ তা'মালূন্।
সুতরাং আজকের এই দিনের সাক্ষাতের কথা তোমরা যেহেতু ভুলে গিয়েছিলে তাই আস্বাদন করো আযাব। আমরাও তোমাদের ভুলে গেলাম, সুতরাং তোমাদের কর্মকান্ডের ফল হিসেবে আস্বাদন করো চিরস্থায়ী আযাব।
فذوقوا بما نسيتم لقاء يومكم هذا إنا نسيناكم ۖ وذوقوا عذاب الخلد بما كنتم تعملون
ইন্নামা-ইয়ুমিনু বিআ-ইয়া-তিনা ল্লাযীনা ইযা-যুক্কিরূ বিহা- র্খারূ সুজ্জ্বাদাঁও অসাব্বাহূ বিহাম্দি রব্বিহিম অহুম্ লা- ইয়াস্তাক্বিরূন্।
আমাদের আয়াতের প্রতি ঈমান রাখে তো তারা, যাদেরকে তা স্মরণ করিয়ে দেয়া হলে তারা সাজদায় অবনত হয়ে পড়ে এবং তাদের প্রভুর হামদসহ তসবিহ করতে থাকে, আর তারা দম্ভ করে বেড়ায়না। (সাজদা)
إنما يؤمن بآياتنا الذين إذا ذكروا بها خروا سجدا وسبحوا بحمد ربهم وهم لا يستكبرون ۩
তাতাজ্বা-ফা-জুনূবুহুম্ 'আনিল্ মাদ্বোয়া-জ্বি'ই ইয়াদ্'ঊনা রব্বাহুম্ খাওফাঁও অ ত্বোয়ামায়াঁও অ মিম্মা-রযাক্ব না-হুম্ ইয়ুন্ফিকুন্।
তারা তাদের দেহকে শয্যা থেকে আলগা করে উঠিয়ে নিয়ে তাদের প্রভুকে ডাকে ভয় ও আশা নিয়ে, আর আমরা তাদের যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে তারা খরচ করে (আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে)।
تتجافى جنوبهم عن المضاجع يدعون ربهم خوفا وطمعا ومما رزقناهم ينفقون
ফালা- তা'লামু নাফ্সুম্ মা য় উখ্ফিয়া লাহুম্ মিন্ ক্বর্ রতি আ'ইয়ুনিন্ জ্বাযা-য়াম্ বিমা-কা-নূ ইয়া'মালূন্।
কেউই জানেনা, তাদের জন্যে চোখ জুড়ানো যেসব (নিয়ামত রাজি) গোপন করে রাখা হয়েছে তাদের আমলের পুরস্কার হিসেবে!
فلا تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين جزاء بما كانوا يعملون
আফামান্ কা-না মুমিনান্ কামান্ কা-না ফা-সিক্বন্ লা-ইয়াস্তায়ূন্।
যে ব্যক্তি , সে কি ফাসিকের সমতুল্য? না, তারা সমান নয়।
أفمن كان مؤمنا كمن كان فاسقا ۚ لا يستوون
আম্মাল্ লাযীনা আ-মানূ অ 'আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি ফালাহুম্ জ্বান্না-তুল্ মাওয়া-নুযুলাম্ বিমা-কা-নূ ইয়া'মালূন্।
হাঁ, যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, তাদের জন্যে রয়েছে জান্নাতুল মা’ওয়া (স্থায়ী জান্নাত) তাদের আমলের আতিথ্য হিসেবে।
أما الذين آمنوا وعملوا الصالحات فلهم جنات المأوى نزلا بما كانوا يعملون
অআম্মাল্লাযীনা ফাসাকুফামাওয়া-হুমুন্ নার্- কুল্লামা য় আরদূ য় আইঁ ইয়াখ্রুজু মিন্হা য় উ'ঈদূ ফীহা- অ ক্বীলা লাহুম্ যূকু 'আযা-বান্ না-রিল্লাযী কুন্তুম্ বিহী তুকায্যিবূন্।
আর যারা ফাসেকি (সীমালংঘন ও পাপাচার) করে, তাদের আবাস হবে জাহান্নাম, যখনই তারা সেখান থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদের সেখানে ঠেলে দেয়া হবে। তাদের বলা হবে: আস্বাদন করো সেই জাহান্নামের আযাব, যাকে তোমরা অস্বীকার করতে।
وأما الذين فسقوا فمأواهم النار ۖ كلما أرادوا أن يخرجوا منها أعيدوا فيها وقيل لهم ذوقوا عذاب النار الذي كنتم به تكذبون
অলানুযীক্বন্নাহুম্ মিনাল্ 'আযা-বিল্ আদ্না-দূনাল্ 'আযা-বিল্ আক্বারি লা'আল্লাহুম্ ইর্য়াজ্বি'ঊন্।
‘আযাবুল আকবার’ (গুরুদন্ড) আস্বাদন করাবার আগে আমরা তাদের (এই দুনিয়াতে) কিছু কিছু ‘আযাবুল আদনা’ (লঘুদন্ড) আস্বাদন করাবো, যাতে করে তারা ফিরে আসে।
ولنذيقنهم من العذاب الأدنى دون العذاب الأكبر لعلهم يرجعون
অমান্ আজ্লামু মিম্মান্ যুক্কিরা বিআ-ইয়া-তি রব্বিহী ছুম্মা 'আরদ্বোয়া 'আন্হা- ইন্না-মিনাল্ মুজ্ব রিমীনা মুন্তাক্বিমূন্।
ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যাকে বারবার তার প্রভুর আয়াত স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে, তারপরও সে তা উপেক্ষা করে চলেছে। আমরা অবশ্যি অপরাধীদের থেকে প্রতিশোধ নেবো।
ومن أظلم ممن ذكر بآيات ربه ثم أعرض عنها ۚ إنا من المجرمين منتقمون
অলাক্বদ্ আ-তাইনা- মূসাল্ কিতা-বা ফালা-তাকুন্ ফী র্মিইয়াতিম্ মিল্ লিক্ব-য়িহী অ জ্বা'আল্না-হু হুদাল্ লিবানী য় ইস্রা-ঈল্।
আমরা মূসাকেও কিতাব দিয়েছিলাম। সুতরাং তুমি তার সাক্ষাতের ব্যাপারে সন্দেহের মধ্যে থেকোনা। আমরা সেই (মূসার) কিতাবকে বানিয়েছিলাম বনি ইসরাঈলের জন্যে জীবন যাপন পদ্ধতি।
ولقد آتينا موسى الكتاب فلا تكن في مرية من لقائه ۖ وجعلناه هدى لبني إسرائيل
অ জ্বা'আল্না-মিন্হুম্ আইম্মাতাইঁ ইয়াহ্দূনা বিআম্রিনা-লাম্মা-ছবারূ অকা-নূ বিআ-ইয়া-তিনা- ইয়ূক্বিনূন্।
আমরা তাদের মধ্য থেকে বহু ইমাম (নেতা) বানিয়েছিলাম যখন তারা সবর অবলম্বন করেছিল। তারা আমার নির্দেশ অনুসারে মানুষকে সঠিক পথ দেখাতো। আর তারা একীন রাখতো আমাদের আয়াতের প্রতি।
وجعلنا منهم أئمة يهدون بأمرنا لما صبروا ۖ وكانوا بآياتنا يوقنون
ইন্না রব্বাকা হুওয়া ইয়াফ্ছিলু বাইনাহুম্ ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাতি ফীমা- কা-নূ ফীহি ইয়াখ্তালিফূন্।
তারা যেসব বিষয়ে এখতেলাফ করতো, তোমার প্রভু সেসব বিষয়ে তাদের মাঝে ফায়সালা করে দেবেন কিয়ামতের দিন।
إن ربك هو يفصل بينهم يوم القيامة فيما كانوا فيه يختلفون
আওয়ালাম্ ইয়াহ্দি লাহুম্ কাম্ আহ্লাক্না-মিন্ ক্বব্লিহিম্ মিনাল্ ক্বরূনি ইয়াম্শূনা ফী মাসা-কিনিহিম্ ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়া-ত্ আফালা-ইয়াস্মা'ঊন্।
তাদের জন্যে কি এ জিনিসটাও পথ নির্দেশ নয় যে, তাদের আগে আমরা কতো প্রজন্মকে হালাক করে দিয়েছিলাম! আজ তারা তাদের সেই আবাসভূমি দিয়ে চলাফেরা করছে। এতেও রয়েছে অনেক নিদর্শন। তারা কি শুনবেনা?
أولم يهد لهم كم أهلكنا من قبلهم من القرون يمشون في مساكنهم ۚ إن في ذلك لآيات ۖ أفلا يسمعون
আওয়ালাম্ ইয়ারাও আন্না- নাসূ কুল্ মা-য়া ইলাল্ র্আদ্বিল্ জুরুযি ফানুখ্রিজু বিহী র্যা 'আন্ তাকুলু মিন্হু আন্'আ-মুহুম্ অআন্ফুসুহুম্ আফালা-ইয়ুব্ছিরূন্।
তারা কি দেখেনা, আমরা ঊষর (dry) জমিনে পানি বইয়ে দিয়ে তার সাহায্যে উৎপাদন করি শস্য, যা থেকে তাদের পশুরাও খায়, তারাও খায়। তারা কি ভেবে দেখবেনা?
أولم يروا أنا نسوق الماء إلى الأرض الجرز فنخرج به زرعا تأكل منه أنعامهم وأنفسهم ۖ أفلا يبصرون
অইয়াকুলূনা মাতা-হা-যাল্ ফাত্হু ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিকীন্।
তারা বলে: ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে বলো, কখন হবে সেই জয়ের ফায়সালা?’
ويقولون متى هذا الفتح إن كنتم صادقين
কুল্ ইয়াওমাল্ ফাত্হি লা-ইয়ান্ফা'ঊল্লাযীনা কাফারূ য় ঈমা-নুহুম্ অলা-হুম্ ইয্নজায়ারূন্ ।
তুমি বলো: ‘ফায়সালার দিন কাফিররা ঈমান আনলে তা তাদের কোনো কাজে আসবেনা, আর সেদিন তাদের অবকাশও দেয়া হবেনা।’
قل يوم الفتح لا ينفع الذين كفروا إيمانهم ولا هم ينظرون
ফা'আরিদ্ব্ 'আন্হুম্ ওয়ান্তার্জি ইন্নাহুম্ মুন্তাজিরূন্।
সুতরাং তাদের উপেক্ষা করো এবং অপেক্ষা করো, আর তারাও অপেক্ষায় থাকুক।
فأعرض عنهم وانتظر إنهم منتظرون