আল আন্বিয়াহ্ , choose another chapter
আল আন্বিয়াহ্
Chapter 21, 112 verses
বাংলা উচ্চারণ
আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান
Arabic, with marks
Add book
List
Grid
বাংলা উচ্চারণ
১ বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম ইক্বতারবা লিন্না-সি হিসা-বুহুম্ অহুম্ ফী গফ্লাতিম্ মুরিদ্বূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ মানুষের হিসাব দেয়ার সময় তাদের নিকটেই চলে এসেছে, অথচ তারা গাফলতিতে তা উপেক্ষা করে চলেছে।
মুহিউদ্দীন খান
১ মানুষের হিসাব - কিতাবের সময় নিকটবর্তী; অথচ তারা বেখবর হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ اقْتَرَبَ لِلنَّاسِ حِسَابُهُمْ وَهُمْ فِي غَفْلَةٍ مُّعْرِضُونَ
বাংলা উচ্চারণ
২ মা-ইয়াতী হিম্ মিন্ যিক্রিম্ র্মি রব্বিহিম্ মুহ্দাছিন্ ইল্লাস্ তামা'ঊহু অহুম্ ইয়াল্'আবূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২ তাদের কাছে যখনই তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে কোনো নতুন যিকির (কিতাব) আসে, তারা তা শুনে খেলাচ্ছলে।
মুহিউদ্দীন খান
২ তাদের কাছে তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে যখনই কোন নতুন উপদেশ আসে, তারা তা খেলার ছলে শ্রবণ করে।
Arabic, with marks
٢ مَا يَأْتِيهِم مِّن ذِكْرٍ مِّن رَّبِّهِم مُّحْدَثٍ إِلَّا اسْتَمَعُوهُ وَهُمْ يَلْعَبُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৩ লা-হিয়াতান্ কুলূবুহুম্ অআর্সারুন্নাজ্বওয়াল্ লাযীনা জোয়ালামূ হাল্ হা-যা য় ইল্লা-বাশারুম্ মিছ্লুকুম্ আফাতাতূ নাস্ সিহ্র অআন্তুম্ তুব্ছিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ তাদের কলব থাকে অমনোযোগী। যালিমরা গোপন শলাপরামর্শ করে বলে: ‘এতো তোমাদের মতোই একজন মানুষ ছাড়া আর কিছু নয়। তোমরা কি দেখে শুনে ম্যাজিকের পিছে ছুটবে।’
মুহিউদ্দীন খান
৩ তাদের অন্তর থাকে খেলায় মত্ত। জালেমরা গোপনে পরামর্শ করে, সে তো তোমাদেরই মত একজন মানুষ; এমতাবস্থায় দেখে শুনে তোমরা তার যাদুর কবলে কেন পড়?
Arabic, with marks
٣ لَاهِيَةً قُلُوبُهُمْ ۗ وَأَسَرُّوا النَّجْوَى الَّذِينَ ظَلَمُوا هَلْ هَٰذَا إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ ۖ أَفَتَأْتُونَ السِّحْرَ وَأَنتُمْ تُبْصِرُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৪ ক্ব-লা রব্বী ইয়া'লামুল্ ক্বওলা ফিস্ সামা-য়ি অল্ র্আদ্বি অ হুওয়াস্ সামী'উল্ 'আলীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ সে বললো: আমার প্রভু আসমান ও জমিনের সব কথাই জানেন। তিনি সব শুনেন, সব জানেন
মুহিউদ্দীন খান
৪ পয়গম্বর বললেনঃ নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের কথাই আমার পালনকর্তা জানেন। তিনি সবকিছু শোনেন, সবকিছু জানেন।
Arabic, with marks
٤ قَالَ رَبِّي يَعْلَمُ الْقَوْلَ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ ۖ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
বাংলা উচ্চারণ
৫ বাল্ ক্ব-লূ য় আদ্ব্গ-ছু আহ্লা-মিম্ বালিফ্ তার-হু বাল্ হুঅ শা-'ইরুন্ ফাল্ইয়া তিনা-বিআ-ইয়াতিন্ কামায় র্উসিলাল্ আউঅলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ বরং তারা বলে: এগুলো হলো অলীক কল্পনা। হয় সে এগুলো উদ্ভাবন করে নিয়েছে, নয়তো সে একজন কবি। সুতরাং সে আমাদের কাছে কোনো নিদর্শন নিয়ে আসুক, যেভাবে নিদর্শনসহ প্রেরিত হয়েছিল পূর্বের রসূলরা।
মুহিউদ্দীন খান
৫ এছাড়া তারা আরও বলেঃ অলীক স্বপ্ন; না সে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছে, না সে একজন কবি। অতএব সে আমাদের কাছে কোন নিদর্শন আনয়ন করুক, যেমন নিদর্শন সহ আগমন করেছিলেন পূর্ববর্তীগন।
Arabic, with marks
٥ بَلْ قَالُوا أَضْغَاثُ أَحْلَامٍ بَلِ افْتَرَاهُ بَلْ هُوَ شَاعِرٌ فَلْيَأْتِنَا بِآيَةٍ كَمَا أُرْسِلَ الْأَوَّلُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৬ মা য় আ-মানাত্ ক্বব্লাহুম্ মিন্ র্ক্বইয়াতিন্ আহ্লাক্না-হা-আফাহুম্ ইয়ুমিনূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ এদের আগেকার যেসব জনপদ আমরা হালাক করে দিয়েছিলাম তারা তো ঈমান আনেনি। তবে কি এরাও ঈমান আনবেনা?
মুহিউদ্দীন খান
৬ তাদের পূর্বে যেসব জনপদ আমি ধবংস করে দিয়েছি, তারা বিশ্বাস স্থাপন করেনি; এখন এরা কি বিশ্বাস স্থাপন করবে?
Arabic, with marks
٦ مَا آمَنَتْ قَبْلَهُم مِّن قَرْيَةٍ أَهْلَكْنَاهَا ۖ أَفَهُمْ يُؤْمِنُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৭ অমা য় র্আসাল্না-ক্বাব্লাকা ইল্লা-রিজ্বা-লান্ নূহী য় ইলাইহিম্ ফাস্য়ালূ য় আহ্লায্ যিক্রি ইন্ কুন্তুম্ লা-তা'লামূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ তোমার আগে আমরা যতো রসূলই পাঠিয়েছিলাম, তারা সবাই ছিলো মানুষ। তাদের কাছেই আমরা অহি পাঠাতাম। তোমরা যদি না জানো, তাহলে কিতাবধারীদের (জ্ঞানীদের) জিজ্ঞাসা করো।
মুহিউদ্দীন খান
৭ আপনার পূর্বে আমি মানুষই প্রেরণ করেছি, যাদের কাছে আমি ওহী পাঠাতাম। অতএব তোমরা যদি না জান তবে যারা স্মরণ রাখে তাদেরকে জিজ্ঞেস কর।
Arabic, with marks
٧ وَمَا أَرْسَلْنَا قَبْلَكَ إِلَّا رِجَالًا نُّوحِي إِلَيْهِمْ ۖ فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৮ অমা-জ্বা'আল্না-হুম্ জ্বাসাদাল্লা-ইয়াকুলূনা ত্ত্বোয়া'আ-মা অমা-কা-নূ খ-লিদীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ তাদেরকে আমরা এমন দেহ দেইনি যে, তাদের খাবার খেতে হতোনা, আর তারা চিরস্থায়ীও ছিলনা।
মুহিউদ্দীন খান
৮ আমি তাদেরকে এমন দেহ বিশিষ্ট করিনি যে, তারা খাদ্য ভক্ষণ করত না এবং তারা চিরস্থায়ীও ছিল না।
Arabic, with marks
٨ وَمَا جَعَلْنَاهُمْ جَسَدًا لَّا يَأْكُلُونَ الطَّعَامَ وَمَا كَانُوا خَالِدِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৯ ছুম্মা ছোয়াদাক্বনা-হুমুল্ অদা ফাআন্জ্বাইনা-হুম্ অমান্ নাশা-য়ু অআহ্লাক্নাল্ মুস্রিফীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তারপর তাদের প্রতি আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করি। ফলে আমরা তাদেরকে এবং যাদেরকে চেয়েছি নাজাত দিয়েছি, আর সীমালঙ্ঘনকারীদের করেছি হালাক (ধ্বংস)।
মুহিউদ্দীন খান
৯ অতঃপর আমি তাদেরকে দেয়া আমার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করলাম সুতরাং তাদেরকে এবং যাদেরকে ইচ্ছা বাঁচিয়ে দিলাম এবং ধবংস করে ছিলাম সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে।
Arabic, with marks
٩ ثُمَّ صَدَقْنَاهُمُ الْوَعْدَ فَأَنجَيْنَاهُمْ وَمَن نَّشَاءُ وَأَهْلَكْنَا الْمُسْرِفِينَ
বাংলা উচ্চারণ
১০ লাক্বদ্ আন্যাল্না য় ইলাইকুম্ কিতা-বান্ ফীহি যিক্রুকুম্ আফালা- তা'ক্বিলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ আমরা তোমাদের কাছে নাযিল করেছি একটি কিতাব। তাতে রয়েছে তোমাদের উপদেশ। তবু কি তোমরা আকল খাটাবেনা?
মুহিউদ্দীন খান
১০ আমি তোমাদের প্রতি একটি কিতাব অবর্তীর্ণ করেছি; এতে তোমাদের জন্যে উপদেশ রয়েছে। তোমরা কি বোঝ না?
Arabic, with marks
١٠ لَقَدْ أَنزَلْنَا إِلَيْكُمْ كِتَابًا فِيهِ ذِكْرُكُمْ ۖ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১১ অকাম্ ক্বাছোয়াম্না-মিন্ র্ক্বইয়াতিন্ কা-নাত্ জোয়া-লিমাতাঁও অআন্শানা-বা'দাহা-ক্বওমান্ আ-খরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ আমরা কতো যে জনপদ ধ্বংস করে দিয়েছি, কারণ সেগুলোর অধিবাসীরা ছিলো যালিম। তাদের পরে আমরা সৃষ্টি করেছি অন্য লোকদের।
মুহিউদ্দীন খান
১১ আমি কত জনপদের ধ্বংস সাধন করেছি যার অধিবাসীরা ছিল পাপী এবং তাদের পর সৃষ্টি করেছি অন্য জাতি।
Arabic, with marks
١١ وَكَمْ قَصَمْنَا مِن قَرْيَةٍ كَانَتْ ظَالِمَةً وَأَنشَأْنَا بَعْدَهَا قَوْمًا آخَرِينَ
বাংলা উচ্চারণ
১২ ফালাম্মা য় আহাস্সূ বাসানা য় ইযা-হুম্ মিন্হা- ইর্য়াকুদ্বুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তারা যখন আমাদের শাস্তির আগমন অনুভব করে, তখনই লোকালয় থেকে পালাতে শুরু করে।
মুহিউদ্দীন খান
১২ অতঃপর যখন তারা আমার আযাবের কথা টের পেল, তখনই তারা সেখান থেকে পলায়ন করতে লাগল।
Arabic, with marks
١٢ فَلَمَّا أَحَسُّوا بَأْسَنَا إِذَا هُم مِّنْهَا يَرْكُضُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১৩ লা-র্তাকুদ্বু ওর্য়াজ্বি'ঊ য় ইলা-মা য় উত্রিফ্তুম্ ফীহি অ মাসা-কিনিকুম্ লা'আল্লাকুম্ তুস্য়ালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তাদের বলা হয়: পলায়ন করোনা, ফিরে আসো তোমাদের ভোগবিলাসের কাছে, তোমাদের আবাসে, যাতে করে তোমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়।
মুহিউদ্দীন খান
১৩ পলায়ন করো না এবং ফিরে এস, যেখানে তোমরা বিলাসিতায় মত্ত ছিলে ও তোমাদের আবাসগৃহে; সম্ভবত; কেউ তোমাদের জিজ্ঞেস করবে।
Arabic, with marks
١٣ لَا تَرْكُضُوا وَارْجِعُوا إِلَىٰ مَا أُتْرِفْتُمْ فِيهِ وَمَسَاكِنِكُمْ لَعَلَّكُمْ تُسْأَلُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১৪ ক্ব-লূ ইয়া-অইলানা য় ইন্না-কুন্না-জোয়া-লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ তখন তারা বলে: হায়, ধ্বংস আমাদের! বাস্তবিকই আমরা ছিলাম যালিম।
মুহিউদ্দীন খান
১৪ তারা বললঃ হায়, দুর্ভোগ আমাদের, আমরা অবশ্যই পাপী ছিলাম।
Arabic, with marks
١٤ قَالُوا يَا وَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
১৫ ফামা-যা-লাত্ তিল্কা দা'ওয়া-হুম্ হাত্তা-জ্বা'আল্না-হুম্ হাছীদান্ খ-মিদীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তাদের এই আর্তনাদ চলতে থাকে, যতোক্ষণনা আমরা তাদের করে ছাড়ি কাটা ফসল আর নেভানো আগুনের মতো (ভুষি আর ছাই)
মুহিউদ্দীন খান
১৫ তাদের এই আর্তনাদ সব সময় ছিল, শেষ পর্যন্ত আমি তাদেরকে করে দিলাম যেন কর্তিত শস্য ও নির্বাপিত অগ্নি।
Arabic, with marks
١٥ فَمَا زَالَت تِّلْكَ دَعْوَاهُمْ حَتَّىٰ جَعَلْنَاهُمْ حَصِيدًا خَامِدِينَ
বাংলা উচ্চারণ
১৬ অমা-খলাক্বনাস্ সামা-য়া অল্ র্আদ্বোয়া অমা-বাইনাহুমা-লা-'ঈবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ আসমান, জমিন এবং এই উভয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে, সেগুলো আমরা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।
মুহিউদ্দীন খান
১৬ আকাশ পৃথিবী এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে, তা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।
Arabic, with marks
١٦ وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
বাংলা উচ্চারণ
১৭ লাও আরদ্না য় আন্ নাত্তাখিযা লাহ্ওয়াল্ লাত্তাখয্না-হু মিল্ লাদুন্না য় ইন্ কুন্না-ফা-'ঈলীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আমরা যদি খেলার উপকরণ চাইতাম, তবে আমরা তা গ্রহণ করতাম আমাদের নিকট থেকেই। আমরা তা করিনি।
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আমি যদি ক্রীড়া উপকরণ সৃষ্টি করতে চাইতাম, তবে আমি আমার কাছে যা আছে তা দ্বারাই তা করতাম, যদি আমাকে করতে হত।
Arabic, with marks
١٧ لَوْ أَرَدْنَا أَن نَّتَّخِذَ لَهْوًا لَّاتَّخَذْنَاهُ مِن لَّدُنَّا إِن كُنَّا فَاعِلِينَ
বাংলা উচ্চারণ
১৮ বাল্ নাক্বযিফু বিল্হাক্বক্বি 'আলাল্ বা-ত্বিলি ফাইয়াদ্মাগুহ ফাইযা- হুঅ যা-হিক্ব্ অলাকুমুল্ অইলু মিম্মা-তাছিফূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ বরং আমরা সত্যকে দিয়ে আঘাত হানি মিথ্যার উপর। তখন তা মিথ্যাকে চূর্ণ - বিচূর্ণ করে দেয়, আর তখন মিথ্যা হয়ে যায় অপসৃত। তোমরা যেসব কথা বানাচ্ছো, সেজন্যে তোমাদের দুর্ভোগ।
মুহিউদ্দীন খান
১৮ বরং আমি সত্যকে মিথ্যার উপর নিক্ষেপ করি, অতঃপর সত্য মিথ্যার মস্তক চুর্ণ - বিচূর্ণ করে দেয়, অতঃপর মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তোমরা যা বলছ, তার জন্যে তোমাদের দুর্ভোগ।
Arabic, with marks
١٨ بَلْ نَقْذِفُ بِالْحَقِّ عَلَى الْبَاطِلِ فَيَدْمَغُهُ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ ۚ وَلَكُمُ الْوَيْلُ مِمَّا تَصِفُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১৯ অলাহূ মান্ ফিস সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্ব্ অ মান্ 'ইন্দাহূ লা-ইয়াস্ তাক্বিরূনা 'আন্ 'ইবা-দাতিহী অলা-ইয়াস্তাহ্সিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে সবাই তাঁর। তাঁর কাছে যারা (যেসব ফেরশতা) রয়েছে তারা তাঁর দাসত্ব ও আনুগত্যের ব্যাপারে অহংকার করেনা এবং ক্লান্তিও বোধ করেনা।
মুহিউদ্দীন খান
১৯ নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে যারা আছে, তারা তাঁরই। আর যারা তাঁর সান্নিধ্যে আছে তারা তাঁর ইবাদতে অহংকার করে না এবং অলসতাও করে না।
Arabic, with marks
١٩ وَلَهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ وَمَنْ عِندَهُ لَا يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِهِ وَلَا يَسْتَحْسِرُونَ
বাংলা উচ্চারণ
২০ ইয়ুসাব্বিহূনাল্ লাইলা অন্নাহা-র লা-ইয়াফ্তুরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ তারা তাঁর তসবিহ করে, রাতদিন। কোনো প্রকার বিরাম ও শৈথিল্য তাদের নেই।
মুহিউদ্দীন খান
২০ তারা রাত্রিদিন তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা করে এবং ক্লান্ত হয় না।
Arabic, with marks
٢٠ يُسَبِّحُونَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ لَا يَفْتُرُونَ
বাংলা উচ্চারণ
২১ আমিত্তাখযূ য় আ-লিহাতাম্ মিনাল্ র্আদ্বি হুম্ ইয়ুন্শিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ ওরা মাটি দিয়ে যেসব ইলাহ্ (দেবতা) বানিয়েছে, সেগুলো কি মৃতকে জীবিত করতে পারে?
মুহিউদ্দীন খান
২১ তারা কি মৃত্তিকা দ্বারা তৈরী উপাস্য গ্রহণ করেছে, যে তারা তাদেরকে জীবিত করবে?
Arabic, with marks
٢١ أَمِ اتَّخَذُوا آلِهَةً مِّنَ الْأَرْضِ هُمْ يُنشِرُونَ
বাংলা উচ্চারণ
২২ লাও কা-না ফীহিমা য় আ-লিহাতুন্ ইল্লাল্লা-হু লাফাসাদাতা- ফাসুব্হা-নাল্লা-হি রব্বিল্ 'র্আশি 'আম্মা-ইয়াছিফূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ যদি মহাকাশ ও পৃথিবীতে আল্লাহ্ ছাড়া অনেক ইলাহ্ থাকতো তাহলে উভয়টাই ধ্বংস হয়ে যেতো। সুতরাং তাদের আরোপিত এসব অপবাদ থেকে আরশের মালিক আল্লাহ্ অনেক ঊর্ধ্বে, মহান ও পবিত্র।
মুহিউদ্দীন খান
২২ যদি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে আল্লাহ ব্যতীত অন্যান্য উপাস্য থাকত, তবে উভয়ের ধ্বংস হয়ে যেত। অতএব তারা যা বলে, তা থেকে আরশের অধিপতি আল্লাহ পবিত্র।
Arabic, with marks
٢٢ لَوْ كَانَ فِيهِمَا آلِهَةٌ إِلَّا اللَّهُ لَفَسَدَتَا ۚ فَسُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ عَمَّا يَصِفُونَ
বাংলা উচ্চারণ
২৩ লা- ইয়ুস্য়ালূ 'আম্মা -ইয়াফ্ 'আলু অহুম্ ইয়ুস্য়ালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ তাঁর কর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবেনা (প্রশ্ন করার কেউ নেই), অথচ তাদেরকে প্রশ্ন করা হবে।
মুহিউদ্দীন খান
২৩ তিনি যা করেন, তৎসম্পর্কে তিনি জিজ্ঞাসিত হবেন না এবং তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে।
Arabic, with marks
٢٣ لَا يُسْأَلُ عَمَّا يَفْعَلُ وَهُمْ يُسْأَلُونَ
বাংলা উচ্চারণ
২৪ আমিত্তাখযূ মিন্ দূনিহী য় আ-লিহাহ্কুল্ হা-তূ র্বুহা-নাকুম্ হাযা-যিক্রু মাম্ মা'ঈয়া অযিক্রু মান্ ক্বব্লী বাল্ আক্ছারু হুম্ লা-ইয়া'লামূন আলহাক্বক্ব ফাহুম্ মু'রিদ্বূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ তারা কি তাঁর পরিবর্তে অন্যদেরকে ইলাহ্ গ্রহণ করেছে? হে নবী! বলো: ‘(তাদের ইলাহ্ হবার) প্রমাণ উপস্থিত করো। এটা (এই কুরআন) উপদেশ যারা আমার কালে আছে তাদের জন্যে, এবং উপদেশ তাদের জন্যে যারা ছিলো আমার আগে।’ বরং তাদের অধিকাংশই জানেনা প্রকৃত সত্য। ফলে তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়।
মুহিউদ্দীন খান
২৪ তারা কি আল্লাহ ব্যতীত অন্যান্য উপাস্য গ্রহণ করেছে? বলুন, তোমরা তোমাদের প্রমাণ আন। এটাই আমার সঙ্গীদের কথা এবং এটাই আমার পুর্ববর্তীদের কথা। বরং তাদের অধিকাংশই সত্য জানে না; অতএব তারা টালবাহানা করে।
Arabic, with marks
٢٤ أَمِ اتَّخَذُوا مِن دُونِهِ آلِهَةً ۖ قُلْ هَاتُوا بُرْهَانَكُمْ ۖ هَٰذَا ذِكْرُ مَن مَّعِيَ وَذِكْرُ مَن قَبْلِي ۗ بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ الْحَقَّ ۖ فَهُم مُّعْرِضُونَ
বাংলা উচ্চারণ
২৫ অমা য় র্আসালনা-মিন্ ক্বব্লিকা র্মি রসূলিন্ ইল্লা-নূহী য় ইলাইহি আন্নাহূ লা য় ইলা-হা ইল্লা য় আনা ফা'বুদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ তোমার আগে আমরা যে রসূলই পাঠিয়েছি, তার কাছে এই অহি করেছি যে: ‘অবশ্যি কোনো ইলাহ্ নেই আমি ছাড়া, সুতরাং তোমরা কেবল আমারই ইবাদত করো।’
মুহিউদ্দীন খান
২৫ আপনার পূর্বে আমি যে রাসূলই প্রেরণ করেছি, তাকে এ আদেশই প্রেরণ করেছি যে, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। সুতরাং আমারই এবাদত কর।
Arabic, with marks
٢٥ وَمَا أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ مِن رَّسُولٍ إِلَّا نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنَا فَاعْبُدُونِ
বাংলা উচ্চারণ
২৬ অ ক্ব-লূত্ তাখর্যা রহ্মা-নু অলাদান্ সুব্হা-নাহ্ বাল্ 'ইবাদুম্ মুক্রামূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ তারা বলে: ‘রহমান সন্তান গ্রহণ করেছেন।’ সুবহানাল্লাহ, তিনি এ থেকে পবিত্র মহান। তারা (ফেরেশতারা) তো তাঁর সম্মানিত দাস।
মুহিউদ্দীন খান
২৬ তারা বললঃ দয়াময় আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছে। তাঁর জন্য কখনও ইহা যোগ্য নয়; বরং তারা তো তাঁর সম্মানিত বান্দা।
Arabic, with marks
٢٦ وَقَالُوا اتَّخَذَ الرَّحْمَٰنُ وَلَدًا ۗ سُبْحَانَهُ ۚ بَلْ عِبَادٌ مُّكْرَمُونَ
বাংলা উচ্চারণ
২৭ লা-ইয়াস্বিকু নাহূ বিল্ক্বাওলি অহুম্ বিআম্রিহী ইয়া'মালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ তারা তাঁকে অতিক্রম করে কোনো কথা বলেনা। তারা তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করে।
মুহিউদ্দীন খান
২৭ তারা আগে বেড়ে কথা বলতে পারে না এবং তারা তাঁর আদেশেই কাজ করে।
Arabic, with marks
٢٧ لَا يَسْبِقُونَهُ بِالْقَوْلِ وَهُم بِأَمْرِهِ يَعْمَلُونَ
বাংলা উচ্চারণ
২৮ ইয়া'লামু মা-বাইনা আইদীহিম্ অমা- খল্ফাহুম্ অলা-ইয়াশ্ফা'ঊনা ইল্লা- লিমার্নিতাদ্বোয়া-অহুম্ মিন্ খশ্ইয়াতিহী মুশ্ফিকুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তিনি তাদের সামনের ও পেছনের সবকিছু অবগত! তারা শাফায়াত করবেনা, তবে আল্লাহ্ যাদের ব্যাপারে সন্তুষ্ট। আর তারা সব সময় ভীত সন্ত্রস্ত থাকে তাঁর ভয়ে।
মুহিউদ্দীন খান
২৮ তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যা আছে, তা তিনি জানেন। তারা শুধু তাদের জন্যে সুপারিশ করে, যাদের প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট এবং তারা তাঁর ভয়ে ভীত।
Arabic, with marks
٢٨ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يَشْفَعُونَ إِلَّا لِمَنِ ارْتَضَىٰ وَهُم مِّنْ خَشْيَتِهِ مُشْفِقُونَ
বাংলা উচ্চারণ
২৯ অমাইঁ ইয়াকুল্ মিন্হুম ইন্নী য় ইলা-হুম্ মিন্ দূনিহী ফাযা-লিকা নাজ্বযীহি জাহান্নাম্ কাযা-লিকা নাজযিজ্ জোয়া-লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ তাদের কেউ যদি বলে: ‘আল্লাহ্ ছাড়া আমিও একজন ইলাহ্।’ আমাদের কাছে তার দন্ড হলো জাহান্নাম। যালিমদের আমরা এ রকম দন্ডই দিয়ে থাকি।
মুহিউদ্দীন খান
২৯ তাদের মধ্যে যে বলে যে, তিনি ব্যতীত আমিই উপাস্য, তাকে আমি জাহান্নামের শাস্তি দেব। আমি জালেমদেরকে এভাবেই প্রতিফল দিয়ে থাকি।
Arabic, with marks
٢٩ ۞ وَمَن يَقُلْ مِنْهُمْ إِنِّي إِلَٰهٌ مِّن دُونِهِ فَذَٰلِكَ نَجْزِيهِ جَهَنَّمَ ۚ كَذَٰلِكَ نَجْزِي الظَّالِمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৩০ আওয়ালাম্ ইয়ারল্লাযীনা কাফারূ য় আন্নাস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বোয়া কা-নাতা- রত্ক্বন্ ফাফাতাক্বনা-হুমা-অজ্বা'আল্না-মিনাল্ মা-য়ি কুল্লা শাইয়িন্ হাইয়িন্ আফালা-ইয়ু মিনূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ যারা কুফুরি করে তারা কি ভেবে দেখেনা, মহাকাশ আর পৃথিবী তো প্রথমে ছিলো ওতপ্রোত জড়িত থাকা একটি পিন্ড। তারপর আমরা তাদের পৃথক করে দিয়েছি, আর সমস্ত প্রাণবানকেই আমরা সৃষ্টি করেছি পানি থেকে। তবু কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবেনা।
মুহিউদ্দীন খান
৩০ কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?
Arabic, with marks
٣٠ أَوَلَمْ يَرَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا ۖ وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ ۖ أَفَلَا يُؤْمِنُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৩১ অ জ্বা'আল্না-ফীল্ র্আদ্বি রাওয়া- সিয়া আন্ তামীদা বিহিম্ অজ্বা'আল্না-ফীহা-ফিজ্বা-জ্বান্ সুবুলাল্ লা'আল্লাহুম্ ইয়াহ্তাদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ আর আমরা পৃথিবীতে সৃষ্টি করে দিয়েছি পাহাড় পর্বত, যাতে করে পৃথিবী তাদের নিয়ে এদিক সেদিক ঢলে না পড়ে। আর আমরা তাতে প্রশস্ত পথও সৃষ্টি করে দিয়েছি, যাতে তারা পৌঁছাতে পারে গন্তব্যস্থলে।
মুহিউদ্দীন খান
৩১ আমি পৃথিবীতে ভারী বোঝা রেখে দিয়েছি যাতে তাদেরকে নিয়ে পৃথিবী ঝুঁকে না পড়ে এবং তাতে প্রশস্ত পথ রেখেছি, যাতে তারা পথ প্রাপ্ত হয়।
Arabic, with marks
٣١ وَجَعَلْنَا فِي الْأَرْضِ رَوَاسِيَ أَن تَمِيدَ بِهِمْ وَجَعَلْنَا فِيهَا فِجَاجًا سُبُلًا لَّعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৩২ অ জ্বা'আল্নাস্ সামা-য়া সাক্বফাম্ মাহ্ফূজোয়াঁও অহুম্ 'আন্ আ-ইয়া-তিহা- মু'রিদ্বূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আমরা আকাশকে বানিয়ে দিয়েছি সুরক্ষিত ছাদ। অথচ তারা আমাদের এসব নিদর্শনকে উপেক্ষা করে চলছে।
মুহিউদ্দীন খান
৩২ আমি আকাশকে সুরক্ষিত ছাদ করেছি; অথচ তারা আমার আকাশস্থ নিদর্শনাবলী থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।
Arabic, with marks
٣٢ وَجَعَلْنَا السَّمَاءَ سَقْفًا مَّحْفُوظًا ۖ وَهُمْ عَنْ آيَاتِهَا مُعْرِضُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৩৩ অহুওয়াল্লাযী খলাক্বল্ লাইলা অন্নাহা-র অশ্ শাম্সা অল্ ক্বর্মা কুল্লুন্ ফী ফালাকিইঁ ইয়াস্বাহূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন রাত আর দিন এবং সূর্য আর চাঁদ। এরা প্রত্যেকেই সাঁতরে চলছে নিজ নিজ কক্ষ পথে।
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে।
Arabic, with marks
٣٣ وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ ۖ كُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৩৪ অমা-জ্বা'আল্না-লিবাশারিম্ মিন্ ক্বব্লিকাল্ খুল্দ্ আফায়িম্ মিত্তা ফাহুমুল্ খ-লিদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ (হে মুহাম্মদ!) তোমার আগেও আমরা কোনো মানুষকে চিরস্থায়ী করিনি। তাহলে (এখন দেখো) তোমারই যদি মৃত্যু হয়, তবে তারা কি হবে চিরজীবী?
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ আপনার পূর্বেও কোন মানুষকে আমি অনন্ত জীবন দান করিনি। সুতরাং আপনার মৃত্যু হলে তারা কি চিরঞ্জীব হবে?
Arabic, with marks
٣٤ وَمَا جَعَلْنَا لِبَشَرٍ مِّن قَبْلِكَ الْخُلْدَ ۖ أَفَإِن مِّتَّ فَهُمُ الْخَالِدُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৩৫ কুল্লুনাফ্সিন্ যা-য়িক্বতুল্ মাউত্অনাব্লূকুম্ বির্শ্শারি অল্ খাইরি ফিত্নাহ্ অইলাইনা র্তুজা'ঊন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ প্রত্যেক ব্যক্তিই গ্রহণ করবে মৃত্যুর স্বাদ। আমরা তোমাদেরকে মন্দ ও ভালো দিয়ে পরীক্ষা করে থাকি, আর আমাদের কাছেই তোমাদের আনা হবে ফেরত।
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।
Arabic, with marks
٣٥ كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ ۗ وَنَبْلُوكُم بِالشَّرِّ وَالْخَيْرِ فِتْنَةً ۖ وَإِلَيْنَا تُرْجَعُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৩৬ অ ইযা-রয়া-কাল্লাযীনা কাফারূ য় ইঁ ইয়াত্তাখিযূনাকা ইল্লা-হুযুওয়া- আ হা-যাল্লাযী ইয়ায্কুরু আ-লিহাতাকুম্ অহুম্ বিযির্ক্রি রাহ্মা-নি হুম্ কাফিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ কাফিররা যখনই তোমাকে দেখে, তখনই তারা তোমাকে বিদ্রুপের পাত্র হিসেবে গ্রহণ করে। তারা বলে: ‘এই লোকটিই কি তোমাদের ইলাহ্দের (দেবদেবীর) সমালোচনা করে?’ অথচ তারাই (এই কাফিররাই) রহমানের যিকির - এর বিরোধিতা করে।
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ কাফেররা যখন আপনাকে দেখে তখন আপনার সাথে ঠাট্টা করা ছাড়া তাদের আর কোন কাজ থাকে না, একি সেই ব্যক্তি, যে তোমাদের দেব - দেবীদের সমালোচনা করে? এবং তারাই তো রহমান’ এর আলোচনায় অস্বীকার করে।
Arabic, with marks
٣٦ وَإِذَا رَآكَ الَّذِينَ كَفَرُوا إِن يَتَّخِذُونَكَ إِلَّا هُزُوًا أَهَٰذَا الَّذِي يَذْكُرُ آلِهَتَكُمْ وَهُم بِذِكْرِ الرَّحْمَٰنِ هُمْ كَافِرُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৩৭ খুলিক্বাল্ ইন্সা-নু মিন্ 'আজ্বাল্ সাউরীকুম্ আ-ইয়া-তী ফালা তাস্তা'জ্বিলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ মানুষকে তাড়াহুড়া প্রবণ করে সৃষ্টি করা হয়েছে। অচিরেই আমরা তোমাদেরকে আমাদের নিদর্শনাবলি দেখাবো। সুতরাং আমাকে তাড়াহুড়া করতে বলোনা।
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ সৃষ্টিগত ভাবে মানুষ ত্বরাপ্রবণ, আমি সত্তরই তোমাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দেখাব। অতএব আমাকে শীঘ্র করতে বলো না।
Arabic, with marks
٣٧ خُلِقَ الْإِنسَانُ مِنْ عَجَلٍ ۚ سَأُرِيكُمْ آيَاتِي فَلَا تَسْتَعْجِلُونِ
বাংলা উচ্চারণ
৩৮ অ ইয়াকু লূনা মাতা- হা-যাল্ অ'দু ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ তারা বলে: ‘ওয়াদা করা দিনটি কখন আসবে, তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে বলো।’
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ এবং তারা বলেঃ যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে এই ওয়াদা কবে পুর্ণ হবে?
Arabic, with marks
٣٨ وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا الْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৩৯ লাও ইয়া'লামুল্লাযীনা কাফারূ হীনা লা-ইয়াকুফ্ফূনা আওঁ য়ুজ্ব ূ হিহিমুন্ না-রা অলা-'আন্ জুহূরিহিম্ অলা-হুম্ ইয়ুন্ছোয়ারূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ হায়, কাফিররা যদি জানতো, সে সময়টি যখন আসবে, তখন তারা তাদের সামনে এবং পেছনে থেকে আসা আগুন প্রতিরোধ করতে পারবেনা এবং তাদেরকে কোনো প্রকার সাহায্যও করা হবেনা।
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ যদি কাফেররা ঐ সময়টি জানত, যখন তারা তাদের সম্মুখ ও পৃষ্ঠদেশ থেকে অগ্নি প্রতিরোধ করতে পারবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত হবে না।
Arabic, with marks
٣٩ لَوْ يَعْلَمُ الَّذِينَ كَفَرُوا حِينَ لَا يَكُفُّونَ عَن وُجُوهِهِمُ النَّارَ وَلَا عَن ظُهُورِهِمْ وَلَا هُمْ يُنصَرُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৪০ বাল্ তাতী হিম্ বাগ্তাতান্ ফাতাব্হাতুহুম্ ফালা-ইয়াস্তাত্বী'ঊনা রদ্দাহা-অলা-হুম্ ইয়ুন্জোয়ারূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ সেই সময়টি তাদের কাছে এসে পড়বে আকস্মিক এবং তা তাদেরকে হতভম্ব করে দেবে। তারা তা প্রতিরোধ করতেও সক্ষম হবেনা এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবেনা।
মুহিউদ্দীন খান
৪০ বরং তা আসবে তাদের উপর অতর্কিত ভাবে, অতঃপর তাদেরকে তা হতবুদ্ধি করে দেবে, তখন তারা তা রোধ করতেও পারবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।
Arabic, with marks
٤٠ بَلْ تَأْتِيهِم بَغْتَةً فَتَبْهَتُهُمْ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ رَدَّهَا وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৪১ অলাক্বাদিস্ তুহ্যিয়া বিরুসুলিম্ মিন্ ক্বব্লিকা ফাহা-ক্ব বিল্লাযীনা সাখিরূ মিন্হুম্ মা-কা-নূ বিহী ইয়াস্তাহ্যিয়ূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ তোমার আগেকার রসূলদের সাথেও ঠাট্টা - বিদ্রুপ করা হয়েছিল, তারা যা নিয়ে ঠাট্টা - বিদ্রুপ করতো, পরিণামে সেই (আযাবই) বিদ্রুপকারীদের পরিবেষ্টন করে নেয়।
মুহিউদ্দীন খান
৪১ আপনার পূর্বেও অনেক রাসূলের সাথে ঠাট্টা - বিদ্রূপ করা হয়েছে। অতঃপর যে বিষয়ে তারা ঠাট্টা করত তা উল্টো ঠাট্টাকারীদের উপরই আপতিত হয়েছে।
Arabic, with marks
٤١ وَلَقَدِ اسْتُهْزِئَ بِرُسُلٍ مِّن قَبْلِكَ فَحَاقَ بِالَّذِينَ سَخِرُوا مِنْهُم مَّا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৪২ কুল মাইঁ ইয়াক্লায়ুকুম্ বিল্লাইলি অন্নাহা-রি মির্না রহ্মান্ বাল্হুম্ 'আন্ যিক্রি রব্বিহিম্ মু'রিদ্বুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ হে নবী ! তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘রাতে এবং দিনে রহমানের পাকড়াও থেকে তোমাদের রক্ষা করবে কে?’ বরং তারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে তাদের প্রভুর যিকির (আল কুরআন) থেকে।
মুহিউদ্দীন খান
৪২ বলুনঃ ‘রহমান’ থেকে কে তোমাদেরকে হেফাযত করবে রাত্রে ও দিনে। বরং তারা তাদের পালনকর্তার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।
Arabic, with marks
٤٢ قُلْ مَن يَكْلَؤُكُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ مِنَ الرَّحْمَٰنِ ۗ بَلْ هُمْ عَن ذِكْرِ رَبِّهِم مُّعْرِضُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৪৩ আম্ লাহুম্ আ-লিহাতুন্ তাম্না'ঊহুম্ মিন্ দূনিনা- লা-ইয়াস্তাত্বী'ঊনা নাছ্রা আন্ফুসিহিম্ অলাহুম্ মিন্না-ইয়ুছ্হাবূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ তাহলে কি আমরা ছাড়াও তাদের আরো ইলাহ্ আছে যারা তাদের রক্ষা করবে? তারা তো তাদের নিজেদেরকেও সাহায্য করতে পারবেনা, আর আমাদের বিরুদ্ধে তাদের কোনো সাহায্যকারীও থাকবেনা।
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ তবে কি আমি ব্যতীত তাদের এমন দেব - দেবী আছে যারা তাদেরকে রক্ষা করবে? তারা তো নিজেদেরই সাহায্য করতে সক্ষম নয় এবং তারা আমার মোকাবেলায় সাহায্যকারীও পাবে না।
Arabic, with marks
٤٣ أَمْ لَهُمْ آلِهَةٌ تَمْنَعُهُم مِّن دُونِنَا ۚ لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَ أَنفُسِهِمْ وَلَا هُم مِّنَّا يُصْحَبُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৪৪ বাল্ মাত্তা'না- হা য় উলা-য়ি অআ-বা-য়াহুম্ হাত্তা-ত্বোয়া-লা 'আলাইহিমুল্ 'উর্মু আফালা-ইয়ারাওনা আন্না-নাতিল্ র্আদ্বোয়া নান্ক্বছুহা-মিন্ আত্বর-ফিহা- আফাহুমুল্ গ-লিবূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ বরং আমরাই তাদের এবং তাদের পূর্ব পুরুষদের ভোগবিলাসের উপকরণ দিয়েছি, তাছাড়া তাদের বয়সকালও হয়েছিল দীর্ঘ। তারা কি দেখেনা, আমরা তাদের দেশকে চারদিক থেকে সংকুচিত করে আনছি, তবু কি তারা বিজয়ী হবে?
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ বরং আমি তাদেরকে এবং তাদের বাপ - দাদাকে ভোগসম্বার দিয়েছিলাম, এমনকি তাদের আয়ুস্কালও দীর্ঘ হয়েছিল। তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে হ্রাস করে আনছি। এরপরও কি তারা বিজয়ী হবে?
Arabic, with marks
٤٤ بَلْ مَتَّعْنَا هَٰؤُلَاءِ وَآبَاءَهُمْ حَتَّىٰ طَالَ عَلَيْهِمُ الْعُمُرُ ۗ أَفَلَا يَرَوْنَ أَنَّا نَأْتِي الْأَرْضَ نَنقُصُهَا مِنْ أَطْرَافِهَا ۚ أَفَهُمُ الْغَالِبُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৪৫ কুল্ ইন্নামা য় উন্যিরুকুম্ বিল্ অহ্য়ি অলা-ইয়াস্মা'উছ্ ছুম্মুদ্ দু'আ-য়া ইযা-মা-ইয়ুন্যারূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ হে নবী! তাদের বলো: ‘আমি তোমাদের সতর্ক করছি অহির সাহায্যে।’ কিন্তু বধির লোকেরা কোনো ডাকই শুনেনা, যতোই তাদের করা হয় সতর্ক।
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ বলুনঃ আমি তো কেবল ওহীর মাধ্যমেই তোমাদেরকে সতর্ক করি, কিন্তু বধিরদেরকে যখন সতর্ক করা হয়, তখন তারা সে সতর্কবাণী শোনে না।
Arabic, with marks
٤٥ قُلْ إِنَّمَا أُنذِرُكُم بِالْوَحْيِ ۚ وَلَا يَسْمَعُ الصُّمُّ الدُّعَاءَ إِذَا مَا يُنذَرُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৪৬ অলায়িম্ মাস্সাত্হুম্ নাফ্হাতুম্ মিন্ 'আযা-বি রব্বিকা লাইয়াকু লুন্না ইয়া-ওয়াইলানা য় ইন্না-কুন্না-জোয়া-লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তোমার প্রভুর কিছু আযাবও যদি তাদের স্পর্শ করে, তারা অবশ্যি বলে উঠবে: হায়, আমাদের ধ্বংস, আমরা অবশ্যি যালিম ছিলাম।
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ আপনার পালনকর্তার আযাবের কিছুমাত্রও তাদেরকে স্পর্শ করলে তারা বলতে থাকবে, হায় আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা অবশ্যই পাপী ছিলাম।
Arabic, with marks
٤٦ وَلَئِن مَّسَّتْهُمْ نَفْحَةٌ مِّنْ عَذَابِ رَبِّكَ لَيَقُولُنَّ يَا وَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৪৭ অ নাদ্বোয়াউ'ল্ মাওয়া-যীনাল্ ক্বিস্ত্বোয়া লিইয়াওমিল্ ক্বিয়া-মাতি ফালা-তুজ্লামু নাফ্সুন্ শাইয়া অইন্ কা-না মিছ্ক্ব-লা হাব্বাতিম্ মিন্ র্খদালিন্ আতাইনা-বিহা-অকাফা-বিনা-হা-সিবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ কিয়ামতকালে আমরা স্থাপন করবো ন্যায়বিচারের দন্ড। তখন কারো প্রতি বিন্দুমাত্র যুলুম করা হবেনা। কারো কর্ম যদি শস্য পরিমাণ ওজনেরও হয়, সেটাও আমরা ওজনের আওতায় নিয়ে আসবো। হিসাবগ্রহণকারী হিসেবে আমরাই যথেষ্ট।
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ আমি কেয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদন্ড স্থাপন করব। সুতরাং কারও প্রতি জুলুম হবে না। যদি কোন আমল সরিষার দানা পরিমাণও হয়, আমি তা উপস্থিত করব এবং হিসাব গ্রহণের জন্যে আমিই যথেষ্ট।
Arabic, with marks
٤٧ وَنَضَعُ الْمَوَازِينَ الْقِسْطَ لِيَوْمِ الْقِيَامَةِ فَلَا تُظْلَمُ نَفْسٌ شَيْئًا ۖ وَإِن كَانَ مِثْقَالَ حَبَّةٍ مِّنْ خَرْدَلٍ أَتَيْنَا بِهَا ۗ وَكَفَىٰ بِنَا حَاسِبِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৪৮ অলাক্বদ্ আ-তাইনা- মূসা-অহা-রূনাল্ ফুরক্বা-না অদ্বিয়া-য়াঁও অযিক্রাল্ লিল্মুত্তাক্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ আমরা মূসা এবং হারূণকে দিয়েছিলাম ফুরকান , জ্যোতি এবং যিকির সেইসব মুত্তাকিদের জন্যে,
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ আমি মূসা ও হারুণকে দান করেছিলাম মীমাংসাকারী গ্রন্থ, আলো ও উপদেশ, আল্লাহ ভীরুদের জন্যে
Arabic, with marks
٤٨ وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَىٰ وَهَارُونَ الْفُرْقَانَ وَضِيَاءً وَذِكْرًا لِّلْمُتَّقِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৪৯ আল্লাযীনা ইয়াখ্শাওনা রব্বাহুম্ বিল্ গইবি অহুম্ মিনাস্ সা- 'আতি মুশ্ফিকুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ যারা না দেখেও তাদের প্রভুকে ভয় করে এবং তারা কিয়ামত সম্পর্কে থাকে ভীত সন্ত্রস্ত।
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ যারা না দেখেই তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে এবং কেয়ামতের ভয়ে শঙ্কিত।
Arabic, with marks
٤٩ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِالْغَيْبِ وَهُم مِّنَ السَّاعَةِ مُشْفِقُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৫০ অ হা-যা -যিক্রুম্ মুবা-রকুন্ আন্যাল্না-হ্ আফাআন্তুম্ লাহূ মুন্কিরূন।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ এ (কুরআন) এক কল্যাণময় উপদেশ, তবু কি তোমরা তা অস্বীকার করবে?
মুহিউদ্দীন খান
৫০ এবং এটা একটা বরকতময় উপদেশ, যা আমি নাযিল করেছি। অতএব তোমরা কি একে অস্বীকার কর?
Arabic, with marks
٥٠ وَهَٰذَا ذِكْرٌ مُّبَارَكٌ أَنزَلْنَاهُ ۚ أَفَأَنتُمْ لَهُ مُنكِرُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৫১ অলাক্বদ্ আ- তাইনা য় ইব্র-হীমা রুশ্দাহূ মিন্ ক্ববলু অকুন্না-বিহী 'আ-লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ আমরা ইতোপূর্বে ইবরাহিমকে সত্য পথের জ্ঞান দিয়েছিলাম, তার বিষয়ে আমরা বিশেষভাবে অবগত।
মুহিউদ্দীন খান
৫১ আর, আমি ইতিপূর্বে ইব্রাহীমকে তার সৎপন্থা দান করেছিলাম এবং আমি তার সম্পর্কে সম্যক পরিজ্ঞাত ও ছিলাম।
Arabic, with marks
٥١ ۞ وَلَقَدْ آتَيْنَا إِبْرَاهِيمَ رُشْدَهُ مِن قَبْلُ وَكُنَّا بِهِ عَالِمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৫২ ইয্ ক্ব-লা লিআবীহি অক্বওমিহী মা-হা-যিহিত্ তামা-ছীলুল্ লাতী য় আন্তুম্ লাহা-'আ-কিফূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ সে যখন তার পিতা এবং তার কওমকে বলেছিল: ‘এই ভাস্কর্যগুলো কী, যাদের প্রতি আপনারা নত হচ্ছেন?’
মুহিউদ্দীন খান
৫২ যখন তিনি তাঁর পিতা ও তাঁর সম্প্রদায়কে বললেনঃ এই মূর্তিগুলো কী, যাদের তোমরা পূজারী হয়ে বসে আছ।
Arabic, with marks
٥٢ إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِ مَا هَٰذِهِ التَّمَاثِيلُ الَّتِي أَنتُمْ لَهَا عَاكِفُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৫৩ ক্ব-লূ অজ্বাদ্না য় আ-বা-য়ানা লাহা-'আ-বিদীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ জবাবে তারা বলেছিল: ‘আমরা আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকে এদের পূজা করতে দেখে এসেছি।’
মুহিউদ্দীন খান
৫৩ তারা বললঃ আমরা আমাদের বাপ - দাদাকে এদের পুজা করতে দেখেছি।
Arabic, with marks
٥٣ قَالُوا وَجَدْنَا آبَاءَنَا لَهَا عَابِدِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৫৪ ক্ব- লা লাক্বদ্ কুন্তুম্ আন্তুম্ অআ-বা-য়ুকুম্ ফী দ্বোয়ালা-লিম্ মুবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ তখন সে বললো: ‘আপনারা এবং আপনাদের পূর্ব পুরুষরা রয়েছেন সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে।’
মুহিউদ্দীন খান
৫৪ তিনি বললেনঃ তোমরা প্রকাশ্য গোমরাহীতে আছ এবং তোমাদের বাপ - দাদারাও।
Arabic, with marks
٥٤ قَالَ لَقَدْ كُنتُمْ أَنتُمْ وَآبَاؤُكُمْ فِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
বাংলা উচ্চারণ
৫৫ ক্ব-লূ য় আজ্বিতানা বিল্হাক্বক্বি আম্ আন্তা মিনাল্ লা-'ঈবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ তারা বললো: ‘তুমি কি আমাদের কাছে সত্য নিয়ে এসেছো, নাকি কৌতুক করছো?’
মুহিউদ্দীন খান
৫৫ তারা বললঃ তুমি কি আমাদের কাছে সত্যসহ আগমন করেছ, না তুমি কৌতুক করছ?
Arabic, with marks
٥٥ قَالُوا أَجِئْتَنَا بِالْحَقِّ أَمْ أَنتَ مِنَ اللَّاعِبِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৫৬ ক্ব-লা র্বা রব্বুকুম্ রব্বুস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বিল্লাযী ফাতারহুন্না অ আনা 'আলা- যা-লিকুম্ মিনাশ্ শা-হিদীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৬ সে বললো: ‘‘আপনাদের রব হলেন মহাকাশ ও পৃথিবীর রব, যিনি সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন। এ বিষয়ে আপনাদের কাছে আমি একজন সাক্ষী।
মুহিউদ্দীন খান
৫৬ তিনি বললেনঃ না, তিনিই তোমাদের পালনকর্তা যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের পালনকর্তা, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন; এবং আমি এই বিষয়েরই সাক্ষ্যদাতা।
Arabic, with marks
٥٦ قَالَ بَل رَّبُّكُمْ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ الَّذِي فَطَرَهُنَّ وَأَنَا عَلَىٰ ذَٰلِكُم مِّنَ الشَّاهِدِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৫৭ অ তাল্লা-হি লাআকীদান্না আছ্না-মাকুম্ বা'দা আন্ তুওয়াল্লু মুদ্বিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৭ আল্লাহর কসম, আপনারা চলে গেলে আমি অবশ্যি আপনাদের ভাস্কর্যগুলো সম্পর্কে কৌশল অবলম্বন করবো।’’
মুহিউদ্দীন খান
৫৭ আল্লাহর কসম, যখন তোমরা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যাবে, তখন আমি তোমাদের মূর্তিগুলোর ব্যাপারে একটা ব্যবস্থা অবলম্বন করব।
Arabic, with marks
٥٧ وَتَاللَّهِ لَأَكِيدَنَّ أَصْنَامَكُم بَعْدَ أَن تُوَلُّوا مُدْبِرِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৫৮ ফাজ্বা'আলাহুম্ জুযা-যান্ ইল্লা- কাবীরল্ লাহুম্ লা'আল্লাহুম্ ইলাইহি ইর্য়াজ্বি'ঊন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮ তারপর সে ভাস্কর্যগুলোকে ভেঙ্গে চূর্ণ - বিচূর্ণ করে দিলো বড়টিকে বাদে, যাতে করে তারা তার কাছে ফিরে আসে।
মুহিউদ্দীন খান
৫৮ অতঃপর তিনি সেগুলোকে চূর্ণ - বিচুর্ণ করে দিলেন ওদের প্রধানটি ব্যতীতঃ যাতে তারা তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তন করে।
Arabic, with marks
٥٨ فَجَعَلَهُمْ جُذَاذًا إِلَّا كَبِيرًا لَّهُمْ لَعَلَّهُمْ إِلَيْهِ يَرْجِعُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৫৯ ক্ব-লূ মান্ ফা'আলা হা-যা-বিআ- লিহাতিনা য় ইন্নাহূ লামিনাজ্ জোয়া-লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৯ তারা এসে বললো: ‘আমাদের দেবদেবীদের সাথে এমন আচরণ করলো কে? সে তো নিশ্চয়ই একজন যালিম।’
মুহিউদ্দীন খান
৫৯ তারা বললঃ আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার কে করল? সে তো নিশ্চয়ই কোন জালিম ।
Arabic, with marks
٥٩ قَالُوا مَن فَعَلَ هَٰذَا بِآلِهَتِنَا إِنَّهُ لَمِنَ الظَّالِمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৬০ ক্ব-লূ সামি'না- ফাতাইঁ ইয়ায্কুরুহুম্ ইয়ুক্ব-লু লাহূ য় ইব্রা-হীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬০ তারা বলাবলি করলো: ‘ইবরাহিম নামের এক যুবককে তাদের সমালোচনা করতে শুনেছি।’
মুহিউদ্দীন খান
৬০ কতক লোকে বললঃ আমরা এক যুবককে তাদের সম্পর্কে বিরূপ আলোচনা করতে শুনেছি; তাকে ইব্রাহীম বলা হয়।
Arabic, with marks
٦٠ قَالُوا سَمِعْنَا فَتًى يَذْكُرُهُمْ يُقَالُ لَهُ إِبْرَاهِيمُ
বাংলা উচ্চারণ
৬১ ক্ব-লূ ফাতূ বিহী 'আলা য় আ'ইয়ুনিন্ না-সি লা'আল্লাহুম্ ইয়াশ্ হাদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬১ তারা বললো: ‘তাকে জনসম্মুখে নিয়ে আসো, যাতে করে সবাই তাকে দেখে।’
মুহিউদ্দীন খান
৬১ তারা বললঃ তাকে জনসমক্ষে উপস্থিত কর, যাতে তারা দেখে।
Arabic, with marks
٦١ قَالُوا فَأْتُوا بِهِ عَلَىٰ أَعْيُنِ النَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَشْهَدُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৬২ ক্ব-লূ য় আআন্তা ফা'আল্তা হা-যা-বিআ-লিহাতিনা-ইয়া য় ইব্রা-হীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬২ (ইবরাহিম এলে) তারা জিজ্ঞেস করলো: ‘তুমিই কি আমাদের দেব - দেবীদের প্রতি এমন আচরণ করেছো, হে ইবরাহিম?’
মুহিউদ্দীন খান
৬২ তারা বললঃ হে ইব্রাহীম তুমিই কি আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার করেছ?
Arabic, with marks
٦٢ قَالُوا أَأَنتَ فَعَلْتَ هَٰذَا بِآلِهَتِنَا يَا إِبْرَاهِيمُ
বাংলা উচ্চারণ
৬৩ ক্ব-লা বাল্ ফা'আলাহূ কাবীরুহুম্ হা-যা-ফাস্য়ালূহুম্ ইন্ কা-নূ ইয়ান্ত্বিকুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৩ ইবরাহিম বললো: ‘বরং তাদের এই বড়টাই একাজ করেছে। তারা (তোমাদের দেবদেবীরা) কথা বলতে পারলে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করে দেখো।’
মুহিউদ্দীন খান
৬৩ তিনি বললেনঃ না এদের এই প্রধানই তো একাজ করেছে। অতএব তাদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তারা কথা বলতে পারে।
Arabic, with marks
٦٣ قَالَ بَلْ فَعَلَهُ كَبِيرُهُمْ هَٰذَا فَاسْأَلُوهُمْ إِن كَانُوا يَنطِقُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৬৪ ফারজ্বা'ঊ য় ইলা য় আন্ফুসিহিম্ ফাক্ব-লূ য় ইন্নাকুম্ আন্তুমুজ্ জোয়া-লিমূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৪ তখন তারা মনে মনে আত্মসমালোচনা করলো এবং বললো: ‘তোমরাই তো যালিম (সীমালঙ্ঘনকারী)।’
মুহিউদ্দীন খান
৬৪ অতঃপর মনে মনে চিন্তা করল এবং বললঃ লোক সকল; তোমরাই বে ইনসাফ।
Arabic, with marks
٦٤ فَرَجَعُوا إِلَىٰ أَنفُسِهِمْ فَقَالُوا إِنَّكُمْ أَنتُمُ الظَّالِمُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৬৫ ছুম্মা নুকিসূ 'আলা-রুয়ূসিহিম্ লাক্বদ্ 'আলিম্তা মা-হা য় য়ুলা-য়ি ইয়ান্ত্বিকুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৫ তাতে তাদের মাথা নত হয়ে গেলো। তারা বললো: ‘তুমি তো জানো, এরা কথা বলেনা।’
মুহিউদ্দীন খান
৬৫ অতঃপর তারা ঝুঁকে গেল মস্তক নত করে, তুমি তো জান যে, এরা কথা বলে না
Arabic, with marks
٦٥ ثُمَّ نُكِسُوا عَلَىٰ رُءُوسِهِمْ لَقَدْ عَلِمْتَ مَا هَٰؤُلَاءِ يَنطِقُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৬৬ ক্ব-লা আফাতা'বুদূনা মিন্ দূনিল্লা -হি মা-লা-ইয়ান্ফা'ঊকুম্ শাইয়াঁও অলা-ইয়ার্দ্বুরুকুম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৬ ইবরাহিম বললো: ‘‘তবে কি আপনারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন সব জিনিসের ইবাদত (পূজা উপাসনা) করেন যারা আপনাদের কোনো উপকার করতে পারেনা এবং ক্ষতিও করতে পারেনা?
মুহিউদ্দীন খান
৬৬ তিনি বললেনঃ তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর এবাদত কর, যা তোমাদের কোন উপকার ও করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না ?
Arabic, with marks
٦٦ قَالَ أَفَتَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَنفَعُكُمْ شَيْئًا وَلَا يَضُرُّكُمْ
বাংলা উচ্চারণ
৬৭ উফ্ফিল্লাকুম্ অলিমা-তা'বুদূনা মিন্ দূনিল্লা-হ্ আফালা-তা'ক্বিলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৭ ধিক, আপনাদের প্রতি এবং আল্লাহর পরিবর্তে আপনারা যাদের ইবাদত করেন তাদের প্রতি। আপনারা কি মোটেই বুদ্ধি বিবেক খাটান না?’’
মুহিউদ্দীন খান
৬৭ ধিক তোমাদের জন্যে এবং তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাদেরই এবাদত কর, ওদের জন্যে। তোমরা কি বোঝ না?
Arabic, with marks
٦٧ أُفٍّ لَّكُمْ وَلِمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ ۖ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৬৮ ক্ব-লূ র্হারিকু হু অন্ছুরূ য় আ-লিহাতাকুম্ ইন্ কুন্তুম্ ফা-'ইলীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৮ তখন তারা বললো: ‘তোমরা যদি কিছু করতে চাও, তবে একে আগুনে পোড়াও এবং তোমাদের দেব দেবীদের সাহায্য করো।’
মুহিউদ্দীন খান
৬৮ তারা বললঃ একে পুড়িয়ে দাও এবং তোমাদের উপাস্যদের সাহায্য কর, যদি তোমরা কিছু করতে চাও।
Arabic, with marks
٦٨ قَالُوا حَرِّقُوهُ وَانصُرُوا آلِهَتَكُمْ إِن كُنتُمْ فَاعِلِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৬৯ কুলনা- ইয়া-না-রু কূনী র্বাদাঁও অসালা-মান্ 'আলা য় ইব্রা-হীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৯ আমরা আগুনকে বললাম: ‘ হে আগুন! তুমি ইবরাহিমের জন্যে সুশীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।’
মুহিউদ্দীন খান
৬৯ আমি বললামঃ হে অগ্নি, তুমি ইব্রাহীমের উপর শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।
Arabic, with marks
٦٩ قُلْنَا يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ
বাংলা উচ্চারণ
৭০ অআর-দূ বিহী কাইদান্ ফাজ্বা'আল্না-হুমুল্ আখ্সারীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭০ তারা তার ক্ষতি সাধনের এরাদা করেছিল, কিন্তু আমরা তাদেরকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে ছেড়েছি।
মুহিউদ্দীন খান
৭০ তারা ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ফন্দি আঁটতে চাইল, অতঃপর আমি তাদেরকেই সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ করে দিলাম।
Arabic, with marks
٧٠ وَأَرَادُوا بِهِ كَيْدًا فَجَعَلْنَاهُمُ الْأَخْسَرِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৭১ অনাজ্জ্বাইনা-হু অলূত্বোয়ান্ ইলাল্ র্আদ্বিল্লাতী বা-রাক্না-ফীহা- লিল্'আ-লামীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭১ আর আমরা তাকে এবং লুতকে (তাদের কবল থেকে) নাজাত দিয়ে নিয়ে গেলাম সেই ভূ - খন্ডের দিকে, যে ভূ - খন্ডে আমরা বরকত দান করেছি জগদ্বাসীর জন্যে।
মুহিউদ্দীন খান
৭১ আমি তাঁকে ও লূতকে উদ্ধার করে সেই দেশে পৌঁছিয়ে দিলাম, যেখানে আমি বিশ্বের জন্যে কল্যাণ রেখেছি।
Arabic, with marks
٧١ وَنَجَّيْنَاهُ وَلُوطًا إِلَى الْأَرْضِ الَّتِي بَارَكْنَا فِيهَا لِلْعَالَمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৭২ অওয়াহাব্না-লাহূ য় ইস্হা-ক্ব অ ইয়া'কু বা না-ফিলাহ্ অ কুল্লান্ জ্বা'আল্না-ছোয়া-লিহীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭২ আর আমরা তাকে সেই সাথে অতিরিক্ত হিসেবে দান করেছি (পুত্র) ইসহাক এবং (পৌত্র) ইয়াকুবকে। আর তাদের প্রত্যেককে আমরা বানিয়েছি দক্ষ পুণ্যবান।
মুহিউদ্দীন খান
৭২ আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও পুরস্কার স্বরূপ দিলাম ইয়াকুব এবং প্রত্যেককেই সৎকর্ম পরায়ণ করলাম।
Arabic, with marks
٧٢ وَوَهَبْنَا لَهُ إِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ نَافِلَةً ۖ وَكُلًّا جَعَلْنَا صَالِحِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৭৩ অ জ্বা'আল্না-হুম্ আয়িম্মাতাঁই ইয়াহ্দূনা বিআম্রিনা-অ আওহাইনা য় ইলাইহিম্ ফি'লাল্ খইর-তি ও অ ইক্ব-মাছ্ ছলা-তি অই-তা-য়ায্ যাকা-তি অকা-নূ লানা-আ'বিদীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৩ আর তাদেরকে আমরা বানিয়েছি ইমাম (নেতা), তারা আমাদের নির্দেশ মতো মানুষকে সঠিক পথ দেখাতো। আমরা তাদেরকে অহির মাধ্যমে নির্দেশ দিয়েছি জনকল্যাণের কাজ করতে, সালাত কায়েম করতে এবং যাকাত প্রদান করতে। তারা ছিলো আমার অনুগত দাস (উপাসক)।
মুহিউদ্দীন খান
৭৩ আমি তাঁদেরকে নেতা করলাম। তাঁরা আমার নির্দেশ অনুসারে পথ প্রদর্শন করতেন। আমি তাঁদের প্রতি ওহী নাযিল করলাম সৎকর্ম করার, নামায কায়েম করার এবং যাকাত দান করার। তাঁরা আমার এবাদতে ব্যাপৃত ছিল।
Arabic, with marks
٧٣ وَجَعَلْنَاهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا وَأَوْحَيْنَا إِلَيْهِمْ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَإِقَامَ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءَ الزَّكَاةِ ۖ وَكَانُوا لَنَا عَابِدِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৭৪ অলূত্বোয়ান্ আ-তাইনা- হু হুক্মাঁও অ 'ইল্মাঁও অনাজ্জ্বাইনা-হু মিনাল্ র্ক্বাইয়াতিল্লাতী কা-নাত্ তা'মালুল্ খবা-য়িছ্ ইন্নাহুম্ কা-নূ ক্বওমা সাওয়িন্ ফা-সিক্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৪ আর লুতকে আমরা দিয়েছিলাম হিকমাহ এবং এলেম। তাকেও আমরা নাজাত দিয়েছিলাম অশ্লীল কাজে লিপ্ত এক খবিছ জনপদ থেকে। তারা ছিলো এক নিকৃষ্ট সীমালঙ্ঘনকারী কওম।
মুহিউদ্দীন খান
৭৪ এবং আমি লূতকে দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা ও জ্ঞান এবং তাঁকে ঐ জনপদ থেকে উদ্ধার করেছিলাম, যারা নোংরা কাজে লিপ্ত ছিল। তারা মন্দ ও নাফরমান সম্প্রদায় ছিল।
Arabic, with marks
٧٤ وَلُوطًا آتَيْنَاهُ حُكْمًا وَعِلْمًا وَنَجَّيْنَاهُ مِنَ الْقَرْيَةِ الَّتِي كَانَت تَّعْمَلُ الْخَبَائِثَ ۗ إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمَ سَوْءٍ فَاسِقِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৭৫ অআদ্খল্না-হু ফী রহ্মাতিনা- ইন্নাহূ মিনাছ্ ছোয়া-লিহীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৫ আর আমরা তাকে দাখিল করে নিয়েছিলাম আমাদের রহমতের মধ্যে। সেও ছিলো দক্ষ পুণ্যবানদের একজন।
মুহিউদ্দীন খান
৭৫ আমি তাকে আমার অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। সে ছিল সৎকর্মশীলদের একজন।
Arabic, with marks
٧٥ وَأَدْخَلْنَاهُ فِي رَحْمَتِنَا ۖ إِنَّهُ مِنَ الصَّالِحِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৭৬ অনূহান্ ইয্ না-দা-মিন্ ক্বব্লু ফাস্তাজ্বাব্না-লাহূ ফানাজ্জ্বাইনা-হু অআহ্লাহূ মিনাল্ র্কাবিল্ 'আজীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৬ স্মরণ করো, এর আগে নূহ (আমাকে) ডেকেছিল। আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম এবং তাকে আর তার পরিবারবর্গকে উদ্ধার করেছিলাম মহাসংকট থেকে।
মুহিউদ্দীন খান
৭৬ এবং স্মরণ করুন নূহকে; যখন তিনি এর পূর্বে আহবান করেছিলেন। তখন আমি তাঁর দোয়া কবুল করেছিলাম, অতঃপর তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে মহা সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম।
Arabic, with marks
٧٦ وَنُوحًا إِذْ نَادَىٰ مِن قَبْلُ فَاسْتَجَبْنَا لَهُ فَنَجَّيْنَاهُ وَأَهْلَهُ مِنَ الْكَرْبِ الْعَظِيمِ
বাংলা উচ্চারণ
৭৭ অ নাছোর্য়ানা-হু মিনাল্ ক্বওমিল্লাযীনা কায্যাবূ বিআ-ইয়া-তিনা- ইন্নাহুম্ কা-নূ ক্বওমা সাওয়িন্ ফাআগ্রাক্বনা-হুম্ আজ্বমা'ঈন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৭ আমরা তাকে সাহায্য করেছিলাম এমন একটি কওমের বিরুদ্ধে যারা প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের আয়াত। তারা ছিলো একটি মন্দ কওম, ফলে আমরা তাদের সবাইকে ডুবিয়ে দিয়েছিলাম পানিতে।
মুহিউদ্দীন খান
৭৭ এবং আমি তাঁকে ঐ সম্প্রদায়ের বিপক্ষে সাহায্য করেছিলাম, যারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করেছিল। নিশ্চয়, তারা ছিল এক মন্দ সম্প্রদায়। অতঃপর আমি তাদের সবাইকে নিমজ্জত করেছিলাম।
Arabic, with marks
٧٧ وَنَصَرْنَاهُ مِنَ الْقَوْمِ الَّذِينَ كَذَّبُوا بِآيَاتِنَا ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمَ سَوْءٍ فَأَغْرَقْنَاهُمْ أَجْمَعِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৭৮ অদা-ঊদা অ সুলাইমা-না ইয্ ইয়াহ্কুমা-নি ফিল্ র্হাছি ইয্ নাফাশাত্ ফীহি গনামুল্ ক্বওমি অকুন্না-লিহুক্মিহিম্ শা-হিদীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৮ আরো স্মরণ করো দাউদ আর সুলাইমানের কথা। তারা যখন শস্যক্ষেত সম্পর্কে ফায়সালা দিচ্ছিল, তাতে রাতের বেলায় অন্য লোকের মেষপাল ঢুকে পড়েছিল, আমরা তাদের বিচার কাজ প্রত্যক্ষ করছিলাম।
মুহিউদ্দীন খান
৭৮ এবং স্মরণ করুন দাউদ ও সুলায়মানকে, যখন তাঁরা শস্যক্ষেত্র সম্পর্কে বিচার করেছিলেন। তাতে রাত্রিকালে কিছু লোকের মেষ ঢুকে পড়েছিল। তাদের বিচার আমার সম্মুখে ছিল।
Arabic, with marks
٧٨ وَدَاوُودَ وَسُلَيْمَانَ إِذْ يَحْكُمَانِ فِي الْحَرْثِ إِذْ نَفَشَتْ فِيهِ غَنَمُ الْقَوْمِ وَكُنَّا لِحُكْمِهِمْ شَاهِدِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৭৯ ফাফাহ্হাম্না-হা-সুলাইমা-না অকুল্লান্ আ-তাইনা-হুক্মাঁও অ ই'ল্মাঁও অ সার্খ্খানা-মা'আ দা-ঊদাল্ জ্বিবা-লা ইয়ুসাব্বিহ্না অত্ত্বোয়ার্ই অকুন্না-ফা-'ইলীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৯ আমরা বিষয়টি সম্পর্কে সুলাইমানকে সঠিক বুঝ দিয়েছিলাম, তবে দুজনকেই দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা এবং এলেম। আমরা পাহাড় পর্বত আর পাখিদেরকে অধীনস্থ করে দিয়েছিলাম দাউদের সাথে তারা তসবিহ করতো। এসব কিছুর কর্তা ছিলাম আমরাই।
মুহিউদ্দীন খান
৭৯ অতঃপর আমি সুলায়মানকে সে ফায়সালা বুঝিয়ে দিয়েছিলাম এবং আমি উভয়কে প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দিয়েছিলাম। আমি পর্বত ও পক্ষীসমূহকে দাউদের অনুগত করে দিয়েছিলাম; তারা আমার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করত। এই সমস্ত আমিই করেছিলাম।
Arabic, with marks
٧٩ فَفَهَّمْنَاهَا سُلَيْمَانَ ۚ وَكُلًّا آتَيْنَا حُكْمًا وَعِلْمًا ۚ وَسَخَّرْنَا مَعَ دَاوُودَ الْجِبَالَ يُسَبِّحْنَ وَالطَّيْرَ ۚ وَكُنَّا فَاعِلِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৮০ অ 'আল্লাম্না-হু ছোয়ান্'আতা লাবূসিল্ লাকুম্ লিতুহ্ছিনাকুম্ মিম্ বাসিকুম্ ফাহাল্ আন্তুম্ শা-কিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮০ আর তোমাদের জন্যে আমরা তাকে বর্ম নির্মাণ শিক্ষা দিয়েছিলাম, যাতে করে তোমাদের যুদ্ধে তা তোমাদের রক্ষা করে। তারপরও কি তোমরা কৃতজ্ঞ হবেনা?
মুহিউদ্দীন খান
৮০ আমি তাঁকে তোমাদের জন্যে বর্ম নির্মান শিক্ষা দিয়েছিলাম, যাতে তা যুদ্ধে তোমাদেরকে রক্ষা করে। অতএব তোমরা কি কৃতজ্ঞ হবে?
Arabic, with marks
٨٠ وَعَلَّمْنَاهُ صَنْعَةَ لَبُوسٍ لَّكُمْ لِتُحْصِنَكُم مِّن بَأْسِكُمْ ۖ فَهَلْ أَنتُمْ شَاكِرُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৮১ অ লিসুলাইমা-র্না রীহা 'আ-ছিফাতান্ তাজ্বরী বিআম্রিহী য় ইলাল্ আর্িদ্বল্লাতী বা-রাক্না-ফীহা- অ কুন্না-বিকুল্লি শাইয়্যিন্ 'আ-লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮১ আর আমরা সুলাইমানের অধীন করে দিয়েছিলাম উদ্দাম বাতাসকে, তা তার আদেশক্রমে বয়ে চলতো এমন দেশের দিকে, যেখানে আমরা কল্যাণ রেখেছি, আর প্রত্যেক বিষয়ে আমরা অবগত।
মুহিউদ্দীন খান
৮১ এবং সুলায়মানের অধীন করে দিয়েছিলাম প্রবল বায়ুকে; তা তাঁর আদেশে প্রবাহিত হত ঐ দেশের দিকে, যেখানে আমি কল্যাণ দান করেছি। আমি সব বিষয়েই সম্যক অবগত রয়েছি।
Arabic, with marks
٨١ وَلِسُلَيْمَانَ الرِّيحَ عَاصِفَةً تَجْرِي بِأَمْرِهِ إِلَى الْأَرْضِ الَّتِي بَارَكْنَا فِيهَا ۚ وَكُنَّا بِكُلِّ شَيْءٍ عَالِمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৮২ অ মিনাশ্ শাইয়া-ত্বীনি মাইঁ ইয়াগূছূনা লাহূ অ ইয়া'মালূনা 'আমালান্ দূনা যা-লিকা অকুন্না-লাহুম্ হা-ফিজীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮২ আর কিছু শয়তান (জিন) তার জন্যে ডুবুরির কাজ করতো। এ ছাড়াও অন্যান্য কাজ করতো। আমরাই ছিলাম তাদের রক্ষক।
মুহিউদ্দীন খান
৮২ এবং অধীন করেছি শয়তানদের কতককে, যারা তার জন্যে ডুবুরীর কাজ করত এবং এ ছাড়া অন্য আরও অনেক কাজ করত। আমি তাদেরকে নিয়ন্ত্রন করে রাখতাম।
Arabic, with marks
٨٢ وَمِنَ الشَّيَاطِينِ مَن يَغُوصُونَ لَهُ وَيَعْمَلُونَ عَمَلًا دُونَ ذَٰلِكَ ۖ وَكُنَّا لَهُمْ حَافِظِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৮৩ অ আইইয়ূবা ইয্ না-দা-রব্বাহূ য় আন্নী মাস্ নানিয়াদ্ব্ দ্বরুরু অআন্তা র্আহার্মু র-হিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৩ আর স্মরণ করো আইউবের কথা, সে যখন তার প্রভুকে ডেকে বলেছিল: ‘প্রভু! আমার অসুখ হয়েছে, আর তুমি তো সব দয়াময়ের বড় দয়াময়।’
মুহিউদ্দীন খান
৮৩ এবং স্মরণ করুন আইয়্যুবের কথা, যখন তিনি তাঁর পালনকর্তাকে আহবান করে বলেছিলেনঃ আমি দুঃখকষ্টে পতিত হয়েছি এবং আপনি দয়াবানদের চাইতেও সর্বশ্রেষ্ট দয়াবান।
Arabic, with marks
٨٣ ۞ وَأَيُّوبَ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৮৪ ফাস্তাজ্বাব্না-লাহূ ফাকাশাফ্না-মা-বিহী মিন্ র্দ্বুরিঁও অ আ-তাইনা-হু আহ্লাহূ অ মিছ্লাহুম্ মা'আহুম্ রহ্মাতাম্ মিন্ 'ইন্দিনা-অযিক্র-লিল্'আ-বিদীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৪ তখন আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম, তার অসুখ দূর করে দিয়েছিলাম, ফিরিয়ে দিয়েছিলাম তার পরিবার পরিজন এবং তাদের সাথে অনুরূপ আরো দিয়েছিলাম আমার বিশেষ রহমত হিসেবে আর ইবাদতকারীদের জন্যে উপদেশ হিসেবে।
মুহিউদ্দীন খান
৮৪ অতঃপর আমি তাঁর আহবানে সাড়া দিলাম এবং তাঁর দুঃখকষ্ট দূর করে দিলাম এবং তাঁর পরিবরাবর্গ ফিরিয়ে দিলাম, আর তাদের সাথে তাদের সমপরিমাণ আরও দিলাম আমার পক্ষ থেকে কৃপাবশতঃ আর এটা এবাদত কারীদের জন্যে উপদেশ স্বরূপ।
Arabic, with marks
٨٤ فَاسْتَجَبْنَا لَهُ فَكَشَفْنَا مَا بِهِ مِن ضُرٍّ ۖ وَآتَيْنَاهُ أَهْلَهُ وَمِثْلَهُم مَّعَهُمْ رَحْمَةً مِّنْ عِندِنَا وَذِكْرَىٰ لِلْعَابِدِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৮৫ অইস্মাঈ'লা অইদ্রীসা অযাল্ কিফ্ল্ কুল্লুম্ মিনাছ্ ছোয়া-বিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৫ আরো স্মরণ করো ইসমাঈল, ইদরিস এবং যুলকিফল - এর কথা। এরা সবাই ছিলো ধৈর্যশীল অবিচল।
মুহিউদ্দীন খান
৮৫ এবং ইসমাঈল, ই’দ্রীস ও যুলকিফলের কথা স্মরণ করুন, তাঁরা প্রত্যেকেই ছিলেন সবরকারী।
Arabic, with marks
٨٥ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِدْرِيسَ وَذَا الْكِفْلِ ۖ كُلٌّ مِّنَ الصَّابِرِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৮৬ অ আদ্খল্না-হুম্ ফী রহমাতিনা- ইন্নাহুম্ মিনাছ্ ছোয়া-লিহীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৬ আমরা তাদের দাখিল করেছিলাম আমাদের রহমতের মধ্যে। তারা ছিলো যোগ্য ও পুণ্যবান।
মুহিউদ্দীন খান
৮৬ আমি তাঁদেরকে আমার রহমাতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত করেছিলাম। তাঁরা ছিলেন সৎকর্মপরায়ণ।
Arabic, with marks
٨٦ وَأَدْخَلْنَاهُمْ فِي رَحْمَتِنَا ۖ إِنَّهُم مِّنَ الصَّالِحِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৮৭ অ যান্নু নি ইয্ যাহাবা মুগ-দ্বিবান্ ফাজোয়ান্না আ ল্লান্ নাক্বদিরা 'আলাইহি ফানা-দা-ফিজ্ জুলুমা-তি আল্লা য় ইলা-হা ইল্লা-আন্তা সুবহা-নাকা ইন্নী কুন্তু মিনাজ জোয়া-লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৭ আরো স্মরণ করো মাছওয়ালার (ইউনুসের) কথা। সে গোস্বা নিয়ে বের হয়ে গিয়েছিল এবং ধারণা করেছিল আমরা তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেবোনা। কিন্তু পরে সে অন্ধকার থেকে আমাদের ডেকে বলেছিল: ‘(প্রভু!) তুমি ছাড়া কোনো উদ্ধারকারী নেই, তুমি পবিত্র, মহান। আমি তো যালিম, অন্যায়কারী।’
মুহিউদ্দীন খান
৮৭ এবং মাছওয়ালার কথা স্মরণ করুন তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে চলে গিয়েছিলেন, অতঃপর মনে করেছিলেন যে, আমি তাঁকে ধৃত করতে পারব না। অতঃপর তিনি অন্ধকারের মধ্যে আহবান করলেনঃ তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তুমি নির্দোষ আমি গুনাহগার।
Arabic, with marks
٨٧ وَذَا النُّونِ إِذ ذَّهَبَ مُغَاضِبًا فَظَنَّ أَن لَّن نَّقْدِرَ عَلَيْهِ فَنَادَىٰ فِي الظُّلُمَاتِ أَن لَّا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৮৮ ফাস্তাজ্বাব্না- লাহূ অনাজ্জ্বাইনা-হু মিনাল্ গম্ অ কাযা-লিকা নুন্জ্বিল্ মুমিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৮ ফলে আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়েছি এবং তাকে উদ্ধার করেছি দুশ্চিন্তা থেকে। এভাবেই আমরা নাজাত দিয়ে থাকি মুমিনদের।
মুহিউদ্দীন খান
৮৮ অতঃপর আমি তাঁর আহবানে সাড়া দিলাম এবং তাঁকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিলাম। আমি এমনি ভাবে বিশ্ববাসীদেরকে মুক্তি দিয়ে থাকি।
Arabic, with marks
٨٨ فَاسْتَجَبْنَا لَهُ وَنَجَّيْنَاهُ مِنَ الْغَمِّ ۚ وَكَذَٰلِكَ نُنجِي الْمُؤْمِنِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৮৯ অ যাকারিয়্যা য় ইয্ না-দা-রব্বাহূ রব্বি লা-তার্যানী র্ফাদাঁও অআন্তা খাইরুল্ ওয়ারিছীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৯ আরো স্মরণ করো যাকারিয়ার কথা। সে তার প্রভুকে ডেকে বলেছিল: ‘প্রভু! তুমি আমাকে (সন্তানহীন করে) রেখোনা, তুমিই সর্বোত্তম ওয়ারিশ।’
মুহিউদ্দীন খান
৮৯ এবং যাকারিয়ার কথা স্মরণ করুন, যখন সে তার পালনকর্তাকে আহবান করেছিল; হে আমার পালনকর্তা আমাকে একা রেখো না। তুমি তো উত্তম ওয়ারিস।
Arabic, with marks
٨٩ وَزَكَرِيَّا إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৯০ ফাস্তাজ্বাব্না-লাহূ অওয়াহাব্না-লাহূ ইয়াহ্ইয়া-অআছ্লাহ্না- লাহূ যাওজ্বাহ্ ইন্নাহুম্ কা-নূ ইয়ুসা-রি'ঊনা ফিল্ খইর-তি অ ইয়াদ্'ঊ নানা- রাগবাঁও অ রহাবা- অকা-নূ লানা-খ-শিঈ'ন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯০ ফলে আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়েছি এবং তার জন্যে দান করেছি ইয়াহিয়াকে, আর তার জন্যে তার স্ত্রীকে করে দিয়েছি (সন্তান ধারণের) যোগ্য। এরা সবাই ছিলো কল্যাণের কাজে প্রতিযোগিতাকারী। তারা আমাকে ডাকতো আশা ও ভয় নিয়ে এবং তারা ছিলো আমার প্রতি বিনয়ী।
মুহিউদ্দীন খান
৯০ অতঃপর আমি তার দোয়া কবুল করেছিলাম, তাকে দান করেছিলাম ইয়াহইয়া এবং তার জন্যে তার স্ত্রীকে প্রসব যোগ্য করেছিলাম। তারা সৎকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়ত, তারা আশা ও ভীতি সহকারে আমাকে ডাকত এবং তারা ছিল আমার কাছে বিনীত।
Arabic, with marks
٩٠ فَاسْتَجَبْنَا لَهُ وَوَهَبْنَا لَهُ يَحْيَىٰ وَأَصْلَحْنَا لَهُ زَوْجَهُ ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا يُسَارِعُونَ فِي الْخَيْرَاتِ وَيَدْعُونَنَا رَغَبًا وَرَهَبًا ۖ وَكَانُوا لَنَا خَاشِعِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৯১ অল্লাতী য় আহ্ছোয়ানাত্ র্ফাজ্বাহা-ফানাফাখ্না-ফীহা র্মি রূহিনা-অজ্বা'আল্না-হা- অবনাহা য় আ-ইয়াতাল্ লিল্'আ-লামীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯১ আর স্মরণ করো ঐ নারীর কথা, যে রক্ষা করেছিল তার সতীত্ব। তারপর আমরা তার মধ্যে ফুঁকে দিয়েছি আমাদের রূহ। আর আমরা তাকে এবং তার পুত্রকে বানিয়েছি জগদ্বাসীর জন্যে একটি নিদর্শন।
মুহিউদ্দীন খান
৯১ এবং সেই নারীর কথা আলোচনা করুন, যে তার কামপ্রবৃত্তিকে বশে রেখেছিল, অতঃপর আমি তার মধ্যে আমার রূহ ফুঁকে দিয়েছিলাম এবং তাকে তার পুত্রকে বিশ্ববাসীর জন্য নিদর্শন করেছিলাম।
Arabic, with marks
٩١ وَالَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهَا مِن رُّوحِنَا وَجَعَلْنَاهَا وَابْنَهَا آيَةً لِّلْعَالَمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৯২ ইন্না হা-যিহীয় উম্মাতুকুম্ উম্মাতাঁও ওয়া-হিদাতাঁও অআনা রব্বুকুম্ ফা'বুদূ ন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯২ তোমাদের এই সব উম্মত মূলত একই উম্মত এবং আমিই তোমাদের প্রভু, সুতরাং তোমরা কেবল আমারই ইবাদত করো।
মুহিউদ্দীন খান
৯২ তারা সকলেই তোমাদের ধর্মের; একই ধর্মে তো বিশ্বাসী সবাই এবং আমিই তোমাদের পালনকর্তা, অতএব আমার বন্দেগী কর।
Arabic, with marks
٩٢ إِنَّ هَٰذِهِ أُمَّتُكُمْ أُمَّةً وَاحِدَةً وَأَنَا رَبُّكُمْ فَاعْبُدُونِ
বাংলা উচ্চারণ
৯৩ অ তাক্বত্ত্বোয়া'ঊ য় আম্রহুম্ বাইনাহুম্ কুল্লুন্ ইলাইনা-র-জ্বি'ঊন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৩ কিন্তু তারা তাদের কার্যকলাপ তাদের মাঝে বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছে। সবাইকেই ফিরিয়ে আনা হবে আমাদের কাছে।
মুহিউদ্দীন খান
৯৩ এবং মানুষ তাদের কার্যকলাপ দ্বারা পারস্পরিক বিষয়ে ভেদ সৃষ্টি করেছে। প্রত্যেকেই আমার কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।
Arabic, with marks
٩٣ وَتَقَطَّعُوا أَمْرَهُم بَيْنَهُمْ ۖ كُلٌّ إِلَيْنَا رَاجِعُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৯৪ ফামাইঁ ইয়া'মাল্ মিনাছ্ ছোয়া-লিহা-তি অহুঅ মুমিনুন্ ফালা-কুফ্র-না লিসা 'ইয়িহী অইন্না-লাহূ কা-তিবূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৪ যে কেউ মুমিন অবস্থায় আমলে সালেহ্ করবে, তার প্রচেষ্টাকে অস্বীকার করা হবেনা। আমরা তা লিখে রাখছি।
মুহিউদ্দীন খান
৯৪ অতঃপর যে বিশ্বাসী অবস্থায় সৎকর্ম সম্পাদন করে, তার প্রচেষ্টা অস্বীকৃত হবে না এবং আমি তা লিপিবদ্ধ করে রাখি।
Arabic, with marks
٩٤ فَمَن يَعْمَلْ مِنَ الصَّالِحَاتِ وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَلَا كُفْرَانَ لِسَعْيِهِ وَإِنَّا لَهُ كَاتِبُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৯৫ অহার-মুন্ 'আলা-র্ক্বইয়াতিন্ আহ্লাক্নাহা য় আন্নাহুম্ লা-ইর্য়াজ্বি'ঊন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৫ যে জনপদ আমরা হালাক করে দিয়েছি, তার জন্যে এটা নিষিদ্ধ যে, তার অধিবাসীরা আর ফিরে আসবেনা।
মুহিউদ্দীন খান
৯৫ যেসব জনপদকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি, তার অধিবাসীদের ফিরে না আসা অবধারিত।
Arabic, with marks
٩٥ وَحَرَامٌ عَلَىٰ قَرْيَةٍ أَهْلَكْنَاهَا أَنَّهُمْ لَا يَرْجِعُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৯৬ হাত্তা য় ইযা-ফুতিহাত্ ইয়াজ্ব ূজু অমাজ্ব ূজু অহুম্ মিন্ কুল্লি হাদাবিই ইয়ান্সিলূন্ ।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৬ এমন কি যখন ইয়াজুজ ও মাজুজ (জাতিকে) মুক্তি দেয়া হবে এবং তারা উঁচু ভূমি থেকে ছুটে আসবে,
মুহিউদ্দীন খান
৯৬ যে পর্যন্ত না ইয়াজুজ ও মাজুজকে বন্ধন মুক্ত করে দেয়া হবে এবং তারা প্রত্যেক উচ্চভুমি থেকে দ্রুত ছুটে আসবে।
Arabic, with marks
٩٦ حَتَّىٰ إِذَا فُتِحَتْ يَأْجُوجُ وَمَأْجُوجُ وَهُم مِّن كُلِّ حَدَبٍ يَنسِلُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৯৭ অক্বতারবাল্ অ'দুল্ হাক্বকু ফাইযা-হিয়া শা -খিছোয়াতুন্ আব্ছোয়া-রুল্ লাযীনা কাফারূ ইয়া-অইলানা-ক্বদ্ কুন্না- ফী গফ্লাতিম্ মিন্ হা-যা-বাল্ কুন্না-জোয়া-লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৭ এবং প্রতিশ্রুত সময়টি নিকটে আসবে। তখন তা অকস্মাৎ সংঘটিত হতেই কাফিরদের চোখগুলো স্থির হয়ে যাবে। তারা বলবে: হায়, ধ্বংস আমাদের, আমরা তো এ বিষয়ে গাফলতির মধ্যে ছিলাম, বরং আমরা ছিলাম যালিম।
মুহিউদ্দীন খান
৯৭ আমোঘ প্রতিশ্রুত সময় নিকটবর্তী হলে কাফেরদের চক্ষু উচ্চে স্থির হয়ে যাবে; হায় আমাদের দূর্ভাগ্য, আমরা এ বিষয়ে বেখবর ছিলাম; বরং আমরা গোনাহগরই ছিলাম।
Arabic, with marks
٩٧ وَاقْتَرَبَ الْوَعْدُ الْحَقُّ فَإِذَا هِيَ شَاخِصَةٌ أَبْصَارُ الَّذِينَ كَفَرُوا يَا وَيْلَنَا قَدْ كُنَّا فِي غَفْلَةٍ مِّنْ هَٰذَا بَلْ كُنَّا ظَالِمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
৯৮ ইন্নাকুম্ অমা-তা'বুদূনা মিন্ দূনিল্লা-হি হাছোয়াবু জ্বাহান্নাম্ আন্তুম্ লাহা-ওয়া-রিদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৮ হ্যাঁ, তোমরা নিজেরা এবং আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদের ইবাদত করছো তারা সবাই হবে জাহান্নামের জ্বালানি। তোমরা তাতে প্রবেশ করবে।
মুহিউদ্দীন খান
৯৮ তোমরা এবং আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদের পুজা কর, সেগুলো দোযখের ইন্ধন। তোমরাই তাতে প্রবেশ করবে।
Arabic, with marks
٩٨ إِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ حَصَبُ جَهَنَّمَ أَنتُمْ لَهَا وَارِدُونَ
বাংলা উচ্চারণ
৯৯ লাও কা-না হা য় উলা-য়ি আ-লিহাতাম্ মা-অরাদূহা- অকুল্লুন্ ফীহা-খা-লিদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৯ তারা যদি ইলাহ্ হতো, তবে তারা জাহান্নামে প্রবেশ করতোনা। তারা প্রত্যেকেই স্থায়ীভাবে থাকবে সেখানে।
মুহিউদ্দীন খান
৯৯ এই মূর্তিরা যদি উপাস্য হত, তবে জাহান্নামে প্রবেশ করত না। প্রত্যেকেই তাতে চিরস্থায়ী হয়ে পড়ে থাকবে।
Arabic, with marks
٩٩ لَوْ كَانَ هَٰؤُلَاءِ آلِهَةً مَّا وَرَدُوهَا ۖ وَكُلٌّ فِيهَا خَالِدُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১০০ লাহুম্ ফীহা-যাফীরুঁও অহুম্ ফীহা- লা-ইয়াস্মা'ঊন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০০ সেখানে থাকবে তাদের চিৎকার আর আর্তনাদ এবং তারা কিছুই শুনবেনা সেখানে।
মুহিউদ্দীন খান
১০০ তারা সেখানে চীৎকার করবে এবং সেখানে তারা কিছুই শুনতে পাবে না।
Arabic, with marks
١٠٠ لَهُمْ فِيهَا زَفِيرٌ وَهُمْ فِيهَا لَا يَسْمَعُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১০১ ইন্নাল্লাযীনা সাবাক্বত্ লাহুম্ মিন্নাল্ হুস্না য় উলা-য়িকা 'আন্হা-মুব্'আদূ ন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০১ যাদের জন্যে আগে থেকেই আমাদের পক্ষ থেকে কল্যাণের ফায়সালা হয়েছে, তাদেরকে তা থেকে রাখা হবে দূরে।
মুহিউদ্দীন খান
১০১ যাদের জন্য প্রথম থেকেই আমার পক্ষ থেকে কল্যাণ নির্ধারিত হয়েছে তারা দোযখ থেকে দূরে থাকবে।
Arabic, with marks
١٠١ إِنَّ الَّذِينَ سَبَقَتْ لَهُم مِّنَّا الْحُسْنَىٰ أُولَٰئِكَ عَنْهَا مُبْعَدُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১০২ লা-ইয়াস্মা'ঊনা হাসীসাহা-অহুম্ ফী মাশ্তাহাত্ আন্ফুসুহুম্ খ-লিদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০২ তারা তার (জাহান্নামের) ক্ষীণতম আওয়াযও শুনবেনা। তারা থাকবে তাদের কাঙ্ক্ষিত ভোগবিলাসে চিরকাল।
মুহিউদ্দীন খান
১০২ তারা তার ক্ষীণতম শব্দও শুনবে না এবং তারা তাদের মনের বাসনা অনুযায়ী চিরকাল বসবাস করবে।
Arabic, with marks
١٠٢ لَا يَسْمَعُونَ حَسِيسَهَا ۖ وَهُمْ فِي مَا اشْتَهَتْ أَنفُسُهُمْ خَالِدُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১০৩ লা-ইয়াহ্যুনুহুমুল্ ফাযা'ঊল্ আক্বারু অ তাতালাক্বক্ব- হুমুল্ মালা-য়িকাহ্ হা-যা ইয়াওমুকুমুল্লাযী কুন্তুম্ তূ 'আদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৩ মহাভীতি তাদেরকে চিন্তিত করবেনা। ফেরেশতারা তাদের সাথে মোলাকাত করে বলবে: ‘এটাই হলো আপনাদের সেইদিন, যার ওয়াদা আপনাদের দেয়া হয়েছিল।’
মুহিউদ্দীন খান
১০৩ মহা ত্রাস তাদেরকে চিন্তান্বিত করবে না এবং ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা করবেঃ আজ তোমাদের দিন, যে দিনের ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।
Arabic, with marks
١٠٣ لَا يَحْزُنُهُمُ الْفَزَعُ الْأَكْبَرُ وَتَتَلَقَّاهُمُ الْمَلَائِكَةُ هَٰذَا يَوْمُكُمُ الَّذِي كُنتُمْ تُوعَدُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১০৪ ইয়াওমা নাত্ব্ ওয়িস্ সামা-য়া কাত্বোইয়্যিস্ সিজ্বিল্লি লিল্ কুতুব্ কামা-বাদানা য় আউঅলা খল্ক্বিন্ নু'ঈ দুহ্ অ'দান্ 'আলাইনা- ইন্না-কুন্না-ফা-'ইলীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৪ সেদিন আমরা আকাশ গুটিয়ে ফেলবো, যেভাবে গুটানো হয় লিখিত দস্তাবেজ। যেভাবে আমরা প্রথমবার সৃষ্টি করেছি, সেভাবেই পুনরায় সৃষ্টি করবো। ওয়াদা পালন করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা এটা করেই ছাড়বো।
মুহিউদ্দীন খান
১০৪ সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র। যেভাবে আমি প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব। আমার ওয়াদা নিশ্চিত, আমাকে তা পূর্ণ করতেই হবে।
Arabic, with marks
١٠٤ يَوْمَ نَطْوِي السَّمَاءَ كَطَيِّ السِّجِلِّ لِلْكُتُبِ ۚ كَمَا بَدَأْنَا أَوَّلَ خَلْقٍ نُّعِيدُهُ ۚ وَعْدًا عَلَيْنَا ۚ إِنَّا كُنَّا فَاعِلِينَ
বাংলা উচ্চারণ
১০৫ অলাক্বদ্ কাতাব্না-ফিয্ যাবূরি মিম্ বা'দিয্ যিক্রি আন্নাল্ র্আদ্বোয়া ইয়ারিছুহা-'ইবা-দিয়াছ্ ছোয়া-লিহূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৫ আমরা যিকির (উপদেশ) - এর পর কিতাবে লিখে রেখেছি, নিশ্চয়ই পৃথিবীর ওয়ারিশ হবে আমার সালেহ্ (যোগ্য) দাসেরা।
মুহিউদ্দীন খান
১০৫ আমি উপদেশের পর যবুরে লিখে দিয়েছি যে, আমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাগণ অবশেষে পৃথিবীর অধিকারী হবে।
Arabic, with marks
١٠٥ وَلَقَدْ كَتَبْنَا فِي الزَّبُورِ مِن بَعْدِ الذِّكْرِ أَنَّ الْأَرْضَ يَرِثُهَا عِبَادِيَ الصَّالِحُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১০৬ ইন্না ফী হা-যা-লাবালা-গল্ লি ক্বওমিন্ 'আ-বিদীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৬ নিশ্চয়ই অনুগত - দাসদের জন্যে এতে রয়েছে বার্তা।
মুহিউদ্দীন খান
১০৬ এতে এবাদতকারী সম্প্রদায়ের জন্যে পর্যাপ্ত বিষয়বস্তু আছে।
Arabic, with marks
١٠٦ إِنَّ فِي هَٰذَا لَبَلَاغًا لِّقَوْمٍ عَابِدِينَ
বাংলা উচ্চারণ
১০৭ অমা য় র্আসাল্না-কা ইল্লা-রহ্মাতাল্ লিল্'আ-লামীন্!
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৭ জগদ্বাসীর জন্যে রহমত (অনুকম্পাও আশীর্বাদ) ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে আমরা তোমাকে রসূল বানিয়ে পাঠাইনি।
মুহিউদ্দীন খান
১০৭ আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।
Arabic, with marks
١٠٧ وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ
বাংলা উচ্চারণ
১০৮ কুল্ ইন্নামা-ইয়ূহা য় ইলাইয়্যা আন্নামা য় ইলা-হুকুম্ ইলা-হুঁও ওয়া-হিদুন্ ফাহাল্ আন্তুম্ মুস্লিমূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৮ (হে নবী!) বলো: ‘আমার কাছে অহি করা হয়েছে যে, তোমাদের ইলাহ্ একমাত্র ইলাহ্। সুতরাং তোমরা (তাঁর প্রতি) আত্মসমর্পণকারী হবে কি?’
মুহিউদ্দীন খান
১০৮ বলুনঃ আমাকে তো এ আদেশই দেয়া হয়েছে যে, তোমাদের উপাস্য একমাত্র উপাস্য। সুতরাংতোমরা কি আজ্ঞাবহ হবে?
Arabic, with marks
١٠٨ قُلْ إِنَّمَا يُوحَىٰ إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَاحِدٌ ۖ فَهَلْ أَنتُم مُّسْلِمُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১০৯ ফাইন্ তাওয়াল্লাও ফাকুল্ আ-যান্তুকুম্ 'আলা- সাওয়া-য়্ অইন্আদ্রী য় আক্বারীবুন্ আম্ বা'ঈদুম্ মা-তূ 'আদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৯ তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তুমি বলে দাও: ‘‘আমি তোমাদেরকে যথাযথ আহবান জানিয়েছি। আমি জানিনা, তোমাদেরকে যে বিষয়ে ওয়াদা দেয়া হয়েছে, সেটা কি নিকটে নাকি দূরে।
মুহিউদ্দীন খান
১০৯ অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলে দিনঃ আমি তোমাদেরকে পরিস্কার ভাবে সতর্ক করেছি এবং আমি জানি না, তোমাদেরকে যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা নিকটবর্তী না দূরবর্তী।
Arabic, with marks
١٠٩ فَإِن تَوَلَّوْا فَقُلْ آذَنتُكُمْ عَلَىٰ سَوَاءٍ ۖ وَإِنْ أَدْرِي أَقَرِيبٌ أَم بَعِيدٌ مَّا تُوعَدُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১১০ ইন্নাহূ ইয়া'লামুল্ জ্বাহ্র মিনাল্ ক্বওলি অ ইয়া'লামু মা-তাক্তুমূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১০ তিনিই জানেন প্রকাশ্য কথা এবং যা তোমরা গোপন করো তা।
মুহিউদ্দীন খান
১১০ তিনি জানেন, যে কথা সশব্দে বল এবং যে কথা তোমরা গোপন কর।
Arabic, with marks
١١٠ إِنَّهُ يَعْلَمُ الْجَهْرَ مِنَ الْقَوْلِ وَيَعْلَمُ مَا تَكْتُمُونَ
বাংলা উচ্চারণ
১১১ অ ইন্ আদ্রী লা'আল্লাহূ ফিত্নাতুল্লাকুম্ অ মাতা'ঊন্ ইলা-হীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১১ আমি জানিনা, হয়তো এটা তোমাদের জন্যে একটি পরীক্ষা এবং কিছু সময়ের জন্যে জীবন উপভোগ।’’
মুহিউদ্দীন খান
১১১ আমি জানি না সম্ভবতঃ বিলম্বের মধ্যে তোমাদের জন্যে একটি পরীক্ষা এবং এক সময় পর্যন্ত ভোগ করার সুযোগ।
Arabic, with marks
١١١ وَإِنْ أَدْرِي لَعَلَّهُ فِتْنَةٌ لَّكُمْ وَمَتَاعٌ إِلَىٰ حِينٍ
বাংলা উচ্চারণ
১১২ ক্ব-লা রব্বিহ্ কুম্ বিল্হাক্ব অ রব্বুর্না রহ্মা-নুল্ মুসতা'আ- নু 'আলা-মা-তাছিফূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১২ সে (রসূল) আরো বলেছে: ‘আমার প্রভু! তুমি সত্য ও ন্যায্য ফায়সালা করে দাও। (আর হে মানুষ!) আমাদের প্রভু দয়াময় - রহমান। তোমরা যা বলছো, সে বিষয়ে তাঁরই সাহায্য চাওয়া যেতে পারে।’
মুহিউদ্দীন খান
১১২ পয়গাম্বর বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি ন্যায়ানুগ ফয়সালা করে দিন। আমাদের পালনকর্তা তো দয়াময়, তোমরা যা বলছ, সে বিষয়ে আমরা তাঁর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।
Arabic, with marks
١١٢ قَالَ رَبِّ احْكُم بِالْحَقِّ ۗ وَرَبُّنَا الرَّحْمَٰنُ الْمُسْتَعَانُ عَلَىٰ مَا تَصِفُونَ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report