বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম ইয়ুসাব্বিহু লিল্লা-হি মা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমা-ফিল্ র্আদ্বিল্ মালিকিল্ ক্বদ্দূসিল্ 'আযীযিল্ হাকীম্।
মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবই তসবিহ করছে আল্লাহর, যিনি মহান সম্রাট, অতিশয় পবিত্র, মহাশক্তিধর, মহাপ্রজ্ঞাবান।
Chapter 62, 11 verses
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম ইয়ুসাব্বিহু লিল্লা-হি মা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমা-ফিল্ র্আদ্বিল্ মালিকিল্ ক্বদ্দূসিল্ 'আযীযিল্ হাকীম্।
মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবই তসবিহ করছে আল্লাহর, যিনি মহান সম্রাট, অতিশয় পবিত্র, মহাশক্তিধর, মহাপ্রজ্ঞাবান।
হুওয়াল্লাযী বা'আছা ফিল্ উম্মিয়্যীনা রসূলাম্ মিন্হুম্ ইয়াত্লূ 'আলাইহিম্ আ-ইয়া-তিহী অ ইয়ুযাক্কীহিম্ অইয়ু'আল্লিমুহুমুল্ কিতা-বা অল্হিক্মাতা অইন্ কা-নূ মিন্ ক্বব্লু লাফী দ্বোয়ালা-লিম্ মুবীনি।
তিনি সেই মহান সত্তা, যিনি উম্মিদের (নিরক্ষরদের) মাঝে পাঠিয়েছেন একজন রসূল তাদের মধ্য থেকেই, যে তাদের প্রতি তিলাওয়াত করে তাঁর আয়াত, তাদের পরিশুদ্ধ ও উন্নত করে এবং তাদের শিক্ষা দেয় আল কিতাব (আল কুরআন) আর হিকমাহ। যদিও ইতোপূর্বে তারা নিমজ্জিত ছিলো সুস্পষ্ট গোমরাহিতে;
অ আ-খরীনা মিনুহুম্ লাম্মা-ইয়াল্হাকু বিহিম্ অহুওয়াল্ 'আযীযুল্ হাকীম্।
এবং তিনি এ রসূলকে পাঠিয়েছেন অন্যদের প্রতিও যারা এখনো তাদের সাথে মিলিত হয়নি। তিনি মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।
যা-লিকা ফাদ্ব্লুল্লা-হি ইয়ু”তীহি মাইঁ ইয়াশা-য়্ অল্লা-হু যুল্ ফাদ্ব্লিল্ 'আজীম্।
এটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা করেন, তা দিয়ে থাকেন। আর তো মহা অনুগ্রহপরায়ণ।
মাছালুল্লাযীনা হুম্মিলুত্তাওর-তা ছুম্মা লাম্ ইয়াহ্মিলূহা-কামাছালিল্ হিমা-রি ইয়াহ্মিলু আস্ফা-র বিসা মাছালুল্ ক্বওমিল্লাযীনা কায্যাবূ বিআ-ইয়া-তিল্ লা-হ্ অল্লা-হু লা-ইয়াহ্দিল্ ক্বওমাজ্ জোয়া-লিমীন্।
যাদের উপর তাওরাতের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়েছিল, অথচ তারা সে দায়িত্ব পালন করেনি, তাদের দৃষ্টান্ত হলো গাধা, যারা কিতাবের বোঝা বহন করে (কিন্তু তা পাঠ করেনা, বুঝেনা এবং অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করেনা)। কতো যে নিকৃষ্ট সেই লোকদের দৃষ্টান্ত যারা আল্লাহর আয়াত প্রত্যাখ্যান করে। যালিম লোকদের সঠিক পথে পরিচালিত করেননা।
কুল্ ইয়া য় আইয়ুহাল্ লাযীনা হা-দূ য় ইন্ যা'আম্তুম্ আন্নাকুম্ আওলিয়া-য়ু লিল্লা-হি মিন্ দূনিন্ না-সি ফাতামান্নাওয়ুল্ মাওতা ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্।
(হে নবী!) বলো: হে ইহুদিরা! তোমরা যদি মনে করো, তোমরাই আল্লাহর অলি, অন্য লোকেরা নয়, তাহলে তোমরা মউত কামনা করো যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।
অলা ইয়াতামান্নাওনাহূ য় আবাদাম্ বিমা-ক্বদ্দামাত্ আইদীহিম্ অল্লা-হু 'আলীমুম্ বিজ্জোয়া-লিমীন্।
কিন্তু তারা তা কখনো কামনা করবেনা তারা যা কামাই করে পাঠিয়েছে তার কারণে। এই যালিমদের ভালো করেই জানেন।
কুল্ ইন্নাল্ মাওতাল্লাযী তার্ফিরূনা মিন্হু ফাইন্নাহূ মুলা-ক্বীকুম্ ছুম্মা তুরদ্দূনা ইলা-'আ-লিমিল্-গইবি অশশাহা-দাতি ফাইয়ুনাব্বিয়ুকুম্ বিমা-কুন্তুম্ তা'মালূন্।
(হে নবী!) বলো তোমরা যে মউত থেকে পালাচ্ছো, সে মউত তোমাদের সাথে অবশ্যি মোলাকাত (সাক্ষাত) করবে। তারপর তোমাদের ফেরত নেয়া হবে ও দৃশ্যের জ্ঞানীর কাছে। তখন তোমাদের অবহিত করা হবে, তোমরা (পৃথিবীর জীবনে) কী কাজ করেছিলে?
ইয়া য় আইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানূ য় ইযা-নূদিয়া লিছছলা-তি মিঁই ইয়াওমিল্ জুমু'আতি ফাস্'আও ইলা- যিক্রিল্লা-হি অযারুল্ বাই'আ যা-লিকুম্ খইরুল্লাকুম্ ইন্ কুন্তুম্ তা'লামূন্।
হে লোকেরা! জুমাবারে যখন তোমাদের আহবান করা হয় সালাতের জন্যে, তখন তোমরা আল্লাহর যিকিরের (সালাতের) দিকে দৌড়াও এবং স্থগিত রাখো ব্যবসায়িক কার্যক্রম। এটাই তোমাদের জন্যে কল্যাণকর, যদি তোমরা জানতে!
ফাইযা- কুদ্বিয়াতিছ্ ছলা-তু ফান্তাশিরূ ফিল্ র্আদ্বি অবতাগূ মিন্ ফাদ্ব্লিল্লা-হি অয্কুরুল্ লা-হা কাছীরল্ লা'আল্লাকুম্ তুফ্লিহূন্।
তারপর শেষ হলে তোমরা ছড়িয়ে পড়ো জমিনে এবং সন্ধান করো আল্লাহর অনুগ্রহ, আর বেশি বেশি যিকির করো আল্লাহকে, অবশ্যি হবে তোমরা।
অইযা রয়াও তিজ্বা- রতান্ আও লাহওয়া নিন্ ফাদ্ব্দ্ব য় ইলাইহা-অতারকূকা ক্ব-য়িমা- কুল মা- 'ইন্দাল্লা-হি খইরুম্ মিনাল্লাহ্ওয়ি অমিনাত্তিজ্বা-রহ্ অল্লা-হু খইর্রু র-যিক্বীন্।
তারা যখন ব্যবসায় এবং তামাশা - কৌতুক দেখতে পেলো, তখন তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে তারা ছুটে গেলো সেদিকে। তুমি বলো: আল্লাহর কাছে যা রয়েছে সেটা খেলতামাশা এবং ব্যবসার থেকে কল্যাণকর।’ আল্লাহ্ই সর্বোত্তম রিযিকদাতা।