র নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু;নিশ্চয়ই আমরা নূহকে তার সম্প্রদায়ের কাছে প্রেরণ করেছিলাম: “তোমার সম্প্রদায়কে সতর্ক কর, তাদের কাছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি আসার আগে।”
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার কওমের কাছে (এই নির্দেশ দিয়ে) যে, তোমার কওমকে সতর্ক করো তাদের প্রতি বেদনাদায়ক আযাব আসার আগেই।
মুহিউদ্দীন খান
আমি নূহকে প্রেরণ করেছিলাম তাঁর সম্প্রদায়ের প্রতি একথা বলেঃ তুমি তোমার সম্প্রদায়কে সতর্ক কর, তাদের প্রতি মর্মন্তদ শাস্তি আসার আগে।
বাংলা উচ্চারণ
ক্ব-লা ইয়া-ক্বওমি ইন্নী লাকুম্ নাযীরুম্ মুবীন্।
সমকালীন বাংলা
সে বলল, “হে আমার সম্প্রদায়! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের জন্য একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী,
আবদুস শহীদ নাসিম
সে (তাদের) বলেছিল: ‘‘হে আমার কওম! আমি তোমাদের জন্যে একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী!
মুহিউদ্দীন খান
সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! আমি তোমাদের জন্যে স্পষ্ট সতর্ককারী।
বাংলা উচ্চারণ
আনি'বুদুল্লা-হা অত্তাকুহু অআত্বী'ঊনি।
সমকালীন বাংলা
যে, আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁকে ভয় করো (তাঁর প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হও) আর আমার আনুগত্য করো।
মুহিউদ্দীন খান
এ বিষয়ে যে, তোমরা তা’আলার এবাদত কর, তাঁকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং তোমাদেরকে এক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অবকাশ দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহর নির্ধারিত সময় যখন আসে, তখন তা বিলম্বিত করা হয় না, যদি তোমরা জানতে।”
আবদুস শহীদ নাসিম
তাহলে তিনি ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের পাপসমূহ এবং তোমাদের অবকাশ দেবেন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। জেনে রাখো, আল্লাহর নির্ধারিত সময় এসে পড়লে তা আর দেরি করা হয়না, যদি তোমরা জানতে!’’
মুহিউদ্দীন খান
তা’আলা তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দিবেন। নিশ্চয় তা’আলার নির্দিষ্টকাল যখন হবে, তখন অবকাশ দেয়া হবে না, যদি তোমরা তা জানতে!
এবং যখনই আমি আহ্বান করেছি যাতে আপনি তাদের ক্ষমা করেন, তারা তাদের আঙুলগুলো তাদের কানে দিয়েছে, নিজেদের বস্ত্র দিয়ে নিজেদের ঢেকেছে, অবিচল থেকেছে এবং চরম ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমি যখনই তাদের দাওয়াত দিয়েছি যেনো তুমি তাদের ক্ষমা করে দাও, তারা কানে আংগুল দিয়েছে, নিজেদের ঢেকে নিয়েছে কাপড় দিয়ে, তারা অনবরত জিদ ধরেছে এবং প্রকাশ করেছে অতিশয় দাম্ভিকতা।
মুহিউদ্দীন খান
আমি যতবারই তাদেরকে দাওয়াত দিয়েছি, যাতে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন, ততবারই তারা কানে অঙ্গুলি দিয়েছে, মুখমন্ডল বস্ত্রাবৃত করেছে, জেদ করেছে এবং খুব ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছে।
নূহ বলল, “হে আমার প্রতিপালক! তারা আমাকে অমান্য করেছে এবং এমন লোকদের অনুসরণ করেছে, যাদের সম্পদ ও সন্তানসন্ততি তাদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করেছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
নূহ আরো বলেছিল: ‘আমার প্রভু! তারা (আমার কওম) আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করেছে এমন লোকদের যাদের মাল সম্পদ এবং আওলাদ ফরজন্দ তাদের ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই বাড়ায়নি।’
মুহিউদ্দীন খান
নূহ বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করছে এমন লোককে, যার ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি কেবল তার ক্ষতিই বৃদ্ধি করছে।
হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার পিতামাতাকে, এবং যে আমার ঘরে অবস্থায় প্রবেশ করে তাকে, এবং পুরুষ ও নারীদেরও। আর জালিমদের ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করবেন না।”
আবদুস শহীদ নাসিম
আমার প্রভু! তুমি ক্ষমা করে দাও আমাকে, আমার বাবা - মাকে আর হয়ে যারা আমার ঘরে প্রবেশ করবে তাদেরকে এবং সব পুরুষ ও নারীকে। যালিমদের তুমি ধ্বংস ছাড়া আর কিছু বাড়িয়ে দিয়োনা।’’
মুহিউদ্দীন খান
হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমাকে, আমার পিতা - মাতাকে, যারা হয়ে আমার গৃহে প্রবেশ করে - তাদেরকে এবং পুরুষ ও নারীদেরকে ক্ষমা করুন এবং যালেমদের কেবল ধ্বংসই বৃদ্ধি করুন।