Al Mutaffine , choose another chapter
Al Mutaffine
Chapter 83, 36 verses
Hilali & Muhsin Khan
মুহিউদ্দীন খান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আবদুস শহীদ নাসিম
Add book
List
Grid
Hilali & Muhsin Khan
1 In the Name of Allah, the Most Gracious, the Most Merciful. Woe to Al-Mutaffifun (those who give less in measure and weight).
মুহিউদ্দীন খান
১ যারা মাপে কম করে, তাদের জন্যে দুর্ভোগ,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ দুর্ভোগ তাহাদের জন্য যাহারা মাপে কম দেয়,
আবদুস শহীদ নাসিম
১ যারা মাপে - ওজনে কম দেয় তাদের জন্যে ওয়াইল (ধ্বংস)।
Hilali & Muhsin Khan
2 Those who, when they have to receive by measure from men, demand full measure,
মুহিউদ্দীন খান
২ যারা লোকের কাছ থেকে যখন মেপে নেয়, তখন পূর্ণ মাত্রায় নেয়
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ যাহারা লোকের নিকট হইতে মাপিয়া লইবার সময় পূর্ণমাত্রায় গ্রহণ করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২ মানুষের কাছ থেকে মেপে নেয়ার সময় তারা পুরো মাত্রায় দাবি করে,
Hilali & Muhsin Khan
3 And when they have to give by measure or weight to (other) men, give less than due.
মুহিউদ্দীন খান
৩ এবং যখন লোকদেরকে মেপে দেয় কিংবা ওজন করে দেয়, তখন কম করে দেয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ এবং যখন তাহাদের জন্য মাপিয়া অথবা ওজন করিয়া দেয়, তখন কম দেয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ এবং যখন অন্যদের মেপে বা ওজন করে দেয়, তখন প্রাপ্যের চাইতে কম দেয়।
Hilali & Muhsin Khan
4 Do they not think that they will be resurrected (for reckoning),
মুহিউদ্দীন খান
৪ তারা কি চিন্তা করে না যে, তারা পুনরুত্থিত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ উহারা কি চিন্তা করে না যে, উহারা পুনরুত্থিত হইবে
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ এরা কি ভাবেনা যে, (মৃত্যুর পর) এদের পুনরায় উঠিয়ে আনা হবে,
Hilali & Muhsin Khan
5 On a Great Day?
মুহিউদ্দীন খান
৫ সেই মহাদিবসে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ মহাদিবসে?
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ এক মহা দিবসে?
Hilali & Muhsin Khan
6 The Day when (all) mankind will stand before the Lord of the 'Alamin (mankind, jinn and all that exists)?
মুহিউদ্দীন খান
৬ যেদিন মানুষ দাঁড়াবে বিশ্ব পালনকর্তার সামনে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ যেদিন দাঁড়াইবে সমস্ত মানুষ জগতসমূহের প্রতিপালকের সম্মুখে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ এটা হবে সেই দিন, যে দিন সমস্ত মানুষ দাঁড়াবে রাববুল আলামিনের সামনে।
Hilali & Muhsin Khan
7 Nay! Truly, the Record (writing of the deeds) of the Fujjar (disbelievers, polytheists, sinners, evil-doers and the wicked) is (preserved) in Sijjin.
মুহিউদ্দীন খান
৭ এটা কিছুতেই উচিত নয়, নিশ্চয় পাপাচারীদের আমলনামা সিজ্জীনে আছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ কখনও না, পাপাচারীদের ‘আমলনামা তো সিজ্জীনে আছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ কখনো নয়, বরং সীমালংঘনকারী পাপীদের রেকর্ড রাখা হয় সিজ্জীনে।
Hilali & Muhsin Khan
8 And what will make you know what Sijjin is?
মুহিউদ্দীন খান
৮ আপনি জানেন, সিজ্জীন কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ সিজ্জীন সম্পর্কে তুমি কী জান?
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ তুমি কিভাবে জানবে, সিজজীন কী?
Hilali & Muhsin Khan
9 A Register inscribed.
মুহিউদ্দীন খান
৯ এটা লিপিবদ্ধ খাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ উহা চিহ্নিত ‘আমলনামা।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তা হচ্ছে খোদাই করা (তালিকার) রেকর্ড।
Hilali & Muhsin Khan
10 Woe, that Day, to those who deny.
মুহিউদ্দীন খান
১০ সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যারোপকারীদের,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ সেই দিন দুর্ভোগ হইবে অস্বীকারকারীদের,
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ যারা অস্বীকার করে, সেদিন তাদের জন্যে হবে ওয়াইল (ধ্বংস),
Hilali & Muhsin Khan
11 Those who deny the Day of Recompense.
মুহিউদ্দীন খান
১১ যারা প্রতিফল দিবসকে মিথ্যারোপ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ যাহারা কর্মফল দিবসকে অস্বীকার করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ এরা তারা, যারা অস্বীকার করে বিচার ও প্রতিদান দিবসকে।
Hilali & Muhsin Khan
12 And none can deny it except every transgressor beyond bounds, (in disbelief, oppression and disobedience to Allah) the sinner!
মুহিউদ্দীন খান
১২ প্রত্যেক সীমালংঘনকারী পাপিষ্ঠই কেবল একে মিথ্যারোপ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ কেবল প্রত্যেক পাপিষ্ঠ সীমালংঘনকারী ইহা অস্বীকার করে ;
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ সীমালংঘনকারী পাপিষ্ঠ ছাড়া আর কেউ - ই অস্বীকার করেনা সেই দিবসকে।
Hilali & Muhsin Khan
13 When Our Verses (of the Qur'an) are recited to him he says: "Tales of the ancients!"
মুহিউদ্দীন খান
১৩ তার কাছে আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হলে সে বলে, পুরাকালের উপকথা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ উহার নিকট আমার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হইলে সে বলে, ‘ইহা পূর্ববর্তীদের উপকথা।’
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তাকে যখন আমার (কুরআনের) আয়াত শুনানো হয়, সে বলে : এ - তো সেকালের লোকদের উপকথা।
Hilali & Muhsin Khan
14 Nay! But on their hearts is the Ran (covering of sins and evil deeds) which they used to earn.
মুহিউদ্দীন খান
১৪ কখনও না, বরং তারা যা করে, তাই তাদের হৃদয় মরিচা ধরিয়ে দিয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ কখনও নয় ; বরং উহাদের কৃতকর্মই উহাদের হৃদয়ে জঙ্ ধরাইয়াছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ না, তা কখনো নয়, বরং তাদের হৃদয়গুলোতে জঙ ধরিয়ে দিয়েছে তাদের (মন্দ) কৃতকর্ম।
Hilali & Muhsin Khan
15 Nay! Surely they (evil-doers) will be veiled from seeing their Lord that Day.
মুহিউদ্দীন খান
১৫ কখনও না, তারা সেদিন তাদের পালনকর্তার থেকে পর্দার অন্তরালে থাকবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ না, অবশ্যই সেই দিন উহারা উহাদের প্রতিপালক হইতে অন্তর্হিত থাকিবে ;
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ কখনো নয়, সেদিন অবশ্যি তাদেরকে তাদের প্রভুর দর্শন থেকে হিজাব করে (অন্তরালে) রাখা হবে।
Hilali & Muhsin Khan
16 Then, verily, they will indeed enter (and taste) the burning flame of Hell.
মুহিউদ্দীন খান
১৬ অতঃপর তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ অতঃপর উহারা তো জাহান্নামে প্রবেশ করিবে ;
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ তারপর তারা অবশ্যি প্রবেশ করবে জাহিমে।
Hilali & Muhsin Khan
17 Then, it will be said to them: "This is what you used to deny!"
মুহিউদ্দীন খান
১৭ এরপর বলা হবে, একেই তো তোমরা মিথ্যারোপ করতে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ তৎপর বলা হইবে, ‘ইহাই তাহা যাহা তোমরা অস্বীকার করিতে।’
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ তখন তাদের বলা হবে : এটি সেই জিনিস, যা তোমরা অস্বীকার করতে।
Hilali & Muhsin Khan
18 Nay! Verily, the Record (writing of the deeds) of Al-Abrar (the pious believers of Islamic Monotheism) is (preserved) in 'Illiyyun
মুহিউদ্দীন খান
১৮ কখনও না, নিশ্চয় সৎলোকদের আমলনামা আছে ইল্লিয়্যীনে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ অবশ্যই পূণ্যবানদের ‘আমলনামা ‘ইল্লিয়্যীনে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ কখনো নয়; অবশ্যি সৎ - সত্যপন্থী লোকদের রেকর্ড সংরক্ষিত থাকে ইল্লিয়্যিনে।
Hilali & Muhsin Khan
19 And what will make you know what 'Illiyyun is?
মুহিউদ্দীন খান
১৯ আপনি জানেন ইল্লিয়্যীন কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ ‘ইল্লিয়্যীন সম্পর্কে তুমি কী জান ?
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ তুমি কি জানো - ইল্লিয়্যিন কী?
Hilali & Muhsin Khan
20 A Register inscribed,
মুহিউদ্দীন খান
২০ এটা লিপিবদ্ধ খাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ উহা চিহ্নিত ‘আমলনামা।
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ তা হচ্ছে খোদাই করা (তালিকার) রেকর্ড।
Hilali & Muhsin Khan
21 To which bear witness those nearest (to Allah, i.e. the angels).
মুহিউদ্দীন খান
২১ আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাগণ একে প্রত্যক্ষ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ যাহারা আল্লাহ্ র সান্নিধ্যপ্রাপ্ত তাহারা উহা দেখে।
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ তার দেখাশুনায় নিয়োজিত আল্লাহর নিকটস্থ ফেরেশতারা।
Hilali & Muhsin Khan
22 Verily, Al-Abrar (the pious believers of Islamic Monotheism) will be in Delight (Paradise).
মুহিউদ্দীন খান
২২ নিশ্চয় সৎলোকগণ থাকবে পরম আরামে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ পুণ্যবানগণ তো থাকিবে পরম স্বাচ্ছন্দ্যে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ সৎ - সত্যপন্থী লোকেরা অবশ্যি থাকবে আনন্দ আর ভোগ বিলাসে।
Hilali & Muhsin Khan
23 On thrones, looking (at all things).
মুহিউদ্দীন খান
২৩ সিংহাসনে বসে অবলোকন করবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ তাহারা সুসজ্জিত আসনে বসিয়া অবলোকন করিবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ সিংহাসনে উপবেশন করে তারা দেখবে (সবকিছু)।
Hilali & Muhsin Khan
24 You will recognise in their faces the brightness of delight.
মুহিউদ্দীন খান
২৪ আপনি তাদের মুখমন্ডলে স্বাচ্ছন্দ্যের সজীবতা দেখতে পাবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ তুমি তাহাদের মুখমণ্ডলে স্বাচ্ছন্দ্যের দীপ্তি দেখিতে পাইবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ তুমি তাদের চেহারায় দেখতে পাবে আনন্দের উজ্জ্বলতা।
Hilali & Muhsin Khan
25 They will be given to drink of pure sealed wine.
মুহিউদ্দীন খান
২৫ তাদেরকে মোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় পান করানো হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ তাহাদেরকে মোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় হইতে পান করান হইবে;
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ তাদের পান করতে দেয়া হবে সীল করা বিশুদ্ধ শরাব (পানীয়)।
Hilali & Muhsin Khan
26 The last thereof (that wine) will be the smell of Musk, and for this let (all) those strive who want to strive (i.e. hasten earnestly to the obedience of Allah).
মুহিউদ্দীন খান
২৬ তার মোহর হবে কস্তুরী। এ বিষয়ে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ উহার মোহর মিস্কের, এ বিষয়ে প্রতিযোগীরা প্রতিযোগিতা করুক।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ পান শেষে তারা সৌরভ পাবে মিশ্কের। অতএব যারা প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়, তারা এরি জন্যে অবতীর্ণ হোক প্রতিযোগিতায়।
Hilali & Muhsin Khan
27 It (that wine) will be mixed with Tasnim:
মুহিউদ্দীন খান
২৭ তার মিশ্রণ হবে তসনীমের পানি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ উহার মিশ্রণ হইবে তাস্নীমের,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ সেই শরাব হবে তাসনিম মিশ্রিত।
Hilali & Muhsin Khan
28 A spring whereof drink those nearest to Allah.
মুহিউদ্দীন খান
২৮ এটা একটা ঝরণা, যার পানি পান করবে নৈকট্যশীলগণ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ ইহা একটি প্রস্রবণ, যাহা হইতে সান্নিধ্যপ্রাপ্তরা পান করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ এটা (তাসনিম) হলো একটা ঝর্ণা, যা থেকে পান করবে আল্লাহর নৈকট্য লাভকারীরা।
Hilali & Muhsin Khan
29 Verily, (during the worldly life) those who committed crimes used to laugh at those who believed.
মুহিউদ্দীন খান
২৯ যারা অপরাধী, তারা বিশ্বাসীদেরকে উপহাস করত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ যাহারা অপরাধী তাহারা তো মু’মিনদেরকে উপহাস করিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ (পৃথিবীর জীবনে) যারা অপরাধ করতো, তারা ঈমানের পথে চলা লোকদের হাসি - ঠাট্টা করতো।
Hilali & Muhsin Khan
30 And, whenever they passed by them, used to wink one to another (in mockery).
মুহিউদ্দীন খান
৩০ এবং তারা যখন তাদের কাছ দিয়ে গমন করত তখন পরস্পরে চোখ টিপে ইশারা করত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ এবং উহারা যখন মু’মিনদের নিকট দিয়া যাইত তখন চক্ষু টিপিয়া ইশারা করিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ এবং যখনই মুমিনদের নিকট দিয়ে গমনাগমন করতো, তাদের প্রতি (বিদ্রুপাত্মক) ইংগিত করতো।
Hilali & Muhsin Khan
31 And when they returned to their own people, they would return jesting;
মুহিউদ্দীন খান
৩১ তারা যখন তাদের পরিবার - পরিজনের কাছে ফিরত, তখনও হাসাহাসি করে ফিরত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ এবং যখন উহাদের আপনজনের নিকট ফিরিয়া আসিত তখন উহারা ফিরিত উৎফুল্ল হইয়া,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ এবং নিজেদের পরিবার - পরিজনের কাছে ফেরার সময় ফিরতো উৎফুল্ল হয়ে।
Hilali & Muhsin Khan
32 And when they saw them, they said: "Verily these have indeed gone astray!"
মুহিউদ্দীন খান
৩২ আর যখন তারা বিশ্বাসীদেরকে দেখত, তখন বলত, নিশ্চয় এরা বিভ্রান্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩২ এবং যখন উহাদেরকে দেখিত তখন বলিত, ‘ইহারাই তো পথভ্রষ্ট।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আর মুমিনদের দেখলে বলতো : এরা সব বিপথগামী।
Hilali & Muhsin Khan
33 But they (disbelievers, sinners) had not been sent as watchers over them (the believers).
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ অথচ তারা বিশ্বাসীদের তত্ত্বাবধায়করূপে প্রেরিত হয়নি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৩ উহাদেরকে তো তাহাদের তত্ত্বাবধায়ক করিয়া পাঠান হয় নাই।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ অথচ তাদেরকে এদের (মুমিনদের) উপর তত্ত্বাবধায়ক বানিয়ে পাঠানো হয়নি।
Hilali & Muhsin Khan
34 But this Day (the Day of Resurrection) those who believe will laugh at the disbelievers
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ আজ যারা বিশ্বাসী , তারা কাফেরদেরকে উপহাস করছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৪ আজ মু’মিনগণ উপহাস করিতেছে কাফিরদেরকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ সুতরাং আজ মুমিনরা উপহাস করবে কাফিরদের সাথে।
Hilali & Muhsin Khan
35 On (high) thrones, looking (at all things).
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ সিংহাসনে বসে, তাদেরকে অবলোকন করছে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৫ সুসজ্জিত আসন হইতে উহাদেরকে অবলোকন করিয়া।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ সিংহাসনে বসে তারা দেখবে তাদের।
Hilali & Muhsin Khan
36 Are not the disbelievers paid (fully) for what they used to do?
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ কাফেররা যা করত, তার প্রতিফল পেয়েছে তো?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৬ কাফিররা উহাদের কৃতকর্মের ফল পাইল তো?
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ কাফিরদেরকে তাদের কৃতকর্মের সওয়াব (পুরস্কার) কি (পুরোপুরি) দেয়া হলোনা?
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report