Kitab

إبراهيم

Chapter 14, 52 verses

  • Arabic, with marks
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
Arabic, with marks

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ الر ۚ كِتَابٌ أَنزَلْنَاهُ إِلَيْكَ لِتُخْرِجَ النَّاسَ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ بِإِذْنِ رَبِّهِمْ إِلَىٰ صِرَاطِ الْعَزِيزِ الْحَمِيدِ

আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ লাম রা। এই কিতাব আমরা তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে করে তুমি মানব সমাজকে বের করে আনো অন্ধকাররাশি থেকে আলোতে, তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে মহাপরাক্রমশালী সপ্রশংসিত আল্লাহর পথে।

মুহিউদ্দীন খান

আলিফ - লাম - রা; এটি একটি গ্রন্থ, যা আমি আপনার প্রতি নাযিল করেছি - যাতে আপনি মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন - পরাক্রান্ত, প্রশংসার যোগ্য পালনকর্তার নির্দেশে তাঁরই পথের দিকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আলিফ-লাম-রা; এই কিতাব, যা আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে তুমি মানুষকে তাদের রবের অনুমতিক্রমে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আন, পরাক্রমশালী সর্বপ্রশংসিতের পথের দিকে।

Arabic, with marks

اللَّهِ الَّذِي لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ وَوَيْلٌ لِّلْكَافِرِينَ مِنْ عَذَابٍ شَدِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

, মহাকাশ এবং এই পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর। আর কাফিরদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাবের দুর্ভোগ।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি ; যিনি নভোমন্ডল ও ভূ - মন্ডলের সবকিছুর মালিক। কাফেরদের জন্যে বিপদ রয়েছে, কঠোর আযাব;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আল্লাহর (পথ), আসমানসমূহ ও যমীনের সব কিছুই যার মালিকানায় এবং কাফিরদের জন্য রয়েছে কঠিন আযাবের দুর্ভোগ।

Arabic, with marks

الَّذِينَ يَسْتَحِبُّونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا عَلَى الْآخِرَةِ وَيَصُدُّونَ عَن سَبِيلِ اللَّهِ وَيَبْغُونَهَا عِوَجًا ۚ أُولَٰئِكَ فِي ضَلَالٍ بَعِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা দুনিয়ার জীবনকে বেশি মহববত করে আখিরাতের চাইতে, আর আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং তাতে সন্ধান করে বক্রতার, তারা বিপথে চলে গেছে বহুদূর।

মুহিউদ্দীন খান

যারা পরকালের চাইতে পার্থিব জীবনকে পছন্দ করে; আল্লাহর পথে বাধা দান করে এবং তাতে বক্রতা অন্বেষণ করে, তারা পথ ভুলে দূরে পড়ে আছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা দুনিয়ার জীবনকে থেকে অধিক পছন্দ করে, আর আল্লাহর পথে বাধা দেয় এবং তাতে বক্রতার সন্ধান করে; তারা ঘোরতর ভ্রষ্টতায় রয়েছে।

Arabic, with marks

وَمَا أَرْسَلْنَا مِن رَّسُولٍ إِلَّا بِلِسَانِ قَوْمِهِ لِيُبَيِّنَ لَهُمْ ۖ فَيُضِلُّ اللَّهُ مَن يَشَاءُ وَيَهْدِي مَن يَشَاءُ ۚ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা একজন রসূলও পাঠাইনি তার স্বজাতির ভাষায় ছাড়া, যাতে করে সে তাদেরকে স্পষ্ট করে বার্তা পৌঁছাতে পারে। তারপর যাকে চান বিপথগামী করে দেন আর যাকে চান সঠিক পথে পরিচালিত করেন। তিনি দুর্জয় ক্ষমতাবান মহাজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি সব পয়গম্বরকেই তাদের স্বজাতির ভাষাভাষী করেই প্রেরণ করেছি, যাতে তাদেরকে পরিষ্কার বোঝাতে পারে। অতঃপর যাকে ইচ্ছা, পথঃভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথ প্রদর্শন করেন। তিনি পরাক্রান্ত, প্রজ্ঞাময়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি প্রত্যেক রাসূলকে তার কওমের ভাষাতেই পাঠিয়েছি, যাতে সে তাদের কাছে বর্ণনা দেয়, সুতরাং যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সঠিক পথ দেখান। আর তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

Arabic, with marks

وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ بِآيَاتِنَا أَنْ أَخْرِجْ قَوْمَكَ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ وَذَكِّرْهُم بِأَيَّامِ اللَّهِ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আমাদের এক গুচ্ছ নিদর্শনসহ মূসাকে পাঠিয়েছিলাম এই নির্দেশ দিয়ে: ‘তুমি তোমার কওমকে অন্ধকাররাশি থেকে আলোতে বের করে আনো আর তাদেরকে আল্লাহর দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিতে থাকো। এতে পরম ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ লোকদের জন্যে রয়েছে নিদর্শন।’

মুহিউদ্দীন খান

আমি মূসাকে নিদর্শনাবলী সহ প্রেরণ করেছিলাম যে, স্বজাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আনয়ন এবং তাদেরকে আল্লাহর দিনসমূহ স্মরণ করান। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি মূসাকে আমার আয়াতসমূহ দিয়ে পাঠিয়েছি যে, ‘তুমি তোমার কওমকে অন্ধকার হতে আলোর দিকে বের করে আন এবং আল্লাহর দিবসসমূহ* তাদের স্মরণ করিয়ে দাও’। নিশ্চয় এতে প্রতিটি ধৈর্যশীল, কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য রয়েছে অসংখ্য নিদর্শন। * দিবসসমূহ দ্বারা উদ্দেশ্য ইতঃপূর্বের ঐ

Arabic, with marks

وَإِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِ اذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ أَنجَاكُم مِّنْ آلِ فِرْعَوْنَ يَسُومُونَكُمْ سُوءَ الْعَذَابِ وَيُذَبِّحُونَ أَبْنَاءَكُمْ وَيَسْتَحْيُونَ نِسَاءَكُمْ ۚ وَفِي ذَٰلِكُم بَلَاءٌ مِّن رَّبِّكُمْ عَظِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, মূসা তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ করো যখন তিনি তোমাদের নাজাত দিয়েছিলেন ফেরাউন গোষ্ঠীর কবল থেকে। তারা তোমাদের দিয়েছিল নিকৃষ্ট ধরনের আযাব। তারা যবাই করছিল তোমাদের পুত্র সন্তানদের আর জীবিত রাখছিল তোমাদের নারীদের। এতে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে ছিলো এক বিরাট পরীক্ষা।

মুহিউদ্দীন খান

যখন মূসা স্বজাতিকে বললেনঃ তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর যখন তিনি তোমাদেরকে ফেরাউনের সম্প্রদায়ের কবল থেকে মুক্তি দেন। তারা তোমাদেরকে অত্যন্ত নিকৃষ্ট ধরনের শাস্তি দিত, তোমাদের ছেলেদেরকে হত্যা করত এবং তোমাদের মেয়েদেরকে জীবিত রাখত। এবং এতে তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে বিরাট পরীক্ষা হয়েছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন মূসা তার কওমকে বলেছিল, তোমাদের প্রতি আল্লাহর নিয়ামাত স্মরণ কর, যখন তিনি তোমাদেরকে ফির‘আউন পরিবারের কবল থেকে রক্ষা করেছেন, তারা তোমাদের জঘন্য আযাব দিত। আর তারা তোমাদের ছেলেদেরকে যবেহ করত এবং নারীদেরকে জীবিত রাখত। আর তাতে ছিল তোমাদের রবের পক্ষ থেকে ম

Arabic, with marks

وَإِذْ تَأَذَّنَ رَبُّكُمْ لَئِن شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ ۖ وَلَئِن كَفَرْتُمْ إِنَّ عَذَابِي لَشَدِيدٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, তোমাদের প্রভু তোমাদের জানিয়ে দিয়েছিলেন, তোমরা যদি শোকর গুজারি করো তাহলে আমি তোমাদের আরো বেশি করে দেবো, আর যদি অকৃতজ্ঞ হও, তবে আমার আযাব অবশ্যি কঠোর।’’

মুহিউদ্দীন খান

যখন তোমাদের পালনকর্তা ঘোষণা করলেন যে, যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর, তবে তোমাদেরকে আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তোমাদের রব ঘোষণা দিলেন, ‘যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় কর, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেব, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয় আমার আযাব বড় কঠিন’।

Arabic, with marks

وَقَالَ مُوسَىٰ إِن تَكْفُرُوا أَنتُمْ وَمَن فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا فَإِنَّ اللَّهَ لَغَنِيٌّ حَمِيدٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা আরো বলেছিল: ‘তোমরা এবং পৃথিবীর সবাইও যদি আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞ হও, তবু সবার থেকে প্রয়োজনমুক্ত স্বয়ম্ভর সপ্রশংসিত।

মুহিউদ্দীন খান

এবং মূসা বললেনঃ তোমরা এবং পৃথিবীর সবাই যদি কর, তথাপি অমুখাপেক্ষী, যাবতীয় গুনের আধার।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মূসা বলল, ‘যদি তোমরা ও যমীনের সকলে কর, তাহলে নিশ্চয় অমুখাপেক্ষী, প্রশংসিত’।

Arabic, with marks

أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَبَأُ الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ قَوْمِ نُوحٍ وَعَادٍ وَثَمُودَ ۛ وَالَّذِينَ مِن بَعْدِهِمْ ۛ لَا يَعْلَمُهُمْ إِلَّا اللَّهُ ۚ جَاءَتْهُمْ رُسُلُهُم بِالْبَيِّنَاتِ فَرَدُّوا أَيْدِيَهُمْ فِي أَفْوَاهِهِمْ وَقَالُوا إِنَّا كَفَرْنَا بِمَا أُرْسِلْتُم بِهِ وَإِنَّا لَفِي شَكٍّ مِّمَّا تَدْعُونَنَا إِلَيْهِ مُرِيبٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের কাছে কি তোমাদের আগেকার লোকদের সংবাদ আসেনি, নূহের জাতি, আদ জাতি ও সামুদ জাতির সংবাদ? আর তাদের পরবর্তীদের সংবাদ? তাদের বিষয়ে ছাড়া আর কেউ জানেন না। তাদের কাছে তাদের রসূলরা এসেছিল সুস্পষ্ট নিদর্শন নিয়ে, কিন্তু তারা তাদের হাত তাদের মুখে চেপে ধরেছিল এবং বলেছিল: ‘তোমরা যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছো তার প্রতি আমরা কুফুরি করলাম। তোমরা যার প্রতি আমাদের ডাকছো সে বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে আমরা রয়েছি।’

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কাছে কি তোমাদের পূর্ববর্তী কওমে নূহ, আদ ও সামুদের এবং তাদের পরবর্তীদের খবর পৌছেনি? তাদের বিষয়ে ছাড়া আর কেউ জানে না। তাদের কাছে তাদের পয়গম্বর প্রমানাদি নিয়ে আগমন করেন। অতঃপর তারা নিজেদের হাত নিজেদের মুখে রেখে দিয়েছে এবং বলেছে, যা কিছু সহ তোমাদেরকে প্রেরণ করা হয়েছে, আমরা তা মানি না এবং যে পথের দিকে তোমরা আমাদেরকে দাওয়াত দাও, সে সম্পর্কে আমাদের মনে সন্দেহ আছে, যা আমাদেরকে উৎকন্ঠায় ফেলে রেখেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের কাছে কি তোমাদের পূর্বের লোকদের সংবাদ পৌছেনি? নূহ, আদ ও সামূদ জাতির এবং যারা তাদের পরের, যাদেরকে ছাড়া কেউ জানে না। তাদের রাসূলগণ তাদের নিকট স্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে এসেছিল, ফলে তারা ফিরিয়ে দিল তাদের হাত তাদের মুখে এবং বলল, ‘নিশ্চয় তোমাদেরকে যা

Arabic, with marks

۞ قَالَتْ رُسُلُهُمْ أَفِي اللَّهِ شَكٌّ فَاطِرِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ يَدْعُوكُمْ لِيَغْفِرَ لَكُم مِّن ذُنُوبِكُمْ وَيُؤَخِّرَكُمْ إِلَىٰ أَجَلٍ مُّسَمًّى ۚ قَالُوا إِنْ أَنتُمْ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُنَا تُرِيدُونَ أَن تَصُدُّونَا عَمَّا كَانَ يَعْبُدُ آبَاؤُنَا فَأْتُونَا بِسُلْطَانٍ مُّبِينٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের রসূলরা বলেছিল: ‘আল্লাহর সম্পর্কে তোমাদের সন্দেহ? অথচ তিনিই মহাকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা। তিনি তোমাদের পাপ ক্ষমা করে দেয়ার উদ্দেশ্যে তোমাদের ডাকছেন আর একটা নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত তোমাদের অবকাশ দেয়ার জন্যে।’ তারা বলেছিল: ‘তোমরা তো আমাদের মতোই মানুষ। তোমরা তো চাইছো, আমাদের পূর্ব পুরুষরা যে সবের ইবাদত করতো আমাদেরকে সেগুলো থেকে বাধা দিতে। তোমরা আমাদেরকে সুস্পষ্ট প্রমাণ দেখাও।’

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পয়গম্বরগণ বলেছিলেনঃ সম্পর্কে কি সন্দেহ আছে, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের স্রষ্টা? তিনি তোমাদেরকে আহবান করেন যাতে তোমাদের কিছু গুনাহ ক্ষমা করেন এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তোমাদের সময় দেন। তারা বলতঃ তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ! তোমরা আমাদেরকে ঐ উপাস্য থেকে বিরত রাখতে চাও, যার এবাদত আমাদের পিতৃপুরুষগণ করত। অতএব তোমরা কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ আনয়ন কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের রাসূলগণ বলেছিল, ‘আল্লাহর ব্যাপারেও কি সন্দেহ, যিনি আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিকর্তা? তিনি তোমাদেরকে আহবান করেন যাতে তিনি তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করেন এবং তিনি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তোমাদেরকে অবকাশ দেন’। তারা বলল, ‘তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ, ‘তোমরা আমাদে

Arabic, with marks

قَالَتْ لَهُمْ رُسُلُهُمْ إِن نَّحْنُ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ وَلَٰكِنَّ اللَّهَ يَمُنُّ عَلَىٰ مَن يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ ۖ وَمَا كَانَ لَنَا أَن نَّأْتِيَكُم بِسُلْطَانٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ ۚ وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের রসূলরা তাদের বলেছিল: ‘‘আমরা অবশ্যি তোমাদের মতো মানুষ, কিন্তু তাঁর বান্দাদের যাকে চান, তার প্রতি অনুগ্রহ করেন। আল্লাহর অনুমতি ছাড়া তোমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নিয়ে আসা আমাদের কাজ নয়। মুমিনরা আল্লাহর উপরই ভরসা করে।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পয়গম্বর তাদেরকে বলেনঃ আমারাও তোমাদের মত মানুষ, কিন্তু বান্দাদের মধ্য থেকে যার উপরে ইচ্ছা, অনুগ্রহ করেন। আল্লাহর নির্দেশ ব্যতীত তোমাদের কাছে প্রমাণ নিয়ে আসা আমাদের কাজ নয়; ঈমানদারদের আল্লাহর উপর ভরসা করা চাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদেরকে তাদের রাসূলগণ বলল, ‘আমরা তো কেবল তোমাদের মতই মানুষ, কিন্তু তার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুগ্রহ করেন। আর আল্লাহর অনুমতি ছাড়া তোমাদের কাছে প্রমাণ নিয়ে আসার সাধ্য আমাদের নেই। আর কেবল আল্লাহর উপরই মুমিনদের তাওয়াক্কুল করা উচিত’।

Arabic, with marks

وَمَا لَنَا أَلَّا نَتَوَكَّلَ عَلَى اللَّهِ وَقَدْ هَدَانَا سُبُلَنَا ۚ وَلَنَصْبِرَنَّ عَلَىٰ مَا آذَيْتُمُونَا ۚ وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُتَوَكِّلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কেন আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করবো না, অথচ তিনিই তো আমাদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দিয়েছেন? তোমরা আমাদের যতো কষ্টই দাও না কেন, আমরা অবশ্যি অটল - সহনশীল থাকবো। যারা নির্ভর করে তারা আল্লাহর উপর নির্ভর করুক।’’

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের আল্লাহর উপর ভরসা না করার কি কারণ থাকতে পারে, অথচ তিনি আমাদেরকে আমাদের পথ বলে দিয়েছেন। তোমরা আমাদেরকে যে পীড়ন করেছ, তজ্জন্যে আমরা সবর করব। ভরসাকারিগণের আল্লাহর উপরই ভরসা করা উচিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা কেন আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করব না, অথচ তিনিই আমাদেরকে আমাদের পথের দিশা দিয়েছেন। আর তোমরা আমাদের যে কষ্ট দিচ্ছ, আমরা তার উপর অবশ্যই সবর করব। আর আল্লাহর উপরই যেন তাওয়াক্কুলকারীরা তাওয়াক্কুল করে’।

Arabic, with marks

وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِرُسُلِهِمْ لَنُخْرِجَنَّكُم مِّنْ أَرْضِنَا أَوْ لَتَعُودُنَّ فِي مِلَّتِنَا ۖ فَأَوْحَىٰ إِلَيْهِمْ رَبُّهُمْ لَنُهْلِكَنَّ الظَّالِمِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা তাদের রসূলদের বলেছিল: ‘আমরা অবশ্যি আমাদের দেশ থেকে তোমাদের বের করে দেবো, অথবা তোমাদেরকে আমাদের ধর্মেই ফিরে আসতে হবে।’ তখন তাদের (রসূলদের) প্রভু তাদেরকে অহির মাধ্যমে জানিয়ে দেন: ‘‘আমরা অবশ্যি যালিমদের হালাক করে দেবো।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা পয়গম্বরগণকে বলেছিলঃ আমরা তোমাদেরকে দেশ থেকে বের করে দেব অথবা তোমরা আমাদের ধর্মে ফিরে আসবে। তখন তাদের কাছে তাদের পালনকর্তা ওহী প্রেরণ করলেন যে, আমি জালিমদেরকে অবশ্যই ধ্বংস করে দেব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা করেছে, তারা তাদের রাসূলদের বলল, ‘আমরা তোমাদেরকে আমাদের ভূ-খন্ড থেকে অবশ্যই বের করে দেব, অথবা তোমরা অবশ্যই আমাদের মিল্লাতে ফিরে আসবে’। অতঃপর তাদের রব তাদের নিকট ওহী পাঠালেন, ‘আমি অবশ্যই যালিমদের ধ্বংস করে দেব’।

Arabic, with marks

وَلَنُسْكِنَنَّكُمُ الْأَرْضَ مِن بَعْدِهِمْ ۚ ذَٰلِكَ لِمَنْ خَافَ مَقَامِي وَخَافَ وَعِيدِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের (ধ্বংসের) পরে আমরা তোমাদেরকেই দেশে প্রতিষ্ঠিত করবো। এটা তাদের জন্যে যারা আমার সামনে উপস্থিত হবার ভয় পোষণ করে এবং ভয় করে আমার ধমককে।’’

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পর তোমাদেরকে দেশে আবাদ করব। এটা ঐ ব্যক্তি পায়, যে আমার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে এবং আমার আযাবের ওয়াদাকে ভয় করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর নিশ্চয় আমি তাদের পর তোমাদেরকে যমীনে বাস করতে দেব। এটা তার জন্য, যে আমার অবস্থানকে ভয় করে এবং ভয় করে আমার ধমকের’।

Arabic, with marks

وَاسْتَفْتَحُوا وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বিজয় কামনা করেছিল। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছিল প্রত্যেক উদ্ধত স্বৈরাচারী।

মুহিউদ্দীন খান

পয়গম্বরগণ ফয়সালা চাইতে লাগলেন এবং প্রত্যেক অবাধ্য, হঠকারী ব্যর্থ কাম হল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বিজয় কামনা করল, আর ব্যর্থ হল সকল স্বেচ্ছাচারী, হঠকারী।

Arabic, with marks

مِّن وَرَائِهِ جَهَنَّمُ وَيُسْقَىٰ مِن مَّاءٍ صَدِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

পরবর্তীতে তার জন্যে রয়েছে জাহান্নাম এবং তাকে পান করানো হবে গলিত পূঁজের পানি।

মুহিউদ্দীন খান

তার পেছনে দোযখ রয়েছে। তাতে পূঁজ মিশানো পানি পান করানো হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এর সামনে রয়েছে জাহান্নাম, আর তাদের পান করানো হবে গলিত পুঁজ থেকে।

Arabic, with marks

يَتَجَرَّعُهُ وَلَا يَكَادُ يُسِيغُهُ وَيَأْتِيهِ الْمَوْتُ مِن كُلِّ مَكَانٍ وَمَا هُوَ بِمَيِّتٍ ۖ وَمِن وَرَائِهِ عَذَابٌ غَلِيظٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বহু কষ্টে এক ঢোক এক ঢোক করে গিলবে এবং গেলা তার জন্যে মোটেই সহজ হবেনা। চতুর্দিক থেকে মৃত্যু তাকে আচ্ছন্ন করবে, কিন্তু তার মউত হবেনা। এরপর তার উপর চেপে বসবে এক কঠিন আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

ঢোক গিলে তা পান করবে। এবং গলার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রতি দিক থেকে তার কাছে মৃত্যু আগমন করবে এবং সে মরবে না। তার পশ্চাতেও রয়েছে কঠোর আযাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে তা গিলতে চাইবে এবং প্রায় সহজে সে তা গিলতে পারবে না। আর তার কাছে সকল স্থান থেকে মৃত্যু ধেঁয়ে আসবে, অথচ সে মরবে না। আর এর পরেও রয়েছে কঠিন আযাব ।

Arabic, with marks

مَّثَلُ الَّذِينَ كَفَرُوا بِرَبِّهِمْ ۖ أَعْمَالُهُمْ كَرَمَادٍ اشْتَدَّتْ بِهِ الرِّيحُ فِي يَوْمٍ عَاصِفٍ ۖ لَّا يَقْدِرُونَ مِمَّا كَسَبُوا عَلَىٰ شَيْءٍ ۚ ذَٰلِكَ هُوَ الضَّلَالُ الْبَعِيدُ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের প্রভুর প্রতি কুফুরি করে তাদের উপমা হলো: তাদের আমলসমূহ হলো ভস্মের মতো, ঝড়ের দিনে বাতাস সেগুলো প্রচন্ড বেগে উড়িয়ে নিয়ে যায়। তাদের উপার্জনের কিছুই তারা কাজে লাগাতে সক্ষম হয়না। এটাই হলো ঘোরতর বিপথগামিতা।

মুহিউদ্দীন খান

যারা স্বীয় পালনকর্তার সত্তার অবিশ্বাসী তাদের অবস্থা এই যে, তাদের কর্মসমূহ ছাইভস্মের মত যার উপর দিয়ে প্রবল বাতাস বয়ে যায় ধূলিঝড়ের দিন। তাদের উপার্জনের কোন অংশই তাদের করতলগত হবে না। এটাই দুরবর্তী পথভ্রষ্টতা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা তাদের রবের সাথে করে তাদের আমলসমূহের দৃষ্টান্ত হল এমন ছাইয়ের মত, প্রবল ঘুর্ণিঝড়ের দিনে বাতাস প্রচন্ড বেগে যা বহন করে নিয়ে যায়। তারা যা অর্জন করেছে, তার মাধ্যমে কিছুই করতে পারে না। এ তো ঘোরতর বিভ্রান্তি।

Arabic, with marks

أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ ۚ إِن يَشَأْ يُذْهِبْكُمْ وَيَأْتِ بِخَلْقٍ جَدِيدٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি দেখছো না যে, বাস্তবতার সাথে মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন? তিনি চাইলে তোমাদের বিলুপ্ত করে নতুন সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনতে পারেন।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি দেখনি যে, নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল যথাবিধি সৃষ্টি করেছেন? যদি তিনি ইচ্ছা করেন, তবে তোমাদেরকে বিলুপ্তিতে নিয়ে যাবেন এবং নতুন সৃষ্টি আনয়ন করবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখ না যে, আসমানসমূহ এবং যমীন সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে? তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে নিশ্চি‎হ্ন করতে পারেন এবং অস্তিত্বে আনতে পারেন নতুন সৃষ্টি ।

Arabic, with marks

وَمَا ذَٰلِكَ عَلَى اللَّهِ بِعَزِيزٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

এ কাজ আল্লাহর জন্যে মোটেও কষ্টকর নয়।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আল্লাহর পক্ষে মোটেই কঠিন নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এটা আল্লাহর জন্য মোটেই কঠিন নয়।

Arabic, with marks

وَبَرَزُوا لِلَّهِ جَمِيعًا فَقَالَ الضُّعَفَاءُ لِلَّذِينَ اسْتَكْبَرُوا إِنَّا كُنَّا لَكُمْ تَبَعًا فَهَلْ أَنتُم مُّغْنُونَ عَنَّا مِنْ عَذَابِ اللَّهِ مِن شَيْءٍ ۚ قَالُوا لَوْ هَدَانَا اللَّهُ لَهَدَيْنَاكُمْ ۖ سَوَاءٌ عَلَيْنَا أَجَزِعْنَا أَمْ صَبَرْنَا مَا لَنَا مِن مَّحِيصٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

সবাই যখন উপস্থিত হবে আল্লাহর কাছে। তখন দাম্ভিক কর্তৃত্বশালীদের উদ্দেশ্যে দুর্বলরা বলবে: ‘আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম, এখন তোমরা কি আল্লাহর আযাব থেকে আমাদের কিছুমাত্র রক্ষা করতে পারবে?’ তারা বলবে: ‘ যদি আমাদেরকে সঠিক পথে চালাতেন, তাহলে আমরাও তোমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করতাম। এখন আমরা সহ্য করি কিংবা ধৈর্য হারাই একই কথা, এখান থেকে আমাদের নিষ্কৃতি নেই।’

মুহিউদ্দীন খান

সবাই আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হবে এবং দুর্বলেরা বড়দেরকে বলবেঃ আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম - অতএব, তোমরা আল্লাহর আযাব থেকে আমাদেরকে কিছুমাত্র রক্ষা করবে কি? তারা বলবেঃ যদি আমাদেরকে সৎপথ দেখাতেন, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের কে সৎপথ দেখাতাম। এখন তো আমাদের ধৈর্য্যচ্যুত হই কিংবা সবর করি - সবই আমাদের জন্যে সমান আমাদের রেহাই নেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা সবাই আল্লাহর সামনে হাজির হবে, অতঃপর যারা অহঙ্কার করেছে দুর্বলরা তাদেরকে বলবে, ‘নিশ্চয় আমরা তোমাদের অনুসারী ছিলাম। সুতরাং তোমরা কি আল্লাহর আযাবের মোকাবেলায় আমাদের কোন উপকারে আসবে’? তারা বলবে, ‘যদি আমাদের হিদায়াত করতেন, তাহলে আমরাও তোমাদের হি

Arabic, with marks

وَقَالَ الشَّيْطَانُ لَمَّا قُضِيَ الْأَمْرُ إِنَّ اللَّهَ وَعَدَكُمْ وَعْدَ الْحَقِّ وَوَعَدتُّكُمْ فَأَخْلَفْتُكُمْ ۖ وَمَا كَانَ لِيَ عَلَيْكُم مِّن سُلْطَانٍ إِلَّا أَن دَعَوْتُكُمْ فَاسْتَجَبْتُمْ لِي ۖ فَلَا تَلُومُونِي وَلُومُوا أَنفُسَكُم ۖ مَّا أَنَا بِمُصْرِخِكُمْ وَمَا أَنتُم بِمُصْرِخِيَّ ۖ إِنِّي كَفَرْتُ بِمَا أَشْرَكْتُمُونِ مِن قَبْلُ ۗ إِنَّ الظَّالِمِينَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন বিচার কাজ শেষ হয়ে যাবে তখন শয়তান বলবে: ‘ তোমাদের ওয়াদা দিয়েছিলেন সত্য ওয়াদা। আর আমিও তোমাদের ওয়াদা দিয়েছিলাম, কিন্তু আমি তোমাদেরকে দেয়া ওয়াদা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর আমার কোনো কর্তৃত্ব ছিলনা। আমি তো কেবল তোমাদের আহবান করেছি। তোমরা আমার আহবানে সাড়া দিয়েছিলে। সুতরাং আজ আমাকে তিরস্কার করোনা, নিজেকে নিজে তিরস্কার করো। আমি তোমাদের রক্ষা করতে সক্ষম নই, তোমরাও আমাকে রক্ষা করতে সক্ষম নও। তোমরা যে আমাকে ইতোপূর্বে (পৃথিবীতে) আল্লাহর শরিক বানিয়েছিলে আমি সেটা অস্বীকার করছি। যালিমদের জন্যে তো রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।’

মুহিউদ্দীন খান

যখন সব কাজের ফায়সলা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবেঃ নিশ্চয় তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। অতএব তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভৎর্সনা কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও। ইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে আল্লাহর শরীক করেছিলে, আমি তা অস্বীকার করি। নিশ্চয় যারা জালেম তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন যাবতীয় বিষয়ের ফয়সালা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবে, ‘নিশ্চয় তোমাদেরকে ওয়াদা দিয়েছিলেন সত্য ওয়াদা, তোমাদের উপর আমার কোন আধিপত্য ছিল না, তবে আমিও তোমাদেরকে ওয়াদা দিয়েছিলাম, এখন আমি তা ভঙ্গ করলাম। তোমাদেরকে দাওয়াত দিয়েছি, আর তোমরা আমার দাওয়াতে সাড়া

Arabic, with marks

وَأُدْخِلَ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ ۖ تَحِيَّتُهُمْ فِيهَا سَلَامٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে তাদের দাখিল করা হবে জান্নাতে (উদ্যানসমূহে), যেগুলোর নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর। সেখানে থাকবে তারা চিরকাল তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে। সেখানে তাদের অভিবাদন হবে ‘সালাম’।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা বিশ্বাস স্থাপণ করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তাদেরকে এমন উদ্যানে প্রবেশ করানো হবে, যার পাদদেশ দিয়ে নির্ঝরিনী সমূহ প্রবাহিত হবে তারা তাতে পালনকর্তার নির্দেশে অনন্তকাল থাকবে। যেখানে তাদের সম্ভাষণ হবে সালাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান আনে এবং নেক আমল করে তাদের জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, যার তলদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত হবে, তারা তাতে তাদের রবের অনুমতিক্রমে স্থায়ী হবে। তথায় তাদের অভিবাদন হবে ‘সালাম’।

Arabic, with marks

أَلَمْ تَرَ كَيْفَ ضَرَبَ اللَّهُ مَثَلًا كَلِمَةً طَيِّبَةً كَشَجَرَةٍ طَيِّبَةٍ أَصْلُهَا ثَابِتٌ وَفَرْعُهَا فِي السَّمَاءِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি দেখছো না, কিভাবে উপমা দিচ্ছেন: একটি উত্তম কথা যেনো একটি উত্তম গাছ, যার মূল মাটির গভীরে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত আর যার শাখা - প্রশাখা উপরে বিস্তীর্ণ।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি লক্ষ্য কর না, তা’আলা কেমন উপমা বর্ণনা করেছেনঃ পবিত্র বাক্য হলো পবিত্র বৃক্ষের মত। তার শিকড় মজবুত এবং শাখা আকাশে উত্থিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখ না, কীভাবে উপমা পেশ করেছেন? কালিমা তাইয়েবা, যা একটি ভাল বৃক্ষের ন্যায়, যার মূল সুস্থির আর শাখা-প্রশাখা আকাশে।

Arabic, with marks

تُؤْتِي أُكُلَهَا كُلَّ حِينٍ بِإِذْنِ رَبِّهَا ۗ وَيَضْرِبُ اللَّهُ الْأَمْثَالَ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি তার প্রভুর অনুমতিক্রমে প্রতিনিয়ত ফল দিয়ে থাকে। মানুষের জন্যে উপমা দেন যেনো তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

মুহিউদ্দীন খান

সে পালনকর্তার নির্দেশে অহরহ ফল দান করে। মানুষের জন্যে দৃষ্টান্ত বর্ণণা করেন - যাতে তারা চিন্তা - ভাবনা করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেটি তার রবের অনুমতিতে সব সময় ফল দান করে; আর মানুষের জন্য নানা দৃষ্টান্ত প্রদান করেন, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

Arabic, with marks

وَمَثَلُ كَلِمَةٍ خَبِيثَةٍ كَشَجَرَةٍ خَبِيثَةٍ اجْتُثَّتْ مِن فَوْقِ الْأَرْضِ مَا لَهَا مِن قَرَارٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর একটি মন্দ কথার উপমা হলো একটি মন্দ গাছ, যার মূল বিচ্ছিন্ন মাটির উপরিভাগে, তার কোনো স্থায়িত্ব নেই।

মুহিউদ্দীন খান

এবং নোংরা বাক্যের উদাহরণ হলো নোংরা বৃক্ষ। একে মাটির উপর থেকে উপড়ে নেয়া হয়েছে। এর কোন স্থিতি নেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অপবিত্র বাক্যের উপমা নিকৃষ্ট বৃক্ষের ন্যায়, যাকে মাটির উপর থেকে সমূলে উপড়ে ফেলা হয়েছে, যার কোন স্থিতি নেই।

Arabic, with marks

يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ ۖ وَيُضِلُّ اللَّهُ الظَّالِمِينَ ۚ وَيَفْعَلُ اللَّهُ مَا يَشَاءُ

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদের মজবুত অটল রাখেন মজবুত অটল কথার ভিত্তিতে দুনিয়ার জীবনেও এবং আখিরাতেও, আর বিভ্রান্ত করে দেন যালিমদের এবং যা ইচ্ছা তাই করেন।

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা মুমিনদেরকে মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন। পার্থিবজীবনে এবং পরকালে। এবং জালেমদেরকে পথভ্রষ্ট করেন। যা ইচ্ছা, তা করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবিচল রাখেন ঈমানদারদেরকে সুদৃঢ় বাণী দ্বারা দুনিয়ার জীবনে ও আখিরাতে। আর যালিমদের পথভ্রষ্ট করেন এবং যা ইচ্ছা তা করেন।

Arabic, with marks

۞ أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ بَدَّلُوا نِعْمَتَ اللَّهِ كُفْرًا وَأَحَلُّوا قَوْمَهُمْ دَارَ الْبَوَارِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি তাদের দেখছো না, যারা আল্লাহর অনুগ্রহ (ইসলাম) গ্রহণ করার বদলে কুফুরিকে আঁকড়ে ধরেছে এবং তারা তাদের কওমকে নামিয়ে এনেছে ধ্বংসের দুয়ারে?

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি তাদের কে দেখনি, যারা আল্লাহর নেয়ামতকে কুফরে পরিণত করেছে এবং স্ব - জাতিকে সম্মুখীন করেছে ধ্বংসের আলয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি তাদেরকে দেখ না, যারা আল্লাহর নিআমতকে দ্বারা পরিবর্তন করেছে এবং তাদের কওমকে ধ্বংসের ঘরে নামিয়ে দিয়েছে?

Arabic, with marks

جَهَنَّمَ يَصْلَوْنَهَا ۖ وَبِئْسَ الْقَرَارُ

আবদুস শহীদ নাসিম

জাহান্নামে, আর সেখানেই তারা প্রবেশ করবে। সেটা কতো যে নিকৃষ্ট আবাস!

মুহিউদ্দীন খান

দোযখের? তারা তাতে প্রবেশ করবে সেটা কতই না মন্দ আবাস।

বয়ান ফাউন্ডেশন

জাহান্নামে, যাতে তারা দগ্ধ হবে, আর তা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান!

Arabic, with marks

وَجَعَلُوا لِلَّهِ أَندَادًا لِّيُضِلُّوا عَن سَبِيلِهِ ۗ قُلْ تَمَتَّعُوا فَإِنَّ مَصِيرَكُمْ إِلَى النَّارِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর সমকক্ষ বানায় মানুষকে তাঁর পথ থেকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে। হে নবী! তাদের বলো: ভোগ করে নাও, আর জেনে রাখো, তোমাদের ফিরে যাবার জায়গা হলো জাহান্নাম।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তারা আল্লাহর জন্যে সমকক্ষ স্থির করেছে, যাতে তারা তার পথ থেকে বিচ্যুত করে দেয়। বলুনঃ মজা উপভোগ করে নাও। অতঃপর তোমাদেরকে অগ্নির দিকেই ফিরে যেতে হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা আল্লাহর জন্য সমকক্ষ নির্ধারণ করে, যেন তারা তাঁর পথ থেকে বিভ্রান্ত করতে পারে। বল, ‘তোমরা ভোগ করতে থাক। কেননা, তোমাদের গন্তব্য তো আগুনের দিকে’।

Arabic, with marks

قُل لِّعِبَادِيَ الَّذِينَ آمَنُوا يُقِيمُوا الصَّلَاةَ وَيُنفِقُوا مِمَّا رَزَقْنَاهُمْ سِرًّا وَعَلَانِيَةً مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِيَ يَوْمٌ لَّا بَيْعٌ فِيهِ وَلَا خِلَالٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! আমার দাসদের বলো: তারা যেনো কায়েম করে এবং আমরা তাদের যে জীবিকা দিয়েছি তা থেকে যেনো ব্যয় করে গোপনে ও প্রকাশ্যে সেই দিনটি আসার আগেই, যেদিন কোনো বেচাকেনাও থাকবেনা আর কোনো বন্ধুতাও থাকবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

আমার বান্দাদেরকে বলে দিন যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তারা কায়েম রাখুক এবং আমার দেয়া রিযিক থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করুক ঐদিন আসার আগে, যেদিন কোন বেচা কেনা নেই এবং বন্ধুত্বও নেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমার বান্দাদের বল, ‘যারা ঈমান এনেছে, তারা যেন কায়েম করে এবং আমি তাদেরকে যে রিয্ক দিয়েছি তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, ঐ দিন আসার পূর্বে যে দিন কোন বেচা-কেনা থাকবে না এবং থাকবে না বন্ধুত্বও।

Arabic, with marks

اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَأَنزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجَ بِهِ مِنَ الثَّمَرَاتِ رِزْقًا لَّكُمْ ۖ وَسَخَّرَ لَكُمُ الْفُلْكَ لِتَجْرِيَ فِي الْبَحْرِ بِأَمْرِهِ ۖ وَسَخَّرَ لَكُمُ الْأَنْهَارَ

আবদুস শহীদ নাসিম

, যিনি সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং এই পৃথিবী আর নাযিল করেছেন আসমান থেকে পানি, তারপর তা থেকে উৎপন্ন করেছেন ফল ফসল তোমাদের জন্যে জীবিকা হিসেবে। আর নৌযানকে তোমাদের নিয়ন্ত্রণাধীন করে দিয়েছেন, যাতে করে তাঁর নির্দেশক্রমে তা চলাচল করে সমুদ্রে এবং তিনি তোমাদেরই কল্যাণে নিয়োজিত করে দিয়েছেন নদ - নদীকে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই , যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল সৃজন করেছেন এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে অতঃপর তা দ্বারা তোমাদের জন্যে ফলের রিযিক উৎপন্ন করেছেন এবং নৌকাকে তোমাদের আজ্ঞাবহ করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে সমুদ্রে চলা ফেরা করে এবং নদ - নদীকে তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

, যিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন। আর তিনি আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন ফলে তা দ্বারা ফল-ফলাদি থেকে তোমাদের জন্য রিয্ক উৎপাদন করেন এবং তিনি নৌযানকে তোমাদের জন্য নিয়োজিত করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে সমুদ্রে তা চলাচল করে এবং নদীসমূহকে তোমাদের জন্য নিয়ো

Arabic, with marks

وَسَخَّرَ لَكُمُ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ دَائِبَيْنِ ۖ وَسَخَّرَ لَكُمُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তোমাদেরই কল্যাণে নিয়োজিত করে দিয়েছেন সূর্য আর চাঁদকে। তারা অবিরাম একই নিয়ম মেনে চলে। তিনি তোমাদের কল্যাণে আরো নিয়োজিত করেছেন রাত আর দিনকে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন সূর্যকে এবং চন্দ্রকে সর্বদা এক নিয়মে এবং রাত্রি ও দিবাকে তোমাদের কাজে লাগিয়েছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনি সূর্য ও চাঁদকে তোমাদের জন্য নিয়োজিত করেছেন বিরামহীনভাবে এবং তোমাদের জন্য নিয়োজিত করেছেন রাত ও দিনকে।

Arabic, with marks

وَآتَاكُم مِّن كُلِّ مَا سَأَلْتُمُوهُ ۚ وَإِن تَعُدُّوا نِعْمَتَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا ۗ إِنَّ الْإِنسَانَ لَظَلُومٌ كَفَّارٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তাঁর কাছে যা চেয়েছো (অর্থাৎ যা কিছু তোমাদের প্রয়োজন) তার প্রত্যেকটিই তিনি তোমাদের দিয়েছেন। তোমরা যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ গণনা করো, তাহলে তার সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না। নিশ্চয়ই মানুষ বড় যালিম, অকৃতজ্ঞ।

মুহিউদ্দীন খান

যে সকল বস্তু তোমরা চেয়েছ, তার প্রত্যেকটি থেকেই তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন। যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, তবে গুণে শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ অত্যন্ত অন্যায়কারী, অকৃতজ্ঞ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা যা চেয়েছ, তার প্রত্যেকটি থেকে তিনি তোমাদের দিয়েছেন এবং যদি তোমরা আল্লাহর নিআমত গণনা কর, তবে তার সংখ্যা নিরূপণ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ অধিক অত্যাচারী ও অকৃতজ্ঞ।

Arabic, with marks

وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هَٰذَا الْبَلَدَ آمِنًا وَاجْنُبْنِي وَبَنِيَّ أَن نَّعْبُدَ الْأَصْنَامَ

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, ইবরাহিম বলেছিল: ‘‘আমার প্রভু! তুমি এই (মক্কা) নগরীকে নিরাপদ করে দাও এবং আমাকে ও আমার সন্তানদেরকে ভাষ্কর্য - প্রতিমা পূজা থেকে দূরে রেখো।

মুহিউদ্দীন খান

যখন ইব্রাহীম বললেনঃ হে পালনকর্তা, এ শহরকে শান্তিময় করে দিন এবং আমাকে ও আমার সন্তান সন্ততিকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে রাখুন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর স্মরণ কর ‘যখন ইবরাহীম বলল, ‘হে আমার রব, আপনি এ শহরকে নিরাপদ করে দিন এবং আমাকে ও আমার সন্তানদেরকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে রাখুন’।

Arabic, with marks

رَبِّ إِنَّهُنَّ أَضْلَلْنَ كَثِيرًا مِّنَ النَّاسِ ۖ فَمَن تَبِعَنِي فَإِنَّهُ مِنِّي ۖ وَمَنْ عَصَانِي فَإِنَّكَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার প্রভু! এসব (প্রতিমা) বিপথগামী করেছে বহু মানুষকে। সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে, সেই হবে আমার লোক, আর যে আমার অবাধ্য হবে, সে ক্ষেত্রে তুমি তো পরম ক্ষমাশীল দয়াময়।

মুহিউদ্দীন খান

হে পালনকর্তা, এরা অনেক মানুষকে বিপথগামী করেছে। অতএব যে আমার অনুসরণ করে, সে আমার এবং কেউ আমার অবাধ্যতা করলে নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমার রব, নিশ্চয় এসব মূর্তি অনেক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে, সুতরাং যে আমার অনুসরণ করেছে, নিশ্চয় সে আমার দলভুক্ত, আর যে আমার অবাধ্য হয়েছে, তবে নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’।

Arabic, with marks

رَّبَّنَا إِنِّي أَسْكَنتُ مِن ذُرِّيَّتِي بِوَادٍ غَيْرِ ذِي زَرْعٍ عِندَ بَيْتِكَ الْمُحَرَّمِ رَبَّنَا لِيُقِيمُوا الصَّلَاةَ فَاجْعَلْ أَفْئِدَةً مِّنَ النَّاسِ تَهْوِي إِلَيْهِمْ وَارْزُقْهُم مِّنَ الثَّمَرَاتِ لَعَلَّهُمْ يَشْكُرُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের প্রভু! আমি তো আমার বংশধরদের একটি অংশের বসবাসের ব্যবস্থা করেছি এই অনুর্বর উপত্যকায় তোমার সম্মানিত ঘরের কাছে। হে আমার প্রভু! এ জন্যে করেছি, যেনো তারা কায়েম করে। সুতরাং তুমি মানুষের হৃদয় তাদের প্রতি অনুরাগী করে দিও, আর তাদের জীবিকা দিও ফলফলারি দিয়ে, যাতে করে তারা তোমার শোকর আদায় করে।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমাদের পালনকর্তা, আমি নিজের এক সন্তানকে তোমার পবিত্র গৃহের সন্নিকটে চাষাবাদহীন উপত্যকায় আবাদ করেছি; হে আমাদের পালনকর্তা, যাতে তারা কায়েম রাখে। অতঃপর আপনি কিছু লোকের অন্তরকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন এবং তাদেরকে ফলাদি দ্বারা রুযী দান করুন, সম্ভবতঃ তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমি আমার কিছু বংশধরদেরকে ফসলহীন উপত্যকায় তোমার পবিত্র ঘরের নিকট বসতি স্থাপন করালাম, হে আমাদের রব, যাতে তারা কায়েম করে। সুতরাং কিছু মানুষের হৃদয় আপনি তাদের দিকে ঝুঁকিয়ে দিন এবং তাদেরকে রিয্ক প্রদান করুন ফল-ফলাদি থেকে, আশা করা যা

Arabic, with marks

رَبَّنَا إِنَّكَ تَعْلَمُ مَا نُخْفِي وَمَا نُعْلِنُ ۗ وَمَا يَخْفَىٰ عَلَى اللَّهِ مِن شَيْءٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের প্রভু! নিশ্চয়ই তুমি জানো আমরা যা গোপন করি এবং আমরা যা প্রকাশ করি। আর আসমান ও জমিনের কিছুই গোপন নেই আল্লাহর কাছে।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি তো জানেন আমরা যা কিছু গোপনে করি এবং যা কিছু প্রকাশ্য করি। আল্লাহর কাছে পৃথিবীতে ও আকাশে কোন কিছুই গোপন নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি জানেন, যা আমরা গোপন করি এবং যা প্রকাশ করি, আর কোন কিছু আল্লাহর নিকট গোপন নেই, না যমীনে না আসমানে।

Arabic, with marks

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي وَهَبَ لِي عَلَى الْكِبَرِ إِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ ۚ إِنَّ رَبِّي لَسَمِيعُ الدُّعَاءِ

আবদুস শহীদ নাসিম

সমস্ত শোকরিয়া আল্লাহর, যিনি বৃদ্ধ বয়সে আমাকে ইসমাঈল এবং ইসহাককে দান করেছেন। নিশ্চয়ই আমার প্রভু দোয়া শুনে থাকেন।

মুহিউদ্দীন খান

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি আমাকে এই বার্ধক্যে ইসমাঈল ও ইসহাক দান করেছেন নিশ্চয় আমার পালনকর্তা দোয়া শ্রবণ করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি বৃদ্ধ বয়সে আমাকে ঈসমাঈল ও ইসহাককে দান করেছেন। নিশ্চয় আমার রব দো‘আ শ্রবণকারী’।

Arabic, with marks

رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার প্রভু! আমাকে কায়েমকারী বানাও এবং আমার বংশধরদেরকেও। আমাদের প্রভু! আমার দোয়া কবুল করো।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্যে থেকেও। হে আমাদের পালনকর্তা, এবং কবুল করুন আমাদের দোয়া।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমার রব, আমাকে কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও, হে আমাদের রব, আর আমার দো‘আ কবূল করুন’।

Arabic, with marks

رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের প্রভু! আমাকে ক্ষমা করে দাও আর আমার পিতা - মাতাকে এবং মুমিনদেরকে সেইদিন, যেদিন অনুষ্ঠিত হবে হিসাব।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা - মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব কায়েম হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমাদের রব, যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিবেন’।

Arabic, with marks

وَلَا تَحْسَبَنَّ اللَّهَ غَافِلًا عَمَّا يَعْمَلُ الظَّالِمُونَ ۚ إِنَّمَا يُؤَخِّرُهُمْ لِيَوْمٍ تَشْخَصُ فِيهِ الْأَبْصَارُ

আবদুস শহীদ নাসিম

যালিমদের কর্মকান্ডের ব্যাপারে আল্লাহকে গাফিল মনে করোনা। তিনি তাদের অবকাশ দিচ্ছেন ঐ দিন পর্যন্ত যেদিন তাদের দৃষ্টি স্থির হয়ে যাবে।

মুহিউদ্দীন খান

জালেমরা যা করে, সে সম্পর্কে আল্লাহকে কখনও বেখবর মনে করো না তাদেরকে তো ঐ দিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে রেখেছেন, যেদিন চক্ষুসমূহ বিস্ফোরিত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যালিমরা যা করছে, আল্লাহকে তুমি সে বিষয়ে মোটেই গাফেল মনে করো না, তো তাদের অবকাশ দিচ্ছেন, ঐ দিন পর্যন্ত যে দিন চোখ পলকহীন তাকিয়ে থাকবে।

Arabic, with marks

مُهْطِعِينَ مُقْنِعِي رُءُوسِهِمْ لَا يَرْتَدُّ إِلَيْهِمْ طَرْفُهُمْ ۖ وَأَفْئِدَتُهُمْ هَوَاءٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন ভীত বিহবল হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে তারা ছুটাছুটি করবে। নিজেদের দিকে ফিরবে না তাদের দৃষ্টি। তাদের অন্তর থাকবে উদাসীন।

মুহিউদ্দীন খান

তারা মস্তক উপরে তুলে ভীত - বিহবল চিত্তে দৌড়াতে থাকবে। তাদের দিকে তাদের দৃষ্টি ফিরে আসবে না এবং তাদের অন্তর উড়ে যাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা মাথা তুলে দৌড়াতে থাকবে, তাদের দৃষ্টি নিজদের দিকে ফিরবে না এবং তাদের অন্তর হবে শূন্য।

Arabic, with marks

وَأَنذِرِ النَّاسَ يَوْمَ يَأْتِيهِمُ الْعَذَابُ فَيَقُولُ الَّذِينَ ظَلَمُوا رَبَّنَا أَخِّرْنَا إِلَىٰ أَجَلٍ قَرِيبٍ نُّجِبْ دَعْوَتَكَ وَنَتَّبِعِ الرُّسُلَ ۗ أَوَلَمْ تَكُونُوا أَقْسَمْتُم مِّن قَبْلُ مَا لَكُم مِّن زَوَالٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আযাব তাদেরকে পাকড়াও করে ফেলবে সেদিনটি সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করো। সেদিন যালিমরা বলবে: ‘আমাদের প্রভু! অল্পকালের জন্যে আমাদের অবকাশ দাও, আমরা তোমার আহবানে সাড়া দেবো এবং তোমার রসূলদের ইত্তেবা (অনুসরণ) করবো।’ (তাদের বলা হবে:) ইতোপূর্বে (দুনিয়ার জীবনে) তোমরা বলতে না যে, তোমাদের পতন হবেনা?

মুহিউদ্দীন খান

মানুষকে ঐ দিনের ভয় প্রদর্শন করুন, যেদিন তাদের কাছে আযাব আসবে। তখন জালেমরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে সামান্য মেয়াদ পর্যন্ত সময় দিন, যাতে আমরা আপনার আহবানে সাড়া দিতে এবং পয়গম্বরগণের অনুসরণ করতে পারি। তোমরা কি ইতোপূর্বে কসম খেতে না যে, তোমাদেরকে দুনিয়া থেকে যেতে হবে না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি মানুষদেরকে সতর্ক কর, যেদিন তাদের উপর আযাব নেমে আসবে। অতঃপর তখন যারা যুলম করেছে তারা বলবে, ‘হে আমাদের রব, তুমি আমাদেরকে কিছু সময়ের জন্য অবকাশ দাও, আমরা তোমার ডাকে সাড়া দেব এবং রাসূলদের অনুসরণ করব’। ইতঃপূর্বে তোমরা কি কসম করনি যে, তোমাদের কোন পতন নে

Arabic, with marks

وَسَكَنتُمْ فِي مَسَاكِنِ الَّذِينَ ظَلَمُوا أَنفُسَهُمْ وَتَبَيَّنَ لَكُمْ كَيْفَ فَعَلْنَا بِهِمْ وَضَرَبْنَا لَكُمُ الْأَمْثَالَ

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তোমরা তো বাস করতে সেইসব আবাস ভূমিতেই, যারা (তোমাদের আগে) নিজেদের প্রতি যুলুম করেছিল, আর এটাও তোমাদের কাছে পরিষ্কার ছিলো যে, আমরা তাদের সাথে কী আচরণ করেছিলাম? আমরা তো তোমাদের কাছে তাদের দৃষ্টান্ত পেশ করেছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তাদের বাসভূমিতেই বসবাস করতে, যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছে এবং তোমাদের হয়ে গিয়েছিল যে, আমি তাদের সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছি এবং আমি তোমাদেরকে ওদের সব কাহিনীই বর্ণনা করেছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা বাস করছিলে সেসব লোকদের বাসস্থানে, যারা নিজদের উপর যুলম করত এবং তোমাদের নিকট স্পষ্ট হয়েছিল আমি তাদের সাথে কিরূপ করেছি এবং আমি তোমাদের জন্য উপমা বর্ণনা করেছি।

Arabic, with marks

وَقَدْ مَكَرُوا مَكْرَهُمْ وَعِندَ اللَّهِ مَكْرُهُمْ وَإِن كَانَ مَكْرُهُمْ لِتَزُولَ مِنْهُ الْجِبَالُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা চক্রান্ত করেছিল তাদের প্রাণান্তকর চক্রান্ত। তাদের চক্রান্ত রদ করে দিয়েছেন। যদিও তারা এমন চক্রান্ত করেছিল যাতে পাহাড় পর্যন্ত টলে যেতো।

মুহিউদ্দীন খান

তারা নিজেদের মধ্যে ভীষণ চক্রান্ত করে নিয়েছে এবং আল্লাহর সামনে রক্ষিত আছে তাদের কু - চক্রান্ত। তাদের কুটকৌশল পাহাড় টলিয়ে দেয়ার মত হবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা তাদের ষড়যন্ত্র করেছিল, আর আল্লাহর কাছেই তাদের ষড়যন্ত্র, যদিও তাদের ষড়যন্ত্র এমন ছিল যা দ্বারা পাহাড় অপসারিত হয়ে যায়।

Arabic, with marks

فَلَا تَحْسَبَنَّ اللَّهَ مُخْلِفَ وَعْدِهِ رُسُلَهُ ۗ إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ ذُو انتِقَامٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কখনো মনে করোনা যে, তাঁর রসূলদের দেয়া ওয়াদা খেলাফ করবেন। নিশ্চয়ই মহাপরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব আল্লাহর প্রতি ধারণা করো না যে, তিনি রসূলগণের সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করবেন নিশ্চয় পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি কখনো আল্লা¬হকে তাঁর রাসূলদের দেয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী মনে করো না। নিশ্চয় পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।

Arabic, with marks

يَوْمَ تُبَدَّلُ الْأَرْضُ غَيْرَ الْأَرْضِ وَالسَّمَاوَاتُ ۖ وَبَرَزُوا لِلَّهِ الْوَاحِدِ الْقَهَّارِ

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন এই পৃথিবী পরিবর্তিত হয়ে যাবে অন্য একটি পৃথিবীতে এবং মহাকাশও, তখন সমস্ত মানুষ উপস্থিত হয়ে যাবে আল্লাহর সামনে, যিনি এক এবং মহাপরাক্রমশালী।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন পরিবর্তিত করা হবে এ পৃথিবীকে অন্য পৃথিবীতে এবং পরিবর্তিত করা হবে আকাশ সমূহকে এবং লোকেরা পরাক্রমশালী এবং আল্লাহর সামনে পেশ হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেদিন এ যমীন ভিন্ন যমীনে রূপান্তরিত হবে এবং আসমানসমূহও। আর তারা পরাক্রমশালী এক আল্লাহর সামনে হাযির হবে।

Arabic, with marks

وَتَرَى الْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍ مُّقَرَّنِينَ فِي الْأَصْفَادِ

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তুমি অপরাধীদের দেখবে শৃংখলিত।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি ঐদিন পাপীদেরকে পরস্পরে শৃংখলা বদ্ধ দেখবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে দিন তুমি অপরাধীদের দেখবে তারা শিকলে বাঁধা।

Arabic, with marks

سَرَابِيلُهُم مِّن قَطِرَانٍ وَتَغْشَىٰ وُجُوهَهُمُ النَّارُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জামা হবে আলকাতরার, আর তাদের চেহারা ঢেকে নেবে আগুন।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জামা হবে দাহ্য আলকাতরার এবং তাদের মুখমন্ডলকে আগুন আচ্ছন্ন করে ফেলবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের পোশাক হবে আলকাতরার* এবং আগুন তাদের চেহারাসমূহকে ঢেকে ফেলবে। * قطران হচ্ছে এমন আলকাতরা, যাতে দ্রুত আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠে।

Arabic, with marks

لِيَجْزِيَ اللَّهُ كُلَّ نَفْسٍ مَّا كَسَبَتْ ۚ إِنَّ اللَّهَ سَرِيعُ الْحِسَابِ

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা এ জন্যে হবে, যাতে করে প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কর্মফল দিয়ে দেন। নিশ্চয়ই দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের প্রতিদান দেন। নিশ্চয় দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা এ জন্য যে, প্রত্যেকের কৃতকর্মের প্রতিফল দিবেন, হিসাব গ্রহণে তৎপর।

Arabic, with marks

هَٰذَا بَلَاغٌ لِّلنَّاسِ وَلِيُنذَرُوا بِهِ وَلِيَعْلَمُوا أَنَّمَا هُوَ إِلَٰهٌ وَاحِدٌ وَلِيَذَّكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি (এ কুরআন) মানুষের জন্যে একটি বার্তা, যাতে করে এর মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করা যায় এবং মানুষ জানতে পারে যে, নিশ্চয়ই তিনি একমাত্র ইলাহ্, আর যেনো বুঝ বুদ্ধি সম্পন্ন লোকেরা উপদেশ গ্রহণ করে।

মুহিউদ্দীন খান

এটা মানুষের একটি সংবাদনামা এবং যাতে এতদ্বারা ভীত হয় এবং যাতে জেনে নেয় যে, উপাস্য তিনিই - একক; এবং যাতে বুদ্ধিমানরা চিন্তা - ভাবনা করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা মানুষের জন্য পয়গাম। আর যা দ্বারা তাদেরকে সতর্ক করা হয় এবং তারা জানতে পারে যে, তিনি কেবল এক , আর যাতে বুদ্ধিমানরা উপদেশ গ্রহণ করে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme