الحجر , choose another chapter
الحجر
Chapter 15, 99 verses
Arabic, with marks
আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
Add book
List
Grid
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ الر ۚ تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ وَقُرْآنٍ مُّبِينٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১ আলিফ - লাম - রা। এগুলো আয়াত আল কিতাব এবং সুস্পষ্ট কুরআনের।
মুহিউদ্দীন খান
১ আলিফ - লা - ম - রা; এগুলো পরিপূর্ণ গ্রন্থ ও সুস্পষ্ট কোরআনের আয়াত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ আলিফ - লাম - রা, এইগুলি আয়াত মহাগ্রন্থের, সুস্পষ্ট কুরআনের।
Arabic, with marks
٢ رُّبَمَا يَوَدُّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ كَانُوا مُسْلِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২ কাফিররাও কখনো কখনো আকাঙ্খা করে, যদি তারা মুসলিম হতো!
মুহিউদ্দীন খান
২ কোন সময় কাফেররা আকাঙ্ক্ষা করবে যে, কি চমৎকার হত, যদি তারা মুসলমান হত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ কখনও কখনও কাফিররা আকাঙ্ক্ষা করিবে যে, তাহারা যদি মুসলিম হইত!
Arabic, with marks
٣ ذَرْهُمْ يَأْكُلُوا وَيَتَمَتَّعُوا وَيُلْهِهِمُ الْأَمَلُ ۖ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ তাদের উপেক্ষা করো: তারা খেতে থাকুক, ভোগ করতে থাকুক এবং তাদের আশা - আকাঙ্খা তাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখুক। অচিরেই তারা জানতে পারবে।
মুহিউদ্দীন খান
৩ আপনি ছেড়ে দিন তাদেরকে, খেয়ে নিক এবং ভোগ করে নিক এবং আশায় ব্যাপৃত থাকুক। অতি সত্বর তারা জেনে নেবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ উহাদেরকে ছাড়, উহারা খাইতে থাকুক, ভোগ করিতে থাকুক এবং আশা উহাদেরকে মোহাচ্ছন্ন রাখুক; অচিরেই উহারা জানিতে পারিবে।
Arabic, with marks
٤ وَمَا أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍ إِلَّا وَلَهَا كِتَابٌ مَّعْلُومٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ আমরা যে কোনো জনপদকেই হালাক করেছি, তার অবশ্যি একটি নির্দিষ্ট মেয়াদকাল রেকর্ড করা ছিলো।
মুহিউদ্দীন খান
৪ আমি কোন জনপদ ধবংস করিনি; কিন্ত তার নির্দিষ্ট সময় লিখিত ছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ আমি যে কোন জনপদকে ধ্বংস করিয়াছি তাহার জন্য ছিল একটি নির্দিষ্ট লিপিবদ্ধ কাল।
Arabic, with marks
٥ مَّا تَسْبِقُ مِنْ أُمَّةٍ أَجَلَهَا وَمَا يَسْتَأْخِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ কোনো উম্মতের (ধ্বংসের) মেয়াদকাল এগিয়েও আসেনা এবং পিছিয়েও যায়না।
মুহিউদ্দীন খান
৫ কোন সম্প্রদায় তার নির্দিষ্ট সময়ের অগ্রে যায় না এবং পশ্চাতে থাকে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ কোন জাতি তাহার নির্দিষ্ট কালকে ত্বরান্নিত করিতে পারে না, বিলম্বিতও করিতে পারে না।
Arabic, with marks
٦ وَقَالُوا يَا أَيُّهَا الَّذِي نُزِّلَ عَلَيْهِ الذِّكْرُ إِنَّكَ لَمَجْنُونٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ তারা বলে: ‘‘হে ঐ ব্যক্তি, যার প্রতি আয - যিকির (আল - কুরআন) নাযিল করা হয়েছে, তুমি অবশ্যি একজন পাগল।
মুহিউদ্দীন খান
৬ তারা বললঃ হে ঐ ব্যক্তি, যার প্রতি কোরআন নাযিল হয়েছে, আপনি তো একজন উম্মাদ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ উহারা বলে, ‘ওহে, যাহার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হইয়াছে! তুমি তো নিশ্চয় উন্মাদ।
Arabic, with marks
٧ لَّوْ مَا تَأْتِينَا بِالْمَلَائِكَةِ إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকলে আমাদের কাছে ফেরেশতা নিয়ে আসোনা কেন?’’
মুহিউদ্দীন খান
৭ যদি আপনি সত্যবাদী হন, তবে আমাদের কাছে ফেরেশতাদেরকে আনেন না কেন?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ ‘তুমি সত্যবাদী হইলে আমাদের নিকট ফিরিশ্তাগণকে উপস্থিত করিতেছ না কেন?’
Arabic, with marks
٨ مَا نُنَزِّلُ الْمَلَائِكَةَ إِلَّا بِالْحَقِّ وَمَا كَانُوا إِذًا مُّنظَرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ আমরা তো বাস্তব পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া ছাড়া ফেরেশতা পাঠাইনা; আর যখনই ফেরেশতা পাঠাই তখন আর তাদের অবকাশ দেয়া হয়না।
মুহিউদ্দীন খান
৮ আমি ফেরেশতাদেরকে একমাত্র ফায়সালার জন্যেই নাযিল করি। তখন তাদেরকে অবকাশ দেয়া হবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ আমি ফিরিশ্তাগণকে প্রেরণ করি না যথার্থ কারণ ব্যতীত; ফিরিশ্তাগণ উপস্থিত হইলে উহারা অবকাশ পাইবে না।
Arabic, with marks
٩ إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ আয - যিকির (আল - কুরআন) আমরাই নাযিল করেছি এবং আমরাই সেটির হিফাযতকারী।
মুহিউদ্দীন খান
৯ আমি স্বয়ং এ উপদেশ গ্রন্থ অবতারণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ আমিই কুরআন অবতীর্ণ করিয়াছি এবং অবশ্য আমিই উহার সংরক্ষক।
Arabic, with marks
١٠ وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ فِي شِيَعِ الْأَوَّلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তোমার আগেকার অনেক সম্প্রদায়ের কাছেই আমরা রসূল পাঠিয়েছিলাম।
মুহিউদ্দীন খান
১০ আমি আপনার পূর্বে পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের মধ্যে রসূল প্রেরণ করেছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ তোমার পূর্বে আমি আগেকার অনেক সম্প্রদায়ের নিকট রাসূল পাঠাইয়াছিলাম।
Arabic, with marks
١١ وَمَا يَأْتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ যখনই তাদের কাছে কোনো রসূল এসেছে তারা (তাকে নিয়ে) বিদ্রূপ করেছে
মুহিউদ্দীন খান
১১ ওদের কাছে এমন কোন রসূল আসেননি, যাদের সাথে ওরা ঠাট্টাবিদ্রূপ করতে থাকেনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ তাহাদের নিকট আসে নাই এমন কোন রাসূল যাহাকে তাহারা ঠাট্টা - বিদ্রপ করিত না।
Arabic, with marks
١٢ كَذَٰلِكَ نَسْلُكُهُ فِي قُلُوبِ الْمُجْرِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ এভাবে আমরা (সর্বকালের) অপরাধীদের অন্তরে তা (কুফুরি ও হঠকারিতা) সঞ্চার করি।
মুহিউদ্দীন খান
১২ এমনিভাবে আমি এ ধরনের আচরণ পাপীদের অন্তরে বদ্ধমূল করে দেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ এইভাবে আমি অপরাধীদের অন্তরে উহা সঞ্চার করি,
Arabic, with marks
١٣ لَا يُؤْمِنُونَ بِهِ ۖ وَقَدْ خَلَتْ سُنَّةُ الْأَوَّلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তারা এর (কুরআনের) প্রতি ঈমান আনেনা। আর অতীতের (অপরাধীদের) সুন্নতও ছিলো এটাই।
মুহিউদ্দীন খান
১৩ ওরা এর প্রতি বিশ্বাস করবে না। পূর্ববর্তীদের এমন রীতি চলে আসছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ ইহারা কুরআনের প্রতি ঈমান আনিবে না এবং অতীতে পূর্ববর্তীদেরও এই আচরণ ছিল।
Arabic, with marks
١٤ وَلَوْ فَتَحْنَا عَلَيْهِم بَابًا مِّنَ السَّمَاءِ فَظَلُّوا فِيهِ يَعْرُجُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ আমরা যদি তাদের জন্যে আসমানের দুয়ারও খুলে দিতাম এবং তারা যদি দিবালোকে তাতে মেরাজ (আরোহণ) করতেও থাকতো,
মুহিউদ্দীন খান
১৪ যদি আমি ওদের সামনে আকাশের কোন দরজাও খুলে দেই আর তাতে ওরা দিনভর আরোহণ ও করতে থাকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ যদি উহাদের জন্য আকাশের দুয়ার খুলিয়া দেই এবং উহারা সারাদিন উহাতে আরোহণ করিতে থাকে,
Arabic, with marks
١٥ لَقَالُوا إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَارُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَّسْحُورُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তখনো তারা বলতো, আমাদের চোখকে সম্মোহিত করা হয়েছে, বরং আমরা জাদুগ্রস্ত লোক।
মুহিউদ্দীন খান
১৫ তবুও ওরা একথাই বলবে যে, আমাদের দৃষ্টির বিভ্রাট ঘটানো হয়েছে না বরং আমরা যাদুগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ তবুও উহারা বলিবে, ‘আমাদের দৃষ্টি সম্মোহিত করা হইয়াছে; না, বরং আমরা এক জাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।’
Arabic, with marks
١٦ وَلَقَدْ جَعَلْنَا فِي السَّمَاءِ بُرُوجًا وَزَيَّنَّاهَا لِلنَّاظِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ আমরা আসমানে বুরুজ (গ্রহ - নক্ষত্র) স্থাপন করেছি এবং সেগুলোকে দর্শকদের জন্যে শোভামন্ডিত করেছি।
মুহিউদ্দীন খান
১৬ নিশ্চয় আমি আকাশে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছি এবং তাকে দর্শকদের জন্যে সুশোভিত করে দিয়েছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ আমি আকাশে গ্রহ - নক্ষত্র সৃষ্টি করিয়াছি এবং উহাকে সুশোভিত করিয়াছি দর্শকদের জন্য;
Arabic, with marks
١٧ وَحَفِظْنَاهَا مِن كُلِّ شَيْطَانٍ رَّجِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ এবং প্রতিটি অভিশপ্ত শয়তান থেকে সেটিকে হিফাযত করেছি।
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আমি আকাশকে প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান থেকে নিরাপদ করে দিয়েছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ এবং প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান হইতে আমি উহাকে রক্ষা করিয়া থাকি;
Arabic, with marks
١٨ إِلَّا مَنِ اسْتَرَقَ السَّمْعَ فَأَتْبَعَهُ شِهَابٌ مُّبِينٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ তবে কেউ যদি চুরি করে সংবাদ শুনতে চায় তার পশ্চাদধাবন করে উজ্জ্বল শিহাব (শিখা)।
মুহিউদ্দীন খান
১৮ কিন্তু যে চুরি করে শুনে পালায়, তার পশ্চাদ্ধাবন করে উজ্জ্বল উল্কাপিন্ড।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ কিন্তু কেহ চুরি করিয়া সংবাদ শুনিতে চাহিলে উহার পশ্চাদ্ধাবন করে প্রদীপ্ত শিখা।
Arabic, with marks
١٩ وَالْأَرْضَ مَدَدْنَاهَا وَأَلْقَيْنَا فِيهَا رَوَاسِيَ وَأَنبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ شَيْءٍ مَّوْزُونٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আর পৃথিবী, আমরা তাকে সমতল করে বিছিয়ে দিয়েছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পাহাড় - পর্বত এবং তাতে উৎপন্ন করেছি প্রতিটি জিনিস ওজন মতো (যথাযথ পরিমাণে)।
মুহিউদ্দীন খান
১৯ আমি ভু - পৃষ্ঠকে বিস্তৃত করেছি এবং তার উপর পর্বতমালা স্থাপন করেছি এবং তাতে প্রত্যেক বস্তু সুপরিমিতভাবে উৎপন্ন করেছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ আর পৃথিবী, উহাকে আমি বিস্তৃত করিয়াছি, উহাতে পর্বতমালা স্থাপন করিয়াছি; এবং আমি উহাতে প্রত্যেক বস্তু উদ্গত করিয়াছি সুপরিমিতভাবে,
Arabic, with marks
٢٠ وَجَعَلْنَا لَكُمْ فِيهَا مَعَايِشَ وَمَن لَّسْتُمْ لَهُ بِرَازِقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ তাতে ব্যবস্থা করে দিয়েছি তোমাদের জীবিকার, এবং তাদের জীবিকারও যাদের জীবিকাদাতা তোমরা নও।
মুহিউদ্দীন খান
২০ আমি তোমাদের জন্যে তাতে জীবিকার উপকরন সৃষ্টি করছি এবং তাদের জন্যেও যাদের অন্নদাতা তোমরা নও।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ এবং উহাতে জীবিকার ব্যবস্থা করিয়াছি তোমাদের জন্য, আর তোমরা যাহাদের জীবিকাদাতা নও তাহাদের জন্যও।
Arabic, with marks
٢١ وَإِن مِّن شَيْءٍ إِلَّا عِندَنَا خَزَائِنُهُ وَمَا نُنَزِّلُهُ إِلَّا بِقَدَرٍ مَّعْلُومٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ এমন কোনো জিনিস নেই, আমাদের কাছে যার ভান্ডার রক্ষিত নেই। আমরা তা নাযিল করি জ্ঞাত নির্দিষ্ট পরিমাণে।
মুহিউদ্দীন খান
২১ আমার কাছে প্রত্যেক বস্তুর ভান্ডার রয়েছে। আমি নির্দিষ্ট পরিমানেই তা অবতরণ করি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ আমারই নিকট আছে প্রত্যেক বস্তুর ভাণ্ডার এবং আমি উহা পরিজ্ঞাত পরিমাণেই সরবরাহ করিয়া থাকি।
Arabic, with marks
٢٢ وَأَرْسَلْنَا الرِّيَاحَ لَوَاقِحَ فَأَنزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَسْقَيْنَاكُمُوهُ وَمَا أَنتُمْ لَهُ بِخَازِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ আর আমরা বর্ষণমুখী মেঘবাহী বাতাস পাঠাই, তারপর আসমান থেকে নাযিল করি পানি এবং তা তোমাদের পান করাই, অথচ তোমরা তো সেই (পানি) ভান্ডারের মালিক নও।
মুহিউদ্দীন খান
২২ আমি বৃষ্টিগর্ভ বায়ু পরিচালনা করি অতঃপর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করি, এরপর তোমাদেরকে তা পান করাই। বস্তুতঃ তোমাদের কাছে এর ভান্ডার নেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ আমি বৃষ্টি - গর্ভ বায়ু প্রেরণ করি, অতঃপর আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করি এবং উহা তোমাদেরকে পান করিতে দেই; আর তোমরা উহার ভাণ্ডার রক্ষক নও।
Arabic, with marks
٢٣ وَإِنَّا لَنَحْنُ نُحْيِي وَنُمِيتُ وَنَحْنُ الْوَارِثُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ আমরাই হায়াত দেই এবং মউত ঘটাই এবং আমরাই ওয়ারিশ (মালিক)।
মুহিউদ্দীন খান
২৩ আমিই জীবনদান করি, মৃত্যুদান করি এবং আমিই চুড়ান্ত মালিকানার অধিকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ আমিই জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই এবং আমিই চূড়ান্ত মালিকানার অধিকারী।
Arabic, with marks
٢٤ وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَقْدِمِينَ مِنكُمْ وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَأْخِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ আমরা তোমাদের বিগতদের জানি এবং যারা আসবে তাদেরও জানি।
মুহিউদ্দীন খান
২৪ আমি জেনে রেখেছি তোমাদের অগ্রগামীদেরকে এবং আমি জেনে রেখেছি পশ্চাদগামীদেরকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ তোমাদের মধ্য হইতে পূর্বে যাহারা গত হইয়াছে আমি তাহাদেরকে জানি এবং পরে যাহারা আসিবে তাহাদেরকেও জানি।
Arabic, with marks
٢٥ وَإِنَّ رَبَّكَ هُوَ يَحْشُرُهُمْ ۚ إِنَّهُ حَكِيمٌ عَلِيمٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ নিশ্চয়ই তোমার প্রভু তাদের সবার হাশর করবেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী।
মুহিউদ্দীন খান
২৫ আপনার পালনকর্তাই তাদেরকে একত্রিত করে আনবেন। নিশ্চয় তিনি প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানময়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ তোমার প্রতিপালকই উহাদেরকে সমবেত করিবেন; তিনি তো প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।
Arabic, with marks
٢٦ وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ আমরা সৃষ্টি করেছি মানুষকে গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।
মুহিউদ্দীন খান
২৬ আমি মানবকে পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুস্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ আমি তো মানুষ সৃষ্টি করিয়াছি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্ঠনা মৃত্তিকা হইতে,
Arabic, with marks
٢٧ وَالْجَانَّ خَلَقْنَاهُ مِن قَبْلُ مِن نَّارِ السَّمُومِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ আর তাদের আগে আমরা জিনদের সৃষ্টি করেছি শিখাযুক্ত আগুন থেকে।
মুহিউদ্দীন খান
২৭ এবং জিনকে এর আগে লু এর আগুনের দ্বারা সৃজিত করেছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ এবং ইহার পূর্বে সৃষ্টি করিয়াছি জিন অত্যুষ্ণ অগ্নি হইতে।
Arabic, with marks
٢٨ وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَائِكَةِ إِنِّي خَالِقٌ بَشَرًا مِّن صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ (স্মরণ করো,) যখন তোমার প্রভু ফেরেশতাদের বলেছিলেন, আমি মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।
মুহিউদ্দীন খান
২৮ আর আপনার পালনকর্তা যখন ফেরেশতাদেরকে বললেনঃ আমি পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুষ্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্ট একটি মানব জাতির পত্তন করব।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক ফিরিশ্তাগণকে বলিলেন, ‘আমি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্ঠনা মৃত্তিকা হইতে মানুষ সৃষ্টি করিতেছি;
Arabic, with marks
٢٩ فَإِذَا سَوَّيْتُهُ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِن رُّوحِي فَقَعُوا لَهُ سَاجِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ আমি যখন তাকে সুগঠিত করবো এবং আমার পক্ষ থেকে তাতে রূহ সঞ্চার করে দেবো, তখন তোমরা তার প্রতি সাজদায় নুয়ে পড়বে।
মুহিউদ্দীন খান
২৯ অতঃপর যখন তাকে ঠিকঠাক করে নেব এবং তাতে আমার রূহ থেকে ফঁুক দেব, তখন তোমরা তার সামনে সেজদায় পড়ে যেয়ো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ ‘যখন আমি উহাকে সুঠাম করিব এবং উহাতে আমার পক্ষ হইতে রূহ্ সঞ্চার করিব তখন তোমরা উহার প্রতি সিজ্দাবনত হইও’,
Arabic, with marks
٣٠ فَسَجَدَ الْمَلَائِكَةُ كُلُّهُمْ أَجْمَعُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ ফলে ফেরেশতারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে সাজদা করে।
মুহিউদ্দীন খান
৩০ তখন ফেরেশতারা সবাই মিলে সেজদা করল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ তখন ফিরিশ্তাগণ সকলেই একত্রে সিজ্দা করিল,
Arabic, with marks
٣١ إِلَّا إِبْلِيسَ أَبَىٰ أَن يَكُونَ مَعَ السَّاجِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ তবে করেনি শুধু ইবলিস। সে সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত হতে অস্বীকার করে।
মুহিউদ্দীন খান
৩১ কিন্তু ইবলীস - সে সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হতে স্বীকৃত হল না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ ইবলীস ব্যতীত, সে সিজ্দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হইতে অস্বীকার করিল।
Arabic, with marks
٣٢ قَالَ يَا إِبْلِيسُ مَا لَكَ أَلَّا تَكُونَ مَعَ السَّاجِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আল্লাহ বললেন: ‘হে ইবলিস! তোর কী হয়েছে, তুই কেন সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত হইস্নি?’
মুহিউদ্দীন খান
৩২ আল্লাহ বললেনঃ হে ইবলিস, তোমার কি হলো যে তুমি সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হতে স্বীকৃত হলে না?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩২ আল্লাহ্ বলিলেন, ‘হে ইব্লিস তোমার কি হইল যে, তুমি সিজ্দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হইলে না?’
Arabic, with marks
٣٣ قَالَ لَمْ أَكُن لِّأَسْجُدَ لِبَشَرٍ خَلَقْتَهُ مِن صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ সে বললো: ‘‘আমি তো এমন একজনকে সাজদা করতে পারিনা, যাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।’
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ বললঃ আমি এমন নই যে, একজন মানবকে সেজদা করব, যাকে আপনি পচা কর্দম থেকে তৈরী ঠনঠনে বিশুষ্ক মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৩ সে বলিল, ‘আপনি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্ঠনা মৃত্তিকা হইতে যে মানুষ সৃষ্টি করিয়াছেন আমি তাহাকে সিজ্দা করিবার নহি।’
Arabic, with marks
٣٤ قَالَ فَاخْرُجْ مِنْهَا فَإِنَّكَ رَجِيمٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ তিনি বললেন: ‘‘তুই ওখান থেকে বেরিয়ে যা, কারণ তুই অভিশপ্ত।
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ আল্লাহ বললেনঃ তবে তুমি এখান থেকে বের হয়ে যাও। তুমি বিতাড়িত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৪ তিনি বলিলেন, ‘তবে তুমি এখান হইতে বাহির হইয়া যাও, কারণ তুমি তো অভিশপ্ত;
Arabic, with marks
٣٥ وَإِنَّ عَلَيْكَ اللَّعْنَةَ إِلَىٰ يَوْمِ الدِّينِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ প্রতিদান দিবস পর্যন্ত বর্ষিত হবে তোর উপর লা’নত।’’
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ এবং তোমার প্রতি ন্যায় বিচারের দিন পর্যন্ত অভিসম্পাত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৫ ‘এবং কর্মফল দিবস পর্যন্ত অবশ্যই তোমার প্রতি রহিল লা‘নত।’
Arabic, with marks
٣٦ قَالَ رَبِّ فَأَنظِرْنِي إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ সে বললো: ‘প্রভু! আমাকে অবকাশ দিন পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।’
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি আমাকে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবকাশ দিন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৬ সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত আমাকে অবকাশ দিন।’
Arabic, with marks
٣٧ قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ الْمُنظَرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ তিনি বললেন: ‘‘যা, তুই তাদের অন্তরভুক্ত যাদের অবকাশ দেয়া হয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ আল্লাহ বললেনঃ তোমাকে অবকাশ দেয়া হল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৭ তিনি বলিলেন, ‘যাহাদেরকে অবকাশ দেওয়া হইয়াছে তুমি তাহাদের অন্তর্ভুক্ত হইলে,
Arabic, with marks
٣٨ إِلَىٰ يَوْمِ الْوَقْتِ الْمَعْلُومِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ অবধারিত সময়টির (কিয়ামত) আগমন পর্যন্ত।’’
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ সেই অবধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৮ ‘অবধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।’
Arabic, with marks
٣٩ قَالَ رَبِّ بِمَا أَغْوَيْتَنِي لَأُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِي الْأَرْضِ وَلَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ সে বললো: ‘‘প্রভু! যেহেতু আপনি আমাকে বিপথগামী করেছেন, সে জন্যে আমি পৃথিবীতে তাদের (মানুষের) জন্যে বিপথগামিতাকে চাকচিক্যময় করে তুলবো এবং তাদের সবাইকে বিপথগামী করে ছাড়বো।
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ সে বললঃ হে আমার পলনকর্তা, আপনি যেমন আমাকে পথ ভ্রষ্ট করেছেন, আমিও তাদের সবাইকে পৃথিবীতে নানা সৌন্দর্যে আকৃষ্ট করব এবং তাদের সবাইকে পথ ভ্রষ্ঠ করে দেব।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৯ সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আপনি যে আমাকে বিপথগামী করিলেন তজ্জন্য আমি পৃথিবীতে মানুষের নিকট পাপকর্মকে অবশ্যই শোভন করিয়া তুলিব এবং আমি উহাদের সকলকেই বিপথগামী করিব,
Arabic, with marks
٤٠ إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ তবে তাদের মধ্যকার আপনার মুখলেস বান্দাদের কথা ভিন্ন।’’
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আপনার মনোনীত বান্দাদের ব্যতীত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪০ ‘তবে উহাদের মধ্যে আপনার নির্বাচিত বান্দাগণ ব্যতীত।’
Arabic, with marks
٤١ قَالَ هَٰذَا صِرَاطٌ عَلَيَّ مُسْتَقِيمٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ আল্লাহ্ বললেন: ‘‘এটাই আমার কাছে পৌঁছার সরল সঠিক পথ।
মুহিউদ্দীন খান
৪১ আল্লাহ বললেনঃ এটা আমা পর্যন্ত সোজা পথ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪১ আল্লাহ্ বলিলেন, ‘ইহাই আমার নিকট পৌঁছিবার সরল পথ,
Arabic, with marks
٤٢ إِنَّ عِبَادِي لَيْسَ لَكَ عَلَيْهِمْ سُلْطَانٌ إِلَّا مَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْغَاوِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ আমার দাসদের উপর তোর কোনো কর্তৃত্ব খাটবেনা, তবে বিভ্রান্তদের যারা তোর অনুসরণ করবে তাদের কথা ভিন্ন।
মুহিউদ্দীন খান
৪২ যারা আমার বান্দা, তাদের উপর তোমার কোন ক্ষমতা নেই; কিন্তু পথভ্রান্তদের মধ্য থেকে যারা তোমার পথে চলে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪২ ‘বিভ্রান্তদের মধ্যে যাহারা তোমার অনুসরণ করিবে তাহারা ব্যতীত আমার বান্দাদের উপর তোমার কোনই ক্ষমতা থাকিবে না;
Arabic, with marks
٤٣ وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمَوْعِدُهُمْ أَجْمَعِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ অবশ্যি তাদের সবার প্রতিশ্রুত স্থান হলো জাহান্নাম।
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ তাদের সবার নির্ধারিত স্থান হচ্ছে জাহান্নাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৩ ‘অবশ্যই জাহান্নাম তাহাদের সকলেরই প্রতিশ্রুত স্থান,
Arabic, with marks
٤٤ لَهَا سَبْعَةُ أَبْوَابٍ لِّكُلِّ بَابٍ مِّنْهُمْ جُزْءٌ مَّقْسُومٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ তার আছে সাতটি দরজা, প্রত্যেক দরজার জন্যে তাদের একটি অংশ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ এর সাতটি দরজা আছে। প্রত্যেক দরজার জন্যে এক একটি পৃথক দল আছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৪ ‘উহার সাতটি দরজা আছে, প্রত্যেক দরজার জন্য পৃথক পৃথক শ্রেণী আছে।’
Arabic, with marks
٤٥ إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ অবশ্যি মুত্তাকিরা থাকবে উদ্যানসমূহ এবং ঝরণাধারা সমূহের মধ্যে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ নিশ্চয় খোদাভীরুরা বাগান ও নির্ঝরিনীসহূহে থাকবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৫ মুত্তাকীরা থাকিবে জান্নাতে ও প্রস্রবণসমূহের মধ্যে।
Arabic, with marks
٤٦ ادْخُلُوهَا بِسَلَامٍ آمِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তাদের বলা হবে: ‘দাখিল হও শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে।’
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ বলা হবেঃ এগুলোতে নিরাপত্তা ও শান্তি সহকরে প্রবেশ কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৬ তাহাদেরকে বলা হইবে, ‘তোমরা শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে উহাতে প্রবেশ কর।’
Arabic, with marks
٤٧ وَنَزَعْنَا مَا فِي صُدُورِهِم مِّنْ غِلٍّ إِخْوَانًا عَلَىٰ سُرُرٍ مُّتَقَابِلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ তাদের অন্তরে পরস্পরের জন্যে কোনো বিদ্বেষ থাকলে তা আমরা দূর করে দেবো, তারা পরস্পর মুখোমুখি হয়ে আসন গ্রহণ করবে ভাই ভাই হিসেবে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ তাদের অন্তরে যে ক্রোধ ছিল, আমি তা দূর করে দেব। তারা ভাই ভাইয়ের মত সামনা - সামনি আসনে বসবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৭ আমি তাহাদের অন্তর হইতে বিদ্বেষ দূর করিব; তাহারা ভ্রাতৃভাবে পরস্পর মুখোমুখি হইয়া আসনে অবস্থান করিবে,
Arabic, with marks
٤٨ لَا يَمَسُّهُمْ فِيهَا نَصَبٌ وَمَا هُم مِّنْهَا بِمُخْرَجِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ সেখানে তাদের স্পর্শ করবেনা কোনো অবসাদ এবং সেখান থেকে তাদের বের করেও দেয়া হবেনা।
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ সেখানে তাদের মোটেই কষ্ট হবে না এবং তারা সেখান থেকে বহিস্কৃত হবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৮ সেখানে তাহাদেরকে অবসাদ স্পর্শ করিবে না এবং তাহারা সেই স্থান হইতে বহিষ্কৃতও হইবে না।
Arabic, with marks
٤٩ ۞ نَبِّئْ عِبَادِي أَنِّي أَنَا الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ আমার দাসদের সংবাদ দাও, নিশ্চয়ই আমি মহাক্ষমাশীল, মহাদয়াময়।
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ আপনি আমার বান্দাদেরকে জানিয়ে দিন যে, আমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল দয়ালু।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৯ আমার বান্দাদেরকে বলিয়া দাও যে, আমি তো পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু,
Arabic, with marks
٥٠ وَأَنَّ عَذَابِي هُوَ الْعَذَابُ الْأَلِيمُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ আর আমার আযাব, তাও বেদনাদায়ক আযাব।
মুহিউদ্দীন খান
৫০ এবং ইহাও যে, আমার শাস্তিই যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫০ এবং আমার শাস্তি - উহা অতি মর্মন্তুদ শাস্তি!
Arabic, with marks
٥١ وَنَبِّئْهُمْ عَن ضَيْفِ إِبْرَاهِيمَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ তাদের আরো সংবাদ দাও ইবরাহিমের মেহমানদের সম্পর্কে।
মুহিউদ্দীন খান
৫১ আপনি তাদেরকে ইব্রাহীমের মেহমানদের অবস্থা শুনিয়ে দিন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫১ আর উহাদেরকে বল, ইব্রাহীমের অতিথিদের কথা,
Arabic, with marks
٥٢ إِذْ دَخَلُوا عَلَيْهِ فَقَالُوا سَلَامًا قَالَ إِنَّا مِنكُمْ وَجِلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ তারা যখন তার কাছে প্রবেশ করেছিল, বলেছিল: ‘সালাম’। সে বলেছিল: ‘আমরা আপনাদের আগমনে আতংকিত।’
মুহিউদ্দীন খান
৫২ যখন তারা তাঁর গৃহে আগমন করল এবং বললঃ সালাম। তিনি বললেনঃ আমরা তোমাদের ব্যাপারে ভীত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫২ যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, ‘সালাম’, তখন সে বলিয়াছিল, ‘আমরা তো তোমাদের আগমনে আতঙ্কিত।’
Arabic, with marks
٥٣ قَالُوا لَا تَوْجَلْ إِنَّا نُبَشِّرُكَ بِغُلَامٍ عَلِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ তখন তারা বলেছিল: ‘আপনি আতংকিত হবেন না, আমরা আপনাকে সুসংবাদ দিচ্ছি এক জ্ঞানী পুত্রের।’
মুহিউদ্দীন খান
৫৩ তারা বললঃ ভয় করবেন না। আমরা আপনাকে একজন জ্ঞানবান ছেলে - সন্তানের সুসংবাদ দিচ্ছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৩ উহারা বলিল, ‘ভয় করিও না, আমরা তো তোমাকে এক জ্ঞানী পুত্রের শুভ সংবাদ দিতেছি।’
Arabic, with marks
٥٤ قَالَ أَبَشَّرْتُمُونِي عَلَىٰ أَن مَّسَّنِيَ الْكِبَرُ فَبِمَ تُبَشِّرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ সে বলেছিল: ‘আপনারা আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন আমি বার্ধক্যে উপনীত হওয়া সত্ত্বেও। আপনারা কীভাবে সুসংবাদ দিচ্ছেন?’
মুহিউদ্দীন খান
৫৪ তিনি বললেনঃ তোমরা কি আমাকে এমতাবস্থায় সুসংবাদ দিচ্ছ, যখন আমি বার্ধক্যে পৌছে গেছি ?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৪ সে বলিল, ‘তোমরা কি আমাকে শুভ সংবাদ দিতেছ আমি বার্ধক্যগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও? তোমরা কী বিষয়ে শুভ সংবাদ দিতেছ?’
Arabic, with marks
٥٥ قَالُوا بَشَّرْنَاكَ بِالْحَقِّ فَلَا تَكُن مِّنَ الْقَانِطِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ তারা বলেছিল: ‘আমাদের দেয়া সুসংবাদ সত্য। আপনি নিরাশ হবেন না।’
মুহিউদ্দীন খান
৫৫ তারা বললঃ আমরা আপনাকে সত্য সু - সংবাদ দিচ্ছি! অতএব আপনি নিরাশ হবেন না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৫ উহারা বলিল, ‘আমরা তোমাকে সত্য সংবাদ দিতেছি; সুতরাং তুমি হতাশ হইও না।’
Arabic, with marks
٥٦ قَالَ وَمَن يَقْنَطُ مِن رَّحْمَةِ رَبِّهِ إِلَّا الضَّالُّونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৬ সে বলেছিল: ‘বিভ্রান্তরা ছাড়া কে নিরাশ হয় তার প্রভুর রহমত থেকে?’
মুহিউদ্দীন খান
৫৬ তিনি বললেনঃ পালনকর্তার রহমত থেকে পথভ্রষ্টরা ছাড়া কে নিরাশ হয় ?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৬ সে বলিল, ‘যাহারা পথভ্রষ্ট তাহারা ব্যতীত আর কে তাহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ হইতে হতাশ হয়?’
Arabic, with marks
٥٧ قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا الْمُرْسَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৭ তারপর সে বললো: ‘(হে ফেরেশতারা!) আপনাদের আর কী বক্তব্য?’
মুহিউদ্দীন খান
৫৭ তিনি বললেনঃ অতঃপর তোমাদের প্রধান উদ্দেশ্য কি হে আল্লাহর প্রেরিতগণ ?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৭ সে বলিল, ‘হে ফিরিশ্তাগণ! তোমাদের আর বিশেষ কি কাজ আছে?’
Arabic, with marks
٥٨ قَالُوا إِنَّا أُرْسِلْنَا إِلَىٰ قَوْمٍ مُّجْرِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮ তারা বললো: ‘‘আমরা প্রেরিত হয়েছি এক অপরাধী কওমের প্রতি,
মুহিউদ্দীন খান
৫৮ তারা বললঃ আমরা একটি অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৮ উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রেরণ করা হইয়াছে -
Arabic, with marks
٥٩ إِلَّا آلَ لُوطٍ إِنَّا لَمُنَجُّوهُمْ أَجْمَعِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৯ তবে, লুতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা তাদের সবাইকে নাজাত দেবো।
মুহিউদ্দীন খান
৫৯ কিন্তু লূতের পরিবার - পরিজন। আমরা অবশ্যই তাদের সবাইকে বাঁচিয়ে নেব।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৯ ‘তবে লূতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা অবশ্যই ইহাদের সকলকে রক্ষা করিব,
Arabic, with marks
٦٠ إِلَّا امْرَأَتَهُ قَدَّرْنَا ۙ إِنَّهَا لَمِنَ الْغَابِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬০ কিন্তু তাঁর (লুতের) স্ত্রীকে নয়। আমরা নিশ্চিত হয়েছি, সে ধবংস হবার জন্যে পেছনে পড়ে থাকাদের অন্তরভুক্ত হবে।’’
মুহিউদ্দীন খান
৬০ তবে তার স্ত্রী। আমরা স্থির করেছি যে, সে থেকে যাওয়াদের দলভূক্ত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬০ ‘কিন্তু তাহার স্ত্রীকে নহে; আমরা স্থির করিয়াছি যে, সে অবশ্যই পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।’
Arabic, with marks
٦١ فَلَمَّا جَاءَ آلَ لُوطٍ الْمُرْسَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬১ অত:পর ফেরেশতারা যখন লুত পরিবারে এসে উপস্থিত হলো।
মুহিউদ্দীন খান
৬১ অতঃপর যখন প্রেরিতরা লূতের গৃহে পৌছল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬১ ফিরিশ্তাগণ যখন লূত - পরিবারের নিকট আসিল,
Arabic, with marks
٦٢ قَالَ إِنَّكُمْ قَوْمٌ مُّنكَرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬২ সে (লুত) বললো: ‘আপনাদের তো চিনতে পারছিনা?’
মুহিউদ্দীন খান
৬২ তিনি বললেনঃ তোমরা তো অপরিচিত লোক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬২ তখন লূত বলিল, ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক।’
Arabic, with marks
٦٣ قَالُوا بَلْ جِئْنَاكَ بِمَا كَانُوا فِيهِ يَمْتَرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৩ তারা বললো: ‘‘তারা (আপনার জাতি) যে বিষয়ে সন্দেহ করছে আমরা আপনার কাছে তাই নিয়ে এসেছি।
মুহিউদ্দীন খান
৬৩ তারা বললঃ না বরং আমরা আপনার কাছে ঐ বস্তু নিয়ে এসেছি, যে সম্পর্কে তারা বিবাদ করত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬৩ তাহারা বলিল, ‘না, উহারা যে বিষয়ে সন্দিগ্ধ ছিল আমরা তোমার নিকট তাহাই লইয়া আসিয়াছি;
Arabic, with marks
٦٤ وَأَتَيْنَاكَ بِالْحَقِّ وَإِنَّا لَصَادِقُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৪ আমরা সত্য সংবাদ নিয়ে এসেছি এবং অবশ্যি আমরা সত্যবাদী।
মুহিউদ্দীন খান
৬৪ এবং আমরা আপনার কাছে সত্য বিষয় নিয়ে এসেছি এবং আমরা সত্যবাদী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬৪ ‘আমরা তোমার নিকট সত্য সংবাদ লইয়া আসিয়াছি এবং অবশ্যই আমরা সত্যবাদী;
Arabic, with marks
٦٥ فَأَسْرِ بِأَهْلِكَ بِقِطْعٍ مِّنَ اللَّيْلِ وَاتَّبِعْ أَدْبَارَهُمْ وَلَا يَلْتَفِتْ مِنكُمْ أَحَدٌ وَامْضُوا حَيْثُ تُؤْمَرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৫ সুতরাং আপনি রাতের কোনো এক সময় আপনার পরিবার - পরিজনকে নিয়ে বের হয়ে পড়ুন। আপনি তাদের পেছনে চলুন এবং আপনাদের কেউই যেনো পেছনে ফিরে না তাকায়। আপনাদেরকে যেখানে বলা হয়েছে সেখানে চলে যান।’’
মুহিউদ্দীন খান
৬৫ অতএব আপনি শেষরাত্রে পরিবারের সকলকে নিয়ে চলে যান এবং আপনি তাদের পশ্চাদনুসরণ করবেন না এবং আপনাদের মধ্যে কেউ যেন পিছন ফিরে না দেখে। আপনারা যেখানে আদেশ প্রাপ্ত হচ্ছেন সেখানে যান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬৫ ‘সুতরাং তুমি রাত্রির কোন এক সময়ে তোমার পরিবারবর্গসহ বাহির হইয়া পড় এবং তুমি তাহাদের পশ্চাদনুসরণ কর এবং তোমাদের মধ্যে কেহ যেন পিছন দিকে না তাকায়; তোমাদেরকে যেখানে যাইতে বলা হইতেছে তোমরা সেখানে চলিয়া যাও।’
Arabic, with marks
٦٦ وَقَضَيْنَا إِلَيْهِ ذَٰلِكَ الْأَمْرَ أَنَّ دَابِرَ هَٰؤُلَاءِ مَقْطُوعٌ مُّصْبِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৬ আমরা তাকে ফায়সালা জানিয়ে দিলাম যে, প্রভাতেই তাদের শিকড় কেটে দেয়া হবে (সমূলে বিনাশ করা হবে)।
মুহিউদ্দীন খান
৬৬ আমি লূতকে এ বিষয় পরিজ্ঞাত করে দেই যে, সকাল হলেই তাদেরকে সমুলে বিনাশ করে দেয়া হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬৬ আমি তাহাকে এই বিষয়ে ফায়সালা জানাইয়া দিলাম যে, প্রত্যূষে উহাদেরকে সমূলে বিনাশ করা হইবে।
Arabic, with marks
٦٧ وَجَاءَ أَهْلُ الْمَدِينَةِ يَسْتَبْشِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৭ নগরবাসীরা (মেহমান আগমনের সংবাদে) উল্লসিত হয়ে (লুতের বাড়িতে) এসে উপস্থিত হয়।
মুহিউদ্দীন খান
৬৭ শহরবাসীরা আনন্দ - উল্লাস করতে করতে পৌছল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬৭ নগরবাসিগন উল্লসিত হইয়া উপস্থিত হইল।
Arabic, with marks
٦٨ قَالَ إِنَّ هَٰؤُلَاءِ ضَيْفِي فَلَا تَفْضَحُونِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৮ সে বললো: ‘‘এরা আমার মেহমান, তোমরা আমাকে বেইজ্জতি করোনা।
মুহিউদ্দীন খান
৬৮ লূত বললেনঃ তারা আমার মেহমান। অতএব আমাকে লাঞ্ছিত করো না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬৮ সে বলিল, ‘উহারা আমার অতিথি; সুতরাং তোমরা আমাকে বেইয্যত করিও না।
Arabic, with marks
٦٩ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَلَا تُخْزُونِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৯ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, আমাকে অপমানিত করোনা।’’
মুহিউদ্দীন খান
৬৯ তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার ইযযত নষ্ট করো না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬৯ ‘তোমরা আল্লাহ্ কে ভয় কর ও আমাকে হেয় করিও না।’
Arabic, with marks
٧٠ قَالُوا أَوَلَمْ نَنْهَكَ عَنِ الْعَالَمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭০ তারা বললো: আমরা কি জগতবাসীকে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করিনি?
মুহিউদ্দীন খান
৭০ তার বললঃ আমরা কি আপনাকে জগৎদ্বাসীর সমর্থন করতে নিষেধ করিনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭০ উহারা বলিল, ‘আমরা কি দুনিয়াসুদ্ধ লোককে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করি নাই?’
Arabic, with marks
٧١ قَالَ هَٰؤُلَاءِ بَنَاتِي إِن كُنتُمْ فَاعِلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭১ লুত বললো: এই যে আমার (জাতির) কন্যারা রয়েছে, তোমরা কিছু করতে চাইলে তাদের বিয়ে করে নাও।
মুহিউদ্দীন খান
৭১ তিনি বললেনঃ যদি তোমরা একান্ত কিছু করতেই চাও, তবে আমার কন্যারা উপস্থিত আছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭১ লূত বলিল, ‘একান্তই যদি তোমরা কিছু করিতে চাও তবে আমার এই কন্যাগণ রহিয়াছে।’
Arabic, with marks
٧٢ لَعَمْرُكَ إِنَّهُمْ لَفِي سَكْرَتِهِمْ يَعْمَهُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭২ তোমার জীবনের শপথ, তারা তখন উন্মত্ততায় উদ্ভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল।
মুহিউদ্দীন খান
৭২ আপনার প্রাণের কসম, তারা আপন নেশায় প্রমত্ত ছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭২ তোমার জীবনের শপথ, উহারা তো মত্ততায় বিমূঢ় হইয়াছে।
Arabic, with marks
٧٣ فَأَخَذَتْهُمُ الصَّيْحَةُ مُشْرِقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৩ তারপর সূর্যোদয়ের সময় তাদের পাকড়াও করে বিকটধ্বনি।
মুহিউদ্দীন খান
৭৩ অতঃপর সুর্যোদয়ের সময় তাদেরকে প্রচন্ড একটি শব্দ এসে পাকড়াও করল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭৩ অতঃপর সূর্যোদয়ের সময়ে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল;
Arabic, with marks
٧٤ فَجَعَلْنَا عَالِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِمْ حِجَارَةً مِّن سِجِّيلٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৪ তখন আমরা (লুত জাতির) জনপদের উপরের দিক নিচে করে উল্টে দিয়েছি এবং তাদের উপর অবিরাম বর্ষণ করেছি পাথরের কংকর।
মুহিউদ্দীন খান
৭৪ অতঃপর আমি জনপদটিকে উল্টে দিলাম এবং তাদের উপর কঙ্করের প্রস্থর বর্ষণ করলাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭৪ আর আমি জনপদকে উল্টাইয়া উপর নীচ করিয়া দিলাম এবং উহাদের উপর প্রস্তর - কংকর বর্ষণ করিলাম।
Arabic, with marks
٧٥ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّلْمُتَوَسِّمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৫ বিশ্লেষণ শক্তিসম্পন্ন লোকদের জন্যে এতে রয়েছে নিদর্শন।
মুহিউদ্দীন খান
৭৫ নিশ্চয় এতে চিন্তাশীলদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭৫ অবশ্যই ইহাতে নিদর্শন রহিয়াছে পর্যবেক্ষণ - শক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য।
Arabic, with marks
٧٦ وَإِنَّهَا لَبِسَبِيلٍ مُّقِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৬ সেই বিরান জনপদ লোক চলাচলের পথপাশে এখনো বিদ্যমান।
মুহিউদ্দীন খান
৭৬ জনপদটি সোজা পথে অবস্থিত রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭৬ উহা তো লোক চলাচলের পথিপার্শ্বে এখনও বিদ্যমান।
Arabic, with marks
٧٧ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً لِّلْمُؤْمِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৭ মুমিনদের জন্যে তাতে রয়েছে এক নিদর্শন।
মুহিউদ্দীন খান
৭৭ নিশ্চয় এতে ঈমানদারদের জন্যে নিদর্শণ আছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭৭ অবশ্যই ইহাতে মু’মিনদের জন্য রহিয়াছে নিদর্শন।
Arabic, with marks
٧٨ وَإِن كَانَ أَصْحَابُ الْأَيْكَةِ لَظَالِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৮ আর আইকাবাসীরাও ছিলো সীমালংঘনকারী।
মুহিউদ্দীন খান
৭৮ নিশ্চয় গহীন বনের অধিবাসীরা পাপী ছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭৮ আর ‘আয়কা’বাসীরাও তো ছিল সীমালংঘনকারী,
Arabic, with marks
٧٩ فَانتَقَمْنَا مِنْهُمْ وَإِنَّهُمَا لَبِإِمَامٍ مُّبِينٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৯ তাদের থেকেও আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি। উভয় বিরানভূমিই প্রকাশ্য মহাসড়কের পাশে এখনো বিদ্যমান।
মুহিউদ্দীন খান
৭৯ অতঃপর আমি তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিয়েছি। উভয় বস্তি প্রকাশ্য রাস্তার উপর অবস্থিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭৯ সুতরাং আমি উহাদেরকে শাস্তি দিয়াছি, অবশ্য উভয়টিই প্রকাশ্য পথিপার্শ্বে অবস্থিত।
Arabic, with marks
٨٠ وَلَقَدْ كَذَّبَ أَصْحَابُ الْحِجْرِ الْمُرْسَلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮০ হিজরবাসীরাও রসূলদের মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
৮০ নিশ্চয় হিজরের বাসিন্দারা পয়গম্বরগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮০ হিজরবাসিগণও রাসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিয়াছিল;
Arabic, with marks
٨١ وَآتَيْنَاهُمْ آيَاتِنَا فَكَانُوا عَنْهَا مُعْرِضِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮১ আমরা তাদের দিয়েছিলাম আমাদের নিদর্শনসমূহ, কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
৮১ আমি তাদেরকে নিজের নিদর্শনাবলী দিয়েছি। অতঃপর তারা এগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮১ আমি উহাদেরকে আমার নিদর্শন দিয়াছিলাম, কিন্তু উহারা তাহা উপেক্ষা করিয়াছিল।
Arabic, with marks
٨٢ وَكَانُوا يَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا آمِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮২ তারা পাহাড় কেটে বাসস্থান নির্মাণ করেছিল নিরাপদ থাকার জন্যে।
মুহিউদ্দীন খান
৮২ তারা পাহাড়ে নিশ্চিন্তে ঘর খোদাই করত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮২ উহারা পাহাড় কাটিয়া গৃহ নির্মাণ করিত নিরাপদ বাসের জন্য।
Arabic, with marks
٨٣ فَأَخَذَتْهُمُ الصَّيْحَةُ مُصْبِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৩ তাদেরকেও প্রভাতকালেই আঘাত করেছিল এক মহাবিকট শব্দ।
মুহিউদ্দীন খান
৮৩ অতঃপর এক প্রত্যুষে তাদের উপর একটা শব্দ এসে আঘাত করল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮৩ অতঃপর প্রভাতকালে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল।
Arabic, with marks
٨٤ فَمَا أَغْنَىٰ عَنْهُم مَّا كَانُوا يَكْسِبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৪ তাদের অর্জনসমূহ তাদের কোনো উপকারই করতে পারেনি।
মুহিউদ্দীন খান
৮৪ তখন কোন উপকারে আসল না যা তারা উপার্জন করেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮৪ সুতরাং উহারা যাহা অর্জন করিত তাহা উহাদের কোন কাজে আসে নাই।
Arabic, with marks
٨٥ وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا إِلَّا بِالْحَقِّ ۗ وَإِنَّ السَّاعَةَ لَآتِيَةٌ ۖ فَاصْفَحِ الصَّفْحَ الْجَمِيلَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৫ মহাকাশ আর পৃথিবী এবং এই দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সবই আমরা সৃষ্টি করেছি বাস্তবতার ভিত্তিতে। কিয়ামত অবশ্যি আসবে। তাই তুমি সুন্দর সৌজন্যবোধের সাথে তাদের উপেক্ষা করো।
মুহিউদ্দীন খান
৮৫ আমি নভোমন্ডল, ভুমন্ডল এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী যা আছে তা তাৎপর্যহীন সৃষ্টি করিনি। কেয়ামত অবশ্যই আসবে। অতএব পরম ঔদাসীন্যের সাথে ওদের ক্রিয়াকর্ম উপক্ষো করুন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮৫ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী কোন কিছুই আমি অযথা সৃষ্টি করি নাই এবং কিয়ামত অবশ্যম্ভাবী। সুতরাং তুমি পরম সৌজন্যের সঙ্গে উহাদেরকে ক্ষমা কর।
Arabic, with marks
٨٦ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ الْخَلَّاقُ الْعَلِيمُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৬ নিশ্চয়ই তোমার রব মহাস্রষ্টা, অতীব জ্ঞানী।
মুহিউদ্দীন খান
৮৬ নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই স্রষ্টা, সর্বজ্ঞ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮৬ নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।
Arabic, with marks
٨٧ وَلَقَدْ آتَيْنَاكَ سَبْعًا مِّنَ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنَ الْعَظِيمَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৭ আমরা তোমাকে দিয়েছি পুন: পুন: আবৃত্ত সাত (আয়াত) এবং মহাগ্রন্থ আল - কুরআন।
মুহিউদ্দীন খান
৮৭ আমি আপনাকে সাতটি বার বার পঠিতব্য আয়াত এবং মহান কোরআন দিয়েছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮৭ আমি তো তোমাকে দিয়াছি সাত আয়াত যাহা পুনঃ পুনঃ আবৃত্ত হয় এবং দিয়াছি মহান কুরআন।
Arabic, with marks
٨٨ لَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ إِلَىٰ مَا مَتَّعْنَا بِهِ أَزْوَاجًا مِّنْهُمْ وَلَا تَحْزَنْ عَلَيْهِمْ وَاخْفِضْ جَنَاحَكَ لِلْمُؤْمِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৮ আমরা তাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ বিলাসের যেসব উপকরণ দিয়েছি, সেগুলোর প্রতি তুমি কখনো তোমার দুই চোখ মেলে তাকিয়োনা। তাদের জন্যে তুমি দুঃখও করোনা। তুমি মুমিনদের জন্যে তোমার দুই ডানা অবনমিত করে দাও।
মুহিউদ্দীন খান
৮৮ আপনি চক্ষু তুলে ঐ বস্তুর প্রতি দেখবেন না, যা আমি তাদের মধ্যে কয়েক প্রকার লোককে ভোগ করার জন্যে দিয়েছি, তাদের জন্যে চিন্তিত হবেন না আর ঈমানদারদের জন্যে স্বীয় বাহু নত করুন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮৮ আমি তাহাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ - বিলাসের যে উপকরণ দিয়াছি, তাহার প্রতি তুমি কখনও তোমার চক্ষুদ্বয় প্রসারিত করিও না। তাহাদের জন্য তুমি দুঃখ করিও না; তুমি মু’মিনদের জন্য তোমার পক্ষপুট অবনমিত কর,
Arabic, with marks
٨٩ وَقُلْ إِنِّي أَنَا النَّذِيرُ الْمُبِينُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৯ তুমি বলো: ‘আমি তো কেবল সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’
মুহিউদ্দীন খান
৮৯ আর বলুনঃ আমি প্রকাশ্য ভয় প্রদর্শক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮৯ এবং বল, ‘আমি তো কেবল এক প্রকাশ্য সতর্ককারী।’
Arabic, with marks
٩٠ كَمَا أَنزَلْنَا عَلَى الْمُقْتَسِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯০ (এটা ঠিক সেরকম) যেভাবে আমরা নাযিল করেছিলাম সেইসব বিভক্তকারীদের (ইহুদি ও খৃস্টানদের) উপর,
মুহিউদ্দীন খান
৯০ যেমন আমি নাযিল করেছি যারা বিভিন্ন মতে বিভক্ত তাদের উপর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯০ যেভাবে আমি অবতীর্ণ করিয়াছিলাম বিভক্তকারীদের উপর;
Arabic, with marks
٩١ الَّذِينَ جَعَلُوا الْقُرْآنَ عِضِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯১ যারা তাদের কুরআনকে (তাওরাতকে) বিভিন্নভাবে বিভক্ত করেছে।
মুহিউদ্দীন খান
৯১ যারা কোরআনকে খন্ড খন্ড করেছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯১ যাহারা কুরআনকে বিভিন্নভাবে বিভক্ত করিয়াছে।
Arabic, with marks
٩٢ فَوَرَبِّكَ لَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯২ তোমার প্রভুর শপথ! আমরা অবশ্যি তাদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো,
মুহিউদ্দীন খান
৯২ অতএব আপনার পালনকর্তার কসম, আমি অবশ্যই ওদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করব।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯২ সুতরাং শপথ তোমার প্রতিপালকের! আমি উহাদের সকলকে প্রশ্ন করিবই,
Arabic, with marks
٩٣ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৩ তাদের কর্মকান্ডের বিষয়ে।
মুহিউদ্দীন খান
৯৩ ওদের কাজকর্ম সম্পর্কে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯৩ সেই বিষয়ে, যাহা উহারা করে।
Arabic, with marks
٩٤ فَاصْدَعْ بِمَا تُؤْمَرُ وَأَعْرِضْ عَنِ الْمُشْرِكِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৪ তোমাকে যার আদেশ করা হয়েছে তা প্রকাশ্যে প্রচার করো এবং মুশরিকদের উপেক্ষা করে চলো।
মুহিউদ্দীন খান
৯৪ অতএব আপনি প্রকাশ্যে শুনিয়ে দিন যা আপনাকে আদেশ করা হয় এবং মুশরিকদের পরওয়া করবেন না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯৪ অতএব তুমি যে বিষয়ে আদিষ্ট হইয়াছ তাহা প্রকাশ্যে প্রচার কর এবং মুশরিকদেরকে উপেক্ষা কর।
Arabic, with marks
٩٥ إِنَّا كَفَيْنَاكَ الْمُسْتَهْزِئِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৫ বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে তোমার জন্যে আমরাই কাফী (যথেষ্ট),
মুহিউদ্দীন খান
৯৫ বিদ্রুপকারীদের জন্যে আমি আপনার পক্ষ থেকে যথেষ্ট।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯৫ আমিই যথেষ্ট তোমার জন্য বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে,
Arabic, with marks
٩٦ الَّذِينَ يَجْعَلُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَٰهًا آخَرَ ۚ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৬ যারা আল্লাহর সাথে অপর ইলাহ্ বানিয়ে নিয়েছে। অচিরেই তারা জানতে পারবে।
মুহিউদ্দীন খান
৯৬ যারা আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্য সাব্যস্ত করে। অতএব অতিসত্তর তারা জেনে নেবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯৬ যাহারা আল্লাহ্ র সঙ্গে অপর ইলাহ্ নির্ধারণ করিয়াছে। সুতরাং শীঘ্রই ইহারা জানিতে পারিবে।
Arabic, with marks
٩٧ وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّكَ يَضِيقُ صَدْرُكَ بِمَا يَقُولُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৭ আমরা জানি, তাদের কথায় তোমার মন সংকুচিত হয়ে আসে।
মুহিউদ্দীন খান
৯৭ আমি জানি যে আপনি তাদের কথাবর্তায় হতোদ্যম হয়ে পড়েন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯৭ আমি তো জানি, উহারা যাহা বলে তাহাতে তোমার অন্তর সংকুচিত হয়;
Arabic, with marks
٩٨ فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُن مِّنَ السَّاجِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৮ সুতরাং তুমি তোমার প্রভুর প্রশংসার সাথে তসবিহ করো এবং তুমি সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত।
মুহিউদ্দীন খান
৯৮ অতএব আপনি পালনকর্তার সৌন্দর্য স্মরণ করুন এবং সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯৮ সুতরাং তুমি তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর এবং তুমি সিজ্দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও;
Arabic, with marks
٩٩ وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتَّىٰ يَأْتِيَكَ الْيَقِينُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৯ এবং তোমার প্রভুর ইবাদত করো যতোক্ষণ না তোমার কাছে আসে নিশ্চিত জিনিসটি (মৃত্যু)।
মুহিউদ্দীন খান
৯৯ এবং পালনকর্তার এবাদত করুন, যে পর্যন্ত আপনার কাছে নিশ্চিত কথা না আসে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯৯ তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ‘ইবাদত কর।
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report