Kitab

الشورى

Chapter 42, 53 verses

  • Arabic, with marks
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • Word by word
Arabic, with marks

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ حم

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হা - মীম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হা-মীম।

আবদুস শহীদ নাসিম

হা মিম।

Word by word

حمٓ

Arabic, with marks

عسق

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আইন - সীন - কাফ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আইন-সীন-কাফ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আঈন সিন কাফ।

Word by word

عٓسٓقٓ

Arabic, with marks

كَذَٰلِكَ يُوحِي إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكَ اللَّهُ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবেই তোমার প্রতি এবং তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি প্রত্যাদেশ করেন পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় ‌।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এমনিভাবে মহাপরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময় তোমার কাছে ওহী প্রেরণ করেন এবং তোমার পূর্ববর্তীদের কাছেও।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মুহাম্মদ!) এভাবেই মহাক্ষমতাবান মহাজ্ঞানী তোমার প্রতি এবং আগের (নবী রসূলদের) প্রতি অহি করে আসছেন।

Word by word

كَذَٰلِكَ يُوحِىٓ إِلَيْكَ وَإِلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكَ ٱللَّهُ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

Arabic, with marks

لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۖ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা তাঁহারই। তিনি সম্মুন্নত, মহান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আসমানসমূহে যা কিছু আছে এবং যমীনে যা কিছু আছে সব তাঁরই। তিনিই সমুন্নত, সুমহান।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাবিশ্ব এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবই তাঁর। তিনি সর্বোচ্চ, অতি মহান।

Word by word

لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ

Arabic, with marks

تَكَادُ السَّمَاوَاتُ يَتَفَطَّرْنَ مِن فَوْقِهِنَّ ۚ وَالْمَلَائِكَةُ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيَسْتَغْفِرُونَ لِمَن فِي الْأَرْضِ ۗ أَلَا إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ঊর্ধ্বদেশ হইতে ভাঙ্গিয়া পড়িবার উপক্রম হয় এবং ফিরিশ্‌তাগণ তাহাদের প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে এবং মর্ত্যবাসীদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। জানিয়া রাখ, ‌, তিনি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

উপর থেকে আসমান ফেটে পড়ার উপক্রম হয়; আর ফেরেশতারা তাদের রবের প্রশংসায় তাসবীহ পাঠ করে এবং পৃথিবীতে যারা আছে তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে; জেনে রেখ, , তিনি তো অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

(এই মহান আল্লাহর সাথেই তারা শিরক করছে, যার ফলে) তাদের উপর আকাশ ভেংগে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ( এতোই মহান ও উদার যে,) তা সত্ত্বেও ফেরেশতারা তাদের প্রভুর প্রশংসার তসবিহ্ করার সাথে সাথে পৃথিবীর অধিবাসীদের জন্যেও ক্ষমা ভিক্ষা করছে। এখনো সতর্ক হয়ে যাও, নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, অতীব দয়ালু।

Word by word

تَكَادُ ٱلسَّمَٰوَٰتُ يَتَفَطَّرْنَ مِن فَوْقِهِنَّ وَٱلْمَلَٰٓئِكَةُ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيَسْتَغْفِرُونَ لِمَن فِى ٱلْأَرْضِ أَلَآ إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ اتَّخَذُوا مِن دُونِهِ أَوْلِيَاءَ اللَّهُ حَفِيظٌ عَلَيْهِمْ وَمَا أَنتَ عَلَيْهِم بِوَكِيلٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌র পরিবর্তে অপরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে, ‌ তাহাদের প্রতি সম্যক দৃষ্টি রাখেন। তুমি তাহাদের কর্মবিধায়ক নও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা তাঁর পরিবর্তে অন্যদেরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে, তাদের প্রতি সম্যক দৃষ্টিদাতা এবং তুমি তাদের কর্মবিধায়ক নও।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ছাড়া অন্যদেরকে অলি (বন্ধু, রক্ষক, প্রভু ও অভিভাবক) হিসেবে গ্রহণ করে, (তারা তো নিজেদের জন্যে অতি ঠুনকো ও নিকৃষ্ট অলি গ্রহণ করে), প্রকৃত পক্ষে আল্লাহই তাদের রক্ষক ও হিফাযতকারী। তুমি তাদের (কার্যক্রমের) জিম্মাদার নও।

Word by word

وَٱلَّذِينَ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَ ٱللَّهُ حَفِيظٌ عَلَيْهِمْ وَمَآ أَنتَ عَلَيْهِم بِوَكِيلٍ

Arabic, with marks

وَكَذَٰلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لِّتُنذِرَ أُمَّ الْقُرَىٰ وَمَنْ حَوْلَهَا وَتُنذِرَ يَوْمَ الْجَمْعِ لَا رَيْبَ فِيهِ ۚ فَرِيقٌ فِي الْجَنَّةِ وَفَرِيقٌ فِي السَّعِيرِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি তোমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করিয়াছি আরবী ভাষায়, যাহাতে তুমি সতর্ক করিতে পার মক্কা ও উহার চতুর্দিকের জনগণকে এবং সতর্ক করিতে পার কিয়ামত দিবস সম্পর্কে, যাহাতে কোন সন্দেহ নাই। সেদিন একদল জান্নাতে প্রবেশ করিবে এবং একদল জাহান্নামে প্রবেশ করিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এভাবেই আমি তোমার ওপর আরবী ভাষায় কুরআন নাযিল করেছি যাতে তুমি মূল জনপদ ও তার আশপাশের বাসিন্দাদেরকে সতর্ক করতে পার, আর যাতে ‘একত্রিত হওয়ার দিন’ এর ব্যাপারে সতর্ক করতে পার, যাতে কোন সন্দেহ নেই, একদল থাকবে জান্নাতে আরেক দল জ্বলন্ত আগুনে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মুহাম্মদ!) এভাবেই আমি তোমার প্রতি আরবি ভাষায় একটি কুরআন অবতীর্ণ করেছি, যাতে করে তুমি সতর্ক করে দিতে পারো মানব বসতির কেন্দ্র (মক্কা) এবং তার চারপাশের লোকদের। যেনো তুমি সতর্ক করতে পারো, সেদিনটি সম্পর্কে যেদিন সবাইকে (বিচারের জন্যে) একত্র করা হবে এবং সেদিনটির আগমন সম্পর্কে কোনোই সন্দেহ নেই। সেদিন একদল লোককে থাকতে দেয়া হবে জান্নাতে, আরেক দলকে নিক্ষেপ করা হবে প্রজ্জ্বলিত আগুনে।

Word by word

وَكَذَٰلِكَ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ قُرْءَانًا عَرَبِيًّا لِّتُنذِرَ أُمَّ ٱلْقُرَىٰ وَمَنْ حَوْلَهَا وَتُنذِرَ يَوْمَ ٱلْجَمْعِ لَا رَيْبَ فِيهِ فَرِيقٌ فِى ٱلْجَنَّةِ وَفَرِيقٌ فِى ٱلسَّعِيرِ

Arabic, with marks

وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ لَجَعَلَهُمْ أُمَّةً وَاحِدَةً وَلَٰكِن يُدْخِلُ مَن يَشَاءُ فِي رَحْمَتِهِ ۚ وَالظَّالِمُونَ مَا لَهُم مِّن وَلِيٍّ وَلَا نَصِيرٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ ইচ্ছা করিলে মানুষকে একই উম্মত করিতে পারিতেন; বস্তুত তিনি যাহাকে ইচ্ছা তাহাকে স্বীয় অনুগ্রহের অধিকারী করেন; আর জালিমরা, উহাদের কোন অভিভাবক নাই, কোন সাহায্যকারীও নাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইচ্ছা করলে তাদেরকে এক জাতিভুক্ত করতে পারতেন; কিন্তু তিনি যাকে চান তাঁর রহমতে প্রবেশ করান আর যালিমদের জন্য কোন অভিভাবক নেই, সাহায্যকারীও নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

চাইলে তাদেরকে (মানুষকে) এক উম্মতে পরিণত করতে (এক আদর্শের অনুসারী জাতি বানাতে) পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেন না, বরং তিনি যাকে চান তাকে নিজ রহমতের মধ্যে শামিল করে নেন। আর যালিমদের না আছে কোনো অলি, আর না আছে কোনো সাহায্যকারী।

Word by word

وَلَوْ شَآءَ ٱللَّهُ لَجَعَلَهُمْ أُمَّةً وَٰحِدَةً وَلَٰكِن يُدْخِلُ مَن يَشَآءُ فِى رَحْمَتِهِۦ وَٱلظَّٰلِمُونَ مَا لَهُم مِّن وَلِىٍّ وَلَا نَصِيرٍ

Arabic, with marks

أَمِ اتَّخَذُوا مِن دُونِهِ أَوْلِيَاءَ ۖ فَاللَّهُ هُوَ الْوَلِيُّ وَهُوَ يُحْيِي الْمَوْتَىٰ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি ‌র পরিবর্তে অপরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করিয়াছে, কিন্তু ‌, অভিভাবক তো তিনিই, এবং তিনি মৃতকে জীবিত করেন। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি তাঁকে বাদ দিয়ে বহু অভিভাবক গ্রহণ করেছে? কিন্তু , তিনিই হলেন প্রকৃত অভিভাবক; তিনিই মৃতকে জীবিত করেন আর তিনি সকল বিষয়ে সর্বক্ষমতাবান।

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি এরা আল্লাহকে ছাড়া অন্যদের অলি বানিয়ে নিয়েছে? অথচ আল্লাহই তো একমাত্র অলি। তিনিই তো মৃতকে জীবিত করেন আর একমাত্র তিনিই তো সক্ষম সবকিছু করতে।

Word by word

أَمِ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَ فَٱللَّهُ هُوَ ٱلْوَلِىُّ وَهُوَ يُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

Arabic, with marks

وَمَا اخْتَلَفْتُمْ فِيهِ مِن شَيْءٍ فَحُكْمُهُ إِلَى اللَّهِ ۚ ذَٰلِكُمُ اللَّهُ رَبِّي عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ أُنِيبُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ কর না কেন - উহার মীমাংসা তো ‌রই নিকট। তিনিই ‌ - আমার পালনর্কতা; তাঁহারই উপর আমি নির্ভর করি আর তাঁহারই অভিমুখী আমি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে কোন বিষয়েই তোমরা মতবিরোধ কর, তার ফয়সালা আল্লাহর কাছে; তিনিই , আমার রব; তাঁরই উপর আমি তাওয়াক্কুল করেছি এবং আমি তাঁরই অভিমুখী হই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে ব্যাপারেই মতভেদ করো না কেন, তার ফায়সালা দেয়ার মালিক তো একমাত্র । (হে মুহাম্মদ! ঘোষণা করে দাও) এই আল্লাহই আমার রব। তাঁর উপরই আমি আস্থা স্থাপন করেছি এবং (সকল ব্যাপারে) আমি কেবল তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করি।

Word by word

وَمَا ٱخْتَلَفْتُمْ فِيهِ مِن شَىْءٍ فَحُكْمُهُۥٓ إِلَى ٱللَّهِ ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبِّى عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ أُنِيبُ

Arabic, with marks

فَاطِرُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ جَعَلَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا وَمِنَ الْأَنْعَامِ أَزْوَاجًا ۖ يَذْرَؤُكُمْ فِيهِ ۚ لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ ۖ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা, তিনি তোমাদের মধ্য হইতে তোমাদের জোড়া সৃষ্টি করিয়াছেন এবং আন‘আমের মধ্য হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন উহাদের জোড়া। এইভাবে তিনি তোমাদের বংশবিস্তার করেন; কোন কিছুই তাঁহার সদৃশ নয়, তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি আসমানসমূহ ও যমীনের স্রষ্টা; তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে জোড়া বানিয়েছেন এবং চতুষ্পদ জন্তু থেকেও জোড়া বানিয়েছেন, (এভাবেই) তিনি তোমাদেরকে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর মত কিছু নেই আর তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাবিশ্ব এবং এই পৃথিবীর তিনিই সৃষ্টিকর্তা। তিনি তোমাদের থেকেই তোমাদের জোড়া (নারী - পুরুষ) সৃষ্টি করেছেন এবং অন্যান্য জীব - জানোয়ারেরও জোড়া সৃষ্টি করেছেন (তাদের প্রজাতি থেকেই)। এই (নারী - পুরুষ মিলন) প্রক্রিয়াতেই তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেন। কিছুই নেই তাঁর মতো, তাঁর সদৃশ। সর্বশ্রোতা তিনি, সর্বদ্রষ্টা তিনি।

Word by word

فَاطِرُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ جَعَلَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَٰجًا وَمِنَ ٱلْأَنْعَٰمِ أَزْوَٰجًا يَذْرَؤُكُمْ فِيهِ لَيْسَ كَمِثْلِهِۦ شَىْءٌ وَهُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْبَصِيرُ

Arabic, with marks

لَهُ مَقَالِيدُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَن يَشَاءُ وَيَقْدِرُ ۚ إِنَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর কুঞ্জি তাঁহারই নিকট। তিনি যাহার জন্য ইচ্ছা তাহার রিযিক বর্ধিত করেন এবং সংকুচিত করেন। তিনি সর্ববিষয়ে সবিশেষ অবহিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আসমানসমূহ ও যমীনের চাবি তাঁর কাছে; যার জন্য ইচ্ছা তিনি রিয্ক প্রশস্ত করেন এবং নিয়ন্ত্রিত করেন; নিশ্চয় তিনি সকল বিষয়ে সর্বজ্ঞাত।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাবিশ্ব এবং এই পৃথিবীর (সমস্ত সম্পদ ভান্ডারের) চাবিকাঠি তাঁরই হাতে। তিনি যাকে ইচ্ছা জীবিকা প্রশস্ত করে দেন, আর সীমাবদ্ধ করে দেন (যাকে ইচ্ছা)। (কারণ) সকল বিষয়ে তিনি সর্বজ্ঞানী।

Word by word

لَهُۥ مَقَالِيدُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ وَيَقْدِرُ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌ

Arabic, with marks

۞ شَرَعَ لَكُم مِّنَ الدِّينِ مَا وَصَّىٰ بِهِ نُوحًا وَالَّذِي أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ وَمَا وَصَّيْنَا بِهِ إِبْرَاهِيمَ وَمُوسَىٰ وَعِيسَىٰ ۖ أَنْ أَقِيمُوا الدِّينَ وَلَا تَتَفَرَّقُوا فِيهِ ۚ كَبُرَ عَلَى الْمُشْرِكِينَ مَا تَدْعُوهُمْ إِلَيْهِ ۚ اللَّهُ يَجْتَبِي إِلَيْهِ مَن يَشَاءُ وَيَهْدِي إِلَيْهِ مَن يُنِيبُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করিয়াছেন দীন যাহার নির্দেশ দিয়াছিলেন তিনি নূহ্‌কে, আর যাহা আমি ওহী করিয়াছি তোমাকে এবং যাহার নির্দেশ দিয়াছিলাম ইব্‌রাহীম, মূসা ও ঈসাকে, এই বলিয়া যে, তোমরা দীনকে প্রতিষ্ঠিত কর এবং উহাতে মতভেদ করিও না। তুমি মুশরিকদেরকে যাহার প্রতি আহ্‌বান করিতেছ তাহা উহাদের নিকট দুর্বহ মনে হয়। ‌ যাহাকে ইচ্ছা দীনের প্রতি আকৃষ্ট করেন এবং যে তাঁহার অভিমুখী, তাহাকে দীনের দিকে পরিচালিত করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি তোমাদের জন্য দীন বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন; যে বিষয়ে তিনি নূহকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, আর আমি তোমার কাছে যে ওহী পাঠিয়েছি এবং ইবরাহীম, মূসা ও ঈসাকে যে নির্দেশ দিয়েছিলাম তা হল, তোমরা দীন কায়েম করবে এবং এতে বিচ্ছিন্ন হবে না। তুমি মুশরিকদেরকে যেদিকে আহবান করছ তা

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তোমাদের জন্যে স্থির করে দিয়েছেন সেই একই দীন (জীবন - পদ্ধতি), যা নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন নূহকে এবং যা এখন আমরা অহি করছি (হে মুহাম্মদ!) তোমাকে। এটাই সেই দীন (জীবন - পদ্ধতি) যা আমরা স্থির করে দিয়েছিলাম ইবরাহিম এবং মূসা ও ঈসাকে। (তাদের সবাইকে নির্দেশ দিয়েছিলাম:) এই দীনকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করো এবং তাতে কোনো বিভক্তি সৃষ্টি করোনা। (হে মুহাম্মদ!) মুশরিকদের জন্যে (এই দীন) বড়ই অসহনীয় - যার দিকে তুমি তাদের ডাকছো। যাকে ইচ্ছা নিজের জন্যে মনোনীত করেন এবং তিনি নিজের দিকে পথ দেখান সে ব্যক্তিকেই, যে (অনুশোচনা, আনুগত্য ও) বিনয়ের সাথে তাঁর প্রতি রুজু হয়।

Word by word

شَرَعَ لَكُم مِّنَ ٱلدِّينِ مَا وَصَّىٰ بِهِۦ نُوحًا وَٱلَّذِىٓ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ وَمَا وَصَّيْنَا بِهِۦٓ إِبْرَٰهِيمَ وَمُوسَىٰ وَعِيسَىٰٓ أَنْ أَقِيمُوا۟ ٱلدِّينَ وَلَا تَتَفَرَّقُوا۟ فِيهِ كَبُرَ عَلَ

Arabic, with marks

وَمَا تَفَرَّقُوا إِلَّا مِن بَعْدِ مَا جَاءَهُمُ الْعِلْمُ بَغْيًا بَيْنَهُمْ ۚ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ إِلَىٰ أَجَلٍ مُّسَمًّى لَّقُضِيَ بَيْنَهُمْ ۚ وَإِنَّ الَّذِينَ أُورِثُوا الْكِتَابَ مِن بَعْدِهِمْ لَفِي شَكٍّ مِّنْهُ مُرِيبٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের নিকট জ্ঞান আসিবার পর কেবল পারস্পরিক বিদ্বেষবশত উহারা নিজেদের মধ্যে মতভেদ ঘটায়। এক নির্ধারিত কাল পর্যন্ত অবকাশ সম্পর্কে তোমার প্রতিপালকের পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকিলে উহাদের বিষয়ে ফয়সালা হইয়া যাইত। উহাদের পর যাহারা কিতাবের উত্তরাধিকারী হইয়াছে তাহারা তো সেই সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর সন্দেহে রহিয়াছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের কাছে জ্ঞান আসার পরও তারা কেবল নিজদের মধ্যকার বিদ্বেষের কারণে মতভেদ করেছে; একটি নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত অবকাশ সম্পর্কে তোমার রবের পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকলে তাদের বিষয়ে ফয়সালা হয়ে যেত। আর তাদের পরে যারা কিতাবের উত্তরাধিকারী হয়েছিল, তারা সে সম্পর্কে বি

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রকৃত জ্ঞান আসার পরেই লোকেরা বিভক্ত হয়ে পড়েছে নিজেদের মধ্যে পারস্পারিক (স্বার্থগত) বাড়াবাড়ির কারণে। তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ প্রদানের পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকলে অবশ্যি তাদের এই (বিবাদ বিভক্তির) চূড়ান্ত ফায়সালা করে দেয়া হতো। প্রথম দিকের লোকদের পরে যারা কিতাবের উত্তরাধিকারী হয়েছে, তারা (আল্লাহর দীন ও কিতাব) সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর সন্দেহে নিমজ্জিত রয়েছে।

Word by word

وَمَا تَفَرَّقُوٓا۟ إِلَّا مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلْعِلْمُ بَغْيًۢا بَيْنَهُمْ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ إِلَىٰٓ أَجَلٍ مُّسَمًّى لَّقُضِىَ بَيْنَهُمْ وَإِنَّ ٱلَّذِينَ أُورِثُوا۟ ٱلْكِتَٰب

Arabic, with marks

فَلِذَٰلِكَ فَادْعُ ۖ وَاسْتَقِمْ كَمَا أُمِرْتَ ۖ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَاءَهُمْ ۖ وَقُلْ آمَنتُ بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ مِن كِتَابٍ ۖ وَأُمِرْتُ لِأَعْدِلَ بَيْنَكُمُ ۖ اللَّهُ رَبُّنَا وَرَبُّكُمْ ۖ لَنَا أَعْمَالُنَا وَلَكُمْ أَعْمَالُكُمْ ۖ لَا حُجَّةَ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ ۖ اللَّهُ يَجْمَعُ بَيْنَنَا ۖ وَإِلَيْهِ الْمَصِيرُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি উহার দিকে আহ্‌বান কর ও উহাতেই দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত থাক যেইভাবে তুমি আদিষ্ট হইয়াছ এবং উহাদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ করিও না। বল, ‘‌ যে কিতাব অবতীর্ণ করিয়াছেন আমি তাহাতে বিশ্বাস করি এবং আমি আদিষ্ট হইয়াছি তোমাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করিতে। ‌ই আমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদেরও প্রতিপালক। আমাদের কর্ম আমাদের এবং তোমাদের কর্ম তোমাদের; আমাদের ও তোমাদের মধ্যে বিবাদ - বিসম্বাদ নাই। ‌ই আমাদেরকে একত্র করিবেন এবং প্রত্যাবর্তন তাঁহারই নিকট।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

এ কারণে তুমি আহবান কর এবং দৃঢ় থাক যেমন তুমি আদিষ্ট হয়েছ। আর তুমি তাদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করো না এবং বল, ‘ যে কিতাব নাযিল করেছেন আমি তাতে ঈমান এনেছি এবং তোমাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করতে আমি আদিষ্ট হয়েছি। আমাদের রব এবং তোমাদের রব। আমাদের কর্ম আমা

আবদুস শহীদ নাসিম

এমতাবস্থায় তুমি সরাসরি কেবল আল্লাহর দীনের দিকেই মানুষকে আহবান করো এবং এর উপরই অটল অবিচল থাকো, যেভাবে তোমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। লোকেরা যা চায়, তা মেনে চলোনা; বরং তাদের বলো: ‘আমি তো আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাবের প্রতি ঈমান এনেছি (তাই আমি এ কিতাব বাদ দিয়ে মানুষের ইচ্ছার অনুসরণ করতে পারিনা), তাছাড়া তোমাদের মাঝে ন্যায়বিচার করার নির্দেশ আমাকে দেয়া হয়েছে। আল্লাহই আমাদের প্রভু এবং তোমাদেরও প্রভু। আমাদের কর্ম আমাদের জন্যে আর তোমাদের কর্ম তোমাদের জন্যে। আমাদের ও তোমাদের মাঝে কোনো বিতর্ক নেই। একদিন আমাদের সবাইকে একস্থানে জমায়েত করবেন আর শেষ পর্যন্ত সবাইকে ফিরে যেতে হবে তাঁরই কাছে।’

Word by word

فَلِذَٰلِكَ فَٱدْعُ وَٱسْتَقِمْ كَمَآ أُمِرْتَ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَآءَهُمْ وَقُلْ ءَامَنتُ بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ مِن كِتَٰبٍ وَأُمِرْتُ لِأَعْدِلَ بَيْنَكُمُ ٱللَّهُ رَبُّنَا وَرَبُّكُمْ لَنَآ أَعْمَٰلُنَا

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ يُحَاجُّونَ فِي اللَّهِ مِن بَعْدِ مَا اسْتُجِيبَ لَهُ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِندَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌কে স্বীকার করিবার পর যাহারা ‌ সম্পর্কে বিতর্ক করে তাহাদের যুক্তি - তর্ক তাহাদের প্রতিপালকের দৃষ্টিতে অসার এবং উহারা তাঁহার ক্রোধের পাত্র এবং উহাদের জন্য রহিয়াছে কঠিন শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আল্লাহর আহবানে সাড়া দেয়ার পর সম্পর্কে যারা বিতর্ক করে, তাদের দলীল-প্রমাণ তাদের রবের নিকট অসার। তাদের উপর (আল্লাহর) গযব এবং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর দেয়া দীন ও জীবন পদ্ধতি গ্রহণ করার পর যারা দীনের এই প্রকৃত অনুসারীদের সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়, তাদের প্রভুর দৃষ্টিতে তাদের এই বিতর্ক অর্থহীন - বাতিল। তাদের উপর আপতিত হয় প্রচন্ড গজব। আর তাদের জন্যে রয়েছে দু:সহ আযাব।

Word by word

وَٱلَّذِينَ يُحَآجُّونَ فِى ٱللَّهِ مِنۢ بَعْدِ مَا ٱسْتُجِيبَ لَهُۥ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِندَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ

Arabic, with marks

اللَّهُ الَّذِي أَنزَلَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ وَالْمِيزَانَ ۗ وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ السَّاعَةَ قَرِيبٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই অবতীর্ণ করিয়াছেন সত্যসহ কিতাব এবং তুলাদণ্ড। তুমি কি জান, সম্ভবত কিয়ামত আসন্ন?

বয়ান ফাউন্ডেশন

, যিনি সত্যসহ কিতাব ও মীযান* নাযিল করেছেন। আর কিসে তোমাকে জানাবে, হয়ত কিয়ামত খুবই নিকটবর্তী? * সনদ, ন্যায় বিচার, ইনসাফ, ইত্যাদি।

আবদুস শহীদ নাসিম

, নিঃসন্দেহে তিনিই নাযিল করেছেন ‘আল কিতাব’ (আল কুরআন) এবং ‘আল মীযান’ (জীবন - যাপনের সুষম বিধান)। তুমি কী করে জানবে হয়তো কিয়ামত একেবারে সন্নিকটে?

Word by word

ٱللَّهُ ٱلَّذِىٓ أَنزَلَ ٱلْكِتَٰبَ بِٱلْحَقِّ وَٱلْمِيزَانَ وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ ٱلسَّاعَةَ قَرِيبٌ

Arabic, with marks

يَسْتَعْجِلُ بِهَا الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِهَا ۖ وَالَّذِينَ آمَنُوا مُشْفِقُونَ مِنْهَا وَيَعْلَمُونَ أَنَّهَا الْحَقُّ ۗ أَلَا إِنَّ الَّذِينَ يُمَارُونَ فِي السَّاعَةِ لَفِي ضَلَالٍ بَعِيدٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ইহা বিশ্বাস করে না তাহারাই ইহা ত্বরান্বিত করিতে চায়। আর যাহারা তাহারা উহাকে ভয় করে এবং জানে উহাই সত্য। জানিয়া রাখ, কিয়ামত সম্পর্কে যাহারা বাক - বিতণ্ডা করে তাহারা ঘোর বিভ্রান্তিতে রহিয়াছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা এতে ঈমান আনে না, তারাই তা ত্বরান্বিত করতে চায়। আর যারা ঈমান এনেছে, তারা একে ভয় করে এবং তারা জানে যে, এটা অবশ্যই সত্য। জেনে রেখ, নিশ্চয় যারা কিয়ামত সম্পর্কে বাক-বিতন্ডা করে তারা সুদূর পথভ্রষ্টতায় নিপতিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঐ দিনটিকে বিশ্বাস করেনা, তারাই সে দিনটির জন্যে তাড়াহুড়া করে। আর যারা সে দিনটির প্রতি ঈমান এনেছে তারা তার ভয়ে ভীত। তারা জানে, সে দিনটি মহাসত্য। সাবধান! যারা সে দিনটির আগমন সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা নিমজ্জিত দুস্তর ভুলের মধ্যে।

Word by word

يَسْتَعْجِلُ بِهَا ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِهَا وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مُشْفِقُونَ مِنْهَا وَيَعْلَمُونَ أَنَّهَا ٱلْحَقُّ أَلَآ إِنَّ ٱلَّذِينَ يُمَارُونَ فِى ٱلسَّاعَةِ لَفِى ضَلَٰلٍۭ بَعِيدٍ

Arabic, with marks

اللَّهُ لَطِيفٌ بِعِبَادِهِ يَرْزُقُ مَن يَشَاءُ ۖ وَهُوَ الْقَوِيُّ الْعَزِيزُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ তাঁহার বান্দাদের প্রতি অতি দয়ালু; তিনি যাহাকে ইচ্ছা রিযিক দান করেন। তিনি প্রবল পরাক্রমশালী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাঁর বান্দাদের প্রতি অতি দয়ালু। তিনি যাকে ইচ্ছা রিয্ক দান করেন। আর তিনি মহাশক্তিধর, মহাপরাক্রমশালী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর বান্দাদের প্রতি পরম দয়াবান। তিনি যাকে ইচ্ছা জীবিকার প্রাচুর্য দিয়ে থাকেন। তিনি সর্বশক্তিমান এবং সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।

Word by word

ٱللَّهُ لَطِيفٌۢ بِعِبَادِهِۦ يَرْزُقُ مَن يَشَآءُ وَهُوَ ٱلْقَوِىُّ ٱلْعَزِيزُ

Arabic, with marks

مَن كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ الْآخِرَةِ نَزِدْ لَهُ فِي حَرْثِهِ ۖ وَمَن كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ الدُّنْيَا نُؤْتِهِ مِنْهَا وَمَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ مِن نَّصِيبٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে কেহ আখিরাতের ফসল কামনা করে তাহার জন্য আমি তাহার ফসল বর্ধিত করিয়া দেই এবং যে কেহ দুনিয়ার ফসল কামনা করে আমি তাহাকে উহারই কিছু দেই, আখিরাতে তাহার জন্য কিছুই থাকিবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে আখিরাতের ফসল কামনা করে, আমি তার জন্য তার ফসলে প্রবৃদ্ধি দান করি, আর যে দুনিয়ার ফসল কামনা করে আমি তাকে তা থেকে কিছু দেই এবং আখিরাতে তার জন্য কোন অংশই থাকবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে (নিজের কর্মের মাধ্যমে) আখিরাতের ফসল (পুরস্কার) কামনা করে, আমি প্রবৃদ্ধি দান করি তার সেই ফসলে। আর যে (নিজের কর্মের মাধ্যমে) পেতে চায় ইহজাগতিক ফসল (পুরস্কার), আমি তাকে সেখান থেকে কিছু অংশ দিয়ে থাকি। কিন্তু তার জন্যে কিছুই নেই আখিরাতে।

Word by word

مَن كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ ٱلْءَاخِرَةِ نَزِدْ لَهُۥ فِى حَرْثِهِۦ وَمَن كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ ٱلدُّنْيَا نُؤْتِهِۦ مِنْهَا وَمَا لَهُۥ فِى ٱلْءَاخِرَةِ مِن نَّصِيبٍ

Arabic, with marks

أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ شَرَعُوا لَهُم مِّنَ الدِّينِ مَا لَمْ يَأْذَن بِهِ اللَّهُ ۚ وَلَوْلَا كَلِمَةُ الْفَصْلِ لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ ۗ وَإِنَّ الظَّالِمِينَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাদের কি এমন কতকগুলি দেবতা আছে যাহারা ইহাদের জন্য বিধান দিয়াছে এমন দীনের, যাহার অনুমতি ‌ দেন নাই? ফয়সালার ঘোষণা না থাকিলে ইহাদের বিষয়ে তো সিদ্ধান্ত হইয়াই যাইত। নিশ্চয়ই জালিমদের জন্য রহিয়াছে মর্মন্তুদ শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের জন্য কি এমন কিছু শরীক আছে, যারা তাদের জন্য দীনের বিধান দিয়েছে, যার অনুমতি দেননি? আর ফয়সালার ঘোষণা না থাকলে তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েই যেত। আর নিশ্চয় যালিমদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তারা আল্লাহর শরিকদার বানিয়ে নিয়েছে এবং সেই শরিকদাররা তাদের জন্যে এমন কোনো জীবন - বিধান প্রবর্তন করেছে, যার অনুমতি দেননি? (আখিরাতে) ফায়সালা করার ঘোষণা যদি দেয়া না থাকতো, তবে তাদের (এই বিরোধের) ফায়সালা (এখানেই) করে দেয়া হতো। আর এই যালিমদের জন্যে অবশ্যি রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

Word by word

أَمْ لَهُمْ شُرَكَٰٓؤُا۟ شَرَعُوا۟ لَهُم مِّنَ ٱلدِّينِ مَا لَمْ يَأْذَنۢ بِهِ ٱللَّهُ وَلَوْلَا كَلِمَةُ ٱلْفَصْلِ لَقُضِىَ بَيْنَهُمْ وَإِنَّ ٱلظَّٰلِمِينَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

Arabic, with marks

تَرَى الظَّالِمِينَ مُشْفِقِينَ مِمَّا كَسَبُوا وَهُوَ وَاقِعٌ بِهِمْ ۗ وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فِي رَوْضَاتِ الْجَنَّاتِ ۖ لَهُم مَّا يَشَاءُونَ عِندَ رَبِّهِمْ ۚ ذَٰلِكَ هُوَ الْفَضْلُ الْكَبِيرُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি জালিমদেরকে ভীত - সন্ত্রস্ত দেখিবে উহাদের কৃতকর্মের জন্য; আর ইহা আপতিত হইবেই উহাদের উপর। যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহারা থাকিবে জান্নাতের মনোরম স্থানে। তাহারা যাহা কিছু চাহিবে তাহাদের প্রতিপালকের নিকট তাহাই পাইবে। ইহাই তো মহাঅনুগ্রহ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি যালিমদেরকে তাদের কৃত কর্মের জন্য ভীত-সন্ত্রস্ত দেখতে পাবে। অথচ তা (তাদের কর্মের শাস্তি) তাদের উপর পতিত হবেই। আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তারা জান্নাতের উদ্যানসমূহে থাকবে। তারা যা চাইবে, তাদের রবের নিকট তাদের জন্য তাই থাকবে। এটাই তো মহাঅনুগ্রহ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি দেখতে পাবে (বিচারের দিন) এই যালিমরা তাদের কৃতকর্মের জন্যে ভীত আতংকিত। অথচ তা (আল্লাহর আযাব) তাদের উপর আপতিত হবেই। পক্ষান্তরে যারা ‘ঈমান এনেছে’ এবং ‘আমলে সালেহ্’ করেছে, তারা বসবাস করবে জান্নাতের মনোরম বাগ - বাগিচায়। তারা যা যা ইচ্ছা করবে তাদের প্রভুর কাছে সবই পাবে। এ হলো সর্বশ্রেষ্ঠ অনুগ্রহ (Supreme Grace)।

Word by word

تَرَى ٱلظَّٰلِمِينَ مُشْفِقِينَ مِمَّا كَسَبُوا۟ وَهُوَ وَاقِعٌۢ بِهِمْ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فِى رَوْضَاتِ ٱلْجَنَّاتِ لَهُم مَّا يَشَآءُونَ عِندَ رَبِّهِمْ ذَٰلِكَ هُوَ ٱلْفَضْلُ

Arabic, with marks

ذَٰلِكَ الَّذِي يُبَشِّرُ اللَّهُ عِبَادَهُ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ ۗ قُل لَّا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا إِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبَىٰ ۗ وَمَن يَقْتَرِفْ حَسَنَةً نَّزِدْ لَهُ فِيهَا حُسْنًا ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ شَكُورٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই সুসংবাদই ‌ দেন তাঁহার বান্দাদেরকে যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। বল, ‘আমি ইহার বিনিময়ে তোমাদের নিকট হইতে আত্মীয়ের সৌহার্দ্য ব্যতীত অন্য কোন প্রতিদান চাই না।’ যে উত্তম কাজ করে আমি তাহার জন্য ইহাতে কল্যাণ বর্ধিত করি। ‌ ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা তাই, যার সুসংবাদ তার বান্দাদেরকে দেন- যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। বল, ‘আমি এর জন্য তোমাদের কাছে আত্মীয়তার সৌহার্দ ছাড়া অন্য কোন প্রতিদান চাই না’। যে উত্তম কাজ করে, আমি তার জন্য তাতে কল্যাণ বাড়িয়ে দেই। নিশ্চয় অতি ক্ষমাশীল, বড়ই গুণগ্রাহী।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটাই সেই মহোত্তম পুরস্কার, এরই সুসংবাদ দিচ্ছেন তাঁর সেইসব দাসদের, যারা ‘ঈমান এনেছে’ এবং ‘আমলে সালেহ’ করেছে। হে মুহাম্মদ! (তোমার জ্ঞাতির লোকদের) বলো: ‘এর (এই দাওয়াত ও আহবানের) বিনিময়ে আমি তোমাদের কাছে আত্মীয়তার সৌজন্য ছাড়া আর কোনো প্রতিদান চাইনা।’ যে কল্যাণকর কাজ করে, আমি তাতে তার কল্যাণের মাত্রা বাড়িয়ে দিই। নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল এবং ভালো কাজের মর্যাদা দানকারী।

Word by word

ذَٰلِكَ ٱلَّذِى يُبَشِّرُ ٱللَّهُ عِبَادَهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ قُل لَّآ أَسْـَٔلُكُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا إِلَّا ٱلْمَوَدَّةَ فِى ٱلْقُرْبَىٰ وَمَن يَقْتَرِفْ حَسَنَةً نَّزِدْ لَهُۥ ف

Arabic, with marks

أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا ۖ فَإِن يَشَإِ اللَّهُ يَخْتِمْ عَلَىٰ قَلْبِكَ ۗ وَيَمْحُ اللَّهُ الْبَاطِلَ وَيُحِقُّ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ ۚ إِنَّهُ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি বলে যে, সে ‌ সম্পর্কে মিথ্যা উদ্ভাবন করিয়াছে ? যদি তাহাই হইত তবে ‌ ইচ্ছা করিলে তোমার হৃদয় মোহর করিয়া দিতেন। মিথ্যাকে মুছিয়া দেন এবং নিজ বাণী দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন। অন্তরে যাহা আছে সে বিষয়ে তিনি তো সবিশেষ অবহিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি একথা বলে যে, সে সম্পর্কে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছে? অথচ যদি চাইতেন তোমার হৃদয়ে মোহর মেরে দিতেন। আর মিথ্যাকে মুছে দেন এবং নিজ বাণী দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন। নিশ্চয় তিনি অন্তরসমূহে যা আছে, সে সম্পর্কে সবিশেষ অবহিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তারা বলে: ‘সে (মুহাম্মদ) আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা - মনগড়া কথা বলছে?’ চাইলে তোমার দিলে মোহর মেরে দিতে পারেন। আসলে তো মিথ্যাকেই মুছে (নির্মূল করে) দেন, আর নিজ বাণী (আল কুরআন) দিয়ে প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত করে দেন সত্যকে। অবশ্যি তিনি মানব মনের গোপন বিষয়ও ভালোভাবে অবগত।

Word by word

أَمْ يَقُولُونَ ٱفْتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا فَإِن يَشَإِ ٱللَّهُ يَخْتِمْ عَلَىٰ قَلْبِكَ وَيَمْحُ ٱللَّهُ ٱلْبَٰطِلَ وَيُحِقُّ ٱلْحَقَّ بِكَلِمَٰتِهِۦٓ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ

Arabic, with marks

وَهُوَ الَّذِي يَقْبَلُ التَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهِ وَيَعْفُو عَنِ السَّيِّئَاتِ وَيَعْلَمُ مَا تَفْعَلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তাঁহার বান্দাদের তওবা কবূল করেন ও পাপ মোচন করেন এবং তোমরা যাহা কর তিনি তাহা জানেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনিই তাঁর বান্দাদের তাওবা কবূল করেন এবং পাপসমূহ ক্ষমা করে দেন। আর তোমরা যা কর, তা তিনি জানেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তিনিই সেই মহান সত্তা, যিনি নিজ বান্দাদের তওবা (অনুশোচনা) কবুল করেন এবং গুনাহ খাতা মাফ করেন। তিনি অবগত আছেন তোমরা যা করো।

Word by word

وَهُوَ ٱلَّذِى يَقْبَلُ ٱلتَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهِۦ وَيَعْفُوا۟ عَنِ ٱلسَّيِّـَٔاتِ وَيَعْلَمُ مَا تَفْعَلُونَ

Arabic, with marks

وَيَسْتَجِيبُ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَيَزِيدُهُم مِّن فَضْلِهِ ۚ وَالْكَافِرُونَ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি ও সৎকর্মপরায়ণদের আহ্‌বানে সাড়া দেন এবং তাহাদের প্রতি তাঁহার অনুগ্রহ বর্ধিত করেন; কাফিরদের জন্য রহিয়াছে কঠিন শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের আহবানে তিনি সাড়া দেন এবং তাদের প্রতি তাঁর অনুগ্রহ বৃদ্ধি করেন। আর কাফিরদের জন্য রয়েছে কঠিন আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ‘ঈমান আনে’ এবং ‘আমলে সালেহ্’ করে, তিনি তাদের দোয়া কবুল করেন এবং তাদের প্রতি বাড়িয়ে দেন নিজের অনুগ্রহ। অন্যদিকে রয়েছে কাফিররা, তাদের জন্যে রয়েছে শক্ত আযাব।

Word by word

وَيَسْتَجِيبُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ وَيَزِيدُهُم مِّن فَضْلِهِۦ وَٱلْكَٰفِرُونَ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ

Arabic, with marks

۞ وَلَوْ بَسَطَ اللَّهُ الرِّزْقَ لِعِبَادِهِ لَبَغَوْا فِي الْأَرْضِ وَلَٰكِن يُنَزِّلُ بِقَدَرٍ مَّا يَشَاءُ ۚ إِنَّهُ بِعِبَادِهِ خَبِيرٌ بَصِيرٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ তাঁহার সকল বান্দাকে জীবনোপকরণে প্রাচুর্য দিলে তাহারা পৃথিবীতে অবশ্যই বিপর্যয় সৃষ্টি করিত; কিন্তু তিনি তাঁহার ইচ্ছামত পরিমাণেই নাযিল করিয়া থাকেন। তিনি তাঁহার বান্দাদেরকে সম্যক জানেন ও দেখেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি তার বান্দাদের জন্য রিয্ক প্রশস্ত করে দিতেন, তাহলে তারা যমীনে অবশ্যই বিদ্রোহ করত। কিন্তু তিনি নির্দিষ্ট পরিমাণে যা ইচ্ছা নাযিল করেন। নিশ্চয় তিনি তাঁর বান্দাদের ব্যাপারে পূর্ণ অবগত, সম্যক দ্রষ্টা।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি তাঁর সব বান্দাকেই অঢেল সম্পদ - সামগ্রী দান করতেন, তবে অবশ্যি তারা পৃথিবীতে বিদ্রোহ - বাড়াবাড়িতে লিপ্ত হতো। বরং তিনি একটি পরিমাণ মতো নাযিল করেন - যা তিনি চান। নিজ বান্দাদের প্রতি তিনি পূর্ণ সতর্ক ও দৃষ্টিবান।

Word by word

وَلَوْ بَسَطَ ٱللَّهُ ٱلرِّزْقَ لِعِبَادِهِۦ لَبَغَوْا۟ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَٰكِن يُنَزِّلُ بِقَدَرٍ مَّا يَشَآءُ إِنَّهُۥ بِعِبَادِهِۦ خَبِيرٌۢ بَصِيرٌ

Arabic, with marks

وَهُوَ الَّذِي يُنَزِّلُ الْغَيْثَ مِن بَعْدِ مَا قَنَطُوا وَيَنشُرُ رَحْمَتَهُ ۚ وَهُوَ الْوَلِيُّ الْحَمِيدُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যখন হতাশাগ্রস্ত হইয়া পড়ে তখনই তিনি বৃষ্টি প্রেরণ করেন এবং তাঁহার করুণা বিস্তার করেন। তিনিই তো অভিভাবক, প্রশংসার্হ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা নিরাশ হয়ে পড়লে তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তাঁর রহমত ছড়িয়ে দেন। আর তিনিই তো অভিভাবক, প্রশংসিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই সে মহীয়ান সত্তা, মানুষ নিরাশ হয়ে পড়ার পর যিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তাদের প্রতি বিস্তার করেন নিজের করুণা। আর তিনিই সপ্রশংসিত প্রকৃত অভিভাবক।

Word by word

وَهُوَ ٱلَّذِى يُنَزِّلُ ٱلْغَيْثَ مِنۢ بَعْدِ مَا قَنَطُوا۟ وَيَنشُرُ رَحْمَتَهُۥ وَهُوَ ٱلْوَلِىُّ ٱلْحَمِيدُ

Arabic, with marks

وَمِنْ آيَاتِهِ خَلْقُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَثَّ فِيهِمَا مِن دَابَّةٍ ۚ وَهُوَ عَلَىٰ جَمْعِهِمْ إِذَا يَشَاءُ قَدِيرٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাঁহার অন্যতম নিদর্শন আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং এই দুইয়ের মধ্যে তিনি যে সকল জীবজন্তু ছড়াইয়া দিয়াছেন সেইগুলি। তিনি যখন ইচ্ছা তখনই উহাদেরকে সমবেত করিতে সক্ষম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টি এবং এতদোভয়ের মধ্যে তিনি যে সব জীব-জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন সেগুলো। তিনি যখন ইচ্ছা তখনই এগুলোকে একত্র করতে সক্ষম।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাবিশ্ব আর এই পৃথিবীর সৃষ্টি এবং এগুলোতে তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন যেসব প্রাণীকুল, তাতে রয়েছে তাঁর অন্যতম নিদর্শন। যখন চাইবেন, তখনই তিনি এদের সবাইকে একত্র জমায়েত করতে সক্ষম।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِۦ خَلْقُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَثَّ فِيهِمَا مِن دَآبَّةٍ وَهُوَ عَلَىٰ جَمْعِهِمْ إِذَا يَشَآءُ قَدِيرٌ

Arabic, with marks

وَمَا أَصَابَكُم مِّن مُّصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَن كَثِيرٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের যে বিপদ - আপদ ঘটে তাহা তো তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল এবং তোমাদের অনেক অপরাধ তো তিনি ক্ষমা করিয়া দেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমাদের প্রতি যে মুসীবত আপতিত হয়, তা তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল। আর অনেক কিছুই তিনি ক্ষমা করে দেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের জীবনে যে দুর্দশা - দুর্ঘটনাই (misfortune) ঘটে, তা তোমাদেরই হাতের কামাই। আর অনেক অপরাধ তো তিনি ক্ষমাই করে দেন।

Word by word

وَمَآ أَصَٰبَكُم مِّن مُّصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُوا۟ عَن كَثِيرٍ

Arabic, with marks

وَمَا أَنتُم بِمُعْجِزِينَ فِي الْأَرْضِ ۖ وَمَا لَكُم مِّن دُونِ اللَّهِ مِن وَلِيٍّ وَلَا نَصِيرٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা পৃথিবীতে ‌র অভিপ্রায়কে ব্যর্থ করিতে পারিবে না এবং ‌ ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক নাই, সাহায্যকারীও নাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা যমীনে (আল্লাহর কর্ম পরিকল্পনাকে) ব্যর্থ করতে পারবে না। আর ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক নেই এবং কোন সাহায্যকারীও নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা পৃথিবীতে আল্লাহর পাকড়াও থেকে পলায়ন করতে পারবেনা। আর ছাড়া তোমাদের না আছে কোনো অলি (অভিভাবক) আর না আছে কোনো সাহায্যকারী।

Word by word

وَمَآ أَنتُم بِمُعْجِزِينَ فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا لَكُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ مِن وَلِىٍّ وَلَا نَصِيرٍ

Arabic, with marks

وَمِنْ آيَاتِهِ الْجَوَارِ فِي الْبَحْرِ كَالْأَعْلَامِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাঁহার অন্যতম নিদর্শন পর্বতসদৃশ সমুদ্রে চলমান নৌযানসমূহ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে আরো রয়েছে সমুদ্রে চলাচলকারী পর্বতমালার মত জাহাজসমূহ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সমুদ্রে চলমান পর্বতমালার মতো নৌযানগুলোও তাঁর অন্যতম নিদর্শন।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِ ٱلْجَوَارِ فِى ٱلْبَحْرِ كَٱلْأَعْلَٰمِ

Arabic, with marks

إِن يَشَأْ يُسْكِنِ الرِّيحَ فَيَظْلَلْنَ رَوَاكِدَ عَلَىٰ ظَهْرِهِ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি ইচ্ছা করিলে বায়ুকে স্তব্ধ করিয়া দিতে পারেন; ফলে নৌযানসমূহ নিশ্চল হইয়া পড়িবে সমুদ্রপৃষ্ঠে। নিশ্চয়ই ইহাতে নিদর্শন রহিয়াছ ধৈর্যশীল ও কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি যদি চান বাতাসকে থামিয়ে দিতে পারেন। ফলে জাহাজগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠে গতিহীন হয়ে পড়বে। নিশ্চয় এতে পরম ধৈর্যশীল ও কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য অনেক নিদর্শন রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি চাইলে বাতাসকে থামিয়ে দিতে পারেন, তখন নৌযানগুলো দাঁড়িয়ে থাকবে সমুদ্রের পিঠে। অবশ্যি এর মধ্যে নিদর্শন রয়েছে প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে।

Word by word

إِن يَشَأْ يُسْكِنِ ٱلرِّيحَ فَيَظْلَلْنَ رَوَاكِدَ عَلَىٰ ظَهْرِهِۦٓ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ

Arabic, with marks

أَوْ يُوبِقْهُنَّ بِمَا كَسَبُوا وَيَعْفُ عَن كَثِيرٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অথবা তিনি তাহাদের কৃতকর্মের জন্য সেইগুলিকে বিধ্বস্ত করিয়া দিতে পারেন এবং অনেককে তিনি ক্ষমাও করেন;

বয়ান ফাউন্ডেশন

অথবা তাদের কৃতকর্মের জন্য সেগুলোকে তিনি ধ্বংস করে দিতে পারেন, আবার অনেককে তিনি ক্ষমাও করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিংবা তাদের কৃতকর্মের জন্যে তিনি সেগুলোকে ডুবিয়েও দিতে পারেন। আর অনেক (বা অনেকের) অপরাধ তো তিনিই ক্ষমা করে দেন।

Word by word

أَوْ يُوبِقْهُنَّ بِمَا كَسَبُوا۟ وَيَعْفُ عَن كَثِيرٍ

Arabic, with marks

وَيَعْلَمَ الَّذِينَ يُجَادِلُونَ فِي آيَاتِنَا مَا لَهُم مِّن مَّحِيصٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমার নিদর্শন সম্পর্কে যাহারা বিতর্ক করে তাহারা যেন জানিতে পারে যে, তাহাদের কোন নিষ্কৃতি নাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা আমার নিদর্শনসমূহ সম্পর্কে বাক বিতন্ডা করে তারা যেন জানতে পারে যে, তাদের কোন আশ্রয়স্থল নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আমাদের আয়াতসমূহ সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হয়, (এতে করে) তারা যেনো জানতে পারে তাদের আশ্রয়ের কোনো জায়গা নেই।

Word by word

وَيَعْلَمَ ٱلَّذِينَ يُجَٰدِلُونَ فِىٓ ءَايَٰتِنَا مَا لَهُم مِّن مَّحِيصٍ

Arabic, with marks

فَمَا أُوتِيتُم مِّن شَيْءٍ فَمَتَاعُ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ وَمَا عِندَ اللَّهِ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰ لِلَّذِينَ آمَنُوا وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত তোমাদেরকে যাহা কিছু দেওয়া হইয়াছে তাহা পার্থিব জীবনের ভোগ, কিন্তু ‌র নিকট যাহা আছে তাহা উত্তম ও স্থায়ী তাহাদের জন্য, যাহারা ঈমান আনে ও তাহাদের প্রতিপালকের উপর নির্ভর করে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমাদেরকে যা কিছু দেয়া হয়েছে তা দুনিয়ার জীবনের ভোগ্য সামগ্রী মাত্র। আর আল্লাহর নিকট যা আছে তা উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী তাদের জন্য যারা ঈমান আনে এবং তাদের রবের উপর তাওয়াক্কুল করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং যা কিছু তোমাদের দেয়া হয়েছে, তা পার্থিব জীবনের ক্ষণস্থায়ী ভোগের সামগ্রী মাত্র। অন্যদিকে আল্লাহর কাছে যা রয়েছে, সেগুলো যেমনি উত্তম, তেমনি চিরস্থায়ী সেইসব লোকদের জন্যে, যারা ঈমান আনে এবং তারা তাদের প্রভুর উপর তাওয়াক্কুল করে;

Word by word

فَمَآ أُوتِيتُم مِّن شَىْءٍ فَمَتَٰعُ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَمَا عِندَ ٱللَّهِ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ يَجْتَنِبُونَ كَبَائِرَ الْإِثْمِ وَالْفَوَاحِشَ وَإِذَا مَا غَضِبُوا هُمْ يَغْفِرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা গুরুতর পাপ ও অশ্লীল কার্য হইতে বাঁচিয়া থাকে এবং ক্রোধাবিষ্ট হইলে ক্ষমা করিয়া দেয়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা গুরুতর পাপ ও অশ্লীল কার্যকলাপ থেকে বেঁচে থাকে এবং যখন রাগান্বিত হয় তখন তারা ক্ষমা করে দেয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা কবিরা গুনাহ ও অশ্লীল কাজ পরিহার করে চলে, এবং ক্রোধান্বিত হলে ক্ষমা করে দেয়;

Word by word

وَٱلَّذِينَ يَجْتَنِبُونَ كَبَٰٓئِرَ ٱلْإِثْمِ وَٱلْفَوَٰحِشَ وَإِذَا مَا غَضِبُوا۟ هُمْ يَغْفِرُونَ

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ اسْتَجَابُوا لِرَبِّهِمْ وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَأَمْرُهُمْ شُورَىٰ بَيْنَهُمْ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنفِقُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের আহ্‌বানে সাড়া দেয়, কায়েম করে, নিজেদের মধ্যে পরামর্শের মাধ্যমে নিজেদের কর্ম সম্পাদন করে এবং তাহাদেরকে আমি যে রিযিক দিয়াছি তাহা হইতে ব্যয় করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা তাদের রবের আহবানে সাড়া দেয়, কায়েম করে, তাদের কার্যাবলী তাদের পারস্পরিক পরামর্শের ভিত্তিতে সম্পন্ন করে এবং আমি তাদেরকে যে রিয্ক দিয়েছি তা থেকে তারা ব্যয় করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের প্রভুর আহবানে সাড়া দেয়, কায়েম করে, পারস্পরিক পরামর্শের ভিত্তিতে নিজেদের বিষয়াদি পরিচালনা করে এবং আমার দেয়া রিযিক থেকে খরচ করে;

Word by word

وَٱلَّذِينَ ٱسْتَجَابُوا۟ لِرَبِّهِمْ وَأَقَامُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَمْرُهُمْ شُورَىٰ بَيْنَهُمْ وَمِمَّا رَزَقْنَٰهُمْ يُنفِقُونَ

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ إِذَا أَصَابَهُمُ الْبَغْيُ هُمْ يَنتَصِرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা অত্যাচারিত হইলে প্রতিশোধ গ্রহণ করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের উপর অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করা হলে তারা তার প্রতিবিধান করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর (তাদের উপর) অন্যায় অত্যাচার করা হলে প্রতিশোধ গ্রহণ করে।

Word by word

وَٱلَّذِينَ إِذَآ أَصَابَهُمُ ٱلْبَغْىُ هُمْ يَنتَصِرُونَ

Arabic, with marks

وَجَزَاءُ سَيِّئَةٍ سَيِّئَةٌ مِّثْلُهَا ۖ فَمَنْ عَفَا وَأَصْلَحَ فَأَجْرُهُ عَلَى اللَّهِ ۚ إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الظَّالِمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মন্দের প্রতিফল অনুরূপ মন্দ এবং যে ক্ষমা করিয়া দেয় ও আপোস - নিষ্পত্তি করে তাহার পুরস্কার ‌র নিকট আছে। ‌ জালিমদেরকে পসন্দ করেন না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মন্দের প্রতিফল অনুরূপ মন্দ। অতঃপর যে ক্ষমা করে দেয় এবং আপোস নিস্পত্তি করে, তার পুরস্কার আল্লাহর নিকট রয়েছে। নিশ্চয় যালিমদের পছন্দ করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

মন্দের বিনিময় তো অনুরূপ মন্দ। তবে যে ক্ষমা করে দেয় এবং নিষ্পত্তি করে নেয়, তার পুরস্কার আল্লাহর জিম্মায়। তিনি অত্যাচারীদের মোটেও পছন্দ করেননা।

Word by word

وَجَزَٰٓؤُا۟ سَيِّئَةٍ سَيِّئَةٌ مِّثْلُهَا فَمَنْ عَفَا وَأَصْلَحَ فَأَجْرُهُۥ عَلَى ٱللَّهِ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلظَّٰلِمِينَ

Arabic, with marks

وَلَمَنِ انتَصَرَ بَعْدَ ظُلْمِهِ فَأُولَٰئِكَ مَا عَلَيْهِم مِّن سَبِيلٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে অত্যাচারিত হইবার পর যাহারা প্রতিবিধান করে তাহাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে না;

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে অত্যাচারিত হবার পর যারা প্রতিবিধান করে, তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যারা অত্যাচারিত হবার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে, তাদের অপরাধ ধরা হবেনা।

Word by word

وَلَمَنِ ٱنتَصَرَ بَعْدَ ظُلْمِهِۦ فَأُو۟لَٰٓئِكَ مَا عَلَيْهِم مِّن سَبِيلٍ

Arabic, with marks

إِنَّمَا السَّبِيلُ عَلَى الَّذِينَ يَظْلِمُونَ النَّاسَ وَيَبْغُونَ فِي الْأَرْضِ بِغَيْرِ الْحَقِّ ۚ أُولَٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেবল তাহাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অবলম্বন করা হইবে যাহারা মানুষের উপর অত্যাচার করে এবং পৃথিবীতে অন্যায়ভাবে বিদ্রোহাচরণ করিয়া বেড়ায়, উহাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কেবল তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যারা মানুষের উপর যুলম করে এবং যমীনে অন্যায়ভাবে সীমালঙ্ঘন করে বেড়ায়। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

অপরাধী সাব্যস্ত করা হবে তদেরকে, যারা মানুষের উপর অত্যাচার করে এবং পৃথিবীতে অন্যায় বাড়াবাড়িতে লিপ্ত হয়। তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

Word by word

إِنَّمَا ٱلسَّبِيلُ عَلَى ٱلَّذِينَ يَظْلِمُونَ ٱلنَّاسَ وَيَبْغُونَ فِى ٱلْأَرْضِ بِغَيْرِ ٱلْحَقِّ أُو۟لَٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

Arabic, with marks

وَلَمَن صَبَرَ وَغَفَرَ إِنَّ ذَٰلِكَ لَمِنْ عَزْمِ الْأُمُورِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্য যে ধৈর্য ধারণ করে এবং ক্ষমা করিয়া দেয়, উহা তো হইবে দৃঢ় সংকল্পেরই কাজ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে ধৈর্যধারণ করে এবং ক্ষমা করে, তা নিশ্চয় দৃঢ়সংকল্পেরই কাজ।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে সবর অবলম্বন করে এবং ক্ষমা করে দেয়, তার সে কাজ অবশ্যি আল্লাহর পছন্দনীয় মহোত্তম সংকল্পের কাজ।

Word by word

وَلَمَن صَبَرَ وَغَفَرَ إِنَّ ذَٰلِكَ لَمِنْ عَزْمِ ٱلْأُمُورِ

Arabic, with marks

وَمَن يُضْلِلِ اللَّهُ فَمَا لَهُ مِن وَلِيٍّ مِّن بَعْدِهِ ۗ وَتَرَى الظَّالِمِينَ لَمَّا رَأَوُا الْعَذَابَ يَقُولُونَ هَلْ إِلَىٰ مَرَدٍّ مِّن سَبِيلٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ যাহাকে পথভ্রষ্ট করেন তৎপর তাহার জন্য কোন অভিভাবক নাই। জালিমরা যখন শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে তখন তুমি উহাদেরকে বলিতে শুনিবে, ‘প্রত্যাবর্তনের কোন উপায় আছে কি?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তারপর তার জন্য কোন অভিভাবক নেই। আর তুমি যালিমদেরকে দেখবে, যখন তারা আযাব প্রত্যক্ষ করবে তখন বলবে, ‘ফিরে যাওয়ার কোন পথ আছে কি’?

আবদুস শহীদ নাসিম

যাকে পথভ্রষ্ট করে দেন, ছাড়া তার কোনো রক্ষাকারী নেই। এই যালিমরা যখন আযাবের সম্মুখীন হবে, তখন তুমি তাদের বলতে দেখবে: ‘(পৃথিবীতে) ফিরে যাবার কোনো পথ আছে কি?’

Word by word

وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِن وَلِىٍّ مِّنۢ بَعْدِهِۦ وَتَرَى ٱلظَّٰلِمِينَ لَمَّا رَأَوُا۟ ٱلْعَذَابَ يَقُولُونَ هَلْ إِلَىٰ مَرَدٍّ مِّن سَبِيلٍ

Arabic, with marks

وَتَرَاهُمْ يُعْرَضُونَ عَلَيْهَا خَاشِعِينَ مِنَ الذُّلِّ يَنظُرُونَ مِن طَرْفٍ خَفِيٍّ ۗ وَقَالَ الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّ الْخَاسِرِينَ الَّذِينَ خَسِرُوا أَنفُسَهُمْ وَأَهْلِيهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ۗ أَلَا إِنَّ الظَّالِمِينَ فِي عَذَابٍ مُّقِيمٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উহাদেরকে দেখিতে পাইবে যে, উহাদেরকে জাহান্নামের সম্মুখে উপস্থিত করা হইতেছে; তাহারা অপমানে অবনত অবস্থায় অর্ধনিমীলিত নেত্রে তাকাইতেছে। মু’মিনরা কিয়ামতের দিন বলিবে, ‘ক্ষতিগ্রস্ত তাহারাই যাহারা নিজেদের ও নিজেদের পরিজনবর্গের ক্ষতিসাধন করিয়াছে।’ জানিয়া রাখ, জালিমরা অবশ্যই ভোগ করিবে স্থায়ী শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি তাদেরকে আরো দেখবে যে, তাদেরকে অপমানে অবনত অবস্থায় জাহান্নামে উপস্থিত করা হচ্ছে, তারা আড় চোখে তাকাচ্ছে। আর কিয়ামতের দিন মুমিনগণ বলবে, তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত যারা নিজদের ও পরিবার-পরিজনের ক্ষতি সাধন করেছে। সাবধান! যালিমরাই থাকবে স্থায়ী আযাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি দেখতে পাবে, অবনত অপদস্থ করে এদের জাহান্নামে নেয়া হচ্ছে এবং নত চোখ বাঁকা করে তারা তাকে দেখছে। সেদিন মুমিনরা বলবে: ‘আসল ক্ষতিগ্রস্ত তারাই, যারা আজ নিজেদেরকে এবং নিজেদের পরিবার পরিজনকে ক্ষতির মধ্যে নিক্ষেপ করেছে।’ সাবধান, যালিমরা অবশ্যি থাকবে চিরস্থায়ী আযাবের মধ্যে।

Word by word

وَتَرَىٰهُمْ يُعْرَضُونَ عَلَيْهَا خَٰشِعِينَ مِنَ ٱلذُّلِّ يَنظُرُونَ مِن طَرْفٍ خَفِىٍّ وَقَالَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِنَّ ٱلْخَٰسِرِينَ ٱلَّذِينَ خَسِرُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ وَأَهْلِيهِمْ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ أَلَآ

Arabic, with marks

وَمَا كَانَ لَهُم مِّنْ أَوْلِيَاءَ يَنصُرُونَهُم مِّن دُونِ اللَّهِ ۗ وَمَن يُضْلِلِ اللَّهُ فَمَا لَهُ مِن سَبِيلٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ ব্যতীত উহাদেরকে সাহায্য করিবার জন্য উহাদের কোন অভিভাবক থাকিবে না এবং ‌ যাহাকে পথভ্রষ্ট করেন তাহার কােন গতি নাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ছাড়া তাদেরকে সাহায্য করার জন্য তাদের কোন অভিভাবক থাকবে না। আর যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার কোন পথ নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

ছাড়া তাদের সাহায্য করার জন্যে তাদের আর কোনোই অলি - অভিভাবক থাকবেনা। যাকে পথভ্রষ্ট করে দেন, তার রক্ষা পাবার আর কোনো পথ থাকেনা।

Word by word

وَمَا كَانَ لَهُم مِّنْ أَوْلِيَآءَ يَنصُرُونَهُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِن سَبِيلٍ

Arabic, with marks

اسْتَجِيبُوا لِرَبِّكُم مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِيَ يَوْمٌ لَّا مَرَدَّ لَهُ مِنَ اللَّهِ ۚ مَا لَكُم مِّن مَّلْجَإٍ يَوْمَئِذٍ وَمَا لَكُم مِّن نَّكِيرٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের প্রতিপালকের আহ্‌বানে সাড়া দাও ‌র পক্ষ হইতে সেই দিবস আসিবার পূর্বে, যাহা অপ্রতিরোধ্য; যেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকিবে না এবং তোমাদের জন্য উহা নিরোধ করিবার কেহ থাকিবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা তোমাদের রবের ডাকে সাড়া দাও, আল্লাহর পক্ষ থেকে সেদিন আসার পূর্বের্ই, যাকে ফিরিয়ে দেয়ার কোনো উপায় নেই। সেদিন তোমাদের জন্য কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তোমাদের জন্য প্রতিরোধকারীও থাকবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং, তোমরা আল্লাহর আহবানে সাড়া দাও (তাঁর নির্দেশ মতো জীবন পরিচালনা করো) সেই দিনটি আসার আগেই, যার আগমন অপ্রতিরোধ্য। সেদিন তোমাদের কোনো আশ্রয়স্থল থাকবেনা এবং তোমাদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করারও কেউ থাকবেনা।

Word by word

ٱسْتَجِيبُوا۟ لِرَبِّكُم مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِىَ يَوْمٌ لَّا مَرَدَّ لَهُۥ مِنَ ٱللَّهِ مَا لَكُم مِّن مَّلْجَإٍ يَوْمَئِذٍ وَمَا لَكُم مِّن نَّكِيرٍ

Arabic, with marks

فَإِنْ أَعْرَضُوا فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا ۖ إِنْ عَلَيْكَ إِلَّا الْبَلَاغُ ۗ وَإِنَّا إِذَا أَذَقْنَا الْإِنسَانَ مِنَّا رَحْمَةً فَرِحَ بِهَا ۖ وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ فَإِنَّ الْإِنسَانَ كَفُورٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যদি মুখ ফিরাইয়া নেয়, তবে তোমাকে তো আমি ইহাদের রক্ষক করিয়া পাঠাই নাই। তোমার কাজ তো কেবল বাণী পৌঁছাইয়া দেওয়া। আমি মানুষকে যখন অনুগ্রহ আস্বাদন করাই তখন সে ইহাতে উৎফুল্ল হয় এবং যখন উহাদের কৃতকর্মের জন্য উহাদের বিপদ - আপদ ঘটে তখন মানুষ হইয়া পড়ে অকৃতজ্ঞ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে আমি তো তোমাকে তাদের রক্ষক হিসেবে পাঠাইনি। বাণী পৌঁছে দেয়াই তোমার দায়িত্ব। আর আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই তখন সে খুশি হয়। আর যখন তাদের কৃতকর্মের জন্য তাদের উপর কোন বিপদ আসে তখন মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরপরও যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আমরা তো তোমাকে তাদের রক্ষক বানিয়ে পাঠাইনি। বার্তা পৌঁছে দেয়া ছাড়া তোমার কোনো দায় দায়িত্ব নেই। মানুষের অবস্থা তো হলো এই যে, আমরা যখন তাকে আমাদের রহমতের স্বাদ গ্রহণ করাই, সে উল্লসিত হয়ে উঠে। আবার যখন তাদের কৃতকর্মের ফলে তাদের উপর দু:খ দুর্দশা চেপে বসে, তখন মানুষ হয়ে পড়ে চরম অকৃতজ্ঞ।

Word by word

فَإِنْ أَعْرَضُوا۟ فَمَآ أَرْسَلْنَٰكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا إِنْ عَلَيْكَ إِلَّا ٱلْبَلَٰغُ وَإِنَّآ إِذَآ أَذَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ مِنَّا رَحْمَةً فَرِحَ بِهَا وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌۢ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْد

Arabic, with marks

لِّلَّهِ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ ۚ يَهَبُ لِمَن يَشَاءُ إِنَاثًا وَيَهَبُ لِمَن يَشَاءُ الذُّكُورَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর আধিপত্য ‌রই। তিনি যাহা ইচ্ছা তাহাই সৃষ্টি করেন। তিনি যাহাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আসমানসমূহ ও যমীনের রাজত্ব আল্লাহরই। তিনি যা চান সৃষ্টি করেন। তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাবিশ্ব এবং এই পৃথিবীর শাসন - কর্তৃত্ব একমাত্র আল্লাহর। তিনি তাই সৃষ্টি করেন, যা তিনি চান। তিনি যাকে চান কন্যা সন্তান দান করেন, আর যাকে চান দান করেন পুত্র সন্তান।

Word by word

لِّلَّهِ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ يَخْلُقُ مَا يَشَآءُ يَهَبُ لِمَن يَشَآءُ إِنَٰثًا وَيَهَبُ لِمَن يَشَآءُ ٱلذُّكُورَ

Arabic, with marks

أَوْ يُزَوِّجُهُمْ ذُكْرَانًا وَإِنَاثًا ۖ وَيَجْعَلُ مَن يَشَاءُ عَقِيمًا ۚ إِنَّهُ عَلِيمٌ قَدِيرٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অথবা দান করেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই এবং যাহাকে ইচ্ছা তাহাকে করিয়া দেন বন্ধ্যা; তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অথবা তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করেন। তিনি তো সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাকে চান তিনি পুত্র - কন্যা উভয় সন্তানই দান করেন, আর যাকে ইচ্ছা করে রাখেন বন্ধ্যা। তিনি সর্বজ্ঞানী এবং সর্বশক্তিমান।

Word by word

أَوْ يُزَوِّجُهُمْ ذُكْرَانًا وَإِنَٰثًا وَيَجْعَلُ مَن يَشَآءُ عَقِيمًا إِنَّهُۥ عَلِيمٌ قَدِيرٌ

Arabic, with marks

۞ وَمَا كَانَ لِبَشَرٍ أَن يُكَلِّمَهُ اللَّهُ إِلَّا وَحْيًا أَوْ مِن وَرَاءِ حِجَابٍ أَوْ يُرْسِلَ رَسُولًا فَيُوحِيَ بِإِذْنِهِ مَا يَشَاءُ ۚ إِنَّهُ عَلِيٌّ حَكِيمٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের এমন মর্যাদা নাই যে, ‌ তাহার সঙ্গে কথা বলিবেন ওহীর মাধ্যম ব্যতিরেকে, অথবা পর্দার অন্তরাল ব্যতিরেকে, অথবা এমন দূত প্রেরণ ব্যতিরেকে, যেই দূত তাঁহার অনুমতিক্রমে তিনি যাহা চাহেন তাহা ব্যক্ত করেন, তিনি সমুন্নত, প্রজ্ঞাময়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কোন মানুষের এ মর্যাদা নেই যে, তার সাথে সরাসরি কথা বলবেন, ওহীর মাধ্যম, পর্দার আড়াল অথবা কোন দূত পাঠানো ছাড়া। তারপর আল্লাহর অনুমতি সাপেক্ষে তিনি যা চান তাই ওহী প্রেরণ করেন। তিনি তো মহীয়ান, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

কোনো মানুষকে এ মর্যাদা দেয়া হয়নি যে, তার সাথে (সরাসরি) কথা বলবেন। তিনি কারো সাথে কথা বললে বলে থাকেন অহির (সুক্ষ্ম ইংগিতের) মাধ্যমে, অথবা পর্দার অন্তরাল থেকে, কিংবা তার কাছে বার্তাবাহক (ফেরেশতা) পাঠিয়ে দেন এবং সে তাঁর হুকুম মতো তিনি যা চান, তা অহি করে। নি:সন্দেহে তিনি অতি মহান ও মহাবিজ্ঞ।

Word by word

وَمَا كَانَ لِبَشَرٍ أَن يُكَلِّمَهُ ٱللَّهُ إِلَّا وَحْيًا أَوْ مِن وَرَآئِ حِجَابٍ أَوْ يُرْسِلَ رَسُولًا فَيُوحِىَ بِإِذْنِهِۦ مَا يَشَآءُ إِنَّهُۥ عَلِىٌّ حَكِيمٌ

Arabic, with marks

وَكَذَٰلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ رُوحًا مِّنْ أَمْرِنَا ۚ مَا كُنتَ تَدْرِي مَا الْكِتَابُ وَلَا الْإِيمَانُ وَلَٰكِن جَعَلْنَاهُ نُورًا نَّهْدِي بِهِ مَن نَّشَاءُ مِنْ عِبَادِنَا ۚ وَإِنَّكَ لَتَهْدِي إِلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি তোমার প্রতি প্রত্যাদেশ করিয়াছি রূহ্ তথা আমার নির্দেশ; তুমি তো জানিতে না কিতাব কি এবং ঈমান কি। পক্ষান্তরে আমি ইহাকে করিয়াছি আলো যাহা দ্বারা আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাহাকে ইচ্ছা পথনির্দেশ করি; তুমি তো প্রদর্শন কর কেবল সরল পথ -

বয়ান ফাউন্ডেশন

অনুরূপভাবে (উপরোক্ত তিনটি পদ্ধতিতে) আমি তোমার কাছে আমার নির্দেশ থেকে ‘রূহ’কে ওহী যোগে প্রেরণ করেছি। তুমি জানতে না কিতাব কী এবং ঈমান কী? কিন্তু আমি একে আলো বানিয়েছি, যার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা হিদায়াত দান করি। আর নিশ্চয় তুমি সরল পথের দ

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মুহাম্মদ) এ পদ্ধতিতেই আমরা আমাদের নির্দেশ (Command) - এর একটি ‘রূহ’ তোমার কাছে অহি করেছি। তুমি তো কিছুই জানতে না, কিতাব কী? ঈমান কী? (আসল কথা হলো, আমরা তোমার কাছে প্রেরিত) সেই রূহটিকে (তোমার জন্যে) একটি আলোকবর্তিকা বানিয়ে দিয়েছি। এই আলোকবর্তিকা দিয়েই আমরা আমাদের দাসদের যাকে ইচ্ছা সঠিক পথ দেখিয়ে থাকি। আর নি:সন্দেহে (হে মুহাম্মদ!) তুমি সিরাতুল মুস্তাকিমের (সঠিক পথের) দিকেই ডাকছো।

Word by word

وَكَذَٰلِكَ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ رُوحًا مِّنْ أَمْرِنَا مَا كُنتَ تَدْرِى مَا ٱلْكِتَٰبُ وَلَا ٱلْإِيمَٰنُ وَلَٰكِن جَعَلْنَٰهُ نُورًا نَّهْدِى بِهِۦ مَن نَّشَآءُ مِنْ عِبَادِنَا وَإِنَّكَ لَتَهْدِىٓ إِلَى

Arabic, with marks

صِرَاطِ اللَّهِ الَّذِي لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ أَلَا إِلَى اللَّهِ تَصِيرُ الْأُمُورُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই ‌র পথ যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহার মালিক। জানিয়া রাখ, সকল বিষয়ের পরিণাম ‌রই দিকে প্রত্যাবর্তন করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেই আল্লাহর পথ, যিনি আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে তার মালিক। সাবধান! সব বিষয়ই আল্লাহর কাছে ফিরে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তুমি মানুষকে) সেই মহান (আল্লাহর) পথের দিকেই ডাকছো, মহাবিশ্ব এবং এই পৃথিবীর সবকিছুর যিনি মালিক। সতর্ক হও, নি:সন্দেহে সমস্ত বিষয় (চূড়ান্ত ফায়সালার জন্যে) ফিরে যায় আল্লাহরই কাছে।

Word by word

صِرَٰطِ ٱللَّهِ ٱلَّذِى لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ أَلَآ إِلَى ٱللَّهِ تَصِيرُ ٱلْأُمُورُ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme