بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ وَالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ
ভাবো আকাশের ও রাতের আগন্তুকের কথা!
কসম আসমানের ও রাতে আগমনকারীর।
শপথ আকাশের এবং রাত্রিতে আগমনকারীর।
وَٱلسَّمَآءِ وَٱلطَّارِقِ
Chapter 86, 17 verses
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ وَالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ
ভাবো আকাশের ও রাতের আগন্তুকের কথা!
কসম আসমানের ও রাতে আগমনকারীর।
শপথ আকাশের এবং রাত্রিতে আগমনকারীর।
وَٱلسَّمَآءِ وَٱلطَّارِقِ
وَمَا أَدْرَاكَ مَا الطَّارِقُ
আর কী তোমাকে বুঝতে দেবে কে সেই রাতের আগন্তুক?
আর কিসে তোমাকে জানাবে রাতে আগমনকারী কী?
আপনি জানেন, যে রাত্রিতে আসে সেটা কি?
وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلطَّارِقُ
النَّجْمُ الثَّاقِبُ
একটি অত্যুজ্জ্বল নক্ষত্র।
উজ্জ্বল নক্ষত্র।
সেটা এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।
ٱلنَّجْمُ ٱلثَّاقِبُ
إِن كُلُّ نَفْسٍ لَّمَّا عَلَيْهَا حَافِظٌ
প্রত্যেক সার পক্ষেই - - তার উপরে একজন তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে।
প্রত্যেক জীবের উপরই সংরক্ষক রয়েছে।
প্রত্যেকের উপর একজন তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে।
إِن كُلُّ نَفْسٍ لَّمَّا عَلَيْهَا حَافِظٌ
فَلْيَنظُرِ الْإِنسَانُ مِمَّ خُلِقَ
সুতরাং মানুষ ভেবে দেখুক কিসে থেকে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে।
অতএব মানুষের চিন্তা করে দেখা উচিৎ, তাকে কী থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে ?
অতএব, মানুষের দেখা উচিত কি বস্তু থেকে সে সৃজিত হয়েছে।
فَلْيَنظُرِ ٱلْإِنسَٰنُ مِمَّ خُلِقَ
خُلِقَ مِن مَّاءٍ دَافِقٍ
তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে সবেগে - স্খলিত পানি থেকে, - -
তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে দ্রুতবেগে নির্গত পানি থেকে।
সে সৃজিত হয়েছে সবেগে স্খলিত পানি থেকে।
خُلِقَ مِن مَّآءٍ دَافِقٍ
يَخْرُجُ مِن بَيْنِ الصُّلْبِ وَالتَّرَائِبِ
যা নির্গত হয় মেরুদন্ড ও বুকের পাঁজরের মধ্য হতে।
যা বের হয় মেরুদন্ড ও বুকের হাঁড়ের মধ্য থেকে।
এটা নির্গত হয় মেরুদন্ড ও বক্ষপাজরের মধ্য থেকে।
يَخْرُجُ مِنۢ بَيْنِ ٱلصُّلْبِ وَٱلتَّرَآئِبِ
إِنَّهُ عَلَىٰ رَجْعِهِ لَقَادِرٌ
নিঃসন্দেহ তিনি তার প্রত্যাবর্তনে অবশ্যই ক্ষমতাবান।
নিশ্চয় তিনি তাকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।
নিশ্চয় তিনি তাকে ফিরিয়ে নিতে সক্ষম।
إِنَّهُۥ عَلَىٰ رَجْعِهِۦ لَقَادِرٌ
يَوْمَ تُبْلَى السَّرَائِرُ
সেইদিন লুকোনো সব - কিছুকে প্রকাশ করা হবে;
যে দিন গোপন বিষয়াদি পরীক্ষা করা হবে।
যেদিন গোপন বিষয়াদি পরীক্ষিত হবে,
يَوْمَ تُبْلَى ٱلسَّرَآئِرُ
فَمَا لَهُ مِن قُوَّةٍ وَلَا نَاصِرٍ
তখন তার থাকবে না কোনো ক্ষমতা ও না কোনো সাহায্যকারী।
অতএব তার কোন শক্তি থাকবে না। আর সাহায্যকারীও না।
সেদিন তার কোন শক্তি থাকবে না এবং সাহায্যকারীও থাকবে না।
فَمَا لَهُۥ مِن قُوَّةٍ وَلَا نَاصِرٍ
وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الرَّجْعِ
ভাবো বর্ষণোন্নুখ আকাশের কথা,
বৃষ্টিসম্পন্ন আসমানের কসম।
শপথ চক্রশীল আকাশের
وَٱلسَّمَآءِ ذَاتِ ٱلرَّجْعِ
وَالْأَرْضِ ذَاتِ الصَّدْعِ
আর পৃথিবীর কথা যা বিদীর্ণ হয়।
কসম বিদীর্ণ যমীনের।
এবং বিদারনশীল পৃথিবীর
وَٱلْأَرْضِ ذَاتِ ٱلصَّدْعِ
إِنَّهُ لَقَوْلٌ فَصْلٌ
নিঃসন্দেহ এটি সুমীমাংসাকারী বক্তব্য,
নিশ্চয় এটা ফয়সালাকারী বাণী।
নিশ্চয় কোরআন সত্য - মিথ্যার ফয়সালা।
إِنَّهُۥ لَقَوْلٌ فَصْلٌ
وَمَا هُوَ بِالْهَزْلِ
আর এটি কোনো তামাশার জিনিস নয়।
আর তা অনর্থক নয়।
এবং এটা উপহাস নয়।
وَمَا هُوَ بِٱلْهَزْلِ
إِنَّهُمْ يَكِيدُونَ كَيْدًا
নিঃসন্দেহ তারা চাল চালছে,
নিশ্চয় তারা ভীষণ কৌশল করছে।
তারা ভীষণ চক্রান্ত করে,
إِنَّهُمْ يَكِيدُونَ كَيْدًا
وَأَكِيدُ كَيْدًا
আর আমিও পরিকল্পনা উদ্ভাবন করছি।
আর আমিও ভীষণ কৌশল করছি।
আর আমিও কৌশল করি।
وَأَكِيدُ كَيْدًا
فَمَهِّلِ الْكَافِرِينَ أَمْهِلْهُمْ رُوَيْدًا
অতএব তুমি অবিশ্বাসীদের অবকাশ দাও, তাদের অবকাশ দাও কিছুটা সময়।
অতএব কাফিরদেরকে অবকাশ দাও, তাদেরকে কিছু সময়ের অবকাশ দাও।
অতএব, কাফেরদেরকে অবকাশ দিন, তাদেরকে অবকাশ দিন, কিছু দিনের জন্যে।
فَمَهِّلِ ٱلْكَٰفِرِينَ أَمْهِلْهُمْ رُوَيْدًۢا