الـنازعات , choose another chapter
الـنازعات
Chapter 79, 46 verses
Arabic, with marks
সমকালীন বাংলা
আবদুস শহীদ নাসিম
জহুরুল হক
Word by word
Add book
List
Grid
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ وَالنَّازِعَاتِ غَرْقًا
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ তাদের, যারা প্রবলভাবে টেনে বের করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১ শপথ সেই (ফেরেশতাদের), যারা অত্যন্ত কঠোর ও নির্মমভাবে টেনে হিচঁড়ে বের করে নেয় (কাফির ও দুষ্কৃতকারীদের প্রাণ)।
জহুরুল হক
১ ভাবো প্রচেষ্টাকারীদের প্রচন্ড - প্রচেষ্টার কথা;
Word by word
١ وَٱلنَّٰزِعَٰتِ غَرْقًا
Arabic, with marks
٢ وَالنَّاشِطَاتِ نَشْطًا
সমকালীন বাংলা
২ এবং যারা কোমলভাবে মুক্ত করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২ আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা অত্যন্ত কোমলভাবে বের করে আনে (মুমিনদের আত্মা)।
জহুরুল হক
২ আর ক্ষিপ্রগামীদের ত্বরিত এগুনোয়,
Word by word
٢ وَٱلنَّٰشِطَٰتِ نَشْطًا
Arabic, with marks
٣ وَالسَّابِحَاتِ سَبْحًا
সমকালীন বাংলা
৩ আর যারা তীব্র গতিতে সাঁতার কাটে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ এবং শপথ সেইসব (ফেরেশতা, কিংবা গ্রহের) যারা সাঁতরে চলে।
জহুরুল হক
৩ আর সন্তরণকারীদের দ্রত সন্তরণে,
Word by word
٣ وَٱلسَّٰبِحَٰتِ سَبْحًا
Arabic, with marks
٤ فَالسَّابِقَاتِ سَبْقًا
সমকালীন বাংলা
৪ এবং যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয়,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ আর শপথ সেইসব (ফেরেশতা, নক্ষত্র, কিংবা ঘোড়ার) যারা নির্দেশক্রমে সবেগে ধাবিত হয়।
জহুরুল হক
৪ আর অগ্রগামীরা এগিয়েই চলেছে,
Word by word
٤ فَٱلسَّٰبِقَٰتِ سَبْقًا
Arabic, with marks
٥ فَالْمُدَبِّرَاتِ أَمْرًا
সমকালীন বাংলা
৫ অতঃপর যারা বিষয়সমূহ পরিচালনা করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা তাদের প্রভুর নির্দেশক্রমে কার্য সম্পাদন করে থাকে।
জহুরুল হক
৫ তারপর ঘটনানিয়ন্ত্রণকারীদের কথা!
Word by word
٥ فَٱلْمُدَبِّرَٰتِ أَمْرًا
Arabic, with marks
٦ يَوْمَ تَرْجُفُ الرَّاجِفَةُ
সমকালীন বাংলা
৬ যেদিন প্রকম্পনকারী প্রকম্পিত করবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ সেদিন যখন (প্রথমবার শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে), তখন (পৃথিবী, পাহাড় সবই) প্রবল ধাক্কায় বিশৃংখল হয়ে পড়বে।
জহুরুল হক
৬ সেদিন স্পন্দিত হবে বিরাট স্পন্দনে,
Word by word
٦ يَوْمَ تَرْجُفُ ٱلرَّاجِفَةُ
Arabic, with marks
٧ تَتْبَعُهَا الرَّادِفَةُ
সমকালীন বাংলা
৭ তারপর আরেকটি প্রকম্পন,
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ প্রথমটিকে অনুসরণ করবে আরেকটি শিংগাধবনি (তখন পুনরুত্থিত হবে সব মানুষ)।
জহুরুল হক
৭ পরবর্তী ঘটনা তাকে অনুসরণ করবেই।
Word by word
٧ تَتْبَعُهَا ٱلرَّادِفَةُ
Arabic, with marks
٨ قُلُوبٌ يَوْمَئِذٍ وَاجِفَةٌ
সমকালীন বাংলা
৮ কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ কতো হৃদয় সেদিন কম্পমান হবে ভয়ে।
জহুরুল হক
৮ হৃদয় সেদিন সন্ত্রস্ত হবে,
Word by word
٨ قُلُوبٌ يَوْمَئِذٍ وَاجِفَةٌ
Arabic, with marks
٩ أَبْصَارُهَا خَاشِعَةٌ
সমকালীন বাংলা
৯ তাদের দৃষ্টিসমূহ হবে অবনত,
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তাদের দৃষ্টি হবে (অপমানে) অবনমিত।
জহুরুল হক
৯ তাদের চোখ হবে অবনত।
Word by word
٩ أَبْصَٰرُهَا خَٰشِعَةٌ
Arabic, with marks
١٠ يَقُولُونَ أَإِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِي الْحَافِرَةِ
সমকালীন বাংলা
১০ তারা বলবে, “আমাদের কি সত্যিই পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে?”
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ এরা বলে: ‘‘(মরার পর) আমাদের কি আবার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে (জীবিত করে) আনা হবে?
জহুরুল হক
১০ তারা বলছে - - ''আমরা কি সত্যিই প্রথমাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হব?
Word by word
١٠ يَقُولُونَ أَءِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِى ٱلْحَافِرَةِ
Arabic, with marks
١١ أَإِذَا كُنَّا عِظَامًا نَّخِرَةً
সমকালীন বাংলা
১১ “ক্ষয়প্রাপ্ত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরেও?”
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ আমাদের হাড় - গোড় পঁচে গলে (বিনাশ হয়ে) যাবার পরও?’’
জহুরুল হক
১১ ''যখন আমরা গলা - পচা হাড্ডি হয়ে যাব তখনও?’’
Word by word
١١ أَءِذَا كُنَّا عِظَٰمًا نَّخِرَةً
Arabic, with marks
١٢ قَالُوا تِلْكَ إِذًا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌ
সমকালীন বাংলা
১২ তারা বলবে, “তবে তো এ প্রত্যাবর্তন হবে সর্বনাশা!”
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তারা বলে: ‘তবে তো সেটা হবে এক বড় ক্ষতিকর ফিরে আসা।’
জহুরুল হক
১২ তারা বলে - - ''তাই যদি হয় তবে এ হবে সর্বনাশা প্রত্যাবর্তন।’’
Word by word
١٢ قَالُوا۟ تِلْكَ إِذًا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌ
Arabic, with marks
١٣ فَإِنَّمَا هِيَ زَجْرَةٌ وَاحِدَةٌ
সমকালীন বাংলা
১৩ প্রকৃতপক্ষে তা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ আসল ব্যাপার হলো, ওটা হবে এক বিকট আওয়ায (দ্বিতীয় শিংগা ধ্বনি)।
জহুরুল হক
১৩ কিন্ত এটি নিশ্চয়ই হবে একটি মহাগর্জন,
Word by word
١٣ فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌ وَٰحِدَةٌ
Arabic, with marks
١٤ فَإِذَا هُم بِالسَّاهِرَةِ
সমকালীন বাংলা
১৪ তারপর তারা উন্মুক্ত ভূমিতে উপস্থিত হবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ (সেই বিকট ধ্বনির) সাথে সাথেই তারা নিজেদেরকে জীবিত হাজির দেখতে পাবে এক উন্মুক্ত ময়দানে।
জহুরুল হক
১৪ তখন দেখো! তারা হবে জাগ্রত।
Word by word
١٤ فَإِذَا هُم بِٱلسَّاهِرَةِ
Arabic, with marks
١٥ هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ مُوسَىٰ
সমকালীন বাংলা
১৫ তোমার কাছে কি মূসার সংবাদ পৌঁছেছে?
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তোমার কাছে মূসার হাদিস (ইতিহাস, ঘটনাবলি) পৌছেছে কি?
জহুরুল হক
১৫ তোমার কাছে মূসার কাহিনী পৌঁছেছে কি? - -
Word by word
١٥ هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ
Arabic, with marks
١٦ إِذْ نَادَاهُ رَبُّهُ بِالْوَادِ الْمُقَدَّسِ طُوًى
সমকালীন বাংলা
১৬ যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র 'তুওয়া' উপত্যকায় আহ্বান করেছিলেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ যখন তার প্রভু তাকে পবিত্র তোয়া উপত্যকায় ডেকে বলেছিলেন:
জহুরুল হক
১৬ যখন তাঁর প্রভু তাঁকে আহ্বান করেছিলেন পবিত্র উপত্যকা 'তুওয়া’তে - -
Word by word
١٦ إِذْ نَادَىٰهُ رَبُّهُۥ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًى
Arabic, with marks
١٧ اذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُ طَغَىٰ
সমকালীন বাংলা
১৭ “ফিরাউনের কাছে যাও; নিশ্চয়ই সে সীমালঙ্ঘন করেছে।”
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ ফেরাউনের কাছে যাও, সে লংঘন করেছে সমস্ত সীমা।
জহুরুল হক
১৭ ''ফিরআউনের কাছে যাও, সে নিশ্চয়ই বিদ্রোহ করেছে - -
Word by word
١٧ ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ
Arabic, with marks
١٨ فَقُلْ هَل لَّكَ إِلَىٰ أَن تَزَكَّىٰ
সমকালীন বাংলা
১৮ “এবং তাকে বলো, ‘তুমি কি পরিশুদ্ধ হতে চাও?’”
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ তুমি গিয়ে তাকে বলো: তুমি কি (কুফর, শিরক ও সীমালংঘন থেকে) পবিত্র হবে?
জহুরুল হক
১৮ ''তারপর বলো - - 'তোমার কি আগ্রহ আছে যে তুমি পবিত্র হও?’
Word by word
١٨ فَقُلْ هَل لَّكَ إِلَىٰٓ أَن تَزَكَّىٰ
Arabic, with marks
١٩ وَأَهْدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخْشَىٰ
সমকালীন বাংলা
১৯ “এবং আমি কি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথ দেখাবো, যাতে তুমি ভীত হও?”
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আর আমি কি তোমাকে সঠিক পথ দেখাবো তোমার মালিকের দিকে, যাতে করে তোমার মধ্যে জাগ্রত হয় তাঁর ভয়?
জহুরুল হক
১৯ ''আমি তাহলে তোমাকে তোমার প্রভুর দিকে পরিচালিত করব যেন তুমি ভয় করো’।’’
Word by word
١٩ وَأَهْدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخْشَىٰ
Arabic, with marks
٢٠ فَأَرَاهُ الْآيَةَ الْكُبْرَىٰ
সমকালীন বাংলা
২০ অতঃপর তিনি তাকে মহা নিদর্শন দেখিয়েছিলেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ তারপর সে (মূসা) তার (ফেরাউনের) কাছে গিয়ে তাকে অনেক বড় নিদর্শন দেখালো।
জহুরুল হক
২০ তারপর তিনি তাকে দেখালেন একটি বিরাট নিদর্শন।
Word by word
٢٠ فَأَرَىٰهُ ٱلْءَايَةَ ٱلْكُبْرَىٰ
Arabic, with marks
٢١ فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ
সমকালীন বাংলা
২১ কিন্তু সে অস্বীকার করেছিল এবং অবাধ্য হয়েছিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ কিন্তু সে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করলো এবং অমান্য করলো।
জহুরুল হক
২১ কিন্ত সে মিথ্যা আরোপ করল ও অবাধ্য হল।
Word by word
٢١ فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ
Arabic, with marks
٢٢ ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَىٰ
সমকালীন বাংলা
২২ অতঃপর ফিরে গেলো চেষ্টা করতে;
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ তারপর সে ষড়যন্ত্র অাঁটার প্রচেষ্টায় পিছু হটলো।
জহুরুল হক
২২ অতঃপর ফিরে গেলো চেষ্টা করতে;
Word by word
٢٢ ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَىٰ
Arabic, with marks
٢٣ فَحَشَرَ فَنَادَىٰ
সমকালীন বাংলা
২৩ অতঃপর সে সমবেত করল এবং ঘোষণা করল,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ অতপর (জনতাকে) সমবেত করে ঘোষণা দিলো।
জহুরুল হক
২৩ অতঃপর সে সমবেত করল এবং ঘোষণা করল,
Word by word
٢٣ فَحَشَرَ فَنَادَىٰ
Arabic, with marks
٢٤ فَقَالَ أَنَا رَبُّكُمُ الْأَعْلَىٰ
সমকালীন বাংলা
২৪ এবং বলল, “আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।”
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ বললো: ‘আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রভু।’
জহুরুল হক
২৪ এবং বলল, “আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।”
Word by word
٢٤ فَقَالَ أَنَا۠ رَبُّكُمُ ٱلْأَعْلَىٰ
Arabic, with marks
٢٥ فَأَخَذَهُ اللَّهُ نَكَالَ الْآخِرَةِ وَالْأُولَىٰ
সমকালীন বাংলা
২৫ তখন আল্লাহ তাকে পরকাল ও ইহকালের শাস্তির জন্য ধরলেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ সুতরাং আল্লাহ তাকে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করলেন তার শেষ ও প্রথম সীমা লংঘনের জন্যে।
জহুরুল হক
২৫ সেজন্য আল্লাহ্ তাকে পাকড়াও করলেন পরকালের ও পূর্বের জীবনের দৃষ্টান্ত বানিয়ে।
Word by word
٢٥ فَأَخَذَهُ ٱللَّهُ نَكَالَ ٱلْءَاخِرَةِ وَٱلْأُولَىٰٓ
Arabic, with marks
٢٦ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَعِبْرَةً لِّمَن يَخْشَىٰ
সমকালীন বাংলা
২৬ নিশ্চয়ই এতে শিক্ষা রয়েছে তার জন্য, যে ভয় করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ অবশ্যি এ ঘটনার মধ্যে শিক্ষামূলক উপদেশ রয়েছে ঐ ব্যক্তির জন্যে, যে ভয় করে (আল্লাহকে)।
জহুরুল হক
২৬ নিঃসন্দেহ এতে বাস্তব শিক্ষা রয়েছে তার জন্য যে ভয় করে।
Word by word
٢٦ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَعِبْرَةً لِّمَن يَخْشَىٰٓ
Arabic, with marks
٢٧ أَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ السَّمَاءُ ۚ بَنَاهَا
সমকালীন বাংলা
২৭ তোমাদের সৃষ্টি কি অধিক কঠিন, না আকাশের? তিনি তা নির্মাণ করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ তোমাদের সৃষ্টি করা বেশি কঠিন কাজ, না মহাকাশ সৃষ্টি করা? তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন এই (মহাকাশ)।
জহুরুল হক
২৭ তোমরা কি সৃষ্টিতে কঠিনতর, না মহাকাশ? তিনিই এ - সব বানিয়েছেন।
Word by word
٢٧ ءَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ ٱلسَّمَآءُ بَنَىٰهَا
Arabic, with marks
٢٨ رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّاهَا
সমকালীন বাংলা
২৮ তিনি তার উচ্চতাকে সুউচ্চ করেছেন, অতঃপর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তিনিই অনেক উপরে উঠিয়েছেন এর উচ্চতা, অতপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
জহুরুল হক
২৮ তিনি এর উচ্চতা উন্নীত করেছেন, আর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,
Word by word
٢٨ رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّىٰهَا
Arabic, with marks
٢٩ وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَاهَا
সমকালীন বাংলা
২৯ ৭৯–২৯ : এবং তার রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন ও তার সকালকে আলোকিত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ আর রাতকে তিনি ঢেকে দেন অন্ধকার দিয়ে, আর দিনকে বের করে আনেন আলোকিত করে।
জহুরুল হক
২৯ আর এর রাতকে তিনি অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন, আর বের করে এনেছেন এর দিবালোক।
Word by word
٢٩ وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَىٰهَا
Arabic, with marks
٣٠ وَالْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَاهَا
সমকালীন বাংলা
৩০ এবং এরপর পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ এরপর তিনি বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।
জহুরুল হক
৩০ আর পৃথিবী - - এর পরে তাকে প্রসারিত করেছেন।
Word by word
٣٠ وَٱلْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَىٰهَآ
Arabic, with marks
٣١ أَخْرَجَ مِنْهَا مَاءَهَا وَمَرْعَاهَا
সমকালীন বাংলা
৩১ তিনি তা থেকে তার পানি ও চারণভূমি বের করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ তার (পৃথিবীর) মধ্য থেকেই বের করেছেন তার পানি ও তৃণ - লতা (উদ্ভিদ)।
জহুরুল হক
৩১ এর থেকে তিনি বের করেছেন তার জল, আর তার চারণভূমি।
Word by word
٣١ أَخْرَجَ مِنْهَا مَآءَهَا وَمَرْعَىٰهَا
Arabic, with marks
٣٢ وَالْجِبَالَ أَرْسَاهَا
সমকালীন বাংলা
৩২ এবং পর্বতমালাকে সুদৃঢ়ভাবে গ্রথিত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ এবং তার মধ্যে মজবুতভাবে গেড়ে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত।
জহুরুল হক
৩২ আর পাহাড় - পর্বত - - তিনি তাদের মজবুতভাবে বসিয়ে দিয়েছেন, - -
Word by word
٣٢ وَٱلْجِبَالَ أَرْسَىٰهَا
Arabic, with marks
٣٣ مَتَاعًا لَّكُمْ وَلِأَنْعَامِكُمْ
সমকালীন বাংলা
৩৩ তোমাদের ও তোমাদের গবাদিপশুর জীবিকার জন্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ (এসবই করেছেন) তোমাদের ও তোমাদের পশুদের কল্যাণার্থে।
জহুরুল হক
৩৩ তোমাদের জন্য ও তোমাদের গবাদি - পশুর জন্য খাদ্যের আয়োজন।
Word by word
٣٣ مَتَٰعًا لَّكُمْ وَلِأَنْعَٰمِكُمْ
Arabic, with marks
٣٤ فَإِذَا جَاءَتِ الطَّامَّةُ الْكُبْرَىٰ
সমকালীন বাংলা
৩৪ অতঃপর যখন মহাবিপর্যয় আসবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ অতপর যেদিন ঘটে যাবে মহাবিপর্যয়,
জহুরুল হক
৩৪ তারপর যখন ভীষণ দুর্বিপাক আসবে,
Word by word
٣٤ فَإِذَا جَآءَتِ ٱلطَّآمَّةُ ٱلْكُبْرَىٰ
Arabic, with marks
٣٥ يَوْمَ يَتَذَكَّرُ الْإِنسَانُ مَا سَعَىٰ
সমকালীন বাংলা
৩৫ সেদিন মানুষ স্মরণ করবে সে কিসের জন্য কষ্ট করেছিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ যেদিন মানুষ খুব করে স্মরণ করবে তার (পৃথিবীর জীবনের) সা’য়ীর (ব্যস্ততা ও কৃতকর্মের) কথা,
জহুরুল হক
৩৫ সেইদিন মানুষ স্মরণ করবে যার জন্য সে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল,
Word by word
٣٥ يَوْمَ يَتَذَكَّرُ ٱلْإِنسَٰنُ مَا سَعَىٰ
Arabic, with marks
٣٦ وَبُرِّزَتِ الْجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ
সমকালীন বাংলা
৩৬ এবং জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে, যে দেখবে তার জন্য,
Noteজাহিম: কুরআনে ব্যবহৃত জাহান্নামের একটি নাম, যা বিশেষভাবে প্রজ্বলিত ও তীব্র জ্বলন্ত আগুনের ধারণা প্রকাশ করে। কুরআনে জাহান্নামের জন্য বিভিন্ন নাম ও বর্ণনা ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
جَهَنَّم (Jahannam)
الْجَحِيم (Al-Jaḥīm)
سَقَر (Saqar)
لَظَى (Laẓā)
الْحُطَمَة (Al-Ḥuṭamah)
السَّعِير (As-Saʿīr)
الْهَاوِيَة (Al-Hāwiyah)
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ এবং যেদিন দর্শকদের সামনে খুলে ধরা হবে জাহিম (দোযখ),
জহুরুল হক
৩৬ আর ভয়ংকর আগুন দৃষ্টিগোচর করানো হবে যে দেখে তার জন্য।
Word by word
٣٦ وَبُرِّزَتِ ٱلْجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ
Arabic, with marks
٣٧ فَأَمَّا مَن طَغَىٰ
সমকালীন বাংলা
৩৭ অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করেছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ সেদিন (এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে যে,) পৃথিবীর জীবনে যারা সীমালংঘন করেছিল,
জহুরুল হক
৩৭ তাছাড়া তার ক্ষেত্রে যে সীমালংঘন করেছে,
Word by word
٣٧ فَأَمَّا مَن طَغَىٰ
Arabic, with marks
٣٨ وَآثَرَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا
সমকালীন বাংলা
৩৮ এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ এবং (আখিরাতের চাইতে) অগ্রাধিকার দিয়েছিল দুনিয়ার জীবনকে,
জহুরুল হক
৩৮ এবং দুনিয়ার জীবনকেই বেছে নিয়েছে,
Word by word
٣٨ وَءَاثَرَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا
Arabic, with marks
٣٩ فَإِنَّ الْجَحِيمَ هِيَ الْمَأْوَىٰ
সমকালীন বাংলা
৩৯ তবে নিশ্চয়ই জাহিম হবে তার আশ্রয়,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ তাদের আবাস হবে জাহিম (দোযখ)।
জহুরুল হক
৩৯ সেক্ষেত্রে অবশ্য ভয়ংকর আগুন, - - সেটাই তো বাসস্থান।
Word by word
٣٩ فَإِنَّ ٱلْجَحِيمَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ
Arabic, with marks
٤٠ وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَىٰ
সমকালীন বাংলা
৪০ অপরদিকে যে তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোর ব্যাপারে ভীত হয়েছে এবং নিজেকে প্রবৃত্তি থেকে বিরত রেখেছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ আর যে তার মহান প্রভুর সামনে দাঁড়াবার ভয়ে ভীত ছিলো এবং নিজেকে আত্মার দাসত্ব ও মন্দ কামনা - বাসনা থেকে বিরত রেখেছিল,
জহুরুল হক
৪০ পক্ষান্তরে যে তার প্রভুর সামনে দাঁড়াতে ভয় করে এবং আত্মাকে কামনা - বাসনা থেকে নিবৃত্ত রাখে - -
Word by word
٤٠ وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفْسَ عَنِ ٱلْهَوَىٰ
Arabic, with marks
٤١ فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَىٰ
সমকালীন বাংলা
৪১ তবে নিশ্চয়ই বেহেশতই হবে তার আশ্রয়,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ জান্নাতই হবে তাদের আবাস।
জহুরুল হক
৪১ সেক্ষেত্রে অবশ্য জান্নাত, - - সেটাই তো বাসস্থান।
Word by word
٤١ فَإِنَّ ٱلْجَنَّةَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ
Arabic, with marks
٤٢ يَسْأَلُونَكَ عَنِ السَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَاهَا
সমকালীন বাংলা
৪২ তারা তোমাকে সেই সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, ‘তা কখন ঘটবে?’
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ (হে মুহাম্মদ!) এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে সেই সময়টি সম্পর্কে - তা কখন অনুষ্ঠিত হবে?
জহুরুল হক
৪২ তারা ঘড়ি - ঘান্টা সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে - - কখন তার আগমন হবে?’’
Word by word
٤٢ يَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلسَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَىٰهَا
Arabic, with marks
٤٣ فِيمَ أَنتَ مِن ذِكْرَاهَا
সমকালীন বাংলা
৪৩ সে ব্যাপারে আপনার কী বলার আছে?
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ (কিন্তু) এ ব্যাপারে বলার কী জ্ঞান তোমার আছে?
জহুরুল হক
৪৩ এ - সন্বন্ধে বলবার মতো তোমার কী আছে?
Word by word
٤٣ فِيمَ أَنتَ مِن ذِكْرَىٰهَآ
Arabic, with marks
٤٤ إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَاهَا
সমকালীন বাংলা
৪৪ তার চূড়ান্ত জ্ঞান তোমার প্রতিপালকের কাছেই,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ এর জ্ঞান তো শুধুমাত্র তোমার প্রভুর নিকটই সীমাবদ্ধ।
জহুরুল হক
৪৪ এর চরম সীমা রয়েছে তোমার প্রভুর নিকট।
Word by word
٤٤ إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَىٰهَآ
Arabic, with marks
٤٥ إِنَّمَا أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخْشَاهَا
সমকালীন বাংলা
৪৫ তুমি তো কেবল সতর্ককারী তার জন্য, যে তাকে ভয় করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ তুমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র, তাদের জন্যে যারা তাকে (কিয়ামতকে) ভয় করে।
জহুরুল হক
৪৫ তুমি তো শুধু সতর্ককারী তার জন্য যে এ - সন্বন্ধে ভয় করে।
Word by word
٤٥ إِنَّمَآ أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخْشَىٰهَا
Arabic, with marks
٤٦ كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَهَا لَمْ يَلْبَثُوا إِلَّا عَشِيَّةً أَوْ ضُحَاهَا
সমকালীন বাংলা
৪৬ যেদিন তারা তা দেখবে, মনে হবে যেন তারা কেবল এক সন্ধ্যা বা সকালের বেশী অবস্থান করেনি।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ যেদিন তারা সে দিনটিকে দেখতে পাবে, তারা অনুভব করবে, পৃথিবীতে তারা কাটিয়েছে একটি সন্ধ্যা, কিংবা একটি সকাল মাত্র।
জহুরুল হক
৪৬ যেদিন তারা একে দেখবে সেদিন যেন তারা মাত্র এক সন্ধ্যাবেলা বা তার প্রভাতকাল ব্যতীত অবস্থান করে নি।
Word by word
٤٦ كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَهَا لَمْ يَلْبَثُوٓا۟ إِلَّا عَشِيَّةً أَوْ ضُحَىٰهَا
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report