Die fällig Werdende,
بسم الله الرحمن الرحيم الحاقة
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; অবধারিত ঘটনা।
অবশ্যি ঘটবে সে ঘটনা!
ٱلْحَآقَّةُ
Chapter 69, 52 verses
Die fällig Werdende,
بسم الله الرحمن الرحيم الحاقة
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; অবধারিত ঘটনা।
অবশ্যি ঘটবে সে ঘটনা!
ٱلْحَآقَّةُ
was ist die fällig Werdende?
ما الحاقة
কী সেই অবধারিত ঘটনা?
অবশ্যি ঘটবে কী ঘটনা?
مَا ٱلْحَآقَّةُ
Und was läßt dich wissen, was die fällig Werdende ist?
وما أدراك ما الحاقة
আর কী তোমাকে জানাবে, কী সেই অবধারিত ঘটনা?
তুমি কিভাবে জানবে, অবশ্যি ঘটবে কী ঘটনা?
وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلْحَآقَّةُ
Die Tamud und die 'Ad erklärten das Verhängnis für Lüge.
كذبت ثمود وعاد بالقارعة
সামূদ ও ‘আদ অবধারিত মহাপ্রলয়কে অস্বীকার করেছিল।
আদ ও সামুদ জাতি অস্বীকার করেছিল সেই মহাদুর্ঘটনাকে।
كَذَّبَتْ ثَمُودُ وَعَادٌۢ بِٱلْقَارِعَةِ
Was nun die Tamud angeht, so wurden sie durch den übermäßigen (Donnerschlag) vernichtet.
فأما ثمود فأهلكوا بالطاغية
অতঃপর সামূদকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচণ্ড শব্দে।
এর মধ্যে রয়েছে সামুদ জাতি, তাদের ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দিয়ে।
فَأَمَّا ثَمُودُ فَأُهْلِكُوا۟ بِٱلطَّاغِيَةِ
Was aber die 'Ad angeht, so wurden sie durch einen heftig wehenden eiskalten Wind vernichtet,
وأما عاد فأهلكوا بريح صرصر عاتية
আর ‘আদকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচণ্ড, হিংস্র ঝড়ো হাওয়ায়,
এর মধ্যে রয়েছে আদ জাতি, তাদের ধ্বংস করা হয়েছিল প্রচন্ড ঘুর্ণিঝড় দিয়ে।
وَأَمَّا عَادٌ فَأُهْلِكُوا۟ بِرِيحٍ صَرْصَرٍ عَاتِيَةٍ
den Er entscheidende sieben Nächte und acht Tage fortgesetzt gegen sie einsetzte. Da hättest du in ihnen die Leute (auf dem Boden) niedergestreckt sehen können, als wären sie Stämme hohler Palmen.
سخرها عليهم سبع ليال وثمانية أيام حسوما فترى القوم فيها صرعى كأنهم أعجاز نخل خاوية
যা তিনি তাদের ওপর অবিরাম প্রবাহিত করেছিলেন সাত রাত ও আট দিন ধরে। তখন তুমি সেই সম্প্রদায়কে সেখানে লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখতে, যেন তারা ফাঁপা খেজুরগাছের কাণ্ড।
সেটি তাদের উপর প্রবাহিত রেখেছিলেন সাত রাত আট দিন অবিরাম। তুমি সেখানে উপস্থিত থাকলে দেখতে, পুরো জাতিটি সেখানে (মরে) লুটিয়ে পড়ে আছে উপড়ে পড়া খেজুর গাছের কান্ডের মতো।
سَخَّرَهَا عَلَيْهِمْ سَبْعَ لَيَالٍ وَثَمَٰنِيَةَ أَيَّامٍ حُسُومًا فَتَرَى ٱلْقَوْمَ فِيهَا صَرْعَىٰ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ خَاوِيَةٍ
Siehst du denn etwas von ihnen (übrig)geblieben?
فهل ترى لهم من باقية
অতঃপর তুমি কি তাদের কোনো অবশিষ্ট দেখতে পাও?
তুমি তাদের কাউকেও অবশিষ্ট দেখতে পাচ্ছো কি?
فَهَلْ تَرَىٰ لَهُم مِّنۢ بَاقِيَةٍ
Und es begingen Fir'aun und wer vor ihm war und die umgestürzten Städte Vergehen.
وجاء فرعون ومن قبله والمؤتفكات بالخاطئة
আর ফিরআউন, তার পূর্ববর্তীরা এবং উল্টে দেওয়া জনপদসমূহ পাপ নিয়ে এসেছিল।
তারপর এসেছিল ফেরাউন, তার পূর্ববর্তীরা আর পাপাচারে লিপ্ত থাকা উল্টে দেয়া জনপদ (অর্থাৎ কওমে লুত)।
وَجَآءَ فِرْعَوْنُ وَمَن قَبْلَهُۥ وَٱلْمُؤْتَفِكَٰتُ بِٱلْخَاطِئَةِ
So widersetzten sie sich den Gesandten ihres Herrn. Da ergriff Er sie mit stärker werdendem Griff.
فعصوا رسول ربهم فأخذهم أخذة رابية
অতঃপর তারা তাদের প্রতিপালকের রসূলকে অমান্য করেছিল; ফলে তিনি তাদেরকে কঠোরভাবে পাকড়াও করেছিলেন।
তারা তাদের প্রভুর রসূলকে অমান্য করেছিল। এর ফলে তিনি তাদের পাকড়াও করেন কঠোর পাকড়াও।
فَعَصَوْا۟ رَسُولَ رَبِّهِمْ فَأَخَذَهُمْ أَخْذَةً رَّابِيَةً
Gewiß, als das Wasser das Maß überschritt, trugen ja Wir euch auf dem fahrenden (Schiff),
إنا لما طغى الماء حملناكم في الجارية
নিশ্চয়ই যখন পানি সীমা অতিক্রম করেছিল, তখন আমরা তোমাদেরকে বহন করেছিলাম ভাসমান নৌযানে,
(এর আগে নূহের সময়) পানি যখন উথলে উঠেছিল আমরা তোমাদের তুলে নিয়েছিলাম নৌযানে,
إِنَّا لَمَّا طَغَا ٱلْمَآءُ حَمَلْنَٰكُمْ فِى ٱلْجَارِيَةِ
um es für euch zu einer Erinnerung zu machen, und damit es von einem jeden aufnahmefähigen Ohr aufgenommen wird.
لنجعلها لكم تذكرة وتعيها أذن واعية
যাতে আমরা এটিকে তোমাদের জন্য একটি স্মারক করি, এবং মনোযোগী কান তা ধারণ করে।
এসব ঘটনাকে আমরা তোমাদের জন্যে বানিয়েছি শিক্ষার বিষয়। আর যেসব কান এগুলো শুনে তারা যেনো এগুলো সংরক্ষণ করে।
لِنَجْعَلَهَا لَكُمْ تَذْكِرَةً وَتَعِيَهَآ أُذُنٌ وَٰعِيَةٌ
Wenn ins Horn ein (einziges) Mal geblasen wird
فإذا نفخ في الصور نفخة واحدة
অতঃপর যখন শিঙ্গায় একবার ফুঁ দেওয়া হবে,
তারপর যখন শিঙায় ফুৎকার দেয়া হবে, একটি (প্রথম) ফুৎকার,
فَإِذَا نُفِخَ فِى ٱلصُّورِ نَفْخَةٌ وَٰحِدَةٌ
und Erde und Berge gehoben und dann mit einem einzigen Schlag zu Staub eingeebnet werden,
وحملت الأرض والجبال فدكتا دكة واحدة
এবং পৃথিবী ও পর্বতমালা উত্তোলিত হবে, তারপর এক আঘাতে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে,
এবং পৃথিবী ও পর্বতমালাকে উঠিয়ে নিক্ষেপ করা হবে, তখন এক ধাক্কায়ই সেগুলো হয়ে যাবে চুর্ণবিচুর্ণ।
وَحُمِلَتِ ٱلْأَرْضُ وَٱلْجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةً وَٰحِدَةً
an jenem Tag dann trifft (die Stunde) ein, die eintreffen wird,
فيومئذ وقعت الواقعة
সেদিন সেই অবধারিত মহাপ্রলয় সংঘটিত হবে
সেদিনই সংঘটিত হবে ওয়াকিয়া (মহাদুর্ঘটনা)।
فَيَوْمَئِذٍ وَقَعَتِ ٱلْوَاقِعَةُ
und der Himmel spaltet sich, so daß er an jenem Tag brüchig wird,
وانشقت السماء فهي يومئذ واهية
এবং আকাশ বিদীর্ণ হবে; সেদিন তা হবে দুর্বল।
তখন ফেটে চৌচির হয়ে যাবে আকাশ এবং তা পড়তে থাকবে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে।
وَٱنشَقَّتِ ٱلسَّمَآءُ فَهِىَ يَوْمَئِذٍ وَاهِيَةٌ
und die Engel (befinden sich) an seinen Seiten. Und den Thron deines Herrn werden über ihnen an jenem Tag acht tragen.
والملك على أرجائها ۚ ويحمل عرش ربك فوقهم يومئذ ثمانية
আর ফেরেশতারা তার প্রান্তসমূহে থাকবে, এবং সেদিন তোমার প্রতিপালকের আরশ তাদের ঊর্ধ্বে আটজন বহন করবে।
ফেরেশতারা অবস্থান করবে তার (আকাশের) প্রান্তে। সেদিন তাদের উপর আটজন (ফেরেশতা) ধারণ করবে তোমার প্রভুর আরশ।
وَٱلْمَلَكُ عَلَىٰٓ أَرْجَآئِهَا وَيَحْمِلُ عَرْشَ رَبِّكَ فَوْقَهُمْ يَوْمَئِذٍ ثَمَٰنِيَةٌ
An jenem Tag werdet ihr vorgeführt; nichts von euch wird verborgen bleiben.
يومئذ تعرضون لا تخفى منكم خافية
সেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে; তোমাদের কোনো গোপন বিষয়ই গোপন থাকবে না।
সেদিন তোমাদের উপস্থিত করা হবে এবং তোমাদের কোনো কিছুই থাকবেনা গোপন।
يَوْمَئِذٍ تُعْرَضُونَ لَا تَخْفَىٰ مِنكُمْ خَافِيَةٌ
Was nun jemanden angeht, dem dann sein Buch in seine Rechte gegeben wird, der wird sagen: "Ihr da, lest mein Buch.
فأما من أوتي كتابه بيمينه فيقول هاؤم اقرءوا كتابيه
অতঃপর যার আমলনামা তার ডান হাতে দেওয়া হবে, সে বলবে, “এই নিন! আমার আমলনামা পড়ুন।
তখন যার কিতাব (কৃতকর্মের রেকর্ড) দেয়া হবে তার ডান হাতে, সে বলবে: ‘‘নাও পড়ে দেখো আমার কিতাব (রেকর্ড),
فَأَمَّا مَنْ أُوتِىَ كِتَٰبَهُۥ بِيَمِينِهِۦ فَيَقُولُ هَآؤُمُ ٱقْرَءُوا۟ كِتَٰبِيَهْ
Ich glaubte ja, daß ich meiner Abrechnung begegnen werde."
إني ظننت أني ملاق حسابيه
নিশ্চয়ই আমি বিশ্বাস করেছিলাম যে আমি আমার হিসাবের সম্মুখীন হবো।”
আমি বিশ্বাস করতাম, আমাকে অবশ্যি হিসাবের সম্মুখীন হতে হবে।’’
إِنِّى ظَنَنتُ أَنِّى مُلَٰقٍ حِسَابِيَهْ
So wird er in einem zufriedenen Leben sein,
فهو في عيشة راضية
অতঃপর সে থাকবে এক সন্তোষজনক জীবনে,
ফলে সে এমন জীবন যাপন করবে, যাতে সে রাজি খুশি ও সন্তুষ্ট থাকবে।
فَهُوَ فِى عِيشَةٍ رَّاضِيَةٍ
in einem hohen Garten,
في جنة عالية
উঁচু বেহেশতে,
সে থাকবে মর্যাদাপূর্ণ জান্নাতে (বাগ বাগিচায়),
فِى جَنَّةٍ عَالِيَةٍ
dessen Pflückobst herabhängt.
قطوفها دانية
যার ফলগুলো কাছে ঝুলে থাকবে।
তার ফলরাশি নুয়ে থাকবে নাগালের মধ্যেই।
قُطُوفُهَا دَانِيَةٌ
Eßt und trinkt als wohlbekömmlich für das, was ihr früher in den vergangenen Tagen getan habt.
كلوا واشربوا هنيئا بما أسلفتم في الأيام الخالية
“তোমরা খাও এবং পান করো তৃপ্তিসহকারে, অতীত দিনগুলোতে যা তোমরা আগে পাঠিয়েছ তার কারণে।”
(তাদের বলা হবে:) খাও, পান করো পরিতুষ্টির সাথে, সেই কাজের বিনিময়ে যা তোমরা করেছিলে অতীত দিনে (পৃথিবীর জীবনে)।
كُلُوا۟ وَٱشْرَبُوا۟ هَنِيٓـًٔۢا بِمَآ أَسْلَفْتُمْ فِى ٱلْأَيَّامِ ٱلْخَالِيَةِ
Was aber jemanden angeht, dem sein Buch in seine Linke gegeben wird, der wird sagen: "O wäre mir doch mein Buch nicht gegeben worden!
وأما من أوتي كتابه بشماله فيقول يا ليتني لم أوت كتابيه
আর যার আমলনামা তার বাম হাতে দেওয়া হবে, সে বলবে, “হায়! যদি আমাকে আমার আমলনামা দেওয়া না হতো,
কিন্তু যাকে তার কিতাব (রেকর্ড) দেয়া হবে তার বাম হাতে, সে বলবে: ‘‘হায়, আমার ধ্বংস, (কতো ভালো হতো) আমাকে যদি দেয়া না হতো আমার কিতাব!
وَأَمَّا مَنْ أُوتِىَ كِتَٰبَهُۥ بِشِمَالِهِۦ فَيَقُولُ يَٰلَيْتَنِى لَمْ أُوتَ كِتَٰبِيَهْ
Und wüßte ich nicht, was meine Abrechnung ist!
ولم أدر ما حسابيه
এবং আমি যদি না জানতাম আমার হিসাব!,
(হায়,) আমি যদি না জানতাম আমার হিসাব।
وَلَمْ أَدْرِ مَا حِسَابِيَهْ
O wäre dies doch nur das Ende (meines Lebens)!
يا ليتها كانت القاضية
হায়! যদি সেটাই চূড়ান্ত সমাপ্তি হতো!
এখানে "চূড়ান্ত সমাপ্তি" বলতে সম্ভবত মৃত্যুকে বুঝানো হয়েছে
(হায়,) আমার মৃত্যুই যদি হতো আমার শেষ ফায়সালা।
يَٰلَيْتَهَا كَانَتِ ٱلْقَاضِيَةَ
Nicht nützt mir mein Besitz.
ما أغنى عني ماليه ۜ
আমার সম্পদ আমার কোনো উপকারে আসেনি।
আমার মাল - সম্পদ তো আমার কোনো কাজেই এলোনা।
مَآ أَغْنَىٰ عَنِّى مَالِيَهْ
Vernichtet ist meine Macht(fülle)."
هلك عني سلطانيه
আমার কর্তৃত্ব বিলুপ্ত হয়েছে।”
আমার সমস্ত ক্ষমতা - দাপটই তো আমার থেকে হয়ে গেছে হালাক।’’
هَلَكَ عَنِّى سُلْطَٰنِيَهْ
- "Nehmt ihn und fesselt ihn dann.
خذوه فغلوه
“তাকে ধরো, অতঃপর তার গলায় শৃঙ্খল পরিয়ে দাও।”
(ফেরেশতাদের বলা হবে:) ‘‘একে পাকড়াও করো এবং বেড়ি লাগাও তার গলায়।
خُذُوهُ فَغُلُّوهُ
Hierauf setzt ihn dem Höllenbrand aus.
ثم الجحيم صلوه
তারপর তাকে জাহিমে পোড়াও।
জাহিম: কুরআনে ব্যবহৃত জাহান্নামের একটি নাম, যা বিশেষভাবে প্রজ্বলিত ও তীব্র জ্বলন্ত আগুনের ধারণা প্রকাশ করে। কুরআনে জাহান্নামের জন্য বিভিন্ন নাম ও বর্ণনা ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
তারপর নিক্ষেপ করো জাহিমে।
ثُمَّ ٱلْجَحِيمَ صَلُّوهُ
Hierauf steckt ihn in eine Kette, deren Länge siebzig Ellen ist.
ثم في سلسلة ذرعها سبعون ذراعا فاسلكوه
তারপর তাকে সত্তর হাত দীর্ঘ এক শৃঙ্খলে আবদ্ধ করো
অতপর তাকে বাঁধো সত্তর হাত লম্বা শিকল দিয়ে।’’
ثُمَّ فِى سِلْسِلَةٍ ذَرْعُهَا سَبْعُونَ ذِرَاعًا فَٱسْلُكُوهُ
Er pflegte nämlich nicht an Allah, den Allgewaltigen zu glauben
إنه كان لا يؤمن بالله العظيم
নিশ্চয়ই সে মহান আল্লাহর প্রতি ছিল না।
সে ঈমান আনেনি মহান আল্লাহর প্রতি,
إِنَّهُۥ كَانَ لَا يُؤْمِنُ بِٱللَّهِ ٱلْعَظِيمِ
und nicht zur Speisung des Armen anzuhalten.
ولا يحض على طعام المسكين
এবং দরিদ্রকে আহার করাতে উৎসাহ দিত না।
(মানুষকে) উৎসাহ দেয়নি মিসকিনদের আহার করাতে।
وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلْمِسْكِينِ
So hat er hier heute keinen warmherzigen Freund
فليس له اليوم هاهنا حميم
অতএব আজ এখানে তার কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু নেই,
তাই তার জন্যে আজ এখানে নেই কোনো সহমর্মী,
فَلَيْسَ لَهُ ٱلْيَوْمَ هَٰهُنَا حَمِيمٌ
und auch keine Speise außer Jauche,
ولا طعام إلا من غسلين
এবং পুঁজ ছাড়া তার কোনো খাদ্য নেই,
(তার জন্যে) নেই কোনো খাবার ক্ষতের পূঁজ ছাড়া,
وَلَا طَعَامٌ إِلَّا مِنْ غِسْلِينٍ
die nur diejenigen essen, die Verfehlungen begangen haben."
لا يأكله إلا الخاطئون
যা পাপাচারীরা ছাড়া আর কেউ খাবে না।
যা আর কেউই খাবেনা অপরাধীরা ছাড়া।
لَّا يَأْكُلُهُۥٓ إِلَّا ٱلْخَٰطِـُٔونَ
Nein! Ich schwöre bei dem, was ihr seht,
فلا أقسم بما تبصرون
অতএব আমি শপথ করছি যা তোমরা দেখো,
আমি কসম করছি সেসবের, যা তোমরা দেখতে পাও,
فَلَآ أُقْسِمُ بِمَا تُبْصِرُونَ
und dem, was ihr nicht seht.
وما لا تبصرون
এবং যা তোমরা দেখো না,
আর সেসবের যা তোমরা দেখতে পাওনা:
وَمَا لَا تُبْصِرُونَ
Das sind wahrlich die Worte eines edlen Gesandten,
إنه لقول رسول كريم
নিশ্চয়ই এটি সম্মানিত রাসূলের কথা।
নিশ্চয়ই এটি এক সম্মানিত রসূলের কথা।
إِنَّهُۥ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ
das sind nicht die Worte eines Dichters. Wie wenig ihr glaubt!
وما هو بقول شاعر ۚ قليلا ما تؤمنون
এবং এটি কোনো কবির কথা নয়; তোমরা খুব কমই বিশ্বাস কর।
এটি কোনো কবি রচিত কথা নয়; তবে খুব কমই তোমরা বিশ্বাস করো।
وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَاعِرٍ قَلِيلًا مَّا تُؤْمِنُونَ
Und es sind auch nicht die Worte eines Wahrsagers. Wie wenig ihr bedenkt!
ولا بقول كاهن ۚ قليلا ما تذكرون
এবং এটি কোনো গণকের কথা নয়; তোমরা খুব কমই উপদেশ গ্রহণ কর।
এটি কোনো গণকের কথাও নয়, তবে খুব কমই তোমরা উপলব্ধি করো।
وَلَا بِقَوْلِ كَاهِنٍ قَلِيلًا مَّا تَذَكَّرُونَ
(Es ist) eine Offenbarung vom Herrn der Weltenbewohner.
تنزيل من رب العالمين
এটি বিশ্বজগতের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।
এটি হলো রাববুল আলামিনের নাযিল করা (কিতাব)।
تَنزِيلٌ مِّن رَّبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ
Und wenn er sich gegen Uns einige Aussprüche selbst ausgedacht hätte,
ولو تقول علينا بعض الأقاويل
আর যদি সে আমাদের নামে কোনো কথা রচনা করে আমাদের প্রতি আরোপ করত,
সে (মুহাম্মদ) যদি আমাদের নামে কোনো কথা বানিয়ে নিয়ে চালাবার চেষ্টা করতো,
وَلَوْ تَقَوَّلَ عَلَيْنَا بَعْضَ ٱلْأَقَاوِيلِ
hätten Wir ihn sicherlich an der Rechten gefaßt
لأخذنا منه باليمين
তবে অবশ্যই আমরা তার ডান হাত ধরে ফেলতাম,
আমরা অবশ্যি ধরে ফেলতাম তার ডান হাত,
لَأَخَذْنَا مِنْهُ بِٱلْيَمِينِ
und ihm hierauf sicherlich die Herzader durchschnitten,
ثم لقطعنا منه الوتين
তারপর অবশ্যই তার মহাধমনী কেটে দিতাম।
তারপর কেটে ফেলতাম তার জীবন - ধমনী।
ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ ٱلْوَتِينَ
und niemand von euch hätte (Uns) dann von ihm abhalten können.
فما منكم من أحد عنه حاجزين
অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউই তাকে রক্ষা করতে পারত না।
তোমাদের মধ্যে এমন কেউই থাকতো না, যে রক্ষা করতে পারতো তাকে।
فَمَا مِنكُم مِّنْ أَحَدٍ عَنْهُ حَٰجِزِينَ
Er ist wahrlich eine Erinnerung für die Gottesfürchtigen.
وإنه لتذكرة للمتقين
আর নিশ্চয়ই এটি মুত্তাকীদের জন্য এক উপদেশ।
নিশ্চয়ই এ (কুরআন) এক উপদেশ (সতর্ক) লোকদের জন্যে।
وَإِنَّهُۥ لَتَذْكِرَةٌ لِّلْمُتَّقِينَ
Und Wir wissen wahrlich, daß es unter euch Leugner gibt.
وإنا لنعلم أن منكم مكذبين
আর নিশ্চয়ই আমরা জানি যে তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ অস্বীকারকারী।
অবশ্যি আমরা জানি, তোমাদের মধ্যে রয়েছে মিথ্যাবাদীরা।
وَإِنَّا لَنَعْلَمُ أَنَّ مِنكُم مُّكَذِّبِينَ
Und er ist wahrlich (ein Grund zum) Gram für die Ungläubigen.
وإنه لحسرة على الكافرين
আর নিশ্চয়ই এটি অস্বীকারকারীদের জন্য অনুশোচনা।
অবশ্যি এ (কুরআন) কাফিরদের জন্যে এক অনুতাপের কারণ।
وَإِنَّهُۥ لَحَسْرَةٌ عَلَى ٱلْكَٰفِرِينَ
Und er ist wahrlich die reine Gewißheit.
وإنه لحق اليقين
আর নিশ্চয়ই এটি নিশ্চিত সত্য।
নিশ্চয়ই এ (কুরআন) এক বাস্তব সত্য।
وَإِنَّهُۥ لَحَقُّ ٱلْيَقِينِ
Darum preise den Namen deines Allgewaltigen Herrn.
فسبح باسم ربك العظيم
অতএব তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামে পবিত্রতা ঘোষণা করো।
সুতরাং তুমি তসবিহ করতে থাকো তোমার মহান প্রভুর নাম নিয়ে।
فَسَبِّحْ بِٱسْمِ رَبِّكَ ٱلْعَظِيمِ