Nein! Ich schwöre beim Tag der Auferstehung.
আমি শপথ করিতেছি কিয়ামত দিবসের,
আমি শপথ করছি কিয়ামত কালের।
আমি কসম করছি কিয়ামতের দিনের!
Chapter 75, 40 verses
Nein! Ich schwöre beim Tag der Auferstehung.
আমি শপথ করিতেছি কিয়ামত দিবসের,
আমি শপথ করছি কিয়ামত কালের।
আমি কসম করছি কিয়ামতের দিনের!
Nein! Ich schwöre bei der Seele, die sich selbst tadelt.
আরও শপথ করিতেছি তিরস্কারকারী আত্মার।
আমি আরো শপথ করছি তিরস্কারকারী নফসের।
আমি আরো কসম করছি আত্ম-ভৎর্সনাকারী আত্মার!
Meint der Mensch (etwa), daß Wir seine Knochen nicht zusammenfügen werden?
মানুষ কি মনে করে যে, আমি তাহার অস্থিসমূহ একত্র করিতে পারিব না?
মানুষ কি ধারণা করে নিয়েছে যে, আমরা তার হাড়গোড় জমা (পুনর্গঠিত) করবোনা?
মানুষ কি মনে করে যে, আমি কখনই তার অস্থিসমূহ একত্র করব না?
Ja doch! (Wir) haben die Macht dazu, seine Fingerspitzen zurechtzuformen.
বস্তুত আমি উহার অঙ্গুলীর অগ্রভাগ পর্যন্ত পুনবিন্যস্ত করিতে সক্ষম।
হ্যাঁ, আমরা তার আংগুলের জোড়াগুলোও পুনর্গঠন করতে সক্ষম।
হ্যাঁ, আমি তার আংগুলের অগ্রভাগসমূহও পুনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম।
Aber nein! Der Mensch will (fortdauernd) vor sich hin lasterhaft sein.
তবুও মানুষ তাহার ভবিষ্যতেও পাপাচার করিতে চায়।
বরং মানুষ তার সামনের দিনগুলোতেও পাপাচারে লিপ্ত থাকতে চায়।
বরং মানুষ চায় ভবিষ্যতেও পাপাচার করতে।
Er fragt: "Wann wird bloß der Tag der Auferstehung sein?"
সে প্রশ্ন করে, ‘কখন কিয়ামত দিবস আসিবে?’
সে প্রশ্ন করে, কখন আসবে কিয়ামতকাল?
সে প্রশ্ন করে, ‘কবে কিয়ামতের দিন’?
Wenn dann der Blick verwirrt ist
যখন চক্ষু স্থির হইয়া যাইবে,
(হাঁ) তখনই আসবে, যখন মানুষের চোখ স্থির হয়ে যাবে,
যখন চক্ষু হতচকিত হবে।
und der Mond sich verfinstert
এবং চন্দ্র হইয়া পড়িবে জ্যোতিহীন,
চাঁদ হয়ে পড়বে জ্যোতিহীন,
আর চাঁদ কিরণহীন হবে,
und Sonne und Mond zusammengebracht werden,
যখন সূর্য ও চন্দ্রকে একত্র করা হইবে -
এবং যখন জমা (একত্রিত) করে দেয়া হবে সূর্য ও চাঁদকে।
আর চাঁদ ও সূর্যকে একত্র করা হবে।
wird der Mensch an jenem Tag sagen: "Wohin soll die Flucht sein?"
সেদিন - মানুষ বলিবে, ‘আজ পালাইবার স্থান কোথায়?’
তখন মানুষ বলবে: পালাবার জায়গা কোথায়?
সেদিন মানুষ বলবে, ‘পালাবার স্থান কোথায়’?
Keineswegs! (Es gibt) keine Zuflucht.
না, কোন আশ্রয়স্থল নাই।
না, কখনো নয়, পালাবার কোনো জায়গা হবেনা।
না, কোন আশ্রয়স্থল নেই।
Zu deinem Herrn wird an jenem Tag der Weg zum Aufenthaltsort (führen).
সেদিন ঠাঁই হইবে তোমার প্রতিপালকেরই নিকট।
সেদিন তো কেবল তোমার প্রভুর কাছেই হবে ঠিকানা।
ঠাঁই শুধু সেদিন তোমার রবের নিকট।
Dem Menschen wird an jenem Tag kundgetan, was er vorausgeschickt und zurückgestellt hat.
সেদিন মানুষকে অবহিত করা হইবে সে কী অগ্রে পাঠাইয়াছে ও কী পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছে।
সেদিন মানুষকে জানানো হবে, সে কী আগে পাঠিয়েছে, আর কী রেখে এসেছে পেছনে।
সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে কী সে অগ্রে পাঠিয়েছিল এবং পশ্চাতে পাঠিয়েছিল।
Aber nein! Der Mensch wird bezüglich seiner selbst durchblicken,
বস্তুত মানুষ নিজের সম্বন্ধে সম্যক অবগত,
বরং মানুষ নিজেই তার নিজের সম্পর্কে অবহিত।
বরং মানুষ তার নিজের উপর দৃষ্টিমান।
auch wenn er seine Entschuldigungen vorbrächte .
যদিও সে নানা অজুহাতের অবতারণা করে।
যদিও সে পেশ করে থাকে নানা রকম ওজর।
যদিও সে নানা অজুহাত পেশ করে থাকে।
Bewege deine Zunge nicht damit, um ihn übereilt weiterzugeben.
তাড়াতাড়ি ওহী আয়ত্ত করিবার জন্য তুমি তোমার জিহ্বা উহার সঙ্গে সঞ্চালন করিও না।
তুমি বারবার জিহ্বা নাড়বেনা তাড়াহুড়া করে অহি আয়ত্ত্ব করার জন্যে।
কুরআন তাড়াতাড়ি আয়ত্ত করার উদ্দেশ্যে তুমি তোমার জিহবাকে দ্রুত আন্দোলিত করো না।
Uns obliegt es, ihn zusammenzustellen und ihn vorlesen zu lassen.
ইহা সংরক্ষণ ও পাঠ করাইবার দায়িত্ব আমারই।
এর সংরক্ষণ করা ও পড়িয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমাদের।
নিশ্চয়ই এর সংরক্ষণ ও পাঠ আমার দায়িত্বে।
Und (erst) wenn Wir ihn vorgelesen haben, dann folge du der Art seines Vortragens".
সুতরাং যখন আমি উহা পাঠ করি তুমি সেই পাঠের অনুসরণ কর,
সুতরাং আমরা যখন তা (কুরআন) পাঠ করি, তুমি তখন সেই পাঠের অনুসরণ করো।
অতঃপর যখন আমি তা পাঠ করি তখন তুমি তার পাঠের অনুসরণ কর।
Hierauf obliegt es Uns, ihn klar darzulegen.
অতঃপর ইহার বিশদ ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই।
তারপর তার বিশদ ব্যাখ্যা করে দেয়ার দায়িত্বও আমাদের।
তারপর তার বর্ণনার দায়িত্ব আমারই।
Keineswegs! Vielmehr liebt ihr das schnell Eintreffende,
না, তোমরা প্রকৃতপক্ষে পার্থিব জীবনকে ভালবাস;
কখনো নয়, বরং তোমরা দ্রুত পেতে (অর্থাৎ দুনিয়ার জীবনকে) পছন্দ করো।
কখনো না, বরং তোমরা দুনিয়ার জীবনকে ভালবাস।
und laßt das Jenseits (außer acht).
এবং আখিরাতকে উপেক্ষা কর।
এবং তোমরা উপেক্ষা করছো আখিরাতকে।
আর তোমরা ছেড়ে দিচ্ছ আখিরাতকে।
(Die einen) Gesichter werden an jenem Tag strahlen,
সেদিন কোন কোন মুখমণ্ডল উজ্জ্বল হইবে,
সেদিন কিছু চেহারা হবে উজ্জ্বল,
সেদিন কতক মুখমন্ডল হবে হাস্যোজ্জ্বল।
zu ihrem Herrn schauen.
তাহারা তাহাদের প্রতিপালকের দিকে তাকাইয়া থাকিবে।
তারা তাকিয়ে থাকবে তাদের প্রভুর দিকে।
তাদের রবের প্রতি দৃষ্টিনিক্ষেপকারী।
Und (die anderen) Gesichter werden an jenem Tag finster sein;
কোন কোন মুখমণ্ডল হইয়া পড়িবে বিবর্ণ,
আর কিছু চেহারা হবে মলিন,
আর সেদিন অনেক মুখমন্ডল হবে বিবর্ণ-বিষন্ন।
die meinen, es würde ihnen das Rückgrat gebrochen.
আশংকা করিবে যে, এক ধ্বংসকারী বিপর্যয় তাহাদের উপর আপতিত হইবে।
তারা আশংকা করবে তাদের সাথে ধ্বংসকর আচরণের।
তারা ধারণা করবে যে, এক বিপর্যয় তাদের উপর আপতিত করা হবে।
Keineswegs! Wenn sie das Schlüsselbein erreicht
কখনো নয়, যখন প্রাণ কণ্ঠাগত হইবে,
কখনো নয়, যখন প্রাণ হবে কন্ঠাগত,
কখনই না, যখন প্রাণ কণ্ঠাগত হবে।
und gesagt wird: "Wer ist ein Zauberer (, der ihn retten kann)?",
এবং বলা হইবে, ‘কে তাহাকে রক্ষা করিবে?’
এবং বলা হবে, ‘কে রক্ষা করবে তাকে?’
আর বলা হবে, ‘কে তাকে বাঁচাবে’?
und wenn er meint, daß es (jetzt) die Trennung sei,
তখন তাহার প্রত্যয় হইবে যে, ইহা বিদায়ক্ষণ।
তখন সে বিশ্বাস করবে, তার বিদায়ের সময় উপস্থিত
আর সে মনে করবে, এটিই বিদায়ক্ষণ।
und wenn (bei ihm) sich das eine Bein um das andere legt,
এবং পায়ের সঙ্গে পা জড়াইয়া যাইবে।
তখন পায়ের সাথে পা জড়িয়ে যাবে।
আর পায়ের গোছার সংগে পায়ের গোছা জড়িয়ে যাবে।
zu deinem Herrn wird an jenem Tag das Treiben sein.
সেই দিন তোমার প্রভুর নিকট সমস্ত কিছু প্রত্যানীত হইবে।
সেদিন সব কিছু নিয়ে যাওয়া হবে তোমার প্রভুর কাছে।
সেদিন তোমার রবের কাছেই সকলকে হাঁকিয়ে নেয়া হবে।
Doch hielt er nicht (die Botschaft) für wahr noch betete er,
সে বিশ্বাস করে নাই এবং আদায় করে নাই।
সে সত্য বলে মেনে নেয়নি এবং সালাতও আদায় করেনি।
সুতরাং সে বিশ্বাসও করেনি এবং সালাতও আদায় করেনি।
sondern er erklärte (sie) für Lüge, und er kehrte sich ab.
বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।
বরং সে সত্যকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং ফিরে গিয়েছিল।
Hierauf ging er zu seinen Angehörigen, stolzierend.
অতঃপর সে তাহার পরিবার - পরিজনের নিকট ফিরিয়া গিয়াছিল দম্ভভরে,
তারপর সে ফিরে গেছে পরিবার পরিজনের কাছে দম্ভভরে।
তারপর সে দম্ভভরে পরিবার-পরিজনের কাছে চলে গিয়েছিল।
- "Wehe dir, ja wehe!
দুর্ভোগ তোমার জন্য, দুর্ভোগ!
(হে অবিশ্বাসী!) দুর্ভোগ তোর, দুর্ভোগ,
দুর্ভোগ তোমার জন্য এবং দুর্ভোগ!
Abermals: Wehe dir, ja wehe!"
আবার দুর্ভোগ তোমার জন্য, দুর্ভোগ!
আবারো দুর্ভোগ তোর, দুর্ভোগ,
তারপরও দুর্ভোগ তোমার জন্য এবং দুর্ভোগ!
Meint der Mensch (etwa), daß er außer acht gelassen wird?
মানুষ কি মনে করে যে, তাহাকে নিরর্থক ছাড়িয়া দেওয়া হইবে?
মানুষ কি ধরে নিয়েছে যে, তাকে এমনিতেই ছেড়ে দেয়া হবে?
মানুষ কি মনে করে যে, তাকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে?
Ist er nicht ein Tropfen von Samenflüssigkeit, die ausgespritzt wird,
সে কি স্খলিত শুক্রবিন্দু ছিল না?
সে কি একটি নিক্ষিপ্ত নোতফা (শুক্রবিন্দু) ছিলনা?
সে কি বীর্যের শুক্রবিন্দু ছিল না যা স্খলিত হয়?
hierauf ein Anhängsel gewesen? Da hat Er erschaffen und zurechtgeformt
অতঃপর সে ‘আলাকায় পরিণত হয়। তারপর তাহাকে আকৃতি দান করেন ও সুঠাম করেন।
তারপর সে পরিণত হয় আলাকায় (একটি আটকানো জিনিসে)। তারপর তিনি তাকে দান করেছেন আকৃতি এবং করেছেন সুগঠিত।
অতঃপর সে ‘আলাকায় পরিণত হয়। তারপর তাকে সুন্দর আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন এবং সুবিন্যস্ত করেছেন।
und dann daraus beide Teile des Paares gemacht, das Männliche und das Weibliche.
অতঃপর তিনি তাহা হইতে সৃষ্টি করেন যুগল - নর ও নারী।
তারপর তিনি তার থেকে সৃষ্টি করেছেন জোড়া - পুরুষ ও নারী।
অতঃপর তিনি তা থেকে সৃষ্টি করেন জোড়ায় জোড়ায় পুরুষ ও নারী।
Hat dieser (Gott) nicht die Macht, die Toten wieder lebendig zu machen?
তবুও কি সেই স্রষ্টা মৃতকে পুনর্জীবিত করিতে সক্ষম নয়?
তারপরও কি সেই মহান স্রষ্টা মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম নন?
তিনি কি মৃতদের জীবিত করতে সক্ষম নন?