تَنزِيلُ ٱلْكِتَٰبِ مِنَ ٱللَّهِ ٱلْعَزِيزِ ٱلْحَكِيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম তান্যীলুল্ কিতা-বি মিনাল্লা-হিল্ 'আযীযিল্ হাকীম্।
এই কিতাব তোমার কাছে নাযিল হচ্ছে সত্যিকারভাবে মহাপরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়ের পক্ষ থেকে।
Chapter 39, 75 verses
تَنزِيلُ ٱلْكِتَٰبِ مِنَ ٱللَّهِ ٱلْعَزِيزِ ٱلْحَكِيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম তান্যীলুল্ কিতা-বি মিনাল্লা-হিল্ 'আযীযিল্ হাকীম্।
এই কিতাব তোমার কাছে নাযিল হচ্ছে সত্যিকারভাবে মহাপরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়ের পক্ষ থেকে।
إِنَّآ أَنزَلْنَآ إِلَيْكَ ٱلْكِتَٰبَ بِٱلْحَقِّ فَٱعْبُدِ ٱللَّهَ مُخْلِصًا لَّهُ ٱلدِّينَ
ইন্না য় আন্যাল্না য় ইলাইকাল্ কিতা-বা বিল্হাকক্বি ফা'বুদিল্লা-হা মুখ্লিছোয়াল্ লাহুদ্ দীন্।
আমরা তোমার কাছে এই কিতাব নাযিল করছি সত্যসহ। অতএব কেবল আল্লাহরই ইবাদত করো নিজের আনুগত্যকে তাঁর জন্যে একনিষ্ঠ করে।
أَلَا لِلَّهِ ٱلدِّينُ ٱلْخَالِصُ وَٱلَّذِينَ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَ مَا نَعْبُدُهُمْ إِلَّا لِيُقَرِّبُونَآ إِلَى ٱللَّهِ زُلْفَىٰٓ إِنَّ ٱللَّهَ يَحْكُمُ بَيْنَهُمْ فِى مَا هُمْ فِيهِ يَخْ
আলা-লিল্লা-হিদ্ দীনুল্ খ-লিছ্ অল্ লাযীনাত তাখাযূ মিন্ দূনিহী য় আওলিয়া-য়্। মা-না'বুদুহুম্ ইল্লা-লিইয়ুর্ক্বরিবূনা য় ইলাল্লা-হি যুল্ফা- ইন্নাল্লা-হা ইয়াহ্কুমু বাইনাহুম্ ফী মা-হুম্ ফীহি ইয়াখ্তালিফূন্ ইন্নাল্লা-হা লা-ইয়াহ্দী মান্ হুওয়া কা-যিবুন্ কাফ্ফার্-।
একনিষ্ঠ আনুগত্য কেবল আল্লাহর জন্যে। যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করেছে, তারা বলে: ‘আমরা তো তাদের ইবাদত করি কেবল এ জন্যে যে, তারা আমাদেরকে আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছে দেবে।’ অবশ্যি তারা যা নিয়ে মতভেদ করছে (কিয়ামতের দিন) সে বিষয়ে তাদের মাঝে ফায়সালা করে দেবেন। মিথ্যাবাদী কাফিরদের সঠিক পথ দেখান না।
لَّوْ أَرَادَ ٱللَّهُ أَن يَتَّخِذَ وَلَدًا لَّٱصْطَفَىٰ مِمَّا يَخْلُقُ مَا يَشَآءُ سُبْحَٰنَهُۥ هُوَ ٱللَّهُ ٱلْوَٰحِدُ ٱلْقَهَّارُ
লাও আর-দাল্লা-হু আইঁ ইয়াত্তাখিযা অলাদাল্ লাছ্ত্বোয়াফা- মিম্মা-ইয়াখ্লুকু মা-ইয়াশা-য়ু সুব্হা-নাহ্ হুওয়া ল্লা-হুল্ ওয়া-হিদুল্ ক্বহ্হার্-।
যদি সন্তান গ্রহণ করতে চাইতেনই, তবে তাঁর সৃষ্টির মাঝে যাকে ইচ্ছা বাছাই করে নিতেন। কিন্তু সন্তান গ্রহণ থেকে তিনি সম্পূর্ণ পবিত্র ও মুক্ত। তো এক এবং মহাপরাক্রমশালী।
خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِٱلْحَقِّ يُكَوِّرُ ٱلَّيْلَ عَلَى ٱلنَّهَارِ وَيُكَوِّرُ ٱلنَّهَارَ عَلَى ٱلَّيْلِ وَسَخَّرَ ٱلشَّمْسَ وَٱلْقَمَرَ كُلٌّ يَجْرِى لِأَجَلٍ مُّسَمًّى أَلَا هُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْغَف
খলাক্বস্ সামা-ওয়া-তি অল্র্আদ্বোয়া বিল্হাকক্বি ইয়ুক্বওয়্যিরুল্লাইলা 'আলান নাহা-রি অইয়ুক্বওয়্যিরুন্ নাহা-র 'আলাল্লাইলি অসাখ্খরশ্ শাম্সা অল্ ক্বর্মা কুল্লুইঁ ইয়াজরী লিআজ্বালিম্ মুসাম্মা আলা-হুওয়াল্ 'আযীযুল্ গাফ্ফার্-।
তিনি বাস্তবভাবে সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ ও পৃথিবী। তিনি রাতকে দিয়ে দিনকে আচ্ছাদিত করেন এবং দিনকে দিয়ে আচ্ছাদিত করেন রাতকে। তিনি সূর্য এবং চাঁদকে নিয়মের অধীন করেছেন। এরা প্রত্যেকেই ভ্রমণ করে একটি নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত। জেনে রাখো তিনি মহাক্ষমতাধর, অতীব ক্ষমাশীল।
خَلَقَكُم مِّن نَّفْسٍ وَٰحِدَةٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَأَنزَلَ لَكُم مِّنَ ٱلْأَنْعَٰمِ ثَمَٰنِيَةَ أَزْوَٰجٍ يَخْلُقُكُمْ فِى بُطُونِ أُمَّهَٰتِكُمْ خَلْقًا مِّنۢ بَعْدِ خَلْقٍ فِى ظُلُمَٰتٍ ثَلَ
খলাক্বকুম্ মিন্ নাফ্সিঁও ওয়া-হিদাতিন্ ছুম্মা জ্বা'আলা মিন্হা-যাওজ্বাহা-অ আন্যালা লাকুম্ মিনাল্ আন্'আ-মি ছামা-নিয়াতা আয্ওয়া-জ ইয়াখ্লুকুকুম্ ফী বুতুনি উম্মাহা-তিকুম্ খল্ক্বম্ মিম্ বা'দি খল্ক্বিন্ ফী জুলুমা-তিন্ ছালা-ছ্ যা-লিকুমু ল্লা-হু রব্বুকুম্ লাহুল্ মুল্ক্লা য় ইলা-হা ইল্লা- হুওয়া ফাআন্না-তুছ্রফূন্।
তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একজন মাত্র ব্যক্তি থেকে, তারপর তার থেকে সৃষ্টি করেছেন তার স্ত্রীকে। তিনি তোমাদের দিয়েছেন আট জোড়া (প্রজাতির) গবাদি পশু। তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেন তোমাদের মাতৃগর্ভে তিনটি অন্ধকার স্তর পার করে। তিনিই , তোমাদের প্রভু। সমস্ত কর্তৃত্ব তাঁরই। কোনো ইলাহ্ নেই তিনি ছাড়া। সুতরাং তোমরা মুখ ফিরিয়ে চলেছো কোথায়?
إِن تَكْفُرُوا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَنِىٌّ عَنكُمْ وَلَا يَرْضَىٰ لِعِبَادِهِ ٱلْكُفْرَ وَإِن تَشْكُرُوا۟ يَرْضَهُ لَكُمْ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَىٰ ثُمَّ إِلَىٰ رَبِّكُم مَّرْجِعُكُمْ فَيُنَبِّئُكُم
ইন্ তাক্ফুরূ ফাইন্না ল্লা-হা গনিয়্যুন্ 'আনকুম্ অলা-ইর্য়াদ্বোয়া- লিই'বা-দিহিল্ কুফ্রা অ ইন্ তাশ্কুরূ ইর্য়াদ্বোয়াহু লাকুম্ অলা-তাযিরু ওয়া-যিরাতুঁও ওয়িয্রা উখ্রা- ছুম্মা ইলা-রব্বিকুম্ র্মাজ্বি'উকুম্ ফাইয়ুনাব্বিয়ুকুম্ বিমা-কুন্তুম্ তা'মালূন্ ইন্নাহূ 'আলীমুম্ বিযা-তিস্ সুর্দূ।
তোমরা যদি কুফুরি করো, তবে জেনে রাখো, তোমাদের মুখাপেক্ষী নন। তিনি তাঁর বান্দাদের জন্যে কুফুরি পছন্দ করেন না। তোমরা কৃতজ্ঞ হলে তিনি সেটাই পছন্দ করেন তোমাদের জন্যে। কেউই অপরের (পাপের) বোঝা বহন করবে না। অত:পর তোমাদের প্রভুর কাছেই তোমাদের ফিরে যেতে হবে। তখন তিনি তোমাদের অবহিত করবেন তোমরা কী আমল করেছিলে? মনে কী আছে সে বিষয়েও তিনি অবগত।
وَإِذَا مَسَّ ٱلْإِنسَٰنَ ضُرٌّ دَعَا رَبَّهُۥ مُنِيبًا إِلَيْهِ ثُمَّ إِذَا خَوَّلَهُۥ نِعْمَةً مِّنْهُ نَسِىَ مَا كَانَ يَدْعُوٓا۟ إِلَيْهِ مِن قَبْلُ وَجَعَلَ لِلَّهِ أَندَادًا لِّيُضِلَّ عَن سَبِيلِهِۦ
অইযা-মাস্সাল্ ইন্সা-না র্দ্বুরুন্ দা'আ রব্বাহূ মুনীবান্ ইলাইহি ছুম্মা ইযা-খাওয়্যালাহূ নি'মাতাম্ মিন্হু নাসিয়া মা-কা-না ইয়াদ্'ঊ য় ইলাইহি মিন্ ক্ব্ব্লু অজ্বা'আলা লিল্লা-হি আন্দা-দাল্ লিইয়ুদ্বিল্লা 'আন্ সাবীলিহ্ কুল্ তামাত্তা' বিকুফ্রিকা ক্বলীলান্ ইন্নাকা মিন্ আছ্হা-বিন্ নার্-।
মানুষকে যখন দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করে, তখন সে তার প্রভুকে ডাকে একনিষ্ঠ মনোভাব নিয়ে। অত:পর যখন তিনি তার প্রতি অনুগ্রহ করেন, তখন সে ভুলে যায় আগে যে সে তাঁকে একনিষ্ঠভাবে ডেকেছিল। সে আল্লাহর শরিক দাঁড় করায় যেনো সে তাকে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করে। বলো: কুফুরি নিয়ে জীবনটাকে ক’টা দিন ভোগ করো। জেনে রাখো তুমি জাহান্নামী।
أَمَّنْ هُوَ قَٰنِتٌ ءَانَآءَ ٱلَّيْلِ سَاجِدًا وَقَآئِمًا يَحْذَرُ ٱلْءَاخِرَةَ وَيَرْجُوا۟ رَحْمَةَ رَبِّهِۦ قُلْ هَلْ يَسْتَوِى ٱلَّذِينَ يَعْلَمُونَ وَٱلَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُو۟لُو
আম্মান্ হুওয়া ক্ব-নিতুন্ আ-না-য়াল্ লাইলি সা-জ্বিদাঁও অ ক্ব-য়িমাইঁ ইয়াহ্যারুল্ আ-খিরতা অ ইর্য়াজু রহ্মাতা রব্বিহ্ কুল্ হাল্ ইয়াস্তাওয়িল্ লাযীনা ইয়া'লামূনা অল্লাযীনা লা-ইয়া'লামূন্ ইন্নামা-ইয়াতাযাক্কারূ ঊলুল্ আল্বা-ব্।
যে ব্যক্তি রাতের বিভিন্ন অংশে সাজদা করে এবং দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার প্রভুর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং তার প্রভুর রহমত প্রত্যাশা করে, সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য যে এসব করেনা? বলো: জ্ঞানীরা আর অজ্ঞরা কি সমান? উপদেশ গ্রহণ করে তো বুদ্ধিমান লোকেরাই।
قُلْ يَٰعِبَادِ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّقُوا۟ رَبَّكُمْ لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا۟ فِى هَٰذِهِ ٱلدُّنْيَا حَسَنَةٌ وَأَرْضُ ٱللَّهِ وَٰسِعَةٌ إِنَّمَا يُوَفَّى ٱلصَّٰبِرُونَ أَجْرَهُم بِغَيْرِ حِسَابٍ
কুল্ ইয়া-'ইবা-দিল্লাযীনা আ-মানুত্তাকু রব্বাকুম্ লিল্লাযীনা আহ্সানূ ফী হা-যিহিদ্ দুন্ইয়া-হাসানাহ্অ র্আদুল্লা-হি ওয়া- সি'আহ্ইন্নামা ইয়ুওয়াফ্ফাছ্ ছোয়া-বিরূনা আজরহুম্ বিগইরি হিসা-ব্।
(হে নবী! আমার পক্ষ থেকে) বলে দাও: ‘হে আমার দাসেরা, যারা ঈমান এনেছো, তোমাদের প্রভুকে ভয় করো। যারা এই দুনিয়ায় কল্যাণের কাজ করে, তাদের জন্যে রয়েছে কল্যাণ। আল্লাহর জমিন তো প্রশস্ত। ধৈর্যশীলদেরকে তাদের প্রতিদান দেয়া হবে অফুরন্ত।’
قُلْ إِنِّىٓ أُمِرْتُ أَنْ أَعْبُدَ ٱللَّهَ مُخْلِصًا لَّهُ ٱلدِّينَ
কুল্ ইন্নী য় উর্মিতু আন্ আ'বুদা ল্লা-হা মুখ্লিছোয়াল্ লাহুদ্ দীন্।
বলো: ‘‘আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আমি যেনো আমার আনুগত্যকে একনিষ্ঠ করে শুধুমাত্র আল্লাহর ইবাদত করি।
وَأُمِرْتُ لِأَنْ أَكُونَ أَوَّلَ ٱلْمُسْلِمِينَ
অ উর্মিতু লিআন্ আকূনা আউয়্যালাল্ মুস্লিমীন্।
আমাকে আরো নির্দেশ দেয়া হয়েছে, আমি যেনো হই মুসলিমদের (আত্মসমর্পনকারীদের) প্রথম।’’
قُلْ إِنِّىٓ أَخَافُ إِنْ عَصَيْتُ رَبِّى عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ
কুল্ ইন্নী য় আখ-ফু ইন্ 'আছোয়াইতু রব্বী 'আযা-বা ইয়াওমিন্ 'আজীম্।
বলো: ‘আমি যদি আমার প্রভুর অবাধ্য হই, তবে আমি এক মহাদিবসের আযাবের আশংকা করি।’
قُلِ ٱللَّهَ أَعْبُدُ مُخْلِصًا لَّهُۥ دِينِى
কুলিল্লা-হা আ'বুদু মুখ্লিছোয়াল্ লাহূ দ্বীনী।
বলো: ‘আমি কেবল আল্লাহরই ইবাদত করি তাঁর প্রতি আমার আনুগত্যকে একনিষ্ঠ করে।’
فَٱعْبُدُوا۟ مَا شِئْتُم مِّن دُونِهِۦ قُلْ إِنَّ ٱلْخَٰسِرِينَ ٱلَّذِينَ خَسِرُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ وَأَهْلِيهِمْ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ أَلَا ذَٰلِكَ هُوَ ٱلْخُسْرَانُ ٱلْمُبِينُ
ফা'বুদূ মা-শিতুম্ মিন্ দূনিহ্ কুল্ ইন্নাল্ খ-সিরীনাল্ লাযীনা খসিরূ য় আন্ফুসাহুম্ অআহ্লীহিম্ ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাহ্ আলা-যা-লিকা হুওয়াল্ খুস্র-নুল্ মুবীন্।
তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইচ্ছা ইবাদত করো। বলো: ‘প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত লোক তারাই, যারা কিয়ামতের দিন ক্ষতিগ্রস্ত করবে নিজেদেরকে এবং নিজেদের পরিবার পরিজনকে। সাবধান, সেটাই সুস্পষ্ট ক্ষতি।’
لَهُم مِّن فَوْقِهِمْ ظُلَلٌ مِّنَ ٱلنَّارِ وَمِن تَحْتِهِمْ ظُلَلٌ ذَٰلِكَ يُخَوِّفُ ٱللَّهُ بِهِۦ عِبَادَهُۥ يَٰعِبَادِ فَٱتَّقُونِ
লাহুম্ মিন্ ফাওক্বিহিম্ জুলালুম্ মিনান্না-রি অমিন্ তাহ্তিহিম্ জুলাল্ যা-লিকা ইয়ুখওয়্যিফুল্লা-হু বিহী 'ইবা-দাহ্ ইয়া-'ইবা-দি ফাত্তাকুন্।
তাদের জন্যে থাকবে তাদের উপরে আগুনের আচ্ছাদন এবং নিচেও আগুনের বিছানা। এর মাধ্যমে তার বান্দাদের সতর্ক করেন। হে আমার দাসেরা! তোমরা সতর্ক হও, আমাকে ভয় করো।
وَٱلَّذِينَ ٱجْتَنَبُوا۟ ٱلطَّٰغُوتَ أَن يَعْبُدُوهَا وَأَنَابُوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ لَهُمُ ٱلْبُشْرَىٰ فَبَشِّرْ عِبَادِ
অল্লাযীনা জতানাবূতত্বোয়া-গূতা আইঁ ইয়া'বুদূহা-অআনা-বূ য় ইলাল্লা-হি লাহুমুল্ বুশ্রা-ফাবার্শ্শি 'ইবা-দ্।
যারা তাগুতের ইবাদত (পূজা, উপাসনা, আনুগত্য) থেকে বিরত থাকবে এবং আল্লাহর অভিমুখী হবে, তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ। সুতরাং আমার দাসদের সুসংবাদ দাও,
ٱلَّذِينَ يَسْتَمِعُونَ ٱلْقَوْلَ فَيَتَّبِعُونَ أَحْسَنَهُۥٓ أُو۟لَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ هَدَىٰهُمُ ٱللَّهُ وَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمْ أُو۟لُوا۟ ٱلْأَلْبَٰبِ
আল্লাযীনা ইয়াস্তামি'ঊ নাল্ ক্বওলা ফাইয়াত্তাবি'ঊনা আহ্সানাহ্ উলা-য়িকাল্ লাযীনা হাদা-হুমুল্লা-হু অ উলা- য়িকাহুম্ ঊলুল্ আল্বা-ব্।
যারা মনোযোগ দিয়ে কথা শুনে এবং তাতে যা উত্তম তা গ্রহণ করে। এরাই সেইসব লোক, যাদের হিদায়াত করেছেন এবং তারাই বুদ্ধিমান লোক।
أَفَمَنْ حَقَّ عَلَيْهِ كَلِمَةُ ٱلْعَذَابِ أَفَأَنتَ تُنقِذُ مَن فِى ٱلنَّارِ
আফামান্ হাকক্ব 'আলাইহি কালিমাতুল্ 'আযা-ব্ আফায়ান্তা তুন্ক্বিযু মান্ ফিন্নার্-।
ঐ ব্যক্তিকে রক্ষা করবে কে, যার জন্যে আযাবের আদেশ অবধারিত হয়ে গেছে? তুমি কি সেই ব্যক্তিকে রক্ষা করতে পারবে যে রয়েছে জাহান্নামে?
لَٰكِنِ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ رَبَّهُمْ لَهُمْ غُرَفٌ مِّن فَوْقِهَا غُرَفٌ مَّبْنِيَّةٌ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ وَعْدَ ٱللَّهِ لَا يُخْلِفُ ٱللَّهُ ٱلْمِيعَادَ
লা-কিনিল্ লাযীনাত্ তাক্বও রব্বাহুম্ লাহুম্ গুরাফুম্ মিন্ ফাওক্বিহা-গুরাফুম্ মাব্নিয়্যাতুন্ তাজরী মিন্ তাহ্তিহাল্ আন্হার্- ওয়া'দাল্লা-হ্ লা-ইয়ুখ্লিফুল্লা-হুল্ মী'আ-দ্।
তবে যারা তাদের প্রভুকে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে প্রাসাদ, তার উপরে আরো প্রাসাদ, তার নিচে দিয়ে রয়েছে বহমান নদ নদী নহর। এটা আল্লাহর ওয়াদা। তাঁর ওয়াদার বরখেলাফ করেন না।
أَلَمْ تَرَ أَنَّ ٱللَّهَ أَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءً فَسَلَكَهُۥ يَنَٰبِيعَ فِى ٱلْأَرْضِ ثُمَّ يُخْرِجُ بِهِۦ زَرْعًا مُّخْتَلِفًا أَلْوَٰنُهُۥ ثُمَّ يَهِيجُ فَتَرَىٰهُ مُصْفَرًّا ثُمَّ يَجْعَلُهُۥ حُط
আলাম্ তারা আন্নাল্লা-হা আন্যালা মিনাস্ সামা-য়ি মা-য়ান্ ফাসালাকাহূ ইয়ানা-বী'আ ফিল্ র্আদ্বি ছুম্মা ইয়ুখ্রিজু বিহী র্যা'আম্ মুখ্তালিফান্ আল্ওয়া- নুহূ ছুম্মা ইয়াহীজু ফাতার-হু মুর্ছ্ফারান্ ছুম্মা ইয়াজ্ব্ 'আলুহূ হুত্বোয়া-মা- ইন্না ফী যা-লিকা লাযিক্রা- লিঊলিল্ আল্বা-ব্।
তুমি কি দেখোনা, নাযিল করেন আসমান থেকে পানি, তারপর তিনি তা নির্ঝরের মতো প্রবাহিত করেন জমিনে। তা থেকে উৎপন্ন করেন শস্য নানা বর্ণের, তারপর তা শুকিয়ে যায়। ফলে তুমি তা দেখতে পাও হলুদ বর্ণ হয়ে গেছে। অবশেষে তিনি তা খড়কুটায় পরিণত করেন। এতে অবশ্যি রয়েছে উপদেশ বুঝবুদ্ধি সম্পন্ন লোকদের জন্যে।
أَفَمَن شَرَحَ ٱللَّهُ صَدْرَهُۥ لِلْإِسْلَٰمِ فَهُوَ عَلَىٰ نُورٍ مِّن رَّبِّهِۦ فَوَيْلٌ لِّلْقَٰسِيَةِ قُلُوبُهُم مِّن ذِكْرِ ٱللَّهِ أُو۟لَٰٓئِكَ فِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ
আফামান্ শারহাল্লা-হু ছোয়াদ্রহূ লিল্ইস্লা-মি ফাহুওয়া 'আলা-নূরিম্ র্মি রব্বিহ ফাওয়াইলুল্লিল্ ক্ব-সিয়াতি কুলূবুহুম্ মিন্ যিকরিল্লা-হ্ উলা-য়িকা ফী দ্বোয়ালা-লিম্ মুবীন্।
যার বক্ষ খুলে দেন ইসলামের জন্যে এবং যে রয়েছে তার প্রভুর প্রদত্ত আলোতে, সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য যার অবস্থা এ রকম নয়? ধ্বংস সেইসব কঠোর হৃদয় লোকদের জন্যে যারা আল্লাহর স্মরণ থেকে বিমুখ। এরা রয়েছে সুস্পষ্ট বিপথগামিতায়।
ٱللَّهُ نَزَّلَ أَحْسَنَ ٱلْحَدِيثِ كِتَٰبًا مُّتَشَٰبِهًا مَّثَانِىَ تَقْشَعِرُّ مِنْهُ جُلُودُ ٱلَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُمْ ثُمَّ تَلِينُ جُلُودُهُمْ وَقُلُوبُهُمْ إِلَىٰ ذِكْرِ ٱللَّهِ ذَٰلِكَ هُدَى ٱللَّهِ
আল্লা-হু নায্যালা আহ্স্নাল্ হাদীছি কিতা-বাম্ মুতাশা-বিহাম্ মাছা-নিয়া তাক্ব্শ্ইর্'রু মিন্হু জুলূ দুল্লাযীনা ইয়াখ্শাওনা রব্বাহুম্ ছুম্মা তালীনু জুলূদুহুম্ অকুলূবুহুম্ ইলা-যিক্রিল্লা-হ্ যা-লিকা হুদাল্লা-হি ইয়াহ্দী বিহী মাইঁ ইয়াশা-য়্ অমাইঁ ইয়ুদ্ব্লিলিল্লা-হু ফামা-লাহূ মিন্ হা-দ্।
নাযিল করেছেন সর্বোত্তম বাণী সম্বলিত কিতাব, যা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং যা বার বার পাঠ করা হয়। যারা তাদের প্রভুকে ভয় করে, এর (পাঠে এবং শ্রবনে) তাদের চর্ম রোমাঞ্চিত হয়ে উঠে, তারপর তাদের দেহমন কোমল হয়ে আল্লাহর স্মরণে ঝুঁকে পড়ে। এটাই আল্লাহর হুদা (জ্ঞান ও জীবন পদ্ধতি), তিনি যাকে ইচ্ছা এর দ্বারা পথ দেখান। যাকে বিপথগামী করে দেন, তার কোনো পথ প্রদর্শক নেই।
أَفَمَن يَتَّقِى بِوَجْهِهِۦ سُوٓءَ ٱلْعَذَابِ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ وَقِيلَ لِلظَّٰلِمِينَ ذُوقُوا۟ مَا كُنتُمْ تَكْسِبُونَ
আফামাইঁ ইয়াত্তাক্বী বিঅজ্ব্হিহী সূ-য়াল্ 'আযা-বি ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাহ্ অক্বীলা লিজ জোয়া-লিমীনা যূকুমা-কুন্তুম্ তাক্সিবূন্।
যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন তার মুখমন্ডল দিয়ে কঠিন আযাব ঠেকাতে চাইবে, সে কি তার সমতুল্য, যে এ থেকে নিরাপদ? যালিমদের বলা হবে: তোমাদের উপার্জনের স্বাদ গ্রহণ করো।
كَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَأَتَىٰهُمُ ٱلْعَذَابُ مِنْ حَيْثُ لَا يَشْعُرُونَ
কায্যাবাল লাযীনা মিন্ ক্বব্লিহিম্ ফাআতা-হুমুল্ 'আযা-বু মিন্ হাইছু লা-ইয়াশ্ 'ঊরূন্।
এদের আগেকার লোকেরাও (রসূলদের) প্রত্যাখ্যান করেছিল, তারপর তাদের গ্রাস করেছিল আযাব এমনভাবে, যা তারা ধারণাও করতে পারেনি।
فَأَذَاقَهُمُ ٱللَّهُ ٱلْخِزْىَ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَلَعَذَابُ ٱلْءَاخِرَةِ أَكْبَرُ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ
ফাআযা-ক্বাহুমু ল্লা-হুল্ খিয্ইয়া-ফিল্ হাইয়া-তিদ্ দুন্ইয়া-অলা'আযা-বুল্ আ-খিরতি আকর্বা। লাও কা-নূ ইয়া'লামূন্।
ফলে তাদেরকে দুনিয়ার জীবনের লাঞ্ছনাও ভোগ করান, আর তাদের আখিরাতের আযাব হবে কঠিনতর। যদি তারা জানতো!
وَلَقَدْ ضَرَبْنَا لِلنَّاسِ فِى هَٰذَا ٱلْقُرْءَانِ مِن كُلِّ مَثَلٍ لَّعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ
অলাক্বদ্ দ্বোয়ারব্না-লিন্না-সি ফী হা-যাল্ ক্বর্ ুআ-নি মিন্ কুল্লি মাছালিল্ লা'আল্লাহুম্ ইয়াতাযাক্কারূন্।
এই কুরআনে আমরা মানুষের জন্যে সব ধরনের উপমা উপস্থাপন করেছি যাতে করে তারা গ্রহণ করে উপদেশ।
قُرْءَانًا عَرَبِيًّا غَيْرَ ذِى عِوَجٍ لَّعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ
ক্বর্ আ-নান্ 'আরাবিয়্যান্ গইর যী 'ইওয়াজ্বিল্লা'আল্লা-হুম্ ইয়াত্তাকূূন্।
আরবি ভাষার এ কুরআন সম্পূর্ণ বক্রতামুক্ত, যাতে করে তারা সতর্কতা অবলম্বন করে।
ضَرَبَ ٱللَّهُ مَثَلًا رَّجُلًا فِيهِ شُرَكَآءُ مُتَشَٰكِسُونَ وَرَجُلًا سَلَمًا لِّرَجُلٍ هَلْ يَسْتَوِيَانِ مَثَلًا ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ
দ্বোয়ারাবাল্লা-হু মাছার্লা রাজুলান্ ফীহি শুরকা-য়ু মুতাশা-কিসূনা অরজুলান্ সালামাল্লি রজু ল্ হাল্ ইয়াস্তাওয়্যিইয়া-নি মাছালা- আল্হাম্দু লিল্লা-হি বাল্ আক্ছারুহুম্ লা-ইয়া'লামূন্।
একটি দৃষ্টান্ত দিচ্ছেন: এক ব্যক্তির প্রভু অনেক, তারা পরস্পর বিরোধী মনোভাবের। আরেক ব্যক্তির প্রভু শুধুমাত্র একজন। এই দুইজনের অবস্থা কি সমান। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানেনা।
إِنَّكَ مَيِّتٌ وَإِنَّهُم مَّيِّتُونَ
ইন্নাকা মাইয়্যিতুঁও অইন্নাহুম্ মাইয়্যিতূন্।
তুমিও মরণশীল এবং তারাও মরণশীল।
ثُمَّ إِنَّكُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ عِندَ رَبِّكُمْ تَخْتَصِمُونَ
ছুম্মা ইন্নাকুম্ ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাতি 'ইন্দা রব্বিকুম্ তাখ্তাসিমূন্।
তারপর কিয়ামতের দিন তোমরা তোমাদের প্রভুর সামনে নিজ নিজ অভিযোগ পেশ করবে।
فَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن كَذَبَ عَلَى ٱللَّهِ وَكَذَّبَ بِٱلصِّدْقِ إِذْ جَآءَهُۥٓ أَلَيْسَ فِى جَهَنَّمَ مَثْوًى لِّلْكَٰفِرِينَ
ফামান্ আজ্লামু মিম্মান্ কাযাবা আলা ল্লা-হি অকায্যাবা বিছ্ছিদ্ক্বি ইয্ জ্বা-য়াহ্ আলাইসা ফী জ্বাহান্নামা মাছ্ওয়া ল্লিল্ কা-ফিরীন্।
ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যে আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে এবং সত্য আসার পর সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে। কাফিরদের আবাসস্থল কি জাহান্নাম নয়?
وَٱلَّذِى جَآءَ بِٱلصِّدْقِ وَصَدَّقَ بِهِۦٓ أُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُتَّقُونَ
অল্লাযী জ্বা-য়া বিছ্ছিদ্ক্বি অছোয়াদ্দাক্বা বিহী য়উলা-য়িকা হুমুল্ মুত্তাকুন্।
যে সত্য (কুরআন) নিয়ে এসেছে এবং (যারা) সত্যকে সত্য বলে মেনে নিয়েছে, তারাই ।
لَهُم مَّا يَشَآءُونَ عِندَ رَبِّهِمْ ذَٰلِكَ جَزَآءُ ٱلْمُحْسِنِينَ
লাহুম্ মা-ইয়াশা-য়ূনা 'ইন্দা রব্বিহিম্ যা- লিকা জ্বাযা-য়ুল্ মুহ্সিনীন্।
তাদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে সবই তারা যা চাইবে। এটাই পুণ্যবানদের পুরস্কার।
لِيُكَفِّرَ ٱللَّهُ عَنْهُمْ أَسْوَأَ ٱلَّذِى عَمِلُوا۟ وَيَجْزِيَهُمْ أَجْرَهُم بِأَحْسَنِ ٱلَّذِى كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ
লিইয় কাফ্ফিরাল্লা-হু 'আন্হুম্ আস্ওয়া আল্লাযী 'আমিলূ ওয়াইয়াজযিয়াহুম্ আজরহুম্ বি আহ্সানিল্ লাযী কা-নূ ইয়া'মালূন্।
যাতে করে তারা যেসব মন্দ কাজ করেছিল তা ক্ষমা করে দেন এবং তাদেরকে তাদের উত্তম আমলের জন্যে প্রদান করেন পুরস্কার।
أَلَيْسَ ٱللَّهُ بِكَافٍ عَبْدَهُۥ وَيُخَوِّفُونَكَ بِٱلَّذِينَ مِن دُونِهِۦ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِنْ هَادٍ
আলাইসাল্লা-হু বিকা-ফিন্ 'আব্দাহ্ অ ইয়ুখাওয়্যিফূনাকা বিল্লাযীনা মিন্ দূনিহ্ অমাইঁ ইয়্যুদ্ব্লিলিল্লা-হু ফামা-লাহূ মিন্ হা-দ্।
কি তার বান্দার জন্যে যথেষ্ট নন? অথচ তারা তোমাকে আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের ভয় দেখায়। যাকে গোমরাহ করে দেন, তার জন্যে কোনো পথ প্রদর্শক নেই।
وَمَن يَهْدِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِن مُّضِلٍّ أَلَيْسَ ٱللَّهُ بِعَزِيزٍ ذِى ٱنتِقَامٍ
অ মাই ইয়াহ্দিল্লা-হু ফামা-লাহূ মিম্ মুদ্বিল্ আলাইসা ল্লা-হু বি 'আযীযিন্ যিন্ তিক্ব-ম্।
আর যাকে সঠিক পথ দেখান, তাকে বিপথগামী করারও কেউ নেই। কি মহাপরাক্রমশালী এবং প্রতিশোধ গ্রহণে ক্ষমতাবান নন?
وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّنْ خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ لَيَقُولُنَّ ٱللَّهُ قُلْ أَفَرَءَيْتُم مَّا تَدْعُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ إِنْ أَرَادَنِىَ ٱللَّهُ بِضُرٍّ هَلْ هُنَّ كَٰشِفَٰتُ ضُرِّهِۦٓ أَوْ أَرَا
অ লায়িন্ সায়াল্তাহুম্ মান্ খলাক্বস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বোয়া লাইয়াকু লুন্না ল্লা-হ্ কুল্ আফারয়াইতুম্ মা-তাদ্'ঊনা মিন্ দূনিল্লা-হি ইন্ আর-দানিয়াল্লা-হু বিদ্বর্ রিন্ হাল্ হুন্না কা-শিফা-তু র্দুরিহী য় আও আর-দানী বিরহ্মাতিন্ হাল্ হুন্না মুম্সিকা-তু রহ্মাতিহ্ কুল্ হাস্বিয়াল্লা-হ্ 'আলাইহি ইয়াতাওয়াক্কালুল্ মুতাওয়াক্কিলূন্।
তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘কে সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং পৃথিবী?’ তারা অবশ্যি বলবে: ‘’। বলো: ‘তোমরা কি ভেবে দেখেছো, তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ডাকো, আমার কোনো অনিষ্ট করতে চাইলে, তারা কি আমার সেই অনিষ্ট দূর করে দিতে পারবে? অথবা তিনি যদি আমার প্রতি কোনো অনুগ্রহ করতে চান, তারা কি সেই অনুগ্রহ প্রতিরোধ করতে পারবে?’ বলো: ‘আল্লাহ্ই আমার জন্যে যথেষ্ট, তাওয়াক্কুলকারীরা তাঁর উপরই তাওয়াক্কুল করে।’
قُلْ يَٰقَوْمِ ٱعْمَلُوا۟ عَلَىٰ مَكَانَتِكُمْ إِنِّى عَٰمِلٌ فَسَوْفَ تَعْلَمُونَ
কুল্ ইয়া-ক্বওমি'মালূ 'আলা-মাকা-নাতিকুম্ ইন্নী 'আমিলুন্ ফাসাওফা তা'লামূন্।
বলো: ‘‘হে আমার কওম! তোমরা নিজ নিজ অবস্থানে কাজ করতে থাকো, আমিও আমার কাজ করে যাচ্ছি, অচিরেই তোমরা দেখতে পাবে
مَن يَأْتِيهِ عَذَابٌ يُخْزِيهِ وَيَحِلُّ عَلَيْهِ عَذَابٌ مُّقِيمٌ
মাইঁইয়াতীহি আযা বুইঁইয়ুখ্যীহি অ ইয়াহিল্লু 'আলাইহি 'আযা-বুম্ মুক্বীম্।
কার উপর এসে পড়ে অপমানকর আযাব এবং কার জন্যে বৈধ হয়ে যাবে স্থায়ী আযাব?’’
إِنَّآ أَنزَلْنَا عَلَيْكَ ٱلْكِتَٰبَ لِلنَّاسِ بِٱلْحَقِّ فَمَنِ ٱهْتَدَىٰ فَلِنَفْسِهِۦ وَمَن ضَلَّ فَإِنَّمَا يَضِلُّ عَلَيْهَا وَمَآ أَنتَ عَلَيْهِم بِوَكِيلٍ
ইন্না য় আন্যাল্না- 'আলাইকাল্ কিতা-বা লিন্না-সি বিল্হাকক্বি ফামানিহ্ তাদা-ফালিনাফ্সিহী অমান্ দ্বোয়াল্লা ফাইন্নামা-ইয়াদ্বিল্লু 'আলাইহা- অমা য় আন্তা 'আলাইহিম্ বিঅকীল্।
আমরা মানবজাতির জন্যে বাস্তবতার ভিত্তিতে তোমার প্রতি নাযিল করেছি আল কিতাব (আল কুরআন), এখন যে কেউ সঠিক পথ গ্রহণ করবে, তাতে তারই কল্যাণ হবে, আর যে কেউ বিপথগামী হবে, সে ডেকে আনবে নিজেরই ধ্বংস। তুমি তাদের উকিল নও।
ٱللَّهُ يَتَوَفَّى ٱلْأَنفُسَ حِينَ مَوْتِهَا وَٱلَّتِى لَمْ تَمُتْ فِى مَنَامِهَا فَيُمْسِكُ ٱلَّتِى قَضَىٰ عَلَيْهَا ٱلْمَوْتَ وَيُرْسِلُ ٱلْأُخْرَىٰٓ إِلَىٰٓ أَجَلٍ مُّسَمًّى إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ
আল্লা-হু ইয়াতাওয়াফ্ফাল্ আন্ফুসা হীনা মাওতিহা-অল্লাতী লাম্ তামুত্ ফী মানা-মিহা-ফাইয়ুম্সিকুল্ লাতী ক্বাদ্বোয়া- 'আলাইহাল্ মাওতা অইর্য়ুসিলুল্ উখ্র য় ইলা য় আজ্বালিম্ মুসাম্মা ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়া-তিল্ লিক্বওমিঁই ইয়া তাফাক্কারূন্।
সমস্ত প্রাণীর ওফাত ঘটান তাদের মৃত্যুর সময় এবং যাদের মৃত্যু এখনো আসেনি তাদের প্রাণও নিদ্রার সময়। তারপর তিনি যার জন্যে মৃত্যুর সিদ্ধান্ত করেন, তার প্রাণ তিনি ধরে রাখেন আর অন্যদের প্রাণ ফেরত দেন একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। এতে রয়েছে নিদর্শন, চিন্তাশীল লোকদের জন্যে।
أَمِ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِ ٱللَّهِ شُفَعَآءَ قُلْ أَوَلَوْ كَانُوا۟ لَا يَمْلِكُونَ شَيْـًٔا وَلَا يَعْقِلُونَ
আমিত্তাখযূ মিন্ দূনিল্লা-হি শুফা'আ-য়্ কুল্ আওয়ালাও কা-নূ লা-ইয়াম্লিকূনা শাইয়াঁও অলা-ইয়া'ক্বিলূন্।
তারা কি আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের সুপারিশকারী ধরেছে? তাদের বলো: ‘তাদের কোনো ক্ষমতা না থাকলেও এবং তারা কোনো কিছু না বুঝলেও কি (তারা সুপারিশ করবে)?’
قُل لِّلَّهِ ٱلشَّفَٰعَةُ جَمِيعًا لَّهُۥ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ثُمَّ إِلَيْهِ تُرْجَعُونَ
কুল্ লিল্লা-হিশ্ শাফা- 'আতু জ্বামী'আন লাহূ মুল্কুস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্ব্ ছুম্মা ইলাইহি র্তুজ্বা'ঊন।
বলো: ‘সমস্ত শাফায়াত (সুপারিশ) আল্লাহর এখতিয়ারে, মহাকাশ এবং পৃথিবীর কর্তৃত্ব তাঁরই। তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে তাঁর দিকেই।’
وَإِذَا ذُكِرَ ٱللَّهُ وَحْدَهُ ٱشْمَأَزَّتْ قُلُوبُ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِٱلْءَاخِرَةِ وَإِذَا ذُكِرَ ٱلَّذِينَ مِن دُونِهِۦٓ إِذَا هُمْ يَسْتَبْشِرُونَ
অইযা-যুকিরাল্লা-হু ওয়াহ্দাহুশ্ মায়ায্যাত্ কুলূবুল্ লাযীনা লা-ইযুমিনূনা বিল্আ-খিরতি অইযা-যুকিরাল্ লাযীনা মিন্ দূনিহী য় ইযা-হুম্ ইয়াস্তাব্শিরূন্।
শুধু এক এবং একমাত্র আল্লাহর কথা বলা হলে আখিরাতে অবিশ্বাসীদের অন্তর বিরাগ বিতৃষ্ণায় সংকুচিত হয়ে যায়। আল্লাহর পরিবর্তে দেবতাগুলোকে উল্লেখ করা হলে তারা আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে উঠে।
قُلِ ٱللَّهُمَّ فَاطِرَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ عَٰلِمَ ٱلْغَيْبِ وَٱلشَّهَٰدَةِ أَنتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِى مَا كَانُوا۟ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ
কুলি ল্লা-হুম্মা ফা-ত্বিরস্ সামা-ওয়া-তি অল্র্আদ্বি 'আ-লিমাল্ গইবি অশ্শাহা-দাতি আন্তা তাহ্কুমু বাইনা 'ইবা-দিকা ফী মা-কা-নূ ফীহি ইয়াখ্তালিফূন্।
বলো: ‘আয় ! মহাকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা, দৃশ্য ও গায়েবের জ্ঞানী, তোমার বান্দারা যে বিষয়ে এখতেলাফ (মতবিরোধ) করছে, তুমিই তার ফায়সালা করে দেবে।’
وَلَوْ أَنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ مَا فِى ٱلْأَرْضِ جَمِيعًا وَمِثْلَهُۥ مَعَهُۥ لَٱفْتَدَوْا۟ بِهِۦ مِن سُوٓءِ ٱلْعَذَابِ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ وَبَدَا لَهُم مِّنَ ٱللَّهِ مَا لَمْ يَكُونُوا۟ يَحْتَسِبُونَ
অলাও আন্না লিল্লাযীনা জোয়ালামূ মা-ফিল্ র্আদ্বি জ্বামী'আঁও অমিছ্লাহূ মা'আহূ লাফ্তাদাও বিহী মিন্ সূ-য়িল্ 'আযা-বি ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাহ্ অ বাদা-লাহুম্ মিনাল্লা-হি মা-লাম্ ইয়াকূনূ ইয়াহ্তাসিবূন্।
যারা যুলুম করে, পৃথিবীতে যা কিছু আছে সেগুলো এবং আরো সমপরিমাণ সম্পদও যদি তাদের থাকে, তবে কিয়ামতের দিন কঠিন আযাব থেকে বাঁচার জন্যে মুক্তিপণ হিসেবে তারা সবই দিয়ে দেবে। আর তাদের জন্যে আল্লাহর নিকট থেকে এমন কিছু প্রকাশ হবে যা তারা কল্পনাও করতে পারেনি।
وَبَدَا لَهُمْ سَيِّـَٔاتُ مَا كَسَبُوا۟ وَحَاقَ بِهِم مَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ
অবাদা-লাহুম্ সাইয়িয়া-তু মা-কাসাবূ অহা-ক্বা বিহিম্ িমা-কা-নূ বিহী ইয়াস্তাহ্যিয়ূন্।
তাদের কৃতকর্মের নিকৃষ্ট পরিণাম তাদের কাছে প্রকাশ হয়ে পড়বে এবং তারা যে ঠাট্টা বিদ্রুপ করতো, তা তাদেরকে পরিবেষ্টন করে নেবে।
فَإِذَا مَسَّ ٱلْإِنسَٰنَ ضُرٌّ دَعَانَا ثُمَّ إِذَا خَوَّلْنَٰهُ نِعْمَةً مِّنَّا قَالَ إِنَّمَآ أُوتِيتُهُۥ عَلَىٰ عِلْمٍۭ بَلْ هِىَ فِتْنَةٌ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ
ফাইযা মাস্সাল্ ইন্সা-না র্দ্বুরুন দা'আ-না- ছুম্মা ইযা-খাওয়্যাল্না-হু নি'মাতাম্ মিন্না-ক্ব-লা ইন্নামা য় ঊতীতুহূ 'আলা-'ইল্ম্ বাল্ হিয়া ফিত্নাতুঁও অলা-কিন্না আক্ছারহুম্ লা-ইয়া'লামূন্।
মানুষকে যখন দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করে, তখন তারা আমাদেরকে ডাকে, কিন্তু যখনই তাদেরকে আমরা কোনো নিয়ামত দিয়ে অনুগ্রহ করি, তখন সে বলে: ‘আমি তো এটা লাভ করেছি আমার বিশেষ জ্ঞানের কারণে।’ বরং এটা একটা পরীক্ষা, কিন্তু অধিকাংশ লোকই তা জানেনা।
قَدْ قَالَهَا ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَمَآ أَغْنَىٰ عَنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ
ক্বদ্ ক্ব-লাহাল্লাযীনা মিন্ ক্বব্লিহিম্ ফামা য় আগ্না- 'আন্হুম্ মা-কা-নূ ইয়াক্সিবূন্।
তাদের আগেকার লোকেরাও এ রকমই বলতো, কিন্তু তাদের যাবতীয় অর্জন তাদের কোনো কাজেই আসেনি।
فَأَصَابَهُمْ سَيِّـَٔاتُ مَا كَسَبُوا۟ وَٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ مِنْ هَٰٓؤُلَآءِ سَيُصِيبُهُمْ سَيِّـَٔاتُ مَا كَسَبُوا۟ وَمَا هُم بِمُعْجِزِينَ
ফাআছোয়া-বাহুম্ সাইয়িয়া-তু মা-কাসাবূ অল্লাযীনা জোয়ালামূ মিন্ হা য় উলা-য়ি সাইয়ুছীবুহুম্ সাইয়িয়া-তু মা- কাসাবূ অমা-হুম্ বিমু'জ্বিযীন্।
তাদের উপর আপতিত হয়েছিল তাদের সমস্ত মন্দ অর্জন আর মন্দ কৃতকর্ম। (এখনকার) এদের মধ্যেও যারা যুলুম করে তাদের উপরও তাদের মন্দ কৃতকর্মের ফল আপতিত হবে, এবং তারা তা ঠেকাতে পারবে না।
أَوَلَمْ يَعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ وَيَقْدِرُ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ
আওয়া লাম্ ইয়া'লামূ য় আন্নাল্লা-হা ইয়াব্সুত্বর্ রিয্ক্বা লিমাইঁ ইয়াশা-য়ু অইয়াক্বর্ ্দি ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়া-তিল্ লিক্বাওমিঁই ইয়ু'মিনূন্।
তারা কি জানেনা, যাকে চান রিযিক প্রশস্ত করে দেন, আর যাকে চান সীমিত করে দেন? অবশ্যি লোকদের জন্যে এতে রয়েছে নিদর্শন।
قُلْ يَٰعِبَادِىَ ٱلَّذِينَ أَسْرَفُوا۟ عَلَىٰٓ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا۟ مِن رَّحْمَةِ ٱللَّهِ إِنَّ ٱللَّهَ يَغْفِرُ ٱلذُّنُوبَ جَمِيعًا إِنَّهُۥ هُوَ ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ
কুল্ ইয়া-'ইবাদিয়াল্ লাযীনা আস্রাফূ 'আলা য় আন্ফুসিহিম্ লা-তাকনাতু র্মি রহ্মাতিল্লা-হ্ ইন্নাল্লা-হা ইয়াগ্ফিরুয্ যুনূবা জামী'আ ইন্নাহূ হুওয়াল্ গফূর্রু রহীম্।
(হে নবী! লোকদেরকে আমার একথা) বলে দাও: ‘‘হে আমার দাসেরা! যারা নিজেদের প্রতি যুলুম - অবিচার করেছো, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়োনা, সমস্ত পাপই ক্ষমা করে দেবেন, কারণ তিনি তো পরম ক্ষমাশীল, অতীব দয়াবান।
وَأَنِيبُوٓا۟ إِلَىٰ رَبِّكُمْ وَأَسْلِمُوا۟ لَهُۥ مِن قَبْلِ أَن يَأْتِيَكُمُ ٱلْعَذَابُ ثُمَّ لَا تُنصَرُونَ
অ আনীবূ য় ইলা-রব্বিকুম্ অআস্লিমূ লাহূ মিন্ ক্বব্লি আঁই ইয়াতিয়াকুমুল্ 'আযা-বু ছুম্মা লা-তুন্ছোয়ারূন্।
(ক্ষমা লাভের উপায় হলো) তোমরা তোমাদের প্রভুর অভিমুখী হও এবং তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করো তোমাদের উপর আযাব এসে যাবার আগেই, তখন কিন্তু তোমাদের আর সাহায্য করা হবেনা।
وَٱتَّبِعُوٓا۟ أَحْسَنَ مَآ أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُم مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِيَكُمُ ٱلْعَذَابُ بَغْتَةً وَأَنتُمْ لَا تَشْعُرُونَ
অত্তাবি'ঊ য় আহ্সানা মা য়উন্যিলা ইলাইকুম্ র্মি রব্বিকুম্ মিন্ ক্বাব্লি আইঁ ইয়াতিয়াকুমুল্ 'আযা-বু বাগ্তাতাঁও অআন্তুম্ লা-তাশ্ঊ'রূন্।
তোমরা অনুসরণ করো তোমাদের প্রভুর নিকট থেকে যে উত্তম (কিতাব) নাযিল হয়েছে সেটিকে, তোমাদের প্রতি হঠাৎ তোমাদের বুঝে উঠার আগেই আযাব এসে যাবার পূর্বে,
أَن تَقُولَ نَفْسٌ يَٰحَسْرَتَىٰ عَلَىٰ مَا فَرَّطتُ فِى جَنۢبِ ٱللَّهِ وَإِن كُنتُ لَمِنَ ٱلسَّٰخِرِينَ
আন্ তাক্বূ লা নাফ্সুঁই ইয়া-হাস্রতা- 'আলা- মা-র্ফারত্ তু ফী জ্বাম্বি ল্লা-হি অইন্ কুন্তু লামিনাস্ সা-খিরীন্।
তখন যাতে কাউকেও বলতে না হয়: ‘হায়, আল্লাহর প্রতি কর্তব্য পালনে আমি যে গাফলতি করেছি তার জন্যে আফসুস্! আমি তো বিদ্রুপকারীদেরই একজন ছিলাম।’
أَوْ تَقُولَ لَوْ أَنَّ ٱللَّهَ هَدَىٰنِى لَكُنتُ مِنَ ٱلْمُتَّقِينَ
আও তাকুলা লাও আন্নাল্লা-হা হাদা-নী লাকুন্তু মিনাল্ মুত্তাক্বীন্।
কিংবা একথা বলতে না হয়: ‘ যদি আমাকে হিদায়াত করতেন, তবে অবশ্যি আমি মুত্তাকিদের অন্তরভুক্ত হতাম।’
أَوْ تَقُولَ حِينَ تَرَى ٱلْعَذَابَ لَوْ أَنَّ لِى كَرَّةً فَأَكُونَ مِنَ ٱلْمُحْسِنِينَ
আও তাকুলা হীনা তারল্ 'আযা-বা লাও আন্না লী র্কারতান্ ফাআকূনা মিনাল্ মুহ্সিনীন্।
কিংবা আযাব দেখার পর একথা বলতে না হয়: ‘হায়, আমাকে যদি একবার পৃথিবীতে ফিরে যাবার সুযোগ দেয়া হতো, তাহলে অবশ্যি আমি পুণ্যবানদের অন্তরভুক্ত হতাম।’’
بَلَىٰ قَدْ جَآءَتْكَ ءَايَٰتِى فَكَذَّبْتَ بِهَا وَٱسْتَكْبَرْتَ وَكُنتَ مِنَ ٱلْكَٰفِرِينَ
বালা-ক্বদ্ জ্বা-য়াত্কা আ-ইয়া-তী ফাকায্যাব্তা বিহা-অস্তার্ক্বাতা অকুন্তা মিনাল্ কা-ফিরীন্।
হাঁ, তোমার কাছে তো আমার আয়াত এসেই ছিলো, কিন্তু তুমি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলে এবং হঠকারিতা প্রদর্শন করেছিলে এবং কাফিরদের অন্তরভুক্ত হয়েছিলে।
وَيَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ تَرَى ٱلَّذِينَ كَذَبُوا۟ عَلَى ٱللَّهِ وُجُوهُهُم مُّسْوَدَّةٌ أَلَيْسَ فِى جَهَنَّمَ مَثْوًى لِّلْمُتَكَبِّرِينَ
অইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাতি তারল্ লাযীনা কাযাবূ 'আলাল্লা-হি উজু হুহুম্ মুস্ওয়াদ্দাহ্ আলাইসা ফী জ্বাহান্নামা মাসওয়াল্ লিল্মুতাকাব্বিরীন্।
কিয়ামতের দিন আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপকারীদের চেহারা দেখবে কালো! দাম্ভিকদের (উপযুক্ত) আবাস কি জাহান্নামই নয়?
وَيُنَجِّى ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ بِمَفَازَتِهِمْ لَا يَمَسُّهُمُ ٱلسُّوٓءُ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
অইয়ুনাজ্জ্বিল্লা হুল্-লাযীনাত্ তাক্বও বিমাফা-যাতিহিম্ লা-ইয়ামাস্সুহুমুস্ সূ-য়ু অলা-হুম্ ইয়াহ্যানূন্।
তাকওয়া অবলম্বনকারীদের সেদিন উদ্ধার করবেন তাদের সাফল্যসহ। তাদেরকে স্পর্শ করবেনা অমঙ্গল আর তারা কোনো দুঃখ - দুশ্চিন্তায়ও থাকবে না।
ٱللَّهُ خَٰلِقُ كُلِّ شَىْءٍ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ وَكِيلٌ
আল্লা-হু খ-লিকু কুল্লি শাইয়ি্যঁও অহুঅ 'আলা-কুল্লি শাইয়্যিঁও অকীল্।
প্রতিটি বস্ত্তর স্রষ্টা । তিনিই প্রতিটি বস্তুর উকিল (কর্মসম্পাদক)।
لَّهُۥ مَقَالِيدُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ أُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْخَٰسِرُونَ
লাহূ মাক্ব-লীদুস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্ব্ অল্লাযীনা কাফারূবিআ-ইয়া-তিল্লা-হি উলা য় য়িকা হুমুল্ খ-সিরূন্।
মহাকাশ এবং পৃথিবীর চাবির মালিক তিনিই। যারা আল্লাহর আয়াতের প্রতি কুফুরি করে তারাই আসল ক্ষতিগ্রস্ত।
قُلْ أَفَغَيْرَ ٱللَّهِ تَأْمُرُوٓنِّىٓ أَعْبُدُ أَيُّهَا ٱلْجَٰهِلُونَ
কুল্ আফাগাইরল্লা-হি তামুরূ-ন্নী য় আ'বুদু আইয়ুহাল্ জ্বা-হিলূন্ ।
হে নবী! বলো: ‘হে জাহিলরা! তোমরা কি আমাকে আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের ইবাদত করতে বলছো?’
وَلَقَدْ أُوحِىَ إِلَيْكَ وَإِلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكَ لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُونَنَّ مِنَ ٱلْخَٰسِرِينَ
অলাক্বদ্ ঊহিয়া ইলাইকা অ ইলাল্লাযীনা মিন্ ক্বব্লিকা লায়িন্ আশ্রক্তা লাইয়াহ্বাত্বোয়ান্না 'আমালুকা অলাতাকূনান্না-মিনাল্ খ-সিরীন্।
তোমার প্রতি এবং তোমার পূর্ববর্তী (রসূলদের) প্রতি এই অহিই করা হয়েছে: ‘তুমি যদি আল্লাহর সাথে শরিক সাব্যস্ত করো, তোমার সমস্ত আমল নিষ্ফল হয়ে যাবে এবং তুমি অবশ্যি অন্তরভুক্ত হবে ক্ষতিগ্রস্তদের।’
بَلِ ٱللَّهَ فَٱعْبُدْ وَكُن مِّنَ ٱلشَّٰكِرِينَ
বালিল্লা-হা ফা'বুদ্ অকুঁম্ মিনাশ্ শা-কিরীন্।
‘বরং আল্লাহরই ইবাদত করো এবং অন্তরভুক্ত হও শোকর গুজারদের।’
وَمَا قَدَرُوا۟ ٱللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِۦ وَٱلْأَرْضُ جَمِيعًا قَبْضَتُهُۥ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ وَٱلسَّمَٰوَٰتُ مَطْوِيَّٰتٌۢ بِيَمِينِهِۦ سُبْحَٰنَهُۥ وَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يُشْرِكُونَ
অমা-ক্বদারুল্লা-হা হাকক্বা ক্বদ্রিহী অল্আরদু জ্বামী'আন্ ক্বাব্দ্বোয়াতুহূ ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাতি অস্সামা-ওয়া-তু মাত্ব্ওয়িয়্যা-তুম্ বিইয়ামীনিহ্ সুব্হা-নাহূ অতা'আ-লা-'আম্মা-ইয়ুশ্রিকূন্।
তারা আল্লাহকে তাঁর যথার্থ মর্যাদা দেয়না। কিয়ামতের দিন গোটা পৃথিবী থাকবে তাঁর মুষ্টিতে, আর মহাকাশ থাকবে ভাঁজ করা অবস্থায় তাঁর ডান হাতে, তিনি অতীব পবিত্র ও মহান তারা যাদের শরিক করে তাদের থেকে।
وَنُفِخَ فِى ٱلصُّورِ فَصَعِقَ مَن فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَن فِى ٱلْأَرْضِ إِلَّا مَن شَآءَ ٱللَّهُ ثُمَّ نُفِخَ فِيهِ أُخْرَىٰ فَإِذَا هُمْ قِيَامٌ يَنظُرُونَ
অনুফিখ ফিছ্ ছূরি ফাছোয়া'ইক্ব মান্ ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমান্ ফিল্ র্আদ্বি ইল্লা-মান্ শা-য়াল্লা-হ্ ছুম্মা নুফিখ ফীহি উখ্র-ফাইযা-হুম্ ক্বিয়া-মুইঁ ইয়ান্জুরূন্।
আর শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে, সাথে সাথে আসমান ও জমিনে যারাই আছে সবাই মরে পড়ে যাবে। তবে যাদের (জীবিত রাখতে) চাইবেন, তাদের কথা ভিন্ন। তারপর শিংগায় আরেকটি ফুৎকার দেয়া হবে। তখন সাথে সাথে সবাই জীবিত হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে এবং তাকাতে থাকবে (অথবা, অপেক্ষা করতে থাকবে)।
وَأَشْرَقَتِ ٱلْأَرْضُ بِنُورِ رَبِّهَا وَوُضِعَ ٱلْكِتَٰبُ وَجِا۟ىٓءَ بِٱلنَّبِيِّۦنَ وَٱلشُّهَدَآءِ وَقُضِىَ بَيْنَهُم بِٱلْحَقِّ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ
অ আশ্রক্বতিল্ র্আদু বিনূরির্ ব্বিহা-অউদ্বি'আল্ কিতা-বূ অজ্বী-য়া বিন্নাবিয়্যীনা অশ্শুহাদা-য়ি অকুদ্বিয়া বাইনাহুম্ বিল্ হাকক্বি অহুম্ লা -ইয়ুজ্লামূন্।
পৃথিবী উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে তার প্রভুর নূরে। কিতাব (আমলের রেকর্ড) এনে হাজির করা হবে এবং নবীদের ও সাক্ষীদের এনে হাজির করা হবে। আর তাদের মাঝে ফায়সালা করে দেয়া হবে হক ফায়সালা এবং তাদের প্রতি কোনো প্রকার যুলুম করা হবেনা।
وَوُفِّيَتْ كُلُّ نَفْسٍ مَّا عَمِلَتْ وَهُوَ أَعْلَمُ بِمَا يَفْعَلُونَ
অউফ্ফিয়াত্ কুল্লু নাফ্সিম্ মা-'আমিলাত্ অহুওয়া আ'লামু বিমা-ইয়াফ্'আলূন্।
প্রত্যেক ব্যক্তিকেই তার আমলের প্রতিদান দেয়া হবে পুরোপুরি। আর মানুষ যা করে তা তো তিনিই (আল্লাহ্ই) সর্বাধিক জানেন।
وَسِيقَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِلَىٰ جَهَنَّمَ زُمَرًا حَتَّىٰٓ إِذَا جَآءُوهَا فُتِحَتْ أَبْوَٰبُهَا وَقَالَ لَهُمْ خَزَنَتُهَآ أَلَمْ يَأْتِكُمْ رُسُلٌ مِّنكُمْ يَتْلُونَ عَلَيْكُمْ ءَايَٰتِ رَبِّكُمْ وَيُنذِ
অসীক্বল্লাযীনা কাফারূ য় ইলা-জ্বাহান্নামা যুমারা- হাত্তা য় ইযা-জ্বা-য়ূহা-ফুতিহাত্ আব্ওয়া বুহা-অক্ব-লা লাহুম্ খযানাতুহা য় আলাম্ ইয়াতিকুম্ রুসুলুম্ মিন্কুম্ ইয়াত্লূনা 'আলাইকুম্ আ-ইয়া-তি রব্বিকুম্ অইয়ুন্যিরূনাকুম্ লিক্ব-য়া ইয়াওমিকুম্ হা-যা- ক্ব-লূ বালা-অলা-কিন্ হাক্ব্ক্বত কালিমাতুল্ আযা-বি 'আলাল্ কা-ফিরীন্।
(বিচার ফায়সালার পর) যারা কুফুরি করেছে (বলে প্রমাণিত হবে), তাদের দলে দলে হাঁকিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামের অভিমুখে। যখন তারা সেখানে পৌঁছুবে, জাহান্নামের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হবে এবং এর ব্যবস্থাপকরা তাদের জিজ্ঞেস করবে: ‘তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে রসূলরা (আল্লাহর বার্তা বাহকরা) আসেননি? তারা কি তোমাদের কাছে তোমাদের প্রভুর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করেননি এবং তোমাদের সতর্ক করেননি যে, তোমাদেরকে একদিন এই দিনটির সম্মুখীন হতে হবে?’ তারা বলবে: ‘হাঁ, তাঁরা এসেছিলেন, কিন্তু আযাবের সিদ্ধান্ত কাফিরদের জন্যে অবধারিত হয়ে গেছে।
قِيلَ ٱدْخُلُوٓا۟ أَبْوَٰبَ جَهَنَّمَ خَٰلِدِينَ فِيهَا فَبِئْسَ مَثْوَى ٱلْمُتَكَبِّرِينَ
ক্বীলাদ্ খুলূ য় আব্ওয়া-বা জ্বাহান্নামা খা-লিদীনা ফীহা-ফাবিসা মাছ্ওয়াল্ মুতাকাব্বিরীন্।
বলা হবে: ‘দাখিল হও জাহান্নামের দরজাসমূহ দিয়ে। চিরকাল তোমরা সেখানেই থাকবে। কতো যে নিকৃষ্ট অহংকারীদের আবাস।’
وَسِيقَ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ رَبَّهُمْ إِلَى ٱلْجَنَّةِ زُمَرًا حَتَّىٰٓ إِذَا جَآءُوهَا وَفُتِحَتْ أَبْوَٰبُهَا وَقَالَ لَهُمْ خَزَنَتُهَا سَلَٰمٌ عَلَيْكُمْ طِبْتُمْ فَٱدْخُلُوهَا خَٰلِدِينَ
অসীক্বল্ লাযী নাত্ তাক্বও রব্বাহুম্ ইলাল্ জ্বান্নাতি যুমারা- হাত্তা য় ইযা-জ্বা-য়ুহা-অফুতিহাত্ আব্ওয়া-বুহা-অক্ব-লা লাহুম্ খাযানাতুহা-সালা-মুন্ 'আলাইকুম্ ত্বিব্তুম্ ফাদ্খুলূহা-খা-লিদীন্।
যারা তাদের প্রভুর অবাধ্য হওয়া থেকে আত্মরক্ষা করে জীবন যাপন করেছে, তাদের দলে দলে নিয়ে যাওয়া হবে জান্নাতের অভিমুখে। যখন তারা সেখানে পৌঁছুবে, খুলে দেয়া হবে জান্নাতের সব দরজা। সেখানকার ব্যবস্থাপকরা
وَقَالُوا۟ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ٱلَّذِى صَدَقَنَا وَعْدَهُۥ وَأَوْرَثَنَا ٱلْأَرْضَ نَتَبَوَّأُ مِنَ ٱلْجَنَّةِ حَيْثُ نَشَآءُ فَنِعْمَ أَجْرُ ٱلْعَٰمِلِينَ
অক্ব-লুল্ হাম্দু লিল্লা-হিল্ লাযী ছদাক্বানা ওয়া'দাহূ অ আওরছানাল্ র্আদ্বোয়া নাতাবাওয়্যায়ু মিনাল্ জ্বান্নাতি হাইছু নাশা-য়ু ফানি'মা আজরুল্ 'আ-মিলীন্।
তারা বলবে: ‘সমস্ত শুকরিয়া আল্লাহর, তিনি আমাদেরকে দেয়া ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন এবং আমাদেরকে ওয়ারিশ বানিয়েছেন এই পৃথিবীর। এখন জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা আমরা আবাস বানাবো। পুণ্যকর্মীদের পুরস্কার কতো যে উত্তম!’
وَتَرَى ٱلْمَلَٰٓئِكَةَ حَآفِّينَ مِنْ حَوْلِ ٱلْعَرْشِ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَقُضِىَ بَيْنَهُم بِٱلْحَقِّ وَقِيلَ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ
অ তারল্ মালা-য়িকাতা হা-ফ্ফীনা মিন্ হাওলিল্ 'র্আশি ইয়ুসাব্বিহূনা বিহাম্দি রব্বিহিম্ অকুদ্বিয়া বাইনাহুম্ বিল্ হাকক্বি অক্বীলাল্ হাম্দু লিল্লা-হি রব্বিল্ আ-লামীন্।
আর তুমি দেখতে পাবে, ফেরেশতারা আরশের চারপাশে বৃত্ত বানিয়ে ঘোষণা করছে তাদের প্রভুর প্রশংসার তসবিহ্। এভাবেই নিখাদ ন্যায্যভাবে ফায়সালা করে দেয়া হবে মানুষের মাঝে, আর ঘোষণা করা হবে: ‘সমস্ত প্রশংসা রাববুল আলামিনের।’