نوح , choose another chapter
نوح
Chapter 71, 28 verses
Word by word
বয়ান ফাউন্ডেশন
আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান
Add book
List
Grid
Word by word
١ إِنَّآ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِۦٓ أَنْ أَنذِرْ قَوْمَكَ مِن قَبْلِ أَن يَأْتِيَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
বয়ান ফাউন্ডেশন
১ নিশ্চয় আমি নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার কওমের কাছে (এ কথা বলে), ‘তোমার কওমকে সতর্ক কর, তাদের নিকট যন্ত্রণাদায়ক আযাব আসার পূর্বে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ আমরা নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার কওমের কাছে (এই নির্দেশ দিয়ে) যে, তোমার কওমকে সতর্ক করো তাদের প্রতি বেদনাদায়ক আযাব আসার আগেই।
মুহিউদ্দীন খান
১ আমি নূহকে প্রেরণ করেছিলাম তাঁর সম্প্রদায়ের প্রতি একথা বলেঃ তুমি তোমার সম্প্রদায়কে সতর্ক কর, তাদের প্রতি মর্মন্তদ শাস্তি আসার আগে।
Word by word
٢ قَالَ يَٰقَوْمِ إِنِّى لَكُمْ نَذِيرٌ مُّبِينٌ
বয়ান ফাউন্ডেশন
২ সে বলল, ‘হে আমার কওম! নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য এক স্পষ্ট সতর্ককারী-
আবদুস শহীদ নাসিম
২ সে (তাদের) বলেছিল: ‘‘হে আমার কওম! আমি তোমাদের জন্যে একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী!
মুহিউদ্দীন খান
২ সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! আমি তোমাদের জন্যে স্পষ্ট সতর্ককারী।
Word by word
٣ أَنِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ وَٱتَّقُوهُ وَأَطِيعُونِ
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩ যে, তোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত কর, তাঁকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর’।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁকে ভয় করো (তাঁর প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হও) আর আমার আনুগত্য করো।
মুহিউদ্দীন খান
৩ এ বিষয়ে যে, তোমরা আল্লাহ তা’আলার এবাদত কর, তাঁকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
Word by word
٤ يَغْفِرْ لَكُم مِّن ذُنُوبِكُمْ وَيُؤَخِّرْكُمْ إِلَىٰٓ أَجَلٍ مُّسَمًّى إِنَّ أَجَلَ ٱللَّهِ إِذَا جَآءَ لَا يُؤَخَّرُ لَوْ كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪ ‘তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দেবেন; আল্লাহর নির্ধারিত সময় আসলে কিছুতেই তা বিলম্বিত করা হয় না, যদি তোমরা জানতে’!
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ তাহলে তিনি ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের পাপসমূহ এবং তোমাদের অবকাশ দেবেন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। জেনে রাখো, আল্লাহর নির্ধারিত সময় এসে পড়লে তা আর দেরি করা হয়না, যদি তোমরা জানতে!’’
মুহিউদ্দীন খান
৪ আল্লাহ তা’আলা তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলার নির্দিষ্টকাল যখন হবে, তখন অবকাশ দেয়া হবে না, যদি তোমরা তা জানতে!
Word by word
٥ قَالَ رَبِّ إِنِّى دَعَوْتُ قَوْمِى لَيْلًا وَنَهَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫ সে বলল, ‘হে আমার রব! আমি তো আমার কওমকে রাত-দিন আহবান করেছি।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ নূহ তার প্রভুর কাছে বলেছিল: ‘‘আমার প্রভু! আমি আমার কওমকে দাওয়াত দিয়েছি রাতদিন।
মুহিউদ্দীন খান
৫ সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি আমার সম্প্রদায়কে দিবারাত্রি দাওয়াত দিয়েছি;
Word by word
٦ فَلَمْ يَزِدْهُمْ دُعَآءِىٓ إِلَّا فِرَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬ ‘অতঃপর আমার আহবান কেবল তাদের পলায়নই বাড়িয়ে দিয়েছে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ আমার দাওয়াত তাদের কেবল পলায়নই বাড়িয়ে দিয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
৬ কিন্তু আমার দাওয়াত তাদের পলায়নকেই বৃদ্ধি করেছে।
Word by word
٧ وَإِنِّى كُلَّمَا دَعَوْتُهُمْ لِتَغْفِرَ لَهُمْ جَعَلُوٓا۟ أَصَٰبِعَهُمْ فِىٓ ءَاذَانِهِمْ وَٱسْتَغْشَوْا۟ ثِيَابَهُمْ وَأَصَرُّوا۟ وَٱسْتَكْبَرُوا۟ ٱسْتِكْبَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭ ‘আর যখনই আমি তাদেরকে আহবান করেছি ‘যেন আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন’, তারা নিজদের কানে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিয়েছে, নিজদেরকে পোশাকে আবৃত করেছে, (অবাধ্যতায়) অনড় থেকেছে এবং দম্ভভরে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেছে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ আমি যখনই তাদের দাওয়াত দিয়েছি যেনো তুমি তাদের ক্ষমা করে দাও, তারা কানে আংগুল দিয়েছে, নিজেদের ঢেকে নিয়েছে কাপড় দিয়ে, তারা অনবরত জিদ ধরেছে এবং প্রকাশ করেছে অতিশয় দাম্ভিকতা।
মুহিউদ্দীন খান
৭ আমি যতবারই তাদেরকে দাওয়াত দিয়েছি, যাতে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন, ততবারই তারা কানে অঙ্গুলি দিয়েছে, মুখমন্ডল বস্ত্রাবৃত করেছে, জেদ করেছে এবং খুব ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছে।
Word by word
٨ ثُمَّ إِنِّى دَعَوْتُهُمْ جِهَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮ ‘তারপর আমি তাদেরকে প্রকাশ্যে আহবান করেছি’।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ তারপর আমি তাদের প্রকাশ্যে দাওয়াত দিয়েছি,
মুহিউদ্দীন খান
৮ অতঃপর আমি তাদেরকে প্রকাশ্যে দাওয়াত দিয়েছি,
Word by word
٩ ثُمَّ إِنِّىٓ أَعْلَنتُ لَهُمْ وَأَسْرَرْتُ لَهُمْ إِسْرَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯ অতঃপর তাদেরকে আমি প্রকাশ্যে এবং অতি গোপনেও আহবান করেছি।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ অতপর তাদের এলান (ঘোষণা) করে ডেকেছি এবং গোপনে গোপনে উপদেশ দিয়েছি।
মুহিউদ্দীন খান
৯ অতঃপর আমি ঘোষণা সহকারে প্রচার করেছি এবং গোপনে চুপিসারে বলেছি।
Word by word
١٠ فَقُلْتُ ٱسْتَغْفِرُوا۟ رَبَّكُمْ إِنَّهُۥ كَانَ غَفَّارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০ আর বলেছি, ‘তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও; নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ আমি তাদের বলেছি: তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে মাগফিরাত প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি মহান ক্ষমাশীল।
মুহিউদ্দীন খান
১০ অতঃপর বলেছিঃ তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল।
Word by word
١١ يُرْسِلِ ٱلسَّمَآءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১১ ‘তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ তিনি তোমাদের জন্যে আকাশ থেকে বর্ষণ করবেন প্রচুর বৃষ্টি।
মুহিউদ্দীন খান
১১ তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন,
Word by word
١٢ وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَٰلٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّٰتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَٰرًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১২ ‘আর তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের জন্য বাগ-বাগিচা দেবেন আর দেবেন নদী-নালা’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তিনি তোমাদের মদদ করবেন মাল - সম্পদ ও সন্তান সন্ততি দিয়ে এবং তোমাদের জন্যে সৃষ্টি করে দেবেন বাগ বাগিচা ও নদনদী।’’
মুহিউদ্দীন খান
১২ তোমাদের ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন।
Word by word
١٣ مَّا لَكُمْ لَا تَرْجُونَ لِلَّهِ وَقَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৩ ‘তোমাদের কী হল, তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের পরোয়া করছ না’?
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তোমাদের হলোটা কি, তোমরা আল্লাহর জন্যে কোনো মর্যাদাই স্বীকার করছোনা?
মুহিউদ্দীন খান
১৩ তোমাদের কি হল যে, তোমরা আল্লাহ তা’আলার শ্রেষ্টত্ব আশা করছ না।
Word by word
١٤ وَقَدْ خَلَقَكُمْ أَطْوَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৪ ‘অথচ তিনি তোমাদেরকে নানা স্তরে সৃষ্টি করেছেন’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ অথচ তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে।
মুহিউদ্দীন খান
১৪ অথচ তিনি তোমাদেরকে বিভিন্ন রকমে সৃষ্টি করেছেন।
Word by word
١٥ أَلَمْ تَرَوْا۟ كَيْفَ خَلَقَ ٱللَّهُ سَبْعَ سَمَٰوَٰتٍ طِبَاقًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৫ ‘তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, কীভাবে আল্লাহ স্তরে স্তরে সপ্তাকাশ সৃষ্টি করেছেন’?
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তোমরা কি ভেবে দেখোনা, কিভাবে আল্লাহ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন সপ্তাকাশ?
মুহিউদ্দীন খান
১৫ তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ কিভাবে সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন।
Word by word
١٦ وَجَعَلَ ٱلْقَمَرَ فِيهِنَّ نُورًا وَجَعَلَ ٱلشَّمْسَ سِرَاجًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৬ আর এগুলোর মধ্যে চাঁদকে সৃষ্টি করেছেন আলো আর সূর্যকে সৃষ্টি করেছেন প্রদীপরূপে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ তাতে চাঁদকে রেখে দিয়েছেন আলো হিসেবে আর সূর্যকে রেখে দিয়েছেন আলোদানকারী প্রদীপ হিসেবে।
মুহিউদ্দীন খান
১৬ এবং সেখানে চন্দ্রকে রেখেছেন আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে।
Word by word
١٧ وَٱللَّهُ أَنۢبَتَكُم مِّنَ ٱلْأَرْضِ نَبَاتًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৭ ‘আর আল্লাহ তোমাদেরকে উদগত করেছেন মাটি থেকে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আল্লাহ তোমাদের সৃষ্টির সূচনা করেছেন মাটি থেকে।
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে উদগত করেছেন।
Word by word
١٨ ثُمَّ يُعِيدُكُمْ فِيهَا وَيُخْرِجُكُمْ إِخْرَاجًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৮ ‘তারপর তিনি তোমাদেরকে তাতে ফিরিয়ে নেবেন এবং নিশ্চিতভাবে তোমাদেরকে পুনরুত্থিত করবেন’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ তারপর তিনি তোমাদের তাতেই (মাটিতেই) ফিরিয়ে নেবেন এবং সেখান থেকে আবার বের করে আনবেন।
মুহিউদ্দীন খান
১৮ অতঃপর তাতে ফিরিয়ে নিবেন এবং আবার পুনরুত্থিত করবেন।
Word by word
١٩ وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ بِسَاطًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৯ ‘আর আল্লাহ পৃথিবীকে তোমাদের জন্য বিস্তৃত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আল্লাহ্ই তোমাদের জন্যে বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।
মুহিউদ্দীন খান
১৯ আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্যে ভূমিকে করেছেন বিছানা।
Word by word
٢٠ لِّتَسْلُكُوا۟ مِنْهَا سُبُلًا فِجَاجًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২০ যেন তোমরা সেখানে প্রশস্ত পথে চলতে পার’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ যাতে করে তোমরা তাতে চলাফেরা করতে পারো প্রশস্ত পথে।
মুহিউদ্দীন খান
২০ যাতে তোমরা চলাফেরা কর প্রশস্ত পথে।
Word by word
٢١ قَالَ نُوحٌ رَّبِّ إِنَّهُمْ عَصَوْنِى وَٱتَّبَعُوا۟ مَن لَّمْ يَزِدْهُ مَالُهُۥ وَوَلَدُهُۥٓ إِلَّا خَسَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২১ নূহ বলল, ‘হে আমার রব! তারা আমার অবাধ্য হয়েছে এবং এমন একজনের অনুসরণ করেছে যার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কেবল তার ক্ষতিই বাড়িয়ে দেয়’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ নূহ আরো বলেছিল: ‘আমার প্রভু! তারা (আমার কওম) আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করেছে এমন লোকদের যাদের মাল সম্পদ এবং আওলাদ ফরজন্দ তাদের ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই বাড়ায়নি।’
মুহিউদ্দীন খান
২১ নূহ বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করছে এমন লোককে, যার ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি কেবল তার ক্ষতিই বৃদ্ধি করছে।
Word by word
٢٢ وَمَكَرُوا۟ مَكْرًا كُبَّارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২২ ‘আর তারা ভয়ানক ষড়যন্ত্র করেছে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ তারা এঁটেছিল এক জঘন্য ষড়যন্ত্র।
মুহিউদ্দীন খান
২২ আর তারা ভয়ানক চক্রান্ত করছে।
Word by word
٢٣ وَقَالُوا۟ لَا تَذَرُنَّ ءَالِهَتَكُمْ وَلَا تَذَرُنَّ وَدًّا وَلَا سُوَاعًا وَلَا يَغُوثَ وَيَعُوقَ وَنَسْرًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৩ আর তারা বলে, ‘তোমরা তোমাদের উপাস্যদের বর্জন করো না; বর্জন করো না ওয়াদ, সুওয়া‘, ইয়াগূছ, ইয়া‘ঊক ও নাসরকে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ তারা বলেছিল: তোমরা (নূহের কথায়) কখনো তোমাদের ইলাহ্দের (দেব দেবীদের) ত্যাগ করোনা। তোমরা ত্যাগ করোনা ওয়াদ্দা, সুয়াআ, ইয়াগুছ এবং নস্রকে।
মুহিউদ্দীন খান
২৩ তারা বলছেঃ তোমরা তোমাদের উপাস্যদেরকে ত্যাগ করো না এবং ত্যাগ করো না ওয়াদ, সূয়া, ইয়াগুছ, ইয়াউক ও নসরকে।
Word by word
٢٤ وَقَدْ أَضَلُّوا۟ كَثِيرًا وَلَا تَزِدِ ٱلظَّٰلِمِينَ إِلَّا ضَلَٰلًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৪ ‘বস্তুত তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে, আর (হে আল্লাহ ) আপনি যালিমদেরকে ভ্রষ্টতা ছাড়া আর কিছুই বাড়াবেন না’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ (নূহ বলেছিল:) ‘প্রভু! তারা অনেক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে। তুমি এই যালিমদেরকে গোমরাহি ছাড়া আর কিছুই বাড়িয়ে দিয়োনা।’
মুহিউদ্দীন খান
২৪ অথচ তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে। অতএব আপনি জালেমদের পথভ্রষ্টতাই বাড়িয়ে দিন।
Word by word
٢٥ مِّمَّا خَطِيٓـَٰٔتِهِمْ أُغْرِقُوا۟ فَأُدْخِلُوا۟ نَارًا فَلَمْ يَجِدُوا۟ لَهُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ أَنصَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৫ তাদের পাপের কারণে তাদেরকে ডুবিয়ে দেয়া হল অতঃপর আগুনে প্রবেশ করানো হল; তারা নিজদের সাহায্যকারী হিসেবে আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে পায়নি।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ তাদের অপরাধের জন্যে তাদের ডুবিয়ে দেয়া হলো পানিতে, অতপর তাদের দাখিল করা হবে জাহান্নামে। তারা আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে সাহায্যকারী পাবেনা।
মুহিউদ্দীন খান
২৫ তাদের গোনাহসমূহের দরুন তাদেরকে নিমজ্জিত করা হয়েছে, অতঃপর দাখিল করা হয়েছে জাহান্নামে। অতঃপর তারা আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত কাউকে সাহায্যকারী পায়নি।
Word by word
٢٦ وَقَالَ نُوحٌ رَّبِّ لَا تَذَرْ عَلَى ٱلْأَرْضِ مِنَ ٱلْكَٰفِرِينَ دَيَّارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৬ আর নূহ বলল, ‘হে আমার রব! যমীনের উপর কোন কাফিরকে অবশিষ্ট রাখবেন না’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ নূহ বলেছিল: ‘‘আমার প্রভু! এদেশে কাফিরদের কোনো ঘরবাসীকে তুমি ছেড়ে দিয়োনা।
মুহিউদ্দীন খান
২৬ নূহ আরও বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি পৃথিবীতে কোন কাফের গৃহবাসীকে রেহাই দিবেন না।
Word by word
٢٧ إِنَّكَ إِن تَذَرْهُمْ يُضِلُّوا۟ عِبَادَكَ وَلَا يَلِدُوٓا۟ إِلَّا فَاجِرًا كَفَّارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৭ ‘আপনি যদি তাদেরকে অবশিষ্ট রাখেন তবে তারা আপনার বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করবে এবং দুরাচারী ও কাফির ছাড়া অন্য কারো জন্ম দেবে না’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ তুমি যদি তাদের রক্ষা করো, তারা তোমার বান্দাদের গোমরাহ্ করতে থাকবে এবং দুষ্কৃতকারী কাফিরই জন্ম দিতে থাকবে।
মুহিউদ্দীন খান
২৭ যদি আপনি তাদেরকে রেহাই দেন, তবে তারা আপনার বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করবে এবং জন্ম দিতে থাকবে কেবল পাপাচারী, কাফের ।
Word by word
٢٨ رَّبِّ ٱغْفِرْ لِى وَلِوَٰلِدَىَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِىَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَٱلْمُؤْمِنَٰتِ وَلَا تَزِدِ ٱلظَّٰلِمِينَ إِلَّا تَبَارًۢا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৮ ‘হে আমার রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যে আমার ঘরে ঈমানদার হয়ে প্রবেশ করবে তাকে এবং মুমিন নারী-পুরুষকে ক্ষমা করুন এবং ধ্বংস ছাড়া আপনি যালিমদের আর কিছুই বাড়িয়ে দেবেন না।’
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ আমার প্রভু! তুমি ক্ষমা করে দাও আমাকে, আমার বাবা - মাকে আর মুমিন হয়ে যারা আমার ঘরে প্রবেশ করবে তাদেরকে এবং সব মুমিন পুরুষ ও নারীকে। যালিমদের তুমি ধ্বংস ছাড়া আর কিছু বাড়িয়ে দিয়োনা।’’
মুহিউদ্দীন খান
২৮ হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমাকে, আমার পিতা - মাতাকে, যারা মুমিন হয়ে আমার গৃহে প্রবেশ করে - তাদেরকে এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে ক্ষমা করুন এবং যালেমদের কেবল ধ্বংসই বৃদ্ধি করুন।
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report