Kitab

فصّلت

Chapter 41, 54 verses

  • Word by word
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • সমকালীন বাংলা
  • আবদুস শহীদ নাসিম
Word by word

حمٓ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হা-মীম।

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; হা - মীম।

আবদুস শহীদ নাসিম

হা মিম!

Word by word

تَنزِيلٌ مِّنَ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

(এ গ্রন্থ) পরম করুণাময় অসীম দয়ালুর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত।

সমকালীন বাংলা

ইহা দয়াময়, পরম দয়ালুর নিকট হইতে অবতীর্ণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

রহমানুর রহিমের পক্ষ থেকে নাযিল হচ্ছে (এই কিতাব)।

Word by word

كِتَٰبٌ فُصِّلَتْ ءَايَٰتُهُۥ قُرْءَانًا عَرَبِيًّا لِّقَوْمٍ يَعْلَمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

এমন এক কিতাব, যার আয়াতগুলো জ্ঞানী কওমের জন্য বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, কুরআনরূপে আরবী ভাষায়।

সমকালীন বাংলা

এক কিতাব, বিশদভাবে বিবৃত হইয়াছে ইহার আয়াতসমূহ, আরবী ভাষায় কুরআন, জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য,

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি এমন একটি কিতাব, যার আয়াতসমূহ বিশদ বিবরণ সম্বলিত। এটি আরবি ভাষায় (অবতীর্ণ) কুরআন, যেসব লোক এলেম চর্চা করে তাদের জন্যে।

Word by word

بَشِيرًا وَنَذِيرًا فَأَعْرَضَ أَكْثَرُهُمْ فَهُمْ لَا يَسْمَعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী। অতঃপর তাদের অধিকাংশই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, অতএব তারা শুনবে না।

সমকালীন বাংলা

সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী। কিন্তু অধিকাংশ লোক মুখ ফিরাইয়া লইয়াছে, সুতরাং উহারা শুনিবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি সুসংবাদবাহী ও সতর্ককারী (কিতাব)। কিন্তু অধিকাংশ লোক মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, ফলে তারা আর শুনবে না।

Word by word

وَقَالُوا۟ قُلُوبُنَا فِىٓ أَكِنَّةٍ مِّمَّا تَدْعُونَآ إِلَيْهِ وَفِىٓ ءَاذَانِنَا وَقْرٌ وَمِنۢ بَيْنِنَا وَبَيْنِكَ حِجَابٌ فَٱعْمَلْ إِنَّنَا عَٰمِلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলে, ‘তুমি আমাদেরকে যার প্রতি আহবান করছ সে বিষয়ে আমাদের অন্তরসমূহ আচ্ছাদিত, আমাদের কানের মধ্যে রয়েছে বধিরতা আর তোমার ও আমাদের মধ্যে রয়েছে অন্তরায়। অতএব তুমি (তোমার) কাজ কর, নিশ্চয় আমরা (আমাদের) কাজ করব।

সমকালীন বাংলা

উহারা বলে, ‘তুমি যাহার প্রতি আমাদেরকে আহ্বান করিতেছ সে বিষয়ে আমাদের অন্তর আবরণ - আচ্ছাদিত, আমাদের কর্ণে আছে বধিরতা এবং তোমার ও আমাদের মধ্যে আছে অন্তরাল; সুতরাং তুমি তোমার কাজ কর এবং আমরা আমাদের কাজ করি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘তুমি যেদিকে আমাদের ডাকছো, সে বিষয়ে আমাদের অন্তর আচ্ছাদিত, আমাদের কানে তুলা, আর আমাদের ও তোমার মাঝে রয়েছে একটি হিজাব (অন্তরাল)। সুতরাং তুমি তোমার কাজ করো, আমরা আমাদের কাজ করি।’

Word by word

قُلْ إِنَّمَآ أَنَا۠ بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَىٰٓ إِلَىَّ أَنَّمَآ إِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَٰحِدٌ فَٱسْتَقِيمُوٓا۟ إِلَيْهِ وَٱسْتَغْفِرُوهُ وَوَيْلٌ لِّلْمُشْرِكِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি কেবল তোমাদের মত একজন মানুষ। আমার কাছে ওহী পাঠানো হয় যে, তোমাদের কেবলমাত্র এক । অতএব তোমরা তাঁর পথে দৃঢ়ভাবে অটল থাক এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাও’। আর মুশরিকদের জন্য ধ্বংস,

সমকালীন বাংলা

বল, ‘আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষই, আমার প্রতি ওহী হয় যে, তোমাদের ইলাহ্ একমাত্র ইলাহ্। অতএব তোমরা তাঁহারই পথ দৃঢ়ভাবে অবলম্বন কর এবং তাঁহারই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর। দুর্ভোগ অংশীবাদীদের জন্য -

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘আমি তোমাদের মতোই একজন মানুষ। আমার প্রতি অহি করা হয়েছে যে, তোমাদের ইলাহ্ (আল্লাহ্ই) একমাত্র ইলাহ্। তোমরা মজবুতভাবে তাঁর পথ অবলম্বন করো এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। আর সেইসব মুশরিকদের জন্যে রয়েছে দুঃখ - দুর্ভোগ,

Word by word

ٱلَّذِينَ لَا يُؤْتُونَ ٱلزَّكَوٰةَ وَهُم بِٱلْءَاخِرَةِ هُمْ كَٰفِرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা যাকাত দেয় না। আর তারাই আখিরাতের অস্বীকারকারী।

সমকালীন বাংলা

যাহারা যাকাত প্রদান করে না এবং উহারা আখিরাতেও অবিশ্বাসী।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা যাকাত প্রদান করে না এবং তারা আখিরাতের প্রতি অবিশ্বাসী।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন প্রতিদান।

সমকালীন বাংলা

যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাহাদের জন্য রহিয়াছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে তাদের জন্যে রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।

Word by word

قُلْ أَئِنَّكُمْ لَتَكْفُرُونَ بِٱلَّذِى خَلَقَ ٱلْأَرْضَ فِى يَوْمَيْنِ وَتَجْعَلُونَ لَهُۥٓ أَندَادًا ذَٰلِكَ رَبُّ ٱلْعَٰلَمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা কি তাঁকে অস্বীকার করবে যিনি দু’দিনে যমীন সৃষ্টি করেছেন? আর তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ বানাতে চাচ্ছ? তিনিই সৃষ্টিকুলের রব’।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা কি তাঁহাকে অস্বীকার করিবেই যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন দুই দিনে এবং তোমরা কি তাঁহার সমকক্ষ দাঁড় করাইতেছ? তিনি তো জগতসমূহের প্রতিপালক!

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: তোমরা কি সেই মহান সত্তার সাথে কুফুরি করবে, যিনি এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দুই দিনে (দুটি কালে) এবং তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ সাব্যস্ত করবে? তিনি তো রাব্বুল আলামিন (মহাজগতের প্রভু)।

Word by word

وَجَعَلَ فِيهَا رَوَٰسِىَ مِن فَوْقِهَا وَبَٰرَكَ فِيهَا وَقَدَّرَ فِيهَآ أَقْوَٰتَهَا فِىٓ أَرْبَعَةِ أَيَّامٍ سَوَآءً لِّلسَّآئِلِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার উপরিভাগে তিনি দৃঢ় পর্বতমালা স্থাপন করেছেন এবং তাতে বরকত দিয়েছেন, আর তাতে চারদিনে প্রার্থীদের জন্য সমভাবে খাদ্য নিরূপণ করে দিয়েছেন।

সমকালীন বাংলা

তিনি স্থাপন করিয়াছেন অটল পর্বতমালা ভূপৃষ্ঠে এবং উহাতে রাখিয়াছেন কল্যাণ এবং চার দিনের মধ্যে ইহাতে ব্যবস্থা করিয়াছেন খাদ্যের সমভাবে, যাচ্ঞাকারীদের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তিনি ভূ - পৃষ্ঠে স্থাপন করেছেন অটল পাহাড় পর্বত। তাতে (ভূ - পৃষ্ঠে) রেখেছেন প্রভূত বরকত। চারটি কালে তাতে ব্যবস্থা করেছেন তার সামর্থ (উৎপাদিত জীবিকা) প্রার্থনাকারীদের জন্যে তাদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী।

Word by word

ثُمَّ ٱسْتَوَىٰٓ إِلَى ٱلسَّمَآءِ وَهِىَ دُخَانٌ فَقَالَ لَهَا وَلِلْأَرْضِ ٱئْتِيَا طَوْعًا أَوْ كَرْهًا قَالَتَآ أَتَيْنَا طَآئِعِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তিনি আসমানের দিকে মনোনিবেশ করেন। তা ছিল ধোঁয়া। তারপর তিনি আসমান ও যমীনকে বললেন, ‘তোমরা উভয়ে স্বেচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় আস’। তারা উভয়ে বলল, ‘আমরা অনুগত হয়ে আসলাম’।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করেন যাহা ছিল ধূম্রপুঞ্জবিশেষ। অনন্তর তিনি উহাকে ও পৃথিবীকে বলিলেন, ‘তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়।’ উহারা বলিল, ‘আমরা আসিলাম অনুগত হইয়া।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তিনি মনোনিবেশ করেন আকাশের দিকে। তখন তা ছিলো ধুম্রপুঞ্জ। তারপর তিনি আকাশ ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা অস্তিত্ব ধারণ করো ইচ্ছায় হোক কিংবা অনিচ্ছায়। তারা বললো: ‘আমরা নত শিরে অস্তিত্ব ধারণ করলাম।’

Word by word

فَقَضَىٰهُنَّ سَبْعَ سَمَٰوَاتٍ فِى يَوْمَيْنِ وَأَوْحَىٰ فِى كُلِّ سَمَآءٍ أَمْرَهَا وَزَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِمَصَٰبِيحَ وَحِفْظًا ذَٰلِكَ تَقْدِيرُ ٱلْعَزِيزِ ٱلْعَلِيمِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তিনি দু’দিনে আসমানসমূহকে সাত আসমানে পরিণত করলেন। আর প্রত্যেক আসমানে তার কার্যাবলী ওহীর মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন। আর আমি নিকটবর্তী আসমানকে প্রদীপমালার দ্বারা সুসজ্জিত করেছি আর সুরক্ষিত করেছি। এ হল মহা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞের নির্ধারণ।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তিনি আকাশমণ্ডলকে দুই দিনে সপ্তাকাশে পরিণত করিলেন এবং প্রত্যেক আকাশে উহার বিধান ব্যক্ত করিলেন, এবং আমি নিকটবর্তী আকাশকে সুশোভিত করিলাম প্রদীপমালা দ্বারা। এটা পরাক্রমশালী র্সবজ্ঞ আল্লাহর ব্যবস্থাপনা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তিনি দুটি কালে আকাশকে সপ্তাকাশে পরিণত করলেন এবং প্রত্যেক আকাশকে তার বিধান অহি করে দিলেন। দুনিয়ার (কাছের) আকাশকে সুশোভিত করলেন প্রদীপমালা দিয়ে এবং হিফাযতের উদ্দেশ্যে। এ হচ্ছে মহাপরাক্রমশালী সর্বজ্ঞানীর ব্যবস্থাপনা।

Word by word

فَإِنْ أَعْرَضُوا۟ فَقُلْ أَنذَرْتُكُمْ صَٰعِقَةً مِّثْلَ صَٰعِقَةِ عَادٍ وَثَمُودَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবুও যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলে তুমি বলে দাও, ‘আদ ও সামূদের ধ্বংসের মতই এক মহাধ্বংস সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে সতর্ক করছি’।

সমকালীন বাংলা

তবুও ইহারা যদি মুখ ফিরাইয়া নেয়, তবে বল, ‘আমি তো তোমাদেরকে সতর্ক করিতেছি এক ধ্বংসকর শাস্তির, আদ ও সামূদের শাস্তির অনুরূপ।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাদের বলো: ‘আমি তোমাদের সতর্ক করছি এক ধ্বংসকর শাস্তির, আদ ও সামুদ জাতির শাস্তির অনুরূপ শাস্তির।’

Word by word

إِذْ جَآءَتْهُمُ ٱلرُّسُلُ مِنۢ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ وَمِنْ خَلْفِهِمْ أَلَّا تَعْبُدُوٓا۟ إِلَّا ٱللَّهَ قَالُوا۟ لَوْ شَآءَ رَبُّنَا لَأَنزَلَ مَلَٰٓئِكَةً فَإِنَّا بِمَآ أُرْسِلْتُم بِهِۦ كَٰفِرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তাদের অগ্র ও পশ্চাৎ থেকে রাসূলগণ তাদের কাছে এসে বলেছিল যে, ‘তোমরা ছাড়া কারো ইবাদাত করো না’। তারা বলেছিল, ‘যদি আমাদের রব ইচ্ছা করতেন তাহলে অবশ্যই ফেরেশতা নাযিল করতেন। অতএব, তোমাদেরকে যা দিয়ে পাঠানো হয়েছে নিশ্চয় আমরা তা প্রত্যাখ্যান করলাম।

সমকালীন বাংলা

যখন উহাদের নিকট রাসূলগণ আসিয়াছিল উহাদের সম্মুখ ও পশ্চাৎ হইতে এবং বলিয়াছিল, ‘তোমরা ব্যতীত কাহারও ‘ইবাদত করিও না।’ তখন উহারা বলিয়াছিল, ‘আমাদের প্রতিপালকের এইরূপ ইচ্ছা হইলে তিনি অবশ্যই ফিরিশ্তা প্রেরণ করিতেন। অতএব তোমরা যাহাসহ প্রেরিত হইয়াছ, আমরা তাহা প্রত্যাখ্যান করিলাম।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আগে পিছে রসূলরা এসেছিল এবং তাদের বলেছিল: ‘তোমরা ছাড়া আর কারো দাসত্ব করোনা।’ তখন তারা বলেছিল: ‘আমাদের প্রভু চাইলে তো ফেরেশতাই পাঠাতেন। সুতরাং তোমরা যা নিয়ে এসেছো, আমরা সেটার প্রতি কুফুরি করছি।’

Word by word

فَأَمَّا عَادٌ فَٱسْتَكْبَرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ بِغَيْرِ ٱلْحَقِّ وَقَالُوا۟ مَنْ أَشَدُّ مِنَّا قُوَّةً أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّ ٱللَّهَ ٱلَّذِى خَلَقَهُمْ هُوَ أَشَدُّ مِنْهُمْ قُوَّةً وَكَانُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ‘আদ সম্প্রদায়, তারা যমীনে অযথা অহঙ্কার করত এবং বলত, ‘আমাদের চেয়ে অধিক শক্তিশালী কে আছে’? তবে কি তারা লক্ষ্য করেনি যে, নিশ্চয় যিনি তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তাদের চেয়ে অধিক শক্তিশালী? আর তারা আমার আয়াতগুলোকে অস্বীকার করত।

সমকালীন বাংলা

আর ‘আদ সম্প্রদায়ের ব্যাপার এই যে, উহারা পৃথিবীতে অযথা দম্ভ করিত এবং বলিত, ‘আমাদের অপেক্ষা শক্তিশালী কে আছে?’ উহারা কি তবে লক্ষ্য করে নাই যে, যিনি উহাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন, তিনি উহাদের অপেক্ষা শক্তিশালী? অথচ উহারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আদ জাতি অন্যায়ভাবে দেশে দম্ভ করেছিল। তারা বলেছিল: ‘আমাদের চেয়ে শক্তিমান আর কে আছে?’ তবে কি তারা ভেবে দেখেনি যে, তাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তাদের চেয়ে অধিক শক্তিমান। আসলে তারা আমাদের আয়াতকেই অস্বীকার করতো।

Word by word

فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِىٓ أَيَّامٍ نَّحِسَاتٍ لِّنُذِيقَهُمْ عَذَابَ ٱلْخِزْىِ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَلَعَذَابُ ٱلْءَاخِرَةِ أَخْزَىٰ وَهُمْ لَا يُنصَرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর আমি তাদের উপর অশুভ দিনগুলোতে ঝঞ্ঝাবায়ু পাঠালাম যাতে তাদেরকে দুনিয়ার জীবনে লাঞ্ছনাদায়ক আযাব আস্বাদন করাতে পারি। আর আখিরাতের আযাব তো অধিকতর লাঞ্ছনাদায়ক এবং তাদেরকে সাহায্য করা হবে না।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আমি উহাদেরকে পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তিআস্বাদন করাইবার জন্য উহাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলাম ঝঞ্ঝাবায়ু অশুভ দিনে। আখিরাতের শাস্তি তো অধিকতর লাঞ্ছনাদায়ক এবং উহাদেরকে সাহায্য করা হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে আমরা তাদের প্রতি পাঠিয়েছিলাম প্রচন্ড ঝড়বায়ু এক অশুভ দিনে, তাদেরকে দুনিয়ার জীবনের লাঞ্ছনাকর আযাবের স্বাদ আস্বাদন করাতে। তাছাড়া আখিরাতের আযাব তো এর চাইতেও অপমানকর এবং তাদেরকে সাহায্য করা হবেনা।

Word by word

وَأَمَّا ثَمُودُ فَهَدَيْنَٰهُمْ فَٱسْتَحَبُّوا۟ ٱلْعَمَىٰ عَلَى ٱلْهُدَىٰ فَأَخَذَتْهُمْ صَٰعِقَةُ ٱلْعَذَابِ ٱلْهُونِ بِمَا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সামূদ সম্প্রদায়, আমি তাদেরকে সঠিক পথের নির্দেশনা দিয়েছিলাম; কিন্তু তারা সঠিক পথে চলার পরিবর্তে অন্ধ পথে চলাই পছন্দ করেছিল। ফলে তাদের অর্জনের কারণেই লাঞ্ছনাদায়ক আযাবের বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল।

সমকালীন বাংলা

আর সামূদ সম্প্রদায়ের ব্যাপার তো এই যে, আমি উহাদেরকে পথনির্দেশ করিয়াছিলাম, কিন্তু উহারা সৎপথের পরিবর্তে ভ্রান্ত পথ অবলম্বন করিয়াছিল। অতঃপর উহাদেরকে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির বজ্র আঘাত হানিল উহাদের কৃতকর্মের পরিণামস্বরূপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সামুদ জাতির ঘটনা হলো, আমরা তাদের সঠিক পথ দেখিয়েছিলাম। কিন্তু তারা হিদায়াতের উপর অন্ধতাকে অগ্রাধিকার প্রদান করে। ফলে তাদেরকে আঘাত হানে লাঞ্ছনাকর আযাবের এক বজ্রধ্বনি তাদের কর্মকান্ডের ফলে।

Word by word

وَنَجَّيْنَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَكَانُوا۟ يَتَّقُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদেরকে রক্ষা করলাম যারা ঈমান এনেছিল এবং তাকওয়া অবলম্বন করত।

সমকালীন বাংলা

আমি রক্ষা করিলাম তাহাদেরকে, যাহারা ঈমান আনিয়াছিল এবং যাহারা তাক্ওয়া অবলম্বন করিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা রক্ষা করেছিলাম তাদেরকে, যারা ঈমান এনেছিল এবং অবলম্বন করেছিল তাকওয়া।

Word by word

وَيَوْمَ يُحْشَرُ أَعْدَآءُ ٱللَّهِ إِلَى ٱلنَّارِ فَهُمْ يُوزَعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যেদিন আল্লাহর দুশমনদেরকে আগুনের দিকে সমবেত করা হবে তখন তাদেরকে বিভিন্ন দলে বিন্যস্ত করা হবে।

সমকালীন বাংলা

যেদিন শত্রুদেরকে জাহান্নামের দিকে সমবেত করা হইবে সেদিন উহাদেরকে বিন্যস্ত করা হইবে বিভিন্ন দলে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আল্লাহর দুশমনদের জাহান্নামের দিকে হাশর (সমবেত) করা হবে, সেদিন তাদের বিন্যাস করা হবে বিভিন্ন দলে।

Word by word

حَتَّىٰٓ إِذَا مَا جَآءُوهَا شَهِدَ عَلَيْهِمْ سَمْعُهُمْ وَأَبْصَٰرُهُمْ وَجُلُودُهُم بِمَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশেষে তারা যখন জাহান্নামের কাছে পৌঁছবে, তখন তাদের কান, তাদের চোখ ও তাদের চামড়া তাদের বিরুদ্ধে তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবে।

সমকালীন বাংলা

পরিশেষে যখন উহারা জাহান্নামের সন্নিকটে পৌঁছিবে তখন উহাদের কর্ণ, চক্ষু ও ত্বক উহাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে সাক্ষ্য দিবে, উহাদের বিরুদ্ধে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর যখন তারা জাহান্নামের কাছে পৌঁছাবে, তখন তাদের কান, চোখ এবং চামড়া তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে বলে দেবে, (পৃথিবীতে) তারা কী কী করেছিল?

Word by word

وَقَالُوا۟ لِجُلُودِهِمْ لِمَ شَهِدتُّمْ عَلَيْنَا قَالُوٓا۟ أَنطَقَنَا ٱللَّهُ ٱلَّذِىٓ أَنطَقَ كُلَّ شَىْءٍ وَهُوَ خَلَقَكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা তাদের চামড়াগুলোকে বলবে, ‘কেন তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে’? তারা বলবে, ‘ আমাদের বাকশক্তি দিয়েছেন যিনি সবকিছুকে বাকশক্তি দিয়েছেন। তিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁরই প্রতি তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।’

সমকালীন বাংলা

জাহান্নামীরা উহাদের ত্বককে জিজ্ঞাসা করিবে, ‘তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতেছ কেন?’ উত্তরে উহারা বলিবে, যিনি আমাদেরকে বাকশক্তি দিয়াছেন তিনি সমস্ত কিছুকে বাকশক্তি দিয়াছেন। তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন প্রথমবার এবং তাঁহারই নিকটে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হইবে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাদের চামড়াকে বলবে: ‘তোমরা কেন আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে?’ তারা বলবে: ‘আল্লাহ্ই আমাদের বাকশক্তি দিয়েছেন, যিনি সবকিছুকে বাকশক্তি দিয়েছেন। তিনিই তোমাদের প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর কাছেই তোমাদের ফেরত নেয়া হবে।’

Word by word

وَمَا كُنتُمْ تَسْتَتِرُونَ أَن يَشْهَدَ عَلَيْكُمْ سَمْعُكُمْ وَلَآ أَبْصَٰرُكُمْ وَلَا جُلُودُكُمْ وَلَٰكِن ظَنَنتُمْ أَنَّ ٱللَّهَ لَا يَعْلَمُ كَثِيرًا مِّمَّا تَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা কিছুই গোপন করতে না এই বিশ্বাসে যে, তোমাদের কান, চোখসমূহ ও চামড়াসমূহ তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে না, বরং তোমরা মনে করেছিলে যে, তোমরা যা কিছু করতে তার অনেক কিছুই জানেন না।

সমকালীন বাংলা

‘তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতেছ কেন?’ উত্তরে উহারা বলিবে, যিনি আমাদেরকে বাকশক্তি দিয়াছেন তিনি সমস্ত কিছুকে বাকশক্তি দিয়াছেন। তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন প্রথমবার এবং তাঁহারই নিকটে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হইবে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যা কিছু গোপন করেছো এ জন্যে করেছো যে, তোমরা মনে করতে তোমাদের কান, চোখ এবং চামড়া তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেনা। বরং তোমাদের ধারণা ছিলো, তোমরা যা করো তার অনেক কিছুই জানেন না।

Word by word

وَذَٰلِكُمْ ظَنُّكُمُ ٱلَّذِى ظَنَنتُم بِرَبِّكُمْ أَرْدَىٰكُمْ فَأَصْبَحْتُم مِّنَ ٱلْخَٰسِرِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমাদের এ ধারণা যা তোমরা তোমাদের রব সম্পর্কে পোষণ করতে, তাই তোমাদের ধ্বংস করেছে। ফলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলে।

সমকালীন বাংলা

‘তোমরা কিছু গোপন করিতে না এই বিশ্বাসে যে, তোমাদের কর্ণ, চক্ষু ও ত্বক তোমাদের বিরদ্ধে সাক্ষ্য দিবে না - - উপরুন্ত তোমরা মনে করিতে যে, তোমরা যাহা করিতে তাহার অনেক কিছুই জানেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের প্রভু সম্পর্কে তোমাদের এ ধারণাই তোমাদের ডুবিয়েছে, ফলে তোমরা হয়েছো চরম ক্ষতিগ্রস্ত।

Word by word

فَإِن يَصْبِرُوا۟ فَٱلنَّارُ مَثْوًى لَّهُمْ وَإِن يَسْتَعْتِبُوا۟ فَمَا هُم مِّنَ ٱلْمُعْتَبِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যদি তারা ধৈর্যধারণ করে তবে আগুনই হবে তাদের আবাস এবং যদি তারা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে চায়, তবুও তারা আল্লাহর সন্তোষপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে না।

সমকালীন বাংলা

এখন উহারা ধৈর্য ধারণ করিলেও জাহান্নামই হইবে উহাদের আবাস এবং উহারা অনুগ্রহ চাহিলেও উহারা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এখন তারা ধৈর্য ধারণ করলেও তাদের আবাস হবে জাহান্নাম, আর তারা অনুগ্রহ চাইলেও তাদের প্রতি অনুগ্রহ করা হবেনা।

Word by word

وَقَيَّضْنَا لَهُمْ قُرَنَآءَ فَزَيَّنُوا۟ لَهُم مَّا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَحَقَّ عَلَيْهِمُ ٱلْقَوْلُ فِىٓ أُمَمٍ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِم مِّنَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ خَٰس

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদের জন্য মন্দ সহচরবৃন্দ নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম, যারা তাদের সামনে ও পিছনে যা আছে তা তাদের দৃষ্টিতে চাকচিক্যময় করে দিয়েছিল। আর তাদের উপরে আযাবের বাণী সত্যে পরিণত হল, তাদের পূর্বে গত হওয়া জিন ও মানুষের বিভিন্ন জাতির ন্যায়, নিশ্চয় এরা ছিল ক্ষতিগ্রস্ত

সমকালীন বাংলা

আমি উহাদের জন্য নির্ধারণ করিয়া দিয়াছিলাম সহচর, যাহারা উহাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যাহা আছে তাহা উহাদের দৃষ্টিতে শোভন করিয়া দেখাইয়াছিল এবং উহাদের ব্যাপারেও উহাদের পূর্ববর্তী জিন ও মানুষদের ন্যায় শাস্তির বাণী বাস্তব হইয়াছে। উহারা তো ছিল ক্ষতিগ্রস্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের জন্যে নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম অনেক বন্ধু ও সাথি, যারা তাদের সামনের পেছনের সবকিছু তাদেরকে শোভনীয় করে দেখিয়েছিল। ফলে তাদের উপর (শাস্তির) বাণী সত্য সাব্যস্ত হয়, যেমনটি হয়েছিল তাদের আগেকার জিন ও মানুষদের জন্যে। শেষ পর্যন্ত তারা হয়েছে চরম ক্ষতিগ্রস্ত।

Word by word

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَا تَسْمَعُوا۟ لِهَٰذَا ٱلْقُرْءَانِ وَٱلْغَوْا۟ فِيهِ لَعَلَّكُمْ تَغْلِبُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কাফিররা বলে, ‘তোমরা এ কুরআনের নির্দেশ শুন না এবং এর আবৃত্তি কালে শোরগোল সৃষ্টি কর, যেন তোমরা জয়ী হতে পার।’

সমকালীন বাংলা

কাফিররা বলে, ‘তোমরা এই কুরআন শ্রবণ করিও না এবং উহা আবৃত্তিকালে শোরগোল সৃষ্টি কর যাহাতে তোমরা জয়ী হইতে পার।’

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘তোমরা এ কুরআন শুনবেনা এবং যেখানেই তা পাঠ করা হবে, হৈ হট্টগোল সৃষ্টি করবে, যাতে করে তোমরা জয়ী হতে পারো।’

Word by word

فَلَنُذِيقَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ عَذَابًا شَدِيدًا وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَسْوَأَ ٱلَّذِى كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং আমি অবশ্যই কাফিরদেরকে কঠিন আযাব আস্বাদন করাব এবং আমি অবশ্যই তাদের কাজের নিকৃষ্টতম প্রতিদান দেব।

সমকালীন বাংলা

আমি অবশ্যই কাফিরদেরকে কঠিন শাস্তিআস্বাদন করাইব এবং নিশ্চয়ই আমি উহাদেরকে উহাদের নিকৃষ্ট কার্যকলাপের প্রতিফল দিব।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কাফিরদের আস্বাদন করাবো কঠিন আযাবের স্বাদ এবং তাদের প্রতিফল দেবো তাদের নিকৃষ্ট কর্মকান্ডের।

Word by word

ذَٰلِكَ جَزَآءُ أَعْدَآءِ ٱللَّهِ ٱلنَّارُ لَهُمْ فِيهَا دَارُ ٱلْخُلْدِ جَزَآءًۢ بِمَا كَانُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا يَجْحَدُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

এই আগুন, আল্লাহর দুশমনদের প্রতিদান। সেখানে থাকবে তাদের জন্য স্থায়ী নিবাস তারা যে আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করত তারই প্রতিফলস্বরূপ।

সমকালীন বাংলা

জাহান্নাম, ইহাই শত্রুদের প্রতিফল; সেখানে উহাদের জন্য রহিয়াছে স্থায়ী আবাস, আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকৃতির প্রতিফলস্বরূপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

জাহান্নামই আল্লাহর দুশমনদের উপযুক্ত প্রতিফল। সেখানে থাকবে তাদের চিরস্থায়ী আবাস। এ হলো আমাদের আয়াত অস্বীকার করার প্রতিদান।

Word by word

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ رَبَّنَآ أَرِنَا ٱلَّذَيْنِ أَضَلَّانَا مِنَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ نَجْعَلْهُمَا تَحْتَ أَقْدَامِنَا لِيَكُونَا مِنَ ٱلْأَسْفَلِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কাফিররা বলবে, ‘হে আমাদের রব, জিন ও মানুষের মধ্যে যারা আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে তাদেরকে আমাদের দেখিয়ে দিন। আমরা তাদের উভয়কে আমাদের পায়ের নীচে রাখব, যাতে তারা নিকৃষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হয়।

সমকালীন বাংলা

কাফিররা বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! যেসব জিন ও মানব আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করিয়াছিল উহাদের উভয়কে দেখাইয়া দাও, আমরা উভয়কে পদদলিত করিব, যাহাতে উহারা লাঞ্ছিত হয়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা (সেদিন) বলবে: ‘আমাদের প্রভু! জিন ও ইনসানের যারাই আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল, তাদেরকে দেখিয়ে দাও, আমরা তাদের পদদলিত করবো, যাতে করে তারা অপদস্থ হয়।’

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ قَالُوا۟ رَبُّنَا ٱللَّهُ ثُمَّ ٱسْتَقَٰمُوا۟ تَتَنَزَّلُ عَلَيْهِمُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ أَلَّا تَخَافُوا۟ وَلَا تَحْزَنُوا۟ وَأَبْشِرُوا۟ بِٱلْجَنَّةِ ٱلَّتِى كُنتُمْ تُوعَدُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা বলে, ‘আল্লাহই আমাদের রব’ অতঃপর অবিচল থাকে, ফেরেশতারা তাদের কাছে নাযিল হয় (এবং বলে,) ‘তোমরা ভয় পেয়ো না, দুশ্চিন্তা করো না এবং সেই জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ কর তোমাদেরকে যার ওয়াদা দেয়া হয়েছিল’।

সমকালীন বাংলা

যাহারা বলে, ‘আমাদের প্রতিপালক অতঃপর অবিচলিত থাকে, তাহাদের নিকট অবতীর্ণ হয় ফিরিশ্তা এবং বলে, ‘তোমরা ভীত হইও না, চিন্তিত হইও না এবং তোমাদেরকে যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছিল তাহার জন্য আনন্দিত হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা বলে: ‘ আমাদের প্রভু’, অত:পর একথার উপর অটল - অবিচল থাকে, তাদের প্রতি ফেরেশতা নাযিল হয়ে বলে: ‘‘আপনারা ভয় পাবেন না, চিন্তিতও হবেননা। আপনারা খুশি হয়ে যান সেই জান্নাতের জন্যে যার ওয়াদা আপনাদের দেয়া হয়েছিল।

Word by word

نَحْنُ أَوْلِيَآؤُكُمْ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَفِى ٱلْءَاخِرَةِ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَشْتَهِىٓ أَنفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমরা দুনিয়ার জীবনে তোমাদের বন্ধু এবং আখিরাতেও। সেখানে তোমাদের জন্য থাকবে যা তোমাদের মন চাইবে এবং সেখানে তোমাদের জন্য আরো থাকবে যা তোমরা দাবী করবে।

সমকালীন বাংলা

‘আমরাই তোমাদের বন্ধু দুনিয়ার জীবনে ও আখিরাতে। সেখানে তোমাদের জন্য রহিয়াছে যাহা কিছু তোমাদের মন চায় এবং সেখানে তোমাদের জন্য রহিয়াছে যাহা তোমরা ফরমায়েশ কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা দুনিয়ার জীবনেও আপনাদের অলি (বন্ধু, পৃষ্ঠপোষক) এবং আখিরাতেও। সেখানে আপনাদের জন্যে মওজুদ রয়েছে যা আপনাদের মন চাইবে এবং আপনাদের জন্যে মওজুদ রয়েছে যা আপনারা আদেশ করবেন সবই।

Word by word

نُزُلًا مِّنْ غَفُورٍ رَّحِيمٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

পরম ক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে আপ্যায়নস্বরূপ।

সমকালীন বাংলা

এটা ক্ষমাশীল করুনাময়রে পক্ষ থাকলে সাদর আপ্যায়ন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ হলো পরম ক্ষমাশীল দয়াবানের পক্ষ থেকে আতিথ্য।’’

Word by word

وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًا مِّمَّن دَعَآ إِلَى ٱللَّهِ وَعَمِلَ صَٰلِحًا وَقَالَ إِنَّنِى مِنَ ٱلْمُسْلِمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার চেয়ে কার কথা উত্তম, যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎকর্ম করে এবং বলে, অবশ্যই আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত’?

সমকালীন বাংলা

কথায় কে উত্তম ঐ ব্যক্তি অপেক্ষা যে প্রতি মানুষকে আহ্বান করে, সৎকর্ম করে এবং বলে, ‘আমি তো অনুগতদের অন্তর্ভুক্ত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

ঐ ব্যক্তির চাইতে সুন্দর কথা আর কে বলে, যে মানুষকে দাওয়াত দেয় আল্লাহর দিকে এবং আমলে সালেহ্ করে, আর বলে: ‘নিশ্চয়ই আমি একজন মুসলিম (আল্লাহর অনুগত)।’

Word by word

وَلَا تَسْتَوِى ٱلْحَسَنَةُ وَلَا ٱلسَّيِّئَةُ ٱدْفَعْ بِٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ فَإِذَا ٱلَّذِى بَيْنَكَ وَبَيْنَهُۥ عَدَٰوَةٌ كَأَنَّهُۥ وَلِىٌّ حَمِيمٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ভাল ও মন্দ সমান হতে পারে না। মন্দকে প্রতিহত কর তা দ্বারা যা উৎকৃষ্টতর, ফলে তোমার ও যার মধ্যে শত্রুতা রয়েছে সে যেন হয়ে যাবে তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধু।

সমকালীন বাংলা

ভাল ও মন্দ সমান হইতে পারে না। মন্দ প্রতিহত কর উৎকৃষ্ট দ্বারা; ফলে তোমার সঙ্গে যাহার শত্রুতা আছে, সে হইয়া যাইবে অন্তরঙ্গ বন্ধুর মত।

আবদুস শহীদ নাসিম

ভালো আর মন্দ সমান নয়। মন্দকে দূরীভূত করো সর্বোত্তম (আচরণ) দিয়ে। তাহলে তোমার জানের শত্রুও হয়ে যাবে প্রাণের বন্ধু।

Word by word

وَمَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ٱلَّذِينَ صَبَرُوا۟ وَمَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ذُو حَظٍّ عَظِيمٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এটি তারাই প্রাপ্ত হবে যারা ধৈর্যধারণ করবে, আর এর অধিকারী কেবল তারাই হয় যারা মহাভাগ্যবান।

সমকালীন বাংলা

এই গুণের অধিকারী করা হয় কেবল তাহাদেরকেই, যাহারা ধৈর্যশীল, এই গুণের অধিকারী করা হয় কেবল তাহাদেরকেই, যাহারা মহাভাগ্যবান।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই মহৎ গুণের অধিকারী করা হয় কেবল তাদেরকেই যারা সবর অবলম্বন করে। এ গুণের অধিকারী হয় কেবল তারাই যারা অতীব ভাগ্যবান।

Word by word

وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ ٱلشَّيْطَٰنِ نَزْغٌ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোন কুমন্ত্রণা কখনো তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহলে তুমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাত।

সমকালীন বাংলা

যদি শয়তানের কুমন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে তবে শরণ লইবে, তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি শয়তান তোমাকে কোনো কুমন্ত্রণা দিচ্ছে বলে অনুভব করো, তবে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِ ٱلَّيْلُ وَٱلنَّهَارُ وَٱلشَّمْسُ وَٱلْقَمَرُ لَا تَسْجُدُوا۟ لِلشَّمْسِ وَلَا لِلْقَمَرِ وَٱسْجُدُوا۟ لِلَّهِ ٱلَّذِى خَلَقَهُنَّ إِن كُنتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে রাত ও দিন, সূর্য ও চাঁদ । তোমরা না সূর্যকে সিজদা করবে, না চাঁদকে। আর তোমরা আল্লাহকে সিজদা কর যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা কেবলমাত্র তাঁরই ইবাদাত কর।

সমকালীন বাংলা

তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে রজনী ও দিবস, সূর্য ও চন্দ্র। তোমরা সূর্যকে সিজ্দা করিও না, চন্দ্রকেও নয়; সিজ্দা কর যিনি এইগুলি সৃষ্টি করিয়াছেন, যদি তোমরা প্রকৃতই তাঁহার ‘ইবাদত কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে রাত, দিন এবং সূর্য ও চাঁদ। তোমরা সূর্যকে সাজদা করোনা, চাঁদকেও নয়। সাজদা করো আল্লাহকে, যিনি ওগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা সত্যি সত্যি তাঁর ইবাদত করো।

Word by word

فَإِنِ ٱسْتَكْبَرُوا۟ فَٱلَّذِينَ عِندَ رَبِّكَ يُسَبِّحُونَ لَهُۥ بِٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ وَهُمْ لَا يَسْـَٔمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যদি এরা অহঙ্কার করেও তবে যারা তোমার রবের নিকটে রয়েছে তারা দিন-রাত তাঁরই তাসবীহ পাঠ করছে এবং তারা ক্লান্তি বোধ করে না।[সাজদাহ]

সমকালীন বাংলা

উহারা অহংকার করিলেও যাহারা তোমার প্রতিপালকের সান্নিধ্যে রহিয়াছে তাহারা তো দিবস ও রজনীতে তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে এবং তাহারা ক্লান্তিবোধ করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা দম্ভ করলেও যারা তোমার প্রভুর কাছে রয়েছে তারা কিন্তু তাঁর তসবিহ করে রাত - দিন এবং ক্লান্তিবোধ করেনা। (সাজদা)

Word by word

وَمِنْ ءَايَٰتِهِۦٓ أَنَّكَ تَرَى ٱلْأَرْضَ خَٰشِعَةً فَإِذَآ أَنزَلْنَا عَلَيْهَا ٱلْمَآءَ ٱهْتَزَّتْ وَرَبَتْ إِنَّ ٱلَّذِىٓ أَحْيَاهَا لَمُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰٓ إِنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাঁর আরেকটি নিদর্শন হল এই যে, তুমি যমীনকে দেখতে পাও শুষ্ক-অনুর্বর, অতঃপর যখন আমি তার উপর পানি বর্ষণ করি তখন তা আন্দোলিত ও স্ফীত হয়। নিশ্চয়ই যিনি যমীনকে জীবিত করেন তিনি মৃতদেরও জীবিতকারী। নিশ্চয় তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

সমকালীন বাংলা

এবং তাঁহার একটি নিদর্শন এই যে, তুমি ভূমিকে দেখিতে পাও শুষ্ক ঊষর, অতঃপর যখন আমি উহাতে বারি বর্ষণ করি তখন উহা আন্দোলিত ওস্ফীত হয়। যিনি ভূমিকে জীবিত করেন তিনিই তো মৃতের জীবনদানকারী। নিশ্চয় তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে, তুমি জমিনকে দেখতে পাও শুকনো ধূসর। কিন্তু যখনই আমরা তাতে পানি বর্ষণ করি, তখন তা আন্দোলিত ও স্ফীত হয়ে উঠে। যিনি এই মরা জমিনকে জীবিত করেন, তিনি অবশ্যি মৃতদের পুনর্জীবিত করবেন। তিনি প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِىٓ ءَايَٰتِنَا لَا يَخْفَوْنَ عَلَيْنَآ أَفَمَن يُلْقَىٰ فِى ٱلنَّارِ خَيْرٌ أَم مَّن يَأْتِىٓ ءَامِنًا يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ ٱعْمَلُوا۟ مَا شِئْتُمْ إِنَّهُۥ بِمَا تَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহ বিকৃত করে তারা আমার অগোচরে নয়। যে অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হবে সে কি উত্তম, না যে কিয়ামত দিবসে নিরাপদভাবে উপস্থিত হবে? তোমাদের যা ইচ্ছা আমল কর। নিশ্চয় তোমরা যা আমল কর তিনি তার সম্যক দ্রষ্টা।

সমকালীন বাংলা

যাহারা আমার আয়াতসমূহকে বিকৃত করে তাহারা আমার অগোচর নয়। শ্রেষ্ঠ কে - যে ব্যক্তি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হইবে সে, না যে কিয়ামতের দিন নিরাপদে থাকিবে সে? তোমাদের যাহা ইচ্ছা কর; তোমরা যাহা কর তিনি তাহার সম্যক দ্রষ্টা।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা বিকৃত করে আমাদের আয়াতকে, তারা আমাদের থেকে গোপন নয়। কিয়ামতের দিন যাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে সে ভালো, নাকি যে নিরাপদে থাকবে, সে ভালো? তোমাদের যা ইচ্ছা করতে থাকো। নিশ্চয়ই তিনি দেখেন তোমরা যা আমল করো।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِٱلذِّكْرِ لَمَّا جَآءَهُمْ وَإِنَّهُۥ لَكِتَٰبٌ عَزِيزٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা উপদেশ [কুরআন] আসার পরও তা অস্বীকার করে [ তাদেরকে অবশ্যই এর পরিণাম ভোগ করতে হবে]। আর এটি নিশ্চয় এক সম্মানিত গ্রন্থ।

সমকালীন বাংলা

যাহারা উহাদের নিকট কুরআন আসিবার পর উহা প্রত্যাখ্যান করে তাহাদেরকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হইবে; ইহা অবশ্যই এক মহিমময় গ্রন্থ -

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা যিকির (কুরআন) আসার পর তার প্রতি কুফুরি করেছে, (তাদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব), তাদের জেনে রাখা উচিত, এ এক মহাশক্তিধর কিতাব।

Word by word

لَّا يَأْتِيهِ ٱلْبَٰطِلُ مِنۢ بَيْنِ يَدَيْهِ وَلَا مِنْ خَلْفِهِۦ تَنزِيلٌ مِّنْ حَكِيمٍ حَمِيدٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বাতিল এতে অনুপ্রবেশ করতে পারে না, না সামনে থেকে, না পিছন থেকে। এটি প্রজ্ঞাময়, সপ্রশংসিতের পক্ষ থেকে নাযিলকৃত।

সমকালীন বাংলা

কোন মিথ্যা ইহাতে অনুপ্রবেশ করিতে পারে না - অগ্র হইতেও নয়, পশ্চাৎ হইতেও নয়। ইহা প্রজ্ঞাময়, প্রশংসতি আল্লাহর পক্ষ থাকলে অবর্তীণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ কিতাবে সামনে বা পেছনে থেকে কোনো বাতিল প্রবেশ করতে পারেনা। এটি নাযিল হয়েছে মহাজ্ঞানী সপ্রশংসিতের পক্ষ থেকে।

Word by word

مَّا يُقَالُ لَكَ إِلَّا مَا قَدْ قِيلَ لِلرُّسُلِ مِن قَبْلِكَ إِنَّ رَبَّكَ لَذُو مَغْفِرَةٍ وَذُو عِقَابٍ أَلِيمٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাকে যা বলা হচ্ছে, তোমার পূর্ববর্তী রাসূলদেরকেও তাই বলা হয়েছিল। নিশ্চয় তোমার রব একান্তই ক্ষমাশীল এবং যন্ত্রণাদায়ক আযাব দাতা।

সমকালীন বাংলা

তোমার সম্বন্ধে তো তাহাই বলা হয়, যাহা বলা হইত তোমার পূর্ববর্তী রাসূলগণ সম্পর্কে। তোমার প্রতিপালক অবশ্যই ক্ষমাশীল এবং কঠিন শাস্তিদাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী! কাফিরদের পক্ষ থেকে) তোমাকে এমন কিছুই বলা হয়নি, যা তোমার পূর্বেকার রসূলদের বলা হয়নি। নিশ্চয়ই তোমার প্রভু বড়ই ক্ষমাওয়ালা, আবার কঠিন শাস্তিদাতাও।

Word by word

وَلَوْ جَعَلْنَٰهُ قُرْءَانًا أَعْجَمِيًّا لَّقَالُوا۟ لَوْلَا فُصِّلَتْ ءَايَٰتُهُۥٓ ءَا۬عْجَمِىٌّ وَعَرَبِىٌّ قُلْ هُوَ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ هُدًى وَشِفَآءٌ وَٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ فِىٓ ءَاذَانِهِمْ وَقْرٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি যদি এটাকে অনারবী ভাষার কুরআন বানাতাম তবে তারা নিশ্চিতভাবেই বলত, ‘এর আয়াতসমূহ বিশদভাষায় বর্ণিত হয়নি কেন’? এটি অনারবী ভাষায় আর রাসূল আরবী ভাষী! বল, ‘এটি মুমিনদের জন্য হিদায়াত ও প্রতিষেধক। আর যারা ঈমান আনে না তাদের কানে রয়েছে বধিরতা আর কুরআন তাদের জন্

সমকালীন বাংলা

আমি যদি ‘আজমী ভাষায় কুরআন অবতীর্ণ করিতাম তবে উহারা অবশ্যই বলিত, ‘ইহার আয়াতগুলি বিশদভাবে বিবৃত হয় নাই কেন?’ কী আশ্চর্য যে, ইহার ভাষা ‘আজমী, অথচ রাসূল আরবীয়! বল, ‘মু’মিনদের জন্য ইহা পথনির্দেশ ও ব্যাধির প্রতিকার।’ কিন্তু যাহারা অবিশ্বাসী তাহাদের কর্ণে রহিয়াছে বধিরতা এবং কুরআন হইবে ইহাদের জন্য অন্ধত্ব। ইহারা এমন যে, ইহাদেরকে যেন আহ্বান করা হয় বহুদূর হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যদি এটিকে অনারবি ভাষার কুরআন করতাম, তারা অবশ্যি বলতো: ‘এর আয়াতগুলো (আমাদের ভাষায়) কেন ব্যাখা করে দেয়া হয়নি। এটা কেমন ব্যাপার, কিতাব হলো অনারবি আর রসূল হলো আরব?’ হে নবী! বলো: ‘এ কুরআন মুমিনদের জন্যে জীবন পদ্ধতির দিশারি এবং নিরাময়। আর যারা ঈমান আনেনা, তাদের কানে তুলা এবং এ কুরআন তাদের জন্যে একটা অন্ধত্ব। এরা এমন, যেনো তাদের ডাকা হচ্ছে বহুদূর থেকে।’

Word by word

وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْكِتَٰبَ فَٱخْتُلِفَ فِيهِ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ لَقُضِىَ بَيْنَهُمْ وَإِنَّهُمْ لَفِى شَكٍّ مِّنْهُ مُرِيبٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম। অতঃপর তাতে মতভেদ করা হয়। আর যদি তোমার রবের পক্ষ থেকে একটি বাণী পূর্বেই না হত, তবে এদের মধ্যে ফয়সালা হয়ে যেত। আর এরা নিশ্চয় সে সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর সংশয়েই লিপ্ত রয়েছে।

সমকালীন বাংলা

আমি তো মূসাকে কিতাব দিয়াছিলাম, অতঃপর ইহাতে মতভেদ ঘটিয়াছিল। তোমার প্রতিপালকের পক্ষ হইতে পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকিলে উহাদের মীমাংসা হইয়া যাইত। উহারা অবশ্যই ইহার সম্বন্ধে বিভ্রান্তিকর সন্দেহে রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মূসাকেও কিতাব দিয়েছিলাম, অত:পর তা নিয়েও মতভেদ করা হয়েছিল। যদি তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকতো, তাহলে তাদের মাঝে ফায়সালা হয়ে যেতো। আসলে তারা এ বিষয়ে রয়েছে বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে।

Word by word

مَّنْ عَمِلَ صَٰلِحًا فَلِنَفْسِهِۦ وَمَنْ أَسَآءَ فَعَلَيْهَا وَمَا رَبُّكَ بِظَلَّٰمٍ لِّلْعَبِيدِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে সৎকর্ম করে সে তার নিজের জন্যই তা করে। আর যে অসৎকর্ম করে তা তার উপরই বর্তাবে। তোমার রব তাঁর বান্দাদের প্রতি মোটেই যালিম নন।

সমকালীন বাংলা

যে সৎকর্ম করে সে নিজের কল্যাণের জন্যই উহা করে এবং কেহ মন্দ কর্ম করিলে উহার প্রতিফল সে - ই ভোগ করিবে। তোমার প্রতিপালক তাঁহার বান্দাদের প্রতি জুলুম করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ভালো কাজ করে, সে তা করে নিজের কল্যাণেই, আর যে মন্দ কাজ করে তার প্রতিফল সে নিজেই ভোগ করবে। তোমার প্রভু তাঁর দাসদের প্রতি বিন্দুমাত্র যালিম নন।

Word by word

إِلَيْهِ يُرَدُّ عِلْمُ ٱلسَّاعَةِ وَمَا تَخْرُجُ مِن ثَمَرَٰتٍ مِّنْ أَكْمَامِهَا وَمَا تَحْمِلُ مِنْ أُنثَىٰ وَلَا تَضَعُ إِلَّا بِعِلْمِهِۦ وَيَوْمَ يُنَادِيهِمْ أَيْنَ شُرَكَآءِى قَالُوٓا۟ ءَاذَنَّٰكَ م

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিয়ামতের জ্ঞান তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তিত হয়। তাঁর অজ্ঞাতসারে আবরণ হতে ফলসমূহ বের হয় না, কোন নারী গর্ভধারণ করে না এবং সন্তান প্রসবও করে না এবং সেদিন যখন তিনি তাদেরকে আহবান করে বলবেন, ‘আমার শরীকরা কোথায়?’ তারা বলবে, ‘আমরা আপনাকে জানাচ্ছি যে, এ ব্যাপারে আমাদে

সমকালীন বাংলা

কিয়ামতের জ্ঞান কেবল আল্লাহতেই ন্যস্ত, তাঁহার অজ্ঞাতসারে কোন ফল আবরণ হইতে বাহির হয় না, কোন নারী গর্ভ ধারণ করে না এবং সন্তানও প্রসব করে না। যেদিন উহাদেরকে ডাকিয়া বলিবেন, ‘আমার শরীকেরা কোথায়?’ তখন উহারা বলিবে, ‘আমরা আপনার নিকট নিবেদন করি যে, এই ব্যাপারে আমরা কিছুই জানি না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

কিয়ামতের জ্ঞান পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। তাঁর এলেম ছাড়া কোনো ফল আবরণ থেকে বের হয়না, কোনো নারী গর্ভ ধারণ করেনা এবং সন্তানও প্রসব করেনা। যেদিন তাদের ডেকে বলা হবে: ‘কোথায় তোমাদের বানানো শরিকরা?’ তারা বলবে, আপনার অনুমতি প্রার্থনা করে বলছি: ‘এ ব্যাপারে আমাদের কেউই কিছু সচোক্ষে দেখিনি।’

Word by word

وَضَلَّ عَنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَدْعُونَ مِن قَبْلُ وَظَنُّوا۟ مَا لَهُم مِّن مَّحِيصٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পূর্বে যাদেরকে তারা ডাকত তারা তাদের কাছ থেকে উধাও হয়ে যাবে এবং তারা বিশ্বাস করবে, তাদের পলায়নের কোন জায়গা নেই।

সমকালীন বাংলা

পূর্বে উহারা যাহাদেরকে আহ্বান করিত তাহারা উধাও হইয়া যাইবে এবং অংশীবাদীরা উপলব্ধি করিবে যে, উহাদের নিষ্কৃতির কোন উপায় নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

দুনিয়ার জীবনে তারা যাদের ডাকতো, সেদিন তারা সবাই তাদের থেকে উধাও হয়ে যাবে, তখন তারা উপলব্ধি করবে, তাদের রক্ষা পাওয়ার কোনো পথ নেই।

Word by word

لَّا يَسْـَٔمُ ٱلْإِنسَٰنُ مِن دُعَآءِ ٱلْخَيْرِ وَإِن مَّسَّهُ ٱلشَّرُّ فَيَـُٔوسٌ قَنُوطٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

কল্যাণ প্রার্থনায় মানুষ বিরক্ত হয় না; আর যদি অকল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তাহলে সে নিরাশ ও হতাশ হয়ে পড়ে।

সমকালীন বাংলা

মানুষ ধন - সম্পদ প্রার্থনায় কোন ক্লান্তিবোধ করে না, কিন্তু যখন তাহাকে দঃখ - দৈন্য স্পর্শ করে তখন সে নিরাশ ও হতাশ হইয়া পড়ে;

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষ অর্থ সম্পদ প্রার্থনার ক্ষেত্রে কোনো ক্লান্তিবোধ করেনা। কিন্তু যখন তাকে দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করে, তখন সে নিরাশ ও হতাশ হয়ে পড়ে।

Word by word

وَلَئِنْ أَذَقْنَٰهُ رَحْمَةً مِّنَّا مِنۢ بَعْدِ ضَرَّآءَ مَسَّتْهُ لَيَقُولَنَّ هَٰذَا لِى وَمَآ أَظُنُّ ٱلسَّاعَةَ قَآئِمَةً وَلَئِن رُّجِعْتُ إِلَىٰ رَبِّىٓ إِنَّ لِى عِندَهُۥ لَلْحُسْنَىٰ فَلَنُنَبِّئَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আবার আমি যদি তাকে আপতিত অকল্যাণের পর রহমতের স্বাদ আস্বাদন করাই তখন সে অবশ্যই বলে থাকে, ‘এটি আমার প্রাপ্য, আমার মনে হয় না কিয়ামত হবে, আমাকে যদি আমার রবের কাছে ফিরিয়েও নেয়া হয় তবুও তার কাছে আমার জন্য কল্যাণই থাকবে।’ ( বলেন) ‘আমি অবশ্যই কাফিরদেরকে তাদে

সমকালীন বাংলা

দুঃখ - দৈন্য স্পর্শ করিবার পর যদি আমি তাহাকে অনুগ্রহ আস্বাদন করাই তখন সে অবশ্যই বলিয়া থাকে, ‘ইহা আমার প্রাপ্য এবং আমি মনে করি না যে, কিয়ামত সংঘটিত হইবে, আর আমি যদি আমার প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তিত হইও তাঁহার নিকট তো আমার জন্য কল্যাণই থাকিবে।’ আমি কাফিরদেরকে উহাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে অবশ্যই অবহিত করিব এবং উহাদেরকে আস্বাদন করাইবই কঠোর শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখন দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করার পর তাকে আমাদের রহমত আস্বাদন করাই, তখন সে বলে: ‘এটা তো আমার প্রাপ্য এবং আমি মনে করিনা যে, কিয়ামত সংঘটিত হবে। আর আমি যদি আমার প্রভুর কাছে ফিরেও যাই, তার কাছে তো আমার জন্যে কল্যাণই থাকবে।’ আমরা কাফিরদের অবশ্যি তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবহিত করবো এবং তাদের আস্বাদন করাবো শক্ত আযাব।

Word by word

وَإِذَآ أَنْعَمْنَا عَلَى ٱلْإِنسَٰنِ أَعْرَضَ وَنَـَٔا بِجَانِبِهِۦ وَإِذَا مَسَّهُ ٱلشَّرُّ فَذُو دُعَآءٍ عَرِيضٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন আমি মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি তখন সে বিমুখ হয় এবং দূরে সরে যায়; আর যখন অকল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে দীর্ঘ দোআকারী হয়।

সমকালীন বাংলা

যখন আমি মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি তখন সে মুখ ফিরাইয়া নেয় ও দূরে সরিয়া যায় এবং তাহাকে অনিষ্ট স্পর্শ করিলে সে তখন দীর্ঘ প্রার্থনায় রত হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখন মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি, তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং দূরে সরে যায়, আবার যখন তাকে স্পর্শ করে দুঃখ - দুর্দশা, তখন সে নিরত হয় দীর্ঘ প্রার্থনায়।

Word by word

قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِن كَانَ مِنْ عِندِ ٱللَّهِ ثُمَّ كَفَرْتُم بِهِۦ مَنْ أَضَلُّ مِمَّنْ هُوَ فِى شِقَاقٍۭ بَعِيدٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা কি লক্ষ্য করেছ, তা যদি (কুরআন) আল্লাহর কাছ থেকে এসে থাকে আর তোমরা তা অস্বীকার কর, তবে যে ব্যক্তি ঘোর বিরোধিতায় লিপ্ত তার চেয়ে অধিক ভ্রষ্ট আর কে’?

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি, যদি এই কুরআন আল্লাহর নিকট হইতে অবতীর্ণ হইয়া থাকে আর তোমরা ইহা প্রত্যাখ্যান কর, তবে যে ব্যক্তি ঘোর বিরুদ্ধাচরণে লিপ্ত আছে, তাহার অপেক্ষা অধিক বিভ্রান্ত আর কে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘তোমরা ভেবে দেখেছো কি, যদি এ কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হয়ে থাকে আর তোমরা তা অস্বীকার করো, তবে যে ব্যক্তি বিরোধিতায় বহুদূর এগিয়ে গেছে তার চাইতে বড় বিপথগামী আর কেউ আছে কি?’

Word by word

سَنُرِيهِمْ ءَايَٰتِنَا فِى ٱلْءَافَاقِ وَفِىٓ أَنفُسِهِمْ حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُ ٱلْحَقُّ أَوَلَمْ يَكْفِ بِرَبِّكَ أَنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ شَهِيدٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বিশ্বজগতে ও তাদের নিজদের মধ্যে আমি তাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দেখাব যাতে তাদের কাছে সুস্পষ্ট হয় যে, এটি (কুরআন) সত্য; তোমার রবের জন্য এটাই যথেষ্ট নয় কি যে, তিনি সকল বিষয়ে সাক্ষী?

সমকালীন বাংলা

আমি উহাদের জন্য আমার নিদর্শনাবলী ব্যক্ত করিব, বিশ্বজগতে এবং উহাদের নিজেদের মধ্যে; ফলে উহাদের নিকট সুস্পষ্ট হইয়া উঠিবে যে, উহাই সত্য। ইহা কি তোমার প্রতিপালক সম্পর্কে যথেষ্ট নয় যে, তিনি সর্ববিষয়ে অবহিত?

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অচিরেই তাদের দেখাবো আমাদের নিদর্শনাবলি মহাবিশ্বে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে, তখন তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, এ কুরআন এক মহাসত্য। তোমার প্রভুর ব্যাপারে কি একথা যথেষ্ট নয় যে, তিনি প্রতিটি বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী?

Word by word

أَلَآ إِنَّهُمْ فِى مِرْيَةٍ مِّن لِّقَآءِ رَبِّهِمْ أَلَآ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَىْءٍ مُّحِيطٌۢ

বয়ান ফাউন্ডেশন

জেনে রাখ, নিশ্চয় তারা তাদের রবের সাক্ষাতের বিষয়ে সন্দেহে রয়েছে; জেনে রাখ, নিশ্চয় তিনি সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে আছেন।

সমকালীন বাংলা

জানিয়া রাখ, ইহারা ইহাদের প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতকারে সন্দিহান। জানিয়া রাখ, তিনি সবকছিুকে পরবিষ্টেন করে রহিয়াছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সাবধান, তারা তাদের প্রভুর সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে সন্দেহে নিমজ্জিত। জেনে রাখো, প্রতিটি বস্তু পরিবেষ্টন করে আছেন।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme