الإنسان , choose another chapter
الإنسان
Chapter 76, 31 verses
Word by word
আবদুস শহীদ নাসিম
বয়ান ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক
Add book
List
Grid
Word by word
١ هَلْ أَتَىٰ عَلَى ٱلْإِنسَٰنِ حِينٌ مِّنَ ٱلدَّهْرِ لَمْ يَكُن شَيْـًٔا مَّذْكُورًا
আবদুস শহীদ নাসিম
১ মানুষের উপর কি কালের এমন অধ্যায় অতিবাহিত হয়নি, যখন উল্লেখযোগ্য কিছুই ছিলনা সে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
১ মানুষের উপর কি কালের এমন কোন ক্ষণ আসেনি যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছুই ছিল না?
জহুরুল হক
১ মানুষের উপরে কি দীর্ঘ সময়ের অবকাশ অতিবাহিত হয় নি যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছুই ছিল না?
Word by word
٢ إِنَّا خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ مِن نُّطْفَةٍ أَمْشَاجٍ نَّبْتَلِيهِ فَجَعَلْنَٰهُ سَمِيعًۢا بَصِيرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২ আমরা তো মানুষকে সৃষ্টি করেছি সংমিশ্রিত নোতফা (শুক্র বিন্দু) থেকে, তাকে পরীক্ষা করার জন্যে। আর এ উদ্দেশ্যেই আমরা তাকে অধিকারী করেছি শ্রবণ শক্তি আর দৃষ্টি শক্তির (অর্থাৎ - জ্ঞান বুদ্ধি বিবেকের)।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২ আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র শুক্রবিন্দু থেকে, আমি তাকে পরীক্ষা করব, ফলে আমি তাকে বানিয়েছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন।
জহুরুল হক
২ নিঃসন্দেহ আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি সংযুক্ত এক শুক্রকীট থেকে, আমরা তাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেছি, সেজন্য আমরা তা কে বানিয়েছি শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন।
Word by word
٣ إِنَّا هَدَيْنَٰهُ ٱلسَّبِيلَ إِمَّا شَاكِرًا وَإِمَّا كَفُورًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ আমরা তাকে জীবন যাপনের সঠিক পথ দেখিয়ে দিয়েছি। এখন সে ইচ্ছে করলে আমার কৃতজ্ঞ হয়ে চলতে পারে, কিংবা হতে পারে অকৃতজ্ঞ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩ অবশ্যই আমি তাকে পথ প্রদর্শন করেছি, হয় সে শোকরকারী অথবা অকৃতজ্ঞ।
জহুরুল হক
৩ নিঃসন্দেহ আমরা তাকে পথের নির্দেশ দিয়েছি, - - হয় সে কৃতজ্ঞ হবে, না হয় সে অকৃতজ্ঞ হবে।
Word by word
٤ إِنَّآ أَعْتَدْنَا لِلْكَٰفِرِينَ سَلَٰسِلَا۟ وَأَغْلَٰلًا وَسَعِيرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ অকৃতজ্ঞদের জন্যে আমরা তৈরি করে রেখেছি শিকল, বেড়ি, আর জ্বলন্ত আগুন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪ আমি কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি শেকল, বেড়ি ও প্রজ্বলিত অগ্নি।
জহুরুল হক
৪ আমরা অবশ্য অকৃতজ্ঞদের জন্য তৈরি করেছি শিকল ও বেড়ি, আর জ্বলন্ত আগুন।
Word by word
٥ إِنَّ ٱلْأَبْرَارَ يَشْرَبُونَ مِن كَأْسٍ كَانَ مِزَاجُهَا كَافُورًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ সৎ - সত্যপন্থী (কৃতজ্ঞ) লোকেরা (জান্নাতে) এমন সব পান পাত্র থেকে (শরাব) পান করবে, যে পানীয় থাকবে (সুগন্ধ) কর্পুর মিশ্রিত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫ নিশ্চয় সৎকর্মশীলরা পান করবে এমন পানপাত্র থেকে যার মিশ্রণ হবে কাফূর।
জহুরুল হক
৫ নিঃসন্দেহ পুণ্যাত্মারা পান করবে এমন একটি পাত্র থেকে যার মেজাজ হবে কর্পূরের - -
Word by word
٦ عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا عِبَادُ ٱللَّهِ يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ তা হবে এমন একটি ঝর্ণা, যা থেকে কেবল আল্লাহর প্রিয় দাসেরাই পান করবে। তারা যেদিকে ইচ্ছা প্রবাহিত করে নেবে এই ঝর্ণা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬ এমন এক ঝর্ণা যা থেকে আল্লাহর বান্দাগণ পান করবে, তারা এটিকে যথা ইচ্ছা প্রবাহিত করবে।
জহুরুল হক
৬ একটি ফোয়ারা - - যা থেকে আল্লাহ্ র বান্দারা পান করবে, তারা এটিকে প্রবাহিত করবে অবিরাম ধারায়।
Word by word
٧ يُوفُونَ بِٱلنَّذْرِ وَيَخَافُونَ يَوْمًا كَانَ شَرُّهُۥ مُسْتَطِيرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ (আল্লাহর এই প্রিয় দাসেরা হলো সেই সব লোক) যারা তাদের মানত (আল্লাহর অনুগত হয়ে থাকার অঙ্গীকার) পূর্ণ করে এবং এমন একটি দিনের ভয়ে ভীত - কম্পিত থাকে, যে দিনটির বিপদ ছড়িয়ে পড়বে সবখানে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭ তারা মানত পূর্ণ করে এবং সেদিনকে ভয় করে যার অকল্যাণ হবে সুবিস্তৃত।
জহুরুল হক
৭ তারা মানত পালন করে, এবং ভয় করে সেই দিনটির যার ধ্বংসলীলা হবে সুদূরপ্রসারী।
Word by word
٨ وَيُطْعِمُونَ ٱلطَّعَامَ عَلَىٰ حُبِّهِۦ مِسْكِينًا وَيَتِيمًا وَأَسِيرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা তাদের খাদ্য দান করে দেয় মিসকিন, এতিম ও বন্দিদেরকে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮ তারা খাদ্যের প্রতি আসক্তি থাকা সত্ত্বেও মিসকীন, ইয়াতীম ও বন্দীকে খাদ্য দান করে।
জহুরুল হক
৮ আর তারা তাঁর প্রতি প্রেমবশতঃ খাবার খেতে দেয় অভাবগ্রস্তকে ও এতিমকে ও বন্দীকে - -
Word by word
٩ إِنَّمَا نُطْعِمُكُمْ لِوَجْهِ ٱللَّهِ لَا نُرِيدُ مِنكُمْ جَزَآءً وَلَا شُكُورًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ (খাদ্য দান করার সময়) তারা বলে (কিংবা এই মনোভাব পোষণ করে যে), ‘‘আমরা তোমাদের আহার্য দান করছি শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে। এর বিনিময়ে আমরা তোমাদের কাছে কোনো প্রকার প্রতিদান কিংবা কৃতজ্ঞতা আশা করিনা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯ তারা বলে,‘আমরা তো আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তোমাদেরকে খাদ্য দান করি। আমরা তোমাদের থেকে কোন প্রতিদান চাই না এবং কোন শোকরও না।
জহুরুল হক
৯ ''আমরা তোমাদের খেতে দিচ্ছি শুধু আল্লাহ্ র সন্তষ্টিলাভের জন্য, তোমাদের থেকে আমরা কোনো প্রতিদান চাই না, কৃতজ্ঞতাও নয়।
Word by word
١٠ إِنَّا نَخَافُ مِن رَّبِّنَا يَوْمًا عَبُوسًا قَمْطَرِيرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ আমরা তো আমাদের মালিকের পক্ষ থেকে এক দীর্ঘ ভয়ংকর দিনের আশংকায় ভীত।’’
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০ আমরা আমাদের রবের পক্ষ থেকে এক ভয়ংকর ভীতিপ্রদ দিবসের ভয় করি।
জহুরুল হক
১০ ''আমরা আলবৎ আমাদের প্রভুর নিকট থেকে এক ভীতিপ্রদ বিপদসংকুল দিনের ভয় করি।’’
Word by word
١١ فَوَقَىٰهُمُ ٱللَّهُ شَرَّ ذَٰلِكَ ٱلْيَوْمِ وَلَقَّىٰهُمْ نَضْرَةً وَسُرُورًا
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ ফলে, আল্লাহ তাদেরকে সেই দিনটির ক্ষতি ও অকল্যাণ থেকে রক্ষা করবেন এবং দান করবেন সৌন্দর্য - দীপ্তি (a light of beauty) আর আনন্দ প্রফুল্লতা (joy)।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১১ সুতরাং সেই দিবসের অকল্যাণ থেকে আল্লাহ তাদের রক্ষা করলেন এবং তাদের প্রদান করলেন উজ্জ্বলতা ও উৎফুল্লতা।
জহুরুল হক
১১ কাজেই আল্লাহ্ তাদের রক্ষা করবেন সেইদিনের অকল্যাণ থেকে এবং তাদের সাক্ষাৎ করাবেন প্রফুল্লতার ও প্রশান্তির সাথে,
Word by word
١٢ وَجَزَىٰهُم بِمَا صَبَرُوا۟ جَنَّةً وَحَرِيرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তাছাড়া তাদের সবরের (আল্লাহর পথে ধৈর্য ও দৃঢ়তার সাথে চলার) বিনিময়ে তিনি তাদের প্রতিদান দেবেন জান্নাত, আর রেশমি পোশাক।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১২ আর তারা যে ধৈর্যধারণ করেছিল তার পরিণামে তিনি তাদেরকে জান্নাত ও রেশমী বস্ত্রের পুরস্কার প্রদান করবেন।
জহুরুল হক
১২ আর যেহেতু তারা অধ্যবসায় চালিয়েছিল সেজন্য প্রতিদানে তাদের দেবেন বাগান ও রেশমী পোশাক,
Word by word
١٣ مُّتَّكِـِٔينَ فِيهَا عَلَى ٱلْأَرَآئِكِ لَا يَرَوْنَ فِيهَا شَمْسًا وَلَا زَمْهَرِيرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ সেখানে তারা সমাসীন হবে উঁচু উঁচু সুসজ্জিত আসনে। খরতপ্ত সূর্যতাপ কিংবা প্রচন্ড শীতে সেখানে তারা কষ্ট পাবেনা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৩ তারা সেখানে সুউচ্চ আসনে হেলান দিয়ে আসীন থাকবে। তারা সেখানে না দেখবে অতিশয় গরম, আর না অত্যধিক শীত।
জহুরুল হক
১৩ তারা সেখানে সমাসীন থাকবে রাজকীয় আসনে, তারা সেখানে দেখতে পাবে না সূর্যোত্তাপ, না কোনো কনকনে ঠান্ডা,
Word by word
١٤ وَدَانِيَةً عَلَيْهِمْ ظِلَٰلُهَا وَذُلِّلَتْ قُطُوفُهَا تَذْلِيلًا
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ তাদের উপর বিস্তীর্ণ থাকবে জান্নাতের বৃক্ষরাজির ছায়া, আর ফলরাজি থাকবে সব সময়ই তাদের নাগালের মধ্যে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৪ তাদের উপর সন্নিহিত থাকবে উদ্যানের ছায়া এবং তার ফলমূলের থোকাসমূহ তাদের সম্পূর্ণ আয়ত্তাধীন করা হবে।
জহুরুল হক
১৪ আর তাদের সন্নিকটে থাকবে তাদের গাছের ছায়া, আর তাদের থোকা - থোকা ফল থাকবে নত হয়ে নাগালের মধ্যে।
Word by word
١٥ وَيُطَافُ عَلَيْهِم بِـَٔانِيَةٍ مِّن فِضَّةٍ وَأَكْوَابٍ كَانَتْ قَوَارِيرَا۠
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তাদের মাঝে (খাদ্য ও পানীয়) পরিবেশন করা হবে রৌপ্য পাত্র আর স্ফটিক - স্বচ্ছ (crystal) পান পাত্রে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৫ তাদের চারপাশে আবর্তিত হবে রৌপ্যপাত্র ও স্ফটিক স্বচ্ছ পানপাত্র-
জহুরুল হক
১৫ আর তাদের সামনে পরিবেশন করা হবে রূপোর পেয়ালা ও ঝলমলে কাচের পানপাত্র, - -
Word by word
١٦ قَوَارِيرَا۟ مِن فِضَّةٍ قَدَّرُوهَا تَقْدِيرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ রজত স্বচ্ছ স্ফটিকের (crystal) পাত্রে পরিবেশনকারীরা পরিবেশন করবে পরিমাণ মতো।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৬ রূপার ন্যায় শুভ্র স্ফটিক পাত্র; যার পরিমাপ তারা নির্ধারণ করবে।
জহুরুল হক
১৬ চাঁদির তৈরি চক্মকে কাচের মতো, - - তারা তা মেপে নেবে একটি পরিমাপে।
Word by word
١٧ وَيُسْقَوْنَ فِيهَا كَأْسًا كَانَ مِزَاجُهَا زَنجَبِيلًا
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ সেখানে তাদের শরাব পান করতে দেয়া হবে জানজাবিল (ginger) মিশ্রিত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৭ সেখানে তাদেরকে পান করানো হবে পাত্রভরা আদা-মিশ্রিত সুরা,
জহুরুল হক
১৭ আর তাদের তাতে পান করানো হবে এমন একটি পাত্র যার মেজাজ হবে আদ্রকের, - -
Word by word
١٨ عَيْنًا فِيهَا تُسَمَّىٰ سَلْسَبِيلًا
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ আর (জানজাবিল মিশ্রিত) এই শরাব হবে মূলত জান্নাতের একটি ঝর্ণা, যার নাম হলো ‘সালসাবিল’।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৮ সেখানকার এক ঝর্ণা যার নাম হবে সালসাবীল।
জহুরুল হক
১৮ তার মধ্যের একটি ফোয়ারাতে যার নাম দেয়া হয়েছে সাল্সাবীল।
Word by word
١٩ وَيَطُوفُ عَلَيْهِمْ وِلْدَٰنٌ مُّخَلَّدُونَ إِذَا رَأَيْتَهُمْ حَسِبْتَهُمْ لُؤْلُؤًا مَّنثُورًا
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ সেখানে তাদের সেবায় নিয়োজিত থাকবে এমনসব চিরবালক (boys of everlasting youth), যাদের দেখলে তোমার মনে হবে, ওরা যেনো ছড়ানো মুক্তা!
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৯ আর তাদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করবে চিরকিশোরেরা; তুমি তাদেরকে দেখলে বিক্ষিপ্ত মুক্তা মনে করবে।
জহুরুল হক
১৯ আর তাদের প্রদক্ষিণ করবে চিরস্ফুটিত কিশোরগণ, - - তোমরা যখন তাদের দেখবে তাদের তোমরা ভাববে ছড়ানো মুক্তো!
Word by word
٢٠ وَإِذَا رَأَيْتَ ثَمَّ رَأَيْتَ نَعِيمًا وَمُلْكًا كَبِيرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ সেখানে গিয়ে যখন দেখবে, দেখতে পাবে নিয়ামত আর নিয়ামত (ভোগ বিলাসের সীমাহীন সামগ্রী), আর দেখতে পাবে (তোমাকে দেয়া হয়েছে) এক বিশাল সাম্রাজ্য (a great dominion)।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২০ আর তুমি যখন দেখবে তুমি সেখানে দেখতে পাবে স্বাচ্ছন্দ্য ও বিরাট সাম্রাজ্য।
জহুরুল হক
২০ আর যখন তুমি সেখানে চেয়ে দেখবে, তুমি দেখতে পাবে অনুগ্রহ - সামগ্রী ও এক বিশাল রাজ্য।
Word by word
٢١ عَٰلِيَهُمْ ثِيَابُ سُندُسٍ خُضْرٌ وَإِسْتَبْرَقٌ وَحُلُّوٓا۟ أَسَاوِرَ مِن فِضَّةٍ وَسَقَىٰهُمْ رَبُّهُمْ شَرَابًا طَهُورًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ তাদের পরিধানে থাকবে সবুজ রঙের সুক্ষ্ম - মিহি রেশমি পোশাক, আর সোনালি কিংখাবের বস্ত্ররাজি। তাদের অলংকৃত করা হবে রৌপ্য নির্মিত ব্রেসলেট দিয়ে আর তাদের প্রভু তাদের পান করাবেন শরাবান তহুরা (অনাবিল পানীয়)।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২১ তাদের উপর থাকবে সবুজ ও মিহি রেশমের পোশাক এবং মোটা রেশমের পোশাক, আর তাদেরকে পরিধান করানো হবে রূপার চুড়ি এবং তাদের রব তাদেরকে পান করাবেন পবিত্র পানীয়।
জহুরুল হক
২১ তাদের পরিধেয় হবে মিহি সবুজ রেশমের ও পুরু জরির পোশাক, আর তাদের অলংকৃত করানো হবে রূপোর কাঁকন দিয়ে, আর তাদের প্রভু তাদের পান করাবেন এক পবিত্র পানীয়।
Word by word
٢٢ إِنَّ هَٰذَا كَانَ لَكُمْ جَزَآءً وَكَانَ سَعْيُكُم مَّشْكُورًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ (তাদের বলা হবে) এগুলো তোমাদের জন্যে পুরস্কার (reward), কারণ তোমাদের সায়ী (চেষ্টা - সাধনা) কবুল করা হয়েছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২২ (তাদেরকে বলা হবে) ‘এটিই তোমাদের পুরস্কার; আর তোমাদের প্রচেষ্টা ছিল প্রশংসাযোগ্য।’
জহুরুল হক
২২ ''নিঃসন্দেহ এটি হচ্ছে তোমাদের জন্য পুরস্কার, আর তোমাদের প্রচেষ্টা স্বীকৃত হয়েছে।’’
Word by word
٢٣ إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا عَلَيْكَ ٱلْقُرْءَانَ تَنزِيلًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ আমরাই পর্যায়ক্রমে তোমার প্রতি এ কুরআন নাযিল করছি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৩ নিশ্চয় আমি তোমার প্রতি পর্যায়ক্রমে আল-কুরআন নাযিল করেছি।
জহুরুল হক
২৩ নিঃসন্দেহ আমরা - - আমরা স্বয়ং তোমার কাছে এই কুরআান এক অবতারণে অবতীর্ণ করেছি।
Word by word
٢٤ فَٱصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تُطِعْ مِنْهُمْ ءَاثِمًا أَوْ كَفُورًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ সুতরাং ধৈর্য ও দৃঢ়তার সাথে তোমার প্রভুর নির্দেশ পালন করে যাও। আর তাদের মধ্যকার কোনো পাপিষ্ঠ কিংবা অবিশ্বাসীর আনুগত্য করোনা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৪ অতএব তোমার রবের হুকুমের জন্য ধৈর্য ধারণ কর এবং তাদের মধ্য থেকে কোন পাপিষ্ঠ বা অস্বীকারকারীর আনুগত্য করো না।
জহুরুল হক
২৪ সুতরাং তোমার প্রভুর নির্দেশের জন্য অধ্যবসায় চালিয়ে যাও, আর তাদের মধ্যেকার কোনো পাপিষ্ঠের অথবা সত্যপ্রত্যাখ্যান - কারীর আজ্ঞা পালন করো না।
Word by word
٢٥ وَٱذْكُرِ ٱسْمَ رَبِّكَ بُكْرَةً وَأَصِيلًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ আর তোমার প্রভুর নাম স্মরণ করো সকাল - সন্ধ্যায়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৫ আর সকাল-সন্ধ্যায় তোমার রবের নাম স্মরণ কর,
জহুরুল হক
২৫ আর তোমার প্রভুর নাম কীর্তন করো সকালে ও বিকেলে,
Word by word
٢٦ وَمِنَ ٱلَّيْلِ فَٱسْجُدْ لَهُۥ وَسَبِّحْهُ لَيْلًا طَوِيلًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ রাত্রি বেলায় তাঁর প্রতি সাজদায় অবনত হও এবং রাতে দীর্ঘ সময় তসবিহ করতে থাকো তাঁর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৬ আর রাতের একাংশে তার উদ্দেশ্যে সিজদাবনত হও এবং দীর্ঘ রাত ধরে তাঁর তাসবীহ পাঠ কর।
জহুরুল হক
২৬ আর রাতের থেকে তাঁর প্রতি সিজদা করো, আর লন্বা রাত পর্যন্ত তাঁর গুণগান করো।
Word by word
٢٧ إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ يُحِبُّونَ ٱلْعَاجِلَةَ وَيَذَرُونَ وَرَآءَهُمْ يَوْمًا ثَقِيلًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ এই (অবিশ্বাসী) লোকেরা তো পছন্দ করে নিয়েছে এ পৃথিবীর জীবনকে, আর উপেক্ষা করছে পরবর্তী (পরকালের) কঠিন দিবসকে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৭ নিশ্চয় এরা দুনিয়ার জীবনকে ভালবাসে আর তাদের সামনে রেখে দেয় এক কঠিন দিন।
জহুরুল হক
২৭ নিঃসন্দেহ এরা ভালবাসে অস্থায়ী জীবন, আর অবহেলা করে এদের সামনের এক কঠিন দিনকে।
Word by word
٢٨ نَّحْنُ خَلَقْنَٰهُمْ وَشَدَدْنَآ أَسْرَهُمْ وَإِذَا شِئْنَا بَدَّلْنَآ أَمْثَٰلَهُمْ تَبْدِيلًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ আমরাই সৃষ্টি করেছি এদের, তারপর তাদের গঠন করেছি মজবুতভাবে। অতপর আমরা যখন চাইবো তাদের পরিবর্তে নিয়ে আসবো অনুরূপ কোনো জাতিকে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৮ আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং তাদের গ্রন্থি শক্ত করে দিয়েছি আর আমি চাইলে তাদের স্থানে তাদের মত (মানুষ) দিয়ে পরিবর্তন করে দিতে পারি।
জহুরুল হক
২৮ আমরাই তাদের সৃষ্টি করেছি এবং মজবুত করেছি তাদের গঠন, কাজেই যখন আমরা চাইব তখন তাদের অনুরূপদের আমরা বদলে দেবো আমূল পরিবর্তনে।
Word by word
٢٩ إِنَّ هَٰذِهِۦ تَذْكِرَةٌ فَمَن شَآءَ ٱتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِۦ سَبِيلًا
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ এটি (কুরআন) একটি উপদেশ বাণী। অতএব, যার ইচ্ছা সে তার প্রভুর (সন্তুষ্টির) পথ অবলম্বন করতে পারে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৯ নিশ্চয় এটি উপদেশ; অতএব যে চায় সে যেন তার রবের দিকে একটি পথ গ্রহণ করে।
জহুরুল হক
২৯ নিঃসন্দেহ এটি এক স্মরণীয় বার্তা, সুতরাং যে ইচ্ছা করে সে তার প্রভুর দিকে পথ ধরুক।
Word by word
٣٠ وَمَا تَشَآءُونَ إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ তোমাদের ইচ্ছায় কিছুই হয়না, যদি আল্লাহ ইচ্ছা না করেন। অবশ্যি আল্লাহ সর্বজ্ঞানী ও প্রজ্ঞাময়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩০ আর আল্লাহ ইচ্ছা না করলে তোমরা ইচ্ছা করবে না; নিশ্চয় আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রাজ্ঞ।
জহুরুল হক
৩০ আর তোমরা চাও না আল্লাহ্ র চাওয়া ব্যতিরেকে। নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ হচ্ছেন সর্বজ্ঞাতা, পরমজ্ঞানী।
Word by word
٣١ يُدْخِلُ مَن يَشَآءُ فِى رَحْمَتِهِۦ وَٱلظَّٰلِمِينَ أَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًۢا
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ তিনি যাকে চান, নিজের অনুগ্রহের অন্তরভুক্ত করে নেন, কিন্তু যালিমদের কথা ভিন্ন। তাদের জন্যে তো তিনি তৈরি করে রেখেছেন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩১ যাকে ইচ্ছা তিনি স্বীয় রহমতে প্রবেশ করাবেন এবং যালিমদের জন্য তিনি প্রস্তুত রেখেছেন যন্ত্রণাদায়ক আযাব।
জহুরুল হক
৩১ তিনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে তাঁর অনুগ্রহের মধ্যে প্রবেশ করান। কিন্ত অন্যায়কারীরা - - তাদের জন্য তিনি তৈরি করেছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report