Kitab

الأحقاف

Chapter 46, 35 verses

  • Word by word
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
Word by word

حمٓ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হা - মীম।

আবদুস শহীদ নাসিম

হা মিম।

Word by word

تَنزِيلُ ٱلْكِتَٰبِ مِنَ ٱللَّهِ ٱلْعَزِيزِ ٱلْحَكِيمِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই কিতাব পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় ‌র নিকট হইতে অবতীর্ণ ;

আবদুস শহীদ নাসিম

এ কিতাব নাযিল হচ্ছে মহাশক্তিধর মহাপ্রজ্ঞাবান আল্লাহর পক্ষ থেকে।

Word by word

مَا خَلَقْنَا ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَآ إِلَّا بِٱلْحَقِّ وَأَجَلٍ مُّسَمًّى وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ عَمَّآ أُنذِرُوا۟ مُعْرِضُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুই আমি যথাযথভাবে নির্দিষ্ট কালের জন্য সৃষ্টি করিয়াছি। কিন্তু কাফিররা, উহাদেরকে যে বিষয়ে সতর্ক করা হইয়াছে তাহা হইতে মুখ ফিরাইয়া নেয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ, পৃথিবী এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী যা কিছু আছে সবই আমরা বাস্তবভাবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে সৃষ্টি করেছি। কিন্তু কাফিররা উপেক্ষা করে চলছে, যে বিষয়ে তাদের সতর্ক করা হয়েছে।

Word by word

قُلْ أَرَءَيْتُم مَّا تَدْعُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ أَرُونِى مَاذَا خَلَقُوا۟ مِنَ ٱلْأَرْضِ أَمْ لَهُمْ شِرْكٌ فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ ٱئْتُونِى بِكِتَٰبٍ مِّن قَبْلِ هَٰذَآ أَوْ أَثَٰرَةٍ مِّنْ عِلْمٍ إِن ك

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা ‌র পরিবর্তে যাহাদেরকে ডাক তাহাদের কথা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি? ইহারা পৃথিবীতে কী সৃষ্টি করিয়াছে আমাকে দেখাও অথবা আকাশমণ্ডলীতে উহাদের কোন অংশীদারিত্ব আছে কি? পূর্ববর্তী কোন কিতাব অথবা পরম্পরাগত কোন জ্ঞান থাকিলে তাহা তোমরা আমার নিকট উপস্থিত কর যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘তোমরা ভেবে দেখেছো কি, তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ডাকো, তারা পৃথিবীতে কী সৃষ্টি করেছে? আমাকে দেখাও। নাকি আকাশ সৃষ্টিতে তাদের কোনো অংশীদারিত্ব আছে? পূর্বের কোনো কিতাব কিংবা সূত্রভিত্তিক কোনো জ্ঞান এ বিষয়ের থাকলে তোমরা তা হাজির করো, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।’

Word by word

وَمَنْ أَضَلُّ مِمَّن يَدْعُوا۟ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَن لَّا يَسْتَجِيبُ لَهُۥٓ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ وَهُمْ عَن دُعَآئِهِمْ غَٰفِلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই ব্যক্তি অপেক্ষা অধিক বিভ্রান্ত কে, যে ‌র পরিবর্তে এমন কিছুকে ডাকে যাহা কিয়ামত দিবস পর্যন্তও উহাতে সাড়া দিবে না? এবং এইগুলি উহাদের প্রার্থনা সম্বন্ধে অবহিতও নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় বিভ্রান্ত আর কে, যে আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে ডাকে, তারা কিয়ামত পর্যন্ত তার ডাকে সাড়া দেবে না? তারা তার ডাক শুনবে কী করে? তারা তো অচেতন।

Word by word

وَإِذَا حُشِرَ ٱلنَّاسُ كَانُوا۟ لَهُمْ أَعْدَآءً وَكَانُوا۟ بِعِبَادَتِهِمْ كَٰفِرِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন কিয়ামতের দিন মানুষকে একত্র করা হইবে তখন ঐগুলি হইবে উহাদের শত্রু এবং ঐগুলি উহাদের ‘ইবাদত অস্বীকার করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন মানুষকে হাশর করা হবে (বিচারের জন্যে), সেদিন তারা এদের শত্রু হয়ে যাবে এবং এরা তাদের ইবাদত (পূজা উপাসনা) করেছে বলে তারা অস্বীকার করবে।

Word by word

وَإِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ ءَايَٰتُنَا بَيِّنَٰتٍ قَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِلْحَقِّ لَمَّا جَآءَهُمْ هَٰذَا سِحْرٌ مُّبِينٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের নিকট আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হয় এবং উহাদের নিকট সত্য উপস্থিত হয়, তখন কাফিররা বলে, ‘ইহা তো সুস্পষ্ট জাদু।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের স্পষ্ট আয়াতসমূহ যখন তাদের সামনে তিলাওয়াত করা হয়, তখন মহাসত্য তাদের কাছে পৌঁছার পর কাফিররা বলে: ‘এতো এক সুস্পষ্ট ম্যাজিক।’

Word by word

أَمْ يَقُولُونَ ٱفْتَرَىٰهُ قُلْ إِنِ ٱفْتَرَيْتُهُۥ فَلَا تَمْلِكُونَ لِى مِنَ ٱللَّهِ شَيْـًٔا هُوَ أَعْلَمُ بِمَا تُفِيضُونَ فِيهِ كَفَىٰ بِهِۦ شَهِيدًۢا بَيْنِى وَبَيْنَكُمْ وَهُوَ ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি উহারা বলে যে, ‘সে ইহা উদ্ভাবন করিয়াছে।’ বল, ‘যদি আমি ইহা উদ্ভাবন করিয়া থাকি, তবে তোমরা তো ‌র শাস্তি হইতে আমাকে কিছুতেই রক্ষা করিতে পারিবে না। তোমরা যে বিষয়ে আলোচনায় লিপ্ত আছ, সে সম্বন্ধে ‌ সবিশেষ অবহিত। আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসাবে তিনিই যথেষ্ট এবং তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তারা বলে: ‘মুহাম্মদ এ কুরআন রচনা করেছে?’ তুমি বলো: ‘আমি যদি এটি রচনা করে আল্লাহর নামে চালাতাম, তবে তোমরা সবাই মিলেও কিছুতেই আমাকে আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারতেনা। তোমরা যে বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত হচ্ছো সে বিষয়ে আল্লাহ্ই অধিক জানেন। এ বিষয়ে আমার এবং তোমাদের মাঝে সাক্ষী হিসেবে তিনিই যথেষ্ট। আর তিনি মহাক্ষমাশীল মহাদয়াবান।

Word by word

قُلْ مَا كُنتُ بِدْعًا مِّنَ ٱلرُّسُلِ وَمَآ أَدْرِى مَا يُفْعَلُ بِى وَلَا بِكُمْ إِنْ أَتَّبِعُ إِلَّا مَا يُوحَىٰٓ إِلَىَّ وَمَآ أَنَا۠ إِلَّا نَذِيرٌ مُّبِينٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি কোন নূতন রাসূল নই। আমি জানি না, আমার ও তোমাদের ব্যাপারে কী করা হইবে ; আমি আমার প্রতি যাহা ওহী করা হয় কেবল তাহারই অনুসরণ করি। আর আমি তো এক স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমি কোনো নতুন - অভিনব রসূল নই। আমার ও তোমাদের ব্যাপারে কী করা হবে তা আমি জানি না। আমি কেবল তারই অনুসরণ করি, যা অহি করা হয় আমার কাছে। আমি একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী ছাড়া আর কিছুই নই।

Word by word

قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِن كَانَ مِنْ عِندِ ٱللَّهِ وَكَفَرْتُم بِهِۦ وَشَهِدَ شَاهِدٌ مِّنۢ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ عَلَىٰ مِثْلِهِۦ فَـَٔامَنَ وَٱسْتَكْبَرْتُمْ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهْدِى ٱلْقَوْمَ ٱلظَّٰلِمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি যদি এই কুরআন ‌র নিকট হইতে অবতীর্ণ হইয়া থাকে আর তোমরা ইহাতে অবিশ্বাস কর, অথচ বনী ইসরাঈলের একজন ইহার অনুরূপ কিতাব সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়াছে এবং ইহাতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়াছে ; আর তোমরা ঔদ্ধত্য প্রকাশ কর, তাহা হইলে তোমাদের পরিণাম কি হইবে? নিশ্চয়ই ‌ জালিমদেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: তোমরা ভেবে দেখেছো কি, এ কুরআন যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে এসে থাকে আর তোমরা তা অস্বীকার করো, অথচ বনি ইসরাঈলের একজন (আবদুল্লাহ ইবনে সালাম) এ কিতাবের প্রতি সাক্ষ্য দিয়েছে যে, এটি (তাওয়াতেরই অনুরূপ) এবং সে ঈমান এনেছে, আর তোমরা হঠকারিতা প্রদর্শন করো, তাহলে তোমাদের পরিণাম কী হবে? নিশ্চয়ই কখনো যালিমদের সঠিক পথ দেখান না।

Word by word

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَوْ كَانَ خَيْرًا مَّا سَبَقُونَآ إِلَيْهِ وَإِذْ لَمْ يَهْتَدُوا۟ بِهِۦ فَسَيَقُولُونَ هَٰذَآ إِفْكٌ قَدِيمٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মু’মিনদের সম্পর্কে কাফিররা বলে, ‘যদি ইহা ভাল হইত তবে তাহারা ইহার দিকে আমাদেরকে অতিক্রম করিয়া যাইতে পারিত না।’ আর যখন উহারা ইহা দ্বারা সৎপথপ্রাপ্ত হয় নাই তখন তাহারা অবশ্য বলিবে, ‘ইহা তো এক পুরাতন মিথ্যা।’

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা মুমিনদের বলে: ‘এটা (এই কুরআন) যদি ভালো হতো, তবে তারা আমাদের আগে তা গ্রহণ করতে পারতো না।’ আর যেহেতু তারা এর দ্বারা সঠিক পথ লাভ করেনি, তাই তারা বলে, ‘এটা পুরানো মিথ্যা।’

Word by word

وَمِن قَبْلِهِۦ كِتَٰبُ مُوسَىٰٓ إِمَامًا وَرَحْمَةً وَهَٰذَا كِتَٰبٌ مُّصَدِّقٌ لِّسَانًا عَرَبِيًّا لِّيُنذِرَ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ وَبُشْرَىٰ لِلْمُحْسِنِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার পূর্বে ছিল মূসার কিতাব আদর্শ ও অনুগ্রহস্বরূপ। আর এই কিতাব ইহার প্রত্যায়নকারী, আরবী ভাষায়, যেন ইহা জালিমদেরকে সতর্ক করে এবং যাহারা সৎকর্ম করে তাহাদেরকে সুসংবাদ দেয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

এর আগে ছিলো মূসার কিতাব পথ প্রদর্শক ও রহমত। আর এই কিতাব (কুরআন) সেটার সত্যায়নকারী, আরবি ভাষায়। এটি নাযিল করা হয়েছে যালিমদের সতর্ক করার উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণপরায়ণদের জন্যে এটি সুসংবাদ।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ قَالُوا۟ رَبُّنَا ٱللَّهُ ثُمَّ ٱسْتَقَٰمُوا۟ فَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা বলে, ‘আমাদের প্রতিপালক তো ’ অতঃপর অবিচলিত থাকে, তাহাদের কোন ভয় নাই এবং তাহারা দুঃখিতও হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা বলে: ‘ আমাদের রব’, তারপর একথার উপর অটল অবিচল হয়ে থাকে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবেনা।

Word by word

أُو۟لَٰٓئِكَ أَصْحَٰبُ ٱلْجَنَّةِ خَٰلِدِينَ فِيهَا جَزَآءًۢ بِمَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারাই জান্নাতের অধিবাসী, সেখানে তাহারা স্থায়ী হইবে, তাহারা যাহা করিত তাহার পুরস্কারস্বরূপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা হবে জান্নাতের অধিবাসী, চিরদিন থাকবে তারা সেখানে, তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান হিসেবে।

Word by word

وَوَصَّيْنَا ٱلْإِنسَٰنَ بِوَٰلِدَيْهِ إِحْسَٰنًا حَمَلَتْهُ أُمُّهُۥ كُرْهًا وَوَضَعَتْهُ كُرْهًا وَحَمْلُهُۥ وَفِصَٰلُهُۥ ثَلَٰثُونَ شَهْرًا حَتَّىٰٓ إِذَا بَلَغَ أَشُدَّهُۥ وَبَلَغَ أَرْبَعِينَ سَنَةً قَالَ رَب

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি মানুষকে তাহার মাতা - পিতার প্রতি সদয় ব্যবহারের নির্দেশ দিয়াছি। তাহার জননী তাহাকে গর্ভে ধারণ করে কষ্টের সঙ্গে এবং প্রসব করে কষ্টের সঙ্গে, তাহাকে গর্ভে ধারণ করিতে ও তাহার স্তন্য ছাড়াইতে লাগে ত্রিশ মাস, ক্রমে সে যখন পূর্ণ শক্তিপ্রাপ্ত হয় এবং চল্লিশ বৎসরে উপনীত হয় তখন বলে, ‘হে আমার প্রতিপালক ! তুমি আমাকে সামর্থ্য দাও, যাহাতে আমি তোমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করিতে পারি, আমার প্রতি ও আমার পিতা - মাতার প্রতি তুমি যে অনুগ্রহ করিয়াছ, তাহার জন্য এবং যাহাতে আমি সৎকর্ম করিতে পারি যাহা তুমি পসন্দ কর ; আমার জন্য আমার সন্তান - সন্ততিদেরকে সৎকর্মপরায়ণ কর, আমি তোমারই অভিমুখী হইলাম এবং আমি অবশ্যই আত্মসর্মপণকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মানুষকে অসিয়ত (নির্দেশ) করেছি তার মাতা - পিতার প্রতি সদয় আচরণ করতে। তার মা তাকে গর্ভে ধারণ করেছে কষ্টের সাথে, প্রসব করেছে কষ্টের সাথে। তাকে গর্ভে ধারণ করতে এবং তার বুকের দুধ ছাড়াতে লেগেছে ত্রিশ মাস। তারপর সে যখন সুঠাম দেহে পৌঁছে এবং উপনীত হয় চল্লিশ বছরে, তখন সে বলে: ‘আমার প্রভু! আমাকে তৌফিক দাও, আমি যেনো তোমার অনুগ্রহের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি, যে অনুগ্রহ তুমি করেছো আমার প্রতি এবং আমার পিতা - মাতার প্রতি। আমাকে এমন আমলে সালেহ্ করার তৌফিক দাও যাতে তুমি সন্তুষ্ট হবে, আর আমার জন্যে আমার সন্তানদের সৎ ও যোগ্য করে গড়ে তোলো। আমি তোমার দিকে মুখ ফেরালাম এবং অবশ্যি আমি আত্মসমর্পণকারীদের অন্তরভুক্ত হলাম।’

Word by word

أُو۟لَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ نَتَقَبَّلُ عَنْهُمْ أَحْسَنَ مَا عَمِلُوا۟ وَنَتَجَاوَزُ عَن سَيِّـَٔاتِهِمْ فِىٓ أَصْحَٰبِ ٱلْجَنَّةِ وَعْدَ ٱلصِّدْقِ ٱلَّذِى كَانُوا۟ يُوعَدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি ইহাদেরই সুকৃতিগুলি গ্রহণ করিয়া থাকি এবং মন্দ কর্মগুলি ক্ষমা করি, তাহারা জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। ইহাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহা সত্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরাই সেইসব লোক আমরা যাদের উত্তম আমলসমূহ কবুল করবো এবং তাদের মন্দ কাজগুলো ক্ষমা করে দেবো এবং তাদের অন্তরভুক্ত করবো জান্নাতের অধিবাসীদের। তাদের যে ওয়াদা দেয়া হলো তা সত্য ওয়াদা।

Word by word

وَٱلَّذِى قَالَ لِوَٰلِدَيْهِ أُفٍّ لَّكُمَآ أَتَعِدَانِنِىٓ أَنْ أُخْرَجَ وَقَدْ خَلَتِ ٱلْقُرُونُ مِن قَبْلِى وَهُمَا يَسْتَغِيثَانِ ٱللَّهَ وَيْلَكَ ءَامِنْ إِنَّ وَعْدَ ٱللَّهِ حَقٌّ فَيَقُولُ مَا هَٰذَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর এমন লোক আছে, যে তাহার মাতা - পিতাকে বলে, ‘আফসোস তোমাদের জন্য ! তোমরা কি আমাকে এই ভয় দেখাইতে চাও যে, আমি পুনরুত্থিত হইব যদিও আমার পূর্বে বহু পুরুষ গত হইয়াছে?’ তখন তাহার মাতা - পিতা ‌র নিকট ফরিয়াদ করিয়া বলে, ‘দুর্ভোগ তোমার জন্য! তুমি বিশ্বাস স্থাপন কর, ‌র প্রতিশ্রুতি অবশ্যই সত্য।’ কিন্তু সে বলে, ‘ইহা তো অতীত কালের উপকথা ব্যতীত কিছুই নয়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আর এমন লোকও আছে, যে তার মাতা - পিতাকে বলে: ‘উহ্, তোমাদের জ্বালাতনে আর বাঁচলাম না। তোমরা কি আমাকে এই ভয় দেখাতে চাও যে, আমি পুনরুত্থিত হবো, যদিও আমার আগে বহু প্রজন্ম গত হয়েছে?’ তখন তার মাতা - পিতা আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করে বলে: ‘দুর্ভোগ তোমার! তুমি ঈমান আনো। আল্লাহর ওয়াদা সত্য।’ তখন সে বলে: ‘এতো আগেকার কালের কাহিনী ছাড়া কিছু নয়।’

Word by word

أُو۟لَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ حَقَّ عَلَيْهِمُ ٱلْقَوْلُ فِىٓ أُمَمٍ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِم مِّنَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ خَٰسِرِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাদের পূর্বে যে জিন ও মানব সম্প্রদায় গত হইয়াছে তাহাদের মত ইহাদের প্রতিও ‌র উক্তি সত্য হইয়াছে। ইহারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এদের আগে যে জিন ও মানবগোষ্ঠী গত হয়েছে তাদের মতো এদের প্রতিও আল্লাহর বাণী সত্য হয়েছে, নিশ্চয়ই এরা হবে ক্ষতিগ্রস্ত।

Word by word

وَلِكُلٍّ دَرَجَٰتٌ مِّمَّا عَمِلُوا۟ وَلِيُوَفِّيَهُمْ أَعْمَٰلَهُمْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রত্যেকের মর্যাদা তাহার কর্মানুযায়ী, ইহা এইজন্য যে, ‌ প্রত্যেকের কর্মের পূর্ণ প্রতিফল দিবেন এবং তাহাদের প্রতি অবিচার করা হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রত্যেকের মর্যাদা নির্ধারিত হবে তার আমল অনুযায়ী। প্রত্যেকের আমলেরই পূর্ণ প্রতিফল দেয়া হবে এবং তাদের প্রতি করা হবেনা কোনো প্রকার যুলুম।

Word by word

وَيَوْمَ يُعْرَضُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ عَلَى ٱلنَّارِ أَذْهَبْتُمْ طَيِّبَٰتِكُمْ فِى حَيَاتِكُمُ ٱلدُّنْيَا وَٱسْتَمْتَعْتُم بِهَا فَٱلْيَوْمَ تُجْزَوْنَ عَذَابَ ٱلْهُونِ بِمَا كُنتُمْ تَسْتَكْبِرُونَ فِى ٱلْأَرْض

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন কাফিরদেরকে জাহান্নামের সন্নিকটে উপস্থিত করা হইবে সেদিন উহাদেরকে বলা হইবে, ‘তোমরা তোমাদের পার্থিব জীবনেই সুখ - সম্ভার পাইয়াছ এবং সেইগুলি উপভোগও করিয়াছ। সুতরাং আজ তোমাদেরকে দেওয়া হইবে অবমাননাকর শাস্তি। কারণ তোমরা পৃথিবীতে অন্যায়ভাবে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিয়াছিলে এবং তোমরা ছিলে সত্যদ্রোহী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন কাফিরদের উপস্থিত করা হবে জাহান্নামের কিনারে, সেদিন তাদের বলা হবে: তোমরা তোমাদের পৃথিবীর জীবনেই যাবতীয় সুখ সম্ভোগ করে নিয়েছো। সুতরাং আজ তোমাদের প্রতিদান দেয়া হবে অপমানকর আযাব, কারণ তোমরা পৃথিবীতে অন্যায়ভাবে দাম্ভিকতা প্রকাশ করেছিলে এবং সীমালংঘন করেছিলে।

Word by word

وَٱذْكُرْ أَخَا عَادٍ إِذْ أَنذَرَ قَوْمَهُۥ بِٱلْأَحْقَافِ وَقَدْ خَلَتِ ٱلنُّذُرُ مِنۢ بَيْنِ يَدَيْهِ وَمِنْ خَلْفِهِۦٓ أَلَّا تَعْبُدُوٓا۟ إِلَّا ٱللَّهَ إِنِّىٓ أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, ‘আদ্ সম্প্রদায়ের ভ্রাতার কথা, যাহার পূর্বে এবং পরেও সতর্ককারীরা আসিয়াছিল। সে তাহার আহ্‌কাফ্‌বাসী সম্প্রদায়কে সতর্ক করিয়াছিল এই বলিয়া, ‘তোমরা ‌ ব্যতীত কাহারও ‘ইবাদত করিও না। আমি তো তোমাদের জন্য মহাদিবসের শাস্তির আশংকা করিতেছি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, আদ জাতির ভাই (হুদের) কথা, সে তার আহকাফবাসী জাতিকে সতর্ক করেছিল। তার আগে পরেও সতর্ককারীরা বিগত হয়েছিল। সে তাদের বলেছিল: ‘তোমরা ছাড়া আর কারো ইবাদত করোনা। আমি তোমাদের উপর এক কঠিন দিনের আযাবের আশংকা করছি।’

Word by word

قَالُوٓا۟ أَجِئْتَنَا لِتَأْفِكَنَا عَنْ ءَالِهَتِنَا فَأْتِنَا بِمَا تَعِدُنَآ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিয়াছিল, ‘তুমি কি আমাদেরকে আমাদের দেব - দেবীগুলির পূজা হইতে নিবৃত্ত করিতে আসিয়াছ? তুমি সত্যবাদী হইলে আমাদেরকে যাহার ভয় দেখাইতেছ তাহা আনয়ন কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলেছিল: ‘তুমি কি আমাদেরকে আমাদের ইলাহ্দের (দেব - দেবীর) পূজা উপাসনা থেকে বারণ করতে এসেছো? তুমি যদি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তাহলে আমাদেরকে যে জিনিসের ভয় দেখাচ্ছো, তা এনে দেখাও।’

Word by word

قَالَ إِنَّمَا ٱلْعِلْمُ عِندَ ٱللَّهِ وَأُبَلِّغُكُم مَّآ أُرْسِلْتُ بِهِۦ وَلَٰكِنِّىٓ أَرَىٰكُمْ قَوْمًا تَجْهَلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘ইহার জ্ঞান তো কেবল ‌রই নিকট আছে। আমি যাহা লইয়া প্রেরিত হইয়াছি কেবল তাহাই তোমাদের নিকট প্রচার করি, কিন্তু আমি দেখিতেছি, তোমরা এক মূঢ় সম্প্রদায়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলেছিল: ‘সে জিনিসের এলেম তো কেবল আল্লাহর কাছেই রয়েছে। আমাকে যে জিনিস নিয়ে পাঠানো হয়েছে আমি তোমাদেরকে কেবল সেই বার্তাই পৌঁছে দিচ্ছি। কিন্তু আমি দেখছি, তোমরা তো একটি জাহেল কওম।

Word by word

فَلَمَّا رَأَوْهُ عَارِضًا مُّسْتَقْبِلَ أَوْدِيَتِهِمْ قَالُوا۟ هَٰذَا عَارِضٌ مُّمْطِرُنَا بَلْ هُوَ مَا ٱسْتَعْجَلْتُم بِهِۦ رِيحٌ فِيهَا عَذَابٌ أَلِيمٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর যখন উহারা উহাদের উপত্যকার দিকে মেঘ আসিতে দেখিল তখন বলিতে লাগিল, ‘উহা তো মেঘ, আমাদেরকে বৃষ্টি দান করিবে।’ হূদ বলিল, ‘ইহাই তো তাহা, যাহা তোমরা ত্বরান্বিত করিতে চাহিয়াছ, এক ঝড়, ইহাতে রহিয়াছে মর্মন্তুদ শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তারা যখন তাদের উপত্যকাসমূহের দিক থেকে মেঘ আসতে দেখলো, তখন তারা বললো: ‘এতো মেঘ, এখন আমাদের এখানে বৃষ্টিপাত হবে।’ হুদ বললো: ‘না, বরং এই তো সেই জিনিস, তোমরা যার ব্যাপারে তাড়াহুড়া করছিলে। এ হলো সেই ঝড় যাতে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।’

Word by word

تُدَمِّرُ كُلَّ شَىْءٍۭ بِأَمْرِ رَبِّهَا فَأَصْبَحُوا۟ لَا يُرَىٰٓ إِلَّا مَسَٰكِنُهُمْ كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْقَوْمَ ٱلْمُجْرِمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘‌র নির্দেশে ইহা সমস্তকিছুকে ধ্বংস করিয়া দিবে।’ অতঃপর উহাদের পরিণাম এই হইল যে, উহাদের বসতিগুলি ছাড়া আর কিছুই রহিল না। এইভাবে আমি অপরাধী সম্প্রদায়কে প্রতিফল দিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ ঝড় আল্লাহর নির্দেশে ধ্বংস করে দেবে সবকিছুই। তারপর যখন সকাল হলো, তখন বসতি ছাড়া সেখানে আর কিছুই ছিলনা। এভাবেই আমরা শাস্তি দিয়ে থাকি অপরাধীদের।

Word by word

وَلَقَدْ مَكَّنَّٰهُمْ فِيمَآ إِن مَّكَّنَّٰكُمْ فِيهِ وَجَعَلْنَا لَهُمْ سَمْعًا وَأَبْصَٰرًا وَأَفْـِٔدَةً فَمَآ أَغْنَىٰ عَنْهُمْ سَمْعُهُمْ وَلَآ أَبْصَٰرُهُمْ وَلَآ أَفْـِٔدَتُهُم مِّن شَىْءٍ إِذْ كَانُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদেরকে যে প্রতিষ্ঠা দিয়াছিলাম তোমাদেরকে তাহা দেই নাই ; আমি উহাদেরকে দিয়াছিলাম কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় ; কিন্তু উহাদের কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় উহাদের কোন কাজে আসে নাই; কেননা উহারা ‌র আয়াতসমূহকে অস্বীকার করিয়াছিল। যাহা লইয়া উহারা ঠাট্টা - বিদ্রূপ করিত, উহাই উহাদেরকে পরিবেষ্টন করিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদেরকে যতোটা প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলাম, তোমাদের ততোটা প্রতিষ্ঠা দেইনি। আমরা তাদের দিয়েছিলাম শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি এবং অন্তর। কিন্তু তাদের শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি এবং অন্তর তাদের কোনো কাজেই আসেনি, যেহেতু তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে করেছিল অস্বীকার। ফলে তাদের পরিবেষ্টন করে নিয়েছিল সেই জিনিস, যা নিয়ে তারা করতো বিদ্রুপ।

Word by word

وَلَقَدْ أَهْلَكْنَا مَا حَوْلَكُم مِّنَ ٱلْقُرَىٰ وَصَرَّفْنَا ٱلْءَايَٰتِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো ধ্বংস করিয়াছিলাম তোমাদের চতুষ্পার্শ্ববর্তী জনপদসমূহ; আমি উহাদেরকে বিভিন্নভাবে আমার নিদর্শনাবলী বিবৃত করিয়াছিলাম, যাহাতে উহারা ফিরিয়া আসে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাদের চারপাশের জনপদসমূহ ধ্বংস করে দিয়েছিলাম এবং বিভিন্ন পদ্ধতিতে আমাদের নিদর্শনাবলি বর্ণনা করেছিলাম, যাতে করে তারা ফিরে আসে।

Word by word

فَلَوْلَا نَصَرَهُمُ ٱلَّذِينَ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِ ٱللَّهِ قُرْبَانًا ءَالِهَةًۢ بَلْ ضَلُّوا۟ عَنْهُمْ وَذَٰلِكَ إِفْكُهُمْ وَمَا كَانُوا۟ يَفْتَرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা ‌র সান্নিধ্য লাভের জন্য ‌র পরিবর্তে যাহাদেরকে ইলাহ্‌রূপে গ্রহণ করিয়াছিল তাহারা উহাদেরকে সাহায্য করিল না কেন? বস্তুত উহাদের ইলাহ্‌গুলি উহাদের নিকট হইতে অন্তর্হিত হইয়া গেল। উহাদের মিথ্যা ও অলীক উদ্ভাবনের পরিণাম এইরূপই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের উদ্দেশ্যে, আল্লাহর পরিবর্তে যেসব ইলাহ্ গ্রহণ করেছিল, তারা (সেসব ইলাহ্) তাদের সাহায্য করলোনা কেন? বরং তখন তারা তাদের থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল। তাদের মিথ্যা ও মনগড়া খোদাদের অবস্থা এ রকমই।

Word by word

وَإِذْ صَرَفْنَآ إِلَيْكَ نَفَرًا مِّنَ ٱلْجِنِّ يَسْتَمِعُونَ ٱلْقُرْءَانَ فَلَمَّا حَضَرُوهُ قَالُوٓا۟ أَنصِتُوا۟ فَلَمَّا قُضِىَ وَلَّوْا۟ إِلَىٰ قَوْمِهِم مُّنذِرِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, আমি তোমার প্রতি আকৃষ্ট করিয়াছিলাম একদল জিনকে, যাহারা কুরআন পাঠ শুনিতেছিল। যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইল, উহারা বলিল, ‘চুপ করিয়া শ্রবণ কর।’ যখন কুরআন পাঠ সমাপ্ত হইল উহারা উহাদের সম্প্রদায়ের নিকট ফিরিয়া গেল সতর্ককারীরূপে।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, আমরা একদল জিনকে তোমার প্রতি আকৃষ্ট করেছিলাম। তারা কুরআন শুনছিল। যখন তারা সেখানে হাজির হয়েছিল, তারা বলেছিল: ‘নীরব থাকো, শুনো।’ যখন কুরআন পাঠ শেষ হলো, তখন তারা ফিরে গেলো তাদের কওমের কাছে সতর্ককারী হিসেবে।

Word by word

قَالُوا۟ يَٰقَوْمَنَآ إِنَّا سَمِعْنَا كِتَٰبًا أُنزِلَ مِنۢ بَعْدِ مُوسَىٰ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ يَهْدِىٓ إِلَى ٱلْحَقِّ وَإِلَىٰ طَرِيقٍ مُّسْتَقِيمٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিয়াছিল, ‘হে আমাদের সম্প্রদায়! আমরা এমন এক কিতাবের পাঠ শ্রবণ করিয়াছি যাহা অবতীর্ণ হইয়াছে মূসার পরে, ইহা উহার পূর্ববর্তী কিতাবকে প্রত্যয়ন করে এবং সত্য ও সরল পথের দিকে পরিচালিত করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা গিয়ে বলেছিল: ‘‘হে আমাদের কওম! আমরা এমন একটি কিতাবের (কুরআনের) পাঠ শুনেছি, যা নাযিল হয়েছে মূসার পরে, এ কিতাব তার পূর্ববর্তী কিতাবকে সত্যায়ন করে এবং পথ দেখায় সত্যের দিকে ও সরল সঠিক পথের দিকে।

Word by word

يَٰقَوْمَنَآ أَجِيبُوا۟ دَاعِىَ ٱللَّهِ وَءَامِنُوا۟ بِهِۦ يَغْفِرْ لَكُم مِّن ذُنُوبِكُمْ وَيُجِرْكُم مِّنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে আমাদের সম্প্রদায় ! ‌র দিকে আহ্বানকারীর প্রতি সাড়া দাও এবং তাহার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর, ‌ তোমাদের পাপ ক্ষমা করিবেন এবং মর্মন্তুদ শাস্তি হইতে তোমাদেরকে রক্ষা করিবেন।’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে আমাদের কওম! আল্লাহর দিকে আহবানকারীর ডাকে সাড়া দাও এবং ঈমান আনো তার প্রতি, তিনি ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের পাপসমূহ এবং তোমাদের রক্ষা করবেন বেদনাদায়ক আযাব থেকে।’’

Word by word

وَمَن لَّا يُجِبْ دَاعِىَ ٱللَّهِ فَلَيْسَ بِمُعْجِزٍ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَيْسَ لَهُۥ مِن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءُ أُو۟لَٰٓئِكَ فِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেহ যদি ‌র দিকে আহ্বানকারীর প্রতি সাড়া না দেয় তবে সে পৃথিবীতে ‌র অভিপ্রায় ব্যর্থ করিতে পারিবে না এবং ‌ ব্যতীত তাহাদের কোন সাহায্যকারী থাকিবে না। উহারাই সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে আল্লাহর দিকে আহবানকারীর ডাকে সাড়া দেবে না, সে পৃথিবীতে আল্লাহর সিদ্ধান্ত ব্যর্থ করতে পারবে না। তার জন্যে আল্লাহর পরিবর্তে কোনো সাহায্যকারীও থাকবে না। এরাই রয়েছে সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে।

Word by word

أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّ ٱللَّهَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَلَمْ يَعْىَ بِخَلْقِهِنَّ بِقَٰدِرٍ عَلَىٰٓ أَن يُحْۦِىَ ٱلْمَوْتَىٰ بَلَىٰٓ إِنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি অনুধাবন করে না যে, ‌, যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন এবং এই সকলের সৃষ্টিতে কোন ক্লান্তি বোধ করেন নাই, তিনি মৃতের জীবন দান করিতেও সক্ষম? বস্তুত তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি দেখেনা যে, আল্লাহ্ই সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং পৃথিবী এবং এসবের সৃষ্টিতে তিনি কোনো প্রকার ক্লান্তিবোধ করেননি, তিনি মৃতকে জীবিত করতেও সক্ষম। হাঁ, তিনি প্রতিটি বিষয়েই সর্বশক্তিমান।

Word by word

وَيَوْمَ يُعْرَضُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ عَلَى ٱلنَّارِ أَلَيْسَ هَٰذَا بِٱلْحَقِّ قَالُوا۟ بَلَىٰ وَرَبِّنَا قَالَ فَذُوقُوا۟ ٱلْعَذَابَ بِمَا كُنتُمْ تَكْفُرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেই দিন কাফিরদেরকে উপস্থিত করা হইবে জাহান্নামের নিকট, সেই দিন উহাদেরকে বলা হইবে, ‘ইহা কি সত্য নয়?’ উহারা বলিবে, ‘আমাদের প্রতিপালকের শপথ ! ইহা সত্য।’ তখন তাহাদেরকে বলা হইবে, ‘শাস্তি আস্বাদন কর, কারণ তোমরা ছিলে সত্য প্রত্যাখ্যানকারী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন কাফিরদের উপস্থিত করা হবে জাহান্নামের কিনারে, তখন তাদের বলা হবে: ‘এ (জাহান্নাম) কি সত্য নয়?’ তারা বলবে: ‘হাঁ, আমাদের প্রভুর শপথ, এটা সত্য।’ বলবেন: ‘তোমাদের কুফুরি করার কারণে তোমরা আস্বাদন করো আযাব।’

Word by word

فَٱصْبِرْ كَمَا صَبَرَ أُو۟لُوا۟ ٱلْعَزْمِ مِنَ ٱلرُّسُلِ وَلَا تَسْتَعْجِل لَّهُمْ كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَ مَا يُوعَدُونَ لَمْ يَلْبَثُوٓا۟ إِلَّا سَاعَةً مِّن نَّهَارٍۭ بَلَٰغٌ فَهَلْ يُهْلَكُ إِلَّا

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর যেমন ধৈর্য ধারণ করিয়াছিল দৃঢ়প্রতিজ্ঞ রাসূলগণ। তুমি উহাদের জন্য ত্বরা করিও না। উহাদেরকে যেই বিষয়ে সতর্ক করা হইয়াছে তাহা যেই দিন উহারা প্রত্যক্ষ করিবে, সেই দিন উহাদের মনে হইবে, উহারা যেন দিবসের এক দণ্ডের বেশি পৃথিবীতে অবস্থান করে নাই। ইহা এক ঘোষণা, পাপাচারী সম্প্রদায়কেই ধ্বংস করা হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি সবর অবলম্বন করো, যেমন সবর অবলম্বন করেছিল দৃঢ়তা অবলম্বনকারী রসূলরা। তুমি তাদের (কাফিরদের) ব্যাপারে তাড়াহুড়া করোনা। তাদেরকে যে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে সে জিনিসটা যেদিন তারা দেখবে, সেদিন তাদের মনে হবে, তারা যেনো দিনের ঘণ্টাখানেকের বেশি পৃথিবীতে অবস্থান করেনি। এটি (এই কুরআন) একটি সুস্পষ্ট বার্তা। ফাসিকদের (সীমালংঘনকারীদের) ছাড়া কাউকেও কি ধ্বংস করা হবে?

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme