الـنازعات , choose another chapter
الـنازعات
Chapter 79, 46 verses
Word by word
মুহিউদ্দীন খান
সমকালীন বাংলা
আবদুস শহীদ নাসিম
Add book
List
Grid
Word by word
١ وَٱلنَّٰزِعَٰتِ غَرْقًا
মুহিউদ্দীন খান
১ শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ তাদের, যারা প্রবলভাবে টেনে বের করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১ শপথ সেই (ফেরেশতাদের), যারা অত্যন্ত কঠোর ও নির্মমভাবে টেনে হিচঁড়ে বের করে নেয় (কাফির ও দুষ্কৃতকারীদের প্রাণ)।
Word by word
٢ وَٱلنَّٰشِطَٰتِ نَشْطًا
মুহিউদ্দীন খান
২ শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে;
সমকালীন বাংলা
২ এবং যারা কোমলভাবে মুক্ত করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২ আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা অত্যন্ত কোমলভাবে বের করে আনে (মুমিনদের আত্মা)।
Word by word
٣ وَٱلسَّٰبِحَٰتِ سَبْحًا
মুহিউদ্দীন খান
৩ শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে,
সমকালীন বাংলা
৩ আর যারা তীব্র গতিতে সাঁতার কাটে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ এবং শপথ সেইসব (ফেরেশতা, কিংবা গ্রহের) যারা সাঁতরে চলে।
Word by word
٤ فَٱلسَّٰبِقَٰتِ سَبْقًا
মুহিউদ্দীন খান
৪ শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং
সমকালীন বাংলা
৪ এবং যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয়,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ আর শপথ সেইসব (ফেরেশতা, নক্ষত্র, কিংবা ঘোড়ার) যারা নির্দেশক্রমে সবেগে ধাবিত হয়।
Word by word
٥ فَٱلْمُدَبِّرَٰتِ أَمْرًا
মুহিউদ্দীন খান
৫ শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।
সমকালীন বাংলা
৫ অতঃপর যারা বিষয়সমূহ পরিচালনা করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা তাদের প্রভুর নির্দেশক্রমে কার্য সম্পাদন করে থাকে।
Word by word
٦ يَوْمَ تَرْجُفُ ٱلرَّاجِفَةُ
মুহিউদ্দীন খান
৬ যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,
সমকালীন বাংলা
৬ যেদিন প্রকম্পনকারী প্রকম্পিত করবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ সেদিন যখন (প্রথমবার শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে), তখন (পৃথিবী, পাহাড় সবই) প্রবল ধাক্কায় বিশৃংখল হয়ে পড়বে।
Word by word
٧ تَتْبَعُهَا ٱلرَّادِفَةُ
মুহিউদ্দীন খান
৭ অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;
সমকালীন বাংলা
৭ তারপর আরেকটি প্রকম্পন,
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ প্রথমটিকে অনুসরণ করবে আরেকটি শিংগাধবনি (তখন পুনরুত্থিত হবে সব মানুষ)।
Word by word
٨ قُلُوبٌ يَوْمَئِذٍ وَاجِفَةٌ
মুহিউদ্দীন খান
৮ সেদিন অনেক হৃদয় ভীত - বিহবল হবে।
সমকালীন বাংলা
৮ কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ কতো হৃদয় সেদিন কম্পমান হবে ভয়ে।
Word by word
٩ أَبْصَٰرُهَا خَٰشِعَةٌ
মুহিউদ্দীন খান
৯ তাদের দৃষ্টি নত হবে।
সমকালীন বাংলা
৯ তাদের দৃষ্টিসমূহ হবে অবনত,
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তাদের দৃষ্টি হবে (অপমানে) অবনমিত।
Word by word
١٠ يَقُولُونَ أَءِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِى ٱلْحَافِرَةِ
মুহিউদ্দীন খান
১০ তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই -
সমকালীন বাংলা
১০ তারা বলবে, “আমাদের কি সত্যিই পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে?”
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ এরা বলে: ‘‘(মরার পর) আমাদের কি আবার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে (জীবিত করে) আনা হবে?
Word by word
١١ أَءِذَا كُنَّا عِظَٰمًا نَّخِرَةً
মুহিউদ্দীন খান
১১ গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?
সমকালীন বাংলা
১১ “ক্ষয়প্রাপ্ত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরেও?”
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ আমাদের হাড় - গোড় পঁচে গলে (বিনাশ হয়ে) যাবার পরও?’’
Word by word
١٢ قَالُوا۟ تِلْكَ إِذًا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌ
মুহিউদ্দীন খান
১২ তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!
সমকালীন বাংলা
১২ তারা বলবে, “তবে তো এ প্রত্যাবর্তন হবে সর্বনাশা!”
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তারা বলে: ‘তবে তো সেটা হবে এক বড় ক্ষতিকর ফিরে আসা।’
Word by word
١٣ فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌ وَٰحِدَةٌ
মুহিউদ্দীন খান
১৩ অতএব, এটা তো কেবল এক মহা - নাদ,
সমকালীন বাংলা
১৩ প্রকৃতপক্ষে তা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ আসল ব্যাপার হলো, ওটা হবে এক বিকট আওয়ায (দ্বিতীয় শিংগা ধ্বনি)।
Word by word
١٤ فَإِذَا هُم بِٱلسَّاهِرَةِ
মুহিউদ্দীন খান
১৪ তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।
সমকালীন বাংলা
১৪ তারপর তারা উন্মুক্ত ভূমিতে উপস্থিত হবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ (সেই বিকট ধ্বনির) সাথে সাথেই তারা নিজেদেরকে জীবিত হাজির দেখতে পাবে এক উন্মুক্ত ময়দানে।
Word by word
١٥ هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ
মুহিউদ্দীন খান
১৫ মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে পৌছেছে কি?
সমকালীন বাংলা
১৫ তোমার কাছে কি মূসার সংবাদ পৌঁছেছে?
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তোমার কাছে মূসার হাদিস (ইতিহাস, ঘটনাবলি) পৌছেছে কি?
Word by word
١٦ إِذْ نَادَىٰهُ رَبُّهُۥ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًى
মুহিউদ্দীন খান
১৬ যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,
সমকালীন বাংলা
১৬ যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র 'তুওয়া' উপত্যকায় আহ্বান করেছিলেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ যখন তার প্রভু তাকে পবিত্র তোয়া উপত্যকায় ডেকে বলেছিলেন:
Word by word
١٧ ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
১৭ ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে।
সমকালীন বাংলা
১৭ “ফিরাউনের কাছে যাও; নিশ্চয়ই সে সীমালঙ্ঘন করেছে।”
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ ফেরাউনের কাছে যাও, সে লংঘন করেছে সমস্ত সীমা।
Word by word
١٨ فَقُلْ هَل لَّكَ إِلَىٰٓ أَن تَزَكَّىٰ
মুহিউদ্দীন খান
১৮ অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র হওয়ার আগ্রহ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
১৮ “এবং তাকে বলো, ‘তুমি কি পরিশুদ্ধ হতে চাও?’”
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ তুমি গিয়ে তাকে বলো: তুমি কি (কুফর, শিরক ও সীমালংঘন থেকে) পবিত্র হবে?
Word by word
١٩ وَأَهْدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخْشَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
১৯ আমি তোমাকে তোমার পালনকর্তার দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাকে ভয় কর।
সমকালীন বাংলা
১৯ “এবং আমি কি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথ দেখাবো, যাতে তুমি ভীত হও?”
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আর আমি কি তোমাকে সঠিক পথ দেখাবো তোমার মালিকের দিকে, যাতে করে তোমার মধ্যে জাগ্রত হয় তাঁর ভয়?
Word by word
٢٠ فَأَرَىٰهُ ٱلْءَايَةَ ٱلْكُبْرَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
২০ অতঃপর সে তাকে মহা - নিদর্শন দেখাল।
সমকালীন বাংলা
২০ অতঃপর তিনি তাকে মহা নিদর্শন দেখিয়েছিলেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ তারপর সে (মূসা) তার (ফেরাউনের) কাছে গিয়ে তাকে অনেক বড় নিদর্শন দেখালো।
Word by word
٢١ فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
২১ কিন্তু সে মিথ্যারোপ করল এবং অমান্য করল।
সমকালীন বাংলা
২১ কিন্তু সে অস্বীকার করেছিল এবং অবাধ্য হয়েছিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ কিন্তু সে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করলো এবং অমান্য করলো।
Word by word
٢٢ ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
২২ অতঃপর সে প্রতিকার চেষ্টায় প্রস্থান করল।
সমকালীন বাংলা
২২ অতঃপর ফিরে গেলো চেষ্টা করতে;
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ তারপর সে ষড়যন্ত্র অাঁটার প্রচেষ্টায় পিছু হটলো।
Word by word
٢٣ فَحَشَرَ فَنَادَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
২৩ সে সকলকে সমবেত করল এবং সজোরে আহবান করল,
সমকালীন বাংলা
২৩ অতঃপর সে সমবেত করল এবং ঘোষণা করল,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ অতপর (জনতাকে) সমবেত করে ঘোষণা দিলো।
Word by word
٢٤ فَقَالَ أَنَا۠ رَبُّكُمُ ٱلْأَعْلَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
২৪ এবং বললঃ আমিই তোমাদের সেরা পালনকর্তা।
সমকালীন বাংলা
২৪ এবং বলল, “আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।”
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ বললো: ‘আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রভু।’
Word by word
٢٥ فَأَخَذَهُ ٱللَّهُ نَكَالَ ٱلْءَاخِرَةِ وَٱلْأُولَىٰٓ
মুহিউদ্দীন খান
২৫ অতঃপর আল্লাহ তাকে পরকালের ও ইহকালের শাস্তি দিলেন।
সমকালীন বাংলা
২৫ তখন আল্লাহ তাকে পরকাল ও ইহকালের শাস্তির জন্য ধরলেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ সুতরাং আল্লাহ তাকে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করলেন তার শেষ ও প্রথম সীমা লংঘনের জন্যে।
Word by word
٢٦ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَعِبْرَةً لِّمَن يَخْشَىٰٓ
মুহিউদ্দীন খান
২৬ যে ভয় করে তার জন্যে অবশ্যই এতে শিক্ষা রয়েছে।
সমকালীন বাংলা
২৬ নিশ্চয়ই এতে শিক্ষা রয়েছে তার জন্য, যে ভয় করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ অবশ্যি এ ঘটনার মধ্যে শিক্ষামূলক উপদেশ রয়েছে ঐ ব্যক্তির জন্যে, যে ভয় করে (আল্লাহকে)।
Word by word
٢٧ ءَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ ٱلسَّمَآءُ بَنَىٰهَا
মুহিউদ্দীন খান
২৭ তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন?
সমকালীন বাংলা
২৭ তোমাদের সৃষ্টি কি অধিক কঠিন, না আকাশের? তিনি তা নির্মাণ করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ তোমাদের সৃষ্টি করা বেশি কঠিন কাজ, না মহাকাশ সৃষ্টি করা? তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন এই (মহাকাশ)।
Word by word
٢٨ رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّىٰهَا
মুহিউদ্দীন খান
২৮ তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
সমকালীন বাংলা
২৮ তিনি তার উচ্চতাকে সুউচ্চ করেছেন, অতঃপর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তিনিই অনেক উপরে উঠিয়েছেন এর উচ্চতা, অতপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
Word by word
٢٩ وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَىٰهَا
মুহিউদ্দীন খান
২৯ তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন।
সমকালীন বাংলা
২৯ ৭৯–২৯ : এবং তার রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন ও তার সকালকে আলোকিত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ আর রাতকে তিনি ঢেকে দেন অন্ধকার দিয়ে, আর দিনকে বের করে আনেন আলোকিত করে।
Word by word
٣٠ وَٱلْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَىٰهَآ
মুহিউদ্দীন খান
৩০ পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।
সমকালীন বাংলা
৩০ এবং এরপর পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ এরপর তিনি বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।
Word by word
٣١ أَخْرَجَ مِنْهَا مَآءَهَا وَمَرْعَىٰهَا
মুহিউদ্দীন খান
৩১ তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও ঘাম নির্গত করেছেন,
সমকালীন বাংলা
৩১ তিনি তা থেকে তার পানি ও চারণভূমি বের করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ তার (পৃথিবীর) মধ্য থেকেই বের করেছেন তার পানি ও তৃণ - লতা (উদ্ভিদ)।
Word by word
٣٢ وَٱلْجِبَالَ أَرْسَىٰهَا
মুহিউদ্দীন খান
৩২ পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,
সমকালীন বাংলা
৩২ এবং পর্বতমালাকে সুদৃঢ়ভাবে গ্রথিত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ এবং তার মধ্যে মজবুতভাবে গেড়ে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত।
Word by word
٣٣ مَتَٰعًا لَّكُمْ وَلِأَنْعَٰمِكُمْ
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপকারার্থে।
সমকালীন বাংলা
৩৩ তোমাদের ও তোমাদের গবাদিপশুর জীবিকার জন্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ (এসবই করেছেন) তোমাদের ও তোমাদের পশুদের কল্যাণার্থে।
Word by word
٣٤ فَإِذَا جَآءَتِ ٱلطَّآمَّةُ ٱلْكُبْرَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।
সমকালীন বাংলা
৩৪ অতঃপর যখন মহাবিপর্যয় আসবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ অতপর যেদিন ঘটে যাবে মহাবিপর্যয়,
Word by word
٣٥ يَوْمَ يَتَذَكَّرُ ٱلْإِنسَٰنُ مَا سَعَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম স্মরণ করবে
সমকালীন বাংলা
৩৫ সেদিন মানুষ স্মরণ করবে সে কিসের জন্য কষ্ট করেছিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ যেদিন মানুষ খুব করে স্মরণ করবে তার (পৃথিবীর জীবনের) সা’য়ীর (ব্যস্ততা ও কৃতকর্মের) কথা,
Word by word
٣٦ وَبُرِّزَتِ ٱلْجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে,
সমকালীন বাংলা
৩৬ এবং জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে, যে দেখবে তার জন্য,
Noteজাহিম: কুরআনে ব্যবহৃত জাহান্নামের একটি নাম, যা বিশেষভাবে প্রজ্বলিত ও তীব্র জ্বলন্ত আগুনের ধারণা প্রকাশ করে। কুরআনে জাহান্নামের জন্য বিভিন্ন নাম ও বর্ণনা ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
جَهَنَّم (Jahannam)
الْجَحِيم (Al-Jaḥīm)
سَقَر (Saqar)
لَظَى (Laẓā)
الْحُطَمَة (Al-Ḥuṭamah)
السَّعِير (As-Saʿīr)
الْهَاوِيَة (Al-Hāwiyah)
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ এবং যেদিন দর্শকদের সামনে খুলে ধরা হবে জাহিম (দোযখ),
Word by word
٣٧ فَأَمَّا مَن طَغَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে;
সমকালীন বাংলা
৩৭ অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করেছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ সেদিন (এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে যে,) পৃথিবীর জীবনে যারা সীমালংঘন করেছিল,
Word by word
٣٨ وَءَاثَرَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,
সমকালীন বাংলা
৩৮ এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ এবং (আখিরাতের চাইতে) অগ্রাধিকার দিয়েছিল দুনিয়ার জীবনকে,
Word by word
٣٩ فَإِنَّ ٱلْجَحِيمَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।
সমকালীন বাংলা
৩৯ তবে নিশ্চয়ই জাহিম হবে তার আশ্রয়,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ তাদের আবাস হবে জাহিম (দোযখ)।
Word by word
٤٠ وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفْسَ عَنِ ٱلْهَوَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
৪০ পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল - খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে,
সমকালীন বাংলা
৪০ অপরদিকে যে তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোর ব্যাপারে ভীত হয়েছে এবং নিজেকে প্রবৃত্তি থেকে বিরত রেখেছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ আর যে তার মহান প্রভুর সামনে দাঁড়াবার ভয়ে ভীত ছিলো এবং নিজেকে আত্মার দাসত্ব ও মন্দ কামনা - বাসনা থেকে বিরত রেখেছিল,
Word by word
٤١ فَإِنَّ ٱلْجَنَّةَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ
মুহিউদ্দীন খান
৪১ তার ঠিকানা হবে জান্নাত।
সমকালীন বাংলা
৪১ তবে নিশ্চয়ই বেহেশতই হবে তার আশ্রয়,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ জান্নাতই হবে তাদের আবাস।
Word by word
٤٢ يَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلسَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَىٰهَا
মুহিউদ্দীন খান
৪২ তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কখন হবে?
সমকালীন বাংলা
৪২ তারা তোমাকে সেই সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, ‘তা কখন ঘটবে?’
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ (হে মুহাম্মদ!) এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে সেই সময়টি সম্পর্কে - তা কখন অনুষ্ঠিত হবে?
Word by word
٤٣ فِيمَ أَنتَ مِن ذِكْرَىٰهَآ
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ এর বর্ণনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক ?
সমকালীন বাংলা
৪৩ সে ব্যাপারে আপনার কী বলার আছে?
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ (কিন্তু) এ ব্যাপারে বলার কী জ্ঞান তোমার আছে?
Word by word
٤٤ إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَىٰهَآ
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ এর চরম জ্ঞান আপনার পালনকর্তার কাছে।
সমকালীন বাংলা
৪৪ তার চূড়ান্ত জ্ঞান তোমার প্রতিপালকের কাছেই,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ এর জ্ঞান তো শুধুমাত্র তোমার প্রভুর নিকটই সীমাবদ্ধ।
Word by word
٤٥ إِنَّمَآ أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخْشَىٰهَا
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ যে একে ভয় করে, আপনি তো কেবল তাকেই সতর্ক করবেন।
সমকালীন বাংলা
৪৫ তুমি তো কেবল সতর্ককারী তার জন্য, যে তাকে ভয় করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ তুমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র, তাদের জন্যে যারা তাকে (কিয়ামতকে) ভয় করে।
Word by word
٤٦ كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَهَا لَمْ يَلْبَثُوٓا۟ إِلَّا عَشِيَّةً أَوْ ضُحَىٰهَا
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান করেছে।
সমকালীন বাংলা
৪৬ যেদিন তারা তা দেখবে, মনে হবে যেন তারা কেবল এক সন্ধ্যা বা সকালের বেশী অবস্থান করেনি।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ যেদিন তারা সে দিনটিকে দেখতে পাবে, তারা অনুভব করবে, পৃথিবীতে তারা কাটিয়েছে একটি সন্ধ্যা, কিংবা একটি সকাল মাত্র।
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report