হা-মীম।
بسم الله الرحمن الرحيم حم
হা - মীম।
Chapter 44, 59 verses
হা-মীম।
بسم الله الرحمن الرحيم حم
হা - মীম।
সুস্পষ্ট কিতাবের কসম!
والكتاب المبين
শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের।
নিশ্চয় আমি এটি নাযিল করেছি বরকতময় রাতে; নিশ্চয় আমি সতর্ককারী।
إنا أنزلناه في ليلة مباركة ۚ إنا كنا منذرين
আমি তো ইহা অবতীর্ণ করিয়াছি এক মুবারক রজনীতে ; আমি তো সতর্ককারী।
সে রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়,
فيها يفرق كل أمر حكيم
এই রজনীতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়,
আমার নির্দেশে। নিশ্চয় আমি রাসূল প্রেরণকারী।
أمرا من عندنا ۚ إنا كنا مرسلين
আমার আদেশক্রমে, আমি তো রাসূল প্রেরণ করিয়া থাকি
তোমার রবের কাছ থেকে রহমত হিসেবে; নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
رحمة من ربك ۚ إنه هو السميع العليم
তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহস্বরূপ ; তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ -
যিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু‘য়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব; যদি তোমরা দৃঢ় বিশ্বাস পোষণকারী হও।
رب السماوات والأرض وما بينهما ۖ إن كنتم موقنين
যিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা নিশ্চিত হও।
তিনি ছাড়া কোন (সত্য) নেই; তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু দেন। তিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পিতৃপুরুষদের রব।
لا إله إلا هو يحيي ويميت ۖ ربكم ورب آبائكم الأولين
তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই, তিনি জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু ঘটান; তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদেরও প্রতিপালক।
তারা বরং সন্দেহের বশবর্তী হয়ে খেলতামাশা করছে।
بل هم في شك يلعبون
বস্তুত উহারা সন্দেহের বশবর্তী হইয়া হাসিঠাট্টা করিতেছে।
অতএব অপেক্ষা কর সেদিনের যেদিন স্পষ্ট ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হবে আকাশ।
فارتقب يوم تأتي السماء بدخان مبين
অতএব তুমি অপেক্ষা কর সেই দিনের যেদিন স্পষ্ট ধূম্রাচ্ছন্ন হইবে আকাশ,
যা মানুষদেরকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে: এটি যন্ত্রণাদায়ক আযাব।
يغشى الناس ۖ هذا عذاب أليم
এবং উহা আবৃত করিয়া ফেলিবে মানব জাতিকে। ইহা হইবে মর্মন্তুদ শাস্তি।
(তখন তারা বলবে) ‘হে আমাদের রব, আমাদের থেকে আযাব দূর করুন; নিশ্চয় আমরা হব।’
ربنا اكشف عنا العذاب إنا مؤمنون
তখন উহারা বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের হইতে শাস্তি দূর কর, অবশ্যই আমরা ঈমান আনিব।’
এখন কীভাবে তারা উপদেশ গ্রহণ করবে, অথচ ইতঃপূর্বে তাদের কাছে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনাকারী রাসূল এসেছিল?
أنى لهم الذكرى وقد جاءهم رسول مبين
উহারা কী করিয়া উপদেশ গ্রহণ করিবে? উহাদের নিকট তো আসিয়াছে স্পষ্ট ব্যাখ্যাতা এক রাসূল ;
তারপর তারা তাঁর দিক থেকে বিমুখ হয়েছিল এবং বলেছিল ‘এ শিক্ষাপ্রাপ্ত পাগল’।
ثم تولوا عنه وقالوا معلم مجنون
অতঃপর উহারা তাহাকে অমান্য করিয়া বলে, ‘সে শিক্ষাপ্রাপ্ত এক পাগল!’
নিশ্চয় আমি ক্ষণকালের জন্য আযাব দূর করব; নিশ্চয় তোমরা পূর্বাবস্থায় ফিরে যাবে।
إنا كاشفو العذاب قليلا ۚ إنكم عائدون
আমি কিছু কালের জন্য শাস্তি রহিত করিব - তোমরা তো তোমাদের পূর্বাবস্থায় ফিরিয়া যাইবে।
সেদিন আমি প্রবলভাবে পাকড়াও করব; নিশ্চয় আমি হব প্রতিশোধ গ্রহণকারী।
يوم نبطش البطشة الكبرى إنا منتقمون
যেদিন আমি তোমাদেরকে প্রবলভাবে পাকড়াও করিব, সেদিন নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে শাস্তি দিবই।
আর অবশ্যই এদের পূর্বে আমি ফির‘আউনের কওমকে পরীক্ষা করেছিলাম এবং তাদের কাছে এসেছিল এক সম্মানিত রাসূল,
۞ ولقد فتنا قبلهم قوم فرعون وجاءهم رسول كريم
ইহাদের পূর্বে আমি তো ফির‘আওন সম্প্রদায়কে পরীক্ষা করিয়াছিলাম এবং উহাদের নিকটও আসিয়াছিল এক সম্মানিত রাসূল,
(সে বলেছিল) ‘আল্লাহর বান্দাদেরকে আমার কাছে ফিরিয়ে দাও; নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।’
أن أدوا إلي عباد الله ۖ إني لكم رسول أمين
সে বলিল, র বান্দাদেরকে আমার নিকট প্রত্যর্পণ কর। আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।
‘আর আল্লাহর বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করো না। নিশ্চয় আমি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসব।’
وأن لا تعلوا على الله ۖ إني آتيكم بسلطان مبين
‘এবং তোমরা র বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিও না, আমি তোমাদের নিকট উপস্থিত করিতেছি স্পষ্ট প্রমাণ।
আর তোমাদের প্রস্তরাঘাত থেকে আমি আমার রব ও তোমাদের রবের কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।
وإني عذت بربي وربكم أن ترجمون
‘তোমরা যাহাতে আমাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করিতে না পার, তজ্জন্য আমি আমার প্রতিপালক ও তোমাদের প্রতিপালকের শরণ লইতেছি।
‘আর তোমরা যদি আমার উপর বিশ্বাস না রাখ, তবে আমাকে ছেড়ে যাও।’
وإن لم تؤمنوا لي فاعتزلون
‘যদি তোমরা আমার কথায় বিশ্বাস স্থাপন না কর, তবে তোমরা আমার নিকট হইতে দূরে থাক।’
অতঃপর সে তার রবকে ডেকে বলল, ‘নিশ্চয় এরা এক অপরাধী সম্প্রদায়।’
فدعا ربه أن هؤلاء قوم مجرمون
অতঃপর মূসা তাহার প্রতিপালকের নিকট নিবেদন করিল, ‘ইহারা তো এক অপরাধী সম্প্রদায়।’
( বললেন) ‘তাহলে আমার বান্দাদের নিয়ে রাতে বেরিয়ে পড়; নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হবে’।
فأسر بعبادي ليلا إنكم متبعون
আমি বলিয়াছিলাম, ‘তুমি আমার বান্দাদেরকে লইয়া রজনীযোগে বাহির হইয়া পড়, তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হইবেই।’
আর সমুদ্রকে রেখে দাও শান্ত, নিশ্চয় তারা হবে এক ডুবন্ত বাহিনী’।
واترك البحر رهوا ۖ إنهم جند مغرقون
সমুদ্রকে স্থির থাকিতে দাও, উহারা এমন এক বাহিনী যাহা নিমজ্জিত হইবেই।
তারা অনেক বাগান ও ঝর্না রেখেছিল।
كم تركوا من جنات وعيون
উহারা পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছিল কত উদ্যান ও প্রস্রবণ;
শ্যামল শস্যক্ষেত ও সুরম্য বাসস্থান,
وزروع ومقام كريم
কত শস্যক্ষেত্র ও সুরম্য প্রাসাদ,
আর নানা বিলাস-সামগ্রী, যাতে তারা আনন্দ উপভোগ করত।
ونعمة كانوا فيها فاكهين
কত বিলাস - উপকরণ, উহাতে তাহারা আনন্দ পাইত!
এমনটিই হয়েছিল এবং আমি এগুলোর উত্তরাধিকারী করেছিলাম অন্য কওমকে।
كذلك ۖ وأورثناها قوما آخرين
এইরূপই ঘটিয়াছিল এবং আমি এই সমুদয়ের উত্তরাধিকারী করিয়াছিলাম ভিন্ন সম্প্রদায়কে।
অতঃপর আসমান ও যমীন তাদের জন্য কাঁদেনি এবং তারা অবকাশপ্রাপ্ত ছিল না।
فما بكت عليهم السماء والأرض وما كانوا منظرين
আকাশ এবং পৃথিবী কেহই উহাদের জন্যে অশ্রুপাত করে নাই এবং উহাদেরকে অবকাশও দেওয়া হয় নাই।
আর অবশ্যই আমি বনী ইসরাঈলকে লাঞ্ছনাদায়ক আযাব থেকে উদ্ধার করেছিলাম,
ولقد نجينا بني إسرائيل من العذاب المهين
আমি তো উদ্ধার করিয়াছিলাম বনী ইসরাঈলকে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি হইতে
ফির‘আউন থেকে, নিশ্চয় সে ছিল সীমালঙ্ঘনকারীদের শীর্ষস্থানীয়।
من فرعون ۚ إنه كان عاليا من المسرفين
ফির‘আওনের; সে তো ছিল পরাক্রান্ত সীমালংঘনকারীদের মধ্যে।
আর আমি জ্ঞাতসারেই তাদেরকে সকল সৃষ্টির উপর নির্বাচিত করেছিলাম।
ولقد اخترناهم على علم على العالمين
আমি তো জানিয়া - শুনিয়াই উহাদেরকে বিশ্বে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়াছিলাম,
আর আমি তাদেরকে এমন নিদর্শনাবলী দিয়েছিলাম যাতে ছিল সুস্পষ্ট পরীক্ষা।
وآتيناهم من الآيات ما فيه بلاء مبين
এবং উহাদেরকে দিয়াছিলাম নিদর্শনাবলী, যাহাতে ছিল সুস্পষ্ট পরীক্ষা;
নিশ্চয় তারা বলেই থাকে,
إن هؤلاء ليقولون
উহারা বলিয়াই থাকে,
‘আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই নেই এবং আমরা পুনরুত্থিত হবার নই’।
إن هي إلا موتتنا الأولى وما نحن بمنشرين
‘আমাদের প্রথম মৃত্যু ব্যতীত আর কিছুই নাই এবং আমরা আর উত্থিত হইব না।
‘যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে নিয়ে এসো’।
فأتوا بآبائنا إن كنتم صادقين
‘অতএব তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে উপস্থিত কর।’
তারা কি শ্রেষ্ঠ না তুব্বা সম্প্রদায় এবং তাদের পূর্বে যারা ছিল তারা? আমি তাদেরকে ধ্বংস করেছিলাম। নিশ্চয় তারা ছিল অপরাধী।
أهم خير أم قوم تبع والذين من قبلهم ۚ أهلكناهم ۖ إنهم كانوا مجرمين
শ্রেষ্ঠ কি উহারা, না তুব্বা সম্প্রদায় ও ইহাদের পূর্ববর্তীরা? আমি উহাদেরকে ধ্বংস করিয়াছিলাম, অবশ্যই উহারা ছিল অপরাধী।
আর আমি আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদোভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।
وما خلقنا السماوات والأرض وما بينهما لاعبين
আমি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যে কোন কিছুই ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করি নাই;
আমি এ দু’টোকে যথাযথভাবেই সৃষ্টি করেছি, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না।
ما خلقناهما إلا بالحق ولكن أكثرهم لا يعلمون
আমি এই দুইটি অযথা সৃষ্টি করি নাই, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই ইহা জানে না।
নিশ্চয় ফয়সালার দিনটি তাদের সকলের জন্যই নির্ধারিত সময়।
إن يوم الفصل ميقاتهم أجمعين
নিশ্চয় সকলের জন্য নির্ধারিত রহিয়াছে উহাদের বিচার দিবস।
সেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।
يوم لا يغني مولى عن مولى شيئا ولا هم ينصرون
সেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসিবে না এবং উহারা সাহায্যও পাইবে না।
সে ছাড়া, যার প্রতি অনুগ্রহ করেন। নিশ্চয় তিনিই মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
إلا من رحم الله ۚ إنه هو العزيز الرحيم
তবে যাহার প্রতি দয়া করেন তাহার কথা স্বতন্ত্র। তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
নিশ্চয় যাক্কূম বৃক্ষ
إن شجرت الزقوم
নিশ্চয়ই যাক্কুম বৃক্ষ হইবে -
পাপীর খাদ্য;
طعام الأثيم
পাপীর খাদ্য;
গলিত তামার মত, উদরসমূহে ফুটতে থাকবে।
كالمهل يغلي في البطون
গলিত তাম্রের মত, উহাদের উদরে ফুটিতে থাকিবে
ফুটন্ত পানির মত
كغلي الحميم
ফুটন্ত পানির মত।
(বলা হবে) ‘ওকে ধর, অতঃপর তাকে জাহান্নামের মধ্যস্থলে টেনে নিয়ে যাও’।
خذوه فاعتلوه إلى سواء الجحيم
উহাকে ধর এবং টানিয়া লইয়া যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে,
তারপর তার মাথার উপর ফুটন্ত পানির আযাব ঢেলে দাও।
ثم صبوا فوق رأسه من عذاب الحميم
অতঃপর উহার মস্তকের উপর ফুটন্ত পানি ঢালিয়া শাস্তি দাও -
(বলা হবে) ‘তুমি আস্বাদন কর, নিশ্চয় তুমিই সম্মানিত, অভিজাত’।
ذق إنك أنت العزيز الكريم
এবং বলা হইবে ‘আস্বাদ গ্রহণ কর, তুমি তো ছিলে সম্মানিত, অভিজাত!
নিশ্চয় এটা তা-ই যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করতে।
إن هذا ما كنتم به تمترون
‘ইহা তো উহাই, যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করিতে।’
নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে নিরাপদ স্থানে,
إن المتقين في مقام أمين
মুত্তাকীরা তো থাকিবে নিরাপদ স্থানে -
বাগ-বাগিচা ও ঝর্নাধারার মধ্যে,
في جنات وعيون
উদ্যান ও ঝর্ণার মাঝে,
তারা পরিধান করবে পাতলা ও পুরু রেশমী বস্ত্র এবং বসবে মুখোমুখী হয়ে।
يلبسون من سندس وإستبرق متقابلين
তাহারা পরিধান করিবে মিহি ও পুরু রেশমী বস্ত্র এবং মুখোমুখি হইয়া বসিবে।
এরূপই ঘটবে, আর আমি তাদেরকে বিয়ে দেব ডাগর নয়না হূরদের সাথে।
كذلك وزوجناهم بحور عين
এইরূপই ঘটিবে; আমি উহাদেরকে সঙ্গিনী দান করিব আয়তলোচনা হুর,
সেখানে তারা প্রশান্তচিত্তে সকল প্রকারের ফলমূল আনতে বলবে।
يدعون فيها بكل فاكهة آمنين
সেথায় তাহারা প্রশান্ত চিত্তে বিবিধ ফলমূল আনিতে বলিবে।
প্রথম মৃত্যুর পর সেখানে তারা আর মৃত্যু আস্বাদন করবে না। আর তিনি তাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করবেন।
لا يذوقون فيها الموت إلا الموتة الأولى ۖ ووقاهم عذاب الجحيم
প্রথম মৃত্যুর পর তাহারা সেখানে আর মৃত্যু আস্বাদন করিবে না। আর তাহাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হইতে রক্ষা করিবেন -
তোমার রবের অনুগ্রহস্বরূপ, এটাই তো মহা সাফল্য।
فضلا من ربك ۚ ذلك هو الفوز العظيم
তোমার প্রতিপালক নিজ অনুগ্রহে। ইহাই তো মহাসাফল্য।
অতঃপর আমি তো তোমার ভাষায় কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
فإنما يسرناه بلسانك لعلهم يتذكرون
আমি তো তোমার ভাষায় কুরআনকে সহজ করিয়া দিয়াছি, যাহাতে উহারা উপদেশ গ্রহণ করে।
অতএব তুমি অপেক্ষা কর, তারাও অপেক্ষাকারী।
فارتقب إنهم مرتقبون
সুতরাং তুমি প্রতীক্ষা কর, উহারাও প্রতীক্ষমাণ।