পরম করুণাময়,
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ الرَّحْمَٰنُ
بسم الله الرحمن الرحيم الرحمن
দয়াময় ,
Chapter 55, 78 verses
পরম করুণাময়,
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ الرَّحْمَٰنُ
بسم الله الرحمن الرحيم الرحمن
দয়াময় ,
তিনি শিক্ষা দিয়েছেন কুরআন,
عَلَّمَ الْقُرْآنَ
علم القرآن
তিনিই শিক্ষা দিয়াছেন কুরআন,
তিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষ,
خَلَقَ الْإِنسَانَ
خلق الإنسان
তিনিই সৃষ্টি করিয়াছেন মানুষ,
তিনি তাকে শিখিয়েছেন ভাষা।
عَلَّمَهُ الْبَيَانَ
علمه البيان
তিনিই তাহাকে শিখাইয়াছেন ভাব প্রকাশ করিতে,
সূর্য ও চাঁদ (নির্ধারিত) হিসাব অনুযায়ী চলে,
الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ
الشمس والقمر بحسبان
সূর্য ও চন্দ্র আবর্তন করে নির্ধারিত কক্ষপথে,
আর তারকা ও গাছ-পালা সিজদা করে।
وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ
والنجم والشجر يسجدان
নক্ষত্ররাজী ও বৃক্ষাদি তাঁহারই সিজ্দায় রত রহিয়াছে,
আর তিনি আকাশকে সমুন্নত করেছেন এবং দাঁড়িপাল্লা স্থাপন করেছেন।
وَالسَّمَاءَ رَفَعَهَا وَوَضَعَ الْمِيزَانَ
والسماء رفعها ووضع الميزان
তিনি আকাশকে করিয়াছেন সম্মুন্নত এবং স্থাপন করিয়াছেন মানদণ্ড,
যাতে তোমরা দাঁড়িপাল্লায় সীমালঙ্ঘন না কর।
أَلَّا تَطْغَوْا فِي الْمِيزَانِ
ألا تطغوا في الميزان
যাহাতে তোমরা সীমালংঘন না কর মানদণ্ডে।
আর তোমরা ন্যায়সঙ্গতভাবে ওযন প্রতিষ্ঠা কর এবং ওযনকৃত বস্তু কম দিও না।
وَأَقِيمُوا الْوَزْنَ بِالْقِسْطِ وَلَا تُخْسِرُوا الْمِيزَانَ
وأقيموا الوزن بالقسط ولا تخسروا الميزان
ওজনের ন্যায্য মান প্রতিষ্ঠিত কর এবং ওজনে কম দিও না।
আর যমীনকে বিছিয়ে দিয়েছেন সৃষ্টজীবের জন্য।
وَالْأَرْضَ وَضَعَهَا لِلْأَنَامِ
والأرض وضعها للأنام
তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করিয়াছেন সৃষ্ট জীবের জন্য;
তাতে রয়েছে ফলমূল ও খেজুরগাছ, যার খেজুর আবরণযুক্ত।
فِيهَا فَاكِهَةٌ وَالنَّخْلُ ذَاتُ الْأَكْمَامِ
فيها فاكهة والنخل ذات الأكمام
ইহাতে রহিয়াছে ফলমূল এবং খর্জুর বৃক্ষ যাহার ফল আবরণযুক্ত,
আর আছে খোসাযুক্ত দানা ও সুগন্ধিযুক্ত ফুল।
وَالْحَبُّ ذُو الْعَصْفِ وَالرَّيْحَانُ
والحب ذو العصف والريحان
এবং খোসাবিশিষ্ট দানা ও সুগন্ধ ফুল।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে* অস্বীকার করবে ? *‘উভয়ে’ দ্বারা জিন ও মানুষকে বুঝানো হয়েছে।
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
অতএব তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন শুষ্ক ঠনঠনে মাটি থেকে যা পোড়া মাটির ন্যায়।
خَلَقَ الْإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ كَالْفَخَّارِ
خلق الإنسان من صلصال كالفخار
মানুষকে তিনি সৃষ্টি করিয়াছেন পোড়া মাটির মত শুষ্ক মৃত্তিকা হইতে,
আর তিনি জিনকে সৃষ্টি করেছেন ধোঁয়াবিহীন অগ্নিশিখা থেকে।
وَخَلَقَ الْجَانَّ مِن مَّارِجٍ مِّن نَّارٍ
وخلق الجان من مارج من نار
এবং জিনকে সৃষ্টি করিয়াছেন নির্ধূম অগ্নিশিখা হইতে।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
তিনি দুই পূর্ব ও দুই পশ্চিমের* রব। * দুই পূর্ব বলতে গ্রীষ্ম ও শীতকালের উদয়স্থল এবং দুই পশ্চিম বলতে গ্রীষ্ম ও শীতকালের অস্তস্থলকে বুঝানো হয়েছে।
رَبُّ الْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ الْمَغْرِبَيْنِ
رب المشرقين ورب المغربين
তিনিই দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের নিয়ন্তা।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
তিনি দুই সমুদ্রকে প্রবাহিত করেন, যারা পরস্পর মিলিত হয়।
مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ
مرج البحرين يلتقيان
তিনি প্রবাহিত করেন দুই দরিয়া যাহারা পরস্পর মিলিত হয়,
উভয়ের মধ্যে রয়েছে এক আড়াল যা তারা অতিক্রম করতে পারে না।
بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ
بينهما برزخ لا يبغيان
কিন্তু উহাদের মধ্যে রহিয়াছে এক অন্তরাল যাহা উহারা অতিক্রম করিতে পারে না।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
উভয় সমুদ্র থেকে উৎপন্ন হয় মণিমুক্তা ও প্রবাল।
يَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ
يخرج منهما اللؤلؤ والمرجان
উভয় দরিয়া হইতে উৎপন্ন হয় মুক্তা ও প্রবাল।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
আর সমুদ্রে চলমান পাহাড়সম জাহাজসমূহ তাঁরই।
وَلَهُ الْجَوَارِ الْمُنشَآتُ فِي الْبَحْرِ كَالْأَعْلَامِ
وله الجوار المنشآت في البحر كالأعلام
সমুদ্রে বিচরণশীল পর্বতপ্রমাণ নৌযানসমূহ তাঁহারই নিয়ন্ত্রণাধীন;
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
যমীনের উপর যা কিছু রয়েছে, সবই ধ্বংসশীল।
كُلُّ مَنْ عَلَيْهَا فَانٍ
كل من عليها فان
ভূপৃষ্ঠে যাহা কিছু আছে সমস্তই নশ্বর,
আর থেকে যাবে শুধু মহামহিম ও মহানুভব তোমার রবের চেহারা*। *চেহারা বলতে কোন কোন তাফসীরকার আল্লাহর সত্তাকে বুঝিয়েছেন।
وَيَبْقَىٰ وَجْهُ رَبِّكَ ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ
ويبقى وجه ربك ذو الجلال والإكرام
অবিনশ্বর কেবল তোমার প্রতিপালকের সত্তা, যিনি মহিমময়, মহানুভব;
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
আসমানসমূহ ও যমীনে যারা রয়েছে, সবাই তাঁর কাছে চায়। প্রতিদিন তিনি কোন না কোন কাজে রত।
يَسْأَلُهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
يسأله من في السماوات والأرض ۚ كل يوم هو في شأن
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহারা আছে সকলেই তাঁহার নিকট প্রার্থী, তিনি প্রত্যহ গুরুত্বপূর্ণ কার্যে রত।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
হে মানুষ ও জিন, আমি অচিরেই তোমাদের (হিসাব-নিকাশ গ্রহণের) প্রতি মনোনিবেশ করব।
سَنَفْرُغُ لَكُمْ أَيُّهَ الثَّقَلَانِ
سنفرغ لكم أيه الثقلان
হে মানুষ ও জিন! আমি শীঘ্রই তোমাদের প্রতি মনোনিবেশ করিব,
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
হে জিন ও মানবজাতি, যদি তোমরা আসমানসমূহ ও যমীনের সীমানা থেকে বের হতে পার, তাহলে বের হও। কিন্তু তোমরা তো (আল্লাহর দেয়া) শক্তি ছাড়া বের হতে পারবে না।
يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانفُذُوا ۚ لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ
يا معشر الجن والإنس إن استطعتم أن تنفذوا من أقطار السماوات والأرض فانفذوا ۚ لا تنفذون إلا بسلطان
হে জিন ও মনুষ্য সম্প্রদায়! আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সীমা তোমরা যদি অতিক্রম করিতে পার অতিক্রম কর, কিন্তু তোমরা অতিক্রম করিতে পারিবে না সনদ ব্যতিরেকে।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
তোমাদের উভয়ের প্রতি প্রেরণ করা হবে অগ্নিশিখা ও কালো ধোঁয়া, তখন তোমরা প্রতিরোধ করতে পারবে না।
يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِّن نَّارٍ وَنُحَاسٌ فَلَا تَنتَصِرَانِ
يرسل عليكما شواظ من نار ونحاس فلا تنتصران
তোমাদের প্রতি প্রেরিত হইবে অগ্নিশিখা ও ধূম্রপুঞ্জ, তখন তোমরা প্রতিরোধ করিতে পারিবে না।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
যে দিন আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে, অতঃপর তা রক্তিম গোলাপের ন্যায় লাল চামড়ার মত হবে।
فَإِذَا انشَقَّتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ
فإذا انشقت السماء فكانت وردة كالدهان
যেই দিন আকাশ বিদীর্ণ হইবে সেই দিন উহা রক্ত - রঙ্গে রঞ্জিত চর্মের রূপ ধারণ করিবে;
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
অতঃপর সেদিন না মানুষকে তার অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, না জিনকে।
فَيَوْمَئِذٍ لَّا يُسْأَلُ عَن ذَنبِهِ إِنسٌ وَلَا جَانٌّ
فيومئذ لا يسأل عن ذنبه إنس ولا جان
সেই দিন না মানুষকে তাহার অপরাধ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হইবে, না জিনকে।
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
অপরাধীদেরকে চেনা যাবে তাদের চিহ্নর সাহায্যে। অতঃপর তাদেরকে মাথার অগ্রভাগের চুল ও পা ধরে নেয়া হবে।
يُعْرَفُ الْمُجْرِمُونَ بِسِيمَاهُمْ فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِي وَالْأَقْدَامِ
يعرف المجرمون بسيماهم فيؤخذ بالنواصي والأقدام
অপরাধীদের পরিচয় পাওয়া যাইবে উহাদের লক্ষণ হইতে, উহাদেরকে পাকড়াও করা হইবে মাথার ঝুঁটি ও পা ধরিয়া।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
এই সেই জাহান্নাম, যাকে অপরাধীরা অস্বীকার করত।
هَٰذِهِ جَهَنَّمُ الَّتِي يُكَذِّبُ بِهَا الْمُجْرِمُونَ
هذه جهنم التي يكذب بها المجرمون
ইহাই সেই জাহান্নাম, যাহা অপরাধীরা অবিশ্বাস করিত,
তারা ঘুরতে থাকবে জাহান্নাম ও ফুটন্ত পানির মধ্যে।
يَطُوفُونَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ حَمِيمٍ آنٍ
يطوفون بينها وبين حميم آن
উহারা জাহান্নামের অগ্নি ও ফুটন্ত পানির মধ্যে ছুটাছুটি করিবে।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
আর যে তার রবের সামনে দাঁড়াতে ভয় করে, তার জন্য থাকবে দু’টি জান্নাত।
وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ
ولمن خاف مقام ربه جنتان
আর যে র সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে, তাহার জন্য রহিয়াছে দুইটি উদ্যান।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
উভয়ই বহু ফলদার শাখাবিশিষ্ট।
ذَوَاتَا أَفْنَانٍ
ذواتا أفنان
উভয়ই বহু শাখা - পল্লববিশিষ্ট।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
উভয়ের মধ্যে থাকবে দু’টি ঝর্ণাধারা যা প্রবাহিত হবে।
فِيهِمَا عَيْنَانِ تَجْرِيَانِ
فيهما عينان تجريان
উভয় উদ্যানে রহিয়াছে প্রবহমান দুই প্রস্রবণ;
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
উভয়ের মধ্যে প্রত্যেক ফল থেকে থাকবে দু’ প্রকারের।
فِيهِمَا مِن كُلِّ فَاكِهَةٍ زَوْجَانِ
فيهما من كل فاكهة زوجان
উভয় উদ্যানে রহিয়াছে প্রত্যেক ফল দুই দুই প্রকার।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
সেখানে পুরু রেশমের আস্তরবিশিষ্ট বিছানায় তারা হেলান দেয়া অবস্থায় থাকবে এবং দুই জান্নাতের ফল-ফলাদি থাকবে নিকটবর্তী।
مُتَّكِئِينَ عَلَىٰ فُرُشٍ بَطَائِنُهَا مِنْ إِسْتَبْرَقٍ ۚ وَجَنَى الْجَنَّتَيْنِ دَانٍ
متكئين على فرش بطائنها من إستبرق ۚ وجنى الجنتين دان
সেখানে উহারা হেলান দিয়া বসিবে পুরু রেশমের আস্তরবিশিষ্ট ফরাশে, দুই উদ্যানের ফল হইবে নিকটবর্তী।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
সেখানে থাকবে স্বামীর প্রতি দৃষ্টি সীমিতকারী মহিলাগণ, যাদেরকে ইতঃপূর্বে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর না কোন জিন।
فِيهِنَّ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ
فيهن قاصرات الطرف لم يطمثهن إنس قبلهم ولا جان
সেই সকলের মাঝে রহিয়াছে বহু আনতনয়না, যাহাদেরকে পূর্বে কোন মানুষ অথবা জিন স্পর্শ করে নাই।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
তারা যেন হীরা ও প্রবাল।
كَأَنَّهُنَّ الْيَاقُوتُ وَالْمَرْجَانُ
كأنهن الياقوت والمرجان
তাহারা যেন পদ্মরাগ ও প্রবাল।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
উত্তম কাজের প্রতিদান উত্তম ছাড়া আর কী হতে পারে ?
هَلْ جَزَاءُ الْإِحْسَانِ إِلَّا الْإِحْسَانُ
هل جزاء الإحسان إلا الإحسان
উত্তম কাজের জন্য উত্তম পুরস্কার ব্যতীত কী হইতে পারে?
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
আর ঐ দু’টি জান্নাত ছাড়াও আরো দু’টি জান্নাত রয়েছে।
وَمِن دُونِهِمَا جَنَّتَانِ
ومن دونهما جنتان
এই উদ্যানদ্বয় ব্যতীত আরও দুইটি উদ্যান রহিয়াছে।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
জান্নাত দু’টি গাঢ় সবুজ।
مُدْهَامَّتَانِ
مدهامتان
ঘন সবুজ এই উদ্যান দুইটি।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
এ দু’টিতে থাকবে অবিরাম ধারায় উচ্ছলমান দু’টি ঝর্ণাধারা।
فِيهِمَا عَيْنَانِ نَضَّاخَتَانِ
فيهما عينان نضاختان
উভয় উদ্যানে আছে উচ্ছলিত দুই প্রস্রবণ।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
এ দু’টিতে থাকবে ফলমূল, খেজুর ও আনার।
فِيهِمَا فَاكِهَةٌ وَنَخْلٌ وَرُمَّانٌ
فيهما فاكهة ونخل ورمان
সেখানে রহিয়াছে ফলমূল - খর্জুর ও আনার।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
সেই জান্নাতসমূহে থাকবে উত্তম চরিত্রবতী অনিন্দ্য সুন্দরীগণ।
فِيهِنَّ خَيْرَاتٌ حِسَانٌ
فيهن خيرات حسان
সেই উদ্যানসমূহের মাঝে রহিয়াছে সুশীলা, সুন্দরীগণ।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
তারা হূর, তাঁবুতে থাকবে সুরক্ষিতা।
حُورٌ مَّقْصُورَاتٌ فِي الْخِيَامِ
حور مقصورات في الخيام
তাহারা হূর, তাঁবুতে সুরক্ষিতা।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
যাদেরকে ইতঃপূর্বে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর না কোন জিন ।
لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ
لم يطمثهن إنس قبلهم ولا جان
ইহাদেরকে ইতিপূর্বে কোন মানুষ অথবা জিন স্পর্শ করে নাই।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
তারা সবুজ বালিশে ও সুন্দর কারুকার্য খচিত গালিচার উপর হেলান দেয়া অবস্থায় থাকবে।
مُتَّكِئِينَ عَلَىٰ رَفْرَفٍ خُضْرٍ وَعَبْقَرِيٍّ حِسَانٍ
متكئين على رفرف خضر وعبقري حسان
উহারা হেলান দিয়া বসিবে সবুজ তাকিয়ায় ও সুন্দর গালিচার উপরে।
সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নি‘আমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ?
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
فبأي آلاء ربكما تكذبان
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?
তোমার রবের নাম বরকতময়, যিনি মহামহিম ও মহানুভব।
تَبَارَكَ اسْمُ رَبِّكَ ذِي الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ
تبارك اسم ربك ذي الجلال والإكرام
কত মহান তোমার প্রতিপালকের নাম যিনি মহিমময় ও মহানুভব!