আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; আকাশসমূহে এবং পৃথিবীতে যা আছে, সবকিছুই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। রাজত্ব তাঁরই, এবং প্রকৃত প্রশংসাও তাঁরই। আর তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে, আধিপত্য তাঁহারই এবং প্রশংসা তাঁহারই; তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।
তোমাদের কাছে কি তাদের সংবাদ পৌঁছেনি, যারা পূর্বে অবিশ্বাস করেছিল? অতঃপর তারা তাদের কাজের পরিণতি আস্বাদন করেছিল, আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমাদের নিকট কি পৌঁছে নাই পূর্ববর্তী কাফিরদের বৃত্তান্ত? উহারা উহাদের কর্মের মন্দ ফল আস্বাদন করিয়াছিল এবং উহাদের জন্য রহিয়াছে মর্মন্তুদ শাস্তি।
এটি এ জন্য যে, তাদের রাসূলগণ তাদের নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে আসত, অথচ তারা বলত, মানুষই কি আমাদের পথ প্রদর্শন করবে? অতঃপর তারা করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল। আর বে-পরওয়াই দেখালেন এবং অভাবমুক্ত পরম, প্রশংসিত।
তা এজন্য যে, তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসত, কিন্তু তারা বলত, “মানুষই কি আমাদের পথনির্দেশ করবে?” অতঃপর তারা অবিশ্বাস করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল। আর অমুখাপেক্ষী। আর অভাবমুক্ত, সর্বপ্রশংসিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহা এইজন্য যে, উহাদের নিকট উহাদের রাসূলগণ স্পষ্ট নিদর্শনসহ আসিত তখন উহারা বলিত, ‘মানুষই কি আমাদেরকে পথের সন্ধান দিবে?’ অতঃপর উহারা করিল ও মুখ ফিরিয়ে লইল। কিন্তু ইহাতে র কিছু আসে যায় না ; অভাবমুক্ত, প্রশংসার্হ।
কাফিররা ধারণা করেছিল যে, তারা কখনোই পুনরুত্থিত হবে না। বল, ‘হ্যাঁ, আমার রবের কসম, তোমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হবে। অতঃপর তোমরা যা আমল করেছিলে তা অবশ্যই তোমাদের জানানো হবে। আর এটি আল্লাহর পক্ষে খুবই সহজ।
যারা অবিশ্বাস করেছে, তারা দাবি করে যে তাদের কখনো পুনরুত্থিত করা হবে না। বলো, “অবশ্যই হবে, আমার পালনকর্তার শপথ! তোমাদের অবশ্যই পুনরুত্থিত করা হবে। তারপর তোমরা যা করেছ, সে সম্পর্কে অবশ্যই তোমাদের অবহিত করা হবে। আর এটি আল্লাহর জন্য সহজ।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কাফিররা ধারণা করে যে, উহারা কখনও পুনরুত্থিত হইবে না। বল, ‘নিশ্চয়ই হইবে, আমার প্রতিপালকের শপথ! তোমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হইবে। অতঃপর তোমরা যাহা করিতে তোমাদেরকে সে সম্বন্ধে অবশ্যই অবহিত করা হইবে। ইহা র পক্ষে সহজ।’
স্মরণ কর, যেদিন সমাবেশ দিবসের উদ্দেশ্যে তোমাদের সমবেত করবেন, ঐ দিনই হচ্ছে লাভ-ক্ষতির দিন। আর যে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তিনি তার পাপসমূহ মোচন করে দিবেন এবং তাকে প্রবেশ করাবেন জান্নাতসমূহে, যার পাদদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হয়, তথায় তার
যেদিন তিনি তোমাদেরকে সমবেত হওয়ার দিনে একত্র করবেন—সেদিনই হবে পারস্পরিক লাভ-ক্ষতির দিন। আর যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস আনে এবং সৎকর্ম করে, তিনি তার মন্দ কাজগুলো তার থেকে মুছে দেবেন এবং তাকে এমন উদ্যানসমূহে প্রবেশ করাবেন, যার নিচ দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়; সেখানে তারা অনন্তকাল থাকবে। এটাই মহাসাফল্য।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, যেদিন তিনি তোমাদেরকে সমবেত করিবেন সমাবেশ দিবসে সেদিন হইবে লাভ - লোকসানের দিন। যে ব্যক্তি আল্লাহে বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে তিনি তাহার পাপ মোচন করিবেন এবং তাহাকে দাখিল করিবেন জান্নাতে ; যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তাহারা হইবে চিরস্থায়ী। ইহাই মহাসাফল্য।
তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর। কিন্তু তোমরা যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে আমার রাসূলের তো একমাত্র দায়িত্ব হচ্ছে স্পষ্টভাবে বাণী পৌঁছে দেয়া।
হে মুমিনগণ, তোমাদের স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিদের কেউ কেউ তোমাদের দুশমন।* অতএব তোমরা তাদের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন কর। আর যদি তোমরা মার্জনা কর, এড়িয়ে যাও এবং মাফ করে দাও তবে নিশ্চয় পরম ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু। *অর্থাৎ তারা কখনো কখনো আল্লাহর পথে চ
হে যারা ঈমান এনেছো, নিশ্চয়ই তোমাদের স্ত্রীদের এবং সন্তানদের মধ্যে কেউ কেউ তোমাদের শত্রু; অতএব তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকো। আর যদি তোমরা ক্ষমা করো, উপেক্ষা করো এবং ক্ষমা করে দাও, তবে নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
Note
আল্লাহ স্ত্রীদের ও সন্তানদের মধ্যেও অনেককে শত্রু করেছেন, কিন্তু আমাদের সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে, তাদেরকে উপেক্ষা করতে এবং ক্ষমা করতে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘হে মু’মিনগণ! তোমাদের স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততিদের মধ্যে কেহ কেহ তোমাদের শত্রু ; অতএব তাহাদের সম্পর্কে তোমরা সতর্ক থাকিও। তোমরা যদি উহাদেরকে মার্জনা কর, উহাদের দোষত্রুটি উপেক্ষা কর এবং উহাদেরকে ক্ষমা কর, তবে জানিয়া রাখ, ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
অতএব তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় কর, শ্রবণ কর, আনুগত্য কর এবং তোমাদের নিজদের কল্যাণে ব্যয় কর, আর যাদেরকে অন্তরের কার্পণ্য থেকে রক্ষা করা হয়, তারাই মূলত ।
অতএব তোমরা যতটুকু সক্ষম, আল্লাহকে ভয় করো, এবং শোনো, আনুগত্য করো ও ব্যয় করো; এটি তোমাদের নিজেদের জন্যই উত্তম। আর যারা নিজেদের মনের কৃপণতা থেকে রক্ষা পায়, তারাই ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা কে যথাসাধ্য ভয় কর, এবং শোন, আনুগত্য কর ও ব্যয় কর তোমাদের নিজেদেরই কল্যাণের জন্য ; যাহারা অন্তরের কার্পণ্য হইতে মুক্ত ; তাহারাই ।