নূন; কলমের কসম এবং তারা যা লিখে তার কসম!
নূন! কলমের শপথ আর শপথ সেগুলোর যা তারা (ফেরেশ্তারা) ছত্রে ছত্রে লিপিবদ্ধ করে।
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম নূ-ন্ অল্ক্বলামি অমা-ইয়াস্তুরূন্।
Chapter 68, 52 verses
নূন; কলমের কসম এবং তারা যা লিখে তার কসম!
নূন! কলমের শপথ আর শপথ সেগুলোর যা তারা (ফেরেশ্তারা) ছত্রে ছত্রে লিপিবদ্ধ করে।
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম নূ-ন্ অল্ক্বলামি অমা-ইয়াস্তুরূন্।
তোমার রবের অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।
তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।
মা য় আন্তা বিনি'মাতি রব্বিকা বিমাজ্বনূন্।
আর নিশ্চয় তোমার জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।
অবশ্যি তোমার জন্যে রয়েছে পুরস্কার অফুরান।
অইন্না লাকা লাআজরন্ গইর মাম্নূন্।
আর নিশ্চয় তুমি মহান চরিত্রের উপর অধিষ্ঠিত।
অবশ্যি তুমি এক মহান চরিত্রের অধিকারী।
অইন্নাকা লা'আলা- খুলুক্বিন্ 'আজীম্।
অতঃপর শীঘ্রই তুমি দেখতে পাবে এবং তারাও দেখতে পাবে-
অচিরেই তুমি দেখবে, আর দেখবে তারাও,
ফাসাতুব্ছিরু অইয়ুব্ছিরূন।
তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত?
তোমাদের মধ্যে কে আপতিত ফিতনায়?
বিআইয়িকুমুল্ মাফ্তূন্।
নিশ্চয় তোমার রবই সম্যক পরিজ্ঞাত তাদের ব্যাপারে যারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, আর তিনি হিদায়াতপ্রাপ্তদের সম্পর্কেও সম্যক জ্ঞাত।
তোমার প্রভুই সেই সত্তা, যিনি সর্বাধিক জানেন কারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত এবং তিনিই তাদের সর্বাধিক জানেন, যারা হিদায়াত প্রাপ্ত।
ইন্না রব্বাকা হুওয়া আ'লামু বিমান্ দ্বোয়াল্লা আ'ন্ সাবীলিহী অহুওয়া আ'লামু বিল্মুহ্তাদীন্।
অতএব তুমি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করো না।
সুতরাং তুমি মিথ্যাবাদীদের আনুগত্য করোনা।
ফালা-তুত্বি'ইল্ মুকায্যিবীন্।
তারা কামনা করে, যদি তুমি আপোষকামী হও, তবে তারাও আপোষকারী হবে।
তারা চায়, তুমি যদি নমনীয় হও, তবেই তারা নমনীয় হবে।
অদ্দূ লাও তুদ্হিনু ফাইয়ুদ্হিনূন্।
আর তুমি আনুগত্য করো না প্রত্যেক এমন ব্যক্তির যে অধিক কসমকারী, লাঞ্ছিত।
তুমি আনুগত্য করোনা বারবার হলফকারী হীন ব্যক্তির,
অলা-তুত্বি' কুল্লা হাল্লা-ফিম্ মাহীনিন্।
পিছনে নিন্দাকারী ও যে চোগলখুরী করে বেড়ায়,
যে পেছনে নিন্দা করে এবং একজনের কথা আরেকজনের কাছে লাগিয়ে বেড়ায়।
হাম্মা-যিম্ মাশ্শা-য়িম্ বিনামীম।
ভাল কাজে বাধাদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী অপরাধী,
সে ভালো কাজে বাধাদানকারী, সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ।
মান্না-'ইল্ লিল্খইরি মু'তাদিন্ আছীম্।
দুষ্ট প্রকৃতির, তারপর জারজ।
সে কর্কশ স্বভাবের, তারপর কুখ্যাত।
'ঊতুল্লিম্ বা'দা যা-লিকা যানীমিন্।
এ কারণে যে, সে ছিল ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততির অধিকারী।
এর কারণ, তার অনেক মাল সম্পদ আছে এবং আছে অনেক সন্তান সন্ততি।
আন্ কা-না যা-মা-লিঁও অবানীন্।
যখন তার কাছে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় তখন সে বলে, এগুলো পূর্ববর্তীদের কল্পকাহিনীমাত্র।
তার কাছে যখন আমাদের আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, সে বলে: ‘এগুলো তো সেকালের কাহিনী।’
ইযা-তুত্লা-'আলাইহি আ-ইয়া-তুনা-ক্ব-লা আসা-ত্বীরুল্ আওয়্যালীন্।
অচিরেই আমি তার শুঁড়ের* উপর দাগ দিয়ে দেব। *অর্থাৎ নাকের উপর। বিদ্রূপাত্মক অর্থে ব্যবহৃত।
অচিরেই আমরা দাগ লাগিয়ে দেবো তার শুঁড়ে (নাকে)।
সানাসিমুহূ 'আলাল্ র্খুতুম্ ।
নিশ্চয় আমি এদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেভাবে পরীক্ষা করেছিলাম বাগানের মালিকদেরকে। যখন তারা কসম করেছিল যে, অবশ্যই তারা সকাল বেলা বাগানের ফল আহরণ করবে।
আমরা তাদের পরীক্ষা করেছি, যেভাবে পরীক্ষা করেছিলাম বাগানওয়ালাদের, যখন তারা কসম খেয়ে বলেছিল তারা সকালে বাগানের ফল পাড়বে,
ইন্না-বালাওনা-হুম্ কামা-বালাওনা য় আছ্হা-বাল্ জ্বান্নাতি ইয্ আকসামূ ইয়াছ্রিমুন্নাহা-মুছ্বিহীন্।
আর তারা ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেনি।
তারা ইনশাল্লাহ ( চাহেন তো) বলেনি।
অলা-ইয়াস্তাছ্নূন্।
অতঃপর তোমার রবের পক্ষ থেকে এক প্রদক্ষিণকারী (আগুন) বাগানের ওপর দিয়ে প্রদক্ষিণ করে গেল, আর তারা ছিল ঘুমন্ত।
তারপর তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে সেই বাগানের উপর দিয়ে বয়ে গেলো একটি ঝাপটা। তখন তারা ছিলো ঘুমে।
ফাত্বোয়া-ফা 'আলাইহা-ত্বোয়া-য়িফুম্ র্মি রব্বিকা অহুম্ না-য়িমূন্।
ফলে তা (পুড়ে) কালো বর্ণের হয়ে গেল।
ফলে সেই বাগান হয়ে যায় কালো বর্ণ (কয়লার মতো)।
ফাআছ্বাহাত্ কাছ্ছোয়ারীম।
তারপর সকাল বেলা তারা একে অপরকে ডেকে বলল,
ভোরে তারা পরস্পরকে ডাকলো (বললো:)
ফাতানা-দাও মুছ্বিহীন।
‘তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও তাহলে সকাল সকাল তোমাদের বাগানে যাও’।
‘যদি তোমরা সকাল সকাল ফল পাড়তে চাও, তবে সকাল সকাল বাগানে চলো।’
আনিগ্দূ 'আলা র্হাছিকুম্ ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-রিমীন্।
তারপর তারা চলল, নিম্নস্বরে একথা বলতে বলতে-
তারপর তারা (বাগানের দিকে) চললো নিচু স্বরে (এই) কথা বলতে বলতে:
ফান্ত্বোয়ালাকু অহুম্ ইয়াতাখ-ফাতূন।
যে, ‘আজ সেখানে তোমাদের কাছে কোন অভাবী যেন প্রবেশ করতে না পারে’।
আজ যেনো তোমাদের কাছে বাগানে দাখিল না হয় কোনো মিসকিন (অভাবী)।
আল্লা-ইয়াদ্খুলান্নাহাল্ ইয়াওমা 'আলাইকুম্ মিস্কীন।
আর তারা ভোর বেলা দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি নিয়ে সক্ষম অবস্থায় (বাগানে) গেল।
আর তারা ভোরে ভোরেই বাগানে রওয়ানা করলো (মিসকিন) প্রতিরোধ করতে সক্ষম মনে করে।
অগদাও 'আলা-র্হাদিন্ ক্ব-দিরীন্।
তারপর তারা যখন বাগানটি দেখল, তখন তারা বলল, ‘অবশ্যই আমরা পথভ্রষ্ট’।
তারপর যখন বাগানের অবস্থা দেখলো, বললো: ‘‘আমরা তো বিভ্রান্ত হয়ে পড়লাম।
ফালাম্মা-রয়াওহা- ক্ব-লূ য় ইন্না-লাদ্বোয়া-ল্লূন।
‘বরং আমরা বঞ্চিত’।
বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেছি।’’
বাল্ নাহ্নু মাহ্রূমূন্।
তাদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল ব্যক্তিটি বলল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, তোমরা কেন (আল্লাহর) তাসবীহ পাঠ করছ না’?
তাদের সবচে’ ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি বললো: ‘আমি কি তোমাদের বলিনি, কেন তোমরা তসবিহ করছোনা?
ক্ব-লা আওসাতুহুম্ আলাম্ আকুল্ লাকুম্ লাওলা-তুসাব্বিহূন্।
তারা বলল, ‘আমরা আমাদের রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। অবশ্যই আমরা যালিম ছিলাম’।
(তারা বললো:) আমাদের প্রভুর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, অবশ্যি আমরা ছিলাম যালিম।
ক্ব-লূ সুব্হা-না রব্বিনা য় ইন্না-কুন্না-জোয়া-লিমীন্।
তারপর তারা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করতে লাগল।
তখন তারা পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করতে থাকলো।
ফাআকবালা বা'দ্বুহুম 'আলা- বা'দ্বিঁ ইইয়াতালা-ওয়ামূন্।
তারা বলল, ‘হায়, আমাদের ধ্বংস! নিশ্চয় আমরা সীমালঙ্ঘনকারী ছিলাম’।
তারা বললো: ‘‘হায় ধ্বংস আমাদের, অবশ্যি আমরা ছিলাম সীমালংঘনকারী।
ক্ব-লূ ইয়া-অইলানা য় ইন্না-কুন্না-ত্বোয়া-গীন্।
সম্ভবতঃ আমাদের রব আমাদেরকে এর চেয়েও উৎকৃষ্টতর বিনিময় দেবেন। অবশ্যই আমরা আমাদের রবের প্রতি আগ্রহী।
হয়তো আমাদের প্রভু আমাদেরকে এর চাইতে উত্তম বদলা (বিনিময়) দেবেন, আমরা আমাদের প্রভুর অভিমুখী হলাম।’’
'আসা-রব্বুনা য় আইঁ ইয়ুব্দিলানা-খইরাম্ মিন্হা য় ইন্না য় ইলা-রব্বিনা- র-গিবূন্।
এভাবেই হয় আযাব। আর পরকালের আযাব অবশ্যই আরো বড়, যদি তারা জানত।
আযাব এরকমই হয়ে থাকে। আর আখিরাতের আযাব অবশ্যি এর চাইতে অনেক জঘন্যতর, যদি তারা জানতো!
কাযা-লিকাল্ 'আযা-ব্ অলা'আযা-বুল্ আ-খিরতি আর্ক্বা। লাও কা-নূ ইয়া'লামূন্।
নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য তাদের রবের কাছে রয়েছে নিআমতপূর্ণ জান্নাত।
নিশ্চয়ই মুত্তাকিদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে ‘জান্নাতুন নায়ীম’।
ইন্না লিল্মুত্তাক্বীনা 'ইন্দা রব্বিহিম্ জ্বান্না-তিন্ না'ঈম্।
তবে কি আমি মুসলিমদেরকে (অনুগতদেরকে) অবাধ্যদের মতই গণ্য করব?
আমরা কি আত্মসমর্পণকারী - মুসলিমদের গণ্য করবো অপরাধীদের সমতুল্য?
আফানাজ'আলুল্ মুস্লিমীনা কাল্মুজরিমীন্।
তোমাদের কী হল, তোমরা কিভাবে ফয়সালা করছ?
তোমাদের কী হয়েছে - তোমরা কিভাবে ফায়সালা করছো?
মা-লাকুম্ কাইফা তাহ্কুমূন্।
তোমাদের কাছে কি কোন কিতাব আছে যাতে তোমরা পাঠ করছ?
নাকি তোমাদের কাছে কোনো কিতাব রয়েছে যার মধ্যে (এসব) তোমরা পাঠ করছো?
আম্ লাকুম্ কিতা-বুন্ ফীহি তাদ্রুসূন্।
যে, নিশ্চয় তোমাদের জন্য সেখানে রয়েছে যা তোমরা পছন্দ কর?
তাতে কি লেখা রয়েছে তোমাদের পছন্দসই কথা?
ইন্না লাকুম্ ফীহি লামা- তাখাইয়্যারূন।
অথবা তোমাদের জন্য কি আমার উপর কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন অঙ্গীকার রয়েছে যে, অবশ্যই তোমাদের জন্য থাকবে তোমরা যা ফয়সালা করবে?
নাকি আমার সাথে তোমাদের কোনো অংগীকার আছে যা কিয়ামতকাল পর্যন্ত বলবত থাকবে? নিশ্চয়ই তোমরা তাই পাবে, যা নিজেদের জন্যে ফায়সালা করবে।
আম্ লাকুম্ আইমা-নুন্ 'আলাইনা-বা-লিগাতুন্ ইলা-ইয়াওমিল্ ক্বিয়া-মাতি ইন্না লাকুম্ লামা-তাহ্কুমূন্।
তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, কে এ ব্যাপারে যিম্মাদার?
তাদের তুমি প্রশ্ন করো, এ ব্যাপারে তাদের যিম্মাদার কে?
সাল্হুম্ আইয়ুহুম্ বিযা-লিকা যা'ঈম্।
অথবা তাদের জন্য কি অনেক শরীক আছে? তাহলে তারা তাদের শরীকদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
নাকি তাদের শরিক করা (দেব দেবী) আছে? তবে তারা সেই শরিকদের নিয়ে আসুক যদি তারা হয়ে থাকে সত্যবাদী।
আম্ লাহুম্ শুরাকা-য়ু ফাল্ইয়া'তূ বিশুরাকা-য়িহিম্ ইন্ কা-নূ ছোয়া-দিক্বীন্।
সে দিন পায়ের গোছা* উন্মোচন করা হবে। আর তাদেরকে সিজদা করার জন্য আহবান জানানো হবে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না। *এ কথার ব্যাপারে ইমাম বুখারী একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তা হল, আবু সাঈদ খুদরী রা. বলেন, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাদের রব তাঁর প
স্মরণ করো, যেদিন তাদের পায়ের নলা উন্মোচিত করা হবে এবং তাদের ডাকা হবে সাজদা করতে, কিন্তু তাদের তা করার শক্তি থাকবেনা।
ইয়াওমা ইয়ুক্শাফু 'আন্ সা-ক্বিঁও অইয়ুদ্'আওনা ইলাস্ সুজুদি ফালা-ইয়াস্তাত্বী'ঊন্।
তাদের দৃষ্টিসমূহ অবনত অবস্থায় থাকবে, অপমান তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে। অথচ তাদেরকে তো নিরাপদ অবস্থায় সিজদা করার জন্য আহবান করা হত (তখন তো তারা সিজদা করেনি)।
তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনত, তাদের গ্রাস করে নেবে যিল্লতি। অথচ (পৃথিবীতে) যখন তাদের সাজদা করতে ডাকা হতো তখন তারা নিজেদের (তা থেকে) রাখতো দূরে।
খ-শি'আতান্ আব্ছোয়া-রুহুম্ র্তাহাকুহুম্ যিল্লাহ্ অক্বদ্ কা-নূ ইয়ুদ্'আওনা ইলাস্ সুজুদি অহুম্ সা-লিমূন্।
অতএব ছেড়ে দাও আমাকে এবং যারা এ বাণী প্রত্যাখ্যান করে তাদেরকে। আমি তাদেরকে ধীরে ধীরে এমনভাবে পাকড়াও করব যে, তারা জানতে পারবে না।
আমাকে ছেড়ে দাও আর যারা এই বাণীকে (আল কুরআনকে) অস্বীকার করে তাদেরকে। আমরা ক্রমান্বয়ে তাদেরকে এমনভাবে ধরবো যে, তারা জানতেও পারবেনা।
ফার্যানী অমাইঁইয়ুকায্যিবু বিহা-যাল্ হাদীছ্ সানাস্তাদ্রিজুহুম্ মিন্ হাইছু লা-ইয়া'লামূন।
আর আমি তাদেরকে অবকাশ দেব। অবশ্যই আমার কৌশল অত্যন্ত বলিষ্ঠ।
আমি তাদের অবকাশ দিই, আমার কৌশল মজবুত।
অউম্লী লাহুম্ ইন্না কাইদী মাতীন্।
তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাচ্ছ? ফলে তারা ঋণের কারণে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ছে।
তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাইছো আর তারা সেটাকে মনে করছে দুর্বহ বোঝা?
আম্ তাস্য়ালুহুম্ আজরান্ ফাহুম্ মিম্ মাগ্রামিম্ মুছ্ক্বলূন্ ।
অথবা তাদের কাছে কি ‘’ (লওহে মাহফুয) আছে যে, তারা লিখে রাখছে।
নাকি তাদের কাছে গায়েবের জ্ঞান আছে আর তারা তা লিখে রাখছে?
আম্ 'ইন্দা হুমুল্ গইবু ফাহুম্ ইয়াক্তুবূন্।
অতএব তুমি তোমার রবের হুকুমের জন্য ধৈর্যধারণ কর। আর তুমি মাছওয়ালার মত হয়ো না, যখন সে দুঃখে কাতর হয়ে ডেকেছিল।
তোমার প্রভুর হুকুমের অপেক্ষায় সবর করো, মাছওয়ালার (ইউনুসের) মতো (অধৈর্য) হয়োনা। সে চরম হতাশায় আচ্ছন্ন অবস্থায় (আমাকে বিনীতভাবে) ডেকেছিল।
ফাছ্বির লিহুক্মি রব্বিকা অলা-তাকুন্ কাছোয়া-হিবিল্ হূত্। ইয্ না-দা-অহুওয়া মাক্জূম্।
যদি তার রবের অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছত, তাহলে সে নিন্দিত অবস্থায় উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
তার প্রভুর অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছুলে সে চরম লাঞ্ছিত অবস্থায় নিক্ষিপ্ত হতো উন্মুক্ত প্রান্তরে।
লাওলা য় আন্ তাদা-রকাহূ নি'মাতুর্ম্মি রব্বিহী লানুবিযা বিল্'আর-য়ি অহুওয়া মায্মূম্।
তারপর তার রব তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।
তারপর তার প্রভু তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে তাঁর সালেহ্ বান্দাদের অন্তরভুক্ত করলেন।
ফাজতাবাহু রব্বুহূ ফাজ্বা'আলাহূ মিনাছ্ ছোয়া-লিহীন্।
আর কাফিররা যখন উপদেশবাণী শুনে তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়ে ফেলবে, আর তারা বলে, ‘এ তো এক পাগল’।
কাফিররা যখন আয যিক্র (আল কুরআন) শুনে, তখন যেনো তারা তাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে আছাড় মারবে। তারা বলে: ‘এতো এক পাগল।’
অইঁইয়াকা-দুল্ লাযীনা কাফারূ লাইয়ুয্লিকুনাকা বিআব্ছোয়া-রিহিম্ লাম্মা-সামি'ঊয্ যিক্রা অইয়াকুলূনা ইন্নাহূ লামাজনূন্।
আর এ কুরআন তো সৃষ্টিকুলের জন্য শুধুই উপদেশবাণী।
অথচ এ (কুরআন) তো জগতবাসীর জন্যে এক (কল্যাণময়) উপদেশ ছাড়া আর কিছুই নয়।
অমা- হুওয়া ইল্লা-যিকরুল্ লিল্'আ-লামীন্।