You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল আনফাল (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ)
Chapter 8, 75 verses
বয়ান ফাউন্ডেশন
আবদুস শহীদ নাসিম
Arabic, with marks
Arabic
Word by word
বয়ান ফাউন্ডেশন
লোকেরা তোমাকে গনীমতের মাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে; বল, গনীমতের মাল ও রাসূলের জন্য। সুতরাং তোমরা কে ভয় কর এবং পরস্পরের মধ্যকার অবস্থা সংশোধন করে নাও। আর ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর, যদি তোমরা হও।
আবদুস শহীদ নাসিম
লোকেরা তোমার কাছে জানতে চাইছে আনফাল সম্পর্কে। তুমি বলো, আনফাল হলো আল্লাহর এবং রসূলের জন্যে। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সংশোধন করে নাও তোমাদের অবস্থা। আর আল্লাহর আনুগত্য করো এবং তাঁর রসূলের, যদি তোমরা হয়ে থাকো।
তো তারা, যাদের অন্তরসমূহ কেঁপে উঠে যখন আল্লাহকে স্মরণ করা হয়। আর যখন তাদের উপর তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করা হয় তখন তা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করে এবং যারা তাদের রবের উপরই ভরসা করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
জেনে রাখো, প্রকৃত হলো তারা, আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হলে যাদের অন্তর কেঁপে উঠে, আল্লাহর আয়াত তিলাওয়াত করে শুনানো হলে যাদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং যারা তাদের প্রভুর উপর তাওয়াক্কুল করে।
আর স্মরণ কর, যখন তোমাদেরকে দু’দলের একটির ওয়াদা দিয়েছিলেন যে, নিশ্চয় তা তোমাদের জন্য হবে। আর তোমরা কামনা করছিলে যে, অস্ত্রহীন দলটি তোমাদের জন্য হবে এবং চাচ্ছিলেন তাঁর কালেমাসমূহ দ্বারা সত্যকে সত্য প্রমাণ করবেন এবং কাফেরদের মূল কেটে দেবেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, তোমাদের ওয়াদা দিয়েছিলেন, দুটি দলের একটি দল তোমাদের আয়ত্তে আসবে, অথচ তোমরা চাইছিলে নিষ্কণ্টক দলটি তোমাদের আয়ত্তে আসুক। কিন্তু চাইছিলেন তাঁর বাণীর মাধ্যমে সত্যকে বাস্তবায়িত করবেন এবং কেটে দেবেন কাফিরদের শেকড়।
আর স্মরণ কর, যখন তোমরা তোমাদের রবের নিকট ফরিয়াদ করছিলে, তখন তিনি তোমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন যে, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে পর পর আগমনকারী এক হাজার ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করছি’।
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছিলে, তখন তিনি তোমাদের প্রার্থনা কবুল করে বলেছিলেন: ‘আমি তোমাদের সাহায্য করবো এক হাজার ফেরেশতা দিয়ে, তারা যাবে একের পর এক।
আর তো তা করেছেন কেবল সুসংবাদস্বরূপ এবং যাতে এর দ্বারা তোমাদের অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয় এবং সাহায্য তো আল্লাহর পক্ষ থেকেই। নিশ্চয় পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
আবদুস শহীদ নাসিম
এ ব্যবস্থা করেন একটি শুভ সংবাদ হিসেবে এবং এর ফলে যেনো তোমাদের মন প্রশান্তি লাভ করে। আসলে সাহায্য তো আল্লাহর কাছ থেকেই আসে। নিশ্চয়ই মহাপরাক্রমশালী প্রজ্ঞাবান।
স্মরণ কর, যখন তিনি তোমাদেরকে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করেন তাঁর পক্ষ থেকে নিরাপত্তাস্বরূপ এবং আকাশ থেকে তোমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন, আর যাতে এর মাধ্যমে তিনি তোমাদেরকে পবিত্র করেন, আর তোমাদের থেকে শয়তানের কুমন্ত্রণা দূর করেন, তোমাদের অন্তরসমূহ দৃঢ় রাখেন এবং এর ম
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের স্বস্তির জন্যে তোমাদেরকে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করেছিলেন এবং আসমান থেকে তোমাদের উপর পানি বর্ষণ করেছিলেন, যাতে করে তা দিয়ে তোমাদের পবিত্র করে দেন, তোমাদের থেকে শয়তানের কুমন্ত্রণা দূর করে দেন এবং তোমাদের অন্তরসমূহকে সংহত ও মজবুত করে দেন আর তোমাদের কদমকে করে দেন মজবুত।
স্মরণ কর, যখন তোমার রব ফেরেশতাদের প্রতি ওহী প্রেরণ করেন যে, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের সাথে আছি। সুতরাং যারা ঈমান এনেছে তোমরা তাদেরকে অনড় রাখ’। অচিরেই আমি ভীতি ঢেলে দেব তাদের হৃদয়ে যারা করেছে। অতএব তোমরা আঘাত কর ঘাড়ের উপরে এবং আঘাত কর তাদের প্রত্যেক আঙুলের
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, তোমাদের প্রভু ফেরেশতাদের প্রতি অহি করে বলেছিলেন: আমি তোমাদের সাথে আছি, তোমরা মুমিনদের অবিচল রাখো। অচিরেই আমি কাফিরদের অন্তরে সঞ্চার করে দেবো ভয় আর আতঙ্ক। অতএব তোমরা আঘাত করো তাদের গর্দানে আর আঘাত করো তাদের জোড়ায় জোড়ায়।
আর যে ব্যক্তি সেদিন তাদেরকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে তাহলে সে আল্লাহর গযব নিয়ে ফিরে আসবে। তবে যুদ্ধের জন্য (কৌশলগত) দিক পরিবর্তন অথবা নিজ দলে আশ্রয় গ্রহণের জন্য হলে ভিন্ন কথা এবং তার আবাস জাহান্নাম। আর সেটি কতইনা নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল।
আবদুস শহীদ নাসিম
যুদ্ধের কৌশল কিংবা নিজেদের দলের সাথে মিলিত হবার উদ্দেশ্য ছাড়া। সেদিন যে কেউ বাহিনী থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে, সে আল্লাহর গজবে নিপতিত হবে এবং তার আশ্রয় হবে জাহান্নাম, আর সেটা খুবই নিকৃষ্ট ধরনের ফিরে যাবার জায়গা।
সুতরাং তোমরা তাদেরকে হত্যা করনি বরং আল্লাহই তাদেরকে হত্যা করেছেন। আর তুমি নিক্ষেপ করনি যখন তুমি নিক্ষেপ করেছিলে; বরং আল্লাহই নিক্ষেপ করেছেন* এবং যাতে তিনি তাঁর পক্ষ থেকে মুমিনদেরকে পরীক্ষা করেন উত্তম পরীক্ষা। নিশ্চয় সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। * বদর যুদ্
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা তাদের হত্যা করোনি, বরং তাদের হত্যা করেছেন । আর তুমি যখন (তাদের দিকে কংকর) নিক্ষেপ করেছিলে তখন তুমি নিক্ষেপ করোনি, বরং আল্লাহ্ই নিক্ষেপ করেছিলেন, যাতে করে মুমিনদেরকে তাঁর পক্ষ থেকে উত্তমভাবে পরীক্ষা করা যায়। নিশ্চয় সব শুনেন, সব জানেন।
যদি তোমরা বিজয় কামনা করে থাক, তাহলে তো তোমাদের নিকট বিজয় এসে গিয়েছে। আর যদি তোমরা বিরত হও, তাহলে সেটি তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর যদি তোমরা পুনরায় কর, তাহলে আমিও পুনরায় করব এবং তোমাদের দল কখনো তোমাদের কোন উপকারে আসবে না যদিও তা অধিক হয়। আর নিশ্চয় মুম
আবদুস শহীদ নাসিম
(হে কাফিররা!) তোমরা তো ফায়সালা চেয়েছিলে। এখন ফায়সালা তোমরা পেয়ে গেছো। যদি তোমরা (যুদ্ধ সন্ত্রাস ও নির্যাতন করা থেকে) বিরত হও, তবে সেটা তোমাদের জন্যেই উত্তম। কিন্তু তোমরা যদি পুনরায় করো, তাহলে আমরাও পুনরায় শাস্তি দেবো এবং তোমাদের বাহিনী সংখ্যায় অনেক বেশি হলেও তা তোমাদের কোনো কাজেই আসবে না। অবশ্যি মুমিনদের সাথে রয়েছেন।
হে মুমিনগণ, তোমরা ও রাসূলের ডাকে সাড়া দাও; যখন সে তোমাদেরকে আহবান করে তার প্রতি, যা তোমাদেরকে জীবন দান করে। জেনে রাখ, নিশ্চয় মানুষ ও তার হৃদয়ের মাঝে অন্তরায় হন। আর নিশ্চয় তাঁর নিকট তোমাদেরকে সমবেত করা হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! রসূল যখন তোমাদেরকে এমন কোনো বিষয়ের দিকে ডাকে, যা তোমাদের প্রাণবন্তু করবে, তখন তোমরা ও রসূলের আহবানে সাড়া দেবে। জেনে রাখো, ব্যক্তি ও তার অন্তরের মধ্যবর্তী হয়ে থাকেন এবং তাঁরই কাছে তোমাদের হাশর করা হবে।
আর তোমরা ভয় কর ফিতনাকে* যা তোমাদের মধ্য থেকে বিশেষভাবে শুধু যালিমদের উপরই আপতিত হবে না। আর জেনে রাখ, নিশ্চয় আযাব প্রদানে কঠোর। * ফিতনা (فتنة)একটি ব্যাপক অর্থবোধক শব্দ; যা বিপদ, কষ্ট, পরীক্ষা, গযব, আযাব, দাঙ্গা, গোলযোগ, সম্মোহন, আকর্ষণ, শির্ক, কুফর
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা সেই ফিতনা থেকে আত্মরক্ষা করো, যা শুধুমাত্র তোমাদের মধ্যকার যালিমদেরই আক্রান্ত করবে না। জেনে রাখো কঠিন শাস্তিদাতা।
আর স্মরণ কর, যখন তোমরা ছিলে অল্প, তোমাদেরকে দুর্বল মনে করা হত যমীনে। তোমরা আশঙ্কা করতে যে, লোকেরা তোমাদেরকে ছোঁ মেরে তুলে নিয়ে যাবে। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে আশ্রয় দিয়েছেন, নিজ সাহায্য দ্বারা তোমাদেরকে শক্তিশালী করেছেন এবং তোমাদেরকে পবিত্র রিয্ক দান করেছেন। য
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, তোমরা ছিলে কয়েকজন মাত্র। দেশে তোমাদের দুর্বল করে রাখা হয়েছিল। তোমরা আশংকা করছিলে লোকেরা তোমাদের ছোঁ মেরে ধরে ফেলবে। সে অবস্থা থেকে উদ্ধার করে তোমাদের আশ্রয় দিয়েছেন, নিজ সাহায্যের মাধ্যমে তোমাদের শক্তিশালী করেছেন এবং উত্তম জীবিকার ব্যবস্থা করেছেন, যাতে তোমরা শোকর আদায় করো।
হে মুমিনগণ, যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তাহলে তিনি তোমাদের জন্য * প্রদান করবেন, তোমাদের থেকে তোমাদের পাপসমূহ দূর করবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আর মহা অনুগ্রহশীল। * অর্থাৎ তিনি তোমাদের মধ্যে আন্তরিক দৃঢ়তা, ক্ষমতা ও সুন্দর হিদায়াত সৃষ্
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় করো, তাহলে তিনি তোমাদেরকে ভালো - মন্দের মধ্যে পার্থক্য করার একটি মানদন্ড দেবেন এবং তোমাদের থেকে মুছে দেবেন তোমাদের পাপগুলো আর ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের ত্রুটি বিচ্যুতি। তো মহা অনুগ্রহের মালিক।
আর যখন কাফিররা তোমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছিল, তোমাকে বন্দী করতে অথবা তোমাকে হত্যা করতে কিংবা তোমাকে বের করে দিতে। আর তারা ষড়যন্ত্র করে এবং আল্লাহও ষড়যন্ত্র করেন। আর হচ্ছেন ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে উত্তম।
আবদুস শহীদ নাসিম
কাফিররা যখন তোমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছিল তোমাকে বন্দী করার, কিংবা হত্যা করার, অথবা দেশ থেকে বের করে দেয়ার; তারা চক্রান্ত করছিল আর আল্লাহ্ও কৌশল করছিলেন, আর আল্লাহ্ই সর্বোত্তম কৌশলী।
আর তাদের উপর যখন আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয় তখন তারা বলে, শুনলাম তো। যদি আমরা চাই, তাহলে এর অনুরূপ আমরাও বলতে পারি। এতো পিতৃ-পুরুষদের কল্প-কাহিনী ছাড়া কিছু না।
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন তাদের কাছে আমাদের আয়াত শুনানো হয়, তারা বলে: ‘আমরা শুনলাম, ইচ্ছা করলে আমরাও এর মতো বলতে পারি। এতো সেকালের লোকদের কাহিনী ছাড়া আর কিছু নয়।’
আর স্মরণ কর, যখন তারা বলেছিল, ‘হে , যদি এটি সত্য হয় আপনার পক্ষ থেকে তাহলে আমাদের উপর আকাশ থেকে পাথর বর্ষণ করুন অথবা আমাদের উপর অন্য কোন যন্ত্রণাদায়ক আযাব নিয়ে আসুন’।
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন তারা বলেছিল: ‘হে ! এ (দীন, এ কুরআন) যদি তোমার পক্ষ থেকে সত্য হয়ে থাকে, তাহলে আমাদের উপর আকাশ থেকে পাথর বর্ষণ করো, অথবা আমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আযাবে নিমজ্জিত করো।’
আর তাদের কী আছে যে, তাদেরকে আযাব দেবেন না? অথচ তারা মসজিদুল হারাম থেকে বাধা প্রদান করে, আর তারা এর অভিভাবকও নয়। তার অভিভাবক তো শুধু মুত্তাকীগণ; কিন্তু তাদের অধিকাংশ জানে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের কী বলার আছে, কেন তাদের শাস্তি দেবেন না, যখন তারা মসজিদুল হারাম থেকে (মুমিনদের) বাধা দেয়। তারা তো এই মসজিদের মুতাওয়াল্লি (তত্ত্বাবধায়ক) নয়, শুধু মুত্তাকিরাই হতে পারে এর মুতাওয়াল্লি, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানেনা।
নিশ্চয় যারা করেছে, তারা নিজদের সম্পদসমূহ ব্যয় করে, আল্লাহর রাস্তা হতে বাধা প্রদান করার উদ্দেশ্যে। তারা তো তা ব্যয় করবে। অতঃপর এটি তাদের উপর আক্ষেপের কারণ হবে এরপর তারা পরাজিত হবে। আর যারা করেছে তাদেরকে জাহান্নামে সমবেত করা হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা কুফুরির পথ অবলম্বন করেছে তারা তাদের অর্থ - সম্পদ ব্যয় করে মানুষকে আল্লাহর পথে বাধা দেয়ার জন্যে। তারা তাদের সম্পদ ব্যয় করেই যাবে এবং এটা তাদের হতাশার কারণ হবে। অবশেষে তারা পরাজিত হবে। যারা কুফুরি করে তাদেরকে শেষ পর্যন্ত জাহান্নামে হাশর (সমবেত) করা হবে।
যাতে পৃথক করেন মন্দকে ভাল হতে আর মন্দের কতককে কতকের উপর রাখবেন এবং সেগুলোকে একসাথে স্তূপ করবেন। এরপর তা জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
এমনটি করার কারণ হলো, মন্দকে ভালো থেকে আলাদা করে দিতে চান এবং মন্দদের কাউকেও কারো উপর স্থান দিতে চান, তারপর তাদের সবাইকে জমা করে নিক্ষেপ করবেন জাহান্নামে। আর তারাই হবে আসল ক্ষতিগ্রস্ত।
যারা করেছে তুমি তাদেরকে বল, যদি তারা বিরত হয় তাহলে অতীতে যা হয়েছে তাদেরকে তা ক্ষমা করা হবে। আর যদি তারা পুনরায় করে তাহলে পূর্ববর্তীদের (ব্যাপারে আল্লাহর) রীতি তো গত হয়েছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা কুফুরি করে তাদের বলো, তারা যদি বিরত হয় তবে অতীতের কর্মের জন্যে তাদের ক্ষমা করা হবে, কিন্তু তারা যদি পুনরাবৃত্তি করে, তবে আগেকার লোকদের (করুণ) দৃষ্টান্ত তো তাদের সামনেই রয়েছে।
আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই কর যতক্ষণ না ফিতনার অবসান হয় এবং দীন পূর্ণরূপে আল্লাহর জন্য হয়ে যায়। তবে যদি তারা বিরত হয় তাহলে নিশ্চয় তারা যা করে সে বিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের বিরুদ্ধে লড়ে যাও, যতোক্ষণ না ফিতনা দূর হয়ে যায় এবং দীন পুরোপুরি আল্লাহর জন্যে হয়ে যায়। তারা যদি (ফিতনা থেকে) বিরত হয়, তবে তারা যা করবে তার প্রতি লক্ষ্য রাখবেন।
আর তোমরা জেনে রাখ, তোমরা যা কিছু গনীমতরূপে পেয়েছ, নিশ্চয় আল্লাহর জন্যই তার এক পঞ্চমাংশ ও রাসূলের জন্য, নিকট আত্মীয়, ইয়াতীম, মিসকীন ও মুসাফিরের জন্য, যদি তোমরা ঈমান এনে থাক আল্লাহর প্রতি এবং হক ও বাতিলের ফয়সালার দিন আমি আমার বান্দার উপর যা নাযিল করেছি তার
আবদুস শহীদ নাসিম
জেনে নাও, তোমরা যে গনিমত লাভ করেছো, তার পাঁচ ভাগের একভাগ আল্লাহর, রসূলের, রসূলের নিকটাত্মীয়দের, এতিমদের, মিসকিনদের এবং পথিকদের জন্যে নির্ধারন করা হলো। যদি তোমরা ঈমান রাখো আল্লাহর প্রতি এবং সেই বিষয়ের প্রতি যা আমরা নাযিল করেছি আমাদের দাসের প্রতি মীমাংসার দিন, যেদিন দুই দল পরস্পরের মোকাবেলা করেছিল। সব বিষয়ে শক্তিমান।
۞ واعلموا أنما غنمتم من شيء فأن لله خمسه وللرسول ولذي القربى واليتامى والمساكين وابن السبيل إن كنتم آمنتم بالله وما أنزلنا على عبدنا يوم الفرقان يوم التقى الجمعان ۗ والله على كل شيء قدير
যখন তোমরা ছিলে নিকটবর্তী প্রান্তরে, আর তারা ছিল দূরবর্তী প্রান্তরে এবং কাফেলা* ছিল তোমাদের চেয়ে নিম্নভূমিতে, আর যদি তোমরা পরস্পর ওয়াদাবদ্ধ হতে, (যুদ্ধে মুখোমুখি হওয়ার ব্যাপারে) তাহলে অবশ্যই সে ওয়াদার ক্ষেত্রে তোমরা মতবিরোধ করতে, কিন্তু (তাদেরকে একত
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, (বদর প্রান্তরে) তোমরা ছিলে উপত্যকার নিকট প্রান্তে, তারা ছিলো দূরপ্রান্তে আর আরোহী কাফেলা দল ছিলো অপেক্ষাকৃত নিম্নাঞ্চলে। তোমরা যদি পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধের (অবস্থান) সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে চাইতে, তবে সে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তোমাদের মধ্যে মতবিরোধ ঘটতো। কিন্তু যা করার তা করে দিলেন। ফলে যারা হালাক হবার তারা যেনো সত্য প্রকাশের পর হালাক হয়, আর যারা জীবিত থাকবে তারাও যেনো সত্য প্রকাশের পর জীবিত থাকে। নিশ্চয়ই সব শুনেন, সব জানেন।
إذ أنتم بالعدوة الدنيا وهم بالعدوة القصوى والركب أسفل منكم ۚ ولو تواعدتم لاختلفتم في الميعاد ۙ ولكن ليقضي الله أمرا كان مفعولا ليهلك من هلك عن بينة ويحيى من حي عن بينة ۗ وإن الله لسميع عليم
যখন তোমাকে স্বপ্নের মধ্যে তাদেরকে স্বল্প সংখ্যায় দেখিয়েছিলেন। আর তোমাকে যদি তিনি তাদেরকে বেশি সংখ্যায় দেখাতেন, তাহলে অবশ্যই তোমরা সাহসহারা হয়ে পড়তে এবং বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক করতে। কিন্তু নিরাপত্তা দিয়েছেন। নিশ্চয় অন্তরে যা আছে তিনি সে সব বিষয়ে
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, (বদর প্রান্তরে) তোমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, তারা সংখ্যায় অল্প। তিনি যদি তোমাকে দেখাতেন তারা সংখ্যায় অনেক, তাহলে তোমরা সাহস হারিয়ে ফেলতে এবং যুদ্ধের বিষয়ে নিজেদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি করতে। কিন্তু তোমাদের রক্ষা করেছেন। নিশ্চয়ই অন্তরে যা আছে সে সম্পর্কে তিনি অবগত।
আর যখন তোমরা মুখোমুখি হয়েছিলে, তিনি তোমাদের চোখে তাদেরকে স্বল্প দেখিয়েছিলেন এবং তাদের চোখেও তোমাদেরকে স্বল্প দেখিয়েছিলেন যাতে সম্পন্ন করেন এমন কাজ যা হওয়ারই ছিল এবং আল্লাহর দিকেই সকল বিষয় ফেরানো হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, যুদ্ধের ময়দানে তিনি তাদেরকে তোমাদের দৃষ্টিতে অল্প সংখ্যক দেখিয়েছেন এবং তোমাদেরকেও তাদের দৃষ্টিতে স্বল্প সংখ্যক দেখিয়েছেন, যা ঘটার ছিলো তা সম্পন্ন করার জন্যে। সব বিষয় শেষ পর্যন্ত আল্লাহর দিকেই রুজু হয়।
হে মুমিনগণ, যখন তোমরা কোন দলের মুখোমুখি হও, তখন অবিচল থাক, আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফল হও।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! যখনই তোমরা কোনো সৈন্যদলের সাথে যুদ্ধের সম্মুখীন হবে, তখন অবশ্যি অটল অবিচল থাকবে, এবং আল্লাহকে অধিক অধিক স্মরণ করবে, তাহলে অবশ্যি তোমরা সফল হবে।
আর তোমরা ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর এবং পরস্পর ঝগড়া করো না, তাহলে তোমরা সাহসহারা হয়ে যাবে এবং তোমাদের শক্তি নিঃশেষ হয়ে যাবে। আর তোমরা ধৈর্য ধর, নিশ্চয় ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো এবং তাঁর রসূলের। আর তোমরা নিজেদের মধ্যে বিবাদে লিপ্ত হয়োনা। তাহলে তোমরা দুর্বল হয়ে পড়বে এবং এর ফলে তোমাদের প্রতিপত্তি বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং সবর করো। নিশ্চয়ই সবর অবলম্বনকারীদের সাথেই রয়েছেন।
আর তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা তাদের ঘর থেকে অহঙ্কার ও লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে বের হয়েছে এবং আল্লাহর রাস্তায় বাধা প্রদান করে, আর তারা যা করে, তা পরিবেষ্টন করে আছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা ঐসব লোকদের মতো হয়োনা যারা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও লোক দেখানোর জন্যে ঘর থেকে বের হয়েছিল এবং যারা মানুষকে আল্লাহর পথে চলতে বাধা সৃষ্টি করে। তারা যা করে তা পরিবেষ্টন করে আছেন।
আর যখন শয়তান তাদের জন্য তাদের আমলসমূহ সুশোভিত করল এবং বলল, ‘আজ মানুষের মধ্য থেকে তোমাদের উপর কোন বিজয়ী নেই এবং নিশ্চয় আমি তোমাদের পার্শ্বে অবস্থানকারী’। অতঃপর যখন দু’দল একে অপরকে দেখল, তখন সে পিছু হটল এবং বলল, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের থেকে মুক্ত, নিশ্চয় আমি এম
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, শয়তান তাদের দৃষ্টিতে তাদের কর্মকান্ডকে চাকচিক্যময় করে রেখেছিল এবং বলেছিল: ‘আজ কোনো মানুষই তোমাদের উপর বিজয়ী হতে পারবে না, আমি তোমাদের পাশেই আছি।’ তারপর উভয় দল যখন মুখোমুখি হলো, তখন সে পেছন থেকে কেটে পড়লো এবং বললো: ‘তোমাদের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এমন কিছু দেখছি, যা তোমরা দেখছোনা। আমি আল্লাহকে ভয় পাই। কঠিন শাস্তিদাতা।’
وإذ زين لهم الشيطان أعمالهم وقال لا غالب لكم اليوم من الناس وإني جار لكم ۖ فلما تراءت الفئتان نكص على عقبيه وقال إني بريء منكم إني أرى ما لا ترون إني أخاف الله ۚ والله شديد العقاب
যখন মুনাফিকরা ও যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তারা বলছিল, ‘এদেরকে এদের ধর্ম ধোকায় ফেলেছে’ এবং যে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে তবে তো নিশ্চয় পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন মুনাফিকরা এবং যাদের মনে রোগ ছিলো তারা বলছিল: ‘এদের দীন এদেরকে বিভ্রান্ত করেছে।’ যে কেউ আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে, সে জেনে রাখুক, মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।
ফিরআউন বংশ ও তাদের পূর্বের লোকদের আচরণের মত তারা আল্লাহর আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছে, ফলে তাদের পাপের কারণে তাদেরকে পাকড়াও করেছেন। নিশ্চয় শক্তিশালী, কঠিন আযাবদাতা।
আবদুস শহীদ নাসিম
ফেরাউনের অনুসারীদের এবং তাদের পূর্ববর্তীদের মতোই এরা অস্বীকার করেছে আল্লাহর আয়াত। ফলে তাদের পাপের জন্যে তাদের শাস্তি প্রদান করেন। নিশ্চয়ই শক্তিমান, কঠোর শাস্তিদাতা।
তা এ জন্য যে, কোন নিআমতের পরিবর্তনকারী নন, যা তিনি কোন কওমকে দিয়েছেন, যতক্ষণ না তারা পরিবর্তন করে তাদের নিজদের মধ্যে যা আছে। আর নিশ্চয় সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
আবদুস শহীদ নাসিম
এর কারণ আল্লাহর নীতি হলো, তিনি কোনো জনগোষ্ঠীকে যে নিয়ামত দান করেন, তা ততোক্ষণ পর্যন্ত পরিবর্তন করেন না, যতোক্ষণ পর্যন্ত তারা নিজেরাই নিজেদের অবস্থার পরিবর্তন না করে। সব শুনেন, সব জানেন।
ফিরআউন বংশ ও তাদের পূর্বের লোকদের আচরণের মত তারা তাদের রবের আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে, ফলে আমি তাদেরকে ধ্বংস করেছি তাদের পাপের কারণে এবং ফিরআউন বংশকে ডুবিয়েছি, আর তারা সকলেই ছিল যালিম।
আবদুস শহীদ নাসিম
ফেরাউনের অনুসারীদের মতো এবং তাদের পূর্ববর্তীদের মতো এরাও আল্লাহর আয়াত প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে তাদের পাপের জন্যে আমরা তাদের হালাক করেছি আর ফেরাউনের অনুসারীদেরও আমরা ডুবিয়ে মেরেছিলাম। এরা সবাই ছিলো যালিম।
আর তাদের মুকাবিলার জন্য তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী শক্তি ও অশ্ব বাহিনী প্রস্তুত কর, তা দ্বারা তোমরা ভয় দেখাবে আল্লাহর শত্রু ও তোমাদের শত্রুদেরকে এবং এরা ছাড়া অন্যদেরকেও, যাদেরকে তোমরা জান না, তাদেরকে জানেন। আর তোমরা যা আল্লাহর রাস্তায় খরচ কর, তা তোমা
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা তাদের সাথে মোকাবেলার জন্যে সাধ্যমতো শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখবে, যা দিয়ে তোমরা আল্লাহর দুশমন ও তোমাদের দুশমনদের আতংকিত করে রাখবে। তাছাড়া অন্যদেরকেও, যাদেরকে তোমরা জানোনা। তাদের জানেন। তোমরা আল্লাহর পথে যা - ই খরচ করো না কেন, তার পুরো প্রতিদান তোমাদের দেয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি কোনো প্রকার যুলুম করা হবেনা।
وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة ومن رباط الخيل ترهبون به عدو الله وعدوكم وآخرين من دونهم لا تعلمونهم الله يعلمهم ۚ وما تنفقوا من شيء في سبيل الله يوف إليكم وأنتم لا تظلمون
আর তিনি তাদের অন্তরসমূহে প্রীতি স্থাপন করেছেন। যদি তুমি যমীনে যা আছে, তার সবকিছু ব্যয় করতে, তবুও তাদের অন্তরসমূহে প্রীতি স্থাপন করতে পারতে না। কিন্তু তাদের মধ্যে প্রীতি স্থাপন করেছেন, নিশ্চয় তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং তাদের অন্তরে সম্প্রীতি স্থাপন করে দিয়েছেন। তুমি যদি পৃথিবীর সমস্ত সম্পদও ব্যয় করতে, তাদের অন্তরে সম্প্রীতির বন্ধন স্থাপন করতে পারতে না। কিন্তু তাদের অন্তরে সম্প্রীতির বন্ধন স্থাপন করে দিয়েছেন, তিনি মহাক্ষমতাশালী, বিজ্ঞানময়।
হে নবী, তুমি মুমিনদেরকে লড়াইয়ে উৎসাহ দাও, যদি তোমাদের মধ্য থেকে বিশজন ধৈর্যশীল থাকে, তারা দু’শ জনকে পরাস্ত করবে, আর যদি তোমাদের মধ্যে একশ’ জন থাকে, তারা কাফিরদের এক হাজার জনকে পরাস্ত করবে। কারণ, তারা (কাফিররা) এমন কওম যারা বুঝে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! মুমিনদের উদ্বুদ্ধ করো যুদ্ধের জন্যে। তোমাদের মধ্যে যদি বিশজন অবিচল ব্যক্তি থাকে, তারা বিজয়ী হবে দুইশ জনের উপর। আর তোমাদের মধ্যে যদি একশজন থাকে, তারা বিজয়ী হবে এক হাজার কাফিরের উপর। কারণ তারা নির্বোধ লোক।
এখন তোমাদের থেকে (দায়িত্বভার) হালকা করে দিয়েছেন এবং তিনি জানেন তোমাদের মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। অতএব যদি তোমাদের মধ্যে একশ’ জন ধৈর্যশীল থাকে, তারা দু’শ জনকে পরাস্ত করবে এবং যদি তোমাদের মধ্যে এক হাজার জন থাকে, তারা আল্লাহর হুকুমে দু’হাজার জনকে পরাস্ত ক
আবদুস শহীদ নাসিম
এখন তোমাদের ভার লাঘব করেছেন। তিনি জানেন তোমাদের মধ্যে দুর্বলতা আছে। এখন যদি তোমাদের একশ অবিচল ব্যক্তি থাকে, তারা দু’শ জনের উপর বিজয়ী হবে। তোমাদের যদি এক হাজার থাকে তারা বিজয়ী হবে দুই হাজারের উপর আল্লাহর অনুমতিক্রমে। অবিচল লোকদের সাথেই আছেন।
কোন নবীর জন্য সঙ্গত নয় যে, তার নিকট যুদ্ধবন্দি থাকবে (এবং পণের বিনিময়ে তিনি তাদেরকে মুক্ত করবেন) যতক্ষণ না তিনি যমীনে (তাদের) রক্ত প্রবাহিত করেন। তোমরা দুনিয়ার সম্পদ কামনা করছ, অথচ চাচ্ছেন । আর পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।
আবদুস শহীদ নাসিম
দেশে শত্রুদেরকে ব্যাপকভাবে পরাস্ত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোনো নবীর জন্যে উচিত নয়। তোমরা চাইছো দুনিয়ার সম্পদ, আর চান । ক্ষমতাশালী, প্রজ্ঞাবান।
হে নবী, তোমাদের হাতে যে সব যুদ্ধবন্দি আছে, তাদেরকে বল, ‘যদি তোমাদের অন্তরসমূহে কোন কল্যাণ আছে বলে জানেন, তাহলে তোমাদের থেকে যা নেয়া হয়েছে, তার চেয়ে উত্তম কিছু দেবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন, আর ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! তোমার হাতে যেসব বন্দী আছে তাদের বলো, যদি তোমাদের মধ্যে ভালো কিছু আছে বলে দেখেন, তাহলে তোমাদের থেকে যা কিছু নেয়া হয়েছে, তোমাদেরকে তার চাইতে উত্তম কিছু দান করবেন এবং তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন। বড়ই ক্ষমাশীল, দয়াময়।
আর যদি তারা তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করার ইচ্ছা করে, তাহলে তারা তো পূর্বে আল্লাহর সাথেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। অতঃপর তিনি তাদের উপর (তোমাকে) শক্তিশালী করেছেন। আর মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাবান।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা যদি তোমার সাথে খেয়ানত (বিশ্বাস ভঙ্গ) করতে চায়, তবে ইতোপূর্বে তো তারা আল্লাহর সাথেও খেয়ানত করেছে। তারপর তিনি তোমাদেরকে তাদের উপর শক্তিশালী করেছেন। অবশ্যি জ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং নিজদের মাল ও জান দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছে আর যারা আশ্রয় দিয়েছে ও সহায়তা করেছে, তারা একে অপরের বন্ধু। আর যারা ঈমান এনেছে, কিন্তু হিজরত করেনি, তাদেরকে সাহায্যের কোন দায়িত্ব তোমাদের নেই, যতক্ষণ না তারা হিজরত কর
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে, নিজেদের জান ও মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে আর যারা (তাদেরকে) আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য করেছে, তারা পরস্পরের অলি। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু হিজরত করেনি, হিজরত না করা পর্যন্ত তাদের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব তোমার উপর নেই। তারা যদি দীনের ব্যাপারে তোমাদের কাছে সাহায্য চায়, সাহায্য করা তোমাদের কর্তব্য। তবে যদি তোমাদের এবং কোনো কওমের মধ্যে চুক্তি থাকে, সে চুক্তি ভঙ্গ করবে না। তোমরা যা আমল করো তা আল্লাহর দৃষ্টিতে রয়েছে।
إن الذين آمنوا وهاجروا وجاهدوا بأموالهم وأنفسهم في سبيل الله والذين آووا ونصروا أولئك بعضهم أولياء بعض ۚ والذين آمنوا ولم يهاجروا ما لكم من ولايتهم من شيء حتى يهاجروا ۚ وإن استنصروكم في الدين فعليكم النصر إلا على قوم بينكم وبينهم ميثاق ۗ والله بما تعملون بصير
আর যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে এবং যারা আশ্রয় দিয়েছে ও সাহায্য করেছে, তারাই প্রকৃত , তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক রিয্ক।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে, এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে ও সাহায্য করেছে তারাই সত্যিকার । তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত ও সম্মানজনক রিযিক।
আর যারা পরে ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং তোমাদের সাথে জিহাদ করেছে, তারা তোমাদের অন্তর্ভুক্ত, আর আত্মীয়-স্বজনরা একে অপরের তুলনায় অগ্রগণ্য, আল্লাহর কিতাবে। নিশ্চয় প্রতিটি বিষয়ে মহাজ্ঞানী।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর যারা পরে ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং তোমাদের সাথে জিহাদে শরিক হয়েছে, তারাও তোমাদের অন্তরভুক্ত। আর আত্মীয়রা আল্লাহর বিধানে একজন অন্যজন অপেক্ষা বেশি হকদার। অবশ্যি সব বিষয়ে জ্ঞানী।