নূহ (নবী নূহ আঃ) , choose another chapter
নূহ (নবী নূহ আঃ)
Chapter 71, 28 verses
বয়ান ফাউন্ডেশন
আবদুস শহীদ নাসিম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
Arabic, with marks
Word by word
Add book
List
Grid
বয়ান ফাউন্ডেশন
১ নিশ্চয় আমি নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার কওমের কাছে (এ কথা বলে), ‘তোমার কওমকে সতর্ক কর, তাদের নিকট যন্ত্রণাদায়ক আযাব আসার পূর্বে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ আমরা নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার কওমের কাছে (এই নির্দেশ দিয়ে) যে, তোমার কওমকে সতর্ক করো তাদের প্রতি বেদনাদায়ক আযাব আসার আগেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ নূহকে আমি প্রেরণ করিয়াছিলাম তাহার সম্প্রদায়ের প্রতি এই নির্দেশসহ : তুমি তোমার সম্প্রদায়কে সতর্ক কর তাহাদের প্রতি মর্মন্তুদ শাস্তি আসিবার পূর্বে।
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ إِنَّا أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِ أَنْ أَنذِرْ قَوْمَكَ مِن قَبْلِ أَن يَأْتِيَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
Word by word
١ إِنَّآ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِۦٓ أَنْ أَنذِرْ قَوْمَكَ مِن قَبْلِ أَن يَأْتِيَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
বয়ান ফাউন্ডেশন
২ সে বলল, ‘হে আমার কওম! নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য এক স্পষ্ট সতর্ককারী-
আবদুস শহীদ নাসিম
২ সে (তাদের) বলেছিল: ‘‘হে আমার কওম! আমি তোমাদের জন্যে একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী!
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ সে বলিয়াছিল, ‘হে আমার সম্প্রদায় ! আমি তো তোমাদের জন্য স্পষ্ট সতর্ককারী -
Arabic, with marks
٢ قَالَ يَا قَوْمِ إِنِّي لَكُمْ نَذِيرٌ مُّبِينٌ
Word by word
٢ قَالَ يَٰقَوْمِ إِنِّى لَكُمْ نَذِيرٌ مُّبِينٌ
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩ যে, তোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত কর, তাঁকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর’।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁকে ভয় করো (তাঁর প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হও) আর আমার আনুগত্য করো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ ‘এই বিষয়ে যে, ‘তোমরা আল্লাহ্ র ‘ইবাদত কর ও তাঁহাকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর ;
Arabic, with marks
٣ أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاتَّقُوهُ وَأَطِيعُونِ
Word by word
٣ أَنِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ وَٱتَّقُوهُ وَأَطِيعُونِ
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪ ‘তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দেবেন; আল্লাহর নির্ধারিত সময় আসলে কিছুতেই তা বিলম্বিত করা হয় না, যদি তোমরা জানতে’!
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ তাহলে তিনি ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের পাপসমূহ এবং তোমাদের অবকাশ দেবেন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। জেনে রাখো, আল্লাহর নির্ধারিত সময় এসে পড়লে তা আর দেরি করা হয়না, যদি তোমরা জানতে!’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ ‘তিনি তোমাদের পাপ ক্ষমা করিবেন এবং তিনি তোমাদেরকে অবকাশ দিবেন এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত। নিশ্চয় আল্লাহ্ কর্তৃক নির্ধারিত কাল উপস্থিত হইলে উহা বিলম্বিত হয় না; যদি তোমরা ইহা জানিতে !’
Arabic, with marks
٤ يَغْفِرْ لَكُم مِّن ذُنُوبِكُمْ وَيُؤَخِّرْكُمْ إِلَىٰ أَجَلٍ مُّسَمًّى ۚ إِنَّ أَجَلَ اللَّهِ إِذَا جَاءَ لَا يُؤَخَّرُ ۖ لَوْ كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
Word by word
٤ يَغْفِرْ لَكُم مِّن ذُنُوبِكُمْ وَيُؤَخِّرْكُمْ إِلَىٰٓ أَجَلٍ مُّسَمًّى إِنَّ أَجَلَ ٱللَّهِ إِذَا جَآءَ لَا يُؤَخَّرُ لَوْ كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫ সে বলল, ‘হে আমার রব! আমি তো আমার কওমকে রাত-দিন আহবান করেছি।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ নূহ তার প্রভুর কাছে বলেছিল: ‘‘আমার প্রভু! আমি আমার কওমকে দাওয়াত দিয়েছি রাতদিন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ সে বলিয়াছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! আমি তো আমার সম্প্রদায়কে দিবারাত্রি আহ্বান করিয়াছি,
Arabic, with marks
٥ قَالَ رَبِّ إِنِّي دَعَوْتُ قَوْمِي لَيْلًا وَنَهَارًا
Word by word
٥ قَالَ رَبِّ إِنِّى دَعَوْتُ قَوْمِى لَيْلًا وَنَهَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬ ‘অতঃপর আমার আহবান কেবল তাদের পলায়নই বাড়িয়ে দিয়েছে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ আমার দাওয়াত তাদের কেবল পলায়নই বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ ‘কিন্তু আমার আহবান উহাদের পলায়ন প্রবণতাই বৃদ্ধি করিয়াছে।
Arabic, with marks
٦ فَلَمْ يَزِدْهُمْ دُعَائِي إِلَّا فِرَارًا
Word by word
٦ فَلَمْ يَزِدْهُمْ دُعَآءِىٓ إِلَّا فِرَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭ ‘আর যখনই আমি তাদেরকে আহবান করেছি ‘যেন আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন’, তারা নিজদের কানে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিয়েছে, নিজদেরকে পোশাকে আবৃত করেছে, (অবাধ্যতায়) অনড় থেকেছে এবং দম্ভভরে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেছে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ আমি যখনই তাদের দাওয়াত দিয়েছি যেনো তুমি তাদের ক্ষমা করে দাও, তারা কানে আংগুল দিয়েছে, নিজেদের ঢেকে নিয়েছে কাপড় দিয়ে, তারা অনবরত জিদ ধরেছে এবং প্রকাশ করেছে অতিশয় দাম্ভিকতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ ‘আমি যখনই উহাদেরকে আহ্বান করি যাহাতে তুমি উহাদেরকে ক্ষমা কর, উহারা কানে অঙ্গুলী দেয়, বস্ত্রাবৃত করে নিজেদেরকে ও জিদ করিতে থাকে এবং অতিশয় ঔদ্ধত্য প্রকাশ করে।
Arabic, with marks
٧ وَإِنِّي كُلَّمَا دَعَوْتُهُمْ لِتَغْفِرَ لَهُمْ جَعَلُوا أَصَابِعَهُمْ فِي آذَانِهِمْ وَاسْتَغْشَوْا ثِيَابَهُمْ وَأَصَرُّوا وَاسْتَكْبَرُوا اسْتِكْبَارًا
Word by word
٧ وَإِنِّى كُلَّمَا دَعَوْتُهُمْ لِتَغْفِرَ لَهُمْ جَعَلُوٓا۟ أَصَٰبِعَهُمْ فِىٓ ءَاذَانِهِمْ وَٱسْتَغْشَوْا۟ ثِيَابَهُمْ وَأَصَرُّوا۟ وَٱسْتَكْبَرُوا۟ ٱسْتِكْبَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮ ‘তারপর আমি তাদেরকে প্রকাশ্যে আহবান করেছি’।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ তারপর আমি তাদের প্রকাশ্যে দাওয়াত দিয়েছি,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ ‘অতঃপর আমি উহাদেরকে আহ্বান করিয়াছি প্রকাশ্যে,
Arabic, with marks
٨ ثُمَّ إِنِّي دَعَوْتُهُمْ جِهَارًا
Word by word
٨ ثُمَّ إِنِّى دَعَوْتُهُمْ جِهَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯ অতঃপর তাদেরকে আমি প্রকাশ্যে এবং অতি গোপনেও আহবান করেছি।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ অতপর তাদের এলান (ঘোষণা) করে ডেকেছি এবং গোপনে গোপনে উপদেশ দিয়েছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ ‘পরে আমি উচ্চৈঃস্বরে প্রচার করিয়াছি ও উপদেশ দিয়াছি গোপনে।’
Arabic, with marks
٩ ثُمَّ إِنِّي أَعْلَنتُ لَهُمْ وَأَسْرَرْتُ لَهُمْ إِسْرَارًا
Word by word
٩ ثُمَّ إِنِّىٓ أَعْلَنتُ لَهُمْ وَأَسْرَرْتُ لَهُمْ إِسْرَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০ আর বলেছি, ‘তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও; নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ আমি তাদের বলেছি: তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে মাগফিরাত প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি মহান ক্ষমাশীল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ বলিয়াছি, ‘তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা প্রার্থনা কর, তিনি তো মহাক্ষমাশীল,
Arabic, with marks
١٠ فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا
Word by word
١٠ فَقُلْتُ ٱسْتَغْفِرُوا۟ رَبَّكُمْ إِنَّهُۥ كَانَ غَفَّارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১১ ‘তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ তিনি তোমাদের জন্যে আকাশ থেকে বর্ষণ করবেন প্রচুর বৃষ্টি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ ‘তিনি তোমাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত করিবেন,
Arabic, with marks
١١ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا
Word by word
١١ يُرْسِلِ ٱلسَّمَآءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১২ ‘আর তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের জন্য বাগ-বাগিচা দেবেন আর দেবেন নদী-নালা’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তিনি তোমাদের মদদ করবেন মাল - সম্পদ ও সন্তান সন্ততি দিয়ে এবং তোমাদের জন্যে সৃষ্টি করে দেবেন বাগ বাগিচা ও নদনদী।’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ ‘তিনি তোমাদেরকে সমৃদ্ধ করিবেন ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততিতে এবং তোমাদের জন্য স্থাপন করিবেন উদ্যান ও প্রবাহিত করিবেন নদী - নালা।
Arabic, with marks
١٢ وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَارًا
Word by word
١٢ وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَٰلٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّٰتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَٰرًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৩ ‘তোমাদের কী হল, তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের পরোয়া করছ না’?
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তোমাদের হলোটা কি, তোমরা আল্লাহর জন্যে কোনো মর্যাদাই স্বীকার করছোনা?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ ‘তোমাদের কি হইয়াছে যে, তোমরা আল্লাহ্ র শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করিতে চাহিতেছ না !
Arabic, with marks
١٣ مَّا لَكُمْ لَا تَرْجُونَ لِلَّهِ وَقَارًا
Word by word
١٣ مَّا لَكُمْ لَا تَرْجُونَ لِلَّهِ وَقَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৪ ‘অথচ তিনি তোমাদেরকে নানা স্তরে সৃষ্টি করেছেন’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ অথচ তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ ‘অথচ তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন পর্যায়ক্রমে,
Arabic, with marks
١٤ وَقَدْ خَلَقَكُمْ أَطْوَارًا
Word by word
١٤ وَقَدْ خَلَقَكُمْ أَطْوَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৫ ‘তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, কীভাবে আল্লাহ স্তরে স্তরে সপ্তাকাশ সৃষ্টি করেছেন’?
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তোমরা কি ভেবে দেখোনা, কিভাবে আল্লাহ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন সপ্তাকাশ?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ ‘তোমরা কি লক্ষ্য কর নাই, আল্লাহ্ কিভাবে সৃষ্টি করিয়াছেন স্বপ্তস্তরে বিন্যস্ত আকাশমন্ডলী ?
Arabic, with marks
١٥ أَلَمْ تَرَوْا كَيْفَ خَلَقَ اللَّهُ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا
Word by word
١٥ أَلَمْ تَرَوْا۟ كَيْفَ خَلَقَ ٱللَّهُ سَبْعَ سَمَٰوَٰتٍ طِبَاقًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৬ আর এগুলোর মধ্যে চাঁদকে সৃষ্টি করেছেন আলো আর সূর্যকে সৃষ্টি করেছেন প্রদীপরূপে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ তাতে চাঁদকে রেখে দিয়েছেন আলো হিসেবে আর সূর্যকে রেখে দিয়েছেন আলোদানকারী প্রদীপ হিসেবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ ‘এবং সেখানে চন্দ্রকে স্থাপন করিয়াছেন আলোরূপে ও সূর্যকে স্থাপন করিয়াছেন প্রদীপরূপে ;
Arabic, with marks
١٦ وَجَعَلَ الْقَمَرَ فِيهِنَّ نُورًا وَجَعَلَ الشَّمْسَ سِرَاجًا
Word by word
١٦ وَجَعَلَ ٱلْقَمَرَ فِيهِنَّ نُورًا وَجَعَلَ ٱلشَّمْسَ سِرَاجًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৭ ‘আর আল্লাহ তোমাদেরকে উদগত করেছেন মাটি থেকে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আল্লাহ তোমাদের সৃষ্টির সূচনা করেছেন মাটি থেকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ ‘তিনি তোমাদেরকে উদ্ভূত করিয়াছেন মৃত্তিকা হইতে;
Arabic, with marks
١٧ وَاللَّهُ أَنبَتَكُم مِّنَ الْأَرْضِ نَبَاتًا
Word by word
١٧ وَٱللَّهُ أَنۢبَتَكُم مِّنَ ٱلْأَرْضِ نَبَاتًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৮ ‘তারপর তিনি তোমাদেরকে তাতে ফিরিয়ে নেবেন এবং নিশ্চিতভাবে তোমাদেরকে পুনরুত্থিত করবেন’।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ তারপর তিনি তোমাদের তাতেই (মাটিতেই) ফিরিয়ে নেবেন এবং সেখান থেকে আবার বের করে আনবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ ‘অতঃপর উহাতে তিনি তোমাদেরকে প্রত্যাবৃত্ত করিবেন ও পরে পুনরুত্থিত করিবেন,
Arabic, with marks
١٨ ثُمَّ يُعِيدُكُمْ فِيهَا وَيُخْرِجُكُمْ إِخْرَاجًا
Word by word
١٨ ثُمَّ يُعِيدُكُمْ فِيهَا وَيُخْرِجُكُمْ إِخْرَاجًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৯ ‘আর আল্লাহ পৃথিবীকে তোমাদের জন্য বিস্তৃত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আল্লাহ্ই তোমাদের জন্যে বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ ‘এবং আল্লাহ্ তোমাদের জন্য ভূমিকে করিয়াছেন বিস্তৃত -
Arabic, with marks
١٩ وَاللَّهُ جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ بِسَاطًا
Word by word
١٩ وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ بِسَاطًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২০ যেন তোমরা সেখানে প্রশস্ত পথে চলতে পার’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ যাতে করে তোমরা তাতে চলাফেরা করতে পারো প্রশস্ত পথে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ ‘যাহাতে তোমরা চলাফেরা করিতে পার প্রশস্ত পথে।’
Arabic, with marks
٢٠ لِّتَسْلُكُوا مِنْهَا سُبُلًا فِجَاجًا
Word by word
٢٠ لِّتَسْلُكُوا۟ مِنْهَا سُبُلًا فِجَاجًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২১ নূহ বলল, ‘হে আমার রব! তারা আমার অবাধ্য হয়েছে এবং এমন একজনের অনুসরণ করেছে যার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কেবল তার ক্ষতিই বাড়িয়ে দেয়’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ নূহ আরো বলেছিল: ‘আমার প্রভু! তারা (আমার কওম) আমাকে অমান্য করেছে আর অনুসরণ করেছে এমন লোকদের যাদের মাল সম্পদ এবং আওলাদ ফরজন্দ তাদের ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই বাড়ায়নি।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ নূহ্ বলিয়াছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! আমার সম্প্রদায় তো আমাকে অমান্য করিয়াছে এবং অনুসরণ করিয়াছে এমন লোকের যাহার ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি তাহার ক্ষতি ব্যতীত আর কিছুই বৃদ্ধি করে নাই।’
Arabic, with marks
٢١ قَالَ نُوحٌ رَّبِّ إِنَّهُمْ عَصَوْنِي وَاتَّبَعُوا مَن لَّمْ يَزِدْهُ مَالُهُ وَوَلَدُهُ إِلَّا خَسَارًا
Word by word
٢١ قَالَ نُوحٌ رَّبِّ إِنَّهُمْ عَصَوْنِى وَٱتَّبَعُوا۟ مَن لَّمْ يَزِدْهُ مَالُهُۥ وَوَلَدُهُۥٓ إِلَّا خَسَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২২ ‘আর তারা ভয়ানক ষড়যন্ত্র করেছে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ তারা এঁটেছিল এক জঘন্য ষড়যন্ত্র।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ আর উহারা ভয়ানক ষড়যন্ত্র করিয়াছিল;
Arabic, with marks
٢٢ وَمَكَرُوا مَكْرًا كُبَّارًا
Word by word
٢٢ وَمَكَرُوا۟ مَكْرًا كُبَّارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৩ আর তারা বলে, ‘তোমরা তোমাদের উপাস্যদের বর্জন করো না; বর্জন করো না ওয়াদ, সুওয়া‘, ইয়াগূছ, ইয়া‘ঊক ও নাসরকে’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ তারা বলেছিল: তোমরা (নূহের কথায়) কখনো তোমাদের ইলাহ্দের (দেব দেবীদের) ত্যাগ করোনা। তোমরা ত্যাগ করোনা ওয়াদ্দা, সুয়াআ, ইয়াগুছ এবং নস্রকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ এবং বলিয়াছিল, ‘তোমরা কখনও পরিত্যাগ করিও না তোমাদের দেব - দেবীকে; পরিত্যাগ করিও না ওয়াদ্, সুওয়া‘আ, ইয়াগূছ, ইয়া‘ঊক ও নাস্রকে।
Arabic, with marks
٢٣ وَقَالُوا لَا تَذَرُنَّ آلِهَتَكُمْ وَلَا تَذَرُنَّ وَدًّا وَلَا سُوَاعًا وَلَا يَغُوثَ وَيَعُوقَ وَنَسْرًا
Word by word
٢٣ وَقَالُوا۟ لَا تَذَرُنَّ ءَالِهَتَكُمْ وَلَا تَذَرُنَّ وَدًّا وَلَا سُوَاعًا وَلَا يَغُوثَ وَيَعُوقَ وَنَسْرًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৪ ‘বস্তুত তারা অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে, আর (হে আল্লাহ ) আপনি যালিমদেরকে ভ্রষ্টতা ছাড়া আর কিছুই বাড়াবেন না’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ (নূহ বলেছিল:) ‘প্রভু! তারা অনেক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে। তুমি এই যালিমদেরকে গোমরাহি ছাড়া আর কিছুই বাড়িয়ে দিয়োনা।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ ‘উহারা অনেককে বিভ্রান্ত করিয়াছে; সুতরাং জালিমদের বিভ্রান্তি ব্যতীত আর কিছুই বৃদ্ধি করিও না।’
Arabic, with marks
٢٤ وَقَدْ أَضَلُّوا كَثِيرًا ۖ وَلَا تَزِدِ الظَّالِمِينَ إِلَّا ضَلَالًا
Word by word
٢٤ وَقَدْ أَضَلُّوا۟ كَثِيرًا وَلَا تَزِدِ ٱلظَّٰلِمِينَ إِلَّا ضَلَٰلًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৫ তাদের পাপের কারণে তাদেরকে ডুবিয়ে দেয়া হল অতঃপর আগুনে প্রবেশ করানো হল; তারা নিজদের সাহায্যকারী হিসেবে আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে পায়নি।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ তাদের অপরাধের জন্যে তাদের ডুবিয়ে দেয়া হলো পানিতে, অতপর তাদের দাখিল করা হবে জাহান্নামে। তারা আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে সাহায্যকারী পাবেনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ উহাদের অপরাধের জন্য উহাদেরকে নিমজ্জিত করা হইয়াছিল এবং পরে উহাদেরকে দাখিল করা হইয়াছিল দোযখে, অতঃপর উহারা কাহাকেও আল্লাহ্ র মুকাবিলায় পায় নাই সাহায্যকারী।
Arabic, with marks
٢٥ مِّمَّا خَطِيئَاتِهِمْ أُغْرِقُوا فَأُدْخِلُوا نَارًا فَلَمْ يَجِدُوا لَهُم مِّن دُونِ اللَّهِ أَنصَارًا
Word by word
٢٥ مِّمَّا خَطِيٓـَٰٔتِهِمْ أُغْرِقُوا۟ فَأُدْخِلُوا۟ نَارًا فَلَمْ يَجِدُوا۟ لَهُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ أَنصَارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৬ আর নূহ বলল, ‘হে আমার রব! যমীনের উপর কোন কাফিরকে অবশিষ্ট রাখবেন না’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ নূহ বলেছিল: ‘‘আমার প্রভু! এদেশে কাফিরদের কোনো ঘরবাসীকে তুমি ছেড়ে দিয়োনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ নূহ্ আরও বলিয়াছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! পৃথিবীতে কাফিরগণের মধ্য হইতে কোন গৃহবাসীকে অব্যাহতি দিও না।
Arabic, with marks
٢٦ وَقَالَ نُوحٌ رَّبِّ لَا تَذَرْ عَلَى الْأَرْضِ مِنَ الْكَافِرِينَ دَيَّارًا
Word by word
٢٦ وَقَالَ نُوحٌ رَّبِّ لَا تَذَرْ عَلَى ٱلْأَرْضِ مِنَ ٱلْكَٰفِرِينَ دَيَّارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৭ ‘আপনি যদি তাদেরকে অবশিষ্ট রাখেন তবে তারা আপনার বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করবে এবং দুরাচারী ও কাফির ছাড়া অন্য কারো জন্ম দেবে না’।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ তুমি যদি তাদের রক্ষা করো, তারা তোমার বান্দাদের গোমরাহ্ করতে থাকবে এবং দুষ্কৃতকারী কাফিরই জন্ম দিতে থাকবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ ‘তুমি উহাদেরকে অব্যাহতি দিলে উহারা তোমার বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করিবে এবং জন্ম দিতে থাকিবে কেবল দুষ্কৃতিকারী ও কাফির ।
Arabic, with marks
٢٧ إِنَّكَ إِن تَذَرْهُمْ يُضِلُّوا عِبَادَكَ وَلَا يَلِدُوا إِلَّا فَاجِرًا كَفَّارًا
Word by word
٢٧ إِنَّكَ إِن تَذَرْهُمْ يُضِلُّوا۟ عِبَادَكَ وَلَا يَلِدُوٓا۟ إِلَّا فَاجِرًا كَفَّارًا
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৮ ‘হে আমার রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যে আমার ঘরে ঈমানদার হয়ে প্রবেশ করবে তাকে এবং মুমিন নারী-পুরুষকে ক্ষমা করুন এবং ধ্বংস ছাড়া আপনি যালিমদের আর কিছুই বাড়িয়ে দেবেন না।’
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ আমার প্রভু! তুমি ক্ষমা করে দাও আমাকে, আমার বাবা - মাকে আর মুমিন হয়ে যারা আমার ঘরে প্রবেশ করবে তাদেরকে এবং সব মুমিন পুরুষ ও নারীকে। যালিমদের তুমি ধ্বংস ছাড়া আর কিছু বাড়িয়ে দিয়োনা।’’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ ‘হে আমার প্রতিপালক ! তুমি ক্ষমা কর আমাকে, আমার পিতামাতাকে এবং যাহারা মু’মিন হইয়া আমার গৃহে প্রবেশ করে তাহাদেরকে এবং মু’মিন পুরুষ ও মু’মিন নারীদেরকে ; আর জালিমদের শুধু ধ্বংসই বৃদ্ধি কর।’
Arabic, with marks
٢٨ رَّبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِيَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَلَا تَزِدِ الظَّالِمِينَ إِلَّا تَبَارًا
Word by word
٢٨ رَّبِّ ٱغْفِرْ لِى وَلِوَٰلِدَىَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِىَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَٱلْمُؤْمِنَٰتِ وَلَا تَزِدِ ٱلظَّٰلِمِينَ إِلَّا تَبَارًۢا
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report