Kitab

আল জাসিয়া (নতজানু হওয়া)

Chapter 45, 37 verses

  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বয়ান ফাউন্ডেশন

হা-মীম।

আবদুস শহীদ নাসিম

হা মিম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হা - মীম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মহাপরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময় আল্লাহর পক্ষ থেকে এ কিতাব নাযিলকৃত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই কিতাব নাযিল হচ্ছে পরম পরাক্রমশালী মহাজ্ঞানী আল্লাহর পক্ষ থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই কিতাব পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় ‌র নিকট হইতে অবতীর্ণ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আসমানসমূহ ও যমীনে মুমিনদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই মহাকাশ ও পৃথিবীতে রয়েছে বহু নিদর্শন বিশ্বাসীদের জন্যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে নিদর্শন রহিয়াছে মু’মিনদের জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমাদের সৃষ্টিতে এবং যে জীব জন্তু ছড়িয়ে রয়েছে তাতে নিদর্শনাবলী রয়েছে সে কওমের জন্য যারা নিশ্চিত বিশ্বাস স্থাপন করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের সৃষ্টির মধ্যেও। আর জীবজন্তুর বিস্তারের মধ্যে রয়েছে নিদর্শন সেইসব লোকদের জন্যে যারা একীন রাখে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের সৃজনে এবং জীবজন্তুর বিস্তারে নিদর্শন রহিয়াছে নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর রাত ও দিনের পরিবর্তনে, আসমান থেকে যে পানি বর্ষণ করেন তারপর তা দ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন তাতে এবং বাতাসের পরিবর্তনে সে কওমের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে যারা বোঝে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আকল (বুঝবুদ্ধি) খাটায়, তাদের জন্যে আরো নিদর্শন রয়েছে রাত আর দিনের পরিবর্তনের মধ্যে। আর যে আসমান থেকে রিযিক (পানি) নাযিল করেন এবং তা দিয়ে মরা জমিনকে জীবিত করেন তার মধ্যেও এবং বাতাসের গতি পরিবর্তনের মধ্যেও (রয়েছে নিদর্শন)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিদর্শন রহিয়াছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য, রাত্রি ও দিবসের পরিবর্তনে এবং আকাশ হইতে যে বারি বর্ষণ দ্বারা ধরিত্রীকে উহার মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন তাহাতে ও বায়ুর পরিবর্তনে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এগুলো আল্লাহর আয়াত, আমি তা যথাযথভাবেই তোমার কাছে তিলাওয়াত করছি। অতএব তারা ও তাঁর আয়াতের পর আর কোন্ কথায় বিশ্বাস করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলো আল্লাহর আয়াত আমরা তিলাওয়াত করছি তোমার প্রতি বাস্তবসম্মত ভাবে। সুতরাং তারা আল্লাহর পরিবর্তে এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে আর কোন্ হাদিসটার (কথাটার) প্রতি ঈমান আনবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইগুলি ‌র আয়াত, যাহা আমি তোমার নিকট তিলাওয়াত করিতেছি যথাযথভাবে। সুতরাং ‌র ও তাঁহার আয়াতের পরিবর্তে উহারা আর কােন্‌ বাণীতে বিশ্বাস করিবে ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

দুর্ভোগ প্রত্যেক চরম মিথ্যুক পাপাচারীর জন্য!

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রত্যেক কট্টর মিথ্যাবাদী পাপিষ্ঠের জন্যে রয়েছে চরম দুর্ভোগ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দুর্ভোগ প্রত্যেক ঘোর মিথ্যাবাদী পাপীর,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে শোনে আল্লাহর আয়াতসমূহ যা তার সামনে তিলাওয়াত করা হচ্ছে, তারপর সে ঔদ্ধত্যের সাথে অবিচল থাকে, যেন সে তা শুনতে পায়নি। অতএব তুমি তাকে এক যন্ত্রণাদায়ক আযাবের সুসংবাদ দাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে আল্লাহর আয়াতের তিলাওয়াত শুনে, অথচ দাম্ভিকতার সাথে অবিচল থাকে (কুফুরির উপর) যেনো সে তা শুনেইনি। সুতরাং তাকে সংবাদ দাও বেদনাদায়ক আযাবের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ‌র আয়াতসমূহের তিলাওয়াত শুনে অথচ ঔদ্ধত্যের সঙ্গে অটল থাকে যেন সে উহা শুনে নাই। উহাকে সংবাদ দাও মর্মন্তুদ শাস্তির;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন সে আমার আয়াতসমূহের কিছু জানতে পারে, তখন সে এটাকে পরিহাসের পাত্ররূপে গ্রহণ করে। এদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন সে আমার কোনো আয়াত অবগত হয়, তা নিয়ে বিদ্রুপ করে। এদের জন্যে রয়েছে অপমানকর আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন আমার কোন আয়াত সে অবগত হয় তখন উহা লইয়া পরিহাস করে। উহাদের জন্য রহিয়াছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের সামনে রয়েছে জাহান্নাম। তারা যা উপার্জন করেছে অথবা আল্লাহর পরিবর্তে তারা যাদের অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করেছে, এসব তাদের কোন কাজে আসবে না। তাদের জন্য রয়েছে মহাআযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের পেছনেই রয়েছে জাহান্নাম। তাদের অর্জনসমূহ তাদের কোনো কাজেই আসবেনা। আল্লাহর পরিবর্তে তারা যাদের অলি বানিয়ে নিয়েছিল তারাও তাদের কোনো কাজে আসবেনা। তাদের জন্যে রয়েছে বিশাল আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের পশ্চাতে রহিয়াছে জাহান্নাম; উহাদের কৃতকর্ম উহাদের কোন কাজে আসিবে না, উহারা ‌র পরিবর্তে যাহাদেরকে অভিভাবক স্থির করিয়াছে উহারাও নহে। উহাদের জন্য রহিয়াছে মহাশাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এই (কুরআন) হিদায়াত দানকারী। আর যারা তাদের রবের আয়াতসমূহের সাথে করে তাদের জন্য রয়েছে অতিশয় যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ (কুরআন) জীবন যাপনের দিশারি। যারা তাদের প্রভুর আয়াতের প্রতি কুফুরি করে তাদের জন্যে রয়েছে অতিশয় বেদনাদায়ক আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই কুরআন সৎপথের দিশারী; যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের নিদর্শনাবলী প্রত্যাখ্যান করে, উহাদের জন্য রহিয়াছে অতিশয় মর্মন্তুদ শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

, যিনি সমুদ্রকে তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন যাতে তাঁরই আদেশক্রমে তাতে নৌযানসমূহ চলাচল করতে পারে এবং যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান করে বেড়াতে পার এবং যাতে তোমরা শোকর আদায় করতে পার।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই সমুদ্রকে তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন, যাতে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাতে নৌযানসমূহ চলাচল করতে পারে এবং তোমরা সন্ধান করতে পারো তাঁর অনুগ্রহ এবং যাতে করে তোমরা শোকর আদায় করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই তো সমুদ্রকে তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করিয়াছেন, যাহাতে তাঁহার আদেশে উহাতে নৌযানসমূহ চলাচল করিতে পারে ও যাহাতে তোমরা তাঁহার অনুগ্রহ অনুসন্ধান করিতে পার এবং যেন তোমরা তাঁহার প্রতি কৃতজ্ঞ হও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যা কিছু রয়েছে আসমানসমূহে এবং যা কিছু রয়েছে যমীনে, তার সবই তিনি তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন। চিন্তাশীল কওমের জন্য নিশ্চয় এতে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করে দিয়েছেন মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর অনুগ্রহে। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে অনেক নিদর্শন চিন্তাশীল লোকদের জন্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তিনি তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করিয়াছেন আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সমস্ত কিছু নিজ অনুগ্রহে, চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য ইহাতে তো রহিয়াছে নিদর্শন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে বল, ‘যারা আল্লাহর দিবসসমূহ প্রত্যাশা করে না, এরা যেন তাদের ক্ষমা করে দেয়, যাতে প্রত্যেক কওমকে তাদের কৃতকর্মের জন্য প্রতিদান দিতে পারেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী!) তাদের বলো: যারা ঈমান এনেছে, তারা যেনো ঐ লোকদের ক্ষমা করে দেয়, যারা আল্লাহর দিনগুলোর প্রত্যাশা করেনা। এর কারণ, প্রত্যেক কওমকে তার কর্মের প্রতিদান দেবেন নিজেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মু’মিনদেরকে বল, ‘তাহারা যেন ক্ষমা করে উহাদেরকে, যাহারা ‌র দিবসগুলির প্রত্যাশা করে না। ইহা এইজন্য যে, ‌ প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তাহার কৃতকর্মের জন্য প্রতিদান দিবেন।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে সৎকর্ম করে, সে তার নিজের জন্যই তা করে এবং যে মন্দকর্ম করে তা তার উপর বর্তাবে। তারপর তোমরা তোমাদের রবের প্রতি প্রত্যাবর্তিত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে কেউ আমলে সালেহ্ করবে, সে তা করবে নিজেরই জন্যে। আর যে কেউ মন্দ কাজ করবে, সে তা করবে নিজেরই বিরুদ্ধে। তারপর তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে তোমাদেরই প্রভুর কাছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে সৎকর্ম করে সে তাহার কল্যাণের জন্যই উহা করে এবং কেহ মন্দ কর্ম করিলে উহার প্রতিফল সে - ই ভোগ করিবে, অতঃপর তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তিত হইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি বনী ইসরাঈলকে কিতাব, প্রজ্ঞা ও নবুওয়াত দান করেছিলাম এবং তাদের রিয্ক প্রদান করেছিলাম উত্তম বস্তু থেকে এবং দিয়েছিলাম তাদেরকে সকল সৃষ্টির উপর শ্রেষ্ঠত্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা বনি ইসরাঈলকে কিতাব দিয়েছিলাম, আরো দিয়েছিলাম কর্তৃত্ব আর নবুয়্যত। তাছাড়া আমরা তাদের উত্তম জীবিকা দিয়েছিলাম এবং তাদের মর্যাদা দিয়েছিলাম জগদ্বাসীর উপর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো বনী ইসরাঈলকে কিতাব, কর্তৃত্ব ও নবুওয়াত দান করিয়াছিলাম এবং উহাদেরকে উত্তম জীবনোপকরণ দিয়াছিলাম এবং দিয়াছিলাম শ্রেষ্ঠত্ব বিশ্বজগতের উপর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদেরকে দীনের যাবতীয় বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রমাণাদি দিয়েছিলাম। তাদের কাছে জ্ঞান আসার পরও কেবল পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষবশত তারা মতবিরোধ করেছিল। তারা যে সব বিষয়ে মতবিরোধ করত তোমার রব কিয়ামতের দিনে সে সব বিষয়ে মীমাংসা করে দেবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদেরকে দীন সম্পর্কে সুস্পষ্ট প্রমাণ দিয়েছিলাম। তাদের কাছে জ্ঞান আসার পর তারা পরস্পর বিদ্বেষের কারণে বিরোধিতা করেছিল। তারা যে বিষয়ে বিরোধিতা করে কিয়ামতের দিন সে বিষয়ে তাদের মধ্যে ফায়সালা করে দেবেন তোমার প্রভু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদেরকে সুস্পষ্ট প্রমাণ দান করিয়াছিলাম দীন সম্পর্কে। উহাদের নিকট জ্ঞান আসিবার পর উহারা শুধু পরস্পর বিদ্বেষবশত বিরোধিতা করিয়াছিল। উহারা যে বিষয়ে মতবিরোধ করিত, তোমার প্রতিপালক কিয়ামতের দিন উহাদের মধ্যে সে বিষয়ে ফয়সালা করিয়া দিবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর আমি তোমাকে দীনের এক বিশেষ বিধানের উপর প্রতিষ্ঠিত করেছি। সুতরাং তুমি তার অনুসরণ কর এবং যারা জানে না তাদের খেয়াল- খুশীর অনুসরণ করো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপরে আমরা তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করেছি দীনের বিশেষ শরিয়তের উপর। অতএব তুমি কেবল এ শরিয়তকেই অনুসরণ করো। অজ্ঞদের খেয়াল খুশির অনুসরণ করোনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার পর আমি তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি দীনের বিশেষ বিধানের উপর; সুতরাং তুমি উহার অনুসরণ কর, অজ্ঞদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ করিও না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা আল্লাহর মুকাবিলায় তোমার কোন কাজে আসবে না। আর নিশ্চয় যালিমরা মূলত একে অপরের বন্ধু এবং মুত্তাকীদের বন্ধু।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর মোকাবেলায় তারা তোমার কোনো উপকারই করতে পারবেনা। যালিমরা পরস্পরের অলি (বন্ধু, পৃষ্ঠপোষক), আর হলেন মুত্তাকিদের অলি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র মুকাবিলায় উহারা তোমার কোনই উপকার করিতে পারিবে না ; জালিমরা তো একে অপররে বন্ধু। আর ‌ মুত্তাকীদের বন্ধু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এ কুরআন মানবজাতির জন্য আলোকবর্তিকা এবং নিশ্চিত সম্প্রদায়ের জন্য হিদায়াত ও রহমত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ কুরআন মানুষের জন্যে সুস্পষ্ট প্রমাণ এবং নিশ্চিত লোকদের জন্যে পথনির্দেশ ও রহমত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই কুরআন মানবজাতির জন্য সুস্পষ্ট দলীল এবং নিশ্চিত সম্প্রদায়ের জন্য পথনির্দেশ ও রহমত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা দুষ্কর্ম করেছে তারা কি মনে করে যে, জীবন ও মৃত্যুর ক্ষেত্রে আমি তাদেরকে এ সব লোকের সমান গণ্য করব, যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে? তাদের বিচার কতইনা মন্দ!

আবদুস শহীদ নাসিম

দুষ্কৃতকারীরা কি ধরে নিয়েছে যে, আমরা জীবন ও মৃত্যুর দিক দিয়ে তাদেরকে ঐসব লোকদের সমতুল্য গণ্য করবো, যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ করে? তাদের সিদ্ধান্ত খুবই মন্দ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দুষ্কৃতিকারীরা কি মনে করে যে, আমি জীবন ও মৃত্যুর দিক দিয়া উহাদেরকে তাহাদের সমান গণ্য করিব, যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে? উহাদের সিদ্ধান্ত কত মন্দ !

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আসমানসমূহ ও যমীনকে যথার্থভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং যাতে প্রত্যেক ব্যক্তি সে যা উপার্জন করেছে তদনুযায়ী প্রতিদানপ্রাপ্ত হয়, আর তারা সামান্যতমও যুলমের শিকার না হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ ও পৃথিবী সত্য ও বাস্তবতার সাথে এবং যাতে করে প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কর্ম অনুযায়ী দেয়া যেতে পারে প্রতিদান। কোনো প্রকার যুলুম করা হবেনা তাদের প্রতি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন যথাযথভাবে এবং যাহাতে প্রত্যেক ব্যক্তিকে তাহার কর্মানুযায়ী ফল দেওয়া যাইতে পারে আর তাহাদের প্রতি জুলুম করা হইবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে তুমি কি তাকে লক্ষ্য করেছ, যে তার প্রবৃত্তিকে আপন বানিয়ে নিয়েছে? তার কাছে জ্ঞান আসার পর তাকে পথভ্রষ্ট করেছেন এবং তিনি তার কান ও অন্তরে মোহর মেরে দিয়েছেন। আর তার চোখের উপর স্থাপন করেছেন আবরণ। অতএব আল্লাহর পর কে তাকে হিদায়াত করবে? তারপরও কি ত

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি ঐ ব্যক্তিকে দেখোনি, যে নিজের কামনা বাসনাকে নিজের ইলাহ্ (হুকুমকর্তা) বানিয়ে নিয়েছে এবং তাঁর বিশেষ জ্ঞানের ভিত্তিতে বিভ্রান্ত করে দিয়েছেন তাকে, তার কান ও অন্তরে সীলমোহর করে দিয়েছেন, আর তার চোখে ফেলে দিয়েছেন আবরণ? ফলে ছাড়া তাকে আর কে সঠিক পথ দেখাবে? তোমরা কি শিক্ষা গ্রহণ করবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি লক্ষ্য করিয়াছ তাহাকে, যে তাহার খেয়াল - খুশিকে নিজ ইলাহ্ বানাইয়া লইয়াছে? ‌ জানিয়া - শুনিয়াই উহাকে বিভ্রান্ত করিয়াছেন এবং উহার কর্ণ ও হৃদয় মোহর করিয়া দিয়াছেন এবং উহার চক্ষুর উপর রাখিয়াছেন আবরণ। অতএব ‌র পরে কে তাহাকে পথনির্দেশ করিবে? তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলে, ‘দুনিয়ার জীবনই আমাদের একমাত্র জীবন। আমরা মরি ও বাঁচি এখানেই। আর কাল-ই কেবল আমাদেরকে ধ্বংস করে।’ বস্তুত এ বিষয়ে তাদের কোন জ্ঞান নেই। তারা শুধু ধারণাই করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘আমাদের এ জীবনের পরে আর কোনো জীবন নেই। এখানেই আমাদের জীবন মৃত্যু ঘটবে এবং কাল (সময়) ছাড়া আর কোনো কিছুই ধ্বংস করেনা আমাদের।’ অথচ এ বিষয়ে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। তারা তো কেবল মনগড়া কথাই বলে চলেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলে, ‘একমাত্র পার্থিব জীবনই আমাদের জীবন, আমরা মরি ও বাঁচি আর কালই আমাদেরকে ধ্বংস করে।’ বস্তুত এই ব্যাপারে উহাদের কোন জ্ঞান নাই, উহারা তো কেবল মনগড়া কথা বলে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের কাছে যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয়, তখন তাদের এ কথা বলা ছাড়া আর কোন যুক্তি থাকে না যে, ‘তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে আমাদের পিতৃপুরুষদের জীবিত করে নিয়ে এসো’।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তাদের কাছে আমাদের সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তখন তাদের কাছে আর কোনো যুক্তিই থাকে না। তখন তারা শুধু একথাই বলে: ‘তোমরা সত্যবাদী হলে আমাদের পূর্ব পুরুষদের পুনরুত্থিত করে এনে দেখাও।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের নিকট যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াত আবৃত্তি করা হয় তখন উহাদের কোন যুক্তি থাকে না কেবল এই উক্তি ছাড়া যে, তোমরা সত্যবাদী হইলে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে উপস্থিত কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আল্লাহই তোমাদের জীবন দেন তারপর তোমাদের মৃত্যু ঘটান। তারপর তিনি তোমাদেরকে কিয়ামতের দিনে একত্র করবেন, যাতে কোন সন্দেহ নেই; কিন্তু অধিকাংশ লোকই জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘আল্লাহ্ই তোমাদের হায়াত দান করেন এবং মউত ঘটান, অত:পর তিনিই তোমাদের কিয়ামতের দিন পুনরুত্থিত করে একত্রিত করবেন, এতে কোনো প্রকার সন্দেহ নেই। তবে অধিকাংশ মানুষই জানেনা।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘‌ই তোমাদেরকে জীবন দান করেন ও তোমাদের মৃত্যু ঘটান। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে কিয়ামত দিবসে একত্র করিবেন, যাহাতে কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তাহা জানে না।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আসমানসমূহ ও যমীনের মালিকানা আল্লাহরই এবং যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে সেদিন বাতিলপন্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীর কর্তৃত্ব একমাত্র আল্লাহর। যেদিন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে, সেদিন ক্ষতিগ্রস্ত হবে মিথ্যাবাদীরা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর আধিপত্য ‌রই, যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হইবে সেদিন মিথ্যাশ্রয়ীরা হইবে ক্ষতিগ্রস্ত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি প্রতিটি জাতিকে দেখবে ভয়ে নতজানু; প্রত্যেক জাতিকে স্বীয় আমলনামার দিকে আহবান করা হবে। (এবং বলা হবে) ‘তোমরা যে আমল করতে আজ তার প্রতিদান দেয়া হবে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তুমি দেখবে, প্রতিটি উম্মত (সম্প্রদায়) ভয়ে নতজানু। প্রতিটি উম্মতকে ডাকা হবে তাদের কিতাবের (আমলনামার) দিকে। বলা হবে: আজ প্রতিদান ও প্রতিফল দেয়া হবে তোমাদের দুনিয়ার জীবনের কৃতকর্মের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তুমি প্রত্যেক সম্প্রদায়কে দেখিবে ভয়ে নতজানু, প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তাহার আমলনামার প্রতি আহ্বান করা হইবে ও বলা হইবে, ‘আজ তোমাদেরকে তাহারই প্রতিফল দেওয়া হইবে যাহা তোমরা করিতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘এটি আমার লেখনী, যা তোমাদের ব্যাপারে সত্য সহকারে কথা বলবে; নিশ্চয় তোমরা যা করতে আমি তা লিখে রাখতাম’।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই যে আমাদের করা রেকর্ড, এটি কথা বলবে তোমাদের বিরুদ্ধে একেবারে সত্য ও হুবহু। তোমরা পৃথিবীর জীবনে যা করতে আমরা সবই রেকর্ড করে রেখেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এই আমার লিপি, ইহা তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে সত্যভাবে। তোমরা যাহা করিতে তাহা আমি লিপিবদ্ধ করিয়াছিলাম।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে তাদের রব পরিণামে তাদেরকে স্বীয় রহমতে প্রবেশ করাবেন। এটিই সুস্পষ্ট সাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ করেছে, তাদের অবস্থা হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের প্রভু তাদের দাখিল করবেন তাঁর রহমতে (জান্নাতে)। এটাই সুস্পষ্ট সফলতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে দাখিল করিবেন স্বীয় রহমতে। ইহাই মহাসাফল্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা করেছে (তাদেরকে বলা হবে), ‘তোমাদের কাছে কি আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়নি? অতঃপর তোমরা অহঙ্কার করেছিলে। আর তোমরা ছিলে এক অপরাধী কওম’।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা কুফুরি করেছে, তাদের বলা হবে: তোমাদের প্রতি কি আমাদের আয়াত তিলাওয়াত করে (তোমাদের দাওয়াত) দেয়া হয়নি? কিন্তু তোমরা ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেছিলে এবং তোমরা ছিলে অপরাধী গোষ্ঠী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পক্ষান্তরে, যাহারা করে তাহাদেরকে বলা হইবে, ‘তোমাদের নিকট কি আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয় নাই? কিন্তু তোমরা ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিয়াছিলে এবং তোমরা ছিলে এক অপরাধী সম্প্রদায়।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন বলা হয়, ‘আল্লাহর ওয়াদা সত্য, আর কিয়ামতে কোন সন্দেহ নেই’। তখন তোমরা বলে থাক, ‘আমরা জানি না কিয়ামত কী? আমরা কেবল অনুমান করি এবং আমরা তো দৃঢ় নই।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন বলা হতো: ‘আল্লাহর ওয়াদা সত্য, কিয়ামত সত্য, তাতে কোনো প্রকার সন্দেহ নেই।’ তখন তোমরা বলতে: ‘কিয়ামত কী আমরা তা বুঝি না, আমরা মনে করি এটা একটা অলীক ধারণা মাত্র, আমরা এতে নই।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন বলা হয়, ‌র প্রতিশ্রুতি তো সত্য, এবং কিয়ামত - ইহাতে কোন সন্দেহ নাই, তখন তোমরা বলিয়া থাক, ‘আমরা জানি না কিয়ামত কী ; আমরা মনে করি ইহা একটি ধারণা মাত্র এবং আমরা এই বিষয়ে নিশ্চিত নই।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের কৃতকর্মের কুফল তাদের জন্য প্রকাশিত হবে, আর তারা যা নিয়ে বিদ্রূপ করত তা তাদেরকে ঘিরে রাখবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তাদের সমস্ত বদ আমল তাদের কাছে প্রকাশ হয়ে পড়বে এবং যে বিষয়টা নিয়ে তারা বিদ্রুপ করতো, সেটা তাদের পরিবেষ্টন করে নেবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের মন্দ কর্মগুলি উহাদের নিকট প্রকাশ হইয়া পড়িবে এবং যাহা লইয়া উহারা ঠাট্টা - বিদ্রূপ করিত তাহা উহাদেরকে পরিবেষ্টন করিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বলা হবে, ‘আজ আমি তোমাদেরকে ছেড়ে যাব যেমন তোমরা তোমাদের এ দিনের সাক্ষাতের বিষয়টি ছেড়ে গিয়েছিলে। আর তোমাদের নিবাস হবে জাহান্নাম এবং তোমাদের কোন সাহায্যকারীও থাকবে না’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের বলা হবে: ‘‘আজ আমরা তোমাদের ভুলে থাকবো, যেভাবে তোমরা আজকের সাক্ষাতের বিষয়টাকে ভুলে ছিলে। তোমাদের আবাস হবে জাহান্নাম এবং তোমাদের কোনো সাহায্যকারী থাকবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর বলা হইবে, ‘আজ আমি তোমাদেরকে বিস্মৃত হইব যেমন তোমরা এই দিবসের সাক্ষাতকারকে বিস্মৃত হইয়াছিলে। তোমাদের আবাসস্থল হইবে জাহান্নাম এবং তোমাদের কোন সাহায্যকারী থাকিবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা এজন্যই যে, তোমরা আল্লাহর আয়াতকে ঠাট্টা-বিদ্রূপের পাত্র বানিয়েছিলে এবং দুনিয়ার জীবন তোমাদেরকে প্রতারিত করেছিল’। সুতরাং আজ তাদেরকে তা (জাহান্নাম) থেকে বের করা হবে না এবং তাদেরকে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের সুযোগ দেয়া হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এর কারণ, তোমরা আল্লাহর আয়াত নিয়ে বিদ্রুপ করেছিলে এবং দুনিয়ার জীবন তোমাদের প্রতারিত করে রেখেছিল। সুতরাং সেদিন তাদের জাহান্নাম থেকে বের করা হবেনা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভেরও কোনো সুযোগ দেয়া হবেনা।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ইহা এইজন্য যে, তোমরা ‌র নিদর্শনাবলীকে বিদ্রুপ করিয়াছিলে এবং পার্থিব জীবন তোমাদেরকে প্রতারিত করিয়াছিল।’ সুতরাং সেই দিন উহাদেরকে জাহান্নাম হইতে বাহির করা না এবং ‌র সন্তুষ্টি লাভের সুযোগ দেওয়া হইবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব আল্লাহরই জন্য সকল প্রশংসা, যিনি আসমানসমূহের রব, যমীনের রব ও সকল সৃষ্টির রব।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং সমস্ত প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা মহাকাশ ও পৃথিবীর প্রভু রাববুল আলামিনের জন্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সমস্ত প্রশংসা ‌রই যিনি আকাশমণ্ডলীর প্রতিপালক, পৃথিবীর প্রতিপালক এবং জগতসমূহের প্রতিপালক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আসমানসমূহ ও যমীনের সকল অহঙ্কার তাঁর; তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে সমস্ত শ্রেষ্ঠত্ব ও অহংকার কেবল তাঁরই এবং তিনি মহাশক্তিধর মহাপ্রজ্ঞাবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে গৌরব - গরিমা তাঁহারই এবং তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme