আর যারা ঈমান এনেছে, সৎকর্ম করেছে এবং মুহাম্মাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছে ‘আর তা তাদের রবের পক্ষ হতে (প্রেরিত) সত্য, তিনি তাদের থেকে তাদের মন্দ কাজগুলো দূর করে দেবেন এবং তিনি তাদের অবস্থা সংশোধন করে দেবেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে আর মুহাম্মদের প্রতি যা (যে কিতাব) নাযিল করা হয়েছে তার প্রতি ঈমান এনেছে, আর তা তো তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে মহাসত্য, তিনি তাদের থেকে দূরীভূত করে দেবেন তাদের মন্দ আমলগুলো এবং সংশোধন করে দেবেন তাদের অবস্থা।
মুহিউদ্দীন খান
আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে মুহাম্মদের প্রতি অবতীর্ণ সত্যে বিশ্বাস করে, তাদের মন্দ কর্মসমূহ মার্জনা করেন এবং তাদের অবস্থা ভাল করে দেন।
তা এজন্য যে, যারা করে তারা বাতিলের অনুসরণ করে, আর যারা ঈমান আনে তারা তাদের রবের প্রেরিত হকের অনুসরণ করে। এভাবেই মানুষের জন্য তাদের দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
এর কারণ হলো, যারা কুফুরি করে তারা অনুসরণ করে মিথ্যা - বাতিলের। আর যারা ঈমান আনে তারা ইত্তেবা (অনুসরণ) করে তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ মহাসত্যের। এভাবেই দৃষ্টান্ত দিয়ে থাকেন মানুষের জন্যে।
মুহিউদ্দীন খান
এটা এ কারণে যে, যারা , তারা বাতিলের অনুসরণ করে এবং যারা , তারা তাদের পালনকর্তার নিকট থেকে আগত সত্যের অনুসরণ করে। এমনিভাবে মানুষের জন্যে তাদের দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন।
অতএব তোমরা যখন কাফিরদের সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হও, তখন তাদের ঘাড়ে আঘাত কর। পরিশেষে তোমরা যখন তাদেরকে সম্পূর্ণভাবে পর্যুদস্ত করবে তখন তাদেরকে শক্তভাবে বেঁধে নাও। তারপর হয় অনুগ্রহ না হয় মুক্তিপণ আদায়, যতক্ষণ না যুদ্ধ তার বোঝা রেখে দেয়*। এটাই বিধান। আর ই
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা যখন যুদ্ধে কাফিরদের মোকাবেলা করবে, তখন তাদের গর্দানে আঘাত করবে এবং তাদেরকে কচু কাটা করে ছাড়বে। অবশেষে যখন তোমরা তাদের পরাস্ত করবে, তখন তাদের কষে বাঁধবে। তারপর হয় দয়া, নয়তো মুক্তিপণ। তোমরা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে, যতোক্ষণ না যুদ্ধ তার অস্ত্র নামিয়ে ফেলে। এটাই নিয়ম। ইচ্ছা করলে তাদের শাস্তি দিতে পারতেন, কিন্তু তিনি চান তোমাদের একের দ্বারা অন্যকে পরীক্ষা করতে। আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়, তিনি কখনো তাদের আমল বিনষ্ট করেন না।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর যখন তোমরা কাফেরদের সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হও, তখন তাদের গর্দার মার, অবশেষে যখন তাদেরকে পূর্ণরূপে পরাভূত কর তখন তাদেরকে শক্ত করে বেধে ফেল। অতঃপর হয় তাদের প্রতি অনুগ্রহ কর, না হয় তাদের নিকট হতে মুক্তিপণ লও। তোমরা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে যে পর্যন্ত না শত্রুপক্ষ অস্ত্র সমর্পণ করবে! একথা শুনলে। ইচ্ছা করলে তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তোমাদের কতককে কতকের দ্বারা পরীক্ষা করতে চান। যারা আল্লাহর পথে শহীদ হয়, কখনই তাদের কর্ম বিনষ্ট করবেন না।
তবে কি তারা যমীনে ভ্রমণ করেনি, তারপর দেখেনি যারা তাদের পূর্বে ছিল তাদের পরিণাম কেমন হয়েছিল? তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। আর কাফিরদের জন্য রয়েছে এর অনুরূপ পরিণাম।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা কি পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করে দেখতে পায়না, তাদের আগেকার (প্রত্যাখ্যানকারীদের) কী পরিণতি হয়েছিল? তাদের ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। আর এই কাফিরদের জন্যেও রয়েছে একই পরিণাম।
মুহিউদ্দীন খান
তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি অতঃপর দেখেনি যে, তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কি হয়েছে? তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছেন এবং কাফেরদের অবস্থা এরূপই হবে।
নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন। যার নিম্নদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত হয়। কিন্তু যারা করে তারা ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকে এবং তারা আহার করে যেমন চতুষ্পদ জন্তুরা আহার করে। আর জাহান্নামই তাদের বাসস্থান।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে তাদের দাখিল করবেন জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে জারি থাকবে নদ - নদী - নহর। আর যারা কুফুরি করেছে, তারা মত্ত আছে ভোগ - বিলাসে এবং খায় জানোয়ারের মতো। জাহান্নামই হবে তাদের আবাস।
মুহিউদ্দীন খান
যারা বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার নিম্নদেশে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হয়। আর যারা , তারা ভোগ - বিলাসে মত্ত থাকে এবং চতুস্পদ জন্তুর মত আহার করে। তাদের বাসস্থান জাহান্নাম।
আর তোমার জনপদ যা থেকে তারা তোমাকে বহিষ্কার করেছে তার তুলনায় শক্তিমত্তায় প্রবলতর অনেক জনপদ ছিল, আমি তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছিলাম, ফলে তাদের কোনই সাহায্যকারী ছিল না।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমাকে যে জনপদ থেকে তারা বের করে দিয়েছে তার চাইতে অনেক বেশি শক্তিধর কতো যে জনপদ ছিলো, আমরা তাদের ধ্বংস করে দিয়েছি, তাদের কোনো সাহায্যকারী ছিলনা।
মুহিউদ্দীন খান
যে জনপদ আপনাকে বহিস্কার করেছে, তদপেক্ষা কত শক্তিশালী জনপদকে আমি ধ্বংস করেছি, অতঃপর তাদেরকে সাহায্য করার কেউ ছিল না।
যে ব্যক্তি তার রবের পক্ষ থেকে আগত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত সে কি তার মত, যার মন্দ আমল তার জন্য চাকচিক্যময় করে দেয়া হয়েছে এবং যারা তাদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে?
আবদুস শহীদ নাসিম
যে ব্যক্তি তার প্রভুর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত, সে কি ঐসব ব্যক্তির সমতুল্য, যাদের কাছে নিজেদের মন্দ কর্মকান্ড মনে হয় চমৎকার এবং যারা দৌড়ায় নিজেদের কামনা - বাসনার পেছনে?
মুহিউদ্দীন খান
যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত নিদর্শন অনুসরণ করে, সে কি তার সমান, যার কাছে তার মন্দ কর্ম শোভনীয় করা হয়েছে এবং যে তার খেয়াল - খুশীর অনুসরণ করে।
মুত্তাকীদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তার দৃষ্টান্ত হল, তাতে রয়েছে নির্মল পানির নহরসমূহ, দুধের ঝর্নাধারা, যার স্বাদ পরিবর্তিত হয়নি, পানকারীদের জন্য সুস্বাদু সুরার নহরসমূহ এবং আছে পরিশোধিত মধুর ঝর্নাধারা। তথায় তাদের জন্য থাকবে সব ধরনের ফলমূল আর তাদের
আবদুস শহীদ নাসিম
মুত্তাকিদের যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তার দৃষ্টান্ত হলো, তাতে রয়েছে অনাবিল পানির নদ - নদী - নহর। রয়েছে দুধের নহর, যার স্বাদ কখনো পরিবর্তন হয়না। রয়েছে সুরা পায়ীদের জন্যে সুস্বাদু সুরার নহর। রয়েছে পরিশোধিত মধুর নহর। তাছাড়া সেখানে তাদের জন্যে থাকবে সব ধরনের ফলফলারি, থাকবে মাগফিরাত তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে। এরা কি ওদের সমতুল্য, যারা চিরকাল জ্বলতে থাকবে জাহান্নামে, যাদের পান করানো হবে টগবগে ফুটন্ত গরম পানি, যা ছিন্ন ভিন্ন করে দেবে তাদের নাড়িভুড়ি?
মুহিউদ্দীন খান
পরহেযগারদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহর, নির্মল দুধের নহর যারা স্বাদ অপরিবর্তনীয়, পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু শরাবের নহর এবং পরিশোধিত মধুর নহর। তথায় তাদের জন্যে আছে রকমারি ফল - মূল ও তাদের পালনকর্তার ক্ষমা। পরহেযগাররা কি তাদের সমান, যারা জাহান্নামে অনন্তকাল থাকবে এবং যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি অতঃপর তা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে?
আর তাদের মধ্যে এমন কতক রয়েছে, যারা তোমার প্রতি মনোযোগ দিয়ে শুনে। অবশেষে যখন তারা তোমার কাছ থেকে বের হয়ে যায় তখন তারা যাদের জ্ঞান দান করা হয়েছে তাদের উদ্দেশ্যে বলে, ‘এই মাত্র সে কী বলল?’ এরাই তারা, যাদের অন্তরসমূহে মোহর মেরে দিয়েছেন এবং তারা নিজদের
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা তোমার কথা শুনে, তারপর তোমার কাছ থেকে বাইরে গিয়ে যাদের জ্ঞান দেয়া হয়েছে তাদের বলে: ‘এইমাত্র সে কী বললো?’ আসলে এরা সেইসব লোক, যাদের অন্তর সীলমোহর করে দিয়েছেন এবং যারা নিজেদের কামনা - বাসনার পেছনে দৌড়ায়।
মুহিউদ্দীন খান
তাদের মধ্যে কতক আপনার দিকে কান পাতে, অতঃপর যখন আপনার কাছ থেকে বাইরে যায়, তখন যারা শিক্ষিত, তাদেরকে বলেঃ এইমাত্র তিনি কি বললেন ? এদের অন্তরে মোহর মেরে দিয়েছেন এবং তারা নিজেদের খেয়াল - খুশীর অনুসরণ করে।
সুতরাং তারা কি কেবল এই অপেক্ষা করছে যে, কিয়ামত তাদের উপর আকস্মিকভাবে এসে পড়ুক? অথচ কিয়ামতের আলামতসমূহ তো এসেই পড়েছে। সুতরাং কিয়ামত এসে পড়লে তারা উপদেশ গ্রহণ করবে কেমন করে?
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা কি এ জন্যে অপেক্ষা করছে যে, আকস্মিক কিয়ামত তাদের উপর এসে পড়ুক? জেনে রাখো, কিয়ামতের লক্ষণ তো দেখা দিয়েছে। কিয়ামত এসে পড়লে কেমন করে গ্রহণ করবে তারা উপদেশ?
মুহিউদ্দীন খান
তারা শুধু এই অপেক্ষাই করছে যে, কেয়ামত অকস্মাৎ তাদের কাছে এসে পড়ুক। বস্তুতঃ কেয়ামতের লক্ষণসমূহ তো এসেই পড়েছে। সুতরাং কেয়ামত এসে পড়লে তারা উপদেশ গ্রহণ করবে কেমন করে ?
অতএব জেনে রাখ, নিঃসন্দেহে ছাড়া কোন (সত্য) নেই। তুমি ক্ষমা চাও তোমার ও নারী-পুরুষদের ত্রুটি-বিচ্যুতির জন্য। তোমাদের গতিবিধি এবং নিবাস সম্পর্কে অবগত রয়েছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
জেনে রাখো, ছাড়া কোনো ইলাহ্ নেই। সুতরাং তুমি ক্ষমা প্রার্থনা করো তোমার এবং পুরুষ ও নারীদের ত্রুটির জন্যে। জানেন তোমাদের সব গতিবিধি এবং অবস্থান।
মুহিউদ্দীন খান
জেনে রাখুন, ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। ক্ষমাপ্রার্থনা করুন, আপনার ক্রটির জন্যে এবং পুরুষ ও নারীদের জন্যে। , তোমাদের গতিবিধি ও অবস্থান সম্পর্কে জ্ঞাত।
আর যারা ঈমান এনেছে তারা বলে, ‘কেন একটি সূরা নাযিল করা হয়নি?’ অতঃপর যখন দ্ব্যর্থহীন কোন সুস্পষ্ট সূরা নাযিল করা হয় এবং তাতে যুদ্ধের উল্লেখ থাকে, তখন তুমি দেখবে যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তারা তোমার দিকে মৃত্যুভয়ে মূর্ছিত ব্যক্তির দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে। সুতরাং ধ
আবদুস শহীদ নাসিম
মুমিনরা বলে: ‘এমন একটি সূরা নাযিল হয়না কেন (যাতে যুদ্ধের নির্দেশ থাকবে?)’ তারপর যখন কোনো সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তকর সূরা নাযিল হয়, যাতে যুদ্ধের নির্দেশ থাকে, তখন তুমি দেখবে, যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা মরণের ভয়ে হতভম্ব মানুষের মতো তোমার দিকে তাকাচ্ছে। তাদের জন্যে উত্তম হতো
মুহিউদ্দীন খান
যারা , তারা বলেঃ একটি সূরা নাযিল হয় না কেন? অতঃপর যখন কোন দ্ব্যর্থহীন সূরা নাযিল হয় এবং তাতে জেহাদের উল্লেখ করা হয়, তখন যাদের অন্তরে রোগ আছে, আপনি তাদেরকে মৃত্যুভয়ে মূর্ছাপ্রাপ্ত মানুষের মত আপনার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখবেন। সুতরাং ধ্বংস তাদের জন্যে।
আনুগত্য ও ন্যায়সঙ্গত কথা (তাদের জন্য) উত্তম। অতঃপর যখন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়, তখন যদি তারা আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা সত্যে পরিণত করত, তবে তা তাদের জন্য কল্যাণকর হত।
আবদুস শহীদ নাসিম
আনুগত্য করা এবং পজেটিভ কথা বলা। সুতরাং সিদ্ধান্ত যখন চূড়ান্ত হয়, তখন যদি তারা আল্লাহকে দেয়া অংগীকার পূর্ণ করতো, সেটাই হতো তাদের জন্যে কল্যাণকর।
মুহিউদ্দীন খান
তাদের আনুগত্য ও মিষ্ট বাক্য আছে। অতএব, জেহাদের সিন্ধান্ত হলে যদি তারা আল্লাহর প্রতি পদত্ত অংগীকার পূর্ণ করে, তবে তাদের জন্যে তা মঙ্গলজনক হবে।
নিশ্চয় যারা হিদায়াতের পথ সুস্পষ্ট হওয়ার পর তাদের পৃষ্টপ্রদর্শনপূর্বক মুখ ফিরিয়ে নেয়, শয়তান তাদের কাজকে চমৎকৃত করে দেখায় এবং তাদেরকে মিথ্যা আশা দিয়ে থাকে।
আবদুস শহীদ নাসিম
হিদায়াত সুস্পষ্ট হবার পর যারা তা পরিত্যাগ করে, শয়তান তাদের মন্দ কাজসমূহকে তাদের কাছে শোভনীয় করে তুলে ধরে এবং তাদের মিথ্যা আশা দেয়।
মুহিউদ্দীন খান
নিশ্চয় যারা সোজা পথ ব্যক্ত হওয়ার পর তৎপ্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে, শয়তান তাদের জন্যে তাদের কাজকে সুন্দর করে দেখায় এবং তাদেরকে মিথ্যা আশা দেয়।
এটি এ জন্য যে, যা নাযিল করেছেন তা যারা অপছন্দ করে। তাদের উদ্দেশ্যে, তারা বলে, ‘অচিরেই আমরা কতিপয় বিষয়ে তোমাদের আনুগত্য করব’। তাদের গোপনীয়তা সম্পর্কে অবহিত রয়েছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
এর কারণ, যা নাযিল করেছেন সেটা তারা অপছন্দ করে এবং তারা বলে: ‘আমরা কোনো কোনো বিষয় মেনে নেবো।’ তাদের গোপন অভিসন্ধি অবগত আছেন।
মুহিউদ্দীন খান
এটা এজন্য যে, তারা তাদেরকে বলে, যারা আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাব অপছন্দ করেঃ আমরা কোন কোন ব্যাপারে তোমাদের কথা মান্য করব। তাদের গোপন পরামর্শ অবগত আছেন।
এটি এ জন্য যে, তারা এমন সব বিষয়ের অনুসরণ করেছে যা আল্লাহকে ক্রোধান্বিত করেছে এবং তারা তাঁর সন্তোষকে অপছন্দ করেছে। ফলে তাদের কর্মসমূহ নিষ্ফল করে দিয়েছেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
এর কারণ, তারা (সারাজীবন) সেই জিনিসের পেছনেই ছুটেছে যা আল্লাহকে করেছে অসন্তুষ্ট এবং তারা অপছন্দ করেছে সেই পথ যাতে হতেন সন্তুষ্ট। ফলে তিনি নিষ্ফল করে দিয়েছেন তাদের সমস্ত কৃতকর্ম।
মুহিউদ্দীন খান
এটা এজন্যে যে, তারা সেই বিষয়ের অনুসরণ করে, যা আল্লাহর অসন্তোষ সৃষ্টি করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অপছন্দ করে। ফলে তিনি তাদের কর্মসমূহ ব্যর্থ করে দেন।
আর যদি আমি চাইতাম তবে আমি তোমাকে এদের দেখিয়ে দিতে পারতাম। ফলে লক্ষণ দেখেই তুমি তাদের চিনতে পারতে। তবে তুমি অবশ্যই কথার ভঙ্গিতে তাদের চিনতে পারবে। তোমাদের আমলসমূহ জানেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা চাইলে তোমাকে তাদের পরিচয় দিয়ে দিতাম, ফলে লক্ষণ দেখলেই তাদের তুমি চিনতে পারতে। তবে তুমি অবশ্যি তাদের কথার ভংগিতে তাদের চিনতে পারবে। তাদের আমল সম্পর্কে অবগত।
মুহিউদ্দীন খান
আমি ইচ্ছা করলে আপনাকে তাদের সাথে পরিচিত করে দিতাম। তখন আপনি তাদের চেহারা দেখে তাদেরকে চিনতে পারতেন এবং আপনি অবশ্যই কথার ভঙ্গিতে তাদেরকে চিনতে পারবেন। তোমাদের কর্মসমূহের খবর রাখেন।
আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব যতক্ষণ না আমি প্রকাশ করে দেই তোমাদের মধ্যে কারা জিহাদকারী ও ধৈর্যশীল এবং আমি তোমাদের কথা- কাজ পরীক্ষা করে নেব।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা অবশ্যি তোমাদের পরীক্ষা করবো, যতোদিন না আমরা (বাস্তবে) জেনে নেবো তোমাদের মধ্যকার (প্রকৃত) মুজাহিদ ও সবর (দৃঢ়তা) অবলম্বনকারীদের। এ জন্যে আমরা তোমাদের অবস্থা পরীক্ষা করি।
মুহিউদ্দীন খান
আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব যে পর্যন্ত না ফুটিয়ে তুলি তোমাদের জেহাদকারীদেরকে এবং সবরকারীদেরকে এবং যতক্ষণ না আমি তোমাদের অবস্থান সমূহ যাচাই করি।
নিশ্চয় যারা করেছে, আল্লাহর পথে বাধা দিয়েছে এবং তাদের নিকট হিদায়াতের পথ সুস্পষ্ট হওয়ার পরও রাসূলের বিরোধিতা করেছে, তারা আল্লাহর কোনই ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। আর শীঘ্রই তিনি তাদের আমলসমূহ নিষ্ফল করে দেবেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা কুফুরি করে, মানুষকে আল্লাহর পথে আসতে বাধা দেয় এবং নিজেদের কাছে সঠিক পথ সুস্পষ্ট হবার পরও রসূলের বিরোধিতা করে, তারা কখনো আল্লাহর ক্ষতি করতে পারবে না। তিনি অচিরেই ধ্বংস করে দেবেন তাদের সমস্ত আমল।
মুহিউদ্দীন খান
নিশ্চয় যারা এবং আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখে এবং নিজেদের জন্যে সৎপথ ব্যক্ত হওয়ার পর রসূলের (সঃ) বিরোধিতা করে, তারা আল্লাহর কোনই ক্ষতি করতে পারবে না এবং তিনি ব্যর্থ করে দিবেন তাদের কর্মসমূহকে।
দুনিয়ার জীবন তো কেবল খেল-তামাশা ও অর্থহীন কথাবার্তা। আর যদি তোমরা ঈমান আন এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে তিনি তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিদান দিবেন এবং তিনি তোমাদের কাছে ধন-সম্পদ চাইবেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
দুনিয়ার জীবনটা তো একটা খেল তামাশা। তোমরা যদি ঈমান আনো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, তাহলে তোমাদের পুরস্কার দেবেন। তিনি তোমাদের থেকে তোমাদের মাল - সম্পদ চান না।
মুহিউদ্দীন খান
পার্থিব জীবন তো কেবল খেলাধুলা, যদি তোমরা হও এবং সংযম অবলম্বন কর, তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিদান দেবেন এবং তিনি তোমাদের ধন - সম্পদ চাইবেন না।
তোমরাই তো তারা, তোমাদের আহবান করা হচ্ছে যে, তোমরা আল্লাহর পথে ব্যয় করবে। অথচ তোমাদের কেউ কেউ কার্পণ্য করছে। তবে যে কার্পণ্য করছে সে তো নিজের প্রতিই কার্পণ্য করছে। আর অভাবমুক্ত এবং তোমরা অভাবগ্রস্ত। যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তিনি তোমাদের ছাড়া অন
আবদুস শহীদ নাসিম
হাঁ, তোমরাই তো তারা, যাদের আল্লাহর পথে ব্যয় করতে ডাকা হচ্ছে, অথচ তোমাদের কেউ কেউ বখিলি করছে। যারা বখিলি করে তারা তো বখিলি করে নিজেদের প্রতিই। প্রাচুর্যশীল আর তোমরা হলে অভাবী। তোমরা যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তিনি তোমাদের বদলে অন্য লোকদেরকে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করবেন, তারা তোমাদের মতো হবেনা।
মুহিউদ্দীন খান
শুন, তোমরাই তো তারা, যাদেরকে আল্লাহর পথে ব্যয় করার আহবান জানানো হচ্ছে, অতঃপর তোমাদের কেউ কেউ কৃপণতা করছে। যারা কৃপণতা করছে, তারা নিজেদের প্রতিই কৃপণতা করছে। অভাবমুক্ত এবং তোমরা অভাবগ্রস্থ। যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তিনি তোমাদের পরিবর্তে অন্য জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করবেন, এরপর তারা তোমাদের মত হবে না।