You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল মুজাদালাহ (অভিযোগকারী মহিলা)
Chapter 58, 22 verses
বয়ান ফাউন্ডেশন
আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
Word by word
বয়ান ফাউন্ডেশন
অবশ্যই সে রমনীর কথা শুনেছেন যে তার স্বামীর ব্যাপারে তোমার সাথে বাদানুবাদ করছিল আর আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করছিল। তোমাদের কথোপকথন শোনেন। নিশ্চয় সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
আবদুস শহীদ নাসিম
শুনেছেন সেই নারীর কথা, যে তার স্বামীর বিষয়ে বিতর্ক করছে তোমার সাথে এবং শেকায়েত (অভিযোগ, ফরিয়াদ) করছে আল্লাহর কাছে। তোমাদের কথোপকথন শুনেছেন। সব শুনেন, সব দেখেন।
মুহিউদ্দীন খান
যে নারী তার স্বামীর বিষয়ে আপনার সাথে বাদানুবাদ করছে এবং অভিযোগ পেশ করছে আল্লাহর দরবারে, তার কথা শুনেছেন। আপনাদের উভয়ের কথাবার্তা শুনেন। নিশ্চয় সবকিছু শুনেন, সবকিছু দেখেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অবশ্যই শুনিয়াছেন সেই নারীর কথা, যে তাহার স্বামীর বিষয়ে তোমার সঙ্গে বাদানুবাদ করিতেছে এবং র নিকটও ফরিয়াদ করিতেছে। তোমাদের কথোপকথন শোনেন, সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
তোমাদের মধ্যে যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে যিহার* করে, তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়। তাদের মাতা তো কেবল তারাই যারা তাদেরকে জন্ম দিয়েছে। আর তারা অবশ্যই অসঙ্গত ও অসত্য কথা বলে। আর নিশ্চয় অধিক পাপ মোচনকারী, বড়ই ক্ষমাশীল। * স্ত্রীকে মায়ের সাথে অথবা মায়ের
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমাদের যারা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে যিহার করে তারা জেনে রাখুক তাদের স্ত্রীরা তাদের মা নয়। তাদের মা তো তারাই যারা তাদের জন্ম দিয়েছে। (যারা যিহার করে) তারা একটি অন্যায়, অসংগত ও অসত্য কথাই বলে। নিশ্চয়ই দয়াময় ক্ষমাশীল।
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের মধ্যে যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়। তাদের মাতা কেবল তারাই, যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে। তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে। নিশ্চয় মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমাদের মধ্যে যাহারা নিজেদের স্ত্রীগণের সঙ্গে যিহার করে, তাহারা জানিয়া রাখুক - তাহাদের স্ত্রীগণ তাহাদের মাতা নন, যাহারা তাহাদেরকে জন্মদান করে কেবল তাহারাই তাহাদের মাতা; উহারা তো অসঙ্গত ও অসত্য কথাই বলে। নিশ্চয়ই পাপ মোচনকারী ও ক্ষমাশীল।
আর যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে ‘যিহার’ করে অতঃপর তারা যা বলেছে তা থেকে ফিরে আসে, তবে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাস মুক্ত করবে। এর মাধ্যমে তোমাদেরকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে। আর তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে সম্যক অবহিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে যিহার করে, তারপর নিজেদের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেয়, তাদের জন্যে বিধান হলো, তারা পরস্পরকে স্পর্শ করার আগে একটি দাসমুক্ত করবে। এভাবেই তোমাদের উপদেশ দেয়া হলো। তোমরা যা করো সে বিষয়ে খবর রাখেন।
মুহিউদ্দীন খান
যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, অতঃপর নিজেদের উক্তি প্রত্যাহার করে, তাদের কাফফারা এই একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে। এটা তোমাদের জন্যে উপদেশ হবে। খবর রাখেন তোমরা যা কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা নিজেদের স্ত্রীগণের সঙ্গে যিহার করে এবং পরে উহাদের উক্তি প্রত্যাহার করে, তবে একে অপরকে স্পর্শ করিবার পূর্বে একটি দাস মুক্ত করিতে হইবে, ইহা দ্বারা তোমাদেরকে উপদেশ দেওয়া যাইতেছে। তোমরা যাহা কর তাহার খবর রাখেন।
কিন্তু যে তা পাবে না, সে লাগাতার দু’মাস সিয়াম পালন করবে, একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে। আর যে (এরূপ করার) সামর্থ্য রাখে না সে ষাটজন মিসকীনকে খাবার খাওয়াবে। এ বিধান এ জন্য যে, তোমরা যাতে ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আন। আর এগুলো আল্লাহর (নির্ধারিত) সীমা
আবদুস শহীদ নাসিম
এই সামর্থ্য যার নেই, পরস্পরকে স্পর্শ করার আগে সে অবিরাম দুই মাস সিয়াম পালন করবে (রোযা রাখবে)। যে এটা করতেও অসমর্থ হবে, সে ষাটজন মিসকিনকে (অভাবীকে) খাবার খাওয়াবে। এ বিধান দেয়া হলো, যেনো তোমরা ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান রাখো, এটাই আল্লাহর বিধান। আল্লাহর বিধান অমান্যকারীদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
মুহিউদ্দীন খান
যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একাদিক্রমে দুই মাস রোযা রাখবে। যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকীনকে আহার করাবে। এটা এজন্যে, যাতে তোমরা ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক আযাব।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কিন্তু যাহার এ সামর্থ্য থাকিবে না, একে অপরকে স্পর্শ করিবার পূর্বে তাহাকে একাদিক্রমে দুই মাস সিয়াম পালন করিতে হইবে ; যে তাহাতেও অসমর্থ, সে ষাটজন অভাবগ্রস্তকে খাওয়াইবে; ইহা এইজন্য যে, তোমরা যেন ও তাঁহার রাসূলে বিশ্বাস স্থাপন কর। এইগুলি র নির্ধারিত বিধান; কাফিরদের জন্য রহিয়াছে মর্মন্তুদ শাস্তি।
যারা ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করে তাদেরকে অপদস্থ করা হবে যেভাবে অপদস্থ করা হয়েছিল তাদের পূর্ববর্তীদেরকে। আর আমি নাযিল করেছি সুস্পষ্ট প্রমাণাদি। আর কাফিরদের জন্য রয়েছে অপমানজনক আযাব।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা ও তাঁর রসূলের বিরোধিতা করে, তাদের অপদস্থ করা হবে, যেমন অপদস্থ করা হয়েছে তাদের আগের লোকদের। আমরা তো সুস্পষ্ট আয়াত নাযিল করেছি। অমান্যকারীদের জন্যে রয়েছে অপমানকর আযাব।
মুহিউদ্দীন খান
যারা আল্লাহর তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা অপদস্থ হয়েছে, যেমন অপদস্থ হয়েছে তাদের পূর্ববর্তীরা। আমি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ নাযিল করেছি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা ও তাঁহার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তাহাদেরকে অপদস্থ করা হইবে যেমন অপদস্থ করা হইয়াছে তাহাদের পূর্ববর্তীদেরকে; আমি সুস্পষ্ট আয়াত অবতীর্ণ করিয়াছি; কাফিরদের জন্য রহিয়াছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি -
যে দিন তাদের সকলকে পুনরুজ্জীবিত করে উঠাবেন অতঃপর তারা যে আমল করেছিল তা তাদেরকে জানিয়ে দেবেন। তা হিসাব করে রেখেছেন যদিও তারা তা ভুলে গেছে। আর প্রত্যেক বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী।
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন তাদের সবাইকে পুনরুত্থিত করবেন, সেদিন তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে তাদের অবহিত করবেন। তার (তাদের কৃতকর্মের) হিসাব রেখেছেন, কিন্তু তারা তা ভুলে গেছে। প্রতিটি বিষয়ের প্রত্যক্ষদর্শী।
মুহিউদ্দীন খান
সেদিন স্মরণীয়; যেদিন তাদের সকলকে পুনরুত্থিত করবেন, অতঃপর তাদেরকে জানিয়ে দিবেন যা তারা করত। তার হিসাব রেখেছেন, আর তারা তা ভুলে গেছে। আল্লাহর সামনে উপস্থিত আছে সব বস্তুই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেই দিন, যেদিন উহাদের সকলকে একত্রে উত্থিত করা হইবে এবং উহাদেরকে জানাইয়া দেওয়া হইবে যাহা উহারা করিত; উহার হিসাব রাখিয়াছেন, আর উহারা তাহা বিস্মৃত হইয়াছে। সর্ববিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা।
তুমি কি লক্ষ্য করনি যে, আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে নিশ্চয় তা জানেন? তিন জনের কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাতে চতুর্থজন হিসেবে থাকেন না, আর পাঁচ জনেরও হয় না, যাতে ষষ্ঠজন হিসেবে তিনি থাকেন না। এর চেয়ে কম হোক কিংবা বেশি হোক, তিনি তো তাদের সঙ্গেই
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি কি দেখোনা যে, জানেন মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে? তিন ব্যক্তির মধ্যে কোনো গোপন সলাপরামর্শ হয়না যেখানে চতুর্থজন হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকেননা। পাঁচ ব্যক্তির মধ্যেও হয়না, যেখানে ষষ্ঠজন হিসেবে তিনি হাজির থাকেন না। তারা এর চাইতে কম হোক কিংবা বেশি, তিনি তাদের সাথেই থাকেন যেখানেই তারা থাকুক। তারপর কিয়ামতের দিন তিনি তাদের অবহিত করবেন - তারা কী করেছিল? নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ে জ্ঞানী।
মুহিউদ্দীন খান
আপনি কি ভেবে দেখেননি যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, তা জানেন। তিন ব্যক্তির এমন কোন পরামর্শ হয় না যাতে তিনি চতুর্থ না থাকেন এবং পাঁচ জনেরও হয় না, যাতে তিনি ষষ্ঠ না থাকেন তারা এতদপেক্ষা কম হোক বা বেশী হোক তারা যেখানেই থাকুক না কেন তিনি তাদের সাথে আছেন, তারা যা করে, তিনি কেয়ামতের দিন তা তাদেরকে জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয় সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি কি লক্ষ্য কর না, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা জানেন? তিন ব্যক্তির মধ্যে এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাহাতে চতুর্থ জন হিসাবে তিনি উপস্থিত থাকেন না এবং পাঁচ ব্যক্তির মধ্যেও হয় না যাহাতে ষষ্ঠ জন হিসাবে তিনি উপস্থিত থাকেন না। উহারা এতদপেক্ষা কম হউক বা বেশি হউক তিনি তো তাহাদের সঙ্গেই আছেন, উহারা যেখানেই থাকুক না কেন। অতঃপর উহারা যাহা করে, তিনি উহাদেরকে কিয়ামতের দিন তাহা জানাইয়া দিবেন। নিশ্চয়ই র্সববিষয়ে সম্যক অবগত।
তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করনি, যাদেরকে গোপন পরামর্শ করতে নিষেধ করা হয়েছিল? তারপরও তারা তারই পুনরাবৃত্তি করল যা করতে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল। আর তারা পাপাচার, সীমালঙ্ঘন ও রাসূলের বিরুদ্ধাচরণের জন্য গোপন পরামর্শ করে। আর তারা যখন তোমার কাছে আসে তখন তারা ত
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করছো না, যাদের গোপন সলাপরামর্শ করতে নিষেধ করা হয়েছিল; কিন্তু নিষেধ করার পরও তারা সেটার পুনরাবৃত্তি করে এবং পাপ কাজ, সীমালংঘন ও রসূলের বিরুদ্ধাচরণের জন্যে গোপন সলাপরামর্শ করে? তারা যখন তোমার কাছে আসে, এমন ভাষায় তোমাকে অভিবাদন করে, যে ভাষায় তোমাকে অভিবাদন করেননি। তারা মনে মনে বলে: ‘আমরা যা বলি, তার জন্যে আমাদের শাস্তি দেন না কেন?’ তাদের জন্যে জাহান্নামই যথেষ্ট। তাতেই তারা দগ্ধ হবে, আর সেটা কতো যে নিকৃষ্ট আবাস!
মুহিউদ্দীন খান
আপনি কি ভেবে দেখেননি, যাদেরকে কানাঘুষা করতে নিষেধ করা হয়েছিল অতঃপর তারা নিষিদ্ধ কাজেরই পুনরাবৃত্তি করে এবং পাপাচার, সীমালংঘন এবং রসূলের অবাধ্যতার বিষয়েই কানাঘুষা করে। তারা যখন আপনার কাছে আসে, তখন আপনাকে এমন ভাষায় সালাম করে, যদ্দ্বারা আপনাকে সালাম করেননি। তারা মনে মনে বলেঃ আমরা যা বলি, তজ্জন্যে আমাদেরকে শাস্তি দেন না কেন? জাহান্নামই তাদের জন্যে যথেষ্ট। তারা তাতে প্রবেশ করবে। কতই না নিকৃষ্ট সেই জায়গা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি কি তাহাদেরকে লক্ষ্য কর না, যাহাদেরকে গোপন পরামর্শ করিতে নিষেধ করা হইয়াছিল? অতঃপর উহারা যাহা নিষিদ্ধ তাহারই পুনরাবৃত্তি করে এবং পাপাচরণ, সীমালংঘন ও রাসূলের বিরুদ্ধাচরণের জন্য কানাকানি করে। উহারা যখন তোমার নিকট আসে তখন উহারা তোমাকে এমন কথা দ্বারা অভিবাদন করে যদ্দ্বারা তোমাকে অভিবাদন করেন নাই। উহারা মনে মনে বলে, ‘আমরা যাহা বলি তাহার জন্য আমাদেরকে শাস্তি দেন না কেন?’ জাহান্নামই উহাদের জন্য যথেষ্ট, যেখানে উহারা প্রবেশ করিবে, কত নিকৃষ্ট সেই আবাস!
হে মুমিনগণ, তোমরা যখন গোপনে পরামর্শ করবে তখন তোমরা যেন গুনাহ, সীমালঙ্ঘন ও রাসূলের বিরুদ্ধাচরণের ব্যাপারে গোপন পরামর্শ না কর। আর তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ার বিষয়ে গোপন পরামর্শ কর। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যাঁর কাছে তোমাদেরকে সমবেত করা হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমরা যখন গোপন পরামর্শ করো, সেটা যেনো পাপালাপ, সীমালংঘন এবং রসূলের বিরুদ্ধাচরণের জন্যে না হয়। তোমরা গোপন পরামর্শ করলে তা করবে কল্যাণকর কাজ ও তাকওয়া অবলম্বনের উদ্দেশ্যে। তোমরা সেই আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর কাছে তোমাদের হাশর করা হবে।
মুহিউদ্দীন খান
মুমিনগণ, তোমরা যখন কানাকানি কর, তখন পাপাচার, সীমালংঘন ও রসূলের অবাধ্যতার বিষয়ে কানাকানি করো না বরং অনুগ্রহ ও খোদাভীতির ব্যাপারে কানাকানি করো। আল্লাহকে ভয় কর, যাঁর কাছে তোমরা একত্রিত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে মু’মিনগণ! তোমরা যখন গোপন পরামর্শ কর, সে পরামর্শ যেন পাপাচরণ, সীমালংঘন ও রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ সম্পর্কে না হয়। তোমরা কল্যাণকর কাজ ও তাক্ওয়া অবলম্বনের পরামর্শ করিও, এবং ভয় কর কে যাঁহার নিকট তোমাদেরকে সমবেত করা হইবে।
গোপন পরামর্শ তো হল মুমিনরা যাতে দুঃখ পায় সে উদ্দেশ্যে কৃত শয়তানের কুমন্ত্রণা মাত্র। আর আল্লাহর অনুমতি ছাড়া সে তাদের কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। অতএব আল্লাহরই ওপর মুমিনরা যেন তাওয়াক্কুল করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
গোপন সলাপরামর্শ হয় শয়তানের প্ররোচণায় মুমিনদের মনে কষ্ট দেয়ার জন্যে। আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া সে তাদের সামান্যতম ক্ষতি করতেও সক্ষম নয়। মুমিনরা আল্লাহর উপরই তাওয়াক্কুল করুক।
মুহিউদ্দীন খান
এই কানাঘুষা তো শয়তানের কাজ; মুমিনদেরকে দুঃখ দেয়ার দেয়ার জন্যে। তবে আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত সে তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না। মুমিনদের উচিত আল্লাহর উপর ভরসা করা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
শয়তানের প্ররোচনায় হয় এই গোপন পরামর্শ মু’মিনদেরকে দুঃখ দেওয়ার জন্য। তবে র ইচ্ছা ব্যতীত শয়তান তাহাদের সামান্যতম ক্ষতি সাধনেও সক্ষম নয়। মু’মিনদের কর্তব্য র উপর নির্ভর করা।
হে মুমিনগণ, তোমাদেরকে যখন বলা হয়, ‘মজলিসে স্থান করে দাও’, তখন তোমরা স্থান করে দেবে। তোমাদের জন্য স্থান করে দেবেন। আর যখন তোমাদেরকে বলা হয়, ‘তোমরা উঠে যাও’, তখন তোমরা উঠে যাবে। তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে তাদ
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমাদের যখন বলা হয়: মজলিসে স্থান প্রশস্ত করে দাও, তখন তোমরা (অপরের জন্য) স্থান করে দিও, তাহলে আল্লাহ্ও তোমাদের জন্যে প্রশস্ত করে দেবেন। আর যখন তোমাদের বলা হয়: ‘উঠে যাও’, তখন তোমরা উঠে যেয়ো। তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদের জ্ঞান দান করা হয়েছে তাদের উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করবেন। তোমরা যা করো, সে বিষয়ে অবহিত।
মুহিউদ্দীন খান
মুমিনগণ, যখন তোমাদেরকে বলা হয়ঃ মজলিসে স্থান প্রশস্ত করে দাও, তখন তোমরা স্থান প্রশস্ত করে দিও। আল্লাহর জন্যে তোমাদের জন্য প্রশস্ত করে দিবেন। যখন বলা হয়ঃ উঠে যাও, তখন উঠে যেয়ো। তোমাদের মধ্যে যারা এবং যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত, তাদের মর্যাদা উচ্চ করে দিবেন। খবর রাখেন যা কিছু তোমরা কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে মু’মিনগণ! যখন তোমাদেরকে বলা হয়, মজলিসে স্থান প্রশস্ত করিয়া দাও, তখন তোমরা স্থান করিয়া দিও, তোমাদের জন্য স্থান প্রশস্ত করিয়া দিবেন এবং যখন বলা হয়, ‘উঠিয়া যাও’, তোমরা উঠিয়া যাইও। তোমাদের মধ্যে যাহারা ঈমান আনিয়াছে এবং যাহাদেরকে জ্ঞান দান করা হইয়াছে তাহাদেরকে মর্যাদায় উন্নত করিবেন; তোমরা যাহা কর সে সম্পর্কে সবিশেষ অবহিত।
হে মুমিনগণ, তোমরা যখন রাসূলের সাথে একান্তে কথা বলতে চাও, তখন তোমাদের এরূপ কথার পূর্বে কিছু সদাকা পেশ কর। এটি তোমাদের জন্য শ্রেয়তর ও পবিত্রতর; কিন্তু যদি তোমরা সক্ষম না হও তবে পরম ক্ষমাশীল, অতিশয় দয়ালু।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমরা রসূলের সাথে চুপে চুপে কথা বলতে চাইলে তার আগে হাদিয়া প্রদান করবে। এটা উত্তম এবং পবিত্র। যদি তা করতে তোমরা সমর্থ না হও, তবে ক্ষমাশীল, দয়াময়।
মুহিউদ্দীন খান
মুমিনগণ, তোমরা রসূলের কাছে কানকথা বলতে চাইলে তৎপূর্বে সদকা প্রদান করবে। এটা তোমাদের জন্যে শ্রেয়ঃ ও পবিত্র হওয়ার ভাল উপায়। যদি তাতে সক্ষম না হও, তবে ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে মু’মিনগণ! তোমরা রাসূলের সঙ্গে চুপি চুপি কথা বলিতে চাহিলে তাহার পূর্বে সাদাকা প্রদান করিবে, ইহাই তোমাদের জন্য শ্রেয় ও পরিশোধক ; যদি তাহাতে অক্ষম হও, ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
তোমরা কি ভয় পেয়ে গেলে যে, একান্ত পরামর্শের পূর্বে সদাকা পেশ করবে? হ্যাঁ, যখন তোমরা তা করতে পারলে না, আর আল্লাহও তোমাদের ক্ষমা করে দিলেন, তখন তোমরা কায়েম কর, যাকাত দাও এবং ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর। তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে সম্যক অবগত।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা কি চুপে চুপে কথা বলার আগে হাদিয়া প্রদানকে কষ্টকর মনে করো? যদি তোমরা হাদিয়া না দাও, তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। সুতরাং তোমরা কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো এবং ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করো। তোমরা যা করো, সে বিষয়ে খবর রাখেন।
মুহিউদ্দীন খান
তোমরা কি কানকথা বলার পূর্বে সদকা প্রদান করতে ভীত হয়ে গেলে? অতঃপর তোমরা যখন সদকা দিতে পারলে না এবং তোমাদেরকে মাফ করে দিলেন তখন তোমরা কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং ও রসূলের আনুগত্য কর। খবর রাখেন তোমরা যা কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা কি চুপে চুপে কথা বলিবার পূর্বে সাদাকা প্রদানকে কষ্টকর মনে কর! যখন তোমরা সাদাকা দিতে পারিলে না, আর তোমাদেরকে ক্ষমা করিয়া দিলেন, তখন তোমরা কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য কর। তোমরা যাহা কর তাহা সম্যক অবগত।
তুমি কি তাদের লক্ষ্য করনি, যারা এমন এক কওমের সাথে বন্ধুত্ব করে যাদের উপর আল্লাহর গযব নিপতিত হয়েছে? তারা তোমাদের দলভুক্ত নয় এবং তোমরাও তাদের দলভুক্ত নও। আর তারা জেনে শুনেই মিথ্যার উপর কসম করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করোনি, যারা সেই সম্প্রদায়ের সাথে (মুনাফিকদের সাথে) বন্ধুতা করে, যাদের প্রতি ক্ষুব্ধ। তারা তোমাদের লোক নয়, তোমরাও তাদের লোক নও। তারা জেনে শুনে মিথ্যা হলফ করে।
মুহিউদ্দীন খান
আপনি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করেননি, যারা আল্লাহর গযবে নিপতিত সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করে? তারা মুসলমানদের দলভুক্ত নয় এবং তাদেরও দলভূক্ত নয়। তারা জেনেশুনে মিথ্যা বিষয়ে শপথ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি কি তাহাদের প্রতি লক্ষ্য কর নাই যাহারা, যে সম্প্রদায়ের প্রতি রুষ্ট, তাহাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ? উহারা তোমাদের দলভুক্ত নয়, তাহাদের দলভুক্তও নয় এবং উহারা জানিয়া শুনিয়া মিথ্যা শপথ করে।
সেদিন তাদের সকলকে পুনরুত্থিত করবেন, তখন তারা আল্লাহর নিকট এমন কসম করবে যেমন কসম তোমাদের নিকট করে থাকে এবং তারা মনে করে যে, তারা কোন কিছুর উপর আছে। জেনে রাখ, নিশ্চয় এরা মিথ্যাবাদী।
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন তাদের সবাইকে পুনরুত্থিত করবেন, সেদিনও তারা আল্লাহর সাথে ঠিক সে রকম হলফই করবে, যে রকম হলফ করে তোমাদের সাথে। তারা মনে করে তারা গুরুত্বপূর্ণ কিছুর উপর রয়েছে। জেনে রাখো, আসলে তারা মিথ্যাবাদী।
মুহিউদ্দীন খান
যেদিন তাদের সকলকে পুনরুত্থিত করবেন। অতঃপর তারা আল্লাহর সামনে শপথ করবে, যেমন তোমাদের সামনে শপথ করে। তারা মনে করবে যে, তারা কিছু সৎপথে আছে। সাবধান, তারাই তো আসল মিথ্যাবাদী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে দিন পুনরুত্থিত করিবেন উহাদের সকলকে, তখন উহারা র নিকট সেইরূপ শপথ করিবে যেইরূপ শপথ তোমাদের নিকট করে এবং উহারা মনে করে যে, ইহাতে উহারা ভাল কিছুর উপর রহিয়াছে। সাবধান! উহারাই তো প্রকৃত মিথ্যাবাদী।
শয়তান এদের ওপর চেপে বসেছে এবং তাদেরকে আল্লাহর যিকির ভুলিয়ে দিয়েছে। এরাই শয়তানের দল। জেনে রাখ, নিশ্চয় শয়তানের দল ক্ষতিগ্রস্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
শয়তান তাদের উপর প্রভাব বিস্তার করে আছে। ফলে সে তাদের ভুলিয়ে দিয়েছে আল্লাহর যিকির। মূলত তারা হলো শয়তানের দল। আর জেনে রাখো, শয়তানের দল অবশ্যি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
মুহিউদ্দীন খান
শয়তান তাদেরকে বশীভূত করে নিয়েছে, অতঃপর আল্লাহর স্মরণ ভূলিয়ে দিয়েছে। তারা শয়তানের দল। সাবধান, শয়তানের দলই ক্ষতিগ্রস্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
শয়তান উহাদের উপর প্রভাব বিস্তার করিয়াছে ; ফলে উহাদেরকে ভুলাইয়া দিয়াছে র স্মরণ। উহারা শয়তানের দল। সাবধান ! শয়তানের দল অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত।
তুমি পাবে না এমন জাতিকে যারা ও পরকালের প্রতি ঈমান আনে, বন্ধুত্ব করে তার সাথে যে ও তাঁর রাসূলের বিরোধীতা করে, যদিও তারা তাদের পিতা, অথবা পুত্র, অথবা ভাই, অথবা জ্ঞাতি-গোষ্ঠী হয়। এরাই, যাদের অন্তরে ঈমান লিখে দিয়েছেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে রূ
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা আল্লাহর প্রতি এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে তুমি তাদের কাউকেও এমন পাবেনা, যে ও তাঁর রসূলের বিরোধিতাকারীর সাথে বন্ধুতা ও ভালোবাসা রাখে, বিরোধিতাকারীরা তাদের বাবা - মা, ছেলে - মেয়ে, ভাই - বোন এবং আত্মীয় - স্বজন হলেও। এদের অন্তরে লিখে দিয়েছেন ঈমান এবং তাদের সাহায্য করেছেন তাঁর পক্ষ থেকে রূহ (অহির জ্ঞান, কুরআন) দিয়ে। তিনি তাদের দাখিল করবেন জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর, চিরকাল থাকবে তারা সেখানে। তাদের প্রতি রাজি হয়ে গেছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি রাজি হয়েছে। এরাই আল্লাহর দল। আর জেনে রাখো, আল্লাহর দলই হবে সফল।
মুহিউদ্দীন খান
যারা ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাদেরকে আপনি ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবেন না, যদিও তারা তাদের পিতা, পুত্র, ভ্রাতা অথবা জ্ঞাতি - গোষ্ঠী হয়। তাদের অন্তরে ঈমান লিখে দিয়েছেন এবং তাদেরকে শক্তিশালী করেছেন তাঁর শক্তি দ্বারা। তিনি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। তারা তথায় চিরকাল থাকবে। তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। তারাই আল্লাহর দল। জেনে রাখ, আল্লাহর দলই হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি পাইবে না ও আখিরাতে এমন কোন সম্প্রদায়, যাহারা ভালবাসে ও তাঁহার রাসূলের বিরুদ্ধাচারীদেরকে - হউক না এই বিরুদ্ধাচারীরা তাহাদের পিতা, পুত্র, ভ্রাতা অথবা ইহাদের জ্ঞাতি - গোত্র। ইহাদের অন্তরে সুদৃঢ় করিয়াছেন ঈমান এবং তাহাদেরকে শক্তিশালী করিয়াছেন তাঁহার পক্ষ হইতে রূহ্ দ্বারা। তিনি ইহাদেরকে দাখিল করিবেন জান্নাতে, যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত; সেখানে ইহারা স্থায়ী হইবে ; ইহাদের প্রতি সন্তুষ্ট হইয়াছেন এবং ইহারাও তাঁহার প্রতি সন্তুষ্ট, ইহারাই র দল। জানিয়া রাখ, র দলই হইবে।