Kitab

আল দুখান (ধোঁয়া)

Chapter 44, 59 verses

  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
  • মুহিউদ্দীন খান
বয়ান ফাউন্ডেশন

হা-মীম।

আবদুস শহীদ নাসিম

হা মিম।

জহুরুল হক

হা মীম!

মুহিউদ্দীন খান

হা - মীম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুস্পষ্ট কিতাবের কসম!

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ এই সুস্পষ্ট কিতাবের।

জহুরুল হক

সুস্পষ্ট গ্রন্থের কথা ভেবে দেখো - -

মুহিউদ্দীন খান

শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি এটি নাযিল করেছি বরকতময় রাতে; নিশ্চয় আমি সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এটিকে নাযিল করেছি এক মুবারক রাতে। আমরা তো সতর্ককারী।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা এটি অবতারণ করেছি এক পবিত্র রাত্রিতে, নিঃসন্দেহ আমরা চির - সতর্ককারী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি একে নাযিল করেছি। এক বরকতময় রাতে, নিশ্চয় আমি সতর্ককারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই রাতে ফায়সালা করা হয় প্রতিটি বিজ্ঞানময় বিষয়

জহুরুল হক

এতে প্রত্যেক বিষয় সুস্পষ্ট করা হয় জ্ঞানভান্ডার দিয়ে,

মুহিউদ্দীন খান

এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমার নির্দেশে। নিশ্চয় আমি রাসূল প্রেরণকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের নির্দেশক্রমে। আমরা তো রসূল পাঠিয়ে থাকি

জহুরুল হক

আমাদের তরফ থেকে এক নির্দেশনামা। নিঃসন্দেহ আমরা সতত প্রেরণকারী, - -

মুহিউদ্দীন খান

আমার পক্ষ থেকে আদেশক্রমে, আমিই প্রেরণকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার রবের কাছ থেকে রহমত হিসেবে; নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ হিসেবে। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

জহুরুল হক

তোমার প্রভু কাছ থেকে এ এক অনুগ্রহ। নিঃসন্দেহ তিনি, তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা, - -

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু‘য়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব; যদি তোমরা দৃঢ় বিশ্বাস পোষণকারী হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি মহাকাশ ও পৃথিবীর প্রভু এবং এ দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সেগুলোরও, যদি তোমরা একীন রেখে থাকো।

জহুরুল হক

মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা আছে তার প্রভু, - - যদি তোমরা সুনিশ্চিত হও।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে দেখতে পাবে। তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যেবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি ছাড়া কোন (সত্য) নেই; তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু দেন। তিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পিতৃপুরুষদের রব।

আবদুস শহীদ নাসিম

কোনো ইলাহ্ নেই তিনি ছাড়া। তিনি হায়াত দান করেন এবং মউত ঘটান। তিনিই তোমাদের এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদের প্রভু।

জহুরুল হক

তিনি ব্যতীত অন্য উপাস্য নেই, তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান। তোমাদের প্রভু এবং পূর্বকালীন তোমাদের পিতৃপুরষদেরও প্রভু।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু দেন। তিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃ - পুরুষদেরও পালনকর্তা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বরং সন্দেহের বশবর্তী হয়ে খেলতামাশা করছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং তারা সন্দেহে থেকে খেলতামাশায় লিপ্ত হয়েছে।

জহুরুল হক

বস্তুতঃ তারা সন্দেহের মাঝে ছেলেখেলা খেলছে।

মুহিউদ্দীন খান

এতদসত্ত্বেও এরা সন্দেহে পতিত হয়ে ক্রীড়া - কৌতুক করছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব অপেক্ষা কর সেদিনের যেদিন স্পষ্ট ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হবে আকাশ।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তুমি অপেক্ষা করো সেই দিনটির যেদিন আসমান হয়ে পড়বে ঘোরতর ধোঁয়াচ্ছন্ন,

জহুরুল হক

সুতরাং তুমি অপেক্ষা কর সেই দিনের যখন আকাশ নেমে আসবে প্রকাশ্য ধোঁয়া নিয়ে, - -

মুহিউদ্দীন খান

অতএব আপনি সেই দিনের অপেক্ষা করুন, যখন আকাশ ধূয়ায় ছেয়ে যাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যা মানুষদেরকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে: এটি যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তা ঢেকে ফেলবে সমস্ত মানুষকেও। এ হবে এক বেদনাদায়ক আযাব।

জহুরুল হক

মানুষকে জড়িয়ে ফেলে। এ এক মর্মন্তদ শাস্তি।

মুহিউদ্দীন খান

যা মানুষকে ঘিরে ফেলবে। এটা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

(তখন তারা বলবে) ‘হে আমাদের রব, আমাদের থেকে আযাব দূর করুন; নিশ্চয় আমরা হব।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা বলতে থাকবে: ‘আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে সরিয়ে নাও আযাব। আমরা এখনই ঈমান আনছি।’

জহুরুল হক

''আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে নাও, নিঃসন্দেহ আমরা হচ্ছি।’’

মুহিউদ্দীন খান

হে আমাদের পালনকর্তা আমাদের উপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার করুন, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এখন কীভাবে তারা উপদেশ গ্রহণ করবে, অথচ ইতঃপূর্বে তাদের কাছে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনাকারী রাসূল এসেছিল?

আবদুস শহীদ নাসিম

কেমন করে তারা গ্রহণ করবে উপদেশ, অথচ তাদের কাছে এসেছিল একজন সুস্পষ্ট রসূল।

জহুরুল হক

কেমন ক’রে তাদের জন্য উপদেশ - গ্রন্থ হবে, অথচ তাদের কাছে একজন প্রকাশ্য রসূল এসেই গেছেন?

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি করে বুঝবে, অথচ তাদের কাছে এসেছিলেন স্পষ্ট বর্ণনাকারী রসূল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তারা তাঁর দিক থেকে বিমুখ হয়েছিল এবং বলেছিল ‘এ শিক্ষাপ্রাপ্ত পাগল’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা একথা বলে তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়: ‘এ তো এক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাগল।’

জহুরুল হক

কিন্ত তারা তখন তাঁর থেকে ফিরে গিয়েছিল আর বলেছিল - - ''শেখানো, পাগল।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তাকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে এবং বলে, সে তো উম্মাদ - শিখানো কথা বলে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি ক্ষণকালের জন্য আযাব দূর করব; নিশ্চয় তোমরা পূর্বাবস্থায় ফিরে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি কিছু কালের জন্যে আযাব সরিয়ে নিচ্ছি, কিন্তু তোমরা তো পূর্বাবস্থায় ফিরে যাবে।

জহুরুল হক

আমরা না হয় কিছুকালের জন্য শাস্তি স্থগিতই রাখব, কিন্ত তোমরা তো ফিরে যাবে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের উপর থেকে আযাব কিছুটা প্রত্যাহার করব, কিন্তু তোমরা পুনরায় পুনর্বস্থায় ফিরে যাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন আমি প্রবলভাবে পাকড়াও করব; নিশ্চয় আমি হব প্রতিশোধ গ্রহণকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আমরা তোমাদের প্রবলভাবে পাকড়াও করবো, সেদিন অবশ্যি আমরা তোমাদের থেকে প্রতিশোধ নেবো।

জহুরুল হক

যেদিন আমরা পাকড়াবো বিরাট ধড়পাকড়ে, সেদিন আমরা নিশ্চয়ই শেষ - পরিণতি দেখাব।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন আমি প্রবলভাবে ধৃত করব, সেদিন পুরোপুরি প্রতিশোধ গ্রহণ করবই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই এদের পূর্বে আমি ফির‘আউনের কওমকে পরীক্ষা করেছিলাম এবং তাদের কাছে এসেছিল এক সম্মানিত রাসূল,

আবদুস শহীদ নাসিম

এদের আগে আমরা ফেরাউনের জাতিকেও পরীক্ষা করেছিলাম এবং তাদের কাছে এসেছিল একজন সম্মানিত রসূল।

জহুরুল হক

আর তাদের আগে আমরা তো ফির'আউনের লোকদলকে পরীক্ষা করেইছিলাম, আর তাদের নিকট এক সম্মানিত রসূল এসেছিলেন,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পূর্বে আমি ফেরাউনের সম্প্রদায়কে পরীক্ষা করেছি এবং তাদের কাছে আগমন করেছেন একজন সম্মানিত রসূল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

(সে বলেছিল) ‘আল্লাহর বান্দাদেরকে আমার কাছে ফিরিয়ে দাও; নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তাদের বলেছিল: ‘‘আল্লাহর বান্দাদের (বনি ইসরাঈলকে) আমার হাতে প্রত্যার্পণ করো। আমি তোমাদের জন্যে একজন বিশ্বস্ত রসূল।

জহুরুল হক

এই বলে - - ''‌র বান্দাদের আমার নিকট ফেরত দাও, নিঃসন্দেহ আমি তোমাদের প্রতি একজন বিশ্বস্ত বাণীবাহক,

মুহিউদ্দীন খান

এই মর্মে যে, আল্লাহর বান্দাদেরকে আমার কাছে অর্পণ কর। আমি তোমাদের জন্য প্রেরীত বিশ্বস্ত রসূল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আল্লাহর বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করো না। নিশ্চয় আমি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসব।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর বিরুদ্ধে বড়াই করোনা, আমি (আল্লাহর পক্ষ থেকে) তোমাদের কাছে নিয়ে এসেছি সুস্পষ্ট প্রমাণ।

জহুরুল হক

''আর যেন তোমরা ‌র উপরে উঠতে যেও না, নিঃসন্দেহ আমি তোমাদের কাছে নিয়ে এসেছি এক সুস্পষ্ট দলিল।

মুহিউদ্দীন খান

আর তোমরা আল্লাহর বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করো না। আমি তোমাদের কাছে প্রকাশ্য প্রমাণ উপস্থিত করছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমাদের প্রস্তরাঘাত থেকে আমি আমার রব ও তোমাদের রবের কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যেনো আমাকে পাথর মেরে হত্যা করতে না পারো, সে জন্যে আমি আমার প্রভু এবং তোমাদের প্রভু (আল্লাহর) আশ্রয় গ্রহণ করেছি।

জহুরুল হক

''আর আমি আলবৎ আশ্রয় চাইছি আমার প্রভু ও তোমাদের প্রভুর কাছে, পাছে তোমরা আমাকে পাথর মে’রে মেরে ফেল।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যাতে আমাকে প্রস্তরবর্ষণে হত্যা না কর, তজ্জন্যে আমি আমার পালনকর্তা ও তোমাদের পালনকর্তার শরনাপন্ন হয়েছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তোমরা যদি আমার উপর বিশ্বাস না রাখ, তবে আমাকে ছেড়ে যাও।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যদি আমার প্রতি ঈমান না আনো, তাহলে আমার থেকে দূরে থাকো।’’

জহুরুল হক

''আর যদি তোমরা আমাতে বিশ্বাস না কর তাহলে আমাকে যেতে দাও।’’

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যদি আমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না কর, তবে আমার কাছ থেকে দূরে থাক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তার রবকে ডেকে বলল, ‘নিশ্চয় এরা এক অপরাধী সম্প্রদায়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর মূসা তার প্রভুকে ডেকে বললো: ‘এরা তো এক অপরাধী জাতি।’

জহুরুল হক

তারপর তিনি তাঁর প্রভুকে ডেকে বললেন - - ''এরা হচ্ছে এক অপরাধী জাতি।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে তার পালনকর্তার কাছে দোয়া করল যে, এরা অপরাধী সম্প্রদায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

( বললেন) ‘তাহলে আমার বান্দাদের নিয়ে রাতে বেরিয়ে পড়; নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হবে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তখন আমরা তাকে নির্দেশ দিয়েছি:) ‘তুমি রাতের বেলায় আমার দাসদের নিয়ে বেরিয়ে পড়ো। পেছনে থেকে তোমাদের ধাওয়া করা হবে।’

জহুরুল হক

''তাহলে আমার বান্দাদের নিয়ে রাত্রিকালে রওয়ানা হও, তোমরা অবশ্যই পশ্চাদ্ধাবিত হবে,

মুহিউদ্দীন খান

তাহলে তুমি আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাত্রিবেলায় বের হয়ে পড়। নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধবন করা হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সমুদ্রকে রেখে দাও শান্ত, নিশ্চয় তারা হবে এক ডুবন্ত বাহিনী’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সমুদ্রকে স্থির থাকতে দাও, ওরা সেই বাহিনী যারা ডুবে মরবে।

জহুরুল হক

আর সমুদ্রকে পেছনে রেখে যাও শান্ত অবস্থায়। নিঃসন্দেহ তারা হচ্ছে এমন এক বাহিনী যারা নিমজ্জিত হবে।’’

মুহিউদ্দীন খান

এবং সমুদ্রকে অচল থাকতে দাও। নিশ্চয় ওরা নিমজ্জত বাহিনী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা অনেক বাগান ও ঝর্না রেখেছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো যে বাগবাগিচা আর ঝরণাধারা পেছনে রেখে এসেছিল তারা!

জহুরুল হক

তারা পেছনে ফেলে এসেছে কত যে বাগান ও ঝরনা,

মুহিউদ্দীন খান

তারা ছেড়ে গিয়েছিল কত উদ্যান ও প্রস্রবন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

শ্যামল শস্যক্ষেত ও সুরম্য বাসস্থান,

আবদুস শহীদ নাসিম

রেখে এসেছিল শস্য ক্ষেত, বিলাসবহুল প্রাসাদ,

জহুরুল হক

আর খেত - খামার ও মনোরম বাসস্থান,

মুহিউদ্দীন খান

কত শস্যক্ষেত্র ও সূরম্য স্থান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নানা বিলাস-সামগ্রী, যাতে তারা আনন্দ উপভোগ করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর কতো যে বিলাস সামগ্রী, যেগুলোতে তারা ছিলো উল্লাসে মত্ত।

জহুরুল হক

আর ভোগসামগ্রী যাতে তারা অবস্থান করত।

মুহিউদ্দীন খান

কত সুখের উপকরণ, যাতে তারা খোশগল্প করত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এমনটিই হয়েছিল এবং আমি এগুলোর উত্তরাধিকারী করেছিলাম অন্য কওমকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমনটিই ঘটেছিল, আর আমরা এসব কিছুর ওয়ারিশ বানিয়েছিলাম অপর একদল লোককে।

জহুরুল হক

এইভাবেই, আর এইসব আমরা অন্য এক জাতিকে উত্তরাধিকার করতে দিয়েছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

এমনিই হয়েছিল এবং আমি ওগুলোর মালিক করেছিলাম ভিন্ন সম্প্রদায়কে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আসমান ও যমীন তাদের জন্য কাঁদেনি এবং তারা অবকাশপ্রাপ্ত ছিল না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আসমান কিংবা জমিন কেউই তাদের জন্যে অশ্রুপাত করেনি এবং তাদের কোনো প্রকার অবকাশও দেয়া হয়নি।

জহুরুল হক

তারপর মহাকাশ ও পৃথিবী তাদের জন্য কাঁদে নি, আর তারা অবকাশপ্রাপ্তও হয়নি।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জন্যে ক্রন্দন করেনি আকাশ ও পৃথিবী এবং তারা অবকাশও পায়নি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি বনী ইসরাঈলকে লাঞ্ছনাদায়ক আযাব থেকে উদ্ধার করেছিলাম,

আবদুস শহীদ নাসিম

(এভাবে) আমরা নাজাত (মুক্তি) দিয়েছিলাম বনি ইসরাঈলকে লাঞ্ছনাকর আযাব থেকে,

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই ইসরাইলের বংশধরদের উদ্ধার করে দিয়েছিলাম লাঞ্ছনা - দায়ক শাস্তি থেকে - -

মুহিউদ্দীন খান

আমি বনী - ইসরাঈলকে অপমানজনক শাস্তি থেকে উদ্ধার করছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন থেকে, নিশ্চয় সে ছিল সীমালঙ্ঘনকারীদের শীর্ষস্থানীয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউনের কবল থেকে, সে ছিলো এক উদ্ধত সীমালংঘনকারী।

জহুরুল হক

ফির'আউনের থেকে। নিঃসন্দেহ সে ছিল মহাউদ্ধত, সীমালংঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন সে ছিল সীমালংঘনকারীদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি জ্ঞাতসারেই তাদেরকে সকল সৃষ্টির উপর নির্বাচিত করেছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা জেনে বুঝেই জমিনে তাদের দিয়েছিলাম শ্রেষ্ঠত্ব।

জহুরুল হক

আর আমরা অবশ্য জেনে - শুনেই তাদের নির্বাচন করেছিলাম লোকজনের উপরে,

মুহিউদ্দীন খান

আমি জেনেশুনে তাদেরকে বিশ্ববাসীদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদেরকে এমন নিদর্শনাবলী দিয়েছিলাম যাতে ছিল সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা তাদের দিয়েছিলাম নিদর্শনাবলি, যাতে ছিলো সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

জহুরুল হক

আর তাদের দিয়েছিলাম কতক নিদর্শনাবলী যার মধ্যে ছিল এক সুস্পষ্ট পরীক্ষা।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমি তাদেরকে এমন নিদর্শনাবলী দিয়েছিলাম যাতে ছিল স্পষ্ট সাহায্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তারা বলেই থাকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এখন কিনা এরা বলছে:

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এরা তো বলেই থাকে - -

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা বলেই থাকে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই নেই এবং আমরা পুনরুত্থিত হবার নই’।

আবদুস শহীদ নাসিম

‘‘আমাদের প্রথম মউত ছাড়া আর কিছু নেই, আমাদের পুনরুত্থিত করা হবেনা।

জহুরুল হক

''এইটি আমাদের প্রথমবারের মৃত্যু বৈ তো নয়, কাজেই আমরা তো আর পুনরুত্থিত হবো না।

মুহিউদ্দীন খান

প্রথম মৃত্যুর মাধ্যমেই আমাদের সবকিছুর অবসান হবে এবং আমরা পুনরুত্থিত হব না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে নিয়ে এসো’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা সত্যবাদী হলে আমাদের পূর্ব পুরুষদের উঠিয়ে এনে দেখাও।’’

জহুরুল হক

''তাহলে আমাদের পিতৃপুরুষদের নিয়ে এস, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’’

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে নিয়ে এস।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি শ্রেষ্ঠ না তুব্বা সম্প্রদায় এবং তাদের পূর্বে যারা ছিল তারা? আমি তাদেরকে ধ্বংস করেছিলাম। নিশ্চয় তারা ছিল অপরাধী।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরাই কি শ্রেষ্ঠ, নাকি তুববা জাতি এবং তাদের আগেকার লোকেরা? আমরা তাদের হালাক (ধ্বংস) করে দিয়েছিলাম, কারণ তারা ছিলো অপরাধী।

জহুরুল হক

এরাই কি ভাল, না তুব্বার লোকেরা, এবং যারা এদের পূর্ববর্তী ছিল? আমরা তাদের ধ্বংস করেছিলাম, কারণ তারা ছিল অপরাধী।

মুহিউদ্দীন খান

ওরা শ্রেষ্ঠ, না তুব্বার সম্প্রদায় ও তাদের পূর্ববর্তীরা? আমি ওদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছি। ওরা ছিল অপরাধী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদোভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মহাকাশ, এই পৃথিবী এবং এদের মধ্যবর্তী সবকিছু খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।

জহুরুল হক

আর আমরা মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী আর এ দুইয়ের মধ্যে যা - কিছু আছে তা ছেলে - খেলার জন্য সৃষ্টি করি নি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি এ দু’টোকে যথাযথভাবেই সৃষ্টি করেছি, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এ দুটো (মহাকাশ ও পৃথিবী) বাস্তব কারণ ছাড়া সৃষ্টি করিনি। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই জানেনা।

জহুরুল হক

আমরা এদুটিকে সত্যের জন্য ভিন্ন সৃষ্টি করি নি, কিন্ত তাদের অধিকাংশই জানে না।

মুহিউদ্দীন খান

আমি এগুলো যথাযথ উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছি; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় ফয়সালার দিনটি তাদের সকলের জন্যই নির্ধারিত সময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

বিচারের দিনই হলো তাদের মিকাত (শেষ সীমা ও শেষ সময়)।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ ফয়সালার দিন হচ্ছে তাদের সবার নির্ধারিত দিনকাল,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় ফয়সালার দিন তাদের সবারই নির্ধারিত সময়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন বন্ধু বন্ধুর উপকারে আসবেনা এবং সাহায্যও করা হবেনা তাদের।

জহুরুল হক

যেদিন এক বন্ধু আরেক বন্ধুর থেকে কোনো প্রকারে লাভবান হবে না, আর তাদের সাহায্যও করা হবে না, - -

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন কোন বন্ধুই কোন বন্ধুর উপকারে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে ছাড়া, যার প্রতি অনুগ্রহ করেন। নিশ্চয় তিনিই মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যার প্রতি রহম করবেন, তার কথা ভিন্ন। নিশ্চয়ই তিনি মহাশক্তিধর, পরম করুণাময়।

জহুরুল হক

তারা ব্যতীত যাদের প্রতি করুণা করেছেন। নিঃসন্দেহ তিনি, তিনিই তো মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

তবে যার প্রতি দয়া করেন, তার কথা ভিন্ন। নিশ্চয় তিনি পরাক্রমশালী দয়াময়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যাক্কূম বৃক্ষ

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যাক্কুম গাছ হবে

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যিক্কুম বৃক্ষ,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় যাক্কুম বৃক্ষ

বয়ান ফাউন্ডেশন

পাপীর খাদ্য;

আবদুস শহীদ নাসিম

পাপিষ্ঠদের খাদ্য,

জহুরুল হক

পাপীদের খাদ্য, - -

মুহিউদ্দীন খান

পাপীর খাদ্য হবে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

গলিত তামার মত, উদরসমূহে ফুটতে থাকবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

গলিত তামার মতো ফুটতে থাকবে তাদের পেটে,

জহুরুল হক

গলিত পিতলের মতো, - - পেটের ভেতরে,

মুহিউদ্দীন খান

গলিত তাম্রের মত পেটে ফুটতে থাকবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফুটন্ত পানির মত

আবদুস শহীদ নাসিম

যেভাবে ফোটে টগবগে ফুটন্ত পানি।

জহুরুল হক

ফুটন্ত পানির টগবগ করার মতো।

মুহিউদ্দীন খান

যেমন ফুটে পানি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

(বলা হবে) ‘ওকে ধর, অতঃপর তাকে জাহান্নামের মধ্যস্থলে টেনে নিয়ে যাও’।

আবদুস শহীদ নাসিম

(বলা হবে:) ওকে পাকড়াও করো এবং টেনে নিয়ে যাও জাহিমের (জাহান্নামের) মাঝখানে,

জহুরুল হক

''তাকে পাকড়ো, তারপর তাকে টেনে নিয়ে যাও ভয়ংকর আগুনের মাঝখানে,

মুহিউদ্দীন খান

একে ধর এবং টেনে নিয়ে যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তার মাথার উপর ফুটন্ত পানির আযাব ঢেলে দাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তার মাথায় ঢালো টগবগে ফুটন্ত পানির আযাব।

জহুরুল হক

''তারপর তার মাথার উপরে ঢেলে দাও ফুটন্ত পানির শাস্তি,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তার মাথার উপর ফুটন্ত পানির আযাব ঢেলে দাও,

বয়ান ফাউন্ডেশন

(বলা হবে) ‘তুমি আস্বাদন কর, নিশ্চয় তুমিই সম্মানিত, অভিজাত’।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তাকে আরো বলা হবে:) স্বাদ গ্রহণ করো, তুমি ছিলে বড় ইযযতওয়ালা, অভিজাত।

জহুরুল হক

''আস্বাদ কর, তুমি তো ছিলে মহাশক্তিশালী, পরম সম্মানিত!’

মুহিউদ্দীন খান

স্বাদ গ্রহণ কর, তুমি তো সম্মানিত, সম্ভ্রান্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এটা তা-ই যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ হলো সেই জিনিস, যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করতে।

জহুরুল হক

''আলবৎ এ হচ্ছে সেই যে - সন্বন্ধে তোমরা সন্দেহ করতে।’’

মুহিউদ্দীন খান

এ সম্পর্কে তোমরা সন্দেহে পতিত ছিলে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে নিরাপদ স্থানে,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই মুত্তাকিরা থাকবে নিরাপদ জায়গায়,

জহুরুল হক

অবশ্য ধর্মভীরুরা থাকবে নিরাপদ স্থানে - -

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় খোদাভীরুরা নিরাপদ স্থানে থাকবে -

বয়ান ফাউন্ডেশন

বাগ-বাগিচা ও ঝর্নাধারার মধ্যে,

আবদুস শহীদ নাসিম

উদ্যানরাজি আর ঝরণাধারা সমূহের মাঝে,

জহুরুল হক

বাগানের ও ঝরনার মধ্যে,

মুহিউদ্দীন খান

উদ্যানরাজি ও নির্ঝরিণীসমূহে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা পরিধান করবে পাতলা ও পুরু রেশমী বস্ত্র এবং বসবে মুখোমুখী হয়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেখানে পরবে মিহি ও পুরো রেশমের পোশাক এবং বসবে মুখোমুখি হয়ে।

জহুরুল হক

তারা পরিধান করবে মিহি রেশম ও পুরু জরিদার পোশাক, পরস্পরের মুখোমুখি হয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা পরিধান করবে চিকন ও পুরু রেশমীবস্ত্র, মুখোমুখি হয়ে বসবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এরূপই ঘটবে, আর আমি তাদেরকে বিয়ে দেব ডাগর নয়না হূরদের সাথে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমনটিই ঘটবে, আর আমরা তাদের সংগিনী হিসেবে তাদের সাথে বিয়ে দেবো বড় চোখওয়ালা নারীদের।

জহুরুল হক

এইভাবেই! আমরা তাদের জোড় মিলিয়ে দেব আয়তলোচন হূরদের সাথে।

মুহিউদ্দীন খান

এরূপই হবে এবং আমি তাদেরকে আনতলোচনা স্ত্রী দেব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেখানে তারা প্রশান্তচিত্তে সকল প্রকারের ফলমূল আনতে বলবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা সব রকমের ফলফলারি আনতে বলবে প্রশান্ত হৃদয়ে।

জহুরুল হক

সেখানে তারা আনতে বলবে বিবিধ ফলফসল, নিরাপত্তার সাথে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সেখানে শান্ত মনে বিভিন্ন ফল - মূল আনতে বলবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

প্রথম মৃত্যুর পর সেখানে তারা আর মৃত্যু আস্বাদন করবে না। আর তিনি তাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রথম যে মৃত্যু হয়েছে তাছাড়া আর কোনো মৃত্যু তারা আস্বাদন করবেনা এবং তাদের রক্ষা করা হবে জাহিমের (জাহান্নামের) আযাব থেকে।

জহুরুল হক

তারা সেখানে মৃত্যু আস্বাদন করবে না প্রথমবারের মৃত্যু ব্যতীত; আর তিনি তাদের রক্ষা করবেন ভয়ংকর আগুনের শাস্তি থেকে - -

মুহিউদ্দীন খান

তারা সেখানে মৃত্যু আস্বাদন করবে না, প্রথম মৃত্যু ব্যতীত এবং আপনার পালনকর্তা তাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার রবের অনুগ্রহস্বরূপ, এটাই তো মহা সাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

এসবই তোমার প্রভুর অনুগ্রহ। এটাই হবে মহাসাফল্য।

জহুরুল হক

তোমার প্রভুর কাছ থেকে এ এক করুণা। এটি খোদ এক বিরাট সাফল্য।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তার কৃপায় এটাই মহা সাফল্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তো তোমার ভাষায় কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই কুরআনকে আমরা তোমার ভাষায় সহজ করে দিয়েছি, যাতে করে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

জহুরুল হক

সুতরাং আমরা নিশ্চয় এটিকে তোমার ভাষায় সহজ করে দিয়েছি যেন তারা মনোনিবেশ করতে পারে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনার ভাষায় কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে তারা স্মরণ রাখে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি অপেক্ষা কর, তারাও অপেক্ষাকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তুমি অপেক্ষা করো, তারাও প্রতীক্ষায়ই আছে।

জহুরুল হক

সুতরাং তুমি প্রতীক্ষা কর, নিঃসন্দেহ তারাও অপেক্ষমাণ রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি অপেক্ষা করুন, তারাও অপেক্ষা করছে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme