Kitab

আল হিজর (হিজর নামক একটি পাহাড়ী উপত্যকা)

Chapter 15, 99 verses

  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
বয়ান ফাউন্ডেশন

আলিফ-লাম-রা; এ হল কিতাব ও সুস্পষ্ট কুরআনের আয়াতসমূহ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ - লাম - রা। এগুলো আয়াত আল কিতাব এবং সুস্পষ্ট কুরআনের।

জহুরুল হক

আলিফ, লাম, রা। এগুলো হচ্ছে ধর্মগ্রন্থের আয়াতসমূহ, আর একটি সুস্পষ্ট পাঠ্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কোন কোন সময় কাফিরেরা আকাংখা করবে যে, তারা যদি মুসলিম হত!

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররাও কখনো কখনো আকাঙ্খা করে, যদি তারা মুসলিম হতো!

জহুরুল হক

সময়কালে যারা অবিশ্বাস করেছিল তারা চাইবে যে যদি তারা মুসলিম হতো!

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদেরকে ছেড়ে দাও, আহারে ও ভোগে তারা মত্ত থাকুক এবং আশা তাদেরকে গাফেল করে রাখুক, আর অচিরেই তারা জানতে পারবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের উপেক্ষা করো: তারা খেতে থাকুক, ভোগ করতে থাকুক এবং তাদের আশা - আকাঙ্খা তাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখুক। অচিরেই তারা জানতে পারবে।

জহুরুল হক

ছেড়ে দাও তাদের খানাপিনা করতে ও আমোদ - আাদ করতে, আর আশা - আকাঙ্খা তাদের ভুলিয়ে রাখুক, যেহেতু শীগগিরই তারা বুঝতে পারবে!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করিনি তার জন্য নির্ধারিত সময় ছাড়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যে কোনো জনপদকেই হালাক করেছি, তার অবশ্যি একটি নির্দিষ্ট মেয়াদকাল রেকর্ড করা ছিলো।

জহুরুল হক

আর আমরা কোনো জনপদকে ধ্বংস করি নি যে পর্যন্ত না তার জন্য বিধান মালুম করানো হয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কোন জাতিই তাদের সুনির্ধারিত সময় থেকে আগে বাড়তে পারে না আর পিছাতেও পারে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

কোনো উম্মতের (ধ্বংসের) মেয়াদকাল এগিয়েও আসেনা এবং পিছিয়েও যায়না।

জহুরুল হক

কোনো জাতি তার নির্ধারিত কাল ত্বরান্বিত করতে পারবে না, আর তারা বিলন্বিত করতে পারবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলল, ‘হে ঐ ব্যক্তি, যার উপর কুরআন নাযিল করা হয়েছে, তুমি তো নিশ্চিত পাগল’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘‘হে ঐ ব্যক্তি, যার প্রতি আয - যিকির (আল - কুরআন) নাযিল করা হয়েছে, তুমি অবশ্যি একজন পাগল।

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''ওহে যার কাছে স্মারকগ্রন্থ অবতীর্ণ হয়েছে! তুমি তো আলবৎ মাথা - পাগলা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘কেন আমাদের কাছে ফেরেশতা নিয়ে আসছ না, যদি তুমি সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাক’?

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকলে আমাদের কাছে ফেরেশতা নিয়ে আসোনা কেন?’’

জহুরুল হক

''তুমি কেন আমাদের কাছে ফিরিশ্‌তাদের নিয়ে এস না, যদি তুমি সত্যবাদীদের মধ্যেকার হও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি যথাযথ কারণ ছাড়া ফেরেশতাদের নাযিল করি না, আর (নাযিল করলে) তখন তারা অবকাশও পেত না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তো বাস্তব পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া ছাড়া ফেরেশতা পাঠাইনা; আর যখনই ফেরেশতা পাঠাই তখন আর তাদের অবকাশ দেয়া হয়না।

জহুরুল হক

আমরা ফিরিশ্‌তাদের পাঠাই না সত্যের সাথে ছাড়া, আর তখন তারা অবকাশ প্রাপ্ত হবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি কুরআন* নাযিল করেছি, আর আমিই তার হেফাযতকারী। * الذكر দ্বারা উদ্দেশ্য কুরআন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আয - যিকির (আল - কুরআন) আমরাই নাযিল করেছি এবং আমরাই সেটির হিফাযতকারী।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা নিজেই স্মারকগ্রন্থ অবতারণ করেছি, আর আমরাই তো এর সংরক্ষণকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তোমার পূর্বে অতীত সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে রাসূল প্রেরণ করেছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগেকার অনেক সম্প্রদায়ের কাছেই আমরা রসূল পাঠিয়েছিলাম।

জহুরুল হক

আর তোমার আগে আমরা নিশ্চয়ই পাঠিয়েছিলাম প্রাচীনকালের সম্প্রদায়ের মধ্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখনই তাদের নিকট কোন রাসূল আসত তারা তাকে নিয়ে উপহাস করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখনই তাদের কাছে কোনো রসূল এসেছে তারা (তাকে নিয়ে) বিদ্রূপ করেছে

জহুরুল হক

কিন্তু তাদের কাছে এমন কোনো রসূল আসেন নি যাঁকে নিয়ে তারা ঠাট্টা - বিদ্রূপ করত না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এমনিভাবে আমি তা অপরাধীদের অন্তরে সঞ্চার করি।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে আমরা (সর্বকালের) অপরাধীদের অন্তরে তা (কুফুরি ও হঠকারিতা) সঞ্চার করি।

জহুরুল হক

এইভাবে আমরা একে অপরাধীদের অন্তরে প্রবেশ করাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা এতে ঈমান আনবে না, আর পূর্ববর্তীদের (ব্যাপারে আল্লাহর) রীতি তো বিগত হয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা এর (কুরআনের) প্রতি ঈমান আনেনা। আর অতীতের (অপরাধীদের) সুন্নতও ছিলো এটাই।

জহুরুল হক

তারা এতে বিশ্বাস করে না, অথচ পূর্ববর্তীদের নজীর অবশ্যই গত হয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি আমি তাদের জন্য আসমানের কোন দরজা খুলে দিতাম, অতঃপর তারা তাতে আরোহণ করতে থাকত ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যদি তাদের জন্যে আসমানের দুয়ারও খুলে দিতাম এবং তারা যদি দিবালোকে তাতে মেরাজ (আরোহণ) করতেও থাকতো,

জহুরুল হক

আর যদি আমরা তাদের জন্য মহাকাশের দরজা খুলে দিই আর তাতে তারা আরোহণ করতে থাকে - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবুও তারা বলত, নিশ্চয় আমাদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়া হয়েছে, বরং আমরা তো যাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখনো তারা বলতো, আমাদের চোখকে সম্মোহিত করা হয়েছে, বরং আমরা জাদুগ্রস্ত লোক।

জহুরুল হক

তারা তবুও বলবে - - ''আমাদের চোখে ধাঁধা লেগেছে, আমরা বরং মোহাচ্ছন্ন দল হয়েছি।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি আসমানে স্থাপন করেছি কক্ষপথসমূহ এবং তাকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছি দর্শকদের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আসমানে বুরুজ (গ্রহ - নক্ষত্র) স্থাপন করেছি এবং সেগুলোকে দর্শকদের জন্যে শোভামন্ডিত করেছি।

জহুরুল হক

আর বাস্তবিকই আমরা আকাশে দুর্গ তৈরি করেছি, আর তা সুশোভিত করেছি দর্শকদের জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে সুরক্ষিত করেছি প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং প্রতিটি অভিশপ্ত শয়তান থেকে সেটিকে হিফাযত করেছি।

জহুরুল হক

আর আমরা তাকে রক্ষা করি প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তানের থেকে, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে যে গোপনে শোনে, তৎক্ষণাৎ সুস্পষ্ট জ্বলন্ত অগ্নিশিখা তার পিছু নেয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে কেউ যদি চুরি করে সংবাদ শুনতে চায় তার পশ্চাদধাবন করে উজ্জ্বল শিহাব (শিখা)।

জহুরুল হক

সে ব্যতীত যে লুকিয়ে শোনে, ফলে তার পশ্চাদ্ধাবন করে প্রখর অগ্নিশিখা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যমীনকে আমি বিস্তৃত করেছি এবং তাতে সুদৃঢ় পাহাড় স্থাপন করেছি। আর তাতে উৎপন্ন করেছি সকল প্রকার বস্তু সুনির্দিষ্ট পরিমাণে ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পৃথিবী, আমরা তাকে সমতল করে বিছিয়ে দিয়েছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পাহাড় - পর্বত এবং তাতে উৎপন্ন করেছি প্রতিটি জিনিস ওজন মতো (যথাযথ পরিমাণে)।

জহুরুল হক

আর পৃথিবী - - আমরা তাকে প্রসারিত করেছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পর্বতমালা, আর তাতে উৎপন্ন করেছি হরেক রকমের জিনিস সুপরিমিতভাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাতে তোমাদের জন্য এবং তোমরা যার রিয্ক দাতা নও তাদের জন্য রেখেছি জীবনোপকরণ ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে ব্যবস্থা করে দিয়েছি তোমাদের জীবিকার, এবং তাদের জীবিকারও যাদের জীবিকাদাতা তোমরা নও।

জহুরুল হক

আর তোমাদের জন্য তাতে সৃষ্টি করেছি খাদ্যবস্তু, আর তোমরা যাদের জীবিকাদাতা নও তাদের জন্যেও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর প্রতিটি বস্তুরই ভান্ডারসমূহ রয়েছে আমার কাছে এবং আমি তা অবতীর্ণ করি কেবল নির্দিষ্ট পরিমাণে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমন কোনো জিনিস নেই, আমাদের কাছে যার ভান্ডার রক্ষিত নেই। আমরা তা নাযিল করি জ্ঞাত নির্দিষ্ট পরিমাণে।

জহুরুল হক

আর এমন কোনো - কিছু নেই যার ভান্ডার আমাদের কাছে নয়, আর আমরা তা পাঠাই না নির্ধারিত পরিমাপে ছাড়া।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি বায়ুকে ঊর্বরকারীরূপে প্রেরণ করি অতঃপর আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করি এবং তা তোমাদের পান করাই। তবে তোমরা তার সংরক্ষণকারী নও।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা বর্ষণমুখী মেঘবাহী বাতাস পাঠাই, তারপর আসমান থেকে নাযিল করি পানি এবং তা তোমাদের পান করাই, অথচ তোমরা তো সেই (পানি) ভান্ডারের মালিক নও।

জহুরুল হক

আর আমরা উর্বরতা - সঞ্চারক বায়ু পাঠাই, তারপর আকাশ থেকে আমরা পানি পাঠাই, তখন তোমাদের তা পান করতে দিই, আর তোমরা তার কোষাধ্যক্ষ নও!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় আমি জীবিত করি ও মৃত্যু দেই এবং আমিই ওয়ারিস।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরাই হায়াত দেই এবং মউত ঘটাই এবং আমরাই ওয়ারিশ (মালিক)।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ আমরা নিজেই জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই, আর আমরাই হচ্ছি উত্তরাধিকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি জানি তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে এবং অবশ্যই জানি পরবর্তীদেরকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাদের বিগতদের জানি এবং যারা আসবে তাদেরও জানি।

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই জানি তোমাদের মধ্যের অগ্রগামীদের, আর আমরা অবশ্য জানি পশ্চাতে - পড়ে - থাকাদের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তোমার রব তাদেরকে একত্র করবেন। নিশ্চয় তিনি প্রজ্ঞাময় ও সর্বজ্ঞানী।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমার প্রভু তাদের সবার হাশর করবেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু - - তিনি তাদেরকে একত্রে সমবেত করবেন। তিনি নিশ্চয়ই পরমজ্ঞানী, সর্বজ্ঞাতা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুকনো ঠনঠনে, কালচে কাদামাটি থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা সৃষ্টি করেছি মানুষকে গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই মানুষ সৃষ্টি করেছি আওয়াজদায়ক মাটি থেকে, কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ইতঃপূর্বে জিনকে সৃষ্টি করেছি উত্তপ্ত অগ্নিশিখা থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তাদের আগে আমরা জিনদের সৃষ্টি করেছি শিখাযুক্ত আগুন থেকে।

জহুরুল হক

আর আমরা এর আগে জিন সৃষ্টি করেছি প্রখর আগুন দিয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর স্মরণ কর, যখন তোমার রব ফেরেশতাদের বললেন, ‘আমি একজন মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি শুকনো ঠনঠনে কালচে মাটি থেকে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

(স্মরণ করো,) যখন তোমার প্রভু ফেরেশতাদের বলেছিলেন, আমি মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।

জহুরুল হক

আর স্মরণ কর! তোমার প্রভু ফিরিশ্‌তাদের বললেন - - ''নিঃসন্দেহ আমি মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি আওয়াজদায়ক মাটি থেকে, - - কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘অতএব যখন আমি তাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেব এবং তার মধ্যে আমার রূহ ফুঁকে দেব, তখন তোমরা তার জন্য সিজদাবনত হও’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি যখন তাকে সুগঠিত করবো এবং আমার পক্ষ থেকে তাতে রূহ সঞ্চার করে দেবো, তখন তোমরা তার প্রতি সাজদায় নুয়ে পড়বে।

জহুরুল হক

সুতরাং যখন আমি তাকে সুঠাম করব আর তাতে আমার রূহ্ ফুকঁবো তখন তার প্রতি তোমরা পড় সিজদাবনত হয়ে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর, ফেরেশতারা সকলেই সিজদা করল।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে ফেরেশতারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে সাজদা করে।

জহুরুল হক

তখন ফিরিশ্‌তারা সিজদা করলে, তাদের সবাই সববেত - ভাবে, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইবলীস ছাড়া। সে সিজদাকারীদের সঙ্গী হতে অস্বীকার করল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে করেনি শুধু ইবলিস। সে সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত হতে অস্বীকার করে।

জহুরুল হক

ইবলিস ব্যতীত, সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে অস্বীকার করল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি বললেন, ‘হে ইবলীস, তোমার কী হল যে, তুমি সিজদাকারীদের সঙ্গী হলে না’?

আবদুস শহীদ নাসিম

বললেন: ‘হে ইবলিস! তোর কী হয়েছে, তুই কেন সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত হইস্নি?’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''হে ইবলিস! তোমার কি হয়েছে যে তুমি সিজদাকারীদের সঙ্গী হলে না?’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘আমি তো এমন নই যে, একজন মানুষকে আমি সিজদা করব, যাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন শুকনো ঠনঠনে কালচে মাটি থেকে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘‘আমি তো এমন একজনকে সাজদা করতে পারিনা, যাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।’

জহুরুল হক

সে বললে - - ''আমি তেমন নই যে আমি সিজদা করব একজন মানুষকে যাকে তুমি সৃষ্টি করেছ আওয়াজদায়ক মাটি থেকে - - কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি বললেন, ‘তাহলে তুমি এখান থেকে বেরিয়ে যাও, তুমি বিতাড়িত’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি বললেন: ‘‘তুই ওখান থেকে বেরিয়ে যা, কারণ তুই অভিশপ্ত।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তাহলে বেরিয়ে যাও এখান থেকে, কেননা নিঃসন্দেহ তুমি বিতাড়িত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর নিশ্চয় কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তোমার উপর লা‘নত’।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিদান দিবস পর্যন্ত বর্ষিত হবে তোর উপর লা’নত।’’

জহুরুল হক

''আর নিশ্চয় তোমার উপরে থাকবে অসন্তষ্টি শেষবিচারের দিন পর্যন্ত।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘হে আমার রব, তাহলে আমাকে অবকাশ দিন সে দিন পর্যন্ত, যেদিন তাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘প্রভু! আমাকে অবকাশ দিন পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।’

জহুরুল হক

সে বললে - - ''আমার প্রভু! তবে আমাকে অবকাশ দাও সেই দিন পর্যন্ত যখন তাদের পুনরুত্থিত করা হবে!’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি বললেন, ‘তুমি নিশ্চয় অবকাশপ্রাপ্তদের একজন’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি বললেন: ‘‘যা, তুই তাদের অন্তরভুক্ত যাদের অবকাশ দেয়া হয়েছে।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তবে তুমি নিশ্চয়ই অবকাশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নির্ধারিত সময়ের দিন পর্যন্ত’।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবধারিত সময়টির (কিয়ামত) আগমন পর্যন্ত।’’

জহুরুল হক

নির্ধারিত সময়ের দিন পর্যন্ত।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘হে আমার রব, যেহেতু আপনি আমাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তাই যমীনে আমি তাদের জন্য (পাপকে) শোভিত করব এবং নিশ্চয় তাদের সকলকে পথভ্রষ্ট করব’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘‘প্রভু! যেহেতু আপনি আমাকে বিপথগামী করেছেন, সে জন্যে আমি পৃথিবীতে তাদের (মানুষের) জন্যে বিপথগামিতাকে চাকচিক্যময় করে তুলবো এবং তাদের সবাইকে বিপথগামী করে ছাড়বো।

জহুরুল হক

সে বললে - - ''আমার প্রভু! তুমি যেমনি আমাকে বিপথে যেতে দিয়েছ, আমিও তেমনি নিশ্চয়ই তাদের নিকট চিত্তাকর্ষক করব এই পৃথিবীতে, আর অবশ্যই তাদের একসাথে বিপথগামী করব - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের মধ্য থেকে আপনার একান্ত বান্দাগণ ছাড়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তাদের মধ্যকার আপনার মুখলেস বান্দাদের কথা ভিন্ন।’’

জহুরুল হক

তাদের মধ্যে তোমার খাস বান্দাদের ব্যতীত।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি বললেন, ‘এটা আমার দিকে আনয়নকারী সরল পথ’।

আবদুস শহীদ নাসিম

বললেন: ‘‘এটাই আমার কাছে পৌঁছার সরল সঠিক পথ।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''এটিই হচ্ছে আমার দিকে সহজ - সঠিক পথ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় আমার বান্দাদের উপর তোমার কোন ক্ষমতা নেই, তবে পথভ্রষ্টরা ছাড়া যারা তোমাকে অনুসরণ করেছে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার দাসদের উপর তোর কোনো কর্তৃত্ব খাটবেনা, তবে বিভ্রান্তদের যারা তোর অনুসরণ করবে তাদের কথা ভিন্ন।

জহুরুল হক

''নিঃসন্দেহ আমার দাসদের সন্বন্ধে - - তাদের উপরে তোমার কোনো আধিপত্য নেই, বিপথগামীদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করে তাদের ব্যতীত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর নিশ্চয় জাহান্নাম তাদের সকলের প্রতিশ্রুত স্থান’।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি তাদের সবার প্রতিশ্রুত স্থান হলো জাহান্নাম।

জহুরুল হক

''আর নিঃসন্দেহ জাহান্নাম হচ্ছে তাদের সকলের জন্য প্রতি‌শ্রুত স্থান - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তার সাতটি দরজা রয়েছে। প্রতিটি দরজার জন্য রয়েছে তাদের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট একটি শ্রেণী’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার আছে সাতটি দরজা, প্রত্যেক দরজার জন্যে তাদের একটি অংশ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

জহুরুল হক

''তার সাতটি দরজা আছে। প্রত্যেক প্রবেশপথের জন্য রয়েছে তাদের মধ্যের পৃথক পৃথক দল।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় মুত্তাকীগণ থাকবে জান্নাত ও ঝর্ণাধারাসমূহে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি মুত্তাকিরা থাকবে উদ্যানসমূহ এবং ঝরণাধারা সমূহের মধ্যে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ ধর্মপরায়ণরা থাকবে স্বর্গোদ্যানে ও ঝরনারাজির মধ্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তাতে প্রবেশ কর শান্তিতে, নিরাপদ হয়ে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের বলা হবে: ‘দাখিল হও শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে।’

জহুরুল হক

''তোমরা এতে প্রবেশ কর শান্তিতে ও নিরাপত্তায়।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদের অন্তর থেকে হিংসা বিদ্বেষ বের করে ফেলব, তারা সেখানে ভাই ভাই হয়ে আসনে মুখোমুখি বসবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অন্তরে পরস্পরের জন্যে কোনো বিদ্বেষ থাকলে তা আমরা দূর করে দেবো, তারা পরস্পর মুখোমুখি হয়ে আসন গ্রহণ করবে ভাই ভাই হিসেবে।

জহুরুল হক

আর আমরা বের করে দেব তাদের অন্তরে যা - কিছু হিংসা - বিদ্বেষ রয়েছিল, ফলে তারা ভাইদের মতো থাকবে আসনের উপরে মুখোমুখি হয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেখানে তাদেরকে ক্লান্তি স্পর্শ করবে না এবং তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃতও হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তাদের স্পর্শ করবেনা কোনো অবসাদ এবং সেখান থেকে তাদের বের করেও দেয়া হবেনা।

জহুরুল হক

সেখানে তাদের স্পর্শ করবে না কোনো অবসাদ, আর তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃত হবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমার বান্দাদের জানিয়ে দাও যে, আমি নিশ্চয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার দাসদের সংবাদ দাও, নিশ্চয়ই আমি মহাক্ষমাশীল, মহাদয়াময়।

জহুরুল হক

আমার বান্দাদের খবর দাও যে আমিই তো নিশ্চয়ই পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমার আযাবই যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমার আযাব, তাও বেদনাদায়ক আযাব।

জহুরুল হক

আর আমার শাস্তি, - - তা অতি মর্মন্তুদ শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদেরকে বলঃ ইবরাহীমের অতিথিদের কথা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আরো সংবাদ দাও ইবরাহিমের মেহমানদের সম্পর্কে।

জহুরুল হক

আর তাদের খবর দাও ইব্রাহীমের অতিথিদের সন্বন্ধে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তারা তার নিকট প্রবেশ করল, অতঃপর বলল, ‘সালাম’। সে বলল, ‘আমরা নিশ্চয় তোমাদের ব্যাপারে শঙ্কিত’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যখন তার কাছে প্রবেশ করেছিল, বলেছিল: ‘সালাম’। সে বলেছিল: ‘আমরা আপনাদের আগমনে আতংকিত।’

জহুরুল হক

যখন তারা তাঁর কাছে হাজির হল তখন তারা বললে - - ''সালাম’’। তিনি বললেন - - ''আমরা অবশ্য তোমাদের সন্বন্ধে ভয় করছি।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘তুমি ভীত হয়ো না, নিশ্চয় আমরা তোমাকে এক জ্ঞানী শিশুর সুসংবাদ দিচ্ছি’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা বলেছিল: ‘আপনি আতংকিত হবেন না, আমরা আপনাকে সুসংবাদ দিচ্ছি এক জ্ঞানী পুত্রের।’

জহুরুল হক

তারা বললেন - - ''ভয় করো না, নিঃসন্দেহ আমরা তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছি এক জ্ঞানবান ছেলের সন্বন্ধে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘তোমরা কি আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছ, যখন বার্ধক্য আমাকে স্পর্শ করেছে ? সুতরাং তোমরা কিসের সুসংবাদ দিচ্ছ’ ?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলেছিল: ‘আপনারা আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন আমি বার্ধক্যে উপনীত হওয়া সত্ত্বেও। আপনারা কীভাবে সুসংবাদ দিচ্ছেন?’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তোমরা কি আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছ যখন বার্ধক্য আমাকে স্পর্শ করেছে? তবে কিসের তোমরা সুসংবাদ দিচ্ছ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘আমরা তোমাকে যথার্থ সুসংবাদ দিচ্ছি। সুতরাং তুমি নিরাশদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলেছিল: ‘আমাদের দেয়া সুসংবাদ সত্য। আপনি নিরাশ হবেন না।’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছি সত্যের সাথে, সুতরাং তুমি হতাশদের মধ্যেকার হয়ো না।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘পথভ্রষ্টরা ছাড়া, কে তার রবের রহমত থেকে নিরাশ হয়’ ?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলেছিল: ‘বিভ্রান্তরা ছাড়া কে নিরাশ হয় তার প্রভুর রহমত থেকে?’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আর কে হতাশ হয় তার প্রভুর করুণা থেকে পথভ্রষ্টরা ব্যতীত?’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘তবে তোমাদের কী কাজ হে প্রেরিতগণ’ ?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে বললো: ‘(হে ফেরেশতারা!) আপনাদের আর কী বক্তব্য?’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তবে কি তোমাদের কাজ রয়েছে, হে প্রেরিতগণ?’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘নিশ্চয় আমরা প্রেরিত হয়েছি অপরাধী কওমের নিকট’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘‘আমরা প্রেরিত হয়েছি এক অপরাধী কওমের প্রতি,

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা নিশ্চয়ই প্রেরিত হয়েছি একটি অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘লূতের পরিবার ছাড়া, আমরা নিশ্চয় তাদের সবাইকে রক্ষা করব’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে, লুতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা তাদের সবাইকে নাজাত দেবো।

জহুরুল হক

''লুতের অনুবর্তীরা ব্যতীত। নিঃসন্দেহ তাঁদের সবাইকে আমরা অবশ্যই উদ্ধার করব - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তবে তার স্ত্রী ছাড়া, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, নিশ্চয় সে শাস্তিপ্রাপ্তদের দলভুক্ত’।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তাঁর (লুতের) স্ত্রীকে নয়। আমরা নিশ্চিত হয়েছি, সে ধবংস হবার জন্যে পেছনে পড়ে থাকাদের অন্তরভুক্ত হবে।’’

জহুরুল হক

তাঁর স্ত্রী ব্যতীত। আমরা সঠিক জেনেছি যে সে তো নিশ্চয়ই পেছনে - পড়েথাকাদের মধ্যেকার।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

এরপর যখন ফেরেশতাগণ লূতের পরিবারের কাছে আসল,

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর ফেরেশতারা যখন লুত পরিবারে এসে উপস্থিত হলো।

জহুরুল হক

তারপর যখন বাণীবাহকরা লূত - এর পরিজনের কাছে এল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে (লুত) বললো: ‘আপনাদের তো চিনতে পারছিনা?’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তোমরা তো অপরিচিত লোক।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘বরং আমরা তোমার কাছে এমন বিষয় নিয়ে এসেছি, যাতে তারা সন্দেহ করত’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘‘তারা (আপনার জাতি) যে বিষয়ে সন্দেহ করছে আমরা আপনার কাছে তাই নিয়ে এসেছি।

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা নিশ্চয়ই তোমার কাছে এসেছি তাই নিয়ে যে - সন্বন্ধে তারা তর্ক - বিতর্ক করত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা তোমার নিকট সত্য নিয়ে এসেছি এবং আমরা অবশ্যই সত্যবাদী’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা সত্য সংবাদ নিয়ে এসেছি এবং অবশ্যি আমরা সত্যবাদী।

জহুরুল হক

''আর আমরা তোমার কাছে নিয়ে এসেছি সত্যবার্তা, আর আমরা নিঃসন্দেহ সত্যবাদী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তুমি তোমার পরিবার নিয়ে বেরিয়ে পড় রাতের একাংশে, আর তুমি তাদের পেছনে চল, আর তোমাদের কেউ পেছনে ফিরে তাকাবে না এবং যেভাবে তোমাদের নির্দেশ করা হয়েছে সেভাবেই চলতে থাকবে’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং আপনি রাতের কোনো এক সময় আপনার পরিবার - পরিজনকে নিয়ে বের হয়ে পড়ুন। আপনি তাদের পেছনে চলুন এবং আপনাদের কেউই যেনো পেছনে ফিরে না তাকায়। আপনাদেরকে যেখানে বলা হয়েছে সেখানে চলে যান।’’

জহুরুল হক

''সুতরাং তোমার পরিবার - পরিজনকে নিয়ে বেরিয়ে পড় রাতের এক অংশে, আর তুমি তাদের পেছন থেকে অনুসরণ কর, আর তোমাদের মধ্যের কেউ যেন পিছন দিকে না দেখে, আর চলে যাও যেখানে তোমাদের আদেশ করা হয়েছে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিলাম যে, নিশ্চয় সকালে এদের শিকড় কেটে ফেলা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে ফায়সালা জানিয়ে দিলাম যে, প্রভাতেই তাদের শিকড় কেটে দেয়া হবে (সমূলে বিনাশ করা হবে)।

জহুরুল হক

আর তাঁর কাছে আমরা জানিয়ে দিলাম এই নির্দেশ যে এদের শেষটুকুও কেটে দেওয়া হবে ভোরে জেগে ওঠার বেলায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর শহরের অধিবাসীরা উৎফুল্ল হয়ে হাযির হল।

আবদুস শহীদ নাসিম

নগরবাসীরা (মেহমান আগমনের সংবাদে) উল্লসিত হয়ে (লুতের বাড়িতে) এসে উপস্থিত হয়।

জহুরুল হক

আর শহরের লোকেরা এল উৎফুল্ল হয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘নিশ্চয় এরা আমার মেহমান, সুতরাং আমাকে অপমানিত করো না’।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘‘এরা আমার মেহমান, তোমরা আমাকে বেইজ্জতি করোনা।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''এরা নিশ্চয়ই আমার অতিথি, সুতরাং আমাকে বেইজ্জত করো না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে লাঞ্ছিত করো না’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, আমাকে অপমানিত করোনা।’’

জহুরুল হক

''আর ‌কে ভয়শ্রদ্ধা কর, আর আমাকে লজ্জা দিয়ো না!’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘আমরা কি জগদ্বাসীর কারো মেহমানদারী করতে তোমাকে নিষেধ করিনি’?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: আমরা কি জগতবাসীকে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করিনি?

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা কি তোমাকে নিষেধ করি নি জগদ্বাসীদের সম্পর্কে?’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘ওরা আমার মেয়ে* , যদি তোমরা করতেই চাও (তবে বিবাহের মাধ্যমে বৈধ উপায়ে কর)। *‘আমার মেয়ে’ দ্বারা উদ্দেশ্য কওমের মেয়েরা। কারণ, যে কোন কওমের নবী তাদের পিতাতুল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

লুত বললো: এই যে আমার (জাতির) কন্যারা রয়েছে, তোমরা কিছু করতে চাইলে তাদের বিয়ে করে নাও।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''এরা আমার কন্যা, যদি তোমরা করতে চাও!’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার জীবনের কসম, নিশ্চয় তারা তাদেরকে নেশায় ঘুরপাক খাচ্ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার জীবনের শপথ, তারা তখন উন্মত্ততায় উদ্ভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল।

জহুরুল হক

তোমার জীবনের কসম! তারা নিঃসন্দেহ তাদের মত্ততায় অন্ধভাবে ঘুরছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব সূর্যোদয়কালে বিকট আওয়াজ তাদের পেয়ে বসল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সূর্যোদয়ের সময় তাদের পাকড়াও করে বিকটধ্বনি।

জহুরুল হক

কাজেই এক মহাধ্বনি তাদের পাকড়াও করল সূর্যোদয়কালে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তার (নগরীর) উপরকে নিচে উলটে দিলাম এবং তাদের উপর বর্ষণ করলাম পোড়া মাটির পাথর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা (লুত জাতির) জনপদের উপরের দিক নিচে করে উল্টে দিয়েছি এবং তাদের উপর অবিরাম বর্ষণ করেছি পাথরের কংকর।

জহুরুল হক

কাজেকাজেই এর উপরভাগ আমরা বানিয়ে দিলাম এর নিচের ভাগ, আর তাদের উপরে বর্ষণ করলাম পোড়া - মাটির পাথর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এতে পর্যবেক্ষণকারীদের জন্য রয়েছে নিদর্শনমালা।

আবদুস শহীদ নাসিম

বিশ্লেষণ শক্তিসম্পন্ন লোকদের জন্যে এতে রয়েছে নিদর্শন।

জহুরুল হক

নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীলদের জন্য নিদের্শনাবলী রয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয়ই তা পথের পাশেই বিদ্যমান ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই বিরান জনপদ লোক চলাচলের পথপাশে এখনো বিদ্যমান।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ এটি একটি সড়কের উপরে অবস্থিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এতে মুমিনদের জন্য রয়েছে নিদর্শন।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদের জন্যে তাতে রয়েছে এক নিদর্শন।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এতে তো নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় আইকার* অধিবাসীরা ছিল যালিম। * الأيكة বলা হয় ঘন উদ্যানকে। শুআইব (আ:)-এর কওম গহীন বনে বসবাস করত, তাই তাদেরকে أصحاب الأيكة বলা হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আইকাবাসীরাও ছিলো সীমালংঘনকারী।

জহুরুল হক

আর আসহাবুল আইকাহ্ অবশ্যই ছিল অন্যায়াচারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ নিলাম। আর এ (জনপদ) দু’টি উন্মুক্ত রাস্তার পাশেই বিদ্যমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের থেকেও আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি। উভয় বিরানভূমিই প্রকাশ্য মহাসড়কের পাশে এখনো বিদ্যমান।

জহুরুল হক

সেজন্য তাদের থেকে আমরা প্রতিফল আদায় করেছিলাম। তারা উভয়েই তো রয়েছে প্রকাশ্য রাজপথে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই হিজরের অধিবাসীরা [সালেহের (আঃ) কওম] রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

হিজরবাসীরাও রসূলদের মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয় পাথুরে - পাহাড়ের বাসিন্দারাও রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদেরকে আমার আয়াতসমূহ দিয়েছিলাম, তবে তারা তা থেকে বিমুখ হয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের দিয়েছিলাম আমাদের নিদর্শনসমূহ, কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করেছিল।

জহুরুল হক

আর তাদের আমরা আমাদের নির্দেশাবলী দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা সে - সব থেকে ফিরে গিয়েছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা পাহাড় কেটে বাড়ি বানাত নিরাপদে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা পাহাড় কেটে বাসস্থান নির্মাণ করেছিল নিরাপদ থাকার জন্যে।

জহুরুল হক

আর তারা পাহাড় কেটে নিশ্চিন্ত হয়ে বাড়িঘর তৈরি করত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু ভোরে বিকট আওয়াজ তাদেরকে পাকড়াও করল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদেরকেও প্রভাতকালেই আঘাত করেছিল এক মহাবিকট শব্দ।

জহুরুল হক

কিন্তু প্রচন্ড আওয়াজ তাদের পাকড়াও করল সকালবেলায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা যা উপার্জন করত, তা তাদের কাজে আসল না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অর্জনসমূহ তাদের কোনো উপকারই করতে পারেনি।

জহুরুল হক

কাজেই তারা যা অর্জন করত তা তাদের কোনো কাজে আসে নি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দুয়ের মধ্যে যা আছে, তা যথার্থতা ছাড়া সৃষ্টি করিনি এবং নিশ্চয় কিয়ামত আসবে। সুতরাং তুমি সুন্দরভাবে তাদেরকে এড়িয়ে যাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ আর পৃথিবী এবং এই দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সবই আমরা সৃষ্টি করেছি বাস্তবতার ভিত্তিতে। কিয়ামত অবশ্যি আসবে। তাই তুমি সুন্দর সৌজন্যবোধের সাথে তাদের উপেক্ষা করো।

জহুরুল হক

আর আমরা মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা - কিছু আছে তা সৃষ্টি করি নি সত্যের সঙ্গে ব্যতীত। আর নিঃসন্দেহ ঘড়ি - ঘন্টা তো এসে পড়ল; সুতরাং উপেক্ষা করো মহৎ উপেক্ষাভরে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমার রবই সৃষ্টিকর্তা, মহাজ্ঞানী।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমার রব মহাস্রষ্টা, অতীব জ্ঞানী।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, - - তিনি সর্বস্রষ্টা, সর্বজ্ঞাতা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো তোমাকে দিয়েছি পুনঃপুনঃ পঠিত সাতটি আয়াত ও মহান কুরআন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাকে দিয়েছি পুন: পুন: আবৃত্ত সাত (আয়াত) এবং মহাগ্রন্থ আল - কুরআন।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই তোমাকে আমরা দিয়েছি বারবার - পঠিত সাতটি, আর এক সুমহান কুরআন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি তাদের কিছু শ্রেণীকে যে ভোগ-উপকরণ দিয়েছি, তার প্রতি তুমি দু’চোখ প্রসারিত করো না। আর তাদের জন্য দুঃখিত হয়ো না এবং মুমিনদের জন্য তোমার বাহু অবনত কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ বিলাসের যেসব উপকরণ দিয়েছি, সেগুলোর প্রতি তুমি কখনো তোমার দুই চোখ মেলে তাকিয়োনা। তাদের জন্যে তুমি দুঃখও করোনা। তুমি মুমিনদের জন্যে তোমার দুই ডানা অবনমিত করে দাও।

জহুরুল হক

তাদের মধ্যের কতক পরিবারকে যা ভোগবিলাসের বস্তু দিয়েছি তার প্রতি তোমার চোখ দিয়ো না, আর তাদের প্রতি তুমি ক্ষোভ করো না, বরং তোমার ডানা নামাও মুমিনদের জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বল, ‘নিশ্চয় আমিই সুস্পষ্ট সতর্ককারী’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘আমি তো কেবল সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’

জহুরুল হক

আর বলো - - ''নিঃসন্দেহ আমি, আমি হচ্ছি একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেভাবে আমি নাযিল করেছিলাম বিভক্তকারীদের (ইয়াহূদী ও নাসারা) উপর,

আবদুস শহীদ নাসিম

(এটা ঠিক সেরকম) যেভাবে আমরা নাযিল করেছিলাম সেইসব বিভক্তকারীদের (ইহুদি ও খৃস্টানদের) উপর,

জহুরুল হক

যেমন আমরা পাঠিয়েছিলাম বিভক্তদের প্রতি, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা কুরআনকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করেছিল।* * ‘বিভিন্ন অংশে ভাগ করেছিল, অর্থাৎ কুরআনকে তারা বিভিন্ন নামে ও বিভিন্ন অভিধায় চি‎‎হ্নত করত, যেমন কেউ বলত, এটি যাদু, কেউ বলত, কবিতা, আবার কেউ বলত, গণকদের গণনা ইত্যাদি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের কুরআনকে (তাওরাতকে) বিভিন্নভাবে বিভক্ত করেছে।

জহুরুল হক

যারা কুরআনকে করে ছিন্নভিন্ন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তোমার রবের কসম, আমি তাদের সকলকে অবশ্যই জেরা করব,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভুর শপথ! আমরা অবশ্যি তাদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো,

জহুরুল হক

সুতরাং, তোমার প্রভুর কসম! আমরা নিশ্চয়ই তাদের সবাইকে প্রশ্ন করব - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা যা করত, সে সম্পর্কে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কর্মকান্ডের বিষয়ে।

জহুরুল হক

তারা যা করে চলেছিল সে - সন্বন্ধে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তোমাকে যে আদেশ দেয়া হয়েছে, তা ব্যাপকভাবে প্রচার কর এবং মুশরিকদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাকে যার আদেশ করা হয়েছে তা প্রকাশ্যে প্রচার করো এবং মুশরিকদের উপেক্ষা করে চলো।

জহুরুল হক

কাজেই প্রকাশ্যে ঘোষণা করো যা তোমাকে আদেশ করা হয়েছে, আর বহুখোদাবাদীদের থেকে ফিরে থেকো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তোমার জন্য উপহাসকারীদের বিপক্ষে যথেষ্ট।

আবদুস শহীদ নাসিম

বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে তোমার জন্যে আমরাই কাফী (যথেষ্ট),

জহুরুল হক

আমরাই তো তোমার জন্য যথেষ্ট বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা আল্লাহর সাথে অন্য নির্ধারণ করে। অতএব তারা অচিরেই জানতে পারবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আল্লাহর সাথে অপর ইলাহ্ বানিয়ে নিয়েছে। অচিরেই তারা জানতে পারবে।

জহুরুল হক

যারা ‌র সাথে দাঁড় করায় অন্য উপাস্য, কাজেই শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি জানি যে, তারা যা বলে তাতে তোমার অন্তর সঙ্কুচিত হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা জানি, তাদের কথায় তোমার মন সংকুচিত হয়ে আসে।

জহুরুল হক

আর আমরা অবশ্য জানি যে তারা যা বলে তাতে তোমার বক্ষ আলবৎ পীড়িত হয়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি তোমার রবের প্রশংসায় তাসবীহ পাঠ কর এবং সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তুমি তোমার প্রভুর প্রশংসার সাথে তসবিহ করো এবং তুমি সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত।

জহুরুল হক

সুতরাং তোমার প্রভুর প্রশংসা দ্বারা মহিমা কীর্তন করো, আর সিজদাকারীদের মধ্যেকার হও,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ইয়াকীন (মৃত্যু) আসা পর্যন্ত তুমি তোমার রবের ইবাদাত কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তোমার প্রভুর ইবাদত করো যতোক্ষণ না তোমার কাছে আসে নিশ্চিত জিনিসটি (মৃত্যু)।

জহুরুল হক

আর তোমার প্রভুর উপাসনা কর যে পর্যন্ত না তোমার কাছে আসে যা সুনিশ্চিত।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme