Kitab

লোকমান (লোকমান নামের একজন ব্যক্তি)

Chapter 31, 34 verses

  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • সমকালীন বাংলা
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বয়ান ফাউন্ডেশন

আলিফ- লাম -মীম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ লাম মিম।

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে আলিফ - লাম - মীম;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আলিফ - লাম - মীম;

বয়ান ফাউন্ডেশন

এগুলো প্রজ্ঞাপূর্ণ কিতাবের আয়াত,

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলো কিতাবুল হাকিম - এর (বিজ্ঞানময় কিতাব আল কুরআনের) আয়াত।

সমকালীন বাংলা

এ আয়াতগুলো প্রজ্ঞাপূর্ণ কিতাবের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইগুলি জ্ঞানগর্ভ কিতাবের আয়াত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সৎকর্মশীলদের জন্য হিদায়াত ও রহমতস্বরূপ,

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলো হিদায়াত এবং রহমত কল্যাণপরায়ণদের জন্যে,

সমকালীন বাংলা

সৎকর্মশীলদের মুক্তির সরল তম পথ নির্দেশক ও দয়া স্বরূপ;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পথনির্দেশ ও দয়াস্বরূপ সৎকর্মপরায়ণদের জন্য;

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা কায়েম করে এবং যাকাত দেয়, আর তারাই আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করে;

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা কায়েম করে , প্রদান করে যাকাত এবং আখিরাতের প্রতি তারা রাখে একীন।

সমকালীন বাংলা

যারা কায়েম করে, যাকাত দেয়, আর তাহারাই আখিরাতে নিশ্চিত ;

Note
" ٱلصَّلَوٰةَ " "প্রার্থনা" হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাওয়া ও নৈকট্য লাভের জন্য ধরণের কর্মযজ্ঞ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা কায়েম করে, যাকাত দেয়, আর তাহারাই আখিরাতে নিশ্চিত ;

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারাই তাদের রবের পক্ষ থেকে হিদায়াতের ওপর এবং তারাই ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারাই রয়েছে তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে হিদায়াতের উপর এবং তারাই হবে ।

সমকালীন বাংলা

তাহারাই তাহাদের প্রতিপালকের নির্দেশিত পথে আছে এবং তাহারাই ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারাই তাহাদের প্রতিপালকের নির্দেশিত পথে আছে এবং তাহারাই ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মানুষের মধ্য থেকে কেউ কেউ না জেনে আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য বেহুদা কথা খরিদ করে, আর তারা ঐগুলোকে হাসি-ঠাট্টা হিসেবে গ্রহণ করে; তাদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাকর আযাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

কোনো কোনো ব্যক্তি এলেম ছাড়াই মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করার উদ্দেশ্যে অসার কাহিনী কিনে আনে এবং আল্লাহর পথ সম্পর্কে বিদ্রুপ করে। এদের জন্যে রয়েছে অপমানকর আযাব।

সমকালীন বাংলা

মানুষের মধ্যে কেহ কেহ অজ্ঞতাবশত পথ হইতে বিচ্যুত করিবার জন্য অসার বাক্য ক্রয় করিয়া নেয় এবং আল্লাহর পথ লইয়া ঠাট্টা - বিদ্রপকরে। উহাদেরই জন্য রহিয়াছে অবমাননাকর শাস্তি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের মধ্যে কেহ কেহ অজ্ঞতাবশত ‌র পথ হইতে বিচ্যুত করিবার জন্য অসার বাক্য ক্রয় করিয়া নেয় এবং ‌র পথ লইয়া ঠাট্টা - বিদ্রপ করে। উহাদেরই জন্য রহিয়াছে অবমাননাকর শাস্তি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার কাছে যখন আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয় তখন সে দম্ভভরে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যেন সে শুনতে পায়নি, তার দু’কানে যেন বধিরতা; সুতরাং তাকে যন্ত্রণাদায়ক আযাবের সুসংবাদ দাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তার কাছে আল্লাহর আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, সে হঠকারিতা প্রদর্শন করে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যেনো সে তা শুনতেই পায়নি। তার কান দুটিও যেনো বধির। এ ব্যক্তিকে সংবাদ দাও বেদনাদায়ক আযাবের।

সমকালীন বাংলা

যখন উহার নিকট আমার আয়াত অবৃত্তি করা হয় তখন সে দম্ভভরে মুখ ফিরাইয়া নেয় যেন সে ইহা শুনিতে পায় নাই, যেন উহার কর্ণ দুইটি বধির ; অতএব উহাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তির সংবাদ দাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহার নিকট আমার আয়াত অবৃত্তি করা হয় তখন সে দম্ভভরে মুখ ফিরাইয়া নেয় যেন সে ইহা শুনিতে পায় নাই, যেন উহার কর্ণ দুইটি বধির ; অতএব উহাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তির সংবাদ দাও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে নিআমতপূর্ণ জান্নাত;

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, তাদের জন্যে রয়েছে জান্নাতুন নায়ীম।

সমকালীন বাংলা

যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের জন্য আছে সুখদ কানন;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের জন্য আছে সুখদ কানন;

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেখানে তারা স্থায়ী হবে, আল্লাহর ওয়াদা যথার্থ। আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানেই থাকবে তারা চিরকাল। আল্লাহর ওয়াদা সত্য। তিনি মহাশক্তিধর, মহাপ্রজ্ঞাবান।

সমকালীন বাংলা

সেখানে তাহার স্থায়ী হইবে। আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। তিনি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে তাহার স্থায়ী হইবে। ‌র প্রতিশ্রুতি সত্য। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি খুঁটি ছাড়া আসমানসমূহ সৃষ্টি করেছেন, যা তোমরা দেখছ, আর যমীনে স্থাপন করেছেন সুদৃঢ় পাহাড়, যাতে তা তোমাদেরকে নিয়ে হেলে না পড়ে, আর তাতে ছড়িয়ে দিয়েছেন প্রত্যেক প্রকারের প্রাণী; আর আসমান থেকে আমি পানি পাঠাই। অতঃপর তাতে আমি জোড়ায় জোড়ায় কল্যাণকর উদ্ভিদ জন্মাই

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি মহাকাশ সৃষ্টি করেছেন খুঁটি ছাড়াই, তাতো তোমরা দেখতেই পাচ্ছো। আর পৃথিবীতে তিনি স্থাপন করে দিয়েছেন পাহাড় পর্বত, যাতে করে পৃথিবী তোমাদের নিয়ে ঢলে না পড়ে। তাছাড়া পৃথিবীতে তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন সব ধরনের জীব জানোয়ার। এছাড়া আমরা আসমান থেকে নাযিল করি পানি আর তা দিয়ে আমরা উৎপন্ন করি সব ধরনের উপকারী উদ্ভিদ।

সমকালীন বাংলা

তিনি আকাশমণ্ডলী নির্মাণ করিয়াছেন স্তম্ভ ব্যতীত - তোমরা ইহা দেখিতেছ; তিনিই পৃথিবীতে স্থাপন করিয়াছেন পর্বতমালা যাহাতে ইহা তোমাদেরকে লইয়া ঢলিয়া না পড়ে এবং ইহাতে ছড়াইয়া দিয়াছেন সর্বপ্রকার জীবজন্তু। এবং আমিই আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করিয়া ইহাতে উদ্গত করি সর্বপ্রকার কল্যাণকর উদ্ভিদ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি আকাশমণ্ডলী নির্মাণ করিয়াছেন স্তম্ভ ব্যতীত - তোমরা ইহা দেখিতেছ; তিনিই পৃথিবীতে স্থাপন করিয়াছেন পর্বতমালা যাহাতে ইহা তোমাদেরকে লইয়া ঢলিয়া না পড়ে এবং ইহাতে ছড়াইয়া দিয়াছেন সর্বপ্রকার জীবজন্তু। এবং আমিই আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করিয়া ইহাতে উদ্‌গত করি সর্বপ্রকার কল্যাণকর উদ্ভিদ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এ আল্লাহর সৃষ্টি; অতএব আমাকে দেখাও, তিনি ছাড়া আর যারা আছে তারা কী সৃষ্টি করেছে! বরং যালিমরা সুস্পষ্ট গোমরাহীতে রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ হলো আল্লাহর সৃষ্টি। এখন আমাকে দেখাও, ছাড়া যাদেরকে তোমরা ইলাহ্ মানো, তারা কী সৃষ্টি করেছে? বরং যালিমরা রয়েছে সুস্পষ্ট বিপথগামিতায়।

সমকালীন বাংলা

ইহা সৃষ্টি ! তিনি ব্যতীত অন্যেরা কী সৃষ্টি করিয়াছে আমাকে দেখাও। সীমালংঘনকারীরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রহিয়াছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা ‌র সৃষ্টি ! তিনি ব্যতীত অন্যেরা কী সৃষ্টি করিয়াছে আমাকে দেখাও। সীমালংঘনকারীরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রহিয়াছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি অবশ্যই লুকমানকে জ্ঞান দান করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সেতো তা করে নিজের জন্য এবং কেহ অকৃতজ্ঞ হলে আল্লাহতো অভাবমুক্ত, প্রশংসা।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা লুকমানকে দান করেছিলাম হিকমাহ (প্রজ্ঞা) এবং তাকে বলেছিলাম: শোকর আদায় করো আল্লাহর। যে কেউ শোকর আদায় করে, সে তো শোকর আদায় করে নিজের কল্যাণের জন্যেই। আর যে কেউ অকৃতজ্ঞ হয়, তার জেনে রাখা উচিত মুখাপেক্ষাহীন সপ্রশংসিত।

সমকালীন বাংলা

আমি তো লুকমানকে জ্ঞান দান করিয়াছিলাম এবং বলিয়াছিলাম যে, আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সে তো তাহা করে নিজেরই জন্য এবং কেহ অকৃতজ্ঞ হলে অভাবমুক্ত, প্রশংসতি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো লুকমানকে জ্ঞান দান করিয়াছিলাম এবং বলিয়াছিলাম যে, ‌র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সে তো তাহা করে নিজেরই জন্য এবং কেহ অকৃতজ্ঞ হইলে ‌ তো অভাবমুক্ত, প্রশংসার্হ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর স্মরণ কর, যখন লুকমান তার পুত্রকে উপদেশ দিতে গিয়ে বলেছিল, ‘প্রিয় বৎস, আল্লাহর সাথে শিরক করো না; নিশ্চয় শিরক হল বড় যুলম'।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, লুকমান তার ছেলেকে উপদেশ দিতে গিয়ে বলেছিল: ‘‘হে আমার পুত্র! শিরক করোনা আল্লাহর সাথে। কারণ, শিরক তো একটা বিরাট যুলুম।’’

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, যখন লোকমান উপদেশচ্ছলে তাহার পুত্রকে বলিয়াছিল, ‘হে বৎস! আল্লাহর কোন শরীক করিও না। নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, যখন লুক্‌মান উপদেশচ্ছলে তাহার পুত্রকে বলিয়াছিল, ‘হে বৎস! ‌র কোন শরীক করিও না। নিশ্চয়ই শির্‌ক চরম জুলুম।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি মানুষকে তার মাতাপিতার ব্যাপারে (সদাচরণের) নির্দেশ দিয়েছি। তার মা কষ্টের পর কষ্ট ভোগ করে তাকে গর্ভে ধারণ করে। আর তার দুধ ছাড়ানো হয় দু’বছরে; সুতরাং আমার ও তোমার পিতা-মাতার শুকরিয়া আদায় কর। প্রত্যাবর্তন তো আমার কাছেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মানুষকে অসিয়ত (নির্দেশ) করেছি তার বাবা - মার সাথে উত্তম আচরণ করতে। কারণ, তার মা তাকে কষ্টের পর কষ্ট স্বীকার করে গর্ভে ধারণ করে এবং তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে। সুতরাং শোকরগুজার হও আমার প্রতি, আর তোমার বাবা - মার প্রতি। তোমাদের ফিরে আসতে তো হবে আমারই কাছে।

সমকালীন বাংলা

আমি তো মানুষকে তাহার পিতামাতার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়াছি। জননী সন্তানকে কষ্টের পর কষ্ট বরণ করিয়া গর্ভে ধারণ করে এবং তাহার দুধ ছাড়ান হয় দুই বৎসরে। সুতরাং আমার প্রতি ও তোমার পিতামাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। প্রত্যাবর্তন তো আমারই নিকট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো মানুষকে তাহার পিতামাতার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়াছি। জননী সন্তানকে কষ্টের পর কষ্ট বরণ করিয়া গর্ভে ধারণ করে এবং তাহার দুধ ছাড়ান হয় দুই বৎসরে। সুতরাং আমার প্রতি ও তোমার পিতামাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। প্রত্যাবর্তন তো আমারই নিকট।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি তারা তোমাকে আমার সাথে শিরক করতে জোর চেষ্টা করে, যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তখন তাদের আনুগত্য করবে না এবং দুনিয়ায় তাদের সাথে বসবাস করবে সদ্ভাবে। আর অনুসরণ কর তার পথ, যে আমার অভিমুখী হয়। তারপর আমার কাছেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন। তখন আমি তোমাদেরকে জান

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার বাবা - মা যদি তোমাকে আমার সাথে শরিক করতে পীড়াপীড়ি করে, যে ব্যাপারে তোমার কোনো এলেম নেই, সেক্ষেত্রে তুমি তাদের আনুগত্য করোনা। তবে তাদের সাথে বসবাস করো সুন্দরভাবে, আর ইত্তেবা (অনুসরণ) করো তার পথের, যে আমার অভিমুখী হয়। তারপর তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে তো আমারই কাছে, অত:পর আমি তোমাদের সংবাদ দেবো তোমরা যা আমল করতে।

সমকালীন বাংলা

তোমার পিতামাতা যদি তোমাকে পীড়াপীড়ি করে আমার সমকক্ষ দাঁড় করাইতে যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নাই, তুমি তাহাদের কথা মানিও না, তবে পৃথিবীতে তাহাদের সঙ্গে বসবাস করিবে সদ্ভাবে এবং যে বিশুদ্ধচিত্তে আমার অভিমুখী হইয়াছে তাহার পথ অবলম্বন কর, অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট এবং তোমরা যাহা করিতে সে বিষয়ে আমি তোমাদেরকে অবহিত করিব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পিতামাতা যদি তোমাকে পীড়াপীড়ি করে আমার সমকক্ষ দাঁড় করাইতে যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নাই, তুমি তাহাদের কথা মানিও না, তবে পৃথিবীতে তাহাদের সঙ্গে বসবাস করিবে সদ্‌ভাবে এবং যে বিশুদ্ধচিত্তে আমার অভিমুখী হইয়াছে তাহার পথ অবলম্বন কর, অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট এবং তোমরা যাহা করিতে সে বিষয়ে আমি তোমাদেরকে অবহিত করিব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমার প্রিয় বৎস, নিশ্চয় তা (পাপ-পুণ্য) যদি সরিষা দানার পরিমাণ হয়, অতঃপর তা থাকে পাথরের মধ্যে কিংবা আসমানসমূহে বা যমীনের মধ্যে, তাও নিয়ে আসবেন; নিশ্চয় সূক্ষ্মদর্শী, সর্বজ্ঞ’।

আবদুস শহীদ নাসিম

(লুকমান আরো বলেছিল:) ‘‘হে আমার পুত্র! কোনো ক্ষুদ্র বস্তু যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয় আর তা যদি থাকে কোনো পাথর খন্ডের ভেতরে, কিংবা যদি থাকে মহাকাশে, অথবা যদি থাকে ভূ - গর্ভে, তাও এনে হাজির করবেন। নিশ্চয়ই অতীব সূক্ষ্মদর্শী, গভীরভাবে অবহিত।

সমকালীন বাংলা

‘হে বৎস ! ক্ষুদ্র বস্তুটি যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয় এবং উহা যদি থাকে শিলাগর্ভে অথবা আকাশে কিংবা মৃত্তিকার নিচে, তাহাও উপস্থিত করিবেন। নিশ্চয়ই সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক অবগত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে বৎস ! ক্ষুদ্র বস্তুটি যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয় এবং উহা যদি থাকে শিলাগর্ভে অথবা আকাশে কিংবা মৃত্তিকার নিচে, ‌ তাহাও উপস্থিত করিবেন। নিশ্চয়ই ‌ সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক অবগত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমার প্রিয় বৎস, কায়েম কর, সৎকাজের আদেশ দাও, অসৎকাজে নিষেধ কর এবং তোমার উপর যে বিপদ আসে তাতে ধৈর্য ধর। নিশ্চয় এগুলো অন্যতম দৃঢ় সংকল্পের কাজ’।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে আমার পুত্র! কায়েম করবে , আদেশ করবে ভালো কাজের, নিষেধ করবে মন্দ কাজ করতে এবং ধৈর্য ধারণ করবে বিপদ - মসিবতে। নিশ্চয়ই এটা মজবুত সংকল্পের কাজ।

সমকালীন বাংলা

‘হে বৎস ! কায়েম করিও, সৎকর্মের নির্দেশ দিও আর অসৎ কর্মে নিষেধ করিও এবং আপদে - বিপদে ধৈর্য ধারণ করিও। ইহাই তো দৃঢ়সংকল্পের কাজ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে বৎস ! কায়েম করিও, সৎকর্মের নির্দেশ দিও আর অসৎ কর্মে নিষেধ করিও এবং আপদে - বিপদে ধৈর্য ধারণ করিও। ইহাই তো দৃঢ়সংকল্পের কাজ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তুমি মানুষের দিক থেকে তোমার মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না। আর যমীনে দম্ভভরে চলাফেরা করো না; নিশ্চয় কোন দাম্ভিক, অহঙ্কারীকে পছন্দ করেন না’।

আবদুস শহীদ নাসিম

দম্ভ করে মানুষকে অবজ্ঞা করবেনা, জমিনে ঔদ্ধত্যের সাথে চলাফেরা করবেনা, কারণ উদ্ধত দাম্ভিকদের পছন্দ করেননা।

সমকালীন বাংলা

‘অহংকারবশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করিও না এবং পৃথিবীতে উদ্ধতভাবে বিচরণ করিও না ; নিশ্চয় কােন দাম্ভকি অহংকারীকে পছন্দ করেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অহংকারবশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করিও না এবং পৃথিবীতে উদ্ধতভাবে বিচরণ করিও না ; নিশ্চয়ই ‌ কােন উদ্ধত, অহংকারীকে পসন্দ করেন না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তোমার চলার ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বন কর, তোমার আওয়াজ নীচু কর; নিশ্চয় সবচাইতে নিকৃষ্ট আওয়াজ হল গাধার আওয়াজ’।

আবদুস শহীদ নাসিম

চলাফেরায় মধ্যপন্থা অবলম্বন করবে এবং তোমার কণ্ঠস্বর রাখবে সংযত। নিশ্চয়ই সবচাইতে অস্বস্তিকর আওয়ায হলো গাধার ধ্বনি।’’

সমকালীন বাংলা

‘তুমি পদক্ষেপ করিও সংযতভাবে এবং তোমার কণ্ঠস্বর নিচু করিও; নিশ্চয়ই স্বরের মধ্যে গর্দভের স্বরই সর্বাপেক্ষা অপ্রীতিকর।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি পদক্ষেপ করিও সংযতভাবে এবং তোমার কণ্ঠস্বর নিচু করিও; নিশ্চয়ই স্বরের মধ্যে গর্দভের স্বরই সর্বাপেক্ষা অপ্রীতিকর।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা কি দেখ না, নিশ্চয় তোমাদের জন্য নিয়োজিত করেছেন আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে। আর তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নিআমত ব্যাপক করে দিয়েছেন; মানুষের মধ্যে কেউ কেউ সম্পর্কে তর্ক করে জ্ঞান, হিদায়াত ও আলো দানকারী কিতাব ছাড়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি দেখছো না, তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করে রেখেছেন মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই এবং তোমাদের প্রতি সম্পূর্ণ করেছেন তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সব নিয়ামত। কিছু লোক এলেম ছাড়াই আল্লাহর ব্যাপারে বিতর্কে লিপ্ত হয়, তাদের না আছে সঠিকজ্ঞান, আর না আছে দেদীপ্যমান কিতাব।

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি দেখ না, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করিয়াছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁহার প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করিয়াছেন? মানুষের মধ্যে কেহ কেহ অজ্ঞতাবশত সম্বন্ধে বিতণ্ডা করে, তাহাদের না আছে পথনির্দেশক আর না আছে কোন দীপ্তিমান কিতাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কি দেখ না, ‌ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করিয়াছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁহার প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করিয়াছেন? মানুষের মধ্যে কেহ কেহ অজ্ঞতাবশত ‌ সম্বন্ধে বিতণ্ডা করে, তাহাদের না আছে পথনির্দেশক আর না আছে কোন দীপ্তিমান কিতাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘ যা নাযিল করেছেন তোমরা তার অনুসরণ কর’ তখন তারা বলে, ‘বরং আমরা তার অনুসরণ করব যার ওপর আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে পেয়েছি।’ শয়তান তাদেরকে আযাবের দিকে আহবান করলেও কি (তারা পিতৃপুরুষদেরকে অনুসরণ করবে)?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের যখন বলা হয়: ‘তোমরা ইত্তেবা করো যা অবতীর্ণ করেছে সেটার,’ তখন তারা বলে: ‘আমরা বরং ইত্তেবা করবো সেটার, যার উপর পেয়েছি আমাদের পূর্বপুরুষদের।’ শয়তান যদি তাদের জ্বলন্ত আগুনের আযাবের দিকে ডাকে তবু কি (তারা তাই করবে)?

সমকালীন বাংলা

উহাদেরকে যখন বলা হয়, যাহা অবতীর্ণ করিয়াছেন তাহা অনুসরণ কর।’ উহারা বলে, ‘বরং আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে যাহাতে পাইয়াছি তাহারই অনুসরণ করিব।’ শয়তান যদি উহাদেরকে জ্বলন্ত অগ্নির শাস্তির দিকে আহ্বান করে, তবুও কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে যখন বলা হয়, ‘‌ যাহা অবতীর্ণ করিয়াছেন তাহা অনুসরণ কর।’ উহারা বলে, ‘বরং আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে যাহাতে পাইয়াছি তাহারই অনুসরণ করিব।’ শয়তান যদি উহাদেরকে জ্বলন্ত অগ্নির শাস্তির দিকে আহ্বান করে, তবুও কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে ব্যক্তি একনিষ্ঠ ও বিশুদ্ধচিত্তে আল্লাহর কাছে নিজকে সমর্পণ করে, সে তো শক্ত রশি আঁকড়ে ধরে। আর সকল বিষয়ের পরিণাম আল্লাহরই কাছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে কেউ আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ করে এবং কল্যাণপরায়ণ হয়, সে তো আঁকড়ে ধরে এক মজবুত হাতল। সব কাজের পরিণাম আল্লাহর এখতিয়ারে।

সমকালীন বাংলা

যে কেহ আল্লাহর নিকট আত্মসর্মপণ করে এবং সৎকর্মপরায়ণ হয় সে তো দৃঢ়ভাবে ধারণ করে, সকল র্কমরে পরণিাম আল্লাহর দকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে কেহ ‌র নিকট আত্মসর্মপণ করে এবং সৎকর্মপরায়ণ হয় সে তো দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এক মযবুত হাতল, যাবতীয় কর্মের পরিণাম ‌র ইখ্‌তিয়ারে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে করে, তার যেন তোমাকে ব্যথিত না করে; আমার কাছেই তাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর তারা যে আমল করত আমি তা তাদেরকে জানিয়ে দেব। নিশ্চয় অন্তরসমূহে যা আছে তা সম্পর্কে সম্যক অবহিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যে কেউ কুফুরি করে, তার কুফুরি যেনো তোমাকে চিন্তিত না করে। তাদের প্রত্যাবর্তন তো হবে আমারই কাছে। তখন আমরা তাদের অবহিত করবো তারা কী আমল করছিল? নিশ্চয়ই অবগত আছেন অন্তরের খবর।

সমকালীন বাংলা

আর কেহ করিলে তাহার যেন তোমাকে ক্লিষ্ট না করে। আমারই নিকট উহাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আমি উহাদেরকে অবহিত করিব উহারা যাহা করিত। অন্তরে যা কছিু রয়ছে, সে সর্ম্পকে সবশিষে পরিজ্ঞাত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর কেহ করিলে তাহার যেন তোমাকে ক্লিষ্ট না করে। আমারই নিকট উহাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আমি উহাদেরকে অবহিত করিব উহারা যাহা করিত। অন্তরে যাহা রহিয়াছে সে সম্বন্ধে ‌ সবিশেষ অবহিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি তাদেরকে অল্প ভোগ করতে দেই, তারপর তাদেরকে কঠোর আযাব ভোগ করতে বাধ্য করব।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কিছুকাল তাদের সুযোগ দেবো ভোগবিলাসের, তারপর আমরা তাদের বাধ্য করবো ভোগ করতে কঠোর আযাব।

সমকালীন বাংলা

আমি উহাদেরকে জীবনোপকরণ ভোগ করিতে দিব স্বল্পকালের জন্য। অতঃপর উহাদেরকে কঠিন শাস্তি ভোগ করিতে বাধ্য করিব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদেরকে জীবনোপকরণ ভোগ করিতে দিব স্বল্পকালের জন্য। অতঃপর উহাদেরকে কঠিন শাস্তি ভোগ করিতে বাধ্য করিব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘কে আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন?’ তারা অবশ্যই বলবে, ‘।’ বল, ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর; কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না’।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো, মহাকাশ ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছেন? জবাবে তারা অবশ্যি বলবে: ‘।’ বলো: ‘আলহামদুলিল্লাহ্’। বরং তাদের অধিকাংশই জানেনা।

সমকালীন বাংলা

তুমি যদি উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করিয়াছেন?’ উহারা অবশ্যই বলিবে, ‍’। বল ‌সকল প্রশংসা আল্লাহরই’, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই জানে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি যদি উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করিয়াছেন ?’ উহারা অবশ্যই বলিবে, ‍‘’। বল, ‌‘সকল প্রশংসা ‌রই’, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই জানে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আসমানসমূহ ও যমীনে যা আছে তা আল্লাহর; নিশ্চয় অমুখাপেক্ষী, প্রশংসিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর। নিশ্চয়ই মুখাপেক্ষাহীন, সপ্রশংসিত।

সমকালীন বাংলা

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা আল্লাহর, তিনি তো অভাবমুক্ত, প্রশংসার্হ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা ‌রই ; ‌, তিনি তো অভাবমুক্ত, প্রশংসার্হ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যমীনে যত গাছ আছে তা যদি কলম হয়, আর সমুদ্র (হয় কালি), তার সাথে কালিতে পরিণত হয় আরো সাত সমুদ্র, তবুও আল্লাহর বাণীসমূহ শেষ হবে না। নিশ্চয় মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

পৃথিবীর সমস্ত গাছ যদি কলম হয়, আর সমস্ত সমুদ্র যদি হয় কালি এবং এর সাথে যদি আরো যুক্ত করা হয় সাত সমুদ্র, তবু আল্লাহর (প্রশংসার) বাণী লিখে শেষ করা যাবেনা। নিশ্চয়ই পরাক্রমশালী, বিজ্ঞানময়।

সমকালীন বাংলা

পৃথিবীর সমস্তবৃক্ষ যদি কলম হয় আর সমুদ্র হয় কালি এবং ইহার সঙ্গে আরও সাত সমুদ্র যুক্ত হয়ে কালি হয়,তবুও আল্লাহর বাণী নিঃশেষ হইবে না। নিশ্চয়ই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পৃথিবীর সমস্ত বৃক্ষ যদি কলম হয় আর সমুদ্র হয় কালি এবং ইহার সঙ্গে আরও সাত সমুদ্র যুক্ত হয়, তবুও ‌র বাণী নিঃশেষ হইবে না। নিশ্চয়ই ‌ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের সৃষ্টি ও তোমাদের পুনরুত্থান কেবল একটি প্রাণের (সৃষ্টি ও পুনরুত্থানের) মতই। নিশ্চয় সর্বশ্রোতা, দ্রষ্টা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের সবার সৃষ্টি এবং পুনরুত্থান এক ব্যক্তির সৃষ্টি আর পুনরুত্থানেরই মতো। নিশ্চয়ই সব শুনেন, সব দেখেন।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের সকলের সৃষ্টি ও পুনরুত্থান একটি প্রাণীর সৃষ্টি ও পুনরুত্থানেরই অনুরূপ। নিশ্চয়ই সর্বশ্রোতা, সম‌্যক দ্রষ্টা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের সকলের সৃষ্টি ও পুনরুত্থান একটি প্রাণীর সৃষ্টি ও পুনরুত্থানেরই অনুরূপ। নিশ্চয়ই সর্বশ্রোতা, সম‌্যক দ্রষ্টা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখনি যে, রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করান এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান? আর তিনি সূর্য ও চাঁদকে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই চলছে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। আর নিশ্চয় তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবহিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি দেখোনা, রাতকে দিনের এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দেন এবং তিনি সূর্য আর চাঁদকে তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করে রেখেছেন? প্রত্যেকেই চলছে একটি নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত। আর তোমরা যা আমল করো, তা খবর রাখেন।

সমকালীন বাংলা

তুমি কি দেখ না আল্লাহর রাত্রিকে দিবসে এবং দিবসকে রাত্রিতে পরিণত করেন? তিনি চন্দ্র - সূর্যকে করিয়াছেন নিয়মাধীন, প্রত্যেকটি বিচরণ করে নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত; তোমরা যাহাকর তার খবর রাখনে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখ না ‌ রাত্রিকে দিবসে এবং দিবসকে রাত্রিতে পরিণত করেন ? তিনি চন্দ্র - সূর্যকে করিয়াছেন নিয়মাধীন, প্রত্যেকটি বিচরণ করে নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত ; তোমরা যাহা কর ‌ সে সম্পর্কে অবহিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এগুলো প্রমাণ করে যে, নিশ্চয় আল্লাহই সত্য এবং তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাকে ডাকে, তা মিথ্যা। আর নিশ্চয় আল্লাহই হলেন সর্বোচ্চ, সুমহান।

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলো (প্রমাণ করে যে) মহাসত্য এবং তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ডাকে তারা মিথ্যা। নিশ্চয়ই অতীব উঁচু, অতীব মহান।

সমকালীন বাংলা

এইগুলি প্রমাণ যে, সত্য এবং উহারা তাঁহার পরিবর্তে যাহাকে ডাকে, তাহা মিথ্যা। র্সবােচ্চ, মহান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইগুলি প্রমাণ যে, ‌ই সত্য এবং উহারা তাঁহার পরিবর্তে যাহাকে ডাকে, তাহা মিথ্যা। ‌, তিনি তো সমুচ্চ, মহান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখনি যে, নৌযানগুলো আল্লাহর অনুগ্রহে সমুদ্রে চলাচল করে, যাতে তিনি তাঁর কিছু নিদর্শন তোমাদের দেখাতে পারেন। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল, কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য অনেক নিদর্শন রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি দেখোনা, আল্লাহর অনুগ্রহে নৌযানগুলো জারি হয় সমুদ্রে। এর মাধ্যমে তোমাদের দেখাতে চান তাঁর কিছু নিদর্শন। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে নিদর্শন প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে।

সমকালীন বাংলা

তুমি কি লক্ষ্য কর না যে, অনুগ্রহে নৌযানগুলি সমুদ্রে বিচরণ করে, যদ্ধারাতিনি তোমাদেরকে তাঁহার নিদর্শনাবলীর কিছু প্রদর্শন করেন? ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি লক্ষ্য কর না যে, ‌র অনুগ্রহে নৌযানগুলি সমুদ্রে বিচরণ করে, যদ্দ্বারা তিনি তোমাদেরকে তাঁহার নিদর্শনাবলীর কিছু প্রদর্শন করেন ? ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন ঢেউ তাদেরকে ছায়ার মত আচ্ছন্ন করে নেয়, তখন তারা একনিষ্ঠ অবস্থায় আনুগত্যভরে আল্লাহকে ডাকে। অতঃপর যখন তিনি তাদেরকে উদ্ধার করে স্থলে পৌঁছে দেন, তখন তাদের কেউ কেউ (ঈমান ও কুফরীর) মধ্যপথে থাকে। আর বিশ্বাসঘাতক ও ব্যক্তি ছাড়া কেউ আমার নিদর্শনাবলী অস্

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন মেঘমালার মতো (বিক্ষুব্ধ) তরঙ্গ সেগুলোকে আচ্ছন্ন করে নেয়, তখন তারা আল্লাহর জন্যে আনুগত্যকে একনিষ্ঠ করে তাঁকে ডাকতে থাকে। আর যখনই তিনি তাদের নাজাত দেন কূলে পৌঁছে দিয়ে, তখন তাদের কিছু লোক (ঈমান ও কুফরের) মধ্য পথ অবলম্বন করে। কেবল বিশ্বাসঘাতক অকৃতজ্ঞরাই অস্বীকার করে আমাদের আয়াত।

সমকালীন বাংলা

যখন তরংগ উহাদেরকে আচ্ছন্ন করে মেঘচ্ছায়ার মত তখন উহারা আল্লাহর ডাকে তাহার আনগু ত্যে বিশুদ্ধচিত্ত হইয়া। কিন্তু যখন তিনি উহাদেরকে উদ্ধার করিয়া স্থলে পৌঁছান তখন উহাদের কেহ কেহ সরল পথে থাকে ; কেবল বিশ্বাসঘাতক, অকৃতজ্ঞ ব্যক্তিই আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকার করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন তরংগ উহাদেরকে আচ্ছন্ন করে মেঘচ্ছায়ার মত তখন উহারা ‌কে ডাকে তাহার আনুগত্যে বিশুদ্ধচিত্ত হইয়া। কিন্তু যখন তিনি উহাদেরকে উদ্ধার করিয়া স্থলে পৌঁছান তখন উহাদের কেহ কেহ সরল পথে থাকে ; কেবল বিশ্বাসঘাতক, অকৃতজ্ঞ ব্যক্তিই আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকার করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর এবং সেই দিনকে ভয় কর যেদিন পিতা তার সন্তানের কোন উপকার করতে পারবে না এবং সন্তানও তার পিতার কোন উপকারে আসবে না। নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। সুতরাং দুনিয়ার জীবন যেন কিছুতেই তোমাদেরকে ধোকা দিতে না পারে এবং মহাপ্রতারক (শয়তান)

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! তোমরা ভয় করো তোমাদের প্রভুকে। আরো ভয় করো সেই দিনটিকে, যেদিন বাপ সন্তানের কোনো উপকারে আসবেনা, আর সন্তানও কোনো উপকারে আসবেনা তার বাপের। আল্লাহর ওয়াদা অবশ্যি সত্য। সুতরাং দুনিয়ার হায়াত যেনো তোমাদের প্রতারিত না করে এবং তোমাদেরকে কিছুতেই যেনো আল্লাহর ব্যাপারে প্রতারিত না করে মহাপ্রতারক (শয়তান)।

সমকালীন বাংলা

হে মানুষ ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর এবং ভয় কর সেই দিনের, যখন পিতা সন্তানের কোন উপকারে আসিবে না, সন্তানও কোন উপকারে আসিবে না তাহার পিতার। আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য; সুতরাং পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে কিছুতেই প্রতারিত না করে এবং সেই প্রবঞ্চক যেন তোমাদেরকে কিছুইতেই সম্পর্কে প্রবঞ্চিত না করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মানুষ ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর এবং ভয় কর সেই দিনের, যখন পিতা সন্তানের কোন উপকারে আসিবে না, সন্তানও কোন উপকারে আসিবে না তাহার পিতার। ‌র প্রতিশ্রুতি সত্য; সুতরাং পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে কিছুতেই প্রতারিত না করে এবং সেই প্রবঞ্চক যেন তোমাদেরকে কিছুইতেই সম্পর্কে প্রবঞ্চিত না করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আল্লাহর নিকট কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে। আর তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং জরায়ূতে যা আছে, তা তিনি জানেন। আর কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন্ স্থানে সে মারা যাবে। নিশ্চয় সর্বজ্ঞ, সম্যক অবহিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে কেবল আল্লাহর কাছে। তিনিই নাযিল করেন বৃষ্টি। তিনিই জানেন মাতৃগর্ভে কী (ধরনের সন্তান) আছে? কোনো ব্যক্তিই জানেনা আগামীকাল সে কী অর্জন করবে এবং কোনো ব্যক্তি জানেনা কোন্ স্থানে হবে তার মরণ। নিশ্চয়ই জ্ঞানী এবং সব বিষয়ে অবহিত।

সমকালীন বাংলা

কিয়ামতের জ্ঞান কেবল নিকট রহিয়াছে, তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তিনি জানেন যাহা জরায়ুতে আছে। কেহ জানে না আগামীকল্য সে কি অর্জন করিবে এবং কেহ জানে না কােন দশেে সে মৃত্যুবরণ করব। র্সবজ্ঞ, র্সববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিয়ামতের জ্ঞান কেবল ‌র নিকট রহিয়াছে, তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তিনি জানেন যাহা জরায়ুতে আছে। কেহ জানে না আগামীকল্য সে কি অর্জন করিবে এবং কেহ জানে না কােন্‌ স্থানে তাহার মৃত্যু ঘটিবে। নিশ্চয়ই ‌ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme