কসম সারিবদ্ধ ফেরেশতাদের,
শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা সফে (সারিতে) দাঁড়ানো।
পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
Chapter 37, 182 verses
কসম সারিবদ্ধ ফেরেশতাদের,
শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা সফে (সারিতে) দাঁড়ানো।
পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
অতঃপর (মেঘমালা) সুচারুরূপে পরিচালনাকারীদের,
শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা মেঘমালা পরিচালনাকারী।
ও যাহারা কঠোর পরিচালক
ও যাহারা কঠোর পরিচালক
আর উপদেশ গ্রন্থ (আসমানী কিতাব) তিলাওয়াতকারীদের;
শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের), যারা তিলাওয়াত করে বা বহন করে আনে আল কুরআন (আল্লাহর নিকট থেকে)।
এবং যাহারা ‘যিকির’ আবৃত্তিতে রত -
এবং যাহারা ‘যিকির’ আবৃত্তিতে রত -
নিশ্চয় তোমাদের এক;
নিশ্চয়ই তোমাদের এক ও একক।
নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ্ এক,
নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ্ এক,
তিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু’য়ের মধ্যে যা আছে তার রব এবং রব উদয়স্থলসমূহের।
তিনিই মালিক মহাকাশ ও পৃথিবীর এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর, আর তিনিই মালিক উদয়াচলের।
যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু এবং প্রভু সকল উদয়স্থলের।
যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু এবং প্রভু সকল উদয়স্থলের।
নিশ্চয় আমি কাছের আসমানকে তারকারাজির সৌন্দর্যে সুশোভিত করেছি।
আমরা দুনিয়ার আকাশকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছি নক্ষত্ররাজি দিয়ে,
আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করিয়াছি,
আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করিয়াছি,
আর প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান থেকে হিফাযত করেছি।
এবং রক্ষা করেছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান থেকে।
এবং রক্ষা করিয়াছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হইতে।
এবং রক্ষা করিয়াছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হইতে।
তারা ঊর্ধ্বজগতের কিছু শুনতে পারে না, কারণ প্রত্যেক দিক থেকে তাদের দিকে নিক্ষেপ করা হয় (উল্কাপিন্ড)।
ফলে তারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শুনতে পায়না এবং তাদের আঘাত করা হয় সবদিক থেকে
ফলে উহারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শ্রবণ করিতে পারে না এবং উহাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সকল দিক হইতে -
ফলে উহারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শ্রবণ করিতে পারে না এবং উহাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সকল দিক হইতে -
তাড়ানোর জন্য, আর তাদের জন্য আছে অব্যাহত আযাব।
তাদের তাড়ানোর জন্যে। আর তাদের জন্যে রয়েছে অবিরাম আযাব।
বিতাড়নের জন্য এবং উহাদের জন্য আছে অবিরাম শাস্তি।
বিতাড়নের জন্য এবং উহাদের জন্য আছে অবিরাম শাস্তি।
তবে কেউ সন্তর্পণে কিছু শুনে নিলে তাকে পিছু তাড়া করে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড।
তবে হঠাৎ কেউ কিছু শুনে ফেললে তার পেছনে ছুটে যায় জ্বলন্ত উল্কা পিন্ড।
তবে কেহ হঠাৎ কিছু শুনিয়া ফেলিলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তাহার পশ্চাদ্ধাবন করে।
তবে কেহ হঠাৎ কিছু শুনিয়া ফেলিলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তাহার পশ্চাদ্ধাবন করে।
অতঃপর তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘সৃষ্টি হিসেবে তারা বেশি শক্তিশালী, না আমি অন্য যা সৃষ্টি করেছি তা’? নিশ্চয় আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি আঠালো মাটি থেকে।
তাদের (কাফিরদের) জিজ্ঞেস করো, তারাই কি মজবুত সৃষ্টি, নাকি আমরা অন্য যাদের সৃষ্টি করেছি তারা? এদেরকে তো আমরা সৃষ্টি করেছি আঠাল মাটি দিয়ে।
উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, উহারা সৃষ্টিতে দৃঢ়তর, না আমি অন্য যাহা কিছু সৃষ্টি করিয়াছি তাহা? উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি আঠাল মৃত্তিকা হইতে।
উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, উহারা সৃষ্টিতে দৃঢ়তর, না আমি অন্য যাহা কিছু সৃষ্টি করিয়াছি তাহা? উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি আঠাল মৃত্তিকা হইতে।
বরং তুমি বিস্মিত হচ্ছ আর ওরা বিদ্রূপ করছে।
তুমি তো বিস্ময়বোধ করছো, অথচ তারা করছে বিদ্রূপ।
তুমি তো বিস্ময় বোধ করিতেছ, আর উহারা করিতেছে বিদ্রুপ।
তুমি তো বিস্ময় বোধ করিতেছ, আর উহারা করিতেছে বিদ্রুপ।
আর যখন তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় তখন তারা স্মরণ করে না।
তাদের যখন উপদেশ দেয়া হয়, তারা সেদিকে মনোযোগ দেয়না।
এবং যখন উহাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় উহারা তাহা গ্রহণ করে না।
এবং যখন উহাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় উহারা তাহা গ্রহণ করে না।
আর যখন তারা কোন নিদর্শন দেখে তখন বিদ্রূপ করে।
যখনই তারা কোনো নিদর্শন দেখে, উপহাস করে।
উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে উপহাস করে
উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে উপহাস করে
আর বলে, ‘এতো স্পষ্ট যাদু ছাড়া আর কিছুই নয়’!
তারা বলে: ‘‘এ তো এক পরিষ্কার ম্যাজিক ছাড়া কিছু নয়।
এবং বলে, ‘ইহা তো এক সুস্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’
এবং বলে, ‘ইহা তো এক সুস্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’
‘আমরা যখন মারা যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব’?
আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের পুনরায় উঠানো হবে?
‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব, তখনও কি আমাদেরকে উত্থিত করা হইবে?
‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব, তখনও কি আমাদেরকে উত্থিত করা হইবে?
‘আর আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষগণও’?
আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকেও?’’
‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকেও?’
‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকেও?’
বল, ‘হ্যাঁ, আর তোমরা অপমানিত-লাঞ্ছিত হবে।’
বলো: ‘হ্যাঁ, আর তখন তোমরা হবে লাঞ্ছিত।’
বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হইবে লাঞ্ছিত।’
বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হইবে লাঞ্ছিত।’
তা হবে কেবল এক আওয়াজ আর তৎক্ষণাৎ তারা দেখতে পাবে।
সেটা হবে একটা প্রচন্ড শব্দ, আর তখনই তারা তা দেখতে পাবে।
উহা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ - আর তখনই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
উহা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ - আর তখনই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
আর তারা বলবে, ‘হায় আমাদের ধ্বংস, এ তো প্রতিদান দিবস’!
তারা আরো বলবে: ‘হায় ধ্বংস আমাদের, এটা তো প্রতিফল দিবস।’
এবং উহারা বলিবে, ‘দুর্ভোগ আমাদের! ইহাই তো কর্মফল দিবস।’
এবং উহারা বলিবে, ‘দুর্ভোগ আমাদের! ইহাই তো কর্মফল দিবস।’
এটি ফয়সালা করার দিন যা তোমরা অস্বীকার করতে।
(তখন তাদের বলা হবে:) ‘এটা হলো ফায়সালার দিন, যে দিনটিকে তোমরা করছিলে অস্বীকার।’
ইহাই ফয়সালার দিন যাহা তোমরা অস্বীকার করিতে।
ইহাই ফয়সালার দিন যাহা তোমরা অস্বীকার করিতে।
(ফেরেশতাদেরকে বলা হবে) ‘একত্র কর যালিম ও তাদের সঙ্গী-সাথীদেরকে এবং যাদের ইবাদাত তারা করত তাদেরকে।
(ফেরেশতাদের বলা হবে:) এনে জমা করো যালিমদের, তাদের সাথি সংগিদের এবং তাদের উপাস্যদের, যাদের তারা ইবাদত করতো
ফিরিশ্তাদেরকে বলা হইবে, ‘একত্র কর ও উহাদের সহচরগণকে এবং উহাদেরকে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহারা -
ফিরিশ্তাদেরকে বলা হইবে, ‘একত্র কর ও উহাদের সহচরগণকে এবং উহাদেরকে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহারা -
‘আল্লাহকে বাদ দিয়ে, আর তাদেরকে আগুনের পথে নিয়ে যাও’।
আল্লাহর পরিবর্তে। তাদের পরিচালিত করো জাহান্নামের দিকে।
ব্যতীত। অতঃপর তাদরেকে পরচিালতি কর জাহান্নামরে পথে,
র পরিবর্তে এবং উহাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে,
‘আর তাদেরকে থামাও, অবশ্যই তারা জিজ্ঞাসিত হবে’।
তবে তাদের থামাও, কারণ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
‘অতঃপর উহাদেরকে থামাও, কারণ উহাদেরকে প্রশ্ন করা হইবে :
‘অতঃপর উহাদেরকে থামাও, কারণ উহাদেরকে প্রশ্ন করা হইবে :
‘তোমাদের কী হল, তোমরা একে অপরকে সাহায্য করছ না?’
তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছো না কেন?
‘তোমাদের কী হইল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করিতেছ না?’
‘তোমাদের কী হইল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করিতেছ না?’
বরং তারা হবে আজ আত্মসমর্পণকারী।
বরং তারা সেদিন আত্মসমর্পণ করে দেবে।
বস্তুত সেই দিন উহারা আত্মসর্মপণ করিবে
বস্তুত সেই দিন উহারা আত্মসর্মপণ করিবে
আর তারা একে অপরের মুখোমুখি হয়ে জিজ্ঞাসা করবে,
তারা একে অপরের সামনা সামনি হয়ে পরস্পরকে প্রশ্ন করবে,
এবং উহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে -
এবং উহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে -
তারা বলবে, ‘তোমরাই তো আমাদের কাছে আসতে ধর্মীয় দিক থেকে’।* * এ আয়াতে اليمين বলতে দীন বুঝানো হয়েছে। কারো কারো মতে এ দ্বারা শক্তি-সামর্থ্য বা কল্যাণ-স্বাচ্ছন্দ্য বুঝানো হয়েছে।
তারা বলবে: ‘তোমরা তো ডান দিক থেকে (তোমাদের শক্তি দেখিয়ে) আমাদের কাছে আসতে।’
উহারা বলিবে, ‘তোমরা তো তোমাদের শক্তি লইয়া আমাদের নিকট আসিতে।’
উহারা বলিবে, ‘তোমরা তো তোমাদের শক্তি লইয়া আমাদের নিকট আসিতে।’
জবাবে তারা (নেতৃস্থানীয় কাফিররা) বলবে, ‘বরং তোমরা তো ছিলে না’।
তারা জবাবে বলবে: ‘‘তোমরা তো নিজেরাই ছিলে না,
তাহারা বলিবে, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,
তাহারা বলিবে, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,
আর তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না, বরং তোমরা ছিলে সীমালঙ্ঘনকারী কওম’।
আর তোমাদের উপর আমাদের কোনো কর্তৃত্বও ছিলনা। বরং তোমরা ছিলে আল্লাদ্রোহী লোক।
‘এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না ; বস্তুত তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।
‘এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না ; বস্তুত তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।
‘তাই আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের রবের বাণী সত্য হয়েছে; নিশ্চয় আমরা আস্বাদন করব (আযাব)’।
তাই আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রভুর কথা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যি শাস্তি ভোগ করতে হবে।
‘আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিপালকের কথা সত্য হইয়াছে, আমাদেরকে অবশ্যই শাস্তি আস্বাদন করিতে হইবে।
‘আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিপালকের কথা সত্য হইয়াছে, আমাদেরকে অবশ্যই শাস্তি আস্বাদন করিতে হইবে।
‘আর আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করেছি, কারণ আমরা নিজেরাই ছিলাম বিভ্রান্ত’।
আমরা তোমাদের বিপথগামী করেছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিপথগামী।’’
‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’
‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’
নিশ্চয় তারা সেদিন আযাবে অংশীদার হবে।
সেদিন তারা সবাই শরিকদার হবে আযাবের।
উহারা সকলেই সেই দিন শাস্তির শরীক হইবে।
উহারা সকলেই সেই দিন শাস্তির শরীক হইবে।
অপরাধীদের সাথে আমি এমন আচরণই করে থাকি।
আমরা অপরাধীদের সাথে এ রকমই আচরণ করি।
অপরাধীদের প্রতি আমি এইরূপই করিয়া থাকি।
অপরাধীদের প্রতি আমি এইরূপই করিয়া থাকি।
তাদেরকে যখন বলা হত, ‘ ছাড়া কোন (সত্য) নেই’, তখন নিশ্চয় তারা অহঙ্কার করত।
তাদের যখন বলা হতো: ‘কোনো নেই ছাড়া’, তখন তারা হঠকারিতা প্রদর্শন করতো।
তাদের যখন বলা হত, ব্যতীত কােন উপাস্য নেই, তখন তারা ঔদ্ধত্য প্রর্দশন করত।
উহাদেরকে ‘ ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই’ বলা হইলে উহারা অহংকার করিত
আর বলত, ‘আমরা কি এক পাগল কবির জন্য আমাদের উপাস্যদের ছেড়ে দেব?’
তারা বলতো: ‘আমরা কি একজন পাগল কবির জন্যে আমাদের ইলাহদের পরিত্যাগ করবো?’
এবং বলিত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহ্গণকে বর্জন করিব?’
এবং বলিত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহ্গণকে বর্জন করিব?’
বরং সে সত্য নিয়ে এসেছিল এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলে ঘোষণা দিয়েছিল।
বরং সে তো সত্য নিয়ে এসেছে এবং (অতীত) রসূলদের সত্য বলে মেনে নিয়েছে।
বরং সে তো সত্য লইয়া আসিয়াছে এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলিয়া স্বীকার করিয়াছে।
বরং সে তো সত্য লইয়া আসিয়াছে এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলিয়া স্বীকার করিয়াছে।
অবশ্যই তোমরা যন্ত্রণাদায়ক আযাব আস্বাদন করবে।
তোমরা অবশ্যি আস্বাদন করবে বেদনাদায়ক আযাব।
তোমরা অবশ্যই মর্মন্তুদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করিবে।
তোমরা অবশ্যই মর্মন্তুদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করিবে।
আর তোমরা যে আমল করতে শুধু তারই প্রতিদান তোমাদেরকে দেয়া হবে।
এবং তোমরা যেসব কর্মকান্ড করতে সেগুলোরই প্রতিদান পাবে।
এবং তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল পাইবে -
এবং তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল পাইবে -
অবশ্য আল্লাহর মনোনীত বান্দারা ছাড়া;
তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা দাস।
তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা বান্দা।
তবে তাহারা নয় যাহারা র একনিষ্ঠ বান্দা।
তাদের জন্য থাকবে নির্ধারিত রিয্ক,
তাদের জন্যে রয়েছে পরিচিত রিযিক।
তাহাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযিক -
তাহাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযিক -
ফলমূল; আর তারা হবে সম্মানিত,
রয়েছে ফলফলারি, আর তারা হবে সম্মানিত,
ফলমূল; আর তাহারা হইবে সম্মানিত,
ফলমূল; আর তাহারা হইবে সম্মানিত,
নি‘আমত-ভরা জান্নাতে,
জান্নাতুন নায়ীমে (নিয়ামতে ভরা জান্নাতে)।
সুখদ - কাননে
সুখদ - কাননে
মুখোমুখি পালঙ্কে।
সেখানে তারা উপবেশন করবে মুখোমুখি আসনে।
তাহারা মুখামুখি হইয়া আসনে আসীন হইবে।
তাহারা মুখামুখি হইয়া আসনে আসীন হইবে।
তাদের চারপাশে ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে বিশুদ্ধ সুরাপাত্র,
তাদের ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে (মদের) পেয়ালা বহমান ঝরণা থেকে
তাহাদেরকে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পরিবেশন করা হইবে বিশুদ্ধ সুরাপূর্ণ পাত্রে।
তাহাদেরকে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পরিবেশন করা হইবে বিশুদ্ধ সুরাপূর্ণ পাত্রে।
সাদা, পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।
শুভ্র সাদা শরাব, যা হবে পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।
শুভ্র উজ্জ্বল, যাহা হইবে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।
শুভ্র উজ্জ্বল, যাহা হইবে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।
তাতে থাকবে না ক্ষতিকর কিছু* এবং তারা এগুলো দ্বারা মাতালও হবে না। * غول অর্থ নেশা, মাতলামি, মাথাব্যথা ও পেটের পীড়া।
তাতে ক্ষতিকর কিছু থাকবে না এবং তাতে মাতালও হবেনা কেউ।
উহাতে ক্ষতিকর কিছু থাকিবে না এবং উহাতে তাহারা মাতালও হইবে না,
উহাতে ক্ষতিকর কিছু থাকিবে না এবং উহাতে তাহারা মাতালও হইবে না,
তাদের কাছে থাকবে আনতনয়না, ডাগরচোখা।
তাদের কাছে থাকবে আনত নয়না এবং আয়তলোচনা নারীরা।
তাহাদের সঙ্গে থাকিবে আনতনয়না, আয়তলোচনা হূরীগণ।
তাহাদের সঙ্গে থাকিবে আনতনয়না, আয়তলোচনা হূরীগণ।
তারা যেন আচ্ছাদিত ডিম।
সেসব নারীরা হবে যেনো সযত্নে লালিত সাদা ডিম।
তাহারা যেন সুরক্ষিত ডিম্ব।
তাহারা যেন সুরক্ষিত ডিম্ব।
অতঃপর তারা মুখোমুখি হয়ে পরস্পরকে জিজ্ঞাসা করবে।
তারা পরস্পরের সামনাসামনি হয়ে প্রশ্ন করবে।
তাহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে।
তাহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে।
তাদের একজন বলবে, (‘পৃথিবীতে) আমার এক সঙ্গী ছিল’,
তাদের কেউ কেউ বলবে: (দুনিয়ায়) আমার ছিলো এক সাথি,
তাহাদের কেহ বলিবে, ‘আমার ছিল এক সঙ্গী;
তাহাদের কেহ বলিবে, ‘আমার ছিল এক সঙ্গী;
সে বলত, ‘তুমি কি সে লোকদের অন্তর্ভুক্ত যারা বিশ্বাস করে’।
সে বলতো তুমি কি একথায় যে:
‘সে বলিত, ‘তুমি কি ইহাতে যে,
‘সে বলিত, ‘তুমি কি ইহাতে যে,
‘আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেয়া হবে’?
‘আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের প্রতিফল দেয়া হবে?’
‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং আমরা মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেওয়া হইবে?’
‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং আমরা মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেওয়া হইবে?’
বলবেন, ‘তোমরা কি উঁকি দিয়ে দেখবে?’
কেউ একজন বলবে: তোমরা কি দেখতে চাও সে এখন কোথায়?
বলবনে, তােমরা কি তাকে উকি দয়িে দখেতে চাও?
বলিবেন, ‘তোমরা কি তাহাকে দেখিতে চাও ?’
অতঃপর সে উঁকি দিয়ে দেখবে এবং তাকে (পৃথিবীর সঙ্গীকে) দেখবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে।
তখন সে ঝুঁকে পড়ে দেখবে এবং তাকে দেখতে পাবে জাহান্নামের মাঝ বরাবর।
অতঃপর সে ঝুঁকিয়া দেখিবে এবং উহাকে দেখিতে পাইবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে;
অতঃপর সে ঝুঁকিয়া দেখিবে এবং উহাকে দেখিতে পাইবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে;
সে বলবে, ‘আল্লাহর কসম! তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছিলে’।
সে তাকে বলবে: ‘আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।
বলিবে, আল্লাহর কসম, তুমি তাে আমাকে প্রায় ধ্বংসই করিয়াছিলে,
বলিবে, র কসম! তুমি তাে আমাকে প্রায় ধ্বংসই করিয়াছিলে,
‘আমার রবের অনুগ্রহ না থাকলে আমিও তো (জাহান্নামে) হাযিরকৃতদের একজন হতাম’।
যদি আমার প্রভুর অনুগ্রহ না হতো, তাহলে তো আমিও (জাহান্নামে) হাজির করা লোকদের অন্তরভুক্ত হতাম।’
‘আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ না থাকিলে আমিও তো হাযিরকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে শামিল হইতাম।
‘আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ না থাকিলে আমিও তো হাযিরকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে শামিল হইতাম।
(জান্নাতবাসী ব্যক্তি বলবে) ‘তাহলে আমরা কি আর মরব না’?
সে বলবে: ‘তাহলে কি আমাদের আর মৃত্যু হবেনা
‘আমাদের তো আর মৃত্যু হইবে না
‘আমাদের তো আর মৃত্যু হইবে না
‘আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া, আর আমরা কি আযাবপ্রাপ্ত হব না’?
প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদের কি আযাবও দেয়া হবেনা?’
‘প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তিও দেওয়া হইবে না!’
‘প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তিও দেওয়া হইবে না!’
‘নিশ্চয় এটি মহাসাফল্য!’
নিশ্চয়ই এ হলো মহাসাফল্য।
ইহা তো মহাসাফল্য,
ইহা তো মহাসাফল্য।
এরূপ সাফল্যের জন্যই ‘আমলকারীদের আমল করা উচিত।
এ রকম সাফল্যের জন্যেই কর্মীদের কাজ করা উচিত।
এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,
এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,
আপ্যায়নের জন্য এগুলো উত্তম না যাক্কূম* বৃক্ষ? * অতি তিক্ত স্বাদযুক্ত জাহান্নামের এক গাছ।
আতিথ্য হিসেবে এটা ভালো, নাকি যাক্কুম গাছ?
আপ্যায়নের জন্য কি ইহাই শ্রেয় না যাক্কুম বৃক্ষ?
আপ্যায়নের জন্য কি ইহাই শ্রেয় না যাক্কুম বৃক্ষ?
নিশ্চয় আমি তাকে যালিমদের জন্য করে দিয়েছি পরীক্ষা।
যালিমদের জন্যে আমরা এ গাছটি সৃষ্টি করেছি ফিতনা হিসেবে।
জালিমদের জন্য আমি ইহা সৃষ্টি করিয়াছি পরীক্ষাস্বরূপ,
জালিমদের জন্য আমি ইহা সৃষ্টি করিয়াছি পরীক্ষাস্বরূপ,
নিশ্চয় এ গাছটি জাহান্নামের তলদেশ থেকে বের হয়।
সেটি এমন একটি গাছ, যা উৎপন্ন হয় জাহান্নামের তলদেশ থেকে।
এই বৃক্ষ উদ্গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হইতে,
এই বৃক্ষ উদ্গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হইতে,
এর ফল যেন শয়তানের মাথা;
সেটার মোচা দেখতে যেনো শয়তানের মাথা।
ইহার মোচা যেন শয়তানের মাথা
ইহার মোচা যেন শয়তানের মাথা
নিশ্চয় তারা তা থেকে খাবে এবং তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে।
তারা অবশ্যি তা থেকে খাবে এবং তা দিয়ে ভর্তি করবে পেট।
অবশ্যই উহারা ইহা হইতে ভক্ষণ করিবে এবং উদর পূর্ণ করিবে ইহা দ্বারা।
অবশ্যই উহারা ইহা হইতে ভক্ষণ করিবে এবং উদর পূর্ণ করিবে ইহা দ্বারা।
তদুপরি তাদের জন্য থাকবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।
তার উপর তাদের জন্যে থাকবে পুঁজ মিশ্রিত টগবগে ফুটন্ত পানি।
তদুপরি উহাদের জন্য থাকিবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।
তদুপরি উহাদের জন্য থাকিবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।
তারপর তাদের প্রত্যাবর্তন হবে জাহান্নামের আগুনে।
তাদের গন্তব্য পথ হবে অবশ্যি জাহান্নামের দিকে।
আর উহাদের গন্তব্য হইবে অবশ্যই অগ্নির দিকে।
আর উহাদের গন্তব্য হইবে অবশ্যই অগ্নির দিকে।
নিশ্চয় এরা নিজদের পিতৃপুরুষদেরকে পথভ্রষ্ট পেয়েছিল;
সেখানে তারা তাদের পূর্ব পুরুষদের দেখতে পাবে বিপথগামী,
উহারা উহাদের পিতৃপুরুষগণকে পাইয়াছিল বিপথগামী।
উহারা উহাদের পিতৃপুরুষগণকে পাইয়াছিল বিপথগামী।
ফলে তারাও তাদের পদাঙ্ক অনুসরণে দ্রুত ছুটেছে।
এবং তারা তাদের পদাংক অনুসরণ করে চলেছিল।
এবং তাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণে ধাবিত হইয়াছিল।
এবং তাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণে ধাবিত হইয়াছিল।
আর নিশ্চয় এদের পূর্বে প্রাথমিক যুগের মানুষের বেশীরভাগই পথভ্রষ্ট হয়েছিল।
তাদের আগেও আগেকার অধিকাংশ লোকই বিপথগামী হয়েছিল।
উহাদের পূর্বেও পূর্ববর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হইয়াছিল,
উহাদের পূর্বেও পূর্ববর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হইয়াছিল,
আর অবশ্যই তাদের কাছে আমি সতর্ককারীদেরকে পাঠিয়েছিলাম;
আমরা তাদের মাঝে পাঠিয়েছিলাম সতর্ককারী।
এবং আমি উহাদের মধ্যে সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছিলাম।
এবং আমি উহাদের মধ্যে সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছিলাম।
সুতরাং দেখ, যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল তাদের পরিণতি কী হয়েছিল!
সুতরাং চেয়ে দেখো, যাদের সতর্ক করা হয়েছিল, কী জঘন্য পরিণতি হয়েছে তাদের?
সুতরাং লক্ষ্য কর যাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল!
সুতরাং লক্ষ্য কর যাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল!
অবশ্য আল্লাহর মনোনীত বান্দারা ছাড়া।
তবে আল্লাহর বাছাই করা বান্দাদের কথা ভিন্ন।
তবে আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।
তবে র একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।
আর নিশ্চয় নূহ আমাকে ডেকেছিল, আর আমি কতইনা উত্তম সাড়াদানকারী!
নূহ আমাদের ডেকেছিল, আর আমরা ডাকে কতোইনা উত্তম সাড়াদানকারী!
নূহ্ আমাকে আহ্বান করিয়াছিল, আর আমি কত উত্তম সাড়াদানকারী।
নূহ্ আমাকে আহ্বান করিয়াছিল, আর আমি কত উত্তম সাড়াদানকারী।
আর তাকে ও তার পরিজনকে আমি মহাবিপদ থেকে উদ্ধার করেছিলাম।
আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজনকে উদ্ধার করেছিলাম মহাসংকট থেকে।
তাহাকে এবং তাহার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
তাহাকে এবং তাহার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
আর তার বংশধরদেরকেই আমি অবশিষ্ট রেখেছিলাম,
তার বংশধরদেরই আমরা অবশিষ্ট রেখেছি (প্রজন্মের পর প্রজন্ম)।
তাহার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রাখিয়াছি বংশপরম্পরায়,
তাহার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রাখিয়াছি বংশপরম্পরায়,
আর পরবর্তীদের মধ্যে তার জন্য (সুখ্যাতি) রেখে দিয়েছিলাম।
আমরা তার (সুনাম) স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
শান্তি বর্ষিত হোক নূহের উপর সকল সৃষ্টির মধ্যে।
সমগ্র জগতের মধ্যে নূহের প্রতি ‘সালাম’ (শান্তি বর্ষিত হোক)।
সমগ্র বিশ্বের মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক।
সমগ্র বিশ্বের মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!
নিশ্চয় এভাবে আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।
এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করে থাকি কল্যাণপরায়ণদের।
এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি,
এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি,
নিশ্চয় সে আমার বান্দাদের একজন।
সে ছিলো আমার বান্দাদের একজন।
সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।
সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।
তারপর আমি অন্যদের ডুবিয়ে দিয়েছিলাম।
তারপর বাকি সবাইকে আমরা ডুবিয়ে দিয়েছি পানিতে।
অন্য সকলকে আমি নিমজ্জিত করিয়াছিলাম।
অন্য সকলকে আমি নিমজ্জিত করিয়াছিলাম।
আর নিশ্চয় ইবরাহীম তার দীনের অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত।
আর তার অনুগামীদেরই একজন ছিলো ইবরাহিম।
আর ইব্রাহীম তো তাহার অনুগামীদের অন্তর্ভুক্ত।
আর ইব্রাহীম তো তাহার অনুগামীদের অন্তর্ভুক্ত।
যখন সে বিশুদ্ধচিত্তে তার রবের নিকট উপস্থিত হয়েছিল।
সে তার প্রভুর কাছে উপস্থিত হয়েছিল প্রশান্ত হৃদয় নিয়ে।
স্মরণ কর, সে তাহার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হইয়াছিল বিশুদ্ধচিত্তে;
স্মরণ কর, সে তাহার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হইয়াছিল বিশুদ্ধচিত্তে;
যখন সে তার পিতা ও তার কওমকে বলেছিল, ‘তোমরা কিসের ইবাদত কর’?
সে তার পিতা এবং তার কওমকে বলেছিল: ‘‘আপনারা কিসের ইবাদত (উপাসনা) করছেন?
যখন সে তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের পূজা করিতেছ?
যখন সে তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের পূজা করিতেছ?
‘তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে মিথ্যা উপাস্যগুলোকে চাও’?
আপনারা কি আল্লাহর পরিবর্তে মনগড়া ইলাহদের চান?
তােমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে অলীক ইলাহগুলিকে চাও?
‘তােমরা কি র পরিবর্তে অলীক ইলাহ্গুলিকে চাও ?
‘তাহলে সকল সৃষ্টির রব সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কী’?
‘রাববুল আলামিনের’ (বিশ্বজগতের প্রভুর) ব্যাপারে আপনাদের ধারণা কী?’’
‘জগতসমূহের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের ধারণা কী?’
‘জগতসমূহের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের ধারণা কী?’
অতঃপর সে তারকারাজির মধ্যে একবার দৃষ্টি দিল।
অত:পর সে একবার তারকারাজির দিকে তাকালো
অতঃপর সে তারকারাজির দিকে একবার তাকাইল
অতঃপর সে তারকারাজির দিকে একবার তাকাইল
তারপর বলল, ‘আমি তো অসুস্থ’।
এবং বললো: ‘আমি অসুস্থ।’
এবং বলিল, ‘আমি অসুস্থ।’
এবং বলিল, ‘আমি অসুস্থ।’
অতঃপর তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে তার কাছ থেকে চলে গেল।
তখন তারা তাকে ফেলে চলে গেলো।
অতঃপর উহারা তাহাকে পশ্চাতে রাখিয়া চলিয়া গেল।
অতঃপর উহারা তাহাকে পশ্চাতে রাখিয়া চলিয়া গেল।
তারপর চুপে চুপে সে তাদের দেবতাদের কাছে গেল এবং বলল, ‘তোমরা কি খাবে না?’
অত:পর সে সতর্কভাবে তাদের (দেবতা) গুলোর কাছে গেলো। তাদের বললো: ‘তোমরা কি খাবেনা?’
পরে সে সন্তর্পণে উহাদের দেবতাগুলির নিকট গেল এবং বলিল, ‘তোমরা খাদ্য গ্রহণ করিতেছ না কেন?’
পরে সে সন্তর্পণে উহাদের দেবতাগুলির নিকট গেল এবং বলিল, ‘তোমরা খাদ্য গ্রহণ করিতেছ না কেন?’
‘তোমাদের কী হয়েছে যে, তোমরা কথা বলছ না’?
‘তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কথা বলোনা কেন?’
‘তোমাদের কী হইয়াছে যে, তোমরা কথা বল না?’
‘তোমাদের কী হইয়াছে যে, তোমরা কথা বল না?’
অতঃপর সে তাদের উপর সজোরে আঘাত হানল।
তারপর সে তাদের আঘাত হানলো শক্তভাবে।
অতঃপর সে উহাদের উপর সবলে আঘাত হানিল।
অতঃপর সে উহাদের উপর সবলে আঘাত হানিল।
তখন লোকেরা তার দিকে ছুটে আসল।
তখন লোকেরা ছুটে এলো তার দিকে।
তখন ঐ লোকগুলি তাহার দিকে ছুটিয়া আসিল।
তখন ঐ লোকগুলি তাহার দিকে ছুটিয়া আসিল।
সে বলল, ‘তোমরা নিজেরা খোদাই করে যেগুলো বানাও, তোমরা কি সেগুলোর উপাসনা কর’,
সে বললো: ‘‘তোমরা নিজেরা যেগুলোকে খোদাই করে তৈয়ার করো, তোমরা কি সেগুলোরই পূজা করো?
সে বলিল, ‘তোমরা নিজেরা যাহাদেরকে খোদাই করিয়া নির্মাণ কর তোমরা কি তাহাদেরই পূজা কর?
সে বলিল, ‘তোমরা নিজেরা যাহাদেরকে খোদাই করিয়া নির্মাণ কর তোমরা কি তাহাদেরই পূজা কর?
‘অথচ আল্লাহই তোমাদেরকে এবং তোমরা যা কর তা সৃষ্টি করেছেন’?
অথচ তোমাদের তো সৃষ্টি করেছেন এবং তোমরা যা তৈরি করো সেগুলোকেও।’’
অথচ তা তোমাদেরকে এবং তোমরা যা নর্মিাণ করছ সবাইকে সৃষ্টি করছেনে।
‘প্রকৃতপক্ষে ই সৃষ্টি করিয়াছেন তোমাদেরকে এবং তোমরা যাহা তৈরি কর তাহাও।’
তারা বলল, ‘তার জন্য একটি স্থাপনা তৈরী কর, তারপর তাকে জ্বলন্ত আগুনে নিক্ষেপ কর’।
তারা বললো: ‘তার জন্যে ঘেরাও করা প্রাচীরের একটা ইমারত নির্মাণ করো। অতপর তাকে সেই অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করো।’
উহারা বলিল, ‘ইহার জন্য এক ইমারত নির্মাণ কর, অতঃপর ইহাকে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিক্ষেপ কর।’
উহারা বলিল, ‘ইহার জন্য এক ইমারত নির্মাণ কর, অতঃপর ইহাকে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিক্ষেপ কর।’
আর তারা তার ব্যাপারে একটা ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিল, কিন্তু আমি তাদেরকে সম্পূর্ণ পরাভূত করে দিলাম।
তখন তারা তার বিরুদ্ধে এক চরম চক্রান্ত করে, কিন্তু আমরা তাদের নিচু করে দিয়েছি।
উহারা তাহার বিরুদ্ধে চক্রান্তেরর সংকল্প করিয়াছিল; কিন্তু আমি উহাদেরকে অতিশয় হেয় করিয়া দিলাম।
উহারা তাহার বিরুদ্ধে চক্রান্তের সংকল্প করিয়াছিল; কিন্তু আমি উহাদেরকে অতিশয় হেয় করিয়া দিলাম।
আর সে বলল, ‘আমি আমার রবের দিকে যাচ্ছি, তিনি অবশ্যই আমাকে হিদায়াত করবেন।
সে বলেছিল: ‘‘আমি আমার প্রভুর দিকে চললাম, তিনি আমাকে সঠিক পথ দেখাবেন।
সে বলিল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চলিলাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিবেন;
সে বলিল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চলিলাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিবেন;
‘হে আমার রব, আমাকে সৎকর্মশীল সন্তান দান করুন’।
আমার প্রভু! আমাকে একটি যোগ্য সন্তান দান করো।’’
‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর।’
‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর।’
অতঃপর তাকে আমি পরম ধৈর্যশীল একজন পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিলাম।
তখন আমরা তাকে সুসংবাদ দিলাম এক স্থির বুদ্ধিসম্পন্ন পুত্র সন্তানের।
অতঃপর আমি তাহাকে এক স্থিরবুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম।
অতঃপর আমি তাহাকে এক স্থিরবুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম।
অতঃপর যখন সে তার সাথে চলাফেরা করার বয়সে পৌঁছল, তখন সে বলল, ‘হে প্রিয় বৎস, আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমি তোমাকে যবেহ করছি, অতএব দেখ তোমার কী অভিমত’; সে বলল, ‘হে আমার পিতা, আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, আপনি তাই করুন। আমাকে ইনশাআল্লাহ আপনি অবশ্যই ধৈর্যশীলদের অন্তর
যখন সে তার পিতার সাথে কাজ করার বয়েসে উপনীত হয়, তখন সে (ইবরাহিম) বলেছিল: ‘আমার পুত্র! আমি স্বপ্ন দেখেছি, আমি তোমাকে যবেহ্ করছি। এখন তুমি বলো এ বিষয়ে তোমার অভিমত কী?’ সে বলেছিল: ‘আব্বু! আপনাকে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে আপনি তাই করুন। ইনশাল্লাহ ( চাইলে) আপনি আমাকে পাবেন ধৈর্যশীল।’
অতঃপর সে যখন তাহার পিতার সঙ্গে কাজ করিবার মত বয়সে উপনীত হইল তখন ইবরাহীম বলিল, ‘বৎস! আমি স্বপ্নের দেখি যে, তোমাকে আমি যবেহ্ করিতেছি, এখন তোমার অভিমত কি বল?’ সে বলিল, ‘হে আমার পিতা! আপনি যাহা আদিষ্ট হইয়াছেন তাহাই করুন। ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাইবেন।’
অতঃপর সে যখন তাহার পিতার সঙ্গে কাজ করিবার মত বয়সে উপনীত হইল তখন ইবরাহীম বলিল, ‘বৎস! আমি স্বপ্নের দেখি যে, তোমাকে আমি যবেহ্ করিতেছি, এখন তোমার অভিমত কি বল?’ সে বলিল, ‘হে আমার পিতা! আপনি যাহা আদিষ্ট হইয়াছেন তাহাই করুন। র ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাইবেন।’
অতঃপর তারা উভয়ে যখন আত্মসমর্পণ করল এবং সে তাকে* কাত করে শুইয়ে দিল * ইসমাঈলকে
যখন তারা দুজনই আত্মসমর্পণ করলো এবং ইবরাহিম তার পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিলো,
যখন তাহারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করিল এবং ইব্রাহীম তাহার পুত্রকে কাত করিয়া শায়িত করিল,
যখন তাহারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করিল এবং ইব্রাহীম তাহার পুত্রকে কাত করিয়া শায়িত করিল,
তখন আমি তাকে আহবান করে বললাম, ‘হে ইবরাহীম,
তখন আমরা তাকে ডেকে বললাম: ‘হে ইবরাহিম!
তখন আমি তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিলাম, ‘হে ইব্রাহীম!
তখন আমি তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিলাম, ‘হে ইব্রাহীম!
‘তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ। নিশ্চয় আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি’।
অবশ্যি তুমি স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছো। আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করে থাকি পুণ্যবানদের।
‘তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করিলে!’ - এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
‘তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করিলে!’ - এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
‘নিশ্চয় এটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা’।
নিশ্চয়ই এটা ছিলো একটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা।
নিশ্চয়ই ইহা ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।
নিশ্চয়ই ইহা ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।
আর আমি এক মহান যবেহের* বিনিময়ে তাকে মুক্ত করলাম। * তা ছিল একটি জান্নাতী দুম্বা।
অত:পর আমরা তাকে মুক্ত করেছিলাম এক মহাকুরবানির বিনিময়ে।
আমি তাহাকে মুক্ত করিলাম এক কুরবানীর বিনিময়ে।
আমি তাহাকে মুক্ত করিলাম এক কুরবানীর বিনিময়ে।
আর তার জন্য আমি পরবর্তীদের মধ্যে সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি।
আর আমরা পরবর্তীদের মধ্যেও এই কুরবানির রীতি চালু রেখেছি।
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
ইবরাহীমের প্রতি সালাম।
সালাম (শান্তি বর্ষিত হোক) ইবরাহিমের প্রতি।
ইব্রাহীমের উপর শান্তি বর্ষিত হউক!
ইব্রাহীমের উপর শান্তি বর্ষিত হউক!
এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি।
পুণ্যবানদের আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি।
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
নিশ্চয় সে আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
সে ছিলো আমাদের দাসদের একজন।
নিশ্চয়ই সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম;
নিশ্চয়ই সে ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম;
আর আমি তাকে ইসহাকের সুসংবাদ দিয়েছিলাম, সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত একজন নবী হিসেবে,
তারপর আমরা তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম (পুত্র) ইসহাকের। সেও ছিলো একজন যোগ্য নবী।
আমি তাহাকে সুসংবাদ দিয়াছিলাম ইস্হাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম,
আমি তাহাকে সুসংবাদ দিয়াছিলাম ইস্হাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম,
আর আমি তাকে ও ইসহাককে বরকত দান করেছিলাম, আর তাদের বংশধরদের মধ্যে কেউ কেউ ছিল সৎকর্মশীল এবং কেউ নিজের প্রতি স্পষ্ট যালিম।
আমরা বরকত দান করেছিলাম তাকে এবং ইসহাককেও। তাদের বংশধরদের মধ্যে কিছু কল্যাণপরায়ণ লোকও আছে, আর কিছু আছে নিজেদের প্রতি সুস্পষ্ট যুলুমকারীও।
আমি তাহাকে বরকত দান করিয়াছিলাম এবং ইস্হাককেও; তাহাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক নিজেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী।
আমি তাহাকে বরকত দান করিয়াছিলাম এবং ইস্হাককেও; তাহাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক নিজেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী।
আর আমি নিশ্চয় হারূন ও মূসার প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম,
আমরা ইহসান করেছিলাম মূসা এবং হারূণের প্রতি,
আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি,
আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি,
আর আমি তাদেরকে ও তাদের কওমকে মহাসংকট থেকে নাজাত দিয়েছিলাম।
এবং আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাদেরকে এবং তাদের কওমকে মহাসংকট থেকে।
এবং তাহাদেরকে এবং তাহাদের সম্প্রদায়কে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
এবং তাহাদেরকে এবং তাহাদের সম্প্রদায়কে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
আর আমি তাদেরকে সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই ছিল বিজয়ী।
আমরা তাদের সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই হয়েছিল বিজয়ী।
আমি সাহায্য করিয়াছিলাম তাহাদেরকে ফলে তাহারাই হইয়াছিল বিজয়ী।
আমি সাহায্য করিয়াছিলাম তাহাদেরকে ফলে তাহারাই হইয়াছিল বিজয়ী।
আর আমি উভয়কে সুস্পষ্ট কিতাব দান করেছিলাম।
আমরা তাদের উভয়কে দিয়েছিলাম সুবিস্তারিত কিতাব।
আমি উভয়কে দিয়াছিলাম বিশদ কিতাব।
আমি উভয়কে দিয়াছিলাম বিশদ কিতাব।
আর আমি দু’জনকেই সরল সঠিক পথে পরিচালিত করেছিলাম।
উভয়কেই পরিচালিত করেছিলাম সিরাতুল মুসতাকিমে (সরল সঠিক পথে)।
এবং তাহাদেরকে আমি পরিচালিত করিয়াছিলাম সরল পথে।
এবং তাহাদেরকে আমি পরিচালিত করিয়াছিলাম সরল পথে।
আর আমি তাদের জন্য পরবর্তীদের মধ্যে সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি।
পরবর্তীদের মাঝে তাদের খ্যাতি সংরক্ষণ করেছি।
আমি তাহাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
আমি তাহাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
মূসা ও হারূনের প্রতি সালাম।
সালাম মূসা এবং হারূণের প্রতি।
মূসা ও হারূনের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!
মূসা ও হারূনের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!
আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি।
আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি পুণ্যবানদের।
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
নিশ্চয় তারা দু’জনই ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
তারা উভয়েই ছিলো আমাদের দাসদের অন্তরভুক্ত।
তাহারা উভয়েই ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
তাহারা উভয়েই ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
আর ইলইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।
নিশ্চয়ই ইলিয়াসও ছিলো রসূলদের একজন।
ইল্ইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।
ইল্ইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।
যখন সে তার কওমকে বলেছিল ‘তোমরা কি (আল্লাহকে) ভয় করবে না’?
স্মরণ করো, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা কি সতর্ক হবেনা?
স্মরণ কর, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?
স্মরণ কর, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?
তোমরা কি ‘বা’ল’ কে* ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা- * بعل একটি দেবতার নাম, যার উপাসনা তারা করত।
তোমরা কি বা’আল (দেবতা) - কেই ডাকবে, আর পরিত্যাগ করবে সর্বশ্রেষ্ঠ স্রষ্টা
‘তোমরা কি বা‘আলকে ডাকিবে এবং পরিত্যাগ করিবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা -
‘তোমরা কি বা‘আলকে ডাকিবে এবং পরিত্যাগ করিবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা -
আল্লাহকে, যিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষদেরও রব’?
আল্লাহকে, যিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদেরও রব?’’
যনিি তা তোমাদের পালনর্কতা এবং তা তোমাদের র্পূবপুরুষদরে পালনর্কতা?
কে, যিনি প্রতিপালক তোমাদের - প্রতিপালক তোমাদের প্রাক্তন পূর্বপুরুষদের ?’
কিন্তু তারা তাকে অস্বীকার করেছিল, ফলে তাদেরকে অবশ্যই (আযাবের জন্য) উপস্থিত করা হবে।
কিন্তু তারা তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রত্যাখ্যান করে। সুতরাং তাদেরকে অবশ্যি (শাস্তির জন্যে) হাজির করা হবে।
কিন্তু উহারা তাহাকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, কাজেই উহাদেরকে অবশ্যই শাস্তির জন্য উপস্থিত করা হইবে।
কিন্তু উহারা তাহাকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, কাজেই উহাদেরকে অবশ্যই শাস্তির জন্য উপস্থিত করা হইবে।
আল্লাহর (আনুগত্যের জন্য) মনোনীত বান্দাগণ ছাড়া ।
তবে আমাদের মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দাদের কথা ভিন্ন।
কিন্তু তা’আলার খাঁটি বান্দাগণ নয়।
তবে র একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।
আর আমি তার জন্য পরবর্তীদের মধ্যে সুনাম সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি।
আমরা তাকে স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
ইলইয়াসের প্রতি সালাম।
সালাম ইলয়াসিনের (ইলিয়াসের) প্রতি।
ইল্ইয়াসীনের উপর শান্তি বর্ষিত হউক।
ইল্ইয়াসীনের উপর শান্তি বর্ষিত হউক।
নিশ্চয় আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি।
এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করি কল্যাণপরায়ণদের।
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
নিশ্চয় সে ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
সে ছিলো আমাদের দাসদের একজন।
সে তো ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।
সে তো ছিল আমার বান্দাদের অন্যতম।
আর নিশ্চয় লূতও ছিল রাসূলদেরই একজন।
নিশ্চয়ই লুতও ছিলো রসূলদের একজন।
লূতও ছিল রাসূলদের একজন।
লূতও ছিল রাসূলদের একজন।
যখন আমি তাকে ও তার পরিবার পরিজন সকলকে নাজাত দিয়েছিলাম-
আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজন সবাইকে নাজাত দিয়েছিলাম
আমি তাহাকে ও তাহার পরিবারের সকলকে উদ্ধার করিয়াছিলাম -
আমি তাহাকে ও তাহার পরিবারের সকলকে উদ্ধার করিয়াছিলাম -
পিছনে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত এক বৃদ্ধা ছাড়া ।
এক বৃদ্ধাকে ছাড়া। সে ছিলো পেছনে পড়াদের একজন।
এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
অতঃপর আমি অবশিষ্টদেরকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।
(তাদের নাজাত দিয়ে) বাকিদের আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।
অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করিয়াছিলাম।
অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করিয়াছিলাম।
আর তোমরা নিশ্চয় তাদের (ধ্বংসাবশেষের) উপর দিয়ে অতিক্রম করে থাক সকালে-
তোমরা তাদের ধ্বংসাবশেষগুলো অতিক্রম করো সকালে
তোমরা তো উহাদের ধ্বংসাবশেষগুলি অতিক্রম করিয়া থাক সকালে ও
তোমরা তো উহাদের ধ্বংসাবশেষগুলি অতিক্রম করিয়া থাক সকালে ও
ও রাতে। তবুও কি তোমরা বুঝবে না?
এবং রাত্রে। তবু কি তোমরা আকল খাটাবেনা?
সন্ধ্যায়। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করিবে না?
সন্ধ্যায়। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করিবে না?
আর নিশ্চয় ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।
ইউনুস অবশ্যি রসূলদের একজন।
ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।
ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।
যখন সে একটি বোঝাই নৌযানের দিকে পালিয়ে গিয়েছিল।
স্মরণ করো, যখন সে পালিয়ে এসে বোঝাই করা নৌযানের কাছে পৌঁছালো।
স্মরণ কর, যখন সে পলায়ন করিয়া বোঝাই নৌযানে পৌঁছিল,
স্মরণ কর, যখন সে পলায়ন করিয়া বোঝাই নৌযানে পৌঁছিল,
অতঃপর সে লটারীতে অংশগ্রহণ করল এবং তাতে সে হেরে গেল।
তারপর সে লটারিতে যোগ দিলো এবং পরাজিত হলো।
অতঃপর সে লটারীতে যোগদান করিল এবং পরাভূত হইল।
অতঃপর সে লটারীতে যোগদান করিল এবং পরাভূত হইল।
তারপর বড় মাছ তাকে গিলে ফেলল। আর সে (নিজেকে) ধিক্কার দিচ্ছিল।
(ফলে তারা তাকে ফেলে দিলো দরিয়ায়) এবং একটা বিশাল মাছ তাকে গিলে ফেললো। তখন সে নিজেকে তিরস্কার করতে থাকলো।
পরে এক বৃহদাকার মৎস্য তাহাকে গিলিয়া ফেলিল, তখন সে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগিল।
পরে এক বৃহদাকার মৎস্য তাহাকে গিলিয়া ফেলিল, তখন সে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগিল।
আর সে যদি (আল্লাহর) তাসবীহ পাঠকারীদের অন্তর্ভুক্ত না হত,
সে যদি আল্লাহর তসবিহ ঘোষণাকারী না হতো,
যদি তিনি আল্লাহর তসবীহ পাঠ না করতনে,
সে যদি র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা না করিত,
তাহলে সে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত তার পেটেই থেকে যেত।
তাহলে তাকে তার পেটেই থাকতে হতো পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।
তাহা হইলে তাহাকে উত্থান দিবস পর্যন্ত থাকিতে হইত উহার উদরে।
তাহা হইলে তাহাকে উত্থান দিবস পর্যন্ত থাকিতে হইত উহার উদরে।
অতঃপর আমি তাকে তৃণলতাহীন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম এবং সে ছিল অসুস্থ।
তখন আমরা তাকে নিক্ষেপ করলাম এক তরুলতাবিহীন প্রান্তরে এবং তখন ভীষণ অসুস্থ ছিলো সে।
অতঃপর ইউনুসকে আমি নিক্ষেপ করিলাম এক তৃণহীন প্রান্তরে এবং সে ছিল রুগ্ন।
অতঃপর ইউনুসকে আমি নিক্ষেপ করিলাম এক তৃণহীন প্রান্তরে এবং সে ছিল রুগ্ন।
আর আমি একটি ইয়াকতীন* গাছ তার উপর উদগত করলাম। * শসা, কাঁকড় ও লাউ জাতীয় গাছকে ইয়কতীন বলে। যা কান্ডের উপর দাঁড়াতে পারে না। তার জন্য মাচা তৈরী করতে হয়।
আমরা তার উপর উদগত করে দিলাম একটি লাউ গাছ।
পরে আমি তাহার উপর এক লাউ গাছ উদ্গত করিলাম.
পরে আমি তাহার উপর এক লাউ গাছ উদ্গত করিলাম.
এবং তাকে আমি এক লক্ষ বা তার চেয়েও বেশী লোকের কাছে পাঠালাম।
তারপর আমরা তাকে পুনরায় পাঠালাম এক লাখ বা তার চাইতে বেশি লোকের জনপদে।
তাহাকে আমি এক লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করিয়াছিলাম।
তাহাকে আমি এক লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করিয়াছিলাম।
অতঃপর তারা ঈমান আনল, ফলে আমি তাদেরকে কিছুকাল পর্যন্ত উপভোগ করতে দিলাম।
তখন তারা ঈমান আনলো, ফলে আমরা তাদেরকে কিছু কালের জন্যে জীবন ভোগ করতে দিয়েছিলাম।
এবং তাহারা ঈমান আনিয়াছিল; ফলে আমি তাহাদেরকে কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করিতে দিলাম।
এবং তাহারা ঈমান আনিয়াছিল; ফলে আমি তাহাদেরকে কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করিতে দিলাম।
অতএব তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার রবের জন্য কি কন্যা সন্তান এবং তাদের জন্য পুত্র সন্তান’?
এখন তুমি তাদের জিজ্ঞেস করো: সব কন্যা সন্তান কি তোমার প্রভুর জন্যে, আর তাদের জন্যে কি সব পুত্র সন্তান?
এখন উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার প্রতিপালকের জন্যই কি রহিয়াছে কন্যা সন্তান এবং উহাদের জন্য পুত্র সন্তান?’
এখন উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার প্রতিপালকের জন্যই কি রহিয়াছে কন্যা সন্তান এবং উহাদের জন্য পুত্র সন্তান?’
অথবা আমি কি ফেরেশতাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করেছিলাম আর তারা তা প্রত্যক্ষ করছিল?
নাকি আমরা ফেরেশতাদের নারী করে সৃষ্টি করেছি এবং এ ব্যাপারে তারা ছিলো প্রত্যক্ষদর্শী?
অথবা আমি কি ফিরিশ্তাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করিয়াছিলাম, আর উহারা প্রত্যক্ষ করিতেছিল?
অথবা আমি কি ফিরিশ্তাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করিয়াছিলাম, আর উহারা প্রত্যক্ষ করিতেছিল?
জেনে রাখ, তারা অবশ্যই তাদের মনগড়া কথা বলে যে,
সাবধান, তারা কথা রচনা করে বলে:
দেখ উহারা তো মনগড়া কথা বলে যে,
দেখ উহারা তো মনগড়া কথা বলে যে,
‘ সন্তান জন্ম দিয়েছেন’ আর তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।
‘ সন্তান জন্ম দিয়েছেন।’ আসলে তারা চরম মিথ্যাবাদী।
সন্তান জন্ম দয়িছেনে। নিশ্চয় তারা মথ্যিাবাদী।
‘ সন্তান জন্ম দিয়াছেন!’ উহারা নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।
তিনি কি পুত্রসন্তানদের উপর কন্যা সন্তানদের বেছে নিয়েছেন?
তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান বেছে নিয়েছেন?
তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান পসন্দ করিতেন?
তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান পসন্দ করিতেন?
তোমাদের কী হল? তোমরা কেমন ফয়সালা করছ!
তোমাদের হয়েছে কী, তোমাদের এ কেমন বিচার?
তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা কিরূপ বিচার কর?
তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা কিরূপ বিচার কর?
তাহলে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?
তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না?
তবে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?
তবে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?
নাকি তোমাদের কোন সুস্পষ্ট দলীল- প্রমাণ আছে?
নাকি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে?
তোমাদের কী সুস্পষ্ট দলীল - প্রমাণ আছে?
তোমাদের কী সুস্পষ্ট দলীল - প্রমাণ আছে?
অতএব তোমরা সত্যবাদী হলে তোমাদের কিতাব নিয়ে আস।
তবে তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে তোমাদের কিতাব নিয়ে আসো।
তোমরা সত্যবাদী হইলে তোমাদের কিতাব উপস্থিত কর।
তোমরা সত্যবাদী হইলে তোমাদের কিতাব উপস্থিত কর।
আর তারা ও জিন জাতির মধ্যে একটা বংশসম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জিন জাতি জানে যে, নিশ্চয় তাদেরকেও উপস্থিত করা হবে।
তারা এবং জিনদের মাঝেও আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করে। অথচ জিনরা জানে, অবশ্যি তাদেরকে হাজির করা হবে বিচারের জন্যে।
উহারা ও জিন জাতির মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করিয়াছে, অথচ জিনেরা জানে তাহাদেরকেও নিশ্চয়ই উপস্থিত করা হইবে শাস্তির জন্য।
উহারা ও জিন জাতির মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করিয়াছে, অথচ জিনেরা জানে তাহাদেরকেও নিশ্চয়ই উপস্থিত করা হইবে শাস্তির জন্য।
সে সব থেকে অতিপবিত্র ও মহান, যা তারা আরোপ করে,
তারা আল্লাহর প্রতি যা আরোপ করে তিনি তা থেকে পবিত্র, মহান।
তারা যা বলে তা থাকলে পবত্রি।
উহারা যাহা বলে তাহা হইতে পবিত্র, মহান -
তবে আল্লাহর (আনুগত্যের জন্য) নির্বাচিত বান্দাগণ ছাড়া।
তবে আল্লাহর মুখলিস (একনিষ্ঠ) বান্দারা তা করে না।
তবে যারা আল্লাহর নষ্ঠিাবান বান্দা, তারা গ্রফেতার হয়ে আসবে না।
র একনিষ্ঠ বান্দাগণ ব্যতিত,
নিশ্চয় তোমরা এবং তোমরা যাদের ইবাদাত কর তারা-
জেনে রাখো, তোমরা নিজেরা এবং তোমরা যাদের ইবাদত (পূজা, উপাসনা) করো, তারা (সবাই মিলে)
তোমরা এবং তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর উহারা -
তোমরা এবং তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর উহারা -
তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে (মুমিনদের) কাউকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।
তোমরা কাউকেও আল্লাহর ব্যাপারে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।
তাদরে কাউকইে তােমরা সর্ম্পকে বভ্রিান্ত করতে পারবে না।
তোমরা কাহাকেও সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করিতে পারিবে না -
জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশকারী ছাড়া।
কেবল জাহিমে (জাহান্নামে) প্রবেশকারীকে ছাড়া।
কেবল অগ্নিতে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।
কেবল অগ্নিতে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।
আমাদের* প্রত্যেকের জন্যই একটা নির্ধারিতস্থান** রয়েছে। *এটা ফেরেশতাদের বক্তব্য।
(ফেরেশতারা বলে:)! ‘‘আমাদের প্রত্যেকের জন্যেই রয়েছে নির্ধারিত স্থান।
আমাদের প্রত্যেকের জন্যই নির্ধারিত স্থান রহিয়াছে,
আমাদের প্রত্যেকের জন্যই নির্ধারিত স্থান রহিয়াছে,
আর অবশ্যই আমরা সারিবদ্ধ ।
আমরা অবশ্যি সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান।
আমরা তো সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
আমরা তো সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
আর আমরা অবশ্যই তাসবীহ পাঠকারী।
আমরা অবশ্যি আল্লাহর তসবিহ্ (পবিত্রতা ও শ্রেষ্ঠত্ব) ঘোষণাকারী।’’
‘এবং আমরা অবশ্যই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণাকারী।’
‘এবং আমরা অবশ্যই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণাকারী।’
আর তারা (মক্কাবাসীরা) বলত,
তারা তো বলে আসছে:
উহারাই তো বলিয়া আসিয়াছে,
উহারাই তো বলিয়া আসিয়াছে,
‘যদি আমাদের কাছে পূর্বর্তীদের মত কোন উপদেশ (কিতাব) থাকত,
‘‘আগেকার কিতাবের মতো কোনো কিতাব যদি আমাদের কাছে থাকতো,
পূর্ববর্তীদের কিতাবের মত যদি আমাদের কোন কিতাব থাকিত,
‘পূর্ববর্তীদের কিতাবের মত যদি আমাদের কোন কিতাব থাকিত,
তাহলে অবশ্যই আমরা আল্লাহর মনোনীত বান্দা হতাম’।
তবে অবশ্যি আমরা আল্লাহর মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দা হয়ে যেতাম।’’
তবে আমরা অবশ্যই আল্লাহর মনােনীত বান্দা হতাম।
‘আমরা অবশ্যই র একনিষ্ঠ বান্দা হইতাম।’
অতঃপর তারা তা অস্বীকার করল অতএব শীঘ্রই তারা জানতে পারবে (এর পরিণাম)।
কিন্তু তারা সেটির (কুরআনের) প্রতি কুফুরি করলো, এখন অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর পরিণাম)।
কিন্তু উহারা কুরআন প্রত্যাখ্যান করিল এবং শীঘ্রই উহারা জানিতে পারিবে;
কিন্তু উহারা কুরআন প্রত্যাখ্যান করিল এবং শীঘ্রই উহারা জানিতে পারিবে;
আর নিশ্চয় আমার প্রেরিত বান্দাদের জন্য আমার কথা পূর্ব নির্ধারিত হয়েছে যে,
আমার রসূলদের ব্যাপারে আমার এই ফায়সালা পূর্ব থেকেই স্থির হয়ে আছে যে,
আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থির হইয়াছে যে,
আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থির হইয়াছে যে,
‘অবশ্যই তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে’।
তারা অবশ্যি সাহায্যপ্রাপ্ত হবে,
অবশ্যই তাহারা সাহায্যপ্রাপ্ত হইবে,
অবশ্যই তাহারা সাহায্যপ্রাপ্ত হইবে,
আর নিশ্চয় আমার বাহিনীই বিজয়ী হবে।
এবং আমাদের বাহিনীই হবে বিজয়ী।
এবং আমার বাহিনীই হইবে বিজয়ী।
এবং আমার বাহিনীই হইবে বিজয়ী।
অতএব কিছু কাল পর্যন্ত তুমি তাদের থেকে ফিরে থাক।
সুতরাং কিছুকালের জন্যে তুমি তাদের উপেক্ষা করে চলো।
অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
আর তাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, অচিরেই তারা দেখবে (এর পরিণাম) ।
এবং তাদের পর্যবেক্ষণ করতে থাকো, শীঘ্রি তারা দেখতে পাবে।
তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
তারা কি আমার আযাব ত্বরান্বিত করতে চায়?
তারা কি আমাদের আযাব দ্রুত করার কামনা করে?
উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্নিত করিতে চায়?
উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্বিত করিতে চায়?
আর যখন তা তাদের আঙিনায় নেমে আসবে তখন সতর্ককৃতদের সকাল কতই না মন্দ হবে!
তাদের আঙিনায় যখন আযাব নেমে আসবে, তখন তারা দেখতে পাবে, যাদের সতর্ক করা হয়েছে তাদের সকাল বেলাটা কতো নিকৃষ্ট!
তাহাদের আঙিনায় যখন শাস্তি নামিয়া আসিবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হইবে কত মন্দ!
তাহাদের আঙিনায় যখন শাস্তি নামিয়া আসিবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হইবে কত মন্দ!
আরো কিছু কাল পর্যন্ত তুমি তাদের থেকে ফিরে থাক।
সুতরাং কিছু কালের জন্যে তাদের উপেক্ষা করো।
অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
আর তাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, অচিরেই তারা দেখবে (এর পরিণাম)।
এবং পর্যবেক্ষণ করো। অচিরেই তারা দেখতে পাবে (তাদের পরিণতি)।
তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
তারা যা ব্যক্ত করে তোমার রব তা থেকে পবিত্র মহান, সম্মানের মালিক।
তারা তাঁর প্রতি যা আরোপ করে, তা থেকে তোমার প্রভু পবিত্র ও মহান এবং সকল ক্ষমতার অধিকারী।
উহারা যাহা আরোপ করে তাহা হইতে পবিত্র ও মহান তোমার প্রতিপালক, যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।
উহারা যাহা আরোপ করে তাহা হইতে পবিত্র ও মহান তোমার প্রতিপালক, যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।
আর রাসূলদের প্রতি সালাম।
এবং সালাম রসূলদের প্রতি।
শান্তি বর্ষিত হউক রাসূলদের প্রতি!
শান্তি বর্ষিত হউক রাসূলদের প্রতি!
আর সকল প্রশংসা সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহর জন্য।
আর সমস্ত প্রশংসা রাববুল আলামিনের জন্যে।
সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই প্রাপ্য।
আর সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক রই প্রাপ্য।