Kitab

আল ক্বামার (চাঁদ)

Chapter 54, 55 verses

  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
  • জহুরুল হক
বয়ান ফাউন্ডেশন

কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিয়ামত নিকটবর্তী হইয়াছে, আর চন্দ্র বিদীর্ণ হইয়াছে,

মুহিউদ্দীন খান

কেয়ামত আসন্ন, চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে।

জহুরুল হক

ঘড়িঘন্টা সমাগত, আর চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, ‘চলমান যাদু’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে মুখ ফিরাইয়া নেয় এবং বলে, ‘ইহা তো চিরাচরিত জাদু।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা যদি কোন নিদর্শন দেখে তবে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরাগত জাদু।

জহুরুল হক

আর যদি তারা কোনো নিদর্শন দেখে, তারা ফিরে যায় ও বলে - - ''এক জবরদস্ত জাদু।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা অস্বীকার করে এবং নিজ নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করে। অথচ প্রতিটি বিষয় (শেষ সীমায়) স্থির হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা সত্য প্রত্যাখ্যান করে এবং নিজ খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে, আর প্রত্যেক ব্যাপারই লক্ষ্যে পৌঁছিবে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা মিথ্যারোপ করছে এবং নিজেদের খেয়াল - খুশীর অনুসরণ করছে। প্রত্যেক কাজ যথাসময়ে স্থিরীকৃত হয়।

জহুরুল হক

আর তারা প্রত্যাখ্যান করে এবং তারা তাদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করে, অথচ প্রত্যেক বিষয়েরই নিস্পত্তি হয়েই গেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের কাছে তো সংবাদসমূহ এসেছে, যাতে রয়েছে উপদেশবাণী,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের নিকট আসিয়াছে সুসংবাদ, যাহাতে আছে সাবধান বাণী;

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কাছে এমন সংবাদ এসে গেছে, যাতে সাবধানবাণী রয়েছে।

জহুরুল হক

আর তাদের কাছে অবশ্য কিছুটা সংবাদ এসেই গেছে যাতে রয়েছে প্রতিষেধক - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

পরিপূর্ণ হিকমাত। তবে সতর্কবাণী তাদের কোন উপকারে আসেনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা পরিপূর্ণ জ্ঞান, তবে এই সতর্কবাণী উহাদের কোন উপকারে আসে নাই।

মুহিউদ্দীন খান

এটা পরিপূর্ণ জ্ঞান, তবে সতর্ককারীগণ তাদের কোন উপকারে আসে না।

জহুরুল হক

এক সুপরিণত জ্ঞান, কিন্তু এ সতর্কীকরণ কোনো কাজে আসে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, সেদিন আহবানকারী আহবান করবে এক বিভীষিকাময় বিষয়ের দিকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি উহাদের উপেক্ষা কর। যেদিন আহবানকারী আহ্বান করিবে এক ভয়াবহ পরিণামের দিকে,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। যেদিন আহবানকারী আহবান করবে এক অপ্রিয় পরিণামের দিকে,

জহুরুল হক

কাজেই তাদের থেকে ফিরে এস। একদিন আহ্বানকারী আহ্বান করবেন এক অপ্রীতিকর ব্যাপারের প্রতি - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা তাদের দৃষ্টি অবনত অবস্থায় কবর থেকে বের হয়ে আসবে। মনে হবে যেন তারা বিক্ষিপ্ত পঙ্গপাল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অপমানে অবনমিত নেত্রে সেদিন উহারা কবর হইতে বাহির হইবে বিক্ষিপ্ত পঙ্গপালের ন্যায়,

মুহিউদ্দীন খান

তারা তখন অবনমিত নেত্রে কবর থেকে বের হবে বিক্ষিপ্ত পংগপাল সদৃশ।

জহুরুল হক

তাদের চোখ অবনত অবস্থায়, তারা বেরিয়ে আসতে থাকবে কবর থেকে যেন তারা ছড়িয়ে পড়া পঙ্গপাল - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা আহবানকারীর দিকে ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় ছুটে আসবে। কাফিররা বলবে, ‘এটি বড়ই কঠিন দিন’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা আহ্বানকারীর দিকে ছুটিয়া আসিবে ভীত - বিহ্বল হইয়া। কাফিররা বলিবে, ‘কঠিন এই দিন।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা আহবানকারীর দিকে দৌড়াতে থাকবে। কাফেরা বলবেঃ এটা কঠিন দিন।

জহুরুল হক

ওরা আহবায়কের প্রতি ছুটে আসবে। অবিশ্বাসীরা বলবে - - ''এইটি বড় কঠিন দিন!’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের পূর্বে নূহের কওমও অস্বীকার করেছিল। তারা আমার বান্দাকে অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল, ‘পাগল’। আর তাকে হুমকি দেয়া হয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়ও অস্বীকার করিয়াছিল - অস্বীকার করিয়াছিল আমার বান্দাকে আর বলিয়াছিল, ‘এ তো এক পাগল।’ আর তাহাকে ভীতি প্রদর্শন করা হইয়াছিল।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়ও মিথ্যারোপ করেছিল। তারা মিথ্যারোপ করেছিল আমার বান্দা নূহের প্রতি এবং বলেছিলঃ এ তো উম্মাদ। তাঁরা তাকে হুমকি প্রদর্শন করেছিল।

জহুরুল হক

এদের আগে নূহ - এর লোকদল সত্যপ্রত্যাখ্যান করেছিল, ফলে তারা আমাদের বান্দাকে প্রত্যাখ্যান করল ও বললে - - ''এক টি পাগল’’! আর তাঁকে অবজ্ঞা করা হয়েছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তার রবকে আহবান করল যে, ‘নিশ্চয় আমি পরাজিত, অতএব তুমিই প্রতিশোধ গ্রহণ কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন সে তাহার প্রতিপালককে আহ্বান করিয়া বলিয়াছিল, ‘আমি তো অসহায়, অতএব তুমি প্রতিবিধান কর।’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে তার পালনকর্তাকে ডেকে বললঃ আমি অক্ষম, অতএব, তুমি প্রতিবিধান কর।

জহুরুল হক

সেজন্য তিনি তাঁর প্রভুকে ডেকে বললেন - - ''আমি তো পরাভূত হয়ে পড়েছি, অতএব তুমি সাহায্য করো।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলে আমি বর্ষণশীল বারিধারার মাধ্যমে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে আমি উন্মুক্ত করিয়া দিলাম আকাশের দ্বার প্রবল বারি বর্ষণে,

মুহিউদ্দীন খান

তখন আমি খুলে দিলাম আকাশের দ্বার প্রবল বারিবর্ষণের মাধ্যমে।

জহুরুল হক

তখন আমরা আসমানের দরজাগুলো খুলে দিলাম বর্ষণশীল পানির দ্বারা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ভূমিতে আমি ঝর্না উৎসারিত করলাম। ফলে সকল পানি মিলিত হল নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসারে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং মৃত্তিকা হইতে উৎসারিত করিলাম প্রস্রবণ; অতঃপর সকল পানি মিলিত হইল এক পরিকল্পনা অনুসারে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং ভুমি থেকে প্রবাহিত করলাম প্রস্রবণ। অতঃপর সব পানি মিলিত হল এক পরিকম্পিত কাজে।

জহুরুল হক

আর জমিনকে উৎক্ষেপ করতে দিলাম ঝরনাধারায়, ফলে পানি মিলিত হয়ে গেল এক পূর্বনির্ধারিত ব্যাপারে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে (নূহকে) কাঠ ও পেরেক নির্মিত নৌযানে আরোহণ করালাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন নূহকে আরোহণ করাইলাম কাষ্ঠ ও কীলক নির্মিত এক নৌযানে,

মুহিউদ্দীন খান

আমি নূহকে আরোহণ করালাম এক কাষ্ঠ ও পেরেক নির্মিত জলযানে।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে বহন করলাম তাতে যা ছিল তক্তা ও পেরেক সন্বলিত, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

যা আমার চাক্ষুস তত্ত্বাবধানে চলত, তার জন্য পুরস্কারস্বরূপ, যাকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা চলিত আমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে; ইহা পুরস্কার তাহার জন্য, যে প্রত্যাখ্যাত হইয়াছিল।

মুহিউদ্দীন খান

যা চলত আমার দৃষ্টি সামনে। এটা তার পক্ষ থেকে প্রতিশোধ ছিল, যাকে প্রত্যখ্যান করা হয়েছিল।

জহুরুল হক

তা ভেসে চলেছিল আমাদের চোখের সামনে, - - এক প্রতিদান তাঁর জন্য যাঁকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে নিদর্শন হিসেবে রেখেছি। অতএব কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো ইহাকে রাখিয়া দিয়াছি এক নিদর্শনরূপে; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?

মুহিউদ্দীন খান

আমি একে এক নিদর্শনরূপে রেখে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?

জহুরুল হক

আর আমরা অবশ্য এটিকে রেখে দিয়েছি এক নিদর্শনরূপে। কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত?

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব আমার আযাব ও ভয় প্রদর্শন কেমন ছিল?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কী কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!

মুহিউদ্দীন খান

কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।

জহুরুল হক

সুতরাং কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য। অতএব কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কুরআন আমি সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?

জহুরুল হক

আর আমরা তো অবশ্যই কুরআনকে উপদেশগ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি আছে যে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আদ জাতি অস্বীকার করেছিল, অতএব আমার আযাব ও ভয় প্রদর্শন কিরূপ হয়েছিল?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আদ সম্প্রদায় সত্য অস্বীকার করিয়াছিল, ফলে কিরূপ ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!

মুহিউদ্দীন খান

আদ সম্প্রদায় মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কেমন কঠোর হয়েছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।

জহুরুল হক

আর 'আদ - জাতি সত্যপ্রত্যাখ্যান করেছিল, কাজেই কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তাদের ওপর পাঠিয়েছিলাম প্রচন্ড শীতল ঝড়ো হাওয়া, অব্যাহত এক অমঙ্গল দিনে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের উপর আমি প্রেরণ করিয়াছিলাম ঝঞ্ঝাবায়ু নিরবচ্ছিন্ন দুর্ভাগ্যের দিনে,

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম ঝঞ্জাবায়ু এক চিরাচরিত অশুভ দিনে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা তাদের উপরে এক চরম দুর্ভাগ্যের দিনে পাঠিয়েছিলাম এক প্রচন্ড ঝড় - তোফান,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা মানুষকে উৎখাত করেছিল। যেন তারা উৎপাটিত খেজুরগাছের কান্ড।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষকে উহা উৎখাত করিয়াছিল উন্মুলিত খর্জুর - কাণ্ডের ন্যায়।

মুহিউদ্দীন খান

তা মানুষকে উৎখাত করছিল, যেন তারা উৎপাটিত খর্জুর বৃক্ষের কান্ড।

জহুরুল হক

যা মানুষকে উড়িয়ে নিয়েছিল, যেন তারা ছিল উৎপাটিত খেজুরগাছের গুঁড়ি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব আমার আযাব ও ভয় প্রদর্শন কিরূপ হয়েছিল?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কী কঠোর আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।

জহুরুল হক

সুতরাং কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য। অতএব কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কুরআন আমি সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?

জহুরুল হক

কাজেই আমরা আলবৎ কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি হবে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত?

বয়ান ফাউন্ডেশন

সামূদ জাতিও সতর্ককারীদেরকে মিথ্যাবাদী বলেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সামূদ সম্প্রদায় সতর্ককারীদেরকে অস্বীকার করিয়াছিল,

মুহিউদ্দীন খান

সামুদ সম্প্রদায় সতর্ককারীদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।

জহুরুল হক

ছামুদ - জাতিও সতর্কীকরণ প্রত্যাখ্যান করেছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা বলেছিল, ‘আমরা কি আমাদেরই মধ্য থেকে এক ব্যক্তির অনুসরণ করব? তাহলে নিশ্চয় আমরা পথভ্রষ্টতা ও উম্মত্ততার মধ্যে পড়ব’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলিয়াছিল, ‘আমরা কি আমাদেরই এক ব্যক্তির অনুসরণ করিব? তবে তো আমরা পথভ্রষ্টতায় এবং উন্মত্ততায় পতিত হইব।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলেছিলঃ আমরা কি আমাদেরই একজনের অনুসরণ করব? তবে তো আমরা বিপথগামী ও বিকার গ্রস্থরূপে গণ্য হব।

জহুরুল হক

কাজেই তারা বলেছিল - - ''কী! আমাদের মধ্যেকার মানুষই একজন, তাকেই কি আমরা অনুসরণ করব? সেক্ষেত্রে আমরা তো নিশ্চয়ই বিপথগামী হব ও পাগলামিতে পড়ব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমাদের মধ্য থেকে কি তার ওপরই উপদেশবাণী পাঠানো হয়েছে ? বরং সে চরম মিথ্যাবাদী অহঙ্কারী’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদের মধ্যে কি উহারই প্রতি প্রত্যাদেশ হইয়াছে? না, সে তো একজন মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।’

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের মধ্যে কি তারই প্রতি উপদেশ নাযিল করা হয়েছে? বরং সে একজন মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।

জহুরুল হক

''আমাদের মধ্যে থেকে স্মারক কি তার উপরেই পতিত হল? বস্তুত সে একজন ডাহা মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আগামী দিন তারা জানতে পারবে, কে চরম মিথ্যাবাদী, অহঙ্কারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আগামীকল্য উহারা জানিবে, কে মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।

মুহিউদ্দীন খান

এখন আগামীকল্যই তারা জানতে পারবে কে মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।

জহুরুল হক

কালকেই তারা ত্বরায় জানতে পারবে কে মিথ্যুক, কে দাম্ভিক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তাদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ উষ্ট্রী পাঠাচ্ছি। অতএব তুমি তাদের ব্যাপারে অপেক্ষা কর এবং ধৈর্যধারণ কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদের পরীক্ষার জন্য পাঠাইয়াছি এক উষ্ট্রী, অতএব তুমি উহাদের আচরণ লক্ষ্য কর এবং ধৈর্যশীল হও।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের পরীক্ষার জন্য এক উষ্ট্রী প্রেরণ করব, অতএব, তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখ এবং সবর কর।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা একটি উষ্ট্রিকে পাঠাতে যাচ্ছি তাদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ, সেজন্য তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখো এবং ধৈর্যধারণ করো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে পানি বণ্টন সুনির্দিষ্ট। প্রত্যেকেই (পালাক্রমে) পানির অংশে উপস্থিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহাদেরকে জানাইয়া দাও যে, উহাদের মধ্যে পানি বণ্টন নির্ধারিত এবং পানির অংশের জন্য প্রত্যেকে উপস্থিত হইবে পালাক্রমে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে পানির পালা নির্ধারিত হয়েছে এবং পালাক্রমে উপস্থিত হতে হবে।

জহুরুল হক

আর তাদের জানিয়ে দাও যে পানির ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে ভাগাভাগি রয়েছে, প্রত্যেক জলপানে হাজিরা থাকবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা তাদের সাথীকে ডেকে আনল। তখন সে উষ্ট্রীকে ধরল, তারপর হত্যা করল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা উহাদের এক সঙ্গীকে আহ্বান করিল, সে উহাকে ধরিয়া হত্যা করিল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তাদের সঙ্গীকে ডাকল। সে তাকে ধরল এবং বধ করল।

জহুরুল হক

কিন্তু তারা তাদের সেঙাৎকে ডাক দিল, তখন সে ধরল ও কেটে ফেলল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব আমার আযাব ও ভয় প্রদর্শন কিরূপ হয়েছিল?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিরূপ কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।

জহুরুল হক

পরিণামে কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তাদের কাছে পাঠিয়েছিলাম এক বিকট আওয়াজ, ফলে তারা খোয়াড় প্রস্তুতকারীর খন্ডিত শুষ্ক খড়ের মত হয়ে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদেরকে আঘাত হানিয়াছিলাম এক মহানাদ দ্বারা; ফলে উহারা হইয়া গেল খোঁয়াড় প্রস্তুতকারীর বিখণ্ডিত শুষ্ক শাখা - প্রশাখার ন্যায়।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের প্রতি একটিমাত্র নিনাদ প্রেরণ করেছিলাম। এতেই তারা হয়ে গেল শুষ্ক শাখাপল্লব নির্মিত দলিত খোয়াড়ের ন্যায়।

জহুরুল হক

আমরা অবশ্যই তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম একটিমাত্র মহাগর্জন, ফলে তারা হয়ে গেল খোঁয়াড় - প্রস্তুতকারীর শুকনো - ভাঙ্গা ডালপালার ন্যায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য। অতএব কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই কুরআনকে উপদেশ - গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্যতম?

বয়ান ফাউন্ডেশন

লূতের কওম সতর্ককারীদেরকে মিথ্যাবাদী বলেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূত সম্প্রদায় অস্বীকার করিয়াছিল সতর্ককারীদেরকে,

মুহিউদ্দীন খান

লূত - সম্প্রদায় সতর্ককারীদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।

জহুরুল হক

লুত - এর লোকদলও সতর্কীকরণ প্রত্যাখ্যান করেছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তাদের উপর কংকর-ঝড় পাঠিয়েছিলাম, তবে লূত পরিবারের উপর নয়। আমি তাদেরকে শেষ রাতে নাজাত দিয়েছিলাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদের উপর প্রেরণ করিয়াছিলাম প্রস্তর বহনকারী প্রচণ্ড ঝটিকা, কিন্তু লূত পরিবারের উপর নয় ; তাহাদেরকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম রাত্রির শেষাংশে

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম প্রস্তর বর্ষণকারী প্রচন্ড ঘূর্ণিবায়ু; কিন্তু লূত পরিবারের উপর নয়। আমি তাদেরকে রাতের শেষপ্রহরে উদ্ধার করেছিলাম।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম এক পাথর বর্ষণকারী ঝড়, - - লুত - এর পরিজনদের ব্যতীত, আমরা তাদের উদ্ধার করেছিলাম শেষরাতে - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমার কাছ থেকে অনুগ্রহস্বরূপ। এভাবেই আমি তাকে প্রতিদান দেই, যে কৃতজ্ঞ হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমার বিশেষ অনুগ্রহস্বরূপ; যাহারা কৃতজ্ঞ, আমি এইভাবেই তাহাদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।

মুহিউদ্দীন খান

আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ স্বরূপ। যারা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে, আমি তাদেরকে এভাবে পুরস্কৃত করে থকি।

জহুরুল হক

আমাদের তরফ থেকে এক অনুগ্রহ। এইভাবেই আমরা পুরস্কার দিই যে কৃতজ্ঞতা দেখায় তাকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর লূত তো তাদেরকে আমার কঠিন পাকড়াও সম্পর্কে সাবধান করেছিল, তারপরও তারা সাবধান বাণী সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূত উহাদেরকে সতর্ক করিয়াছিল আমার কঠোর শাস্তি সম্পর্কে; কিন্তু উহারা সতর্কবাণী সম্বন্ধে বিতণ্ডা শুরু করিল।

মুহিউদ্দীন খান

লূত (আঃ) তাদেরকে আমার প্রচন্ড পাকড়াও সম্পর্কে সতর্ক করেছিল। অতঃপর তারা সতর্কবাণী সম্পর্কে বাকবিতন্ডা করেছিল।

জহুরুল হক

আর তিনি তো ইতিপূর্বেই তাদের সতর্ক করে দিয়েছিলেন আমাদের ভীষণভাবে পাকড়ানো সম্পর্কে, কিন্তু তারা আমার সতর্কীকরণ সন্বন্ধে কথা - কাটাকাটি করছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা তার কাছে তার মেহমানদেরকে (অসদুদ্দেশ্যে) দাবী করল। তখন আমি তাদের চোখগুলোকে অন্ধ করে দিলাম। (আর বললাম) আমার আযাব ও সাবধানবাণীর পরিণাম আস্বাদন কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা লূতের নিকট হইতে তাহার মেহমানদেরকে অসদুদ্দেশ্যে দাবি করিল, তখন আমি উহাদের দৃষ্টিশক্তি লোপ করিয়া দিলাম এবং আমি বলিলাম, ‘আস্বাদন কর আমার শাস্তি এবং সতর্ক - বাণীর পরিণাম।

মুহিউদ্দীন খান

তারা লূতের (আঃ) কাছে তার মেহমানদেরকে দাবী করেছিল। তখন আমি তাদের চক্ষু লোপ করে দিলাম। অতএব, আস্বাদন কর আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।

জহুরুল হক

আর তারা অবশ্য তাঁর কাছ থেকে তাঁর অতিথিদের চেয়েছিল, তখন আমরা তাদের চোখগুলোকে শেষ করে দিয়েছিলাম, ''অতএব আমার শাস্তি আস্বাদন কর আমার সতর্কীকরণের পরে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সকাল বেলা তাদের উপর অবিরত আযাব নেমে আসল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রত্যূষে বিরামহীন শাস্তি তাহাদেরকে আঘাত করিল।

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে প্রত্যুষে নির্ধারিত শাস্তি আঘাত হেনেছিল।

জহুরুল হক

আর অবশ্য নির্ধারিত শাস্তি ভোরবেলাতে তাদের উপরে পড়েছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমার আযাব ও সাবধানবাণীর পরিণাম আস্বাদন কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি বলিলাম, ‘আস্বাদন কর আমার শাস্তি এবং সতর্কবাণীর পরিণাম।’

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী আস্বাদন কর।

জহুরুল হক

''আমার শাস্তি এখন আস্বাদন কর আমার সতর্কীকরণের পরে?’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি, উপদেশ গ্রহণের জন্য। অতএব কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কোরআনকে বোঝবার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?

জহুরুল হক

আর আমরা তো নিশ্চয়ই কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েইছি, কিন্তু কে আছে যে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন গোষ্ঠীর কাছেও তো সাবধানবাণী এসেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন সম্প্রদায়ের নিকটও আসিয়াছিল সতর্ককারী;

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন সম্প্রদায়ের কাছেও সতর্ককারীগণ আগমন করেছিল।

জহুরুল হক

আর অবশ্য ফিরআউনের লোকদের কাছে সতর্কীকরণ এসেছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা আমার সকল নিদর্শনকে অস্বীকার করল, অতএব আমি মহাপরাক্রমশালী, সর্বশক্তিমানের মতই তাদেরকে পাকড়াও করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা আমার সকল নিদর্শন প্রত্যাখ্যান করিল, অতঃপর পরাক্রম - শালী ও সর্বশক্তিমানরূপে আমি উহাদেরকে সুকঠিন শাস্তি দিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আমার সকল নিদর্শনের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল। অতঃপর আমি পরাভূতকারী, পরাক্রমশালীর ন্যায় তাদেরকে পাকড়াও করলাম।

জহুরুল হক

তারা আমাদের নিদর্শনসমূহ - - তাদের সবক’টি, প্রত্যাখ্যান করেছিল, সেজন্য আমরা তাদের পাকড়াও করেছিলাম মহাশক্তিশালী পরমক্ষমতাবানের পাকড়ানোর দ্বারা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের (মক্কার) কাফিররা কি তাদের চেয়ে ভাল? না কি তোমাদের জন্য মুক্তির কোন ঘোষণা রয়েছে (আসমানী) কিতাবসমূহের মধ্যে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের মধ্যকার কাফিররা কি উহাদের অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ? না কি তোমাদের অব্যাহতির কোন সনদ রহিয়াছে পূর্ববর্তী কিতাবে?

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের মধ্যকার কাফেররা কি তাদের চাইতে শ্রেষ্ঠ ? না তোমাদের মুক্তির সনদপত্র রয়েছে কিতাবসমূহে?

জহুরুল হক

তোমাদের অবিশ্বাসীরা কি এদের চাইতে ভাল, না তোমাদের জন্য অব্যাহতি রয়েছে ধর্মগ্রন্থের মধ্যে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

না কি তারা বলে, ‘আমরা সংঘবদ্ধ বিজয়ী দল’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা কি বলে, ‘আমরা এক সঙ্ঘবদ্ধ অপরাজেয় দল?’

মুহিউদ্দীন খান

না তারা বলে যে, আমারা এক অপরাজেয় দল?

জহুরুল হক

অথবা তারা কি বলে - - ''আমরা পরস্পরের সাহায্যকারী আস্ত একটা দল’’?

বয়ান ফাউন্ডেশন

সংঘবদ্ধ দলটি শীঘ্রই পরাজিত হবে এবং পিঠ দেখিয়ে পালাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই দল তো শীঘ্রই পরাজিত হইবে এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিবে,

মুহিউদ্দীন খান

এ দল তো সত্ত্বরই পরাজিত হবে এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে।

জহুরুল হক

শীঘ্রই এ লোকদল বিধবস্ত হবে এবং পৃস্প্রদর্শন করে ফিরে যাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং কিয়ামত তাদের প্রতিশ্রুত সময়। আর কিয়ামত অতি ভয়ঙ্কর ও তিক্ততর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অধিকন্তু কিয়ামত উহাদের শাস্তির নির্ধারিত কাল এবং কিয়ামত হইবে কঠিনতর ও তিক্ততর;

মুহিউদ্দীন খান

বরং কেয়ামত তাদের প্রতিশ্রুত সময় এবং কেয়ামত ঘোরতর বিপদ ও তিক্ততর।

জহুরুল হক

বস্তুত ঘড়িঘন্টাই তাদের নির্ধারিত স্থানকাল, আর সেই ঘড়িঘন্টা হবে অতি কঠোর ও বড় তিক্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় অপরাধীরা রয়েছে পথভ্রষ্টতা ও (পরকালে) প্রজ্জ্বলিত আগুনে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় অপরাধীরা পথভ্রষ্ট ও বিকারগ্রস্ত।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন তাদেরকে উপুড় করে টেনে হিঁচড়ে জাহান্নামে নেয়া হবে। (বলা হবে) জাহান্নামের ছোঁয়া আস্বাদন কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন উহাদের উপুড় করিয়া টানিয়া লইয়া যাওয়া হইবে জাহান্নামের দিকে; সেই দিন বলা হইবে, ‘জাহান্নামের যন্ত্রণা আস্বাদন কর।’

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন তাদেরকে মুখ হিঁচড়ে টেনে নেয়া হবে জাহান্নামে, বলা হবেঃ অগ্নির খাদ্য আস্বাদন কর।

জহুরুল হক

সেই দিন তাদের মুখ হেচঁড়ে তাদের টেনে নিয়ে যাওয়া হবে আগুনের মধ্যে - - ''জ্বালাময় আগুনের স্পর্শ আস্বাদন করো!’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি সব কিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি সকল কিছু সৃষ্টি করিয়াছি নির্ধারিত পরিমাপে,

মুহিউদ্দীন খান

আমি প্রত্যেক বস্তুকে পরিমিতরূপে সৃষ্টি করেছি।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ প্রত্যেকটি জিনিস - - আমরা এটি সৃষ্টি করেছি পরিমাপ অনুসারে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমার আদেশ তো কেবল একটি কথা, চোখের পলকের মত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমার আদেশ তো একটি কথায় নিষ্পন্ন, চক্ষুর পলকের মত।

মুহিউদ্দীন খান

আমার কাজ তো এক মুহূর্তে চোখের পলকের মত।

জহুরুল হক

আর আমাদের আদেশ একবার বৈ তো নয়, চোখের পলকের ন্যায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো তোমাদের মত অনেককে ধ্বংস করে দিয়েছি, অতএব কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ধ্বংস করিয়াছি তোমাদের মত দলগুলিকে; অতএব উহা হইতে উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের সমমনা লোকদেরকে ধ্বংস করেছি, অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?

জহুরুল হক

আর আমরা তো তোমাদের সেঙাৎদের ধ্বংস করে দিয়েছিলাম, কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা যা করেছে, সব কিছুই ‘আমলনামায়’ রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের সমস্ত কার্যকলাপ আছে আমলনামায়,

মুহিউদ্দীন খান

তারা যা কিছু করেছে, সবই আমলনামায় লিপিবদ্ধ আছে।

জহুরুল হক

আর তারা যা করেছে তার সব - কিছুই নথিপত্রে রয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ছোট বড় সব কিছুই লিখিত আছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আছে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ সমস্ত কিছুই লিপিবদ্ধ।

মুহিউদ্দীন খান

ছোট ও বড় সবই লিপিবদ্ধ।

জহুরুল হক

আর ছোট ও বড় প্রত্যেকটি বিষয় লিপিবদ্ধ আছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে বাগ-বাগিচা ও ঝর্ণাধারার মধ্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীরা থাকিবে স্রোতস্বিনী বিধৌত জান্নাতে,

মুহিউদ্দীন খান

খোদাভীরুরা থাকবে জান্নাতে ও নির্ঝরিণীতে।

জহুরুল হক

ধর্মভীরুরা অবশ্যই থাকবে ঝরনাবেষ্টিত জান্নাতে - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

যথাযোগ্য আসনে, সর্বশক্তিমান মহাঅধিপতির নিকটে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যোগ্য আসনে, সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী ‌র সান্নিধ্যে।

মুহিউদ্দীন খান

যোগ্য আসনে, সর্বাধিপতি সম্রাটের সান্নিধ্যে।

জহুরুল হক

সত্যের আসনে সর্বশক্তিমান রাজাধিরাজের সমক্ষে!

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme