Kitab

আল শামস (সূর্য)

Chapter 91, 15 verses

  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
  • আবদুস শহীদ নাসিম
বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম সূর্যের ও তার কিরণের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ সূর্যের এবং উহার কিরণের,

জহুরুল হক

ভাবো সূর্যের আর তার সকাল বেলাকার কিরণের কথা,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সূর্যের এবং তার উজ্জ্বলতার।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম চাঁদের, যখন তা সূর্যের অনুগামী হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ চন্দ্রের, যখন উহা সূর্যের পর আবির্ভূত হয়,

জহুরুল হক

আর চন্দ্রের কথা যখন সে তার কিরণ ধার করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ চাঁদের, যখন সে তিলাওয়াত করে তাকে (সূর্যকে)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম দিবসের, যখন তা সূর্যকে প্রকাশ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ দিবসের, যখন সে উহাকে প্রকাশ করে,

জহুরুল হক

আর দিনের কথা যখন সে তাকে উজ্জ্বলভাবে প্রকাশ করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ দিনের, যখন সে প্রকাশ করে তার (সূর্যের) উজ্জ্বলতাকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম রাতের, যখন তা সূর্যকে ঢেকে দেয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ রজনীর, যখন সে উহাকে আচ্ছাদিত করে,

জহুরুল হক

আর রাতের কথা যখন সে তাকে আচ্ছাদিত করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ রাতের, যখন সে ঢেকে দেয় তাকে (সূর্যকে)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম আসমানের এবং যিনি তা বানিয়েছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ আকাশের এবং যিনি উহা নির্মাণ করিয়াছেন তাঁহার,

জহুরুল হক

ভাবো মহাকাশের কথা ও যিনি তাকে বানিয়েছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ আকাশের এবং তাঁর, যিনি তা বানিয়েছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম যমীনের এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ পৃথিবীর এবং যিনি উহাকে বিস্তৃত করিয়াছেন তাঁহার,

জহুরুল হক

আর পৃথিবীর কথা ও যিনি তাকে প্রসারিত করেছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ পৃথিবীর এবং তাঁর, যিনি এটিকে বিছিয়ে দিয়েছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এবং প্রাণের, এবং তাঁর, যিনি তা সুগঠিত করেছেন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ মানুষের এবং তাঁহার, যিনি উহাকে সুঠাম করিয়াছেন,

জহুরুল হক

আর মানবা‌ত্মার কথা ও যিনি তাকে সুঠাম করেছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ মানবের (মানব সত্তার) আর তাঁর, যিনি তাকে যথাযথভাবে গঠন করেছেন

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তিনি তাকে অবহিত করেছেন তার পাপসমূহ ও তার তাকওয়া সম্পর্কে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহাকে উহার অসৎর্কম ও উহার সৎকর্মের জ্ঞান দান করিয়াছেন।

জহুরুল হক

তারপর তাতে আবেগ সঞ্চার করেছেন তার মন্দ কাজের ও তার ধর্মপরায়ণতার।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তার মধ্যে ইল্হাম করেছেন ফুজুর (সীমালংঘনের প্রবণতা) এবং তাকওয়া (সীমার মধ্যে অবস্থানের প্রবণতা)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিঃসন্দেহে সে হয়েছে, যে তাকে পরিশুদ্ধ করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে - ই হইবে, যে নিজেকে পবিত্র করিবে।

জহুরুল হক

সে - ই সফলতা অর্জন করবে যে তাকে শোধিত করবে;

আবদুস শহীদ নাসিম

নি:সন্দেহে সফল হলো সে, যে তাযকিয়া (পরিশুদ্ধ, উন্নত ও বিকশিত) করলো নিজেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এবং সে ব্যর্থ হয়েছে, যে তা (নাফস)-কে কলুষিত করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং সেই ব্যর্থ হইবে, যে নিজেকে কলুষাচ্ছন্ন করিবে।

জহুরুল হক

আর সে - ই ব্যর্থ হবে যে একে পঙ্গু করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

নি:সন্দেহে ব্যর্থ হলো সে, যে দুষিত ও কলুষিত করে ধসিয়ে দিলো নিজেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সামূদ জাতি আপন অবাধ্যতাবশত অস্বীকার করেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সামূদ সম্প্রদায় অবাধ্যতাবশত অস্বীকার করিয়াছিল।

জহুরুল হক

ছামূদ জাতি তাদের অবাধ্যতা বশত মিথ্যা বলেছিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

সামুদ সম্প্রদায় নিজের তাগুতি আচরণ দিয়ে অস্বীকার করেছিল (আল্লাহর রসূলকে)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তাদের সর্বাধিক হতভাগা ব্যক্তিটি তৎপর হয়ে উঠল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের মধ্যে যে সর্বাধিক হতভাগ্য, সে যখন তৎপর হইয়া উঠিল,

জহুরুল হক

যখন তাদের সব চাইতে ইতর লোকটি উঠে দাঁড়িয়েছিল, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তাদের মধ্যকার সবচেয়ে বড় দুষ্ট হতভাগ্যটি (মুজিযার উটনীকে হত্যার জন্যে) তৎপর হয়ে উঠেছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তখন আল্লাহর রাসূল তাদেরকে বলেছিল, ‘আল্লাহর উষ্ট্রী ও তার পানি পান সম্পর্কে সতর্ক হও।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন ‌র রাসূল উহাদেরকে বলিল, ‘‌র উষ্ট্রী ও উহাকে পানি পান করাইবার বিষয়ে সাবধান হও।’

জহুরুল হক

তখন ‌র রসূল তাদের বলেছিলেন - - ''‌র উষ্ট্রী, আর তার জলপানস্থল।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আল্লাহর রসূল (সালেহ) তাদের বলেছিল: সাবধান! এটি আল্লাহর (পক্ষ থেকে আসা) উটনী (এটিকে মন্দ উদ্দেশ্যে স্পর্শ করোনা) এবং এটিকে পানি পান করতে বাধা দিওনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু তারা তাকে অস্বীকার করল এবং উষ্ট্রীকে যবেহ করল। ফলে তাদের রব তাদের অপরাধের কারণে তাদেরকে সমূলে ধ্বংস করে দিলেন। অতঃপর তা একাকার করে দিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা রাসূলকে অস্বীকার করিল এবং উহাকে কাটিয়া ফেলিল। উহাদের পাপের জন্য উহাদের প্রতিপালক উহাদেরকে সমূলে ধ্বংস করিয়া একাকার করিয়া দিলেন।

জহুরুল হক

কিন্ত তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বললো ও তাকে হত্যা করল, সেজন্য তাদের প্রভু তাদের পাপের জন্যে তাদের উপরে বিধ্বংসী আঘাত হানলেন, ফলে তাদের একসমান করে দিলেন;

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা তাকে (রসূলকে) অস্বীকার করলো এবং হত্যা করলো উটনীকে। ফলে তাদের প্রভু তাদের উপর চাপিয়ে দিলেন ধ্বংস তাদের অপরাধের কারণে এবং ধ্বংস স্তুপের মধ্যে সমান করে রেখে দিলেন তাদেরকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনি এর পরিণামকে ভয় করেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ইহার পরিণাম সম্পর্কে তিনি ভয় করেন না।

জহুরুল হক

আর তিনি এর পরিণামের জন্য ভয় করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর কাজের পরিণতির কোনো ভয় তাঁর (আল্লাহর) নেই।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme