Kitab

আল আনকাবুত (মাকড়সা)

Chapter 29, 69 verses

  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • Word by word
বয়ান ফাউন্ডেশন

আলিফ-লাম-মীম।

মুহিউদ্দীন খান

আলিফ - লাম - মীম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ লাম মিম।

Word by word

الٓمٓ

বয়ান ফাউন্ডেশন

মানুষ কি মনে করে যে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’ বললেই তাদের ছেড়ে দেয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবে না?

মুহিউদ্দীন খান

মানুষ কি মনে করে যে, তারা একথা বলেই অব্যাহতি পেয়ে যাবে যে, আমরা বিশ্বাস করি এবং তাদেরকে পরীক্ষা করা হবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষ কি ধারণা করে নিয়েছে যে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’ একথা বললেই তাদের ছেড়ে দেয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবেনা?

Word by word

أَحَسِبَ ٱلنَّاسُ أَن يُتْرَكُوٓا۟ أَن يَقُولُوٓا۟ ءَامَنَّا وَهُمْ لَا يُفْتَنُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো তাদের পূর্ববর্তীদের পরীক্ষা করেছি। ফলে অবশ্যই জেনে নেবেন, কারা সত্য বলে এবং অবশ্যই তিনি জেনে নেবেন, কারা মিথ্যাবাদী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদেরকেও পরীক্ষা করেছি, যারা তাদের পূর্বে ছিল। অবশ্যই জেনে নেবেন যারা সত্যবাদী এবং নিশ্চয়ই জেনে নেবেন মিথ্যুকদেরকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের আগেকার লোকদেরও পরীক্ষা করেছি। অবশ্য অবশ্যি (পরীক্ষার মাধ্যমে বাস্তবে) জেনে নেবেন তাদেরকে, যারা (ঈমানের দাবিতে) সত্যবাদী, এবং জেনে নেবেন তাদেরকে, যারা (ঈমানের দাবিতে) মিথ্যাবাদী।

Word by word

وَلَقَدْ فَتَنَّا ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَلَيَعْلَمَنَّ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ صَدَقُوا۟ وَلَيَعْلَمَنَّ ٱلْكَٰذِبِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

নাকি যারা পাপ কাজ করে তারা মনে করে যে, তারা আমাকে রেখে সামনে চলে যাবে? কতইনা নিকৃষ্ট, যা তারা ফয়সালা করে!

মুহিউদ্দীন খান

যারা মন্দ কাজ করে, তারা কি মনে করে যে, তারা আমার হাত থেকে বেঁচে যাবে? তাদের ফয়সালা খুবই মন্দ।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা মন্দ কর্মে লিপ্ত তারা কি ধারণা করেছে যে, তারা আমাদের অতিক্রম করে চলে যাবে? তাদের সিদ্ধান্ত কতো যে নিকৃষ্ট!

Word by word

أَمْ حَسِبَ ٱلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلسَّيِّـَٔاتِ أَن يَسْبِقُونَا سَآءَ مَا يَحْكُمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে আল্লাহর সাক্ষাৎ কামনা করে (সে জেনে রাখুক) অতঃপর নিশ্চয় আল্লাহর নির্ধারিত কাল আসবে। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

যে আল্লাহর সাক্ষাত কামনা করে, আল্লাহর সেই নির্ধারিত কাল অবশ্যই আসবে। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাত কামনা করে, (সে জেনে রাখুক) সাক্ষাতের সেই নির্ধারিত সময়টি অবশ্যি আসবে। তিনি সবকিছু শুনেন, সবকিছু জানেন।

Word by word

مَن كَانَ يَرْجُوا۟ لِقَآءَ ٱللَّهِ فَإِنَّ أَجَلَ ٱللَّهِ لَءَاتٍ وَهُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে চেষ্টা করে সে তো তার নাফ্সের জন্য চেষ্টা করে। নিশ্চয় সৃষ্টিকুল থেকে প্রয়োজনমুক্ত।

মুহিউদ্দীন খান

যে কষ্ট স্বীকার করে, সে তো নিজের জন্যেই কষ্ট স্বীকার করে। বিশ্ববাসী থেকে বে - পরওয়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে জিহাদ করে, সে তো নিজের জন্যেই জিহাদ করে। জগতবাসী থেকে মুখাপেক্ষাহীন।

Word by word

وَمَن جَٰهَدَ فَإِنَّمَا يُجَٰهِدُ لِنَفْسِهِۦٓ إِنَّ ٱللَّهَ لَغَنِىٌّ عَنِ ٱلْعَٰلَمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, অবশ্যই আমি তাদের থেকে তাদের পাপসমূহ দূর করে দেব এবং আমি অবশ্যই তাদের সেই উত্তম আমলের প্রতিদান দেব, যা তারা করত।

মুহিউদ্দীন খান

আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আমি অবশ্যই তাদের মন্দ কাজ গুলো মিটিয়ে দেব এবং তাদেরকে কর্মের উৎকৃষ্টতর প্রতিদান দেব।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ করেছে, আমরা অবশ্যি তাদের থেকে মুছে দেবো তাদের সব মন্দকর্ম এবং তাদের প্রতিদান দেবো তাদের সর্বোত্তম আমলের ভিত্তিতে।

Word by word

وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَنُكَفِّرَنَّ عَنْهُمْ سَيِّـَٔاتِهِمْ وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَحْسَنَ ٱلَّذِى كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি মানুষকে নির্দেশ দিয়েছি তার পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ করতে। তবে যদি তারা তোমার উপর প্রচেষ্টা চালায় আমার সাথে এমন কিছুকে শরীক করতে যার সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তাহলে তুমি তাদের আনুগত্য করবে না। আমার দিকেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর তোমরা যা করতে আ

মুহিউদ্দীন খান

আমি মানুষকে পিতা - মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করার জোর নির্দেশ দিয়েছি। যদি তারা তোমাকে আমার সাথে এমন কিছু শরীক করার জোর প্রচেষ্টা চালায়, যার সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তবে তাদের আনুগত্য করো না। আমারই দিকে তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আমি তোমাদেরকে বলে দেব যা কিছু তোমরা করতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অসিয়ত (নির্দেশ) করেছি মানুষকে তার পিতা - মাতার সাথে সর্বোত্তম আচরণ করতে এবং (একথাও বলে দিয়েছি) তারা যদি আল্লাহর সাথে এমন কিছু বা কাউকেও শরিক করতে তোমার উপর চাপ প্রয়োগ করে, যার আল্লাহর শরিক হবার ব্যাপারে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তবে (সেক্ষেত্রে) তুমি তাদের আনুগত্য করোনা। কারণ আমার কাছেই তোমাদের ফিরে আসতে হবে, তখন আমি তোমাদের সংবাদ দেবো তোমরা কী আমল করেছিলে?

Word by word

وَوَصَّيْنَا ٱلْإِنسَٰنَ بِوَٰلِدَيْهِ حُسْنًا وَإِن جَٰهَدَاكَ لِتُشْرِكَ بِى مَا لَيْسَ لَكَ بِهِۦ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَآ إِلَىَّ مَرْجِعُكُمْ فَأُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করব।

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকাজ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করব।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ করে, আমরা অবশ্যি তাদের অন্তরভুক্ত করবো পুণ্যবানদের।

Word by word

وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَنُدْخِلَنَّهُمْ فِى ٱلصَّٰلِحِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কিছু লোক আছে যারা বলে, ‘আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি’, অতঃপর যখন আল্লাহর ব্যাপারে তাদের কষ্ট দেয়া হয়, তখন তারা মানুষের নিপীড়নকে আল্লাহর আযাবের মত গণ্য করে। আর যদি তোমার রবের পক্ষ থেকে কোন বিজয় আসে, তখন অবশ্যই তারা বলে, ‘নিশ্চয় আমরা তোমাদের সাথে ছিলাম’

মুহিউদ্দীন খান

কতক লোক বলে, আমরা আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছি; কিন্তু আল্লাহর পথে যখন তারা নির্যাতিত হয়, তখন তারা মানুষের নির্যাতনকে আল্লাহর আযাবের মত মনে করে। যখন আপনার পালনকর্তার কাছ থেকে কোন সাহায্য আসে তখন তারা বলতে থাকে, আমরা তো তোমাদের সাথেই ছিলাম। বিশ্ববাসীর অন্তরে যা আছে, কি তা সম্যক অবগত নন?

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষের মধ্যে কিছু লোক বলে: ‘আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি।’ কিন্তু আল্লাহর কাজ করার কারণে তাদেরকে যখন কষ্ট দেয়া হয়, তখন মানুষের ফিতনাকে (নির্যাতনকে) তারা আল্লাহর আযাবের মতো গণ্য করে। তবে যখনই তোমার প্রভুর সাহায্য আসবে, তখনই তারা বলবে: ‘আমরা তো আপনাদের সাথেই ছিলাম।’ নিজের সৃষ্টি জগতের অন্তরে কী আছে তা কি অবগত নন?

Word by word

وَمِنَ ٱلنَّاسِ مَن يَقُولُ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ فَإِذَآ أُوذِىَ فِى ٱللَّهِ جَعَلَ فِتْنَةَ ٱلنَّاسِ كَعَذَابِ ٱللَّهِ وَلَئِن جَآءَ نَصْرٌ مِّن رَّبِّكَ لَيَقُولُنَّ إِنَّا كُنَّا مَعَكُمْ أَوَلَيْسَ ٱل

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই জানেন, কারা ঈমান এনেছে এবং তিনি মুনাফিকদেরকেও জানেন।

মুহিউদ্দীন খান

অবশ্যই জেনে নেবেন যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং নিশ্চয় জেনে নেবেন যারা মুনাফেক।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি প্রকাশ করবেন তাদেরকে যারা ঈমান এনেছে এবং অবশ্যি প্রকাশ করবেন মুনাফিকদের।

Word by word

وَلَيَعْلَمَنَّ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَلَيَعْلَمَنَّ ٱلْمُنَٰفِقِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কাফিররা মুমিনদেরকে বলে, ‘তোমরা আমাদের পথ অনুসরণ কর এবং যেন আমরা তোমাদের পাপ বহন করি।’ অথচ তারা তাদের পাপের কিছুই বহন করবে না। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা মুমিনদেরকে বলে, আমাদের পথ অনুসরণ কর। আমরা তোমাদের পাপভার বহন করব। অথচ তারা পাপভার কিছুতেই বহন করবে না। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা ঈমানদারদের বলে: ‘তোমরা আমাদের পথ অনুসরণ করো, আমরা তোমাদের পাপ বহন করবো।’ অথচ তারা তাদের পাপ কিছুমাত্র বহন করবেনা। তারা অবশ্যি মিথ্যাবাদী।

Word by word

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّبِعُوا۟ سَبِيلَنَا وَلْنَحْمِلْ خَطَٰيَٰكُمْ وَمَا هُم بِحَٰمِلِينَ مِنْ خَطَٰيَٰهُم مِّن شَىْءٍ إِنَّهُمْ لَكَٰذِبُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই তারা বহন করবে তাদের বোঝা এবং তাদের বোঝার সাথে আরো কিছু বোঝা। আর তারা কিয়ামতের দিন অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে সে সম্পর্কে, যা তারা মিথ্যা বানাত।

মুহিউদ্দীন খান

তারা নিজেদের পাপভার এবং তার সাথে আরও কিছু পাপভার বহন করবে। অবশ্য তারা যে সব মিথ্যা কথা উদ্ভাবন করে, সে সম্পর্কে কেয়ামতের দিন জিজ্ঞাসিত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা নিজেদের বোঝা (loads) তো বহন করবেই, সেই সাথে বহন করবে আরো (loads) বোঝা। কিয়ামতের দিন তাদের (এসব) মিথ্যা রচনার ব্যাপারে অবশ্যি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

Word by word

وَلَيَحْمِلُنَّ أَثْقَالَهُمْ وَأَثْقَالًا مَّعَ أَثْقَالِهِمْ وَلَيُسْـَٔلُنَّ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ عَمَّا كَانُوا۟ يَفْتَرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি অবশ্যই নূহকে তার কওমের নিকট প্রেরণ করেছিলাম। সে তাদের মধ্যে পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর অবস্থান করেছিল। অতঃপর মহা-প্লাবন তাদের গ্রাস করল, এমতাবস্থায় যে তারা ছিল যালিম।

মুহিউদ্দীন খান

আমি নূহ (আঃ) কে তাঁর সম্প্রদায়ের কাছে প্রেরণ করেছিলাম। তিনি তাদের মধ্যে পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর অবস্থান করেছিলেন। অতঃপর তাদেরকে মহাপ্লাবণ গ্রাস করেছিল। তারা ছিল পাপী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার কওমের কাছে। সে তাদের মধ্যে অবস্থান করেছিল পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর। অবশেষে তাদের পাকড়াও করে তুফান (প্লাবন), কারণ তারা ছিলো যালিম।

Word by word

وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِۦ فَلَبِثَ فِيهِمْ أَلْفَ سَنَةٍ إِلَّا خَمْسِينَ عَامًا فَأَخَذَهُمُ ٱلطُّوفَانُ وَهُمْ ظَٰلِمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাকে ও নৌকা আরোহীদেরকে আমি রক্ষা করলাম, আর এটাকে করলাম সৃষ্টিকুলের জন্য একটি নিদর্শন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাঁকে ও নৌকারোহীগণকে রক্ষা করলাম এবং নৌকাকে নিদর্শন করলাম বিশ্ববাসীর জন্যে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাকে (নূহকে) এবং নৌযানে আরোহীদেরকে আর এ ঘটনাকে করে দিয়েছি জগতবাসীর জন্যে একটি নিদর্শন।

Word by word

فَأَنجَيْنَٰهُ وَأَصْحَٰبَ ٱلسَّفِينَةِ وَجَعَلْنَٰهَآ ءَايَةً لِّلْعَٰلَمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর (স্মরণ কর) ইবরাহীমকে, যখন সে তার কওমকে বলেছিল, ‘তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর এবং তাঁর তাকওয়া অবলম্বন কর; এটি তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জান’।

মুহিউদ্দীন খান

স্মরণ কর ইব্রাহীমকে। যখন তিনি তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন; তোমরা আল্লাহর এবাদত কর এবং তাঁকে ভয় কর। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বোঝ।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো ইবরাহিমের কথা, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁকে ভয় করো, এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যদি তোমরা জ্ঞান রাখো।

Word by word

وَإِبْرَٰهِيمَ إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ وَٱتَّقُوهُ ذَٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তো আল্লাহকে বাদ দিয়ে মূর্তিগুলোর পূজা করছ এবং মিথ্যা বানাচ্ছ। নিশ্চয় তোমরা ছাড়া যাদের উপাসনা কর তারা তোমাদের জন্য রিয্ক-এর মালিক নয়। তাই আল্লাহর কাছে রিয্ক তালাশ কর, তাঁর ইবাদাত কর এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। তাঁরই কাছে তোমরা প্রত্যাব

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে কেবল প্রতিমারই পূজা করছ এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছ। তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের এবাদত করছ, তারা তোমাদের রিযিকের মালিক নয়। কাজেই আল্লাহর কাছে রিযিক তালাশ কর, তাঁর এবাদত কর এবং তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। তাঁরই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে উপাসনা করছো মূর্তি - ভাস্কর্যের, আর রচনা করছো মিথ্যা। তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইবাদত করছো, তারা তোমাদের রিযিক দেয়ার মালিক নয়। সুতরাং তোমরা রিযিক চাও আল্লাহর কাছে, এবং তাঁরই ইবাদত করো আর তাঁরই প্রতি শোকরিয়া আদায় করো। কারণ, তাঁর কাছেই তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে।

Word by word

إِنَّمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ أَوْثَٰنًا وَتَخْلُقُونَ إِفْكًا إِنَّ ٱلَّذِينَ تَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ لَا يَمْلِكُونَ لَكُمْ رِزْقًا فَٱبْتَغُوا۟ عِندَ ٱللَّهِ ٱلرِّزْقَ وَٱعْبُدُوهُ وَٱشْكُرُو

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা যদি মিথ্যারোপ কর, তবে তোমাদের পূর্বে অনেক জাতি মিথ্যারোপ করেছিল। আর রাসূলের উপর দায়িত্ব তো কেবল সুস্পষ্টভাবে পৌঁছানো।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যদি মিথ্যাবাদী বল, তবে তোমাদের পূর্ববর্তীরাও তো মিথ্যাবাদী বলেছে। স্পষ্টভাবে পয়গাম পৌছে দেয়াই তো রসূলের দায়িত্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যদি (রসূলকে) প্রত্যাখ্যান করো, তবে তোমাদের আগেও বহু জাতি প্রত্যাখ্যান করেছিল। স্পষ্টভাবে বার্তা পৌঁছে দেয়া ছাড়া রসূলের আর কোনো দায়িত্ব নেই।’’

Word by word

وَإِن تُكَذِّبُوا۟ فَقَدْ كَذَّبَ أُمَمٌ مِّن قَبْلِكُمْ وَمَا عَلَى ٱلرَّسُولِ إِلَّا ٱلْبَلَٰغُ ٱلْمُبِينُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি দেখে না, কিভাবে সৃষ্টির সূচনা করেন? তারপর তিনি তার পুনরাবৃত্তি করবেন। নিশ্চয় এটি আল্লাহর জন্য সহজ।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি দেখে না যে, কিভাবে সৃষ্টিকর্ম শুরু করেন অতঃপর তাকে পুনরায় সৃষ্টি করবেন? এটা আল্লাহর জন্যে সহজ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি চিন্তা করে দেখেনা, কিভাবে সৃষ্টিকে অস্তিত্ব দান করেন, তারপর পুনরায় সৃষ্টি করেন? একাজ আল্লাহর জন্যে একেবারেই সহজ।

Word by word

أَوَلَمْ يَرَوْا۟ كَيْفَ يُبْدِئُ ٱللَّهُ ٱلْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُۥٓ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা যমীনে ভ্রমণ কর, অতঃপর দেখ’ কীভাবে তিনি সৃষ্টির সূচনা করেছিলেন, তারপর আল্লাহই আরেকবার সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয় সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ, কিভাবে তিনি সৃষ্টিকর্ম শুরু করেছেন। অতঃপর পুর্নবার সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয় সবকিছু করতে সক্ষম।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘তোমরা জমিনে ভ্রমণ করে দেখো, কী প্রক্রিয়ায় সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর সৃষ্টি করেন পরবর্তী সৃষ্টি? নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান।’

Word by word

قُلْ سِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَٱنظُرُوا۟ كَيْفَ بَدَأَ ٱلْخَلْقَ ثُمَّ ٱللَّهُ يُنشِئُ ٱلنَّشْأَةَ ٱلْءَاخِرَةَ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি যাকে ইচ্ছা আযাব দেবেন এবং যাকে ইচ্ছা দয়া করবেন, আর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন এবং যার প্রতি ইচ্ছা রহমত করেন। তাঁরই দিকে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি যাকে ইচ্ছা করেন আযাব দেন এবং যাকে ইচ্ছা করেন রহম করেন এবং তাঁর কাছেই হবে তোমাদের প্রত্যাবর্তন।

Word by word

يُعَذِّبُ مَن يَشَآءُ وَيَرْحَمُ مَن يَشَآءُ وَإِلَيْهِ تُقْلَبُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা (আল্লাহকে) ব্যর্থ করতে পারবেনা পৃথিবীতে অথবা আকাশে এবং ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক নেই, সাহায্যকারীও নেই।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা স্থলে ও অন্তরীক্ষে আল্লাহকে অপারগ করতে পারবে না এবং ব্যতীত তোমাদের কোন হিতাকাঙ্খী নেই, সাহায্যকারীও নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা পৃথিবীতেও পালাতে পারবেনা, আসমানেও নয়। আর ছাড়া তোমাদের কোনো অলিও নেই, সাহায্যকারীও নেই।

Word by word

وَمَآ أَنتُم بِمُعْجِزِينَ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَا فِى ٱلسَّمَآءِ وَمَا لَكُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ مِن وَلِىٍّ وَلَا نَصِيرٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা আল্লাহর আয়াতসমূহ ও তাঁর সাক্ষাত অস্বীকার করে তারা আমার রহমত থেকে হতাশ হবে এবং তাদের জন্যই রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

যারা আল্লাহর আয়াত সমূহ ও তাঁর সাক্ষাত অস্বীকার করে, তারাই আমার রহমত থেকে নিরাশ হবে এবং তাদের জন্যেই যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আল্লাহর আয়াতকে এবং তাঁর সাথে সাক্ষাত হওয়াকে অস্বীকার করে, তারাই হয় আমার রহমত থেকে নিরাশ, আর তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।

Word by word

وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ وَلِقَآئِهِۦٓ أُو۟لَٰٓئِكَ يَئِسُوا۟ مِن رَّحْمَتِى وَأُو۟لَٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর ইবরাহীমের কওমের জবাব ছিল কেবল এই যে, তারা বলল, ‘ওকে হত্যা কর অথবা জ্বালিয়ে দাও।’ অতঃপর আগুন থেকে তাকে রক্ষা করলেন; নিশ্চয় এতে বহু নিদর্শন রয়েছে, যারা ঈমান আনে, সেই কওমের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

তখন ইব্রাহীমের সম্প্রদায়ের এছাড়া কোন জওয়াব ছিল না যে তারা বলল, তাকে হত্যা কর অথবা অগ্নিদগ্ধ কর। অতঃপর তাকে অগ্নি থেকে রক্ষা করলেন। নিশ্চয় এতে লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার (ইবরাহিমের) কওমের জওয়াব একটাই ছিলো, তারা বলেছিল: ‘তাকে (ইবরাহিমকে) হত্যা করো অথবা আগুনে পোড়াও।’ কিন্তু তাকে আগুনে দগ্ধ হওয়া থেকে রক্ষা করেন। এতে রয়েছে নিদর্শন লোকদের জন্যে।

Word by word

فَمَا كَانَ جَوَابَ قَوْمِهِۦٓ إِلَّآ أَن قَالُوا۟ ٱقْتُلُوهُ أَوْ حَرِّقُوهُ فَأَنجَىٰهُ ٱللَّهُ مِنَ ٱلنَّارِ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ইবরাহীম বলল, ‘দুনিয়ার জীবনে তোমাদের মধ্যে মিল-মহব্বতের জন্যই তো তোমরা ছাড়া মূর্তিদেরকে গ্রহণ করেছ। তারপর কিয়ামতের দিন তোমরা একে অপরকে অস্বীকার করবে এবং পরস্পর পরস্পরকে লা‘নত করবে, আর তোমাদের নিবাস জাহান্নাম এবং তোমাদের জন্য থাকবে না কোন সাহায্যক

মুহিউদ্দীন খান

ইব্রাহীম বললেন, পার্থিব জীবনে তোমাদের পারস্পরিক ভালবাসা রক্ষার জন্যে তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে প্রতিমাগুলোকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছ। এরপর কেয়ামতের দিন তোমরা একে অপরকে অস্বীকার করবে এবং একে অপরকে লানত করবে। তোমাদের ঠিকানা জাহান্নাম এবং তোমাদের কোন সাহায্যকারী নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

ইবরাহিম বলেছিল: ‘তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে ভাস্কর্যদের উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করেছো দুনিয়ার জীবনে তোমাদের পারস্পারিক বন্ধুত্বের খাতিরে। কিন্তু কিয়ামতের দিন এই তোমরাই পরস্পরকে অস্বীকার করবে এবং পরস্পরকে লা’নত দেবে। তোমাদের আবাস হবে জাহান্নাম এবং তোমাদের কোনো সাহায্যকারী হবেনা।’

Word by word

وَقَالَ إِنَّمَا ٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ أَوْثَٰنًا مَّوَدَّةَ بَيْنِكُمْ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ثُمَّ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ يَكْفُرُ بَعْضُكُم بِبَعْضٍ وَيَلْعَنُ بَعْضُكُم بَعْضًا وَمَأْوَىٰكُمُ ٱلنَّ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর লূত তার উপর বিশ্বাস স্থাপন করল। আর ইবরাহীম বলল, ‘আমি আমার রবের দিকে হিজরত করছি। নিশ্চয় তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়’।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলেন লূত। ইব্রাহীম বললেন, আমি আমার পালনকর্তার উদ্দেশে দেশত্যাগ করছি। নিশ্চয় তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন লুত তার প্রতি ঈমান আনে। ইবরাহিম বলেছিল: ‘আমি আমার প্রভুর উদ্দেশ্যে হিজরত করছি, নিশ্চয়ই তিনি মহাশক্তিধর, প্রজ্ঞাবান।’

Word by word

فَـَٔامَنَ لَهُۥ لُوطٌ وَقَالَ إِنِّى مُهَاجِرٌ إِلَىٰ رَبِّىٓ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও ‘ইয়া‘কূবকে এবং তার বংশে নবুওয়াত ও কিতাব দিলাম। আর দুনিয়াতে তাকে তার প্রতিদান দিলাম এবং নিশ্চয় সে আখিরাতে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও ইয়াকুব, তাঁর বংশধরদের মধ্যে নবুওয়ত ও কিতাব রাখলাম এবং দুনিয়াতে তাঁকে পুরস্কৃত করলাম। নিশ্চয় পরকালে ও সে সৎলোকদর অন্তর্ভূক্ত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে দান করেছিলাম (পুত্র) ইসহাক এবং (নাতি) ইয়াকুবকে। আমরা তার বংশধরদের মধ্যে দিয়েছি নবুয়্যত আর কিতাব। এছাড়া আমরা তাকে তার পুরস্কার দান করেছি দুনিয়ায়, আর আখিরাতে। অবশ্যি সে অন্তরভুক্ত হবে পুণ্যবানদের।

Word by word

وَوَهَبْنَا لَهُۥٓ إِسْحَٰقَ وَيَعْقُوبَ وَجَعَلْنَا فِى ذُرِّيَّتِهِ ٱلنُّبُوَّةَ وَٱلْكِتَٰبَ وَءَاتَيْنَٰهُ أَجْرَهُۥ فِى ٱلدُّنْيَا وَإِنَّهُۥ فِى ٱلْءَاخِرَةِ لَمِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর (স্মরণ কর) লূত এর কথা, যখন সে তার কওমের লোকদেরকে বলেছিল, ‘নিশ্চয় তোমরা এমন অশ্লীল কাজ কর, যা সৃষ্টিকুলের কেউ তোমাদের আগে করেনি’।

মুহিউদ্দীন খান

আর প্রেরণ করেছি লূতকে। যখন সে তার সম্প্রদায়কে বলল, তোমরা এমন অশ্লীল কাজ করছ, যা তোমাদের পূর্বে পৃথিবীর কেউ করেনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো লুতের কথা, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘তোমরা এমন ফাহেশা কাজ করছো, যা তোমাদের আগে জগতের কেউ করেনি।’

Word by word

وَلُوطًا إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِۦٓ إِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ ٱلْفَٰحِشَةَ مَا سَبَقَكُم بِهَا مِنْ أَحَدٍ مِّنَ ٱلْعَٰلَمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তো পুরুষের উপর উপগত হও এবং রাস্তায় ডাকাতি কর; আর নিজদের বৈঠকে গর্হিত কাজ কর!’ তার কওমের জবাব ছিল কেবল এই যে, তারা বলল, ‘তুমি আল্লাহর আযাব নিয়ে আস যদি তুমি সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হও’।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি পুংমৈথুনে লিপ্ত আছ, রাহাজানি করছ এবং নিজেদের মজলিসে গর্হিত কর্ম করছ? জওয়াবে তাঁর সম্প্রদায় কেবল একথা বলল, আমাদের উপর আল্লাহর আযাব আন যদি তুমি সত্যবাদী হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

‘তোমরা কি পুরুষের সাথে যৌন মিলন করে যাবে? জনপথে ডাকাতি করে যাবে? আর জনসম্মুখে অসৎকাজ করতে থাকবে?’ এর জওয়াবে তার কওম একথাই বলেছিল: ‘তুমি যদি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তবে আমাদের প্রতি আল্লাহর আযাব এনে দেখাও।’

Word by word

أَئِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ ٱلرِّجَالَ وَتَقْطَعُونَ ٱلسَّبِيلَ وَتَأْتُونَ فِى نَادِيكُمُ ٱلْمُنكَرَ فَمَا كَانَ جَوَابَ قَوْمِهِۦٓ إِلَّآ أَن قَالُوا۟ ٱئْتِنَا بِعَذَابِ ٱللَّهِ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘হে আমার রব, আমাকে সাহায্য করুন ফাসাদ সৃষ্টিকারী কওমের বিরুদ্ধে’।

মুহিউদ্দীন খান

সে বলল, হে আমার পালনকর্তা, দুস্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন লুত বলেছিল: ‘হে আমার প্রভু! ফাসাদ সৃষ্টিকারী লোকদের বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো।’

Word by word

قَالَ رَبِّ ٱنصُرْنِى عَلَى ٱلْقَوْمِ ٱلْمُفْسِدِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমার ফেরেশতারা যখন ইবরাহীমের কাছে সুসংবাদ নিয়ে এসেছিল তখন তারা বলেছিল, ‘নিশ্চয় আমরা এ জনপদের অধিবাসীদেরকে ধ্বংস করব, নিশ্চয় এর অধিবাসীরা যালিম’।

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমার প্রেরিত ফেরেশতাগণ সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের কাছে আগমন করল, তখন তারা বলল, আমরা এই জনপদের অধিবাসীদেরকে ধ্বংস করব। নিশ্চয় এর অধিবাসীরা জালেম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের দূতরা (ফেরেশতারা) যখন ইবরাহিমের কাছে এসেছিল সুসংবাদ নিয়ে, তখন তারা বলেছিল: ‘এই জনপদবাসীকে আমরা ধ্বংস করে দেবো, এর অধিবাসিরা যালিম।’

Word by word

وَلَمَّا جَآءَتْ رُسُلُنَآ إِبْرَٰهِيمَ بِٱلْبُشْرَىٰ قَالُوٓا۟ إِنَّا مُهْلِكُوٓا۟ أَهْلِ هَٰذِهِ ٱلْقَرْيَةِ إِنَّ أَهْلَهَا كَانُوا۟ ظَٰلِمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইবরাহীম বলল, ‘নিশ্চয় সেখানে লূত আছে।’ তারা বলল, ‘আমরা ভালই জানি সেখানে কারা আছে, আমরা অবশ্যই তাকে ও তার পরিবারকে রক্ষা করব; তবে তার স্ত্রীকে নয়, সে হবে পিছনে পড়ে থাকা লোকদের একজন’।

মুহিউদ্দীন খান

সে বলল, এই জনপদে তো লূতও রয়েছে। তারা বলল, সেখানে কে আছে, তা আমরা ভাল জানি। আমরা অবশ্যই তাকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে রক্ষা করব তাঁর স্ত্রী ব্যতীত; সে ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত থাকবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ইবরাহিম বললো: ‘সেখানে তো লুতও রয়েছে।’ তারা বললো: ‘সেখানে কারা আছে আমরা ভালো করেই জানি। আমরা লুতকে এবং তার পরিবার পরিজনকে রক্ষা করবো, তবে তার স্ত্রীকে নয়। সে পেছনে পড়াদের অন্তরভুক্ত হয়ে যাবে।’

Word by word

قَالَ إِنَّ فِيهَا لُوطًا قَالُوا۟ نَحْنُ أَعْلَمُ بِمَن فِيهَا لَنُنَجِّيَنَّهُۥ وَأَهْلَهُۥٓ إِلَّا ٱمْرَأَتَهُۥ كَانَتْ مِنَ ٱلْغَٰبِرِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন আমার ফেরেশতারা লূতের কাছে আসল তখন তাদের জন্য সে চিন্তিত হয়ে পড়ল এবং তাদের রক্ষায় নিজেকে অক্ষম মনে করল; আর তারা বলল, ‘ভয় পাবেন না এবং চিন্তিত হবেন না; আপনাকে ও আপনার পরিবারকে আমরা রক্ষা করব; তবে আপনার স্ত্রীকে নয়, সে ধ্বংসপ্রাপ্তদের একজন হবে’।

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমার প্রেরিত ফেরেশতাগণ লূতের কাছে আগমন করল, তখন তাদের কারণে সে বিষন্ন হয়ে পড়ল এবং তার মন সংকীর্ণ হয়ে গেল। তারা বলল, ভয় করবেন না এবং দুঃখ করবেন না। আমরা আপনাকে ও আপনার পরিবারবর্গকে রক্ষা করবই আপনার স্ত্রী ব্যতীত, সে ধ্বংস প্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত থাকবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের দূতরা যখন লুতের কাছে এসে পৌঁছালো, তাদের দেখে সে বিষণ্ণ হয়ে পড়লো এবং নিজেকে তাদের রক্ষায় অসমর্থ মনে করলো। তারা বললো: ‘‘আপনি ভয়ও পাবেননা, চিন্তিতও হবেননা। আমরা রক্ষা করবো আপনাকে এবং আপনার পরিবারবর্গকে আপনার স্ত্রীকে বাদে। আপনার স্ত্রী পেছনে পড়াদের অন্তরভুক্ত হবে।

Word by word

وَلَمَّآ أَن جَآءَتْ رُسُلُنَا لُوطًا سِىٓءَ بِهِمْ وَضَاقَ بِهِمْ ذَرْعًا وَقَالُوا۟ لَا تَخَفْ وَلَا تَحْزَنْ إِنَّا مُنَجُّوكَ وَأَهْلَكَ إِلَّا ٱمْرَأَتَكَ كَانَتْ مِنَ ٱلْغَٰبِرِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমরা এ জনপদবাসীর উপর আসমান থেকে শাস্তি নাযিল করব। কারণ তারা পাপাচার করত।

মুহিউদ্দীন খান

আমরা এই জনপদের অধিবাসীদের উপর আকাশ থেকে আযাব নাজিল করব তাদের পাপাচারের কারণে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এই জনপদবাসীর উপর আসমান থেকে আযাব নাযিল করবো তাদের পাপাচারের কারণে।’’

Word by word

إِنَّا مُنزِلُونَ عَلَىٰٓ أَهْلِ هَٰذِهِ ٱلْقَرْيَةِ رِجْزًا مِّنَ ٱلسَّمَآءِ بِمَا كَانُوا۟ يَفْسُقُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি ঐ জনপদে সুস্পষ্ট নিদর্শন রেখে দিয়েছি সে কওমের জন্য যারা বুঝে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি বুদ্ধিমান লোকদের জন্যে এতে একটি স্পষ্ট নিদর্শন রেখে দিয়েছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা বিবেক বুদ্ধি খাটিয়ে চলে আমরা এ ঘটনার মধ্যে তাদের জন্যে রেখে দিয়েছি একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন।

Word by word

وَلَقَد تَّرَكْنَا مِنْهَآ ءَايَةًۢ بَيِّنَةً لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মাদইয়ানবাসীর কাছে পাঠিয়েছিলাম তাদের ভাই শু‘আইবকে; অতঃপর সে বলল, ‘হে আমার কওম, তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর, শেষ দিবসের আশা কর এবং যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়িও না।

মুহিউদ্দীন খান

আমি মাদইয়ানবাসীদের প্রতি তাদের ভাই শোআয়বকে প্রেরণ করেছি। সে বলল, হে আমার সম্প্রদায় তোমরা আল্লাহর এবাদত কর, শেষ দিবসের আশা রাখ এবং পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মাদায়েনে পাঠিয়েছিলাম তাদের ভাই শুয়াইবকে। সে তাদের বলেছিল: ‘হে আমার কওম! তোমরা এক আল্লাহর দাসত্ব করো এবং শেষ দিনকে ভয় করো, আর পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়িয়োনা।’

Word by word

وَإِلَىٰ مَدْيَنَ أَخَاهُمْ شُعَيْبًا فَقَالَ يَٰقَوْمِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ وَٱرْجُوا۟ ٱلْيَوْمَ ٱلْءَاخِرَ وَلَا تَعْثَوْا۟ فِى ٱلْأَرْضِ مُفْسِدِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা তাকে মিথ্যাবাদী বলল; ফলে ভূমিকম্প তাদেরকে গ্রাস করল। অতঃপর নিজদের বাড়ী-ঘরেই তারা উপুড় হয়ে মরে রইল।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলল; অতঃপর তারা ভূমিকম্প দ্বারা আক্রান্ত হল এবং নিজেদের গৃহে উপুড় হয়ে পড়ে রইল।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা তাকে প্রত্যাখ্যান করে। ফলে তাদেরকে আঘাত করে ভূমিকম্প, আর তারা পড়ে থাকে নিজেদের ঘরে উপুড় হয়ে।

Word by word

فَكَذَّبُوهُ فَأَخَذَتْهُمُ ٱلرَّجْفَةُ فَأَصْبَحُوا۟ فِى دَارِهِمْ جَٰثِمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ‘আদ ও সামূদকে (আমি ধ্বংস করেছিলাম), তাদের আবাসভূমির কিছু তোমাদের জন্য উন্মোচিত হয়েছে। আর শয়তান তাদের কাজ তাদের চোখে শোভিত করে তাদেরকে সৎপথ থেকে বিরত রেখেছিল, যদিও তারা ছিল বিদগ্ধ।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আ’দ ও সামুদকে ধ্বংস করে দিয়েছি। তাদের বাড়ী - ঘর থেকেই তাদের অবস্থা তোমাদের হয়ে গেছে। শয়তান তাদের কর্মকে তাদের দৃষ্টিতে সুশোভিত করেছিল, অতঃপর তাদেরকে সৎপথ অবলম্বনে বাধা দিয়েছিল এবং তারা ছিল হুশিয়ার।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা আদ এবং সামুদ জাতিকেও ধ্বংস করে দিয়েছিলাম। তাদের (বিরান) বাড়িঘরই তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট প্রমাণ। শয়তান তাদের মন্দ কর্মকান্ড তাদের কাছে চাকচিক্যময় করে রেখেছিল। ফলে সে তাদেরকে সঠিক পথে আসতে বাধা সৃষ্টি করে, তারা খুব চালাক এবং বিচক্ষণও ছিলো।

Word by word

وَعَادًا وَثَمُودَا۟ وَقَد تَّبَيَّنَ لَكُم مِّن مَّسَٰكِنِهِمْ وَزَيَّنَ لَهُمُ ٱلشَّيْطَٰنُ أَعْمَٰلَهُمْ فَصَدَّهُمْ عَنِ ٱلسَّبِيلِ وَكَانُوا۟ مُسْتَبْصِرِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কারূন, ফির‘আউন ও হামানকে (আমি ধ্বংস করেছি) এবং অবশ্যই তাদের কাছে মূসা গিয়েছিল প্রমানাদিসহ। অতঃপর তারা যমীনে অহংকার করেছিল; এতদ্সত্ত্বেও তারা (আমার আযাব) এড়াতে পারেনি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি কারুন, ফেরাউন ও হামানকে ধ্বংস করেছি। মূসা তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে আগমন করেছিল অতঃপর তারা দেশে দম্ভ করেছিল। কিন্তু তারা জিতে যায়নি।

আবদুস শহীদ নাসিম

কারূণ, ফেরাউন ও হামান, এদের কাছে এসেছিল মূসা সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে। তখন তারা দেশে হঠকারী শাসন চালাচ্ছিল। কিন্তু তারা (আমার শাস্তিকে) অতিক্রম করতে পারেনি।

Word by word

وَقَٰرُونَ وَفِرْعَوْنَ وَهَٰمَٰنَ وَلَقَدْ جَآءَهُم مُّوسَىٰ بِٱلْبَيِّنَٰتِ فَٱسْتَكْبَرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا كَانُوا۟ سَٰبِقِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর এদের প্রত্যেককে নিজ নিজ পাপের কারণে আমি পাকড়াও করেছিলাম; তাদের কারো উপর আমি পাথরকুচির ঝড় পাঠিয়েছি, কাউকে পাকড়াও করেছে বিকট আওয়াজ, কাউকে আবার মাটিতে দাবিয়ে দিয়েছি আর কাউকে পানিতে ডুবিয়ে দিয়েছি। এমন নন যে, তাদের উপর যুলম করবেন বরং তারা নিজেরা ন

মুহিউদ্দীন খান

আমি প্রত্যেককেই তার অপরাধের কারণে পাকড়াও করেছি। তাদের কারও প্রতি প্রেরণ করেছি প্রস্তরসহ প্রচন্ড বাতাস, কাউকে পেয়েছে বজ্রপাত, কাউকে আমি বিলীন করেছি ভূগর্ভে এবং কাউকে করেছি নিমজ্জত। তাদের প্রতি যুলুম করার ছিলেন না; কিন্তু তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি যুলুম করেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এদের প্রত্যেককেই আমরা তাদের অপরাধের জন্যে শাস্তি দিয়েছি। তাদের কারো প্রতি আমরা পাঠিয়েছি পাথর বৃষ্টি, কাউকেও আঘাত করেছে প্রকান্ড শব্দ, কাউকেও দাবিয়ে দিয়েছিলাম ভূ - গর্ভে, কাউকেও ডুবিয়ে দিয়েছিলাম সমুদ্রে। তাদের প্রতি যুলুম করেননি, তারা নিজেরাই যুলুম করেছিল নিজেদের প্রতি।

Word by word

فَكُلًّا أَخَذْنَا بِذَنۢبِهِۦ فَمِنْهُم مَّنْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِ حَاصِبًا وَمِنْهُم مَّنْ أَخَذَتْهُ ٱلصَّيْحَةُ وَمِنْهُم مَّنْ خَسَفْنَا بِهِ ٱلْأَرْضَ وَمِنْهُم مَّنْ أَغْرَقْنَا وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা ছাড়া বহু অভিভাবক গ্রহণ করে, তাদের দৃষ্টান্ত মাকড়সার ন্যায়, যে ঘর বানায় এবং নিশ্চয় সবচাইতে দুর্বল ঘর হল মাকড়সার ঘর, যদি তারা জানত।

মুহিউদ্দীন খান

যারা আল্লাহর পরিবর্তে অপরকে সাহায্যকারীরূপে গ্রহণ করে তাদের উদাহরণ মাকড়সা। সে ঘর বানায়। আর সব ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই তো অধিক দুর্বল, যদি তারা জানত।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করে, তাদের দৃষ্টান্ত হলো মাকড়সার দৃষ্টান্ত, সে নিজের জন্যে ঘর বানায়, আর ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই সবচাইতে দুর্বল, যদি তারা জ্ঞান রাখতো!

Word by word

مَثَلُ ٱلَّذِينَ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِ ٱللَّهِ أَوْلِيَآءَ كَمَثَلِ ٱلْعَنكَبُوتِ ٱتَّخَذَتْ بَيْتًا وَإِنَّ أَوْهَنَ ٱلْبُيُوتِ لَبَيْتُ ٱلْعَنكَبُوتِ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তাদেরকে জানেন তাঁকে ছাড়া যাদেরকে ওরা আহবান করে; আর তিনি মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আল্লাহর পরিবর্তে যা কিছুকে ডাকে, তা জানেন। তিনি শক্তিশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর পরিবর্তে যা কিছুকেই ডাকে, তা জানেন। তিনি মহাশক্তিধর, মহাবিজ্ঞানী।

Word by word

إِنَّ ٱللَّهَ يَعْلَمُ مَا يَدْعُونَ مِن دُونِهِۦ مِن شَىْءٍ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এসব দৃষ্টান্ত আমি মানুষের জন্য পেশ করি; আর জ্ঞানী লোকেরা ছাড়া কেউ তা বুঝে না।

মুহিউদ্দীন খান

এ সকল উদাহরণ আমি মানুষের জন্যে দেই; কিন্তু জ্ঞানীরাই তা বোঝে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মানুষের জন্যে দিয়ে থাকি এসব দৃষ্টান্ত, কিন্তু জ্ঞানীরা ছাড়া কেউ তা বুঝেনা।

Word by word

وَتِلْكَ ٱلْأَمْثَٰلُ نَضْرِبُهَا لِلنَّاسِ وَمَا يَعْقِلُهَآ إِلَّا ٱلْعَٰلِمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যথাযথভাবে আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন; নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

যথার্থরূপে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছেন। এতে নিদর্শন রয়েছে সম্প্রদায়ের জন্যে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং এই পৃথিবী বাস্তবতার ভিত্তিতে। অবশ্যি এতে রয়েছে একটি নিদর্শন মুমিনদের জন্যে।

Word by word

خَلَقَ ٱللَّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِٱلْحَقِّ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَةً لِّلْمُؤْمِنِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতি যে কিতাব ওহী করা হয়েছে, তা থেকে তিলাওয়াত কর এবং কায়েম কর। নিশ্চয় অশ্লীল ও মন্দকাজ থেকে বিরত রাখে। আর আল্লাহর স্মরণই তো সর্বশ্রেষ্ঠ। জানেন যা তোমরা কর।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি আপনার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব পাঠ করুন এবং কায়েম করুন। নিশ্চয় অশ্লীল ও গর্হিত কার্য থেকে বিরত রাখে। আল্লাহর স্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ। জানেন তোমরা যা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিলাওয়াত করো কিতাব যা তোমার প্রতি অহি করা হয়েছে এবং কায়েম করো । নিশ্চয়ই বিরত রাখে ফাহেশা এবং মুনকার (মন্দকর্ম) থেকে। আল্লাহর যিকিরই সর্বশ্রেষ্ঠ। জানেন তোমরা যা করো।

Word by word

ٱتْلُ مَآ أُوحِىَ إِلَيْكَ مِنَ ٱلْكِتَٰبِ وَأَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ إِنَّ ٱلصَّلَوٰةَ تَنْهَىٰ عَنِ ٱلْفَحْشَآءِ وَٱلْمُنكَرِ وَلَذِكْرُ ٱللَّهِ أَكْبَرُ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা উত্তম পন্থা ছাড়া আহলে কিতাবদের সাথে বিতর্ক করো না। তবে তাদের মধ্যে ওরা ছাড়া, যারা যুল্ম করেছে। আর তোমরা বল, ‘আমরা ঈমান এনেছি আমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে এবং তোমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তার প্রতি এবং আমাদের ও তোমাদের তো একই। আর

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কিতাবধারীদের সাথে তর্ক - বিতর্ক করবে না, কিন্তু উত্তম পন্থায়; তবে তাদের সাথে নয়, যারা তাদের মধ্যে বে - ইনসাফ। এবং বল, আমাদের প্রতি ও তোমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে, তাতে আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমাদের উপাস্য ও তোমাদের উপাস্য একই এবং আমরা তাঁরই আজ্ঞাবহ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সৌজন্যমূলক ও যুক্তিসংগত পন্থা ছাড়া আহলে কিতাবের সাথে বিতর্ক করোনা, তবে তাদের মধ্যে যারা যুলুম করে তাদের কথা ভিন্ন। তোমরা তাদের বলো: ‘আমরা ঈমান এনেছি সেই কিতাবের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে আমাদের প্রতি এবং যা নাযিল করা হয়েছে তোমাদের প্রতি, আর আমাদের ও তোমাদের একই , আমরা তাঁরই প্রতি আত্মসমর্পণকারী।’

Word by word

وَلَا تُجَٰدِلُوٓا۟ أَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ إِلَّا بِٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ إِلَّا ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ مِنْهُمْ وَقُولُوٓا۟ ءَامَنَّا بِٱلَّذِىٓ أُنزِلَ إِلَيْنَا وَأُنزِلَ إِلَيْكُمْ وَإِلَٰهُنَا وَإِلَٰهُكُمْ وَٰحِدٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এভাবেই আমি তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি। অতএব, আমি যাদেরকে কিতাব দিয়েছিলাম তারা এর প্রতি ঈমান রাখে এবং এদেরও (মক্কাবাসীদের) কেউ কেউ এর প্রতি ঈমান রাখে। আর কাফিররা ছাড়া আমার আয়াতসমূহকে কেউ অস্বীকার করে না।

মুহিউদ্দীন খান

এভাবেই আমি আপনার প্রতি কিতাব অবর্তীণ করেছি। অতঃপর যাদের কে আমি কিতাব দিয়েছিলাম, তারা একে মেনে চলে এবং এদেরও (মক্কাবাসীদেরও) কেউ কেউ এতে বিশ্বাস রাখে। কেবল কাফেররাই আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা নাযিল করেছি তোমার প্রতি এই কিতাব। যাদের আমরা কিতাব দিয়েছি তারা এটির প্রতি ঈমান রাখে এবং এখনকার এদের (আহলে কিতাবের) কেউ কেউও এটির প্রতি ঈমান রাখে। কাফিররা ছাড়া আর কেউই আমাদের আয়াত অস্বীকার করেনা।

Word by word

وَكَذَٰلِكَ أَنزَلْنَآ إِلَيْكَ ٱلْكِتَٰبَ فَٱلَّذِينَ ءَاتَيْنَٰهُمُ ٱلْكِتَٰبَ يُؤْمِنُونَ بِهِۦ وَمِنْ هَٰٓؤُلَآءِ مَن يُؤْمِنُ بِهِۦ وَمَا يَجْحَدُ بِـَٔايَٰتِنَآ إِلَّا ٱلْكَٰفِرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি তো এর পূর্বে কোন কিতাব তিলাওয়াত করনি এবং তোমার নিজের হাতে তা লিখনি যে, বাতিলপন্থীরা এতে সন্দেহ পোষণ করবে।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি তো এর পূর্বে কোন কিতাব পাঠ করেননি এবং স্বীয় দক্ষিণ হস্ত দ্বারা কোন কিতাব লিখেননি। এরূপ হলে মিথ্যাবাদীরা অবশ্যই সন্দেহ পোষণ করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তো এর আগে কোনো কিতাব তিলাওয়াত করতেনা এবং নিজ হাতে কোনো কিতাব লিখতেও না, তেমনটি হলে হয়তো মিথ্যাবাদীরা সন্দেহ পোষণ করতে পারতো।

Word by word

وَمَا كُنتَ تَتْلُوا۟ مِن قَبْلِهِۦ مِن كِتَٰبٍ وَلَا تَخُطُّهُۥ بِيَمِينِكَ إِذًا لَّٱرْتَابَ ٱلْمُبْطِلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে, তাদের অন্তরে তা সুস্পষ্ট নিদর্শন। আর যালিমরা ছাড়া আমার আয়াতসমূহকে কেউ অস্বীকার করে না।

মুহিউদ্দীন খান

বরং যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে, তাদের অন্তরে ইহা (কোরআন) তো স্পষ্ট আয়াত। কেবল বে - ইনসাফরাই আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং যাদের এলেম দেয়া হয়েছে তাদের অন্তরে এটি একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন। যালিমরা ছাড়া আর কেউই আমাদের আয়াত অস্বীকার করেনা।

Word by word

بَلْ هُوَ ءَايَٰتٌۢ بَيِّنَٰتٌ فِى صُدُورِ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْعِلْمَ وَمَا يَجْحَدُ بِـَٔايَٰتِنَآ إِلَّا ٱلظَّٰلِمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলে, ‘তার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে নিদর্শনসমূহ নাযিল হয় না কেন’? বল, ‘নিদর্শনসমূহ তো আল্লাহর কাছে, আর আমি তো কেবল একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী’।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলে, তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে তার প্রতি কিছু নিদর্শন অবতীর্ণ হল না কেন? বলুন, নিদর্শন তো আল্লাহর ইচ্ছাধীন। আমি তো একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘তার প্রভুর নিকট থেকে তার কাছে কোনো নিদর্শন আসেনা কেন?’ তুমি বলো: ‘নিদর্শন পাঠানোর বিষয়টা তো আল্লাহর এখতিয়ারে। আমি তো কেবল একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী ছাড়া আর কিছু নই।’

Word by word

وَقَالُوا۟ لَوْلَآ أُنزِلَ عَلَيْهِ ءَايَٰتٌ مِّن رَّبِّهِۦ قُلْ إِنَّمَا ٱلْءَايَٰتُ عِندَ ٱللَّهِ وَإِنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٌ مُّبِينٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা কি তাদের জন্য যথেষ্ট নয় যে, নিশ্চয় আমি তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি, যা তাদের নিকট তিলাওয়াত করা হয়? নিশ্চয় এর মধ্যে রহমত ও উপদেশ রয়েছে সেই কওমের জন্য, যারা ঈমান আনে।

মুহিউদ্দীন খান

এটাকি তাদের জন্যে যথেষ্ট নয় যে, আমি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি, যা তাদের কাছে পাঠ করা হয়। এতে অবশ্যই লোকদের জন্যে রহমত ও উপদেশ আছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জন্যে এটা কি যথেষ্ট নয় যে, আমরা তোমার প্রতি এই কিতাব নাযিল করেছি, যা তাদের প্রতি তিলাওয়াত করা হয়। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে রহমত ও উপদেশ সেইসব লোকদের জন্যে যারা ঈমান রাখে।

Word by word

أَوَلَمْ يَكْفِهِمْ أَنَّآ أَنزَلْنَا عَلَيْكَ ٱلْكِتَٰبَ يُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَرَحْمَةً وَذِكْرَىٰ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে, তা তিনি জানেন। আর যারা বাতিলে বিশ্বাস করে এবং আল্লাহকে অস্বীকার করে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত’।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমার মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে আল্লাহই সাক্ষীরূপে যথেষ্ট। তিনি জানেন যা কিছু নভোমন্ডলে ও ভূ - মন্ডলে আছে। আর যারা মিথ্যায় বিশ্বাস করে ও আল্লাহকে অস্বীকার করে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘আমার ও তোমাদের মাঝে শহীদ (সাক্ষী) হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। তিনি জানেন মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে। যারা বাতিলের প্রতি ঈমান রাখে এবং কুফুরি করে আল্লাহর প্রতি, তারাই আসল ক্ষতিগ্রস্ত।’

Word by word

قُلْ كَفَىٰ بِٱللَّهِ بَيْنِى وَبَيْنَكُمْ شَهِيدًا يَعْلَمُ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱلْبَٰطِلِ وَكَفَرُوا۟ بِٱللَّهِ أُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْخَٰسِرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা তোমাকে আযাব ত্বরান্বিত করতে বলে। যদি নির্ধারিত সময় না থাকত, তবে তাদের উপর অবশ্যই আযাব আসত এবং তা আকস্মিকভাবে তাদের উপর আসবেই। অথচ তারা টেরও পাবে না।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আপনাকে আযাব ত্বরান্বিত করতে বলে। যদি আযাবের সময় নির্ধারিত না থাকত, তবে আযাব তাদের উপর এসে যেত। নিশ্চয়ই আকস্মিকভাবে তাদের কাছে আযাব এসে যাবে, তাদের খবরও থাকবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমার কাছে আহবান জানায় দ্রুত আযাব এনে দিতে। যদি সময় নির্ধারিত না থাকতো, তাহলে অবশ্যি তাদের উপর আযাব এসে যেতো। আযাব অবশ্যি তাদের উপর আসবে আকস্মিকভাবে এবং তারা টেরও পাবেনা।

Word by word

وَيَسْتَعْجِلُونَكَ بِٱلْعَذَابِ وَلَوْلَآ أَجَلٌ مُّسَمًّى لَّجَآءَهُمُ ٱلْعَذَابُ وَلَيَأْتِيَنَّهُم بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা তোমাকে আযাব ত্বরান্বিত করতে বলে, আর নিশ্চয় জাহান্নাম কাফিরদেরকে পরিবেষ্টন করবে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আপনাকে আযাব ত্বরান্বিত করতে বলে; অথচ জাহান্নাম কাফেরদেরকে ঘেরাও করছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমাকে দ্রুত আযাব এনে দিতে বলে। জাহান্নাম অবশ্যি কাফিরদের পরিবেষ্টন করবে।

Word by word

يَسْتَعْجِلُونَكَ بِٱلْعَذَابِ وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمُحِيطَةٌۢ بِٱلْكَٰفِرِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেদিন আযাব তাদেরকে তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নীচে থেকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে এবং তিনি বলবেন, ‘তোমরা যা করতে, তার স্বাদ আস্বাদন কর’।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন আযাব তাদেরকে ঘেরাও করবে মাথার উপর থেকে এবং পায়ের নীচ থেকে। বললেন, তোমরা যা করতে, তার স্বাদ গ্রহণ কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তাদের উপর থেকে এবং তাদের পায়ের নিচে থেকে আযাব এসে তাদের ঢেকে ফেলবে এবং তিনি বলবেন: তোমরা যেসব আমল করতে তার স্বাদ গ্রহণ করো।

Word by word

يَوْمَ يَغْشَىٰهُمُ ٱلْعَذَابُ مِن فَوْقِهِمْ وَمِن تَحْتِ أَرْجُلِهِمْ وَيَقُولُ ذُوقُوا۟ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে আমার বান্দারা যারা ঈমান এনেছে, নিশ্চয় আমার যমীন প্রশস্ত, সুতরাং তোমরা আমারই ইবাদাত কর।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার বান্দাগণ, আমার পৃথিবী প্রশস্ত। অতএব তোমরা আমারই এবাদত কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে আমার সেইসব বান্দারা যারা ঈমান এনেছো! আমার পৃথিবী অনেক প্রশস্ত, সুতরাং তোমরা কেবল আমারই ইবাদত করো।

Word by word

يَٰعِبَادِىَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِنَّ أَرْضِى وَٰسِعَةٌ فَإِيَّٰىَ فَٱعْبُدُونِ

বয়ান ফাউন্ডেশন

প্রতিটি প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে, তারপর আমার কাছেই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।

মুহিউদ্দীন খান

জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। অতঃপর তোমরা আমারই কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রত্যেক ব্যক্তিই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। তারপর আমাদের কাছেই তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

Word by word

كُلُّ نَفْسٍ ذَآئِقَةُ ٱلْمَوْتِ ثُمَّ إِلَيْنَا تُرْجَعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান আনে ও সৎ কর্ম করে, তাদেরকে অবশ্যই আমি জান্নাতে কক্ষ বানিয়ে দেব, যার তলদেশ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত হবে, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। কতইনা উত্তম আমলকারীদের প্রতিদান!

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে জান্নাতের সুউচ্চ প্রাসাদে স্থান দেব, যার তলদেশে প্রস্রবণসমূহ প্রবাহিত। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। কত উত্তম পুরস্কার কর্মীদের।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ্ করবে আমরা অবশ্যি তাদের বসবাসের জন্যে জান্নাতে উঁচু প্রাসাদ দান করবো। সেসবের নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর। চিরদিন থাকবে তারা সেখানে। কতো যে উত্তম প্রতিদান নেক আমলকারীদের জন্যে,

Word by word

وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَنُبَوِّئَنَّهُم مِّنَ ٱلْجَنَّةِ غُرَفًا تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَا نِعْمَ أَجْرُ ٱلْعَٰمِلِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং তাদের রবের উপরই তাওয়াক্কুল করে।

মুহিউদ্দীন খান

যারা সবর করে এবং তাদের পালনকর্তার উপর ভরসা করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা সবর অবলম্বন করে এবং তাওয়াক্কুল করে তাদের প্রভুর উপর!

Word by word

ٱلَّذِينَ صَبَرُوا۟ وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এমন কত জীব-জন্তু রয়েছে, যারা নিজদের রিয্ক নিজেরা সঞ্চয় করে না, আল্লাহই তাদের রিয্ক দেন এবং তোমাদেরও। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

এমন অনেক জন্তু আছে, যারা তাদের খাদ্য সঞ্চিত রাখে না। আল্লাহই রিযিক দেন তাদেরকে এবং তোমাদেরকেও। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমন অনেক জীব - জানোয়ার আছে যারা নিজেদের রিযিক মওজুদ করে রাখেনা, আল্লাহ্ই তাদের রিযিক দেন এবং তোমাদেরকেও। তিনি সব শুনেন, সব জানেন।

Word by word

وَكَأَيِّن مِّن دَآبَّةٍ لَّا تَحْمِلُ رِزْقَهَا ٱللَّهُ يَرْزُقُهَا وَإِيَّاكُمْ وَهُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি তুমি তাদেরকে প্রশ্ন কর, ‘কে আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন এবং চাঁদ ও সূর্যকে নিয়োজিত করেছেন’? তারা অবশ্যই বলবে, ‘’। তাহলে কোথায় তাদের ফিরানো হচ্ছে ?

মুহিউদ্দীন খান

যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, কে নভোমন্ডল ও ভূ - মন্ডল সৃষ্টি করেছে, চন্দ্র ও সূর্যকে কর্মে নিয়োজিত করেছে? তবে তারা অবশ্যই বলবে । তাহলে তারা কোথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘আসমান জমিন কে সৃষ্টি করেছে এবং কে নিয়ন্ত্রণ করছে সূর্য আর চাঁদ?’ তারা অবশ্যি বলবে: ‘।’ তাহলে তারা কোথা থেকে প্রতারিত হচ্ছে?

Word by word

وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّنْ خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَسَخَّرَ ٱلشَّمْسَ وَٱلْقَمَرَ لَيَقُولُنَّ ٱللَّهُ فَأَنَّىٰ يُؤْفَكُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা করেন রিয্ক প্রশস্ত করে দেন এবং যার জন্য ইচ্ছা সীমিত করে দেন। নিশ্চয় সকল বিষয়ে সম্যক অবগত।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা রিযিক প্রশস্ত করে দেন এবং যার জন্য ইচ্ছা হ্রাস করেন। নিশ্চয়, সর্ববিষয়ে সম্যক পরিজ্ঞাত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই বৃদ্ধি করে দেন রিযিক যাকে চান এবং নিয়ন্ত্রণ করে দেন যাকে চান। নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ে অবগত।

Word by word

ٱللَّهُ يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ وَيَقْدِرُ لَهُۥٓ إِنَّ ٱللَّهَ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি যদি তাদেরকে প্রশ্ন কর, ‘কে আসমান থেকে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তা দ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করেন’? তবে তারা অবশ্যই বলবে, ‘’। বল, ‘সকল প্রশংসা আল্লাহর’। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বুঝে না।

মুহিউদ্দীন খান

যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, কে আকাশ থেকে বারি বর্ষণ করে, অতঃপর তা দ্বারা মৃত্তিকাকে উহার মৃত হওয়ার পর সঞ্জীবিত করে? তবে তারা অবশ্যই বলবে, । বলুন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বোঝে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো, কে নাযিল করেন আসমান থেকে পানি, তারপর তা দিয়ে জীবিত করেন জমিনকে তা মরে (শুকিয়ে) যাবার পর? অবশ্যি তারা বলবে: ‘।’ বলো: ‘আলহামদু লিল্লাহ!’ বরং তাদের অধিকাংশই আকল - বুদ্ধি রাখেনা।

Word by word

وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّن نَّزَّلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءً فَأَحْيَا بِهِ ٱلْأَرْضَ مِنۢ بَعْدِ مَوْتِهَا لَيَقُولُنَّ ٱللَّهُ قُلِ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْقِلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এ দুনিয়ার জীবন খেল-তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয় এবং নিশ্চয় আখিরাতের নিবাসই হলো প্রকৃত জীবন, যদি তারা জানত।

মুহিউদ্দীন খান

এই পার্থিব জীবন ক্রীড়া - কৌতুক বৈ তো কিছুই নয়। পরকালের গৃহই প্রকৃত জীবন; যদি তারা জানত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই দুনিয়ার জীবনটা খেলতামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। আখিরাতের জীবনই চিরন্তন জীবন, যদি তারা জানতো!

Word by word

وَمَا هَٰذِهِ ٱلْحَيَوٰةُ ٱلدُّنْيَآ إِلَّا لَهْوٌ وَلَعِبٌ وَإِنَّ ٱلدَّارَ ٱلْءَاخِرَةَ لَهِىَ ٱلْحَيَوَانُ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা যখন নৌযানে আরোহণ করে, তখন তারা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে ডাকে। অতঃপর যখন তিনি তাদেরকে স্থলে পৌঁছে দেন, তখনই তারা শিরকে লিপ্ত হয়।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যখন জলযানে আরোহণ করে তখন একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে ডাকে। অতঃপর তিনি যখন স্থলে এনে তাদেরকে উদ্ধার করেন, তখনই তারা শরীক করতে থাকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যখন নৌযানে আরোহণ করে, তখন আন্তরিক নিষ্ঠার সাথে তারা আল্লাহকে ডাকে, তারপর যখন তিনি তাদেরকে নাজাত দিয়ে কূলে নিয়ে আসেন, তখন তারা শিরক করতে থাকে,

Word by word

فَإِذَا رَكِبُوا۟ فِى ٱلْفُلْكِ دَعَوُا۟ ٱللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ ٱلدِّينَ فَلَمَّا نَجَّىٰهُمْ إِلَى ٱلْبَرِّ إِذَا هُمْ يُشْرِكُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যাতে আমি তাদেরকে যা দিয়েছি, তা তারা অস্বীকার করতে পারে এবং তারা যেন ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকতে পারে। অতঃপর শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তারা তাদের প্রতি আমার দান অস্বীকার করে এবং ভোগ - বিলাসে ডুবে থাকে। সত্বরই তারা জানতে পারবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে তাদের প্রতি আমার দান তারা অস্বীকার করে এবং ভোগবিলাসে লিপ্ত থাকে। অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর পরিনতি)।

Word by word

لِيَكْفُرُوا۟ بِمَآ ءَاتَيْنَٰهُمْ وَلِيَتَمَتَّعُوا۟ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি দেখে না যে, আমি ‘হারাম’ কে নিরাপদ বানিয়েছি, অথচ তাদের আশ পাশ থেকে মানুষদেরকে ছিনিয়ে নেয়া হয়? তাহলে কি তারা অসত্যেই বিশ্বাস করবে এবং আল্লাহর নিআমতকে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি দেখে না যে, আমি একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল করেছি। অথচ এর চতুপার্শ্বে যারা আছে, তাদের উপর আক্রমণ করা হয়। তবে কি তারা মিথ্যায়ই বিশ্বাস করবে এবং আল্লাহর নেয়ামত অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি দেখেনা, আমরা হারাম (শরিফকে) নিরাপদ স্থান বানিয়ে দিয়েছি, অথচ তার চারপাশে যারা আছে তাদের উপর হামলা করা হয়? তারা কি বাতিলের প্রতি ঈমান রাখে, আর কুফুরি করে আল্লাহর নিয়ামতের প্রতি?

Word by word

أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّا جَعَلْنَا حَرَمًا ءَامِنًا وَيُتَخَطَّفُ ٱلنَّاسُ مِنْ حَوْلِهِمْ أَفَبِٱلْبَٰطِلِ يُؤْمِنُونَ وَبِنِعْمَةِ ٱللَّهِ يَكْفُرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে ব্যক্তির চেয়ে যালিম আর কে, যে আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করে অথবা তার নিকট সত্য আসার পর তা অস্বীকার করে? জাহান্নামের মধ্যেই কি কাফিরদের আবাস নয়?

মুহিউদ্দীন খান

যে সম্পর্কে মিথ্যা কথা গড়ে অথবা তার কাছে সত্য আসার পর তাকে অস্বীকার করে, তার কি স্মরণ রাখা উচিত নয় যে, জাহান্নামই সেসব কাফেরের আশ্রয়স্থল হবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যে মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর উপর আরোপ করে, কিংবা সত্য আসার পর তা প্রত্যাখ্যান করে? কাফিরদের আবাস কি জাহান্নাম নয়?

Word by word

وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ ٱفْتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا أَوْ كَذَّبَ بِٱلْحَقِّ لَمَّا جَآءَهُۥٓ أَلَيْسَ فِى جَهَنَّمَ مَثْوًى لِّلْكَٰفِرِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা আমার পথে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়, তাদেরকে আমি অবশ্যই আমার পথে পরিচালিত করব। আর নিশ্চয় সৎকর্মশীলদের সাথেই আছেন।

মুহিউদ্দীন খান

যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব। নিশ্চয় সৎকর্মপরায়ণদের সাথে আছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আমাদের জন্যে (উদ্দেশ্যে) জিহাদ করে, আমরা অবশ্যি তাদের পরিচালিত করি আমাদের পথে, আর অবশ্যি কল্যাণপরায়ণদের সাথে থাকেন।

Word by word

وَٱلَّذِينَ جَٰهَدُوا۟ فِينَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا وَإِنَّ ٱللَّهَ لَمَعَ ٱلْمُحْسِنِينَ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme