Kitab

আল মুদ্দাসসির (আচ্ছাদিত)

Chapter 74, 56 verses

  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বয়ান ফাউন্ডেশন

হে বস্ত্রাবৃত!

মুহিউদ্দীন খান

হে চাদরাবৃত!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে বস্ত্রাচ্ছাদিত!

বয়ান ফাউন্ডেশন

উঠ, অতঃপর সতর্ক কর।

মুহিউদ্দীন খান

উঠুন, সতর্ক করুন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উঠ, আর সতর্ক কর,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমার রবের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর।

মুহিউদ্দীন খান

আপন পালনকর্তার মাহাত্ম্য ঘোষনা করুন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমার প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমার পোশাক-পরিচ্ছদ পবিত্র কর।

মুহিউদ্দীন খান

আপন পোশাক পবিত্র করুন

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পরিচ্ছদ পবিত্র রাখ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অপবিত্রতা বর্জন কর।

মুহিউদ্দীন খান

এবং অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পৌত্তলিকতা পরিহার করিয়া চল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অধিক পাওয়ার আশায় দান করো না।

মুহিউদ্দীন খান

অধিক প্রতিদানের আশায় অন্যকে কিছু দিবেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অধিক পাওয়ার প্রত্যাশায় দান করিও না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমার রবের জন্যই ধৈর্যধারণ কর।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আপনার পালনকর্তার উদ্দেশে সবর করুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে ধৈর্য ধারণ কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে,

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হইবে

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সেদিন হবে কঠিন দিন।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন হবে কঠিন দিন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন হইবে এক সংকটের দিন -

বয়ান ফাউন্ডেশন

কাফিরদের জন্য সহজ নয়।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেরদের জন্যে এটা সহজ নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা কাফিরদের জন্য সহজ নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমাকে এবং যাকে আমি সৃষ্টি করেছি তাকে একাকী ছেড়ে দাও।

মুহিউদ্দীন খান

যাকে আমি অনন্য করে সৃষ্টি করেছি, তাকে আমার হাতে ছেড়ে দিন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ছাড়িয়া দাও আমাকে এবং যাহাকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি একাকী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে দিয়েছি অঢেল সম্পদ,

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে বিপুল ধন - সম্পদ দিয়েছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে দিয়াছি বিপুল ধন - সম্পদ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর উপস্থিত অনেক পুত্র।

মুহিউদ্দীন খান

এবং সদা সংগী পুত্রবর্গ দিয়েছি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং নিত্য সঙ্গী পুত্রগণ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার জন্য (জীবনকে) সুগম স্বাচ্ছন্দ্যময় করেছি।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাকে খুব সচ্ছলতা দিয়েছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাকে দিয়াছি স্বচ্ছন্দ জীবনের প্রচুর উপকরণ -

বয়ান ফাউন্ডেশন

এসবের পরেও সে আকাংখা করে যে, আমি আরো বাড়িয়ে দেই।

মুহিউদ্দীন খান

এরপরও সে আশা করে যে, আমি তাকে আরও বেশী দেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার পরও সে কামনা করে যে, আমি তাহাকে আরও অধিক দেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, নিশ্চয় সে ছিল আমার নিদর্শনাবলীর বিরুদ্ধাচারী।

মুহিউদ্দীন খান

কখনই নয়! সে আমার নিদর্শনসমূহের বিরুদ্ধাচরণকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, তাহা হইবে না, সে তো আমার নিদর্শনসমূহের উদ্ধত বিরুদ্ধাচারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অচিরেই আমি তাকে জাহান্নামের পিচ্ছিল পাথরে আরোহণ করতে বাধ্য করব।

মুহিউদ্দীন খান

আমি সত্ত্বরই তাকে শাস্তির পাহাড়ে আরোহণ করাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি অচিরেই তাহাকে চড়াইব শাস্তির পাহাড়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় সে চিন্তা ভাবনা করল এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল।

মুহিউদ্দীন খান

সে চিন্তা করেছে এবং মনঃস্থির করেছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে তো চিন্তা করিল এবং সিদ্ধান্ত করিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে ধ্বংস হোক! কীভাবে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল?

মুহিউদ্দীন খান

ধ্বংস হোক সে, কিরূপে সে মনঃস্থির করেছে!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অভিশপ্ত হউক সে ! কেমন করিয়া সে এই সিদ্ধান্ত করিল!

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে ধ্বংস হোক! কীভাবে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল?

মুহিউদ্দীন খান

আবার ধ্বংস হোক সে, কিরূপে সে মনঃস্থির করেছে!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আরও অভিশপ্ত হউক সে! কেমন করিয়া সে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হইল!

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে তাকাল।

মুহিউদ্দীন খান

সে আবার দৃষ্টিপাত করেছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে আবার চাহিয়া দেখিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে ভ্রূকুঞ্চিত করল এবং মুখ বিকৃত করল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে ভ্রূকুঞ্চিত করেছে ও মুখ বিকৃত করেছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে ভ্রূকুঞ্চিত করিল ও মুখ বিকৃত করিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে পিছনে ফিরল এবং অহংকার করল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর পৃষ্ঠপ্রদশন করেছে ও অহংকার করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে পিছন ফিরিল এবং দম্ভ প্রকাশ করিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে বলল, ‘এ তো লোক পরম্পরায়প্রাপ্ত যাদু ছাড়া আর কিছুই নয়’।

মুহিউদ্দীন খান

এরপর বলেছেঃ এতো লোক পরস্পরায় প্রাপ্ত জাদু বৈ নয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ঘোষণা করিল, ‘ইহা তো লোক পরম্পরায় প্রাপ্ত জাদু ভিন্ন আর কিছু নয়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘এটা তো মানুষের কথামাত্র’।

মুহিউদ্দীন খান

এতো মানুষের উক্তি বৈ নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ইহা তো মানুষেরই কথা।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

অচিরেই আমি তাকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করাব।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে দাখিল করব অগ্নিতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে নিক্ষেপ করিব সাকার - এ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিসে তোমাকে জানাবে জাহান্নামের আগুন কী?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি বুঝলেন অগ্নি কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি জান সাকার কী?

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা অবশিষ্টও রাখবে না এবং ছেড়েও দেবে না।

মুহিউদ্দীন খান

এটা অক্ষত রাখবে না এবং ছাড়বেও না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহা উহাদেরকে জীবিতাবস্থায় রাখিবে না এবং মৃত অবস্থায়ও ছাড়িয়া দিবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

চামড়াকে দগ্ধ করে কালো করে দেবে।

মুহিউদ্দীন খান

মানুষকে দগ্ধ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো গাত্রচর্ম দগ্ধ করিবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তার উপর রয়েছে ঊনিশজন (প্রহরী)।

মুহিউদ্দীন খান

এর উপর নিয়োজিত আছে উনিশ (ফেরেশতা)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সাকার - এর তত্ত্বাবধানে রহিয়াছে উনিশজন প্রহরী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি ফেরেশতাদেরকেই জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক বানিয়েছি। আর কাফিরদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ আমি তাদের সংখ্যা নির্ধারণ করেছি। যাতে কিতাবপ্রাপ্তরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে; আর মুমিনদের ঈমান বেড়ে যায় এবং কিতাবপ্রাপ্তরা ও মুমিনরা সন্দেহ পোষণ না করে। আর যেন যাদের অন্তরে

মুহিউদ্দীন খান

আমি জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক ফেরেশতাই রেখেছি। আমি কাফেরদেরকে পরীক্ষা করার জন্যেই তার এই সংখ্যা করেছি - যাতে কিতাবীরা দৃঢ়বিশ্বাসী হয়, মুমিনদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং কিতাবীরা ও মুমিনগণ সন্দেহ পোষণ না করে এবং যাতে যাদের অন্তরে রোগ আছে, তারা এবং কাফেররা বলে যে, এর দ্বারা কি বোঝাতে চেয়েছেন। এমনিভাবে যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথে চালান। আপনার পালনকর্তার বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন এটা তো মানুষের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ফিরিশ্‌তাদেরকে করিয়াছি জাহান্নামের প্রহরী; কাফিরদের পরীক্ষাস্বরূপই আমি উহাদের এই সংখ্যা উল্লেখ করিয়াছি যাহাতে কিতাবীদের দৃঢ় প্রত্যয় জন্মে, বিশ্বাসীদের বিশ্বাস বর্ধিত হয় এবং বিশ্বাসীগণ ও কিতাবীগণ সন্দেহ পোষণ না করে। ইহার ফলে, যাহাদের অন্তরে ব্যাধি আছে তাহারা ও কাফিররা বলিবে, ‘‌ এই অভিনব উক্তি দ্বারা কি বুঝাইতে চাহিয়াছেন?’ এইভাবে ‌ যাহাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা পথনির্দেশ করেন। তোমার প্রতিপালকের বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন। জাহান্নামের এই বর্ণনা তো মানুষের জন্য সাবধান বাণী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, চাঁদের কসম!

মুহিউদ্দীন খান

কখনই নয়। চন্দ্রের শপথ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কখনই না, চন্দ্রের শপথ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

রাতের কসম, যখন তা সরে চলে যায়,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ রাত্রির যখন তার অবসান হয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ রাত্রির, যখন উহার অবসান ঘটে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

প্রভাতের কসম, যখন তা উদ্ভাসিত হয়।

মুহিউদ্দীন খান

শপথ প্রভাতকালের যখন তা আলোকোদ্ভাসিত হয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ প্রভাতকালের, যখন উহা হয় আলোকোজ্জ্বল -

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় জাহান্নাম মহাবিপদসমূহের অন্যতম।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় জাহান্নাম গুরুতর বিপদসমূহের অন্যতম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই জাহান্নাম ভয়াবহ বিপদসমূহের অন্যতম,

বয়ান ফাউন্ডেশন

মানুষের জন্য সতর্ককারীস্বরূপ।

মুহিউদ্দীন খান

মানুষের জন্যে সতর্ককারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের জন্য সতর্ককারী -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের মধ্যে যে চায় অগ্রসর হতে অথবা পিছিয়ে থাকতে, তার জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের মধ্যে যে সামনে অগ্রসর হয় অথবা পশ্চাতে থাকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের মধ্যে যে অগ্রসর হইতে চায় কিংবা যে পিছাইয়া পড়িতে চায় তাহার জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

প্রতিটি প্রাণ নিজ অর্জনের কারণে দায়বদ্ধ।

মুহিউদ্দীন খান

প্রত্যেক ব্যক্তি তার কৃতকর্মের জন্য দায়ী;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ কৃতকর্মের দায়ে আবদ্ধ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু ডান দিকের লোকেরা নয়,

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু ডানদিকস্থরা,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে দক্ষিণ পার্শ্বস্থ ব্যক্তিগণ নয়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

বাগ-বাগিচার মধ্যে তারা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করবে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা থাকবে জান্নাতে এবং পরস্পরে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা থাকিবে উদ্যানে এবং তাহারা জিজ্ঞাসা - বাদ করিবে -

বয়ান ফাউন্ডেশন

অপরাধীদের সম্পর্কে,

মুহিউদ্দীন খান

অপরাধীদের সম্পর্কে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অপরাধীদের সম্পর্কে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিসে তোমাদেরকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করাল?

মুহিউদ্দীন খান

বলবেঃ তোমাদেরকে কিসে জাহান্নামে নীত করেছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমাদেরকে কিসে সাকার - এ নিক্ষেপ করিয়াছে?’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলবে, ‘আমরা আদায়কারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না’।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলবেঃ আমরা পড়তাম না,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিবে, ‘আমরা মুসুল্লীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দান করতাম না’।

মুহিউদ্দীন খান

অভাবগ্রস্তকে আহার্য্য দিতাম না,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা অভাবগ্রস্তকে আহার্য দান করিতাম না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা অনর্থক আলাপকারীদের সাথে (বেহুদা আলাপে) মগ্ন থাকতাম’।

মুহিউদ্দীন খান

আমরা সমালোচকদের সাথে সমালোচনা করতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমরা বিভ্রান্ত আলোচনাকারীদের সঙ্গে বিভ্রান্তিমূলক আলোচনায় নিমগ্ন থাকিতাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করতাম’।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমরা প্রতিফল দিবসকে অস্বীকার করতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা কর্মফল দিবস অস্বীকার করিতাম,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশেষে আমাদের কাছে মৃত্যু আগমন করে'।

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের মৃত্যু পর্যন্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদের নিকট মৃত্যুর আগমন পর্যন্ত।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোন উপকার করবে না।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোন উপকারে আসবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে সুপারিশকারীদের সুপারিশ উহাদের কোন কাজে আসিবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের কী হয়েছে যে, তারা উপদেশ বাণী হতে বিমুখ?

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কি হল যে, তারা উপদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের কী হইয়াছে যে, উহারা মুখ ফিরাইয়া নেয় উপদেশ হইতে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা যেন ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পলায়নরত বন্য গাধা।

মুহিউদ্দীন খান

যেন তারা ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত গর্দভ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যেন ভীত - ত্রস্ত গর্দভ -

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা সিংহের ভয়ে পলায়ন করেছে।

মুহিউদ্দীন খান

হট্টগোলের কারণে পলায়নপর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা সিংহের সম্মুখ হইতে পলায়নপর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং তাদের মধ্যকার প্রত্যেক ব্যক্তিই কামনা করে যে তাকে উন্মুক্ত গ্রন্থ প্রদান করা হোক।

মুহিউদ্দীন খান

বরং তাদের প্রত্যেকেই চায় তাদের প্রত্যেককে একটি উম্মুক্ত গ্রন্থ দেয়া হোক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত উহাদের প্রত্যেকেই কামনা করে যে, তাহাকে একটি উন্মুক্ত গ্রন্থ দেওয়া হউক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনও নয়! বরং তারা আখিরাতকে ভয় করে না।

মুহিউদ্দীন খান

কখনও না, বরং তারা পরকালকে ভয় করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, ইহা হইবার নয়; বরং উহারা তো আখিরাতের ভয় পোষণ করে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনও নয়! এটিতো উপদেশ মাত্র।

মুহিউদ্দীন খান

কখনও না, এটা তো উপদেশ মাত্র।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, ইহা হইবার নয়, কুরআনই সকলের জন্য উপদেশবাণী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব যার ইচ্ছা সে তা থেকে উপদেশ গ্রহণ করুক।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, যার ইচ্ছা, সে একে স্মরণ করুক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব যাহার ইচ্ছা সে ইহা হইতে উপদেশ গ্রহণ করুক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।

মুহিউদ্দীন খান

তারা স্মরণ করবে না, কিন্তু যদি চান। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র ইচ্ছা ব্যতিরেকে কেহ উপদেশ গ্রহণ করিবে না, একমাত্র তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং তিনিই ক্ষমা করিবার অধিকারী।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme