আমি কসম করছি এই নগরীর।
আমি এই নগরীর শপথ করি
না, আমি শপথ করছি এই নগরের নামে,
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ এই নগরের,
Chapter 90, 20 verses
আমি কসম করছি এই নগরীর।
আমি এই নগরীর শপথ করি
না, আমি শপথ করছি এই নগরের নামে,
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ এই নগরের,
আর তুমি এই নগরীতে মুক্ত।
এবং এই নগরীতে আপনার উপর কোন প্রতিবন্ধকতা নেই।
আর তুমি বৈধ থাকবে এই নগরীতে;
আর তুমি এই নগরের অধিবাসী,
কসম জনকের এবং যা সে জন্ম দেয়।
শপথ জনকের ও যা জন্ম দেয়।
আর জন্মদাতার, আর যাদের তিনি জন্ম দিয়েছেন।
এবং জনক ও যা তিনি জন্ম দিয়েছেন তার,
নিঃসন্দেহে আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি কষ্ট- ক্লেশের মধ্যে।
নিশ্চয় আমি মানুষকে শ্রমনির্ভররূপে সৃষ্টি করেছি।
আমরা নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করেছি শ্রমনির্ভর করে।
নিশ্চয়ই আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি কষ্টের মধ্যে,
সে কি ধারণা করছে যে, কেউ কখনো তার উপর ক্ষমতাবান হবে না?
সে কি মনে করে যে, তার উপর কেউ ক্ষমতাবান হবে না ?
সে কি ভাবে যে তার উপরে কেউ কোনো ক্ষমতা রাখতে পারে না?
সে কি মনে করে যে তার ওপর কেউই ক্ষমতাবান নয়?
সে বলে, ‘আমি প্রচুর ধন-সম্পদ নিঃশেষ করেছি’।
সে বলেঃ আমি প্রচুর ধন - সম্পদ ব্যয় করেছি।
সে বলে - - ''আমি প্রচুর সম্পদ নিঃশেষ করেছি।’’
সে বলে, “আমি প্রচুর সম্পদ ব্যয় করেছি,”
সে কি ধারণা করছে যে, কেউ তাকে দেখেনি?
সে কি মনে করে যে, তাকে কেউ দেখেনি?
সে কি ভাবে যে তাকে কেউ দেখতে পাবে না?
সে কি মনে করে যে তাকে কেউ দেখেনি?
আমি কি তার জন্য দু’টি চোখ বানাইনি?
আমি কি তাকে দেইনি চক্ষুদ্বয়,
আমরা কি তার জন্য বানিয়ে দিই নি দুটি চোখ,
আমরা কি তাকে দুটো চোখ দেইনি
আর একটি জিহবা ও দু’টি ঠোঁট?
জিহবা ও ওষ্ঠদ্বয় ?
আর একটি জিহবা ও দুটি ঠোঁট,
এবং একটি জিহ্বা ও দুটো ঠোঁট,
আর আমি তাকে দু’টি পথ প্রদর্শন করেছি।
বস্তুতঃ আমি তাকে দু’টি পথ প্রদর্শন করেছি।
আর আমরা কি তাকে দুটি পথই দেখাই নি?
এবং আমরা তাকে দুটো পথ দেখিয়েছি
ভালো ও মন্দ দুটি পথ
তবে সে বন্ধুর গিরিপথটি অতিক্রম করতে সচেষ্ট হয়নি।
অতঃপর সে ধর্মের ঘাঁটিতে প্রবেশ করেনি।
কিন্ত সে ঊর্ধ্বগামী পথ ধরতে চায় নি।
কিন্তু সে কঠিন গিরিপথ অতিক্রম করেনি,
আর কিসে তোমাকে জানাবে, বন্ধুর গিরিপথটি কী?
আপনি জানেন, সে ঘাঁটি কি?
আর কেমন করে তোমাকে বোঝানো যাবে কী সেই ঊর্ধ্বগামী পথ?
আর তুমি কী জানো, সেই কঠিন গিরিপথ কী?
তা হচ্ছে, দাস মুক্তকরণ।
তা হচ্ছে দাসমুক্তি
দাসকে মুক্তি দেওয়া,
একটি দাস মুক্ত করা,
অথবা খাদ্য দান করা দুর্ভিক্ষের দিনে।
অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে অন্নদান।
অথবা আকালের দিনে খাবার দেওয়া - -
অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে খাদ্য দান করা,
এক এতিমকে, যে নিকট আত্মীয়,
এতীম আত্বীয়কে
নিকট সম্পর্কের এতীমকে,
ইয়াতীম আত্মীয়কে,
অথবা ধূলি-মলিন মিসকীনকে।
অথবা ধুলি - ধুসরিত মিসকীনকে
অথবা ধুলোয় লুটানো নিঃস্বকে।
অথবা এক অভাবগ্রস্তকে, যে মাটিতে লুটিয়ে আছে,
অতঃপর সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়, যারা ঈমান এনেছে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় ধৈর্যধারণের, আর পরস্পরকে উপদেশ দেয় দয়া-অনুগ্রহের।
অতঃপর তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া, যারা ঈমান আনে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় সবরের ও উপদেশ দেয় দয়ার।
তাহলে সে তাদের অন্তর্ভুক্ত যারা ঈমান এনেছে, আর পরস্পরকে অধ্যবসায় অবলন্বনে প্রচেষ্টা করে ও একে - অন্যে দয়া - দাক্ষিণ্যের প্রয়াস চালায়।
অতঃপর সে তাদের অন্তর্ভুক্ত, যারা বিশ্বাস করেছে এবং একে অপরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয় এবং একে অপরকে দয়ার উপদেশ দেয়,
তারাই সৌভাগ্যবান।
তারাই সৌভাগ্যশালী।
এরাই হচ্ছে দক্ষিণপন্থীয়দের দলভুক্ত।
তারাই ডান দিকের অধিকারী,
আর যারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে তারাই দুর্ভাগা।
আর যারা আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে তারাই হতভাগা।
আর যারা আমাদের বাণীসমূহে অবিশ্বাস পোষণ করে তারাই হচ্ছে বামপন্থীয়দের দলভুক্ত।
আর যারা আমাদের নিদর্শনসমূহ অবিশ্বাস করে, তারা বাম দিকের অধিকারী,
তাদের উপর থাকবে অবরুদ্ধ আগুন।
তারা অগ্নিপরিবেষ্টিত অবস্থায় বন্দী থাকবে।
তাদের উপরে আগুন আচ্ছাদিত করে রইবে।
তাদের ওপর আগুন ঘিরে থাকবে।