আবাসা (সে বিরক্তি প্রকাশ করলো)
Chapter 80, 42 verses
-
বয়ান ফাউন্ডেশন
-
মুহিউদ্দীন খান
-
সমকালীন বাংলা
-
আবদুস শহীদ নাসিম
বয়ান ফাউন্ডেশন
সে* ভ্রকুঞ্চিত করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল। *মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি ভ্রূকুঞ্চিত করলেন এবং মুখ ফিরিয়ে নিলেন।
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; সে ভ্রুকুটি করেছিলেন এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
সে বিরক্তি প্রকাশ করলো এবং মুখ (মনোযোগ) ফিরিয়ে নিলো,
বয়ান ফাউন্ডেশন
কারণ তার কাছে অন্ধ লোকটি* আগমন করেছিল। * আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম
মুহিউদ্দীন খান
কারণ, তাঁর কাছে এক অন্ধ আগমন করল।
সমকালীন বাংলা
কারণ তার কাছে এক অন্ধ ব্যক্তি এসেছিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
এ কারণে যে অন্ধ লোকটি এসেছিল তার কাছে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর কিসে তোমাকে জানাবে যে, সে হয়ত পরিশুদ্ধ হত।
মুহিউদ্দীন খান
আপনি কি জানেন, সে হয়তো পরিশুদ্ধ হত,
সমকালীন বাংলা
আর কী তোমাকে জানাবে? সে হয়তো পরিশুদ্ধ হতো,
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি কি করে জানবে, হয়তো সে শুদ্ধতা অর্জন করতো?
বয়ান ফাউন্ডেশন
অথবা উপদেশ গ্রহণ করত, ফলে সে উপদেশ তার উপকারে আসত।
মুহিউদ্দীন খান
অথবা উপদেশ গ্রহণ করতো এবং উপদেশ তার উপকার হত।
সমকালীন বাংলা
অথবা উপদেশ গ্রহণ করত, ফলে উপদেশ তার উপকারে আসত,
আবদুস শহীদ নাসিম
কিংবা উপদেশ গ্রহণ করতো এবং সেই উপদেশ তার উপকার সাধন করতো?
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যে বেপরোয়া হয়েছে,
মুহিউদ্দীন খান
পরন্তু যে বেপরোয়া,
সমকালীন বাংলা
তুমি তার প্রতি মনোযোগ দাও,
আবদুস শহীদ নাসিম
অথচ যে নিজেকে ভাবে মুখাপেক্ষাহীন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তুমি তার প্রতি মনোযোগ দিচ্ছ।
মুহিউদ্দীন খান
আপনি তার চিন্তায় মশগুল।
সমকালীন বাংলা
তুমি তার প্রতি মনোযোগ দাও,
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি মনোযোগ আরোপ করছো তার প্রতি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অথচ সে পরিশুদ্ধ না হলে তোমার কোন দায়িত্ব বর্তাবে না।
মুহিউদ্দীন খান
সে শুদ্ধ না হলে আপনার কোন দোষ নেই।
সমকালীন বাংলা
অথচ সে পরিশুদ্ধ না হলে তোমার ওপর কোনো দায় নেই,
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমার কি আসে যায় যদি সে শুদ্ধতা অর্জন না করে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
পক্ষান্তরে যে তোমার কাছে ছুটে আসল,
মুহিউদ্দীন খান
যে আপনার কাছে দৌড়ে আসলো
সমকালীন বাংলা
আর যে তোমার কাছে ছুটে আসে,
আবদুস শহীদ নাসিম
কিন্তু যে ছুটে এসেছে তোমার কাছে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর সে ভয়ও করে,
মুহিউদ্দীন খান
এমতাবস্থায় যে, সে ভয় করে,
সমকালীন বাংলা
এবং সে ভীত থাকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং সে ( ও তাঁর শাস্তিকে) ভয় করে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
অথচ তুমি তার প্রতি উদাসীন হলে।
মুহিউদ্দীন খান
আপনি তাকে অবজ্ঞা করলেন।
সমকালীন বাংলা
তুমি তার থেকে উদাসীন হও!
আবদুস শহীদ নাসিম
তাকে তুমি অবজ্ঞা করলে এবং অন্যদের প্রতি মনোযোগী হলে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
কখনো নয়, নিশ্চয় এটা উপদেশ বাণী।
মুহিউদ্দীন খান
কখনও এরূপ করবেন না, এটা উপদেশবানী।
সমকালীন বাংলা
কখনোই নয়! নিশ্চয়ই এটি এক উপদেশ,
আবদুস শহীদ নাসিম
না (কখনো এমনটি করোনা); অবশ্যি এটি (এ কুরআন) একটি উপদেশ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
কাজেই যে ইচ্ছা করবে, সে তা স্মরণ রাখবে।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, যে ইচ্ছা করবে, সে একে গ্রহণ করবে।
সমকালীন বাংলা
সুতরাং যে ইচ্ছা করবে তা স্মরণ করুক
আবদুস শহীদ নাসিম
সুতরাং যার ইচ্ছে, সে এটি গ্রহণ করবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
এটা আছে সম্মানিত সহীফাসমূহে।* *অর্থাৎ লওহে মাহফুজে।
মুহিউদ্দীন খান
এটা লিখিত আছে সম্মানিত,
সমকালীন বাংলা
যা আছে সম্মানিত লিপিসমূহে;
আবদুস শহীদ নাসিম
(এটি সংরক্ষিত আছে) অতীব সম্মানিত সহীফা সমূহে (লওহে মাহফুযে)।
বয়ান ফাউন্ডেশন
সমুন্নত, পবিত্র,
মুহিউদ্দীন খান
উচ্চ পবিত্র পত্রসমূহে,
সমকালীন বাংলা
সুউন্নত, সুপবিত্র,
আবদুস শহীদ নাসিম
খুবই উঁচু মর্যাদা সম্পন্ন ও পবিত্র,
বয়ান ফাউন্ডেশন
লেখকদের হাতে,
মুহিউদ্দীন খান
লিপিকারের হস্তে,
সমকালীন বাংলা
লিপিকারদের হস্তলিখিত,
আবদুস শহীদ নাসিম
সেইসব লেখকদের (ফেরেশতাদের) হাতে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
যারা মহাসম্মানিত, অনুগত।
মুহিউদ্দীন খান
যারা মহৎ, পূত চরিত্র।
সমকালীন বাংলা
সম্মানিত ও সৎ,
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা সম্মানিত ও অনুগত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
মানুষ ধ্বংস হোক, সে কতইনা অকৃতজ্ঞ!
মুহিউদ্দীন খান
মানুষ ধ্বংস হোক, সে কত অকৃতজ্ঞ!
সমকালীন বাংলা
ধ্বংস হোক মানুষের; সে কত অকৃতজ্ঞ!
আবদুস শহীদ নাসিম
ধ্বংস হলো (অবিশ্বাসী) মানুষগুলো। কতো বড় অকৃতজ্ঞ তারা!
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনি তাকে কোন বস্তু থেকে সৃষ্টি করেছেন?
মুহিউদ্দীন খান
তিনি তাকে কি বস্তু থেকে সৃষ্টি করেছেন?
সমকালীন বাংলা
তিনি তাকে কী থেকে সৃষ্টি করেছেন?
আবদুস শহীদ নাসিম
কোন্ জিনিস থেকে তিনি সৃষ্টি করেছেন তাকে (মানুষকে)?
বয়ান ফাউন্ডেশন
শুক্র বিন্দু থেকে তিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তাকে সুগঠিত করেছেন।
মুহিউদ্দীন খান
শুক্র থেকে তাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাকে সুপরিমিত করেছেন।
সমকালীন বাংলা
শুক্রবিন্দুথেকে; তিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর পরিমিত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
এক বিন্দু নোতফা (শুক্র) থেকে, তিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন তারপর তাকে যথাযথভাবে গঠন করেছেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারপর তিনি তার পথ সহজ করে দিয়েছেন।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর তার পথ সহজ করেছেন,
সমকালীন বাংলা
অতঃপর তার জন্য পথ সহজ করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর তিনি সহজ করে দেন তার জীবন চলার পথ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারপর তিনি তাকে মৃত্যু দেন এবং তাকে কবরস্থ করেন।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর তার মৃত্যু ঘটান ও কবরস্থ করেন তাকে।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর তাকে মৃত্যু দেন এবং কবরস্থ করেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর তার মউত ঘটান এবং পৌঁছে দেন তাকে কবরে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারপর যখন তিনি ইচ্ছা করবেন, তাকে পুনর্জীবিত করবেন।
মুহিউদ্দীন খান
এরপর যখন ইচ্ছা করবেন তখন তাকে পুনরুজ্জীবিত করবেন।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর যখন তিনি ইচ্ছা করবেন, তাকে পুনরুত্থিত করবেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
অতপর যখন চাইবেন , তখন আবার উঠিয়ে আনবেন তাকে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
কখনো নয়, তিনি তাকে যে আদেশ দিয়েছিলেন, সে এখনো তা পূর্ণ করেনি।
মুহিউদ্দীন খান
সে কখনও কৃতজ্ঞ হয়নি, তিনি তাকে যা আদেশ করেছেন, সে তা পূর্ণ করেনি।
সমকালীন বাংলা
কখনোই নয়! তিনি যা নির্দেশ দিয়েছেন, মানুষ এখনো তা পূর্ণ করেনি,
আবদুস শহীদ নাসিম
না, সে পালন করেনি তিনি যে নির্দেশ তাকে দিয়েছেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
কাজেই মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক।
মুহিউদ্দীন খান
মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক,
সমকালীন বাংলা
অতএব মানুষ যেন তার খাদ্যের দিকে লক্ষ্য করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
তবে, মানুষ তার খাবারের জিনিসগুলোর প্রতি নজর বুলিয়ে দেখুক (কে সৃষ্টি করেছে সেগুলো)।
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় আমি প্রচুর পরিমাণে পানি বর্ষণ করি।
মুহিউদ্দীন খান
আমি আশ্চর্য উপায়ে পানি বর্ষণ করেছি,
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই আমরা প্রচুর পরিমাণে পানি বর্ষণ করেছি,
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরাই তো বর্ষণ করি প্রচুর পানি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারপর যমীনকে যথাযথভাবে বিদীর্ণ করি।
মুহিউদ্দীন খান
এরপর আমি ভূমিকে বিদীর্ণ করেছি,
সমকালীন বাংলা
অতঃপর পৃথিবীকে বিদীর্ণ করেছি,
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর শক্ত হয়ে এঁটে থাকা জমিনকে আমরা ফেঁড়ে দেই।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর তাতে আমি উৎপন্ন করি শস্য,
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর তাতে উৎপন্ন করেছি শস্য,
সমকালীন বাংলা
অতঃপর তাতে শস্য উৎপন্ন করেছি,
আবদুস শহীদ নাসিম
আর তাতে উৎপাদনের ব্যবস্থা করি শস্য,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আঙ্গুর ও শাক-সবজি,
মুহিউদ্দীন খান
আঙ্গুর, শাক - সব্জি,
সমকালীন বাংলা
এবং আঙুর ও শাকসবজি,
আবদুস শহীদ নাসিম
আংগুর, শাক - শবজি,
বয়ান ফাউন্ডেশন
যায়তূন ও খেজুর বন,
মুহিউদ্দীন খান
যয়তুন, খর্জূর,
সমকালীন বাংলা
এবং জলপাই ও খেজুর,
আবদুস শহীদ নাসিম
যয়তুন, খেজুর,
বয়ান ফাউন্ডেশন
ঘনবৃক্ষ শোভিত বাগ-বাগিচা,
মুহিউদ্দীন খান
ঘন উদ্যান,
সমকালীন বাংলা
এবং ঘন উদ্যানসমূহ,
আবদুস শহীদ নাসিম
বিপুল বৃক্ষ - রাজির নিবিড় বন,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর ফল ও তৃণগুল্ম।
মুহিউদ্দীন খান
ফল এবং ঘাস
সমকালীন বাংলা
এবং ফলমূল ও চারণভূমি,
আবদুস শহীদ নাসিম
ফল - ফলারি এবং সেইসাথে অনেক ঘাস।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদেরও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপাকারার্থে।
সমকালীন বাংলা
তোমাদের ও তোমাদের গবাদিপশুর জীবনধারণের সামগ্রী।
আবদুস শহীদ নাসিম
(এভাবে আমিই ব্যবস্থা করি) তোমাদের ও তোমাদের গবাদি পশুর জীবন ধারণের সামগ্রী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর যখন বিকট আওয়াজ* আসবে, *কিয়ামত দিবসের আওয়ায।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর যেদিন কর্ণবিদারক নাদ আসবে,
সমকালীন বাংলা
অতঃপর যখন কান-ফাটানো আওয়াজ আসবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
অতপর যেদিন মহাধ্বনি (শিংগার দ্বিতীয় ফুৎকার) উচ্চারিত হবে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে,
মুহিউদ্দীন খান
সেদিন পলায়ন করবে মানুষ তার ভ্রাতার কাছ থেকে,
সমকালীন বাংলা
সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
সেদিন মানুষ পালাবে তার ভাই থেকে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তার মা ও তার বাবা থেকে,
মুহিউদ্দীন খান
তার মাতা, তার পিতা,
সমকালীন বাংলা
এবং তার মা ও বাবা থেকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
তার মা থেকে এবং বাপ থেকে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তার স্ত্রী ও তার সন্তান-সন্ততি থেকে।
মুহিউদ্দীন খান
তার পত্নী ও তার সন্তানদের কাছ থেকে।
সমকালীন বাংলা
এবং তার স্ত্রী ও সন্তানদের থেকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
তার স্ত্রী ও সন্তানদের থেকে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেদিন তাদের প্রত্যেকেরই একটি গুরুতর অবস্থা থাকবে, যা তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে।
মুহিউদ্দীন খান
সেদিন প্রত্যেকেরই নিজের এক চিন্তা থাকবে, যা তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে।
সমকালীন বাংলা
সেদিন তাদের প্রত্যেকের এমন অবস্থা থাকবে, যা তাকে ব্যস্ত রাখবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
সে দিনটি হবে এতোই ভয়াবহ যে, সেদিন কেউই নিজের ছাড়া অন্য কারো ব্যাপারে ভাববারই চিন্তা করবেনা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেদিন কিছু কিছু চেহারা উজ্জ্বল হবে।
মুহিউদ্দীন খান
অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে উজ্জ্বল,
সমকালীন বাংলা
সেদিন কিছু মুখমণ্ডল হবে উজ্জ্বল,
আবদুস শহীদ নাসিম
সেদিন অনেক লোকের চেহারা হবে উজ্জ্বল,
বয়ান ফাউন্ডেশন
সহাস্য, প্রফুল্ল।
মুহিউদ্দীন খান
সহাস্য ও প্রফুল্ল।
সমকালীন বাংলা
হাস্যোজ্জ্বল ও আনন্দিত,
আবদুস শহীদ নাসিম
হাসি খুশি আর শুভ সংবাদে আনন্দ মুখর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর কিছু কিছু চেহারার উপর সেদিন থাকবে মলিনতা।
মুহিউদ্দীন খান
এবং অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে ধুলি ধূসরিত।
সমকালীন বাংলা
আর সেদিন কিছু মুখমণ্ডলের ওপর থাকবে ধূলি,
আবদুস শহীদ নাসিম
আবার অনেক চেহারাই হবে সেদিন ধূলো - মলিন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
কালিমা সেগুলোকে আচ্ছন্ন করবে।
মুহিউদ্দীন খান
তাদেরকে কালিমা আচ্ছন্ন করে রাখবে।
সমকালীন বাংলা
কালিমা তাদের আচ্ছন্ন করবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
সেই চেহারাগুলোকে আচ্ছন্ন করবে কালিমা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারাই , পাপাচারী।
মুহিউদ্দীন খান
তারাই পাপিষ্ঠের দল।
সমকালীন বাংলা
তারাই অবিশ্বাসী, পাপাচারী।
Note
আবদুস শহীদ নাসিম
কারণ, তারা (হবে) অবিশ্বাসী - অমান্যকারী - এবং পাপিষ্ঠ - দূরাচারী।