Kitab

আল আনকাবুত (মাকড়সা)

Chapter 29, 69 verses

  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
বয়ান ফাউন্ডেশন

আলিফ-লাম-মীম।

জহুরুল হক

আলিফ, লাম, মীম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আলিফ - লাম - মীম;

আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ লাম মিম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মানুষ কি মনে করে যে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’ বললেই তাদের ছেড়ে দেয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবে না?

জহুরুল হক

লোকেরা কি মনে করে যে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে যদি তারা বলে - - ''আমরা ঈমান এনেছি’’, আর তাদের পরীক্ষা করা হবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষ কি মনে করে যে, ‘আমরা ঈমান আনিয়াছি’ এই কথা বলিলেই উহাদেরকে পরীক্ষা না করিয়া অব্যাহতি দেওয়া হইবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষ কি ধারণা করে নিয়েছে যে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’ একথা বললেই তাদের ছেড়ে দেয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবেনা?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো তাদের পূর্ববর্তীদের পরীক্ষা করেছি। ফলে অবশ্যই জেনে নেবেন, কারা সত্য বলে এবং অবশ্যই তিনি জেনে নেবেন, কারা মিথ্যাবাদী।

জহুরুল হক

আর এদের পূর্বে যারা ছিল তাদের আমরা ইতিপূর্বে অবশ্যই পরীক্ষা করেছিলাম, এইভাবেই জানতে পারেন তাদের যারা সত্যপরায়ণতা অবলন্বন করে, আর জানতে পারেন মিথ্যাচারীদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো ইহাদের পূর্ববর্তীদেরকেও পরীক্ষা করিয়াছিলাম ; ‌ অবশ্যই প্রকাশ করিয়া দিবেন কাহারা সত্যবাদী এবং তিনি অবশ্যই প্রকাশ করিয়া দিবেন কাহারা মিথ্যাবাদী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের আগেকার লোকদেরও পরীক্ষা করেছি। অবশ্য অবশ্যি (পরীক্ষার মাধ্যমে বাস্তবে) জেনে নেবেন তাদেরকে, যারা (ঈমানের দাবিতে) সত্যবাদী, এবং জেনে নেবেন তাদেরকে, যারা (ঈমানের দাবিতে) মিথ্যাবাদী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নাকি যারা পাপ কাজ করে তারা মনে করে যে, তারা আমাকে রেখে সামনে চলে যাবে? কতইনা নিকৃষ্ট, যা তারা ফয়সালা করে!

জহুরুল হক

আথবা, যারা পাপাচার করে তারা কি ভাবে যে তারা আমাদের এড়িয়ে যেতে পারবে? তারা যা সিদ্ধান্ত করে তা কত মন্দ!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি যাহারা মন্দ কর্ম করে তাহারা মনে করে যে, তাহারা আমার আয়ত্তের বাহিরে চলিয়া যাইবে? তাহাদের সিদ্ধান্ত কত মন্দ!

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা মন্দ কর্মে লিপ্ত তারা কি ধারণা করেছে যে, তারা আমাদের অতিক্রম করে চলে যাবে? তাদের সিদ্ধান্ত কতো যে নিকৃষ্ট!

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে আল্লাহর সাক্ষাৎ কামনা করে (সে জেনে রাখুক) অতঃপর নিশ্চয় আল্লাহর নির্ধারিত কাল আসবে। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

জহুরুল হক

যারাই ‌র সঙ্গে মোলাকাতের কামনা করে ‌র নির্ধারিত কাল তবে নিশ্চয়ই আগতপ্রায়। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ‌র সাক্ষাৎ কামনা করে সে জানিয়া রাখুক, ‌র নির্ধারিত কাল আসিবেই। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাত কামনা করে, (সে জেনে রাখুক) সাক্ষাতের সেই নির্ধারিত সময়টি অবশ্যি আসবে। তিনি সবকিছু শুনেন, সবকিছু জানেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে চেষ্টা করে সে তো তার নাফ্সের জন্য চেষ্টা করে। নিশ্চয় সৃষ্টিকুল থেকে প্রয়োজনমুক্ত।

জহুরুল হক

আর যে কেউ জিহাদ করে, সে তাহলে নিশ্চয়ই সংগ্রাম করে তার নিজেরই জন্যে। নিঃসন্দেহ বিশ্বজগতের উপরে অনন্য - নির্ভর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে কেহ সাধনা করে, সে তো নিজের জন্যই সাধনা করে ; তো বিশ্বজগৎ হইতে অমুখাপেক্ষী।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে জিহাদ করে, সে তো নিজের জন্যেই জিহাদ করে। জগতবাসী থেকে মুখাপেক্ষাহীন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, অবশ্যই আমি তাদের থেকে তাদের পাপসমূহ দূর করে দেব এবং আমি অবশ্যই তাদের সেই উত্তম আমলের প্রতিদান দেব, যা তারা করত।

জহুরুল হক

আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আমরা তাদের থেকে তাদের দোষত্রুটিগুলো অবশ্যই দূর করে দেব, আর তারা যা করত সেজন্য উত্তমভাবে আমরা অবশ্যই তাদের প্রতিদান দেব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আমি নিশ্চয়ই তাহাদের হইতে তাহাদের মন্দ কর্মগুলি মিটাইয়া দিব এবং আমি অবশ্যই তাহাদেরকে প্রতিদান দিব, তাহারা যে উত্তম কর্ম করিত তাহার।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ করেছে, আমরা অবশ্যি তাদের থেকে মুছে দেবো তাদের সব মন্দকর্ম এবং তাদের প্রতিদান দেবো তাদের সর্বোত্তম আমলের ভিত্তিতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি মানুষকে নির্দেশ দিয়েছি তার পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ করতে। তবে যদি তারা তোমার উপর প্রচেষ্টা চালায় আমার সাথে এমন কিছুকে শরীক করতে যার সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তাহলে তুমি তাদের আনুগত্য করবে না। আমার দিকেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর তোমরা যা করতে আ

জহুরুল হক

আর আমরা মানুষকে তার পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু তারা যদি তোমার সঙ্গে জেদ করে যেন তুমি আমার সাথে এমন কিছু শরিক কর যার সন্বন্ধে তোমার কাছে কোনো জ্ঞান নেই, তাহলে তুমি তাদের আজ্ঞাপালন করো না। আমারই কাছে তোমাদের প্রত্যাবর্তন, তখন আমি তোমাদের জানিয়ে দেব যা কিছু তোমরা করছিলে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি মানুষকে নির্দেশ দিয়াছি তাহার পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করিতে। তবে উহারা যদি তোমার উপর বল প্রয়োগ করে আমার সঙ্গে এমন কিছু শরীক করিতে যাহার সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নাই, তুমি তাহাদেরকে মানিও না। আমারই নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আমি তোমাদেরকে জানাইয়া দিব তোমরা কী করিতেছিলে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অসিয়ত (নির্দেশ) করেছি মানুষকে তার পিতা - মাতার সাথে সর্বোত্তম আচরণ করতে এবং (একথাও বলে দিয়েছি) তারা যদি আল্লাহর সাথে এমন কিছু বা কাউকেও শরিক করতে তোমার উপর চাপ প্রয়োগ করে, যার আল্লাহর শরিক হবার ব্যাপারে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তবে (সেক্ষেত্রে) তুমি তাদের আনুগত্য করোনা। কারণ আমার কাছেই তোমাদের ফিরে আসতে হবে, তখন আমি তোমাদের সংবাদ দেবো তোমরা কী আমল করেছিলে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করব।

জহুরুল হক

বস্তুতঃ যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে আমরা নিশ্চয়ই তাদের প্রবেশ করাব সৎকর্মীদের মধ্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আমি অবশ্যই তাহাদেরকে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করিব।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ করে, আমরা অবশ্যি তাদের অন্তরভুক্ত করবো পুণ্যবানদের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কিছু লোক আছে যারা বলে, ‘আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি’, অতঃপর যখন আল্লাহর ব্যাপারে তাদের কষ্ট দেয়া হয়, তখন তারা মানুষের নিপীড়নকে আল্লাহর আযাবের মত গণ্য করে। আর যদি তোমার রবের পক্ষ থেকে কোন বিজয় আসে, তখন অবশ্যই তারা বলে, ‘নিশ্চয় আমরা তোমাদের সাথে ছিলাম’

জহুরুল হক

আর লোকেদের মধ্যে এমনও রয়েছে যে বলে - - ''আমরা ‌তে ঈমান এনেছি’’, কিন্তু যখন তাকে ‌র পথে কষ্ট দেওয়া হয় তখন সে লোকদের উৎপীড়নকে ‌র শাস্তি বলে জ্ঞান করে। আর যদি তোমার প্রভুর নিকট থেকে কোনো সাহায্য আসে তবে তারা অবশ্যই বলবে - - ''আমরা নিঃসন্দেহ তোমাদের সাথে ছিলাম।’’ এ কি নয় যে ‌ই ভাল জানেন যা কিছু বিশ্ববাসীর হৃদয়ে রয়েছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের মধ্যে কতক বলে, ‘আমরা আল্লাহে বিশ্বাস করি, কিন্তু ‌র পথে যখন উহারা নিগৃহীত হয়, তখন উহারা মানুষের পীড়নকে ‌র শাস্তির মত গণ্য করে এবং তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে কোন সাহায্য আসিলে উহারা বলিতে থাকে, ‘আমরা তো তোমাদের তো তোমাদের সঙ্গেই ছিলাম।’ বিশ্ববাসীর অন্তঃকরণে যাহা আছে, ‌ কি তাহা সম্যক অবগত নহেন ?’

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষের মধ্যে কিছু লোক বলে: ‘আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি।’ কিন্তু আল্লাহর কাজ করার কারণে তাদেরকে যখন কষ্ট দেয়া হয়, তখন মানুষের ফিতনাকে (নির্যাতনকে) তারা আল্লাহর আযাবের মতো গণ্য করে। তবে যখনই তোমার প্রভুর সাহায্য আসবে, তখনই তারা বলবে: ‘আমরা তো আপনাদের সাথেই ছিলাম।’ নিজের সৃষ্টি জগতের অন্তরে কী আছে তা কি অবগত নন?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই জানেন, কারা ঈমান এনেছে এবং তিনি মুনাফিকদেরকেও জানেন।

জহুরুল হক

আর অবশ্যই জানিয়ে দেবেন তাদের যারা ঈমান এনেছে, আর জানিয়ে দেবেন মুনাফিকদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ অবশ্যই প্রকাশ করিয়া দিবেন কাহারা ঈমান আনিয়াছে এবং অবশ্যই প্রকাশ করিয়া দিবেন কাহারা মুনাফিক।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি প্রকাশ করবেন তাদেরকে যারা ঈমান এনেছে এবং অবশ্যি প্রকাশ করবেন মুনাফিকদের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কাফিররা মুমিনদেরকে বলে, ‘তোমরা আমাদের পথ অনুসরণ কর এবং যেন আমরা তোমাদের পাপ বহন করি।’ অথচ তারা তাদের পাপের কিছুই বহন করবে না। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস করে তারা যারা বিশ্বাস করেছে তাদের বলে - - ''আমাদের পথ অনুসরণ কর, তাহলে আমরা তোমাদের পাপ বহন করব।’’ বস্তুত তারা তো ওদের পাপের থেকে কিছুরই ভারবাহক হবে না। নিঃসন্দেহ তারাই তো মিথ্যাবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিররা মু’মিনদেরকে বলে, ‘আমাদের পথ অনুসরণ কর তাহা হইলে আমরা তোমাদের পাপভার বহন করিব।’ কিন্তু উহারা তো তাহাদের পাপভারের কিছুই বহন করিবে না। উহারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা ঈমানদারদের বলে: ‘তোমরা আমাদের পথ অনুসরণ করো, আমরা তোমাদের পাপ বহন করবো।’ অথচ তারা তাদের পাপ কিছুমাত্র বহন করবেনা। তারা অবশ্যি মিথ্যাবাদী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই তারা বহন করবে তাদের বোঝা এবং তাদের বোঝার সাথে আরো কিছু বোঝা। আর তারা কিয়ামতের দিন অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে সে সম্পর্কে, যা তারা মিথ্যা বানাত।

জহুরুল হক

আর তারা তাদের বোঝা অবশ্যই বইবে, আর তাদের বোঝার সঙ্গে অন্য বোঝাও। আর কিয়ামতের দিনে তাদের অবশ্যই প্রশ্ন করা হবে যা তারা উাবন করেছিল সে - সন্বন্ধে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা নিজেদের ভার বহন করিবে এবং নিজেদের বোঝার সঙ্গে আরও কিছু বোঝা ; আর উহারা যে মিথ্যা উদ্ভাবন করে সে সম্পর্কে কিয়ামত দিবসে অবশ্যই উহাদেরকে প্রশ্ন করা হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা নিজেদের বোঝা (loads) তো বহন করবেই, সেই সাথে বহন করবে আরো (loads) বোঝা। কিয়ামতের দিন তাদের (এসব) মিথ্যা রচনার ব্যাপারে অবশ্যি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি অবশ্যই নূহকে তার কওমের নিকট প্রেরণ করেছিলাম। সে তাদের মধ্যে পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর অবস্থান করেছিল। অতঃপর মহা-প্লাবন তাদের গ্রাস করল, এমতাবস্থায় যে তারা ছিল যালিম।

জহুরুল হক

আর ইতিপূর্বে আমরা অবশ্যই নূহ্‌কে পাঠিয়েছিলাম তাঁর লোকদের কাছে, তিনি তখন তাদের মধ্যে অবস্থান করেছিলেন পঞ্চাশ বছর কম এক হাজার বৎসর। তখন মহাপ্লাবন তাদের পাকড়াও করল, যেহেতু তারা ছিল অত্যাচারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো নূহ্‌কে তাহার সম্প্রদায়ের নিকট প্রেরণ করিয়াছিলাম। সে উহাদের মধ্যে অবস্থান করিয়াছিল পঞ্চাশ কম হাজার বৎসর। অতঃপর প্লাবন উহাদেরকে গ্রাস করে ; কারণ উহারা ছিল সীমালংঘনকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার কওমের কাছে। সে তাদের মধ্যে অবস্থান করেছিল পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর। অবশেষে তাদের পাকড়াও করে তুফান (প্লাবন), কারণ তারা ছিলো যালিম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাকে ও নৌকা আরোহীদেরকে আমি রক্ষা করলাম, আর এটাকে করলাম সৃষ্টিকুলের জন্য একটি নিদর্শন।

জহুরুল হক

তখন আমরা তাঁকে ও জাহাজের আরোহীদের উদ্ধার করেছিলাম, আর একে আমরা বিশ্ববাসীর জন্য একটি নিদর্শন বানিয়েছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাহাকে এবং যাহারা তরণীতে আরোহণ করিয়াছিল তাহাদেরকে রক্ষা করিলাম এবং বিশ্বজগতের জন্য ইহাকে করিলাম একটি নিদর্শন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাকে (নূহকে) এবং নৌযানে আরোহীদেরকে আর এ ঘটনাকে করে দিয়েছি জগতবাসীর জন্যে একটি নিদর্শন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর (স্মরণ কর) ইবরাহীমকে, যখন সে তার কওমকে বলেছিল, ‘তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর এবং তাঁর তাকওয়া অবলম্বন কর; এটি তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জান’।

জহুরুল হক

আর ইব্রাহীমকে, - - স্মরণ করো! তিনি তাঁর লোকদের বলেছিলেন - - ''‌র এবাদত কর ও তাঁকে ভয়ভক্তি কর, এটিই তোমাদের জন্য শ্রেয়, যদি তোমরা জানতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর ইব্‌রাহীমের কথা, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, তোমরা ‌র ‘ইবাদত কর এবং তাঁহাকে ভয় কর ; তোমাদের জন্য ইহাই শ্রেয় যদি তোমরা জানিতে !

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো ইবরাহিমের কথা, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁকে ভয় করো, এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যদি তোমরা জ্ঞান রাখো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তো আল্লাহকে বাদ দিয়ে মূর্তিগুলোর পূজা করছ এবং মিথ্যা বানাচ্ছ। নিশ্চয় তোমরা ছাড়া যাদের উপাসনা কর তারা তোমাদের জন্য রিয্ক-এর মালিক নয়। তাই আল্লাহর কাছে রিয্ক তালাশ কর, তাঁর ইবাদাত কর এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। তাঁরই কাছে তোমরা প্রত্যাব

জহুরুল হক

''‌কে বাদ দিয়ে তোমরা তো শুধু প্রতিমাদের পূজা করছ, আর তোমরা একটি মিথ্যা উদ্ভাবন করেছ। নিঃসন্দেহ তোমরা ‌কে বাদ দিয়ে যাদের আরাধনা করছ তারা তোমাদের জন্য জীবিকার উপরে কোনো কর্তৃত্ব রাখে না, কাজেই ‌র কাছে জীবিকা অণ্বেষণ কর ও তাঁরই উপাসনা কর, আর তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন কর, তাঁর কাছেই তো তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তো ‌ ব্যতীত কেবল মূর্তিপূজা করিতেছ এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করিতেছ। তোমরা ‌ ব্যতীত যাহাদের পূজা কর তাহারা তোমাদের জীবনোপকরণের মালিক নয়। সুতরাং তোমরা জীবনোপকরণ কামনা কর ‌র নিকট এবং তাঁহার ‘ইবাদত কর ও তাঁহার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। তোমরা তাঁহারই নিকট প্রত্যাবর্তিত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে উপাসনা করছো মূর্তি - ভাস্কর্যের, আর রচনা করছো মিথ্যা। তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইবাদত করছো, তারা তোমাদের রিযিক দেয়ার মালিক নয়। সুতরাং তোমরা রিযিক চাও আল্লাহর কাছে, এবং তাঁরই ইবাদত করো আর তাঁরই প্রতি শোকরিয়া আদায় করো। কারণ, তাঁর কাছেই তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা যদি মিথ্যারোপ কর, তবে তোমাদের পূর্বে অনেক জাতি মিথ্যারোপ করেছিল। আর রাসূলের উপর দায়িত্ব তো কেবল সুস্পষ্টভাবে পৌঁছানো।

জহুরুল হক

''আর যদি তোমরা প্রত্যাখ্যান কর তবে তোমাদের পূর্বযুগের সম্প্রদায়গুলোও প্রত্যাখ্যান করেছিল। আর রসূলের উপরে পরিস্কারভাবে পৌঁছে দেওয়া ছাড়া আর কিছু নয়।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা যদি অস্বীকার কর তবে তো তোমাদের পূর্ববর্তীরাও মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল।সুস্পষ্টভাবে প্রচার করিয়া দেওয়া ব্যতীত রাসূলের আর কোন দায়িত্ব নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যদি (রসূলকে) প্রত্যাখ্যান করো, তবে তোমাদের আগেও বহু জাতি প্রত্যাখ্যান করেছিল। স্পষ্টভাবে বার্তা পৌঁছে দেয়া ছাড়া রসূলের আর কোনো দায়িত্ব নেই।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি দেখে না, কিভাবে সৃষ্টির সূচনা করেন? তারপর তিনি তার পুনরাবৃত্তি করবেন। নিশ্চয় এটি আল্লাহর জন্য সহজ।

জহুরুল হক

তারা কি তবে দেখে নি কেমন ক’রে সৃষ্টি শুরু করেন, তারপর তা পুনরুৎপাদন করেন। নিঃসন্দেহ এ ‌র কাছে সহজসাধ্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি লক্ষ্য করে না, কিভাবে ‌ সৃষ্টিকে অস্তিত্ব দান করেন, অতঃপর উহা পুনরায় সৃষ্টি করেন ? এটা ‌র জন্য সহজ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি চিন্তা করে দেখেনা, কিভাবে সৃষ্টিকে অস্তিত্ব দান করেন, তারপর পুনরায় সৃষ্টি করেন? একাজ আল্লাহর জন্যে একেবারেই সহজ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা যমীনে ভ্রমণ কর, অতঃপর দেখ’ কীভাবে তিনি সৃষ্টির সূচনা করেছিলেন, তারপর আল্লাহই আরেকবার সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয় সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

জহুরুল হক

বলো - - ''পৃথিবীতে তোমরা ভ্রমণ কর আর দেখ কিভাবে তিনি সৃষ্টি শুরু করেছিলেন, তারপর পরবর্তী সৃষ্টিকে সৃজন করেন।’’ নিশ্চয় সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ কর এবং অনুধাবন কর, কিভাবে তিনি সৃষ্টি আরম্ভ করিয়াছেন! অতঃপর ‌ সৃষ্টি করিবেন পরবর্তী সৃষ্টি। ‌ তো সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘তোমরা জমিনে ভ্রমণ করে দেখো, কী প্রক্রিয়ায় সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর সৃষ্টি করেন পরবর্তী সৃষ্টি? নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি যাকে ইচ্ছা আযাব দেবেন এবং যাকে ইচ্ছা দয়া করবেন, আর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে।

জহুরুল হক

তিনি শাস্তি দেন যাকে তিনি ইচ্ছা করেন এবং করুণা করেন যাকে তিনি ইচ্ছা করেন, আর তাঁর দিকেই তো তোমাদের ফেরানো হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি যাহাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন এবং যাহার প্রতি ইচ্ছা অনুগ্রহ করেন। তোমরা তাঁহারই নিকট প্রত্যাবর্তিত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি যাকে ইচ্ছা করেন আযাব দেন এবং যাকে ইচ্ছা করেন রহম করেন এবং তাঁর কাছেই হবে তোমাদের প্রত্যাবর্তন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা (আল্লাহকে) ব্যর্থ করতে পারবেনা পৃথিবীতে অথবা আকাশে এবং ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক নেই, সাহায্যকারীও নেই।

জহুরুল হক

আর তোমরা এড়িয়ে যাবার লোক হবে না এই পৃথিবীতে আর মহাকাশেও নয়, আর ‌কে বাদ দিয়ে তোমাদের জন্য কোনো অভিভাবক নেই এবং সাহায্যকারীও নেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা ‌কে ব্যর্থ করিতে পারিবে না পৃথিবীতে, আর না আকাশে এবং ‌ ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক নাই, সাহায্যকারীও নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা পৃথিবীতেও পালাতে পারবেনা, আসমানেও নয়। আর ছাড়া তোমাদের কোনো অলিও নেই, সাহায্যকারীও নেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা আল্লাহর আয়াতসমূহ ও তাঁর সাক্ষাত অস্বীকার করে তারা আমার রহমত থেকে হতাশ হবে এবং তাদের জন্যই রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

জহুরুল হক

আর যারা ‌র নির্দেশাবলী ও তাঁর সঙ্গে মোলাকাত হওয়া অস্বীকার করে তারা আমার করুণা থেকে নিরাশ হয়েছে, আর তারা - - তাদেরই জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌র নিদর্শন ও তাঁহার সাক্ষাৎ অস্বীকার করে, তাহারাই আমার অনুগ্রহ হইতে নিরাশ হয়। আর তাহাদের জন্য আছে মর্মন্তুদ শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আল্লাহর আয়াতকে এবং তাঁর সাথে সাক্ষাত হওয়াকে অস্বীকার করে, তারাই হয় আমার রহমত থেকে নিরাশ, আর তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর ইবরাহীমের কওমের জবাব ছিল কেবল এই যে, তারা বলল, ‘ওকে হত্যা কর অথবা জ্বালিয়ে দাও।’ অতঃপর আগুন থেকে তাকে রক্ষা করলেন; নিশ্চয় এতে বহু নিদর্শন রয়েছে, যারা ঈমান আনে, সেই কওমের জন্য।

জহুরুল হক

সেজন্য তাঁর লোকদের জবাব এ ভিন্ন আর কিছু ছিল না যে তারা বলল - - ''তাকে কাতল কর অথবা তাকে পুড়িয়ে ফেল।’’ কিন্তু তাঁকে উদ্ধার করলেন আগুন থেকে। নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে সেই লোকদের জন্য যারা বিশ্বাস করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উত্তরে ইব্‌রাহীমের সম্প্রদায় শুধু এই বলিল, ‘ইহাকে হত্যা কর অথবা অগ্নিদগ্ধ কর।’ কিন্তু ‌ তাহাকে অগ্নি হইতে রক্ষা করিলেন। ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে সম্প্রদায়ের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার (ইবরাহিমের) কওমের জওয়াব একটাই ছিলো, তারা বলেছিল: ‘তাকে (ইবরাহিমকে) হত্যা করো অথবা আগুনে পোড়াও।’ কিন্তু তাকে আগুনে দগ্ধ হওয়া থেকে রক্ষা করেন। এতে রয়েছে নিদর্শন লোকদের জন্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ইবরাহীম বলল, ‘দুনিয়ার জীবনে তোমাদের মধ্যে মিল-মহব্বতের জন্যই তো তোমরা ছাড়া মূর্তিদেরকে গ্রহণ করেছ। তারপর কিয়ামতের দিন তোমরা একে অপরকে অস্বীকার করবে এবং পরস্পর পরস্পরকে লা‘নত করবে, আর তোমাদের নিবাস জাহান্নাম এবং তোমাদের জন্য থাকবে না কোন সাহায্যক

জহুরুল হক

আর তিনি বলেছিলেন - - ''তোমরা তো ‌কে ছেড়ে দিয়ে প্রতিমা - গুলোকে গ্রহণ করে, তোমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব এই দুনিয়ার জীবনেই, তারপর কিয়ামতের দিনে তোমাদের একপক্ষ অপর পক্ষকে অস্বীকার করবে এবং তোমাদের একে অপরকে অভিশাপ দেবে, আর তোমাদের আবাস হবে আগুন, আর তোমাদের জন্য সাহায্যকারীদের কেউ থাকবে না।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইব্‌রাহীম বলিল, ‘তোমরা তো ‌র পরিবর্তে মূর্তিগুলিকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করিয়াছ, পার্থিব জীবনে তোমাদের পারস্পরিক বন্ধুত্বের খাতিরে। পরে কিয়ামতের দিন তোমরা একে অপরকে অস্বীকার করিবে এবং পরস্পর পরস্পরকে অভিসম্পাত দিবে। তোমাদের আবাস হইবে জাহান্নাম এবং তোমাদের কোন সাহায্যকারী থাকিবে না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

ইবরাহিম বলেছিল: ‘তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে ভাস্কর্যদের উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করেছো দুনিয়ার জীবনে তোমাদের পারস্পারিক বন্ধুত্বের খাতিরে। কিন্তু কিয়ামতের দিন এই তোমরাই পরস্পরকে অস্বীকার করবে এবং পরস্পরকে লা’নত দেবে। তোমাদের আবাস হবে জাহান্নাম এবং তোমাদের কোনো সাহায্যকারী হবেনা।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর লূত তার উপর বিশ্বাস স্থাপন করল। আর ইবরাহীম বলল, ‘আমি আমার রবের দিকে হিজরত করছি। নিশ্চয় তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়’।

জহুরুল হক

অতএব লূত তাঁর প্রতি বিশ্বাস করেছিলেন। আর তিনি বলেছিলেন - - ''আমি তো আমার প্রভুর উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ করছি। নিঃসন্দেহ তিনি স্বয়ং মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূত তাহার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করিল। ইব্‌রাহীম বলিল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করিতেছি। তিনি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন লুত তার প্রতি ঈমান আনে। ইবরাহিম বলেছিল: ‘আমি আমার প্রভুর উদ্দেশ্যে হিজরত করছি, নিশ্চয়ই তিনি মহাশক্তিধর, প্রজ্ঞাবান।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও ‘ইয়া‘কূবকে এবং তার বংশে নবুওয়াত ও কিতাব দিলাম। আর দুনিয়াতে তাকে তার প্রতিদান দিলাম এবং নিশ্চয় সে আখিরাতে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে দিয়েছিলাম ইসহাক ও ইয়াকুবকে, আর তাঁর বংশধরদের মধ্যে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছিলাম নবুওৎ ও ধর্মগ্রন্থ, আর আমরা তাঁর পুরস্কার দুনিয়াতেই তাঁকে প্রদান করেছিলাম, আর পরকালে তিনি আলবৎ হবেন সৎকর্মীদেরই অন্তর্ভুক্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইব্‌রাহীমকে দান করিলাম ইসহাক ও ইয়া‘কূব এবং তাহার বংশধরদের জন্য স্থির করিলাম নবুওয়াত ও কিতাব এবং আমি তাহাকে দুনিয়ায় পুরস্কৃত করিয়াছিলাম ; আখিরাতেও সে নিশ্চয়ই সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে দান করেছিলাম (পুত্র) ইসহাক এবং (নাতি) ইয়াকুবকে। আমরা তার বংশধরদের মধ্যে দিয়েছি নবুয়্যত আর কিতাব। এছাড়া আমরা তাকে তার পুরস্কার দান করেছি দুনিয়ায়, আর আখিরাতে। অবশ্যি সে অন্তরভুক্ত হবে পুণ্যবানদের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর (স্মরণ কর) লূত এর কথা, যখন সে তার কওমের লোকদেরকে বলেছিল, ‘নিশ্চয় তোমরা এমন অশ্লীল কাজ কর, যা সৃষ্টিকুলের কেউ তোমাদের আগে করেনি’।

জহুরুল হক

আর লূতকে। স্মরণ করো! তিনি তাঁর লোকদের বলেছিলেন - - ''নিঃসন্দেহ তোমরা তো অশ্লীল আচরণে আকৃষ্ট হয়েছ যা বিশ্ববাসীর মধ্যে কেউই তোমাদের আগে করত না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর লূতের কথা, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা তো এমন অশ্লীল কর্ম করিতেছ, যাহা তোমাদের পূর্বে বিশ্বে কেহ করে নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো লুতের কথা, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘তোমরা এমন ফাহেশা কাজ করছো, যা তোমাদের আগে জগতের কেউ করেনি।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তো পুরুষের উপর উপগত হও এবং রাস্তায় ডাকাতি কর; আর নিজদের বৈঠকে গর্হিত কাজ কর!’ তার কওমের জবাব ছিল কেবল এই যে, তারা বলল, ‘তুমি আল্লাহর আযাব নিয়ে আস যদি তুমি সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হও’।

জহুরুল হক

কী! তোমরা তো নিশ্চয়ই পুরুষদের কাছে এসে থাক, রাজপথগুলো বিচ্ছিন্ন করে থাক, আর তোমাদের জনসভাসমূহে জঘন্য কাজ করে থাক।’’ কিন্তু তাঁর লোকদের উত্তর অন্য কিছু ছিল না এ ভিন্ন যে তারা বলেছিল - - ''আমাদের উপরে ‌র শাস্তি নিয়ে এস যদি তুমি সত্যবাদীদের মধ্যেকার হও।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরাই তো পুরুষে উপগত হইতেছ, তোমরাই তো রাহাজানি করিয়া থাক এবং তোমরাই তো নিজেদের মজলিসে প্রকাশ্যে ঘৃণ্য কর্ম করিয়া থাক।’ উত্তরে তাহার সম্প্রদায় শুধু এই বলিল, ‘আমাদের উপর ‌র শাস্তি আনয়ন কর - যদি তুমি সত্যবাদী হও।’

আবদুস শহীদ নাসিম

‘তোমরা কি পুরুষের সাথে যৌন মিলন করে যাবে? জনপথে ডাকাতি করে যাবে? আর জনসম্মুখে অসৎকাজ করতে থাকবে?’ এর জওয়াবে তার কওম একথাই বলেছিল: ‘তুমি যদি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তবে আমাদের প্রতি আল্লাহর আযাব এনে দেখাও।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘হে আমার রব, আমাকে সাহায্য করুন ফাসাদ সৃষ্টিকারী কওমের বিরুদ্ধে’।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আমার প্রভু! আমাকে ফেসাদ সৃষ্টিকারী লোকদের বিরুদ্ধে সাহায্য করো।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! বিপর্যয় সৃষ্টিকারী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন লুত বলেছিল: ‘হে আমার প্রভু! ফাসাদ সৃষ্টিকারী লোকদের বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমার ফেরেশতারা যখন ইবরাহীমের কাছে সুসংবাদ নিয়ে এসেছিল তখন তারা বলেছিল, ‘নিশ্চয় আমরা এ জনপদের অধিবাসীদেরকে ধ্বংস করব, নিশ্চয় এর অধিবাসীরা যালিম’।

জহুরুল হক

আর যখন আমাদের বাণীবাহকরা ইব্রাহীমের কাছে এসেছিল সুসংবাদ নিয়ে তখন তারা বলল - - ''আমরা এই শহরের বাসিন্দাদের নিশ্চয়ই ধ্বংস করতে যাচ্ছি, কেননা এর বাসিন্দারা অন্যায়াচারী হয়ে রয়েছে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন আমার প্রেরিত ফিরিশ্‌তাগণ সুসংবাদসহ ইব্‌রাহীমের নিকট আসিল, তাহারা বলিয়াছিল, ‘আমরা এই জনপদবাসীদেরকে ধ্বংস করিব, ইহার অধিবাসীরা তো ।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের দূতরা (ফেরেশতারা) যখন ইবরাহিমের কাছে এসেছিল সুসংবাদ নিয়ে, তখন তারা বলেছিল: ‘এই জনপদবাসীকে আমরা ধ্বংস করে দেবো, এর অধিবাসিরা যালিম।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইবরাহীম বলল, ‘নিশ্চয় সেখানে লূত আছে।’ তারা বলল, ‘আমরা ভালই জানি সেখানে কারা আছে, আমরা অবশ্যই তাকে ও তার পরিবারকে রক্ষা করব; তবে তার স্ত্রীকে নয়, সে হবে পিছনে পড়ে থাকা লোকদের একজন’।

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''এর মধ্যে তো লূতও রয়েছেন।’’ তারা বলল - - ''আমরা ভাল জানি কারা সেখানে রয়েছে। আমরা অবশ্যই তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে উদ্ধার করব - - তাঁর স্ত্রী ব্যতীত, সে হচ্ছে পেছনে - পড়েথাকাদের দলের।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইব্‌রাহীম বলিল, ‘এই জনপদে তো লূত রহিয়াছে।’ উহারা বলিল, ‘সেখানে কাহারা আছে, তাহা আমরা ভাল জানি, আমরা তো লূতকে ও তাহার পরিজনবর্গকে রক্ষা করিবই, তাহার স্ত্রীকে ব্যতীত ; সে তো পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

ইবরাহিম বললো: ‘সেখানে তো লুতও রয়েছে।’ তারা বললো: ‘সেখানে কারা আছে আমরা ভালো করেই জানি। আমরা লুতকে এবং তার পরিবার পরিজনকে রক্ষা করবো, তবে তার স্ত্রীকে নয়। সে পেছনে পড়াদের অন্তরভুক্ত হয়ে যাবে।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন আমার ফেরেশতারা লূতের কাছে আসল তখন তাদের জন্য সে চিন্তিত হয়ে পড়ল এবং তাদের রক্ষায় নিজেকে অক্ষম মনে করল; আর তারা বলল, ‘ভয় পাবেন না এবং চিন্তিত হবেন না; আপনাকে ও আপনার পরিবারকে আমরা রক্ষা করব; তবে আপনার স্ত্রীকে নয়, সে ধ্বংসপ্রাপ্তদের একজন হবে’।

জহুরুল হক

আর যখন আমাদের বাণীবাহকরা লূতের কাছে এসেছিল, তিনি তাদের জন্য দুঃখিত হয়েছিলেন এবং তাদের জন্য অসমর্থ মনে করলেন। কিন্তু তারা বলেছিল - - ''ভয় করো না আর দুঃখও করো না। আমরা আলবৎ তোমাকে উদ্ধার করব আর তোমার পরিজনবর্গকেও - - তোমার স্ত্রীকে ব্যতীত, সে হচ্ছে পেছনে পড়ে থাকাদের দলের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যখন আমার প্রেরিত ফিরিশতাগণ লূতের নিকট আসিল, তখন তাহাদের জন্য সে বিষণ্ন হইয়া পড়িল এবং নিজেকে তাহাদের রক্ষায় অসমর্থ মনে করিল। উহারা বলিল, ‘ভয় করিও না, দুঃখ করিও না ; আমরা তোমাকে ও তোমার পরিজনবর্গকে রক্ষা করিব, তোমার স্ত্রী ব্যতীত; সে তো পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত ;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের দূতরা যখন লুতের কাছে এসে পৌঁছালো, তাদের দেখে সে বিষণ্ণ হয়ে পড়লো এবং নিজেকে তাদের রক্ষায় অসমর্থ মনে করলো। তারা বললো: ‘‘আপনি ভয়ও পাবেননা, চিন্তিতও হবেননা। আমরা রক্ষা করবো আপনাকে এবং আপনার পরিবারবর্গকে আপনার স্ত্রীকে বাদে। আপনার স্ত্রী পেছনে পড়াদের অন্তরভুক্ত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমরা এ জনপদবাসীর উপর আসমান থেকে শাস্তি নাযিল করব। কারণ তারা পাপাচার করত।

জহুরুল হক

''আমরা নিশ্চয়ই এই জনপদের বাসিন্দাদের উপরে অবতীর্ণ করতে যাচ্ছি আকাশ থেকে এক দুর্যোগ, যেহেতু তারা সীমালংঘন করে চলেছিল।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা এই জনপদবাসীদের উপর আকাশ হইতে শাস্তি নাযিল করিব, কারণ উহারা পাপাচার করিতেছিল।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এই জনপদবাসীর উপর আসমান থেকে আযাব নাযিল করবো তাদের পাপাচারের কারণে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি ঐ জনপদে সুস্পষ্ট নিদর্শন রেখে দিয়েছি সে কওমের জন্য যারা বুঝে।

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই এতে এক সুস্পষ্ট নিদর্শন রেখে গেছি সেই লোকদের জন্য যারা বুঝতে পারে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো বোধশক্তিসম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য ইহাতে একটি স্পষ্ট নিদর্শন রাখিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা বিবেক বুদ্ধি খাটিয়ে চলে আমরা এ ঘটনার মধ্যে তাদের জন্যে রেখে দিয়েছি একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মাদইয়ানবাসীর কাছে পাঠিয়েছিলাম তাদের ভাই শু‘আইবকে; অতঃপর সে বলল, ‘হে আমার কওম, তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর, শেষ দিবসের আশা কর এবং যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়িও না।

জহুরুল হক

আর মাদয়ানবাসীদের কাছে তাদের ভাই শোআইবকে। সুতরাং তিনি বলেছিলেন - - ''হে আমার স্বজাতি! ‌র উপাসনা কর, আর শেষ দিনকে ভয় কর, আর পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটিয়ে ঘোরাঘুরি করো না।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি মাদ্ইয়ানবাসীদের প্রতি তাহাদের ভ্রাতা শু‘আয়বকে পাঠাইয়াছিলাম। সে বলিয়াছিল, ‘হে আমার সম্প্রদায় ! তোমরা ‌র ‘ইবাদত কর, শেষ দিবসকে ভয় কর এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটাইও না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মাদায়েনে পাঠিয়েছিলাম তাদের ভাই শুয়াইবকে। সে তাদের বলেছিল: ‘হে আমার কওম! তোমরা এক আল্লাহর দাসত্ব করো এবং শেষ দিনকে ভয় করো, আর পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়িয়োনা।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা তাকে মিথ্যাবাদী বলল; ফলে ভূমিকম্প তাদেরকে গ্রাস করল। অতঃপর নিজদের বাড়ী-ঘরেই তারা উপুড় হয়ে মরে রইল।

জহুরুল হক

কিন্তু তারা তাঁকে প্রত্যাখ্যান করল সেজন্য এক ভূমিকম্প তাদের পাকড়ালো, কাজেই অচিরেই তারা নিজেদের বাড়িঘরে নিথরদেহী হয়ে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা তাহার প্রতি মিথ্যা আরোপ করিল; অতঃপর উহারা ভূমিকম্প দ্বারা আক্রান্ত হইল ; ফলে উহারা নিজ গৃহে নতজানু অবস্থায় শেষ হইয়া গেল।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা তাকে প্রত্যাখ্যান করে। ফলে তাদেরকে আঘাত করে ভূমিকম্প, আর তারা পড়ে থাকে নিজেদের ঘরে উপুড় হয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ‘আদ ও সামূদকে (আমি ধ্বংস করেছিলাম), তাদের আবাসভূমির কিছু তোমাদের জন্য উন্মোচিত হয়েছে। আর শয়তান তাদের কাজ তাদের চোখে শোভিত করে তাদেরকে সৎপথ থেকে বিরত রেখেছিল, যদিও তারা ছিল বিদগ্ধ।

জহুরুল হক

আর 'আদ ও ছামূদকে, তাদের বাড়িঘর থেকে তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট করা হয়েছে। আর শয়তান তাদের কাছে তাদের কাজ - কর্মকে চিত্তাকর্ষক করেছিল, এইভাবেই সে তাদের পথ ঠেকিয়ে রেখেছিল, যদিও তারা ছিল তীক্ষদৃষ্টিসম্পন্ন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি ‘আদ ও সামূদকে ধ্বংস করিয়াছিলাম ; উহাদের বাড়িঘরই তোমাদের জন্য ইহার সুস্পষ্ট প্রমাণ। শয়তান উহাদের কাজকে উহাদের দৃষ্টিতে শোভন করিয়াছিল এবং উহাদেরকে সৎপথ অবলম্বনে বাধা দিয়াছিল, যদিও উহারা ছিল ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা আদ এবং সামুদ জাতিকেও ধ্বংস করে দিয়েছিলাম। তাদের (বিরান) বাড়িঘরই তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট প্রমাণ। শয়তান তাদের মন্দ কর্মকান্ড তাদের কাছে চাকচিক্যময় করে রেখেছিল। ফলে সে তাদেরকে সঠিক পথে আসতে বাধা সৃষ্টি করে, তারা খুব চালাক এবং বিচক্ষণও ছিলো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কারূন, ফির‘আউন ও হামানকে (আমি ধ্বংস করেছি) এবং অবশ্যই তাদের কাছে মূসা গিয়েছিল প্রমানাদিসহ। অতঃপর তারা যমীনে অহংকার করেছিল; এতদ্সত্ত্বেও তারা (আমার আযাব) এড়াতে পারেনি।

জহুরুল হক

আর ক্কারূন ও ফিরআউন ও হামানকে! আর তাদের কাছে তো মূসা এসেই ছিলেন সুস্পষ্ট প্রমাণাবলী নিয়ে, কিন্তু তারা দেশে আস্ফালন করত, তাই তারা এড়িয়ে যাবার ছিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি সংহার করিয়াছিলাম কারূন, ফির‘আওন ও হামানকে। মূসা উহাদের নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ আসিয়াছিল ; তখন তাহারা দেশে দম্ভ করিত; কিন্তু উহারা আমার শাস্তি এড়াইতে পারে নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

কারূণ, ফেরাউন ও হামান, এদের কাছে এসেছিল মূসা সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে। তখন তারা দেশে হঠকারী শাসন চালাচ্ছিল। কিন্তু তারা (আমার শাস্তিকে) অতিক্রম করতে পারেনি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর এদের প্রত্যেককে নিজ নিজ পাপের কারণে আমি পাকড়াও করেছিলাম; তাদের কারো উপর আমি পাথরকুচির ঝড় পাঠিয়েছি, কাউকে পাকড়াও করেছে বিকট আওয়াজ, কাউকে আবার মাটিতে দাবিয়ে দিয়েছি আর কাউকে পানিতে ডুবিয়ে দিয়েছি। এমন নন যে, তাদের উপর যুলম করবেন বরং তারা নিজেরা ন

জহুরুল হক

সুতরাং প্রত্যেককেই তার পাপের কারণে আমরা পাকড়াও করেছিলাম। অতএব তাদের মধ্যে কেউ রয়েছে যার উপরে আমরা পাঠিয়েছিলাম, এক প্রচন্ড ঝড়, আর তাদের মধ্যে কেউ রয়েছে যাকে পাকড়াও করেছিল এক মহাগর্জন, আর তাদের মধ্যে কেউ আছে যাকে আমরা পৃথিবীকে দিয়ে গ্রাস করিয়েছিলাম, আর তাদের মধ্যে কাউকে আমরা ডুবিয়ে মেরেছিলাম। আর তাদের প্রতি জুলুম করার পাত্র নন, কিন্তু তারা তাদের নিজেদের প্রতি অন্যায়াচরণ করে চলেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের প্রত্যেককেই আমি তাহার অপরাধের জন্য শাস্তি দিয়াছিলাম : উহাদের কাহারও প্রতি প্রেরণ করিয়াছি প্রস্তরসহ প্রচণ্ড ঝটিকা, উহাদের কাহাকেও আঘাত করিয়াছিল মহানাদ, কাহাকেও আমি প্রোথিত করিয়াছিলাম ভূগর্ভে এবং কাহাকেও করিয়াছিলাম নিমজ্জিত। ‌ তাহাদের প্রতি কোন জুলুম করেন নাই ; তাহারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করিয়াছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

এদের প্রত্যেককেই আমরা তাদের অপরাধের জন্যে শাস্তি দিয়েছি। তাদের কারো প্রতি আমরা পাঠিয়েছি পাথর বৃষ্টি, কাউকেও আঘাত করেছে প্রকান্ড শব্দ, কাউকেও দাবিয়ে দিয়েছিলাম ভূ - গর্ভে, কাউকেও ডুবিয়ে দিয়েছিলাম সমুদ্রে। তাদের প্রতি যুলুম করেননি, তারা নিজেরাই যুলুম করেছিল নিজেদের প্রতি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা ছাড়া বহু অভিভাবক গ্রহণ করে, তাদের দৃষ্টান্ত মাকড়সার ন্যায়, যে ঘর বানায় এবং নিশ্চয় সবচাইতে দুর্বল ঘর হল মাকড়সার ঘর, যদি তারা জানত।

জহুরুল হক

যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য অভিভাবক গ্রহণ করে তাদের উপমা হচ্ছে মাকড়সার দৃষ্টান্তের ন্যায়, - - সে নিজের জন্য ঘর বানায়, অথচ নিঃসন্দেহ সবচেয়ে ঠুনকো বাসা হচ্ছে মাকড়সারই বাসা, - - যদি তারা জানত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌র পরিবর্তে অপরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তাহাদের দৃষ্টান্ত মাকড়সার ন্যায়, যে নিজের জন্য ঘর বানায় এবং ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই তো দুর্বলতম, যদি উহারা জানিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করে, তাদের দৃষ্টান্ত হলো মাকড়সার দৃষ্টান্ত, সে নিজের জন্যে ঘর বানায়, আর ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই সবচাইতে দুর্বল, যদি তারা জ্ঞান রাখতো!

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তাদেরকে জানেন তাঁকে ছাড়া যাদেরকে ওরা আহবান করে; আর তিনি মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ জানেন তাঁকে বাদ দিয়ে তারা বিষয়বস্তুর যা - কিছু আহ্বান করে। আর তিনিই তো মহাশত্তি শালী, পরমজ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা ‌র পরিবর্তে যাহা কিছুকে আহ্বান করে, ‌ তো তাহা জানেন এবং তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর পরিবর্তে যা কিছুকেই ডাকে, তা জানেন। তিনি মহাশক্তিধর, মহাবিজ্ঞানী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এসব দৃষ্টান্ত আমি মানুষের জন্য পেশ করি; আর জ্ঞানী লোকেরা ছাড়া কেউ তা বুঝে না।

জহুরুল হক

আর এই উপমাগুলো, লোকদের জন্য আমরা এগুলো দিয়ে থাকি, আর বিজ্ঞজন ব্যতীত অন্য কেউ এগুলো বুঝতে পারে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই সকল দৃষ্টান্ত আমি মানুষের জন্য দেই, কিন্তু কেবল জ্ঞানী ব্যক্তিরাই ইহা বুঝে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মানুষের জন্যে দিয়ে থাকি এসব দৃষ্টান্ত, কিন্তু জ্ঞানীরা ছাড়া কেউ তা বুঝেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যথাযথভাবে আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন; নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য।

জহুরুল হক

মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন সত্যের সাথে। নিঃসন্দেহ এতে তো এক নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ যথাযথভাবে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন ; ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে মু’মিনদের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং এই পৃথিবী বাস্তবতার ভিত্তিতে। অবশ্যি এতে রয়েছে একটি নিদর্শন মুমিনদের জন্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতি যে কিতাব ওহী করা হয়েছে, তা থেকে তিলাওয়াত কর এবং কায়েম কর। নিশ্চয় অশ্লীল ও মন্দকাজ থেকে বিরত রাখে। আর আল্লাহর স্মরণই তো সর্বশ্রেষ্ঠ। জানেন যা তোমরা কর।

জহুরুল হক

তুমি পাঠ কর ধর্মগ্রন্থ থেকে যা তোমার কাছে প্রত্যাদিষ্ট করা হয়েছে, আর কায়েম কর। নিঃসন্দেহ অশালীনতা ও অন্যায়াচরণ থেকে বিরত রাখে। আর ‌র স্মরণই তো সর্বোত্তম। আর জানেন তোমরা যা কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি আবৃত্তি কর কিতাব হইতে যাহা তোমার প্রতি প্রত্যাদেশ করা হয়। এবং কায়েম কর। অবশ্যই বিরত রাখে অশ্লীল ও মন্দ কার্য হইতে। আর ‌র স্মরণই তো র্সবশ্রষ্ঠে। তোমরা যাহা কর ‌ তাহা জানেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিলাওয়াত করো কিতাব যা তোমার প্রতি অহি করা হয়েছে এবং কায়েম করো । নিশ্চয়ই বিরত রাখে ফাহেশা এবং মুনকার (মন্দকর্ম) থেকে। আল্লাহর যিকিরই সর্বশ্রেষ্ঠ। জানেন তোমরা যা করো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা উত্তম পন্থা ছাড়া আহলে কিতাবদের সাথে বিতর্ক করো না। তবে তাদের মধ্যে ওরা ছাড়া, যারা যুল্ম করেছে। আর তোমরা বল, ‘আমরা ঈমান এনেছি আমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে এবং তোমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তার প্রতি এবং আমাদের ও তোমাদের তো একই। আর

জহুরুল হক

আর গ্রন্থধারীদের সঙ্গে তর্কবিতর্ক করো না যা সুন্দর সেইভাবে ব্যতীত - - তাদের ক্ষেত্রে ছাড়া যারা তাদের মধ্যে অন্যায়াচরণ করে, আর বলো - - ''আমরা বিশ্বাস করি তাতে যা আমাদের কাছে অবতীর্ণ হয়েছে আর তোমাদের কাছেও অবতীর্ণ হয়েছে, আর আমাদের উপাস্য ও তোমাদের উপাস্য একই, আর আমরা তাঁরই প্রতি আ‌ত্মসমর্পিত রয়েছি।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা উত্তম পন্থা ব্যতীত কিতাবীদের সঙ্গে বিতর্ক করিবে না, তবে তাহাদের সঙ্গে করিতে পার, যাহারা উহাদের মধ্যে সীমালংঘনকারী। এবং বল, ‘আমাদের প্রতি ও তোমাদের প্রতি যাহা অবতীর্ণ হইয়াছে, তাহাতে আমরা বিশ্বাস করি এবং আমাদের ইলাহ্ ও তোমাদের ইলাহ্ তো একই এবং আমরা তাঁহারই প্রতি আত্মসর্মপণকারী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সৌজন্যমূলক ও যুক্তিসংগত পন্থা ছাড়া আহলে কিতাবের সাথে বিতর্ক করোনা, তবে তাদের মধ্যে যারা যুলুম করে তাদের কথা ভিন্ন। তোমরা তাদের বলো: ‘আমরা ঈমান এনেছি সেই কিতাবের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে আমাদের প্রতি এবং যা নাযিল করা হয়েছে তোমাদের প্রতি, আর আমাদের ও তোমাদের একই , আমরা তাঁরই প্রতি আত্মসমর্পণকারী।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এভাবেই আমি তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি। অতএব, আমি যাদেরকে কিতাব দিয়েছিলাম তারা এর প্রতি ঈমান রাখে এবং এদেরও (মক্কাবাসীদের) কেউ কেউ এর প্রতি ঈমান রাখে। আর কাফিররা ছাড়া আমার আয়াতসমূহকে কেউ অস্বীকার করে না।

জহুরুল হক

আর এইভাবে আমরা তোমার কাছে গ্রন্থখানা অবতারণ করেছি। সুতরাং যাদের কাছে আমরা গ্রন্থ দিয়েছিলাম তারা এতে বিশ্বাস কবে, আর এদের মধ্যেও রয়েছে যারা এতে বিশ্বাস করে। আর অবিশ্বাসীদের ব্যতীত অন্যে আমাদের নির্দেশাবলীকে অস্বীকার করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবেই আমি তোমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করিয়াছি এবং যাহাদেরকে আমি কিতাব দিয়াছিলাম তাহারা ইহাতে বিশ্বাস করে। আর ইহাদেরও কেহ কেহ ইহাতে বিশ্বাস করে। কেহ অস্বীকার করে না আমার নিদর্শনাবলী ব্যতীত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা নাযিল করেছি তোমার প্রতি এই কিতাব। যাদের আমরা কিতাব দিয়েছি তারা এটির প্রতি ঈমান রাখে এবং এখনকার এদের (আহলে কিতাবের) কেউ কেউও এটির প্রতি ঈমান রাখে। কাফিররা ছাড়া আর কেউই আমাদের আয়াত অস্বীকার করেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি তো এর পূর্বে কোন কিতাব তিলাওয়াত করনি এবং তোমার নিজের হাতে তা লিখনি যে, বাতিলপন্থীরা এতে সন্দেহ পোষণ করবে।

জহুরুল হক

আর তুমি তো এর আগে কোনো গ্রন্থ থেকে পাঠ কর নি, আর তোমার ডান হাত দিয়ে তা লেখও নি, তেমন হলে ঝুটা আখ্যাদাতারা সন্দেহ করতে পারত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি তো ইহার পূর্বে কোন কিতাব পাঠ কর নাই এবং স্বহস্তে কোন কিতাব লিখ নাই যে, মিথ্যাচারীরা সন্দেহ পোষণ করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তো এর আগে কোনো কিতাব তিলাওয়াত করতেনা এবং নিজ হাতে কোনো কিতাব লিখতেও না, তেমনটি হলে হয়তো মিথ্যাবাদীরা সন্দেহ পোষণ করতে পারতো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে, তাদের অন্তরে তা সুস্পষ্ট নিদর্শন। আর যালিমরা ছাড়া আমার আয়াতসমূহকে কেউ অস্বীকার করে না।

জহুরুল হক

বস্তুত এটি হচ্ছে সুস্পষ্ট নির্দেশাবলী তাদের হৃদয়ে যাদের জ্ঞান দেওয়া হয়েছে। আর অন্যায়কারীরা ব্যতীত অন্য কেউ আমাদের নির্দেশাবলী অস্বীকার করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরং যাহাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হইয়াছে বস্তুত তাহাদের অন্তরে ইহা স্পষ্ট নিদর্শন। কেবল জালিমরাই আমার নিদর্শন অস্বীকার করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং যাদের এলেম দেয়া হয়েছে তাদের অন্তরে এটি একটি সুস্পষ্ট নিদর্শন। যালিমরা ছাড়া আর কেউই আমাদের আয়াত অস্বীকার করেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলে, ‘তার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে নিদর্শনসমূহ নাযিল হয় না কেন’? বল, ‘নিদর্শনসমূহ তো আল্লাহর কাছে, আর আমি তো কেবল একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী’।

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''কেন তার প্রভুর কাছ থেকে তার নিকটে নিদর্শনসমূহ অবতীর্ণ হয় না?’’ তুমি বলো - - ''নিঃসন্দেহ নিদর্শনসমূহ কেবল ‌র কাছে রয়েছে। আর আমি তো একজন স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলে, ‘তাহার প্রতিপালকের নিকট হইতে তাহার নিকট নিদর্শন প্রেরিত হয় না কেন?’ বল, নিদর্শন তাে ‌রই ইখ্‌তিয়ারে। আমি তাে একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী মাত্র।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘তার প্রভুর নিকট থেকে তার কাছে কোনো নিদর্শন আসেনা কেন?’ তুমি বলো: ‘নিদর্শন পাঠানোর বিষয়টা তো আল্লাহর এখতিয়ারে। আমি তো কেবল একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী ছাড়া আর কিছু নই।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা কি তাদের জন্য যথেষ্ট নয় যে, নিশ্চয় আমি তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি, যা তাদের নিকট তিলাওয়াত করা হয়? নিশ্চয় এর মধ্যে রহমত ও উপদেশ রয়েছে সেই কওমের জন্য, যারা ঈমান আনে।

জহুরুল হক

আচ্ছা, এটি কি তবে তাদের জন্য যথেষ্ট নয় যে আমরাই তো তোমার কাছে গ্রন্থখানা পাঠিয়েছি যা তাদের কাছে পাঠ করা হচ্ছে? নিঃসন্দেহ এতে রয়েছে করুণা ও স্মরণীয় বার্তা সেই লোকদের জন্য যারা ঈমান এনেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা কি উহাদের জন্য যথেষ্ট নয় যে, আমি তোমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করিয়াছি, যাহা উহাদের নিকট পাঠ করা হয়? ইহাতে অবশ্যই অনুগ্রহ ও উপদেশ রহিয়াছে সেই কওমের জন্য যাহারা ঈমান আনে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জন্যে এটা কি যথেষ্ট নয় যে, আমরা তোমার প্রতি এই কিতাব নাযিল করেছি, যা তাদের প্রতি তিলাওয়াত করা হয়। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে রহমত ও উপদেশ সেইসব লোকদের জন্যে যারা ঈমান রাখে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে, তা তিনি জানেন। আর যারা বাতিলে বিশ্বাস করে এবং আল্লাহকে অস্বীকার করে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত’।

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''আমার মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে ‌ই যথেষ্ট, তিনি জানেন যা - কিছু রয়েছে মহাকাশমন্ডলীতে ও পৃথিবীতে। আর যারা মিথ্যায় বিশ্বাস করে ও ‌তে অবিশ্বাস করে তারা নিজেরাই হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসাবে ‌ই যথেষ্ট। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা আছে তাহা তিনি অবগত এবং যাহারা অসত্যে বিশ্বাস করে ও ‌কে অস্বীকার করে তাহারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘আমার ও তোমাদের মাঝে শহীদ (সাক্ষী) হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। তিনি জানেন মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে। যারা বাতিলের প্রতি ঈমান রাখে এবং কুফুরি করে আল্লাহর প্রতি, তারাই আসল ক্ষতিগ্রস্ত।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা তোমাকে আযাব ত্বরান্বিত করতে বলে। যদি নির্ধারিত সময় না থাকত, তবে তাদের উপর অবশ্যই আযাব আসত এবং তা আকস্মিকভাবে তাদের উপর আসবেই। অথচ তারা টেরও পাবে না।

জহুরুল হক

আর তারা তোমার কাছে শাস্তির জন্যে তাড়াহুড়ো করে। আর যদি না একটি নির্ধারিত কাল সাব্যস্ত থাকতো তাহলে তাদের প্রতি শাস্তি এসেই পড়তো। আর তাদের উপরে এটি অতর্কিতে এসেই পড়বে, আর তারা টেরও পাবে না!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তোমাকে শাস্তি ত্বরান্বিত করিতে বলে। যদি নির্ধারিত কাল না থাকিত তবে শাস্তি তাহাদের উপর অবশ্যই আসিত। নিশ্চয়ই উহাদের উপর শাস্তি আসিবে আকস্মিকভাবে, উহাদের অজ্ঞাতসারে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমার কাছে আহবান জানায় দ্রুত আযাব এনে দিতে। যদি সময় নির্ধারিত না থাকতো, তাহলে অবশ্যি তাদের উপর আযাব এসে যেতো। আযাব অবশ্যি তাদের উপর আসবে আকস্মিকভাবে এবং তারা টেরও পাবেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা তোমাকে আযাব ত্বরান্বিত করতে বলে, আর নিশ্চয় জাহান্নাম কাফিরদেরকে পরিবেষ্টন করবে।

জহুরুল হক

তারা তোমার কাছে শাস্তির জন্যে তাড়াহুড়ো করে। আর বস্তুত জাহান্নাম তো অবিশ্বাসীদের ঘিরেই রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তোমাকে শাস্তি ত্বরান্বিত করিতে বলে, জাহান্নাম তো কাফিরদের পরিবেষ্টন করিবেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমাকে দ্রুত আযাব এনে দিতে বলে। জাহান্নাম অবশ্যি কাফিরদের পরিবেষ্টন করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেদিন আযাব তাদেরকে তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নীচে থেকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে এবং তিনি বলবেন, ‘তোমরা যা করতে, তার স্বাদ আস্বাদন কর’।

জহুরুল হক

সেইদিন শাস্তি তাদের লেপটে ফেলবে তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচে থেকে, তখন তিনি বলবেন - - ''তোমরা যা করে যাচ্ছিলে তা আস্বাদন করো।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন শাস্তি উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে ঊর্ধ্ব ও অধঃদেশ হইতে এবং তিনি বলিবেন, ‘তোমরা যাহা করিতে তাহা আস্বাদন কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তাদের উপর থেকে এবং তাদের পায়ের নিচে থেকে আযাব এসে তাদের ঢেকে ফেলবে এবং তিনি বলবেন: তোমরা যেসব আমল করতে তার স্বাদ গ্রহণ করো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে আমার বান্দারা যারা ঈমান এনেছে, নিশ্চয় আমার যমীন প্রশস্ত, সুতরাং তোমরা আমারই ইবাদাত কর।

জহুরুল হক

হে আমার বান্দারা যারা ঈমান এনেছ! আমার পৃথিবী আলবৎ প্রশস্ত, সুতরাং কেবলমাত্র আমারই তবে তোমরা উপাসনা করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে আমার বান্দাগণ ! নিশ্চয় আমার পৃথিবী প্রশস্ত; সুতরাং তোমরা আমারই ‘ইবাদত কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে আমার সেইসব বান্দারা যারা ঈমান এনেছো! আমার পৃথিবী অনেক প্রশস্ত, সুতরাং তোমরা কেবল আমারই ইবাদত করো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

প্রতিটি প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে, তারপর আমার কাছেই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।

জহুরুল হক

প্রত্যেক সত্ত্বাই মৃত্যু আস্বাদনকারী, তারপর আমাদেরই কাছে তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণকারী; অতঃপর তোমরা আমারই নিকট প্রত্যাবর্তিত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রত্যেক ব্যক্তিই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। তারপর আমাদের কাছেই তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান আনে ও সৎ কর্ম করে, তাদেরকে অবশ্যই আমি জান্নাতে কক্ষ বানিয়ে দেব, যার তলদেশ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত হবে, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। কতইনা উত্তম আমলকারীদের প্রতিদান!

জহুরুল হক

আর যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে আমরা অবশ্যই তাদের বসবাস করাব স্বর্গোদ্যানের মাঝে উঁচু প্রাসাদে, যার নিচ দিয়ে বয়ে চলে ঝরনারাজি, তাতে তারা রইবে চিরকাল। কত উত্তম কর্তাদের পুরস্কার, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আমি অবশ্যই তাহাদের বসবাসের জন্য সুউচ্চ প্রাসাদ দান করিব জান্নাতে, যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তাহারা স্থায়ী হইবে, কত উত্তম প্রতিদান সেই সকল কর্মশীলদের জন্য,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ্ করবে আমরা অবশ্যি তাদের বসবাসের জন্যে জান্নাতে উঁচু প্রাসাদ দান করবো। সেসবের নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর। চিরদিন থাকবে তারা সেখানে। কতো যে উত্তম প্রতিদান নেক আমলকারীদের জন্যে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং তাদের রবের উপরই তাওয়াক্কুল করে।

জহুরুল হক

যারা অধ্যবসায় অবলন্বন করে এবং তাদের প্রভুর উপরে নির্ভর করে!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ধৈর্য ধারণ করে এবং তাহাদের প্রতিপালকের উপর নির্ভর করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা সবর অবলম্বন করে এবং তাওয়াক্কুল করে তাদের প্রভুর উপর!

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এমন কত জীব-জন্তু রয়েছে, যারা নিজদের রিয্ক নিজেরা সঞ্চয় করে না, আল্লাহই তাদের রিয্ক দেন এবং তোমাদেরও। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।

জহুরুল হক

আর কত না জীবজন্তু রয়েছে যারা তাদের জীবিকা বহন করে না, ‌ই তাদের রিযেক দান করেন এবং তোমাদেরও, আর তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এমন কত জীবজন্তু আছে যাহারা নিজেদের খাদ্য মওজুদ রাখে না। ‌ই রিযিক দান করেন উহাদেরকে ও তোমাদেরকে ; এবং তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমন অনেক জীব - জানোয়ার আছে যারা নিজেদের রিযিক মওজুদ করে রাখেনা, আল্লাহ্ই তাদের রিযিক দেন এবং তোমাদেরকেও। তিনি সব শুনেন, সব জানেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি তুমি তাদেরকে প্রশ্ন কর, ‘কে আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন এবং চাঁদ ও সূর্যকে নিয়োজিত করেছেন’? তারা অবশ্যই বলবে, ‘’। তাহলে কোথায় তাদের ফিরানো হচ্ছে ?

জহুরুল হক

আর তুমি যদি তাদের জিজ্ঞাসা কর - - 'কে সৃষ্টি করেছেন মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী, আর সূর্য ও চন্দ্রকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন?’ - - তারা নিশ্চয়ই বলেবে - - ''‌।’’ তাহলে কোথায় তারা ফিরে যাচ্ছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি তুমি উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘কে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন এবং চন্দ্র - সূর্যকে নিয়ন্ত্রিত করিয়াছেন?’ উহারা অবশ্যই বলিবে, ‘’। তাহা হইলে, উহারা কোথায় ফিরিয়া যাইতেছে!

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘আসমান জমিন কে সৃষ্টি করেছে এবং কে নিয়ন্ত্রণ করছে সূর্য আর চাঁদ?’ তারা অবশ্যি বলবে: ‘।’ তাহলে তারা কোথা থেকে প্রতারিত হচ্ছে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা করেন রিয্ক প্রশস্ত করে দেন এবং যার জন্য ইচ্ছা সীমিত করে দেন। নিশ্চয় সকল বিষয়ে সম্যক অবগত।

জহুরুল হক

তাঁর বান্দাদের মধ্যের যাকে ইচ্ছা করেন তার জন্য রিযেক প্রসারিত করেন, আর তার জন্য সঙ্কুচিতও করেন। নিঃসন্দেহ সব বিষয়ে সর্বজ্ঞাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ তাঁহার বান্দাদের মধ্যে যাহার জন্য ইচ্ছা তাহার রিযিক বর্ধিত করেন এবং যাহার জন্য ইচ্ছা উহা সীমিত করেন। নিশ্চয়ই ‌ সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই বৃদ্ধি করে দেন রিযিক যাকে চান এবং নিয়ন্ত্রণ করে দেন যাকে চান। নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ে অবগত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি যদি তাদেরকে প্রশ্ন কর, ‘কে আসমান থেকে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তা দ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করেন’? তবে তারা অবশ্যই বলবে, ‘’। বল, ‘সকল প্রশংসা আল্লাহর’। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বুঝে না।

জহুরুল হক

আর যদি তুমি তাদের জিজ্ঞাসা কর - - 'কে আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন ও তার দ্বারা পৃথিবীকে তার মৃত্যুর পরে সঞ্জীবিত করেন?’ - - তারা নিশ্চয়ই বলবে - - ''।’’ তুমি বলো - - ''সকল প্রশংসা ‌র জন্য। কিন্তু তাদের অধিকাংশই বুঝতে পারে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি তুমি উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করিয়া কে ভূমিকে সঞ্জীবিত করেন উহার মৃত্যুর পর ? উহারা অবশ্যই বলিবে, ‘’। বল, ‘সমস্ত প্রশংসা ‌রই।’ কিন্তু উহাদের অধিকাংশই ইহা অনুধাবন করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো, কে নাযিল করেন আসমান থেকে পানি, তারপর তা দিয়ে জীবিত করেন জমিনকে তা মরে (শুকিয়ে) যাবার পর? অবশ্যি তারা বলবে: ‘।’ বলো: ‘আলহামদু লিল্লাহ!’ বরং তাদের অধিকাংশই আকল - বুদ্ধি রাখেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এ দুনিয়ার জীবন খেল-তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয় এবং নিশ্চয় আখিরাতের নিবাসই হলো প্রকৃত জীবন, যদি তারা জানত।

জহুরুল হক

আর দুনিয়ার এই জীবনটা আমোদ - প্রমোদ ও খেলাধূলো বৈ তো নয়। আর নিশ্চয়ই পরকালের আবাস - - তাই তো জীবন। যদি তারা জানত!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই পার্থিব জীবন তো ক্রীড়া - কৌতুক ব্যতীত কিছুই নয়। পারলৌকিক জীবনই তো প্রকৃত জীবন, যদি উহারা জানিত!

আবদুস শহীদ নাসিম

এই দুনিয়ার জীবনটা খেলতামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। আখিরাতের জীবনই চিরন্তন জীবন, যদি তারা জানতো!

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা যখন নৌযানে আরোহণ করে, তখন তারা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে ডাকে। অতঃপর যখন তিনি তাদেরকে স্থলে পৌঁছে দেন, তখনই তারা শিরকে লিপ্ত হয়।

জহুরুল হক

সুতরাং তারা যখন জাহাজে আরোহণ করে তখন তারা ‌কে ডাকে ধর্মবিশ্বাসে তাঁর প্রতি একনিষ্ঠ হয়ে, কিন্তু যখন তিনি ডাঙার দিকে তাদের উদ্ধার করেন তখন দেখো! তারা শরিক করে, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যখন নৌযানে আরোহণ করে তখন উহারা বিশুদ্ধচিত্ত হইয়া একনিষ্ঠভাবে ‌কে ডাকে। অতঃপর তিনি যখন স্থলে ভিড়াইয়া উহাদেরকে উদ্ধার করেন, তখন উহারা শির্‌কে লিপ্ত হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যখন নৌযানে আরোহণ করে, তখন আন্তরিক নিষ্ঠার সাথে তারা আল্লাহকে ডাকে, তারপর যখন তিনি তাদেরকে নাজাত দিয়ে কূলে নিয়ে আসেন, তখন তারা শিরক করতে থাকে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যাতে আমি তাদেরকে যা দিয়েছি, তা তারা অস্বীকার করতে পারে এবং তারা যেন ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকতে পারে। অতঃপর শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।

জহুরুল হক

ফলে আমরা তাদের যা দান করেছিলাম তারা যেন তা অস্বীকার করতে পারে এবং ভোগবিলাসে মেতে উঠতে পারে। সুতরাং অচিরেই তারা জানতে পারবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাতে উহাদের প্রতি আমার দান উহারা অস্বীকার করে এবং ভোগ - বিলাসে মত্ত থাকে ; অচিরেই উহারা জানিতে পারিবে !

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে তাদের প্রতি আমার দান তারা অস্বীকার করে এবং ভোগবিলাসে লিপ্ত থাকে। অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর পরিনতি)।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি দেখে না যে, আমি ‘হারাম’ কে নিরাপদ বানিয়েছি, অথচ তাদের আশ পাশ থেকে মানুষদেরকে ছিনিয়ে নেয়া হয়? তাহলে কি তারা অসত্যেই বিশ্বাস করবে এবং আল্লাহর নিআমতকে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

তারা কি তবে দেখে না যে আমরা পবিত্র স্থানকে নিরাপদ বানিয়েছি, তথাপি লোকদের ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে এই সবের আশপাশ থেকে? তারা কি তবুও ঝুটাতেই বিশ্বাস করবে, এবং অবিশ্বাস করবে ‌র অনুগ্রহে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি দেখে না আমি ‘হারাম’কে নিরাপদ স্থান করিয়াছি, অথচ ইহার চতুষ্পার্শ্বে যেসব মানুষ আছে, তাহাদের উপর হামলা করা হয়, তবে কি উহারা অসত্যেই বিশ্বাস করিবে এবং ‌র অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে ?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি দেখেনা, আমরা হারাম (শরিফকে) নিরাপদ স্থান বানিয়ে দিয়েছি, অথচ তার চারপাশে যারা আছে তাদের উপর হামলা করা হয়? তারা কি বাতিলের প্রতি ঈমান রাখে, আর কুফুরি করে আল্লাহর নিয়ামতের প্রতি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে ব্যক্তির চেয়ে যালিম আর কে, যে আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করে অথবা তার নিকট সত্য আসার পর তা অস্বীকার করে? জাহান্নামের মধ্যেই কি কাফিরদের আবাস নয়?

জহুরুল হক

আর কে বেশী অন্যায়কারী তার চাইতে যে সন্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে, অথবা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে যখন তার কাছে তা আসে? অবিশ্বাসীদের জন্য কি জাহান্নামে কোনো আবাসস্থল নেই?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি ‌ সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে অথবা তাঁহার নিকট হইতে আগত সত্যকে অস্বীকার করে তাহার অপেক্ষা অধিক আর কে ? জাহান্নামই কি কাফিরদের আবাস নয় ?

আবদুস শহীদ নাসিম

ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যে মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর উপর আরোপ করে, কিংবা সত্য আসার পর তা প্রত্যাখ্যান করে? কাফিরদের আবাস কি জাহান্নাম নয়?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা আমার পথে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়, তাদেরকে আমি অবশ্যই আমার পথে পরিচালিত করব। আর নিশ্চয় সৎকর্মশীলদের সাথেই আছেন।

জহুরুল হক

পক্ষান্তরে যারা আমাদের জন্য সংগ্রাম করে, আমরা অবশ্যই তাদের পরিচালিত করব আমাদের পথগুলোয়। আর নিশ্চয়ই সৎকর্মীদের সাথেই রয়েছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা আমার উদ্দেশ্যে সংগ্রাম করে আমি তাহাদেরকে অবশ্যই আমার পথে পরিচালিত করিব। ‌ অবশ্যই সৎর্কমপরায়ণদের সঙ্গে থাকেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আমাদের জন্যে (উদ্দেশ্যে) জিহাদ করে, আমরা অবশ্যি তাদের পরিচালিত করি আমাদের পথে, আর অবশ্যি কল্যাণপরায়ণদের সাথে থাকেন।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme