যখন আসমান ফেটে যাবে।
যখন আকাশ খন্ডবিখন্ড হবে,
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
যখন আকাশ বিদীর্ণ হইবে,
Chapter 84, 25 verses
যখন আসমান ফেটে যাবে।
যখন আকাশ খন্ডবিখন্ড হবে,
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
যখন আকাশ বিদীর্ণ হইবে,
আর তার রবের নির্দেশ পালন করবে এবং এটাই তার করণীয়।
আর তার প্রভুর প্রতি উৎকর্ণ হবে এবং কর্তব্যরত হবে - -
ও তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে এবং আকাশ এরই উপযুক্ত
ও তাহার প্রতিপালকের আদেশ পালন করিবে এবং ইহাই তাহার করণীয়।
আর যখন যমীনকে সম্প্রসারিত করা হবে।
আর যখন পৃথিবীকে সমতল করা হবে,
এবং যখন পৃথিবীকে সম্প্রসারিত করা হবে।
এবং পৃথিবীকে যখন সম্প্রসারিত করা হইবে।
আর তার মধ্যে যা রয়েছে তা নিক্ষেপ করবে এবং খালি হয়ে যাবে।
আর তার ভেতরে যা - কিছু রয়েছে তা নিক্ষেপ করবে এবং শূন্যগর্ভ হবে,
এবং পৃথিবী তার গর্ভস্থিত সবকিছু বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শুন্যগর্ভ হয়ে যাবে।
ও পৃথিবী তাহার অভ্যন্তরে যাহা আছে তাহা বাহিরে নিক্ষেপ করিবে ও শূন্যগর্ভ হইবে।
আর তার রবের নির্দেশ পালন করবে এবং এটাই তার করণীয়।
ফলে তার প্রভুর প্রতি উৎকর্ণ হবে এবং কর্তব্যরত হবে।
এবং তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে এবং পৃথিবী এরই উপযুক্ত।
এবং তাহার প্রতিপালকের আদেশ পালন করিবে, ইহাই তাহার করণীয়; তখন তোমরা পুনরুত্থিত হইবেই।
হে মানুষ, তোমার রব পর্যন্ত (পৌঁছতে) অবশ্যই তোমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। অতঃপর তুমি তাঁর সাক্ষাৎ পাবে।
ওহে মানব! নিশ্চয় তোমার প্রভুর তরফে তোমাকে প্রচেষ্টা চালাতে হবে বিশেষ উদ্যমে, তাহলে তুমি তাঁর সাক্ষাৎ পাবে।
হে মানুষ, তোমাকে তোমরা পালনকর্তা পর্যন্ত পৌছতে কষ্ট স্বীকার করতে হবে, অতঃপর তার সাক্ষাৎ ঘটবে।
হে মানুষ! তুমি তোমার প্রতিপালকের নিকট পৌঁছা পর্যন্ত কঠোর সাধনা করিয়া থাক, পরে তুমি তাঁহার সাক্ষাৎ লাভ করিবে।
অতঃপর যাকে তার আমলনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে;
সুতরাং তার ক্ষেত্রে যাকে তার নিবন্ধগ্রন্থ তার ডান হাতে দেওয়া হবে,
যাকে তার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে
যাহাকে তাহার ‘আমলনামা তাহার দক্ষিণ হস্তে দেওয়া হইবে
অত্যন্ত সহজভাবেই তার হিসাব-নিকাশ করা হবে।
তাকে তো তবে হিসেব চুকিয়ে দেওয়া হবে সহজ হিসেবনিকেশে,
তার হিসাব - নিকাশ সহজে হয়ে যাবে
তাহার হিসাব - নিকাশ সহজেই লওয়া হইবে
আর সে তার পরিবার-পরিজনের কাছে আনন্দিত হয়ে ফিরে যাবে।
আর সে তার স্বজনদের কাছে ফিরে যাবে খুশি হয়ে।
এবং সে তার পরিবার - পরিজনের কাছে হৃষ্টচিত্তে ফিরে যাবে
এবং সে তাহার স্বজনদের নিকট প্রফুল্লচিত্তে ফিরিয়া যাইবে;
আর যাকে তার আমলনামা পিঠের পেছনে দেয়া হবে,
আর তার ক্ষেত্রে যাকে তার নিবন্ধগ্রন্থ তার পিঠের পশ্চাৎ দিকে দেওয়া হবে,
এবং যাকে তার আমলনামা পিঠের পশ্চাদ্দিক থেকে দেয়া, হবে,
এবং যাহাকে তাহার ‘আমলনামা তাহার পৃষ্ঠের পশ্চাৎদিক হইতে দেওয়া হইবে
অতঃপর সে ধ্বংস আহবান করতে থাকবে।
সে তখনই ধ্বংসের জন্য আর্তনাদ করবে,
সে মৃত্যুকে আহবান করবে,
সে অবশ্য তাহার ধ্বংস আহ্বান করিবে;
আর সে জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে।
আর জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে।
এবং জাহান্নামে প্রবেশ করবে।
এবং জ্বলন্ত অগ্নিতে প্রবেশ করিবে;
নিশ্চয় সে তার পরিবার-পরিজনদের মধ্যে আনন্দে ছিল।
নিঃসন্দেহ সে তার স্বজনদের মধ্যে ফুর্তিতে ছিল।
সে তার পরিবার - পরিজনের মধ্যে আনন্দিত ছিল।
সে তো তাহার স্বজনদের মধ্যে আনন্দে ছিল,
নিশ্চয় সে মনে করত যে, সে কখনো ফিরে যাবে না।
নিঃসন্দেহ সে ভেবেছিল যে সে কখনো ফিরে আসবে না।
সে মনে করত যে, সে কখনও ফিরে যাবে না।
সে তো ভাবিত যে, সে কখনই ফিরিয়া যাইবে না;
হ্যাঁ, নিশ্চয় তার রব তার প্রতি সম্যক দৃষ্টি দানকারী।
না, নিঃসন্দেহ তার প্রভু বরাবর তার প্রতি দৃষ্টিদাতা।
কেন যাবে না, তার পালনকর্তা তো তাকে দেখতেন।
নিশ্চয়ই ফিরিয়া যাইবে; তাহার প্রতিপালক তাহার উপর সবিশেষ দৃষ্টি রাখেন।
অতঃপর আমি কসম করছি পশ্চিম আকাশের লালিমার।
কিন্ত না, আমি সাক্ষী করছি সূর্যাস্তের রক্তিমাভা,
আমি শপথ করি সন্ধ্যাকালীন লাল আভার
আমি শপথ করি অস্তরাগের,
আর রাতের কসম এবং রাত যা কিছুর সমাবেশ ঘটায় তার।
আর রাত্রিকে ও যা - কিছু তা তাড়িয়ে নেয়,
এবং রাত্রির, এবং তাতে যার সমাবেশ ঘটে
এবং রাত্রির আর উহা যাহা কিছুর সমাবেশ ঘটায় তাহার,
আর চাঁদের কসম, যখন তা পরিপূর্ণ হয়।
আর চন্দ্রকে যখন সে পূর্ণাঙ্গতা পায়,
এবং চন্দ্রের, যখন তা পূর্ণরূপ লাভ করে,
এবং শপথ চন্দ্রের, যখন ইহা পূর্ণ হয়;
অবশ্যই তোমরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে আরোহণ করবে।
যেন তোমরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে আরোহণ করতে পারো।
নিশ্চয় তোমরা এক সিঁড়ি থেকে আরেক সিঁড়িতে আরোহণ করবে।
নিশ্চয় তোমরা ধাপে ধাপে আরোহণ করিবে।
অতএব তাদের কী হল যে, তারা ঈমান আনছে না?
সুতরাং তাদের কী হয়েছে যে তারা ঈমান আনছে না,
অতএব, তাদের কি হল যে, তারা ঈমান আনে না?
সুতরাং উহাদের কি হইল যে, উহারা ঈমান আনে না
আর যখন তাদের কাছে কুরআন তিলাওয়াত করা হয় তখন তারা সিজদা করে না।[সাজদাহ]
আর যখন তাদের নিকট কুরআন পাঠ করা হয় তখন তারা সিজদা করে না?
যখন তাদের কাছে কোরআন পাঠ করা হয়, তখন সেজদা করে না।
এবং উহাদের নিকট কুরআন পাঠ করা হইলে উহারা সিজ্দা করে না?
বরং কাফিররা অস্বীকার করে।
পরন্তু যারা অবিশ্বাস করে তারা মিথ্যারোপ করে,
বরং কাফেররা এর প্রতি মিথ্যারোপ করে।
পরন্তু কাফিরগণ উহাকে অস্বীকার করে।
আর তারা যা অন্তরে পোষণ করে তা সবিশেষ পরিজ্ঞাত।
অথচ ভালো জানেন যা তারা লুকোচ্ছে।
তারা যা সংরক্ষণ করে, তা জানেন।
এবং উহারা যাহা পোষণ করে তাহা সবিশেষ অবগত।
অতএব তুমি তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আযাবের সুসংবাদ দাও।
অতএব তাদের সুসংবাদ দাও মর্মন্তুদ শাস্তির,
অতএব, তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন।
সুতরাং উহাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তির সংবাদ দাও;
কিন্তু যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন প্রতিদান।
তারা ব্যতীত যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করছে, - - তাদের জন্য রয়েছে এক নিরবচ্ছিন্ন প্রতিদান।
কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।
কিন্তু যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার।