You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল ফাতিহা (সূচনা)
Chapter 1, 7 verses
বয়ান ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক
মুহিউদ্দীন খান
সমকালীন বাংলা
About this chapter
নাম
বিষয়বস্তুর
কারণে এই সূরাটির নামকরণ করা হয়েছে আল-ফাতিহা। ফাতিহা হল সেই জিনিস যা
কোন বিষয় বা বই বা অন্য কোন জিনিস খুলে দেয়। অন্য কথায়, আল-ফাতিহা হল এক
ধরণের ভূমিকা।
প্রকাশের সময়কাল
সূরা
আল-ফাতিহা মহানবী (সা.)-এর নিকট অতিপ্রাথমিক ওহীগুলির মধ্যে একটি।
প্রকৃতপক্ষে, আমরা প্রামাণিক রেওয়ায়েত থেকে জানতে পারি যে এটিই প্রথম
পূর্ণাঙ্গ সূরা যা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর
অবতীর্ণ হয়েছিল। এর আগে, শুধুমাত্র কয়েকটি বিবিধ আয়াত নাযিল হয়েছিল
যেগুলো আলাক, মুজ্জাম্মিল, মুদ্দাত্থির ইত্যাদির অংশ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
জহুরুল হক
আল্লাহর নাম নিয়ে (আরম্ভ করছি), (যিনি) রহমান ( - - পরম করুণাময়, যিনি অসীম করুণা ও দয়া বশতঃ বিশ্বজগতের সমস্ত সৃষ্টির সহাবস্থানের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা অগ্রিম করে রেখেছেন), (যিনি) রহীম ( - - অফুরন্ত ফলদাতা, যাঁর অপার করুণা ও দয়ার ফলে প্রত্যেকের ক্ষুদ্রতম শুভ - প্রচেষ্টাও বিপুলভাবে সাফল্যমণ্ডিত ও পুরস্কৃত হয়ে থাকে)।
মুহিউদ্দীন খান
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু।
Note
এটি পবিত্র কুরআনের প্রথম আয়াত। সূরা তওবা ছাড়া প্রতি সূরার শুরুতে এটি ১১৩ বার এবং সূরা নমলে এটি ২ বার, এভাবে মোট ১১৪ বার এসেছে।
এখানে "পরম করুণাময়" বা "الرحمن" বলতে সম্ভবত বুঝানো হয়েছে যিনি আমাদের ইহজগতে জন্য সর্বাধিক দান করেন আর "পরম দয়ালু" বা "الرحيم" বুঝানো হয়েছে যে তিনি আবার পরকালেও বিচার বা প্রতিদান দিবসে আমাদের জন্য অফুরন্ত দয়া বা ক্ষমা প্রদর্শন করবেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সৃষ্টিকুলের রব।
জহুরুল হক
সমস্ত প্রশংসা র প্রাপ্য, সমুদয় সৃষ্ট - জগতের রব্ব।
মুহিউদ্দীন খান
যাবতীয় প্রশংসা তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
সমকালীন বাংলা
সর্বোচ্চ প্রশংসা জগত সমুহের পালনকর্তা ইলাহের জন্য।
Note
বয়ান ফাউন্ডেশন
দয়াময়, পরম দয়ালু, পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
জহুরুল হক
রহমান, রহীম।
মুহিউদ্দীন খান
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
সমকালীন বাংলা
পরম করুণাময়, পরম দয়ালু
বয়ান ফাউন্ডেশন
বিচার দিবসের মালিক।
জহুরুল হক
বিচারকালের মালিক।
মুহিউদ্দীন খান
যিনি বিচার দিনের মালিক।
সমকালীন বাংলা
প্রতিদান দিবসের অধিপতি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আপনারই আমরা ইবাদাত করি এবং আপনারই নিকট আমরা সাহায্য চাই।
জহুরুল হক
“তোমারই আমরা এবাদত করি, এবং তোমারই কাছে আমরা সাহায্য প্রার্থনা করি।”
মুহিউদ্দীন খান
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
সমকালীন বাংলা
একমাত্র আপনারই ইবাদত করি এবং একমাত্র আপনারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আমাদেরকে সরল পথ দেখান। পথের হিদায়াত দিন।
জহুরুল হক
“আমাদের তুমি সহজ - সঠিক পথে পরিচালিত করো, - - ”
মুহিউদ্দীন খান
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
সমকালীন বাংলা
সরল পথে পরিচালিত করুন
Note
সরল বা সঠিক পথ: যে পথ আল্লাহর সন্তুষ্টি ও যা পরকালের মুক্তির দিকে নিয়ে যায়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তাদের পথ, যাদের উপর আপনি অনুগ্রহ করেছেন। যাদেরকে নিয়ামত দিয়েছেন।যাদের উপর (আপনার) ক্রোধ আপতিত হয়নি এবং যারা পথভ্রষ্টও নয়।
জহুরুল হক
“তাদের পথে যাদের প্রতি তুমি নিয়ামত অর্পণ করেছ, তাদের ব্যতীত যাদের প্রতি গযব এসেছে, এবং তাদেরও নয় যারা পথভ্রষ্ট।”
মুহিউদ্দীন খান
সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
সমকালীন বাংলা
যাদের অনুগ্রহ করেছেন তাদের পথে, অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্টদের নয়।