তিনি এর ছাদকে উচ্চ করেছেন এবং তাকে সুসম্পন্ন করেছেন।
সমকালীন বাংলা
তিনি তার উচ্চতাকে সুউচ্চ করেছেন, অতঃপর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই অনেক উপরে উঠিয়েছেন এর উচ্চতা, অতপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি ইহার ছাদকে সুউচ্চ করিয়াছেন ও সুবিন্যস্ত করিয়াছেন।
Word by word
رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّىٰهَا
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তিনি এর রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন এবং এর দিবালোক প্রকাশ করেছেন।
সমকালীন বাংলা
৭৯–২৯ : এবং তার রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন ও তার সকালকে আলোকিত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
আর রাতকে তিনি ঢেকে দেন অন্ধকার দিয়ে, আর দিনকে বের করে আনেন আলোকিত করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তিনি ইহার রাত্রিকে করিয়াছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং প্রকাশ করিয়াছেন ইহার সূর্যালোক;
Word by word
وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَىٰهَا
বয়ান ফাউন্ডেশন
এরপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।
সমকালীন বাংলা
এবং এরপর পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
এরপর তিনি বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং পৃথিবীকে ইহার পর বিস্তৃত করিয়াছেন।
Word by word
وَٱلْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَىٰهَآ
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি।
সমকালীন বাংলা
তিনি তা থেকে তার পানি ও চারণভূমি বের করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
তার (পৃথিবীর) মধ্য থেকেই বের করেছেন তার পানি ও তৃণ - লতা (উদ্ভিদ)।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি উহা হইতে বহির্গত করিয়াছেন উহার পানি ও তৃণ,
Word by word
أَخْرَجَ مِنْهَا مَآءَهَا وَمَرْعَىٰهَا
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর পর্বতগুলোকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
সমকালীন বাংলা
এবং পর্বতমালাকে সুদৃঢ়ভাবে গ্রথিত করেছেন,
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং তার মধ্যে মজবুতভাবে গেড়ে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করিয়াছেন;
Word by word
وَٱلْجِبَالَ أَرْسَىٰهَا
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।
সমকালীন বাংলা
তোমাদের ও তোমাদের গবাদিপশুর জীবিকার জন্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
(এসবই করেছেন) তোমাদের ও তোমাদের পশুদের কল্যাণার্থে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এই সমস্ত তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুদের ভোগের জন্য।
Word by word
مَتَٰعًا لَّكُمْ وَلِأَنْعَٰمِكُمْ
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতঃপর যখন মহাপ্রলয় আসবে।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর যখন মহাবিপর্যয় আসবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
অতপর যেদিন ঘটে যাবে মহাবিপর্যয়,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর যখন মহাসংকট উপস্থিত হইবে
Word by word
فَإِذَا جَآءَتِ ٱلطَّآمَّةُ ٱلْكُبْرَىٰ
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে তা, যা সে চেষ্টা করেছে।
সমকালীন বাংলা
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে সে কিসের জন্য কষ্ট করেছিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন মানুষ খুব করে স্মরণ করবে তার (পৃথিবীর জীবনের) সা’য়ীর (ব্যস্ততা ও কৃতকর্মের) কথা,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মানুষ যাহা করিয়াছে তাহা সে সেই দিন স্মরণ করিবে,
Word by word
يَوْمَ يَتَذَكَّرُ ٱلْإِنسَٰنُ مَا سَعَىٰ
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর জাহান্নামকে প্রকাশ করা হবে তার জন্য যে দেখতে পায়।
সমকালীন বাংলা
এবং জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে, যে দেখবে তার জন্য,
Note
জাহিম: কুরআনে ব্যবহৃত জাহান্নামের একটি নাম, যা বিশেষভাবে প্রজ্বলিত ও তীব্র জ্বলন্ত আগুনের ধারণা প্রকাশ করে। কুরআনে জাহান্নামের জন্য বিভিন্ন নাম ও বর্ণনা ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
جَهَنَّم (Jahannam)
الْجَحِيم (Al-Jaḥīm)
سَقَر (Saqar)
لَظَى (Laẓā)
الْحُطَمَة (Al-Ḥuṭamah)
السَّعِير (As-Saʿīr)
الْهَاوِيَة (Al-Hāwiyah)
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং যেদিন দর্শকদের সামনে খুলে ধরা হবে জাহিম (দোযখ),
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং প্রকাশ করা হইবে জাহান্নাম দর্শকদের জন্য।
Word by word
وَبُرِّزَتِ ٱلْجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ
বয়ান ফাউন্ডেশন
সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে।
সমকালীন বাংলা
অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করেছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
সেদিন (এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে যে,) পৃথিবীর জীবনে যারা সীমালংঘন করেছিল,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অনন্তর যে সীমালংঘন করে
Word by word
فَأَمَّا مَن طَغَىٰ
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়,
সমকালীন বাংলা
এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং (আখিরাতের চাইতে) অগ্রাধিকার দিয়েছিল দুনিয়ার জীবনকে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দেয়,
Word by word
وَءَاثَرَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল।
সমকালীন বাংলা
তবে নিশ্চয়ই জাহিম হবে তার আশ্রয়,
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের আবাস হবে জাহিম (দোযখ)।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জাহান্নামই হইবে তাহার আবাস।
Word by word
فَإِنَّ ٱلْجَحِيمَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে,
সমকালীন বাংলা
অপরদিকে যে তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোর ব্যাপারে ভীত হয়েছে এবং নিজেকে প্রবৃত্তি থেকে বিরত রেখেছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
আর যে তার মহান প্রভুর সামনে দাঁড়াবার ভয়ে ভীত ছিলো এবং নিজেকে আত্মার দাসত্ব ও মন্দ কামনা - বাসনা থেকে বিরত রেখেছিল,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পক্ষান্তরে যে স্বীয় প্রতিপালকের সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং প্রবৃত্তি হইতে নিজকে বিরত রাখে,