Kitab

আল রূম (রোম রাজ্য বা সাম্রাজ্য)

Chapter 30, 60 verses

  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • সমকালীন বাংলা
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বয়ান ফাউন্ডেশন

আলিফ-লাম-মীম।

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; আলিফ - লাম - মীম,

আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ লাম মিম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আলিফ - লাম - মীম,

বয়ান ফাউন্ডেশন

রোমানরা পরাজিত হয়েছে।* * ৩৯৫ খৃস্টাব্দে রোমক সাম্রাজ্য থেকে পৃথক হয়ে বায়যানটাইন নামে যে সাম্রাজ্যটি পরিচিত হয়েছিল, এখানে الرومবলতে তাকে বুঝানো হয়েছে। সিরিয়া ও প্যালেস্টাইন এ সাম্রাজ্যের অধীন ছিল।

সমকালীন বাংলা

রোমকগণ পরাজিত হইয়াছে -

আবদুস শহীদ নাসিম

রোমানরা পরাজিত হয়েছে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

রোমকগণ পরাজিত হইয়াছে -

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিকটবর্তী অঞ্চলে*, আর তারা তাদের এ পরাজয়ের পর অচিরেই বিজয়ী হবে, * হিজাযের উত্তর পশ্চিম সীমানা সংলগ্ন আযরুয়াত ও বুসরার মধ্যবর্তী স্থান। সম্রাট হিরাক্লিয়াস ও খসরু পারভেজের মধ্যে এখানে যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে খসরু পারভেজ বিজয় লাভ করে। ফলে মক্কার পৌত্তলিকরা খুশি হয়

সমকালীন বাংলা

নিকটবর্তী অঞ্চলে; কিন্তু উহারা উহাদের এই পরাজয়ের পর শীঘ্রই বিজয়ী হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিকটবর্তী ভূ - খন্ডে, তবে তারা তাদের পরাজয়ের পর অচিরেই আবার বিজয়ী হবে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিকটবর্তী অঞ্চলে; কিন্তু উহারা উহাদের এই পরাজয়ের পর শীঘ্রই বিজয়ী হইবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কয়েক বছরের মধ্যেই*। পূর্বের ও পরের সব ফয়সালা আল্লাহরই। আর সেদিন মুমিনরা আনন্দিত হবে, * بضع سنين তিন থেকে দশ বছর। এ আয়াতে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয় যে, অনধিক নয় বছরের মধ্যে রোমানরা পারসিকদের উপর বিজয় লাভ করবে। ৬২৩-২৪ খৃ এ ভবিষ্যদ্বাণী সত্যে পরিণত হয়। আর সে বছরই

সমকালীন বাংলা

কয়েক বৎসরের মধ্যেই। পূর্বের ও পরের ফয়সালা আর সেই দিন মু’মিনগণ আনন্দতি হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কয়েক (তিন থেকে নয়) বছরের মধ্যেই। সব বিষয়ে ফায়সালার এখতিয়ার আল্লাহরই ইতোপূর্বেও এবং পরেও। সেদিন মুমিনরা হবে উৎফুল্ল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কয়েক বৎসরের মধ্যেই। পূর্বের ও পরের ফয়সালা ‌রই আর সেই দিন মু’মিনগণ হর্ষোৎফুল্ল হইবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আল্লাহর সাহায্যে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন। আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর সাহায্য। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন এবং তিনি পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিজ সাহায্যে যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন। তিনি মহাশক্তিধর, পরম করুণাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র সাহায্য। তিনি যাহাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন এবং তিনি পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আল্লাহর ওয়াদা। তাঁর ওয়াদা খেলাফ করেন না। কিন্তু অধিকাংশ লোক জানে না।

সমকালীন বাংলা

ইহা প্রতিশ্রুতি ; তাহার প্রতিশ্রুতি ব্যতিক্রম করেন না, কিন্তু অধিকাংশ লোক জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা আল্লাহর ওয়াদা। খেলাফ করেননা তাঁর ওয়াদা। তবে, অধিকাংশ মানুষই জানেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা ‌রই প্রতিশ্রুতি ; ‌ তাহার প্রতিশ্রুতি ব্যতিক্রম করেন না, কিন্তু অধিকাংশ লোক জানে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা দুনিয়ার জীবনের বাহ্যিক দিক সম্পর্কে জানে, আর সম্পর্কে তারা গাফিল।

সমকালীন বাংলা

উহারা পার্থিব জীবনের বাহ্য দিক সম্বন্ধে অবগত, আর সম্বন্ধে উহারা গাফিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা দুনিয়ার জীবনের বাহ্যিক দিকটাই জানে, আর সম্পর্কে তারা একেবারেই গাফিল - অজ্ঞ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা পার্থিব জীবনের বাহ্য দিক সম্বন্ধে অবগত, আর সম্বন্ধে উহারা গাফিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি নিজদের অন্তরে ভেবে দেখে না, আসমানসমূহ ও যমীন এবং এ দু’য়ের মধ্যবর্তী সব কিছুই যথাযথভাবে ও এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সৃষ্টি করেছেন? আর নিশ্চয় বহু লোক তাদের রবের সাক্ষাতে অবিশ্বাসী।

সমকালীন বাংলা

উহারা কি নিজেদের অন্তরে ভাবিয়া দেখে না? আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্তকিছু সৃষ্টি করিয়াছেন যথাযথভাবে এবং এক নির্দিষ্ট কালের জন্য। কিন্তু মানুষের মধ্যে অনেকেই তাহাদের প্রতিপালকের সাক্ষাতে অবিশ্বাসী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি নিজেদের মনে মনে ভেবে দেখেনা, মহাকাশ, এই পৃথিবী আর এ দুয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে এসবই সৃষ্টি করেছেন সত্য ও বাস্তবতার নিরিখে এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে? অনেক মানুষই তাদের প্রভুর সাক্ষাত লাভের বিষয়ে অবিশ্বাসী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি নিজেদের অন্তরে ভাবিয়া দেখে না? ‌ আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছেন যথাযথভাবে এবং এক নির্দিষ্ট কালের জন্য। কিন্তু মানুষের মধ্যে অনেকেই তাহাদের প্রতিপালকের সাক্ষাতে অবিশ্বাসী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি যমীনে ভ্রমণ করে না? তাহলে তারা দেখত যে, তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কেমন হয়েছিল। তারা শক্তিতে তাদের চেয়েও প্রবল ছিল। আর তারা জমি চাষ করত এবং তারা এদের আবাদ করার চেয়েও বেশী আবাদ করত। আর তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ এসেছিল। বস্তুতঃ আ

সমকালীন বাংলা

উহারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না? তাহা হইলে দেখিত যে, উহাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কিরূপ হইয়াছিল! শক্তিতে তাহারা ছিল ইহাদের অপেক্ষা প্রবল, তাহারা জমি চাষ করিত, তাহারা উহা আবাদ করিত ইহাদের আবাদ করা অপেক্ষা অধিক। তাহাদের নিকট আসিয়াছিল তাহাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ ; বস্তুত এমন নন যে, উহাদের প্রতি জুলুম করেন, উহারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করিয়াছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি পৃথিবী পরিভ্রমণ করে দেখেনা, তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণতি কী হয়েছিল? শক্তিতে তারা ছিলো এদের চাইতে দুর্ধর্ষ। তারা জমিন চাষ করতো এবং তা আবাদ করতো এদের আবাদ করার চাইতে অধিক রকম। তাদের কাছে এসেছিল তাদের রসূলরা সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে। তাদের প্রতি যুলুমকারী নন, বরং তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি যুলুম করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না ? তাহা হইলে দেখিত যে, উহাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কিরূপ হইয়াছিল ! শক্তিতে তাহারা ছিল ইহাদের অপেক্ষা প্রবল, তাহারা জমি চাষ করিত, তাহারা উহা আবাদ করিত ইহাদের আবাদ করা অপেক্ষা অধিক। তাহাদের নিকট আসিয়াছিল তাহাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ ; বস্তুত ‌ এমন নন যে, উহাদের প্রতি জুলুম করেন, উহারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করিয়াছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর যারা মন্দ কাজ করেছিল তাদের পরিণাম মন্দ হয়েছিল। কারণ তারা আল্লাহর আয়াতগুলোকে অস্বীকার করেছিল এবং সেগুলো নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যাহারা মন্দ কর্ম করিয়াছিল তাহাদের পরিণাম হইয়াছে মন্দ; কারণ, তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মথ্যিা বলত এবং সেগুলোকে নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রোপ করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর যারা মন্দ কাজ করেছিল তাদের পরিণাম মন্দই হয়েছিল, কারণ তারা মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের আয়াত এবং তারা তা নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যাহারা মন্দ কর্ম করিয়াছিল তাহাদের পরিণাম হইয়াছে মন্দ; কারণ তাহারা ‌র আয়াত অস্বীকার করিত এবং উহা লইয়া ঠাট্টা - বিদ্রুপ করিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর তিনিই তার পুনরাবৃত্তি করবেন। তারপর তাঁর কাছেই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।

সমকালীন বাংলা

প্রথমবার সৃষ্টি করেন, অতঃপর তিনি পুনরায় সৃষ্টি করবনে। এরপর তােমরা তাঁরই দকিে প্রত্যার্বততি হইবে। তাঁহারই নিকট প্রত্যানীত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই সূচনা করেন সৃষ্টির, তারপর তিনি পুন:সৃষ্টি করেন, তারপর তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে তাঁরই কাছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ আদিতে সৃষ্টির সূচনা করেন, অতঃপর তিনি ইহার পুনরাবৃত্তি করিবেন, তারপর তোমরা তাঁহারই নিকট প্রত্যানীত হইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে সেদিন অপরাধীরা হতাশ হয়ে পড়বে।

সমকালীন বাংলা

যেই দিন কিয়ামত হইবে সেই দিন অপরাধীরা হতাশ হইয়া পড়িবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যেদিন কায়েম হবে কিয়ামত, সেদিন হতাশ - হতবাক হয়ে পড়বে অপরাধীরা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেই দিন কিয়ামত হইবে সেই দিন অপরাধীরা হতাশ হইয়া পড়িবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের শরীকরা তাদের জন্য সুপারিশকারী হবে না এবং তারা তাদের শরীকদেরকে অস্বীকার করবে।

সমকালীন বাংলা

উহাদের দেব - দেবীগুলি উহাদের জন্য সুপারিশকারী হইবে না এবং উহারা উহাদের দেব - দেবীগুলিকে প্রত্যাখ্যান করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তাদের (মনগড়া) দেবদেবীরা তাদের জন্যে সুপারিশকারী হবেনা এবং তারা তাদের দেবদেবীদের সেদিন প্রত্যাখ্যান করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের দেব - দেবীগুলি উহাদের জন্য সুপারিশকারী হইবে না এবং উহারা উহাদের দেব - দেবীগুলিকে প্রত্যাখ্যান করিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে সেদিন তারা বিভক্ত হয়ে পড়বে।

সমকালীন বাংলা

যেই দিন কিয়ামত হইবে সেই দিন মানুষ বিভক্ত হইয়া পড়িবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন কিয়ামত হবে সেদিন সব মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়বে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেই দিন কিয়ামত হইবে সেই দিন মানুষ বিভক্ত হইয়া পড়িবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে তাদেরকে জান্নাতে পরিতুষ্ট করা হবে।

সমকালীন বাংলা

অতএব যাহারা ঈমান আনিয়াছে ও সৎ কর্ম করিয়াছে তাহারা জান্নাতে থাকিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যারা ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ্ করবে, তারা থাকবে জান্নাতে আনন্দে উৎফুল্লে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব যাহারা ঈমান আনিয়াছে ও সৎকর্ম করিয়াছে তাহারা জান্নাতে থাকিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা করেছে এবং আমার আয়াত ও আখিরাতের সাক্ষাতকে অস্বীকার করেছে, তাদেরকে আযাবের মধ্যে উপস্থিত করা হবে।

সমকালীন বাংলা

এবং যাহারা করিয়াছে এবং আমার নিদর্শনাবলী ও আখিরাতের সাক্ষাৎ অস্বীকার করিয়াছে, তাহারাই শাস্তি ভোগ করিতে থাকিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা কুফুরি করবে এবং প্রত্যাখ্যান করবে আমাদের আয়াত ও আখিরাতের সাক্ষাত, তাদেরই হাজির রাখা হবে আযাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা করিয়াছে এবং আমার নিদর্শনাবলী ও আখিরাতের সাক্ষাৎ অস্বীকার করিয়াছে, তাহারাই শাস্তি ভোগ করিতে থাকিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তোমরা আল্লাহর তাসবীহ কর, যখন সন্ধ্যায় উপনীত হবে এবং সকালে উঠবে ।

সমকালীন বাংলা

সুতরাং তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর সন্ধ্যা ও প্রভাতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং সকাল ও সন্ধ্যায় তোমরা ‘সুবহানাল্লাহ’ (আল্লাহর তসবিহ্) ঘোষণা করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তোমরা ‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর সন্ধ্যায় ও প্রভাতে -

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অপরাহ্নে ও যুহরের সময়ে; আর আসমান ও যমীনে সকল প্রশংসা একমাত্র তাঁরই।

সমকালীন বাংলা

এবং অপরাহ্নে ও যোহরের সময়ে; আর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে সকল প্রশংসা তো তাঁহারই।

আবদুস শহীদ নাসিম

সমস্ত প্রশংসা তাঁরই মহাবিশ্বে এবং পৃথিবীতে, আর (সুবহানাল্লাহ ঘোষণা করো) অপরাহ্নে ও যুহরের সময়ও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং অপরাহ্নে ও যোহরের সময়ে; আর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে সকল প্রশংসা তো তাঁহারই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি মৃত থেকে জীবিতকে বের করেন এবং জীবিত থেকে মৃতকে বের করেন। আর তিনি যমীনকে জীবিত করেন তার মৃত্যুর পর। আর এভাবেই তোমরা উত্থিত হবে।

সমকালীন বাংলা

তিনিই মৃত হইতে জীবন্তের আবির্ভাব ঘটান এবং তিনিই জীবন্তহইতে মৃতের আবির্ভাব ঘটান এবং ভূমিকে পুনর্জীবিত করেন উহার মৃত্যুর পর। এইভাবেই তোমরা উত্থিত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি বের করেন মৃত থেকে জীবিতকে এবং জীবিত থেকে মৃতকে। মরে শুকিয়ে যাবার পর তিনিই জমিনকে জীবিত করেন, আর এভাবেই তোমাদের বের করে আনা হবে (মাটির নীচে থেকে)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই মৃত হইতে জীবন্তের আবির্ভাব ঘটান এবং তিনিই জীবন্ত হইতে মৃতের আবির্ভাব ঘটান এবং ভূমিকে পুনর্জীবিত করেন উহার মৃত্যুর পর। এইভাবেই তোমরা উত্থিত হইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমরা মানুষ হয়ে ছড়িয়ে পড়ছ।

সমকালীন বাংলা

তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে যে, তিনি তোমাদেরকে মৃত্তিকা হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন। তাহার পর এখন তোমরা মানুষ, সর্বত্র ছড়াইয়া পড়িতেছ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর একটি নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন তারপর এখন তোমরা সেই মানুষই ছড়িয়ে পড়েছো সবখানে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে যে, তিনি তোমাদেরকে মৃত্তিকা হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন। তাহার পর এখন তোমরা মানুষ, সর্বত্র ছড়াইয়া পড়িতেছ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে সে কওমের জন্য, যারা চিন্তা করে।

সমকালীন বাংলা

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হইতেসৃষ্টি করিয়াছেন তোমাদের সংগিনীদেরকে যাহাতে তোমরা উহাদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করিয়াছেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর আরেকটি নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের থেকেই সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্যে জুড়ি (স্বামী - স্ত্রী), যাতে করে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করো। এ উদ্দেশ্যে তিনি তোমাদের মাঝে সৃষ্টি করে দিয়েছেন বন্ধুতা - ভালবাসা এবং দয়া - অনুকম্পা। এতে রয়েছে অনেক নিদর্শন চিন্তাশীল লোকদের জন্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন তোমাদের সংগিনীদেরকে যাহাতে তোমরা উহাদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করিয়াছেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য ইহাতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে আসমান ও যমীনের সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও তোমাদের বর্ণের ভিন্নতা। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে জ্ঞানীদের জন্য ।

সমকালীন বাংলা

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য। ইহাতে জ্ঞানীদের জন্য অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর আরেকটি নিদর্শন হলো মহাকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বিভিন্নতা। এতেও রয়েছে অনেক নিদর্শন জ্ঞানী লোকদের জন্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য। ইহাতে জ্ঞানীদের জন্য অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে রাতে ও দিনে তোমাদের নিদ্রা এবং তাঁর অনুগ্রহ থেকে তোমাদের (জীবিকা) অন্বেষণ। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে সে কওমের জন্য যারা শোনে।

সমকালীন বাংলা

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে রাত্রিতে ও দিবাভাগে তোমাদের নিদ্রা এবং তোমাদের অন্নেষণ তাঁহার অনুগ্রহ হইতে। ইহাতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে শ্রবণকারী সম্প্রদায়ের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর আরো একটি নিদর্শন হলো রাত এবং দিনের বেলায় তোমাদের ঘুম আর আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে তোমাদের (জীবিকা) অন্বেষণ। এতেও রয়েছে অনেক নিদর্শন মনোযোগী লোকদের জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে রাত্রিতে ও দিবাভাগে তোমাদের নিদ্রা এবং তোমাদের অন্বেষণ তাঁহার অনুগ্রহ হইতে। ইহাতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে শ্রবণকারী সম্প্রদায়ের জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে তিনি তোমাদেরকে ভয় ও ভরসাস্বরূপ বিদ্যুৎ দেখান, আর আসমান থেকে পানি বর্ষণ করেন। অতঃপর তা দ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে সে কওমের জন্য যারা অনুধাবন করে।

সমকালীন বাংলা

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে, তিনি তোমাদেরকে প্রদর্শন করেন বিদ্যুৎ, ভয় ও ভরসা সঞ্চারকরূপে এবং আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করেন ও তদ্দারা ভূমিকে পুনরুজ্জীবিত করেন উহার মৃত্যুর পর; ইহাতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে বোধশক্তিসম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে আরো রয়েছে, তিনি তোমাদের দেখান বিদ্যুতের চমকানি, তাতে থাকে তোমাদের ভয় এবং আশা, তারপর তিনি নাযিল করেন আসমান থেকে পানি আর তা দিয়ে জীবিত করেন মরা জমিন। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে অনেক নিদর্শন বুঝ - বুদ্ধি সম্পন্ন লোকদের জন্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাঁহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে, তিনি তোমাদেরকে প্রদর্শন করেন বিদ্যুৎ, ভয় ও ভরসা সঞ্চারকরূপে এবং আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করেন ও তদ্দ্বারা ভূমিকে পুনরুজ্জীবিত করেন উহার মৃত্যুর পর; ইহাতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রহিয়াছে বোধশক্তিসম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে, তাঁরই নির্দেশে আসমান ও যমীন স্থিতিশীল থাকে। তারপর তিনি যখন তোমাদেরকে যমীন থেকে বের হয়ে আসার জন্য একবার আহবান করবেন তখনই তোমরা বের হয়ে আসবে।

সমকালীন বাংলা

এবং তাহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে যে, তাঁহারই আদেশে আকাশ ও পৃথিবীর স্থিতি থাকে; অতঃপর যখন তোমাদেরকে মৃত্তিকা হইতে উঠিবার জন্য একবার আহ্বান করিবেন তখন তোমরা উঠিয়া আসিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে আরো রয়েছে, তাঁর নির্দেশেই কায়েম রয়েছে আসমান ও জমিন। তারপর যখন তোমাদের জমিন থেকে উঠে আসার জন্যে ডাক দেবেন একটিমাত্র ডাক, তখন তোমরা সাথে সাথে উঠে আসবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহার নিদর্শনাবলীর মধ্যে রহিয়াছে যে, তাঁহারই আদেশে আকাশ ও পৃথিবীর স্থিতি থাকে; অতঃপর ‌ যখন তোমাদেরকে মৃত্তিকা হইতে উঠিবার জন্য একবার আহ্বান করিবেন তখন তোমরা উঠিয়া আসিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে সব তাঁরই। সব কিছুই তাঁর অনুগত।

সমকালীন বাংলা

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা তাঁহারই। সকলেই তাঁহার আজ্ঞাবহ।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর। প্রত্যেকেই তাঁর প্রতি বিনত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা তাঁহারই। সকলেই তাঁহার আজ্ঞাবহ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনিই সৃষ্টির সূচনা করেন তারপর তিনিই এর পুনরাবৃত্তি করবেন। আর এটা তো তাঁর জন্য অধিকতর সহজ। আসমান ও যমীনে সর্বোচ্চ মর্যাদা তাঁরই এবং তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

সমকালীন বাংলা

তিনি সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনয়ন করেন, অতঃপর তিনি ইহাকে সৃষ্টি করিবেন পুনর্বার; ইহা তাঁহার জন্য অতি সহজ। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মর্যাদা তাঁহারই; এবং তিনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি সেই মহান সত্তা যিনি সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর পুনরায় সৃষ্টি করবেন এবং সেটা হবে তাঁর জন্যে একেবারেই সহজ। মহাকাশ এবং পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মর্যাদা কেবল তাঁর। তিনি মহাশক্তিধর, মহাবিজ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনয়ন করেন, অতঃপর তিনি ইহাকে সৃষ্টি করিবেন পুনর্বার; ইহা তাঁহার জন্য অতি সহজ। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মর্যাদা তাঁহারই; এবং তিনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে একটি উপমা বর্ণনা করেছেন; আমি তোমাদেরকে যে রিয্ক দিয়েছি তাতে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা কি অংশীদার? ফলে তোমরা কি এ বিষয়ে সমান? তোমরা কি তাদেরকে তেমনভাবে ভয় কর যেমনভাবে ভয় কর তোমাদের পরস্পরকে*? এভাবেই আমি নিদর্শনাবলী

সমকালীন বাংলা

তোমাদের জন্য তোমাদের নিজেদের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত পেশ করিতেছেন: তোমাদেরকে আমি যে রিযিক দিয়াছি, তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস - দাসিগণের কেহ কি তাহাতে অংশীদার? ফলে তোমরা কি এই ব্যাপারে সমান? তোমরা কি উহাদেরকে সেইরূপ ভয় কর যেইরূপ তোমরা পরস্পর পরস্পরকে ভয় কর? এইভাবেই আমি বোধশক্তিসম্পন্ন লোকদের নিকট নিদর্শনাবলী বিবৃত করি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের নিজেদের থেকেই একটি দৃষ্টান্ত পেশ করছেন: তোমাদেরকে আমরা যে রিযিক দিয়েছি, তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস - দাসীদের কেউ কি তাতে অংশীদার? এবং তোমরা এই অংশীদারিত্বের ব্যাপারে কি সমান অধিকারী? তোমরা কি তাদেরকে সে রকম ভয় করো যে রকম তোমাদের পরস্পরকে ভয় করো? এভাবেই আমরা আয়াত বর্ণনা করি তফসিলসহ সমুঝদার লোকদের জন্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ তোমাদের জন্য তোমাদের নিজেদের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত পেশ করিতেছেন : তোমাদেরকে আমি যে রিযিক দিয়াছি, তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস - দাসিগণের কেহ কি তাহাতে অংশীদার ? ফলে তোমরা কি এই ব্যাপারে সমান ? তোমরা কি উহাদেরকে সেইরূপ ভয় কর যেইরূপ তোমরা পরস্পর পরস্পরকে ভয় কর ? এইভাবেই আমি বোধশক্তিসম্পন্ন লোকদের নিকট নিদর্শনাবলী বিবৃত করি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং যালিমরা জ্ঞান ছাড়াই তাদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে। সুতরাং যাকে পথভ্রষ্ট করেন কে তাকে হিদায়াত করবে? আর তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই।

সমকালীন বাংলা

বরং সীমালংঘনকারীরা অজ্ঞানতাবশত তাহাদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে, সুতরাং যাহাকে পথভ্রষ্ট করিয়াছেন, কে তাহাকে সৎপথে পরিচালিত করিবে? আর তাহাদের কোন সাহায্যকারী নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং যালিমরা না জেনে শুনে তাদের খেয়াল খুশিরই অনুগামী হয়ে চলছে। যাকে বিপথগামী করে দেন, কে তাকে সঠিক পথে চালাবে? আর তাদের জন্যে কোনো সাহায্যকারীই থাকবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরং সীমালংঘনকারীরা অজ্ঞানতাবশত তাহাদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে, সুতরাং ‌ যাহাকে পথভ্রষ্ট করিয়াছেন, কে তাহাকে সৎপথে পরিচালিত করিবে? আর তাহাদের কোন সাহায্যকারী নাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি একনিষ্ঠ হয়ে দীনের জন্য নিজকে প্রতিষ্ঠিত রাখ। আল্লাহর প্রকৃতি*, যে প্রকৃতির উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই। এটাই প্রতিষ্ঠিত দীন; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না। * فطرة স্বভাব, প্রকৃতি। মহান মানুষকে যে সহজাত প

সমকালীন বাংলা

তুমি একনিষ্ঠ হইয়া নিজকে দীনে প্রতিষ্ঠিত কর। প্রকৃতির অনুসরণ কর, যে প্রকৃতি অনুযায়ী তিনি মানুষ সৃষ্টি করিয়াছেন ; সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নাই। ইহাই সরল দীন ; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি একনিষ্ঠভাবে নিজেকে দীনের জন্যে কায়েম করো। আল্লাহর ফিতরতের (প্রকৃতির) উপর প্রতিষ্ঠিত হও, যে ফিতরতের উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টি - প্রকৃতির কোনো পরিবর্তন হয়না। এটাই সঠিক সুষম দীন। তবে অধিকাংশ মানুষই জানেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি একনিষ্ঠ হইয়া নিজকে দীনে প্রতিষ্ঠিত কর। ‌র প্রকৃতির অনুসরণ কর, যে প্রকৃতি অনুযায়ী তিনি মানুষ সৃষ্টি করিয়াছেন ; ‌র সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নাই। ইহাই সরল দীন ; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাঁর অভিমুখী হয়ে তাঁকে ভয় কর, কায়েম কর, আর মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

সমকালীন বাংলা

বিশুদ্ধচিত্তে তাঁহার অভিমুখী হইয়া তাহাকে ভয় কর, কায়েম কর এবং অন্তর্ভুক্ত হইও না মুশরিকদের,

আবদুস শহীদ নাসিম

বিনীত হৃদয়ে তাঁর অভিমুখী হও এবং তাঁকে ভয় করো, কায়েম করো আর মুশরিকদের অন্তরভুক্ত হয়োনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বিশুদ্ধচিত্তে তাঁহার অভিমুখী হইয়া তাহাকে ভয় কর, কায়েম কর এবং অন্তর্ভুক্ত হইও না মুশরিকদের,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা নিজদের দীনকে বিভক্ত করেছে এবং যারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে (তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না)। প্রত্যেক দলই নিজদের যা আছে তা নিয়ে আনন্দিত।

সমকালীন বাংলা

যাহারা নিজেদের দীনে মতভেদ সৃষ্টি করিয়াছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হইয়াছে। প্রত্যকে দলই নজি নজি মতবাদ নয়িে উল্লসতি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা নিজেদের দীনের মধ্যে বিভিন্ন মত সৃষ্টি করেছে, তারা বিভিন্ন দলে - উপদলে বিভক্ত হয়েছে। প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মত নিয়ে উৎফুল্ল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা নিজেদের দীনে মতভেদ সৃষ্টি করিয়াছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হইয়াছে। প্রত্যকে দলই নিজ নিজ মতবাদ লইয়া উৎফুল্ল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে তখন তারা তাদের রবের প্রতি বিনীতভাবে ফিরে এসে তাকে ডাকে। তারপর যখন তিনি তাদের স্বীয় রহমত আস্বাদন করান, তখন তাদের মধ্যকার একটি দল তাদের রবের সাথে শরীক করে;

সমকালীন বাংলা

মানুষকে যখন দুঃখ - দৈন্য স্পর্শ করে তখন উহারা বিশুদ্ধচিত্তে উহাদের প্রতিপালককে ডাকে। অতঃপর তিনি যখন উহাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহ আস্বাদন করান তখন উহাদের একদল উহাদের প্রতিপালকের শরীক করিয়া থাকে;

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষকে যখন দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করে, তখন তারা তাদের প্রভুকে ডাকে তাঁর প্রতি বিনীত হয়ে। আবার যখন তিনি তাদেরকে তাঁর অনুগ্রহের কিছু স্বাদ আস্বাদন করান, তখন তাদের একদল তাদের প্রভুর সাথে শিরক করতে থাকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষকে যখন দুঃখ - দৈন্য স্পর্শ করে তখন উহারা বিশুদ্ধচিত্তে উহাদের প্রতিপালককে ডাকে। অতঃপর তিনি যখন উহাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহ আস্বাদন করান তখন উহাদের একদল উহাদের প্রতিপালকের শরীক করিয়া থাকে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলে আমি তাদের যা দিয়েছি তার প্রতি তারা অকৃতজ্ঞ হয়। সুতরাং তোমরা ভোগ করে নাও। শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে।

সমকালীন বাংলা

ফলে উহাদেরকে আমি যাহা দিয়াছি, তাহা উহারা অস্বীকার করে। সুতরাং ভোগ করিয়া লও, শীঘ্রই তোমরা জানিতে পারিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদেরকে আমরা যা দিয়েছি তার প্রতি কুফুরি করার জন্যে। সুতরাং ভোগ বিলাস করে নাও, শীঘ্রি তোমরা জানতে পারবে (এর পরিণতি)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে উহাদেরকে আমি যাহা দিয়াছি, তাহা উহারা অস্বীকার করে। সুতরাং ভোগ করিয়া লও, শীঘ্রই তোমরা জানিতে পারিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি কি তাদের প্রতি এমন কোন প্রমাণ নাযিল করেছি, যা তাদের শরীক করতে বলে?

সমকালীন বাংলা

আমি কি উহাদের নিকট এমন কোন দলীল অবতীর্ণ করিয়াছি যাহা উহাদেরকে শরীক করিতে বলে?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি আমরা তাদের কাছে কোনো সনদ পাঠিয়েছি এবং সেটি আল্লাহর সাথে শিরক করার ব্যাপারে তাদের পক্ষে কথা বলে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি কি উহাদের নিকট এমন কোন দলীল অবতীর্ণ করিয়াছি যাহা উহাদেরকে শরীক করিতে বলে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি যখন মানুষকে রহমতের স্বাদ আস্বাদন করাই তখন তারা তাতে আনন্দিত হয়। আর যদি তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের উপর অকল্যাণ পৌঁছে তখন তারা হতাশ হয়ে পড়ে।

সমকালীন বাংলা

আমি যখন মানুষকে অনুগ্রহের আস্বাদ দেই উহারা তাহাতে হয় এবং উহাদের কৃতকর্মের ফলে দুর্দশাগ্রস্ত হইলেই উহারা হতাশ হইয়া পড়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখনই আমরা মানুষকে আমাদের অনুগ্রহের কিছু স্বাদ আস্বাদন করাই, তখন তারা উৎফুল্ল হয়ে উঠে। আবার তাদেরকে যখন কোনো দুঃখ - দুর্দশা স্পর্শ করে তাদের কৃতকর্মের কারণে, তখন তারা হয়ে পড়ে নিরাশ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি যখন মানুষকে অনুগ্রহের আস্বাদ দেই উহারা তাহাতে উৎফুল্ল হয় এবং উহাদের কৃতকর্মের ফলে দুর্দশাগ্রস্ত হইলেই উহারা হতাশ হইয়া পড়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি দেখেনি, নিশ্চয় যার জন্য ইচ্ছা রিয্ক প্রশস্ত করেন এবং সঙ্কুচিত করেন। নিশ্চয় এতে নিদর্শনাবলী রয়েছে সেই কওমের জন্য, যারা ঈমান আনে।

সমকালীন বাংলা

উহারা কি লক্ষ্য করে না, যাহার জন্য ইচ্ছা রিযিক প্রশস্তকরেন এবং সীমিত করেন? ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে সম্প্রদায়ের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি দেখেনা, যার জন্যে ইচ্ছা রিযিক প্রশস্ত করে দেন এবং (যাকে ইচ্ছা) সীমিত করে দেন? এতেও বিশ্বাসীদের জন্যে রয়েছে অনেক নিদর্শন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি লক্ষ্য করে না, ‌ যাহার জন্য ইচ্ছা রিযিক প্রশস্ত করেন এবং সীমিত করেন ? ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে সম্প্রদায়ের জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব আত্মীয়-স্বজনকে তাদের হক দিয়ে দাও এবং মিসকীন ও মুসাফিরকেও। এটি উত্তম তাদের জন্য, যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি চায় এবং তারাই ।

সমকালীন বাংলা

অতএব আত্মীয়কে দিবে তাহার হক এবং অভাবগ্রস্তও মুসাফিরকেও। যাহারা সন্তুষ্টি কামনা করে তাহাদের জন্য ইহা শ্রেয় এবং তাহারাই ।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, আত্মীয়দের দিয়ে দাও তাদের হক এবং মিসকিন (অভাবী) আর পথিকদেরকেও। এটাই কল্যাণকর সেইসব লোকদের জন্যে যারা এরাদা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের, আর তারাই হবে সফলতা অর্জনকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব আত্মীয়কে দিবে তাহার হক এবং অভাবগ্রস্ত ও মুসাফিরকেও। যাহারা ‌র সন্তুষ্টি কামনা করে তাহাদের জন্য ইহা শ্রেয় এবং তাহারাই ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা যে সূদ দিয়ে থাক, মানুষের সম্পদে বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য তা মূলতঃ আল্লাহর কাছে বৃদ্ধি পায় না। আর তোমরা যে যাকাত দিয়ে থাক আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে (তাই বৃদ্ধি পায়) এবং তারাই বহুগুণ সম্পদ প্রাপ্ত।

সমকালীন বাংলা

মানুষের ধনে বৃদ্ধি পাইবে বলিয়া তোমরা যে সুদ দিয়া থাক, আল্লাহর দৃষ্টিতে তাহা ধন - সম্পদ বৃদ্ধি করে না। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য যে যাকাত তোমরা দিয়া থাক তাহাই বৃদ্ধি পায়; উহারাই সমৃদ্ধিশালী।

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষের অর্থ - সম্পদে বৃদ্ধি পাওয়ার উদ্দেশ্যে তোমরা যে সূদ দিয়ে থাকো, আল্লাহর দৃষ্টিতে তা অর্থ - সম্পদ বৃদ্ধি করেনা। তবে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তোমরা যে যাকাত দিয়ে থাকো, তাই বৃদ্ধি পায় এবং তারাই বৃদ্ধিকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের ধনে বৃদ্ধি পাইবে বলিয়া তোমরা যে সুদ দিয়া থাক, ‌র দৃষ্টিতে তাহা ধন - সম্পদ বৃদ্ধি করে না। কিন্তু ‌র সন্তুষ্টি লাভের জন্য যে যাকাত তোমরা দিয়া থাক তাহাই বৃদ্ধি পায়; উহারাই সমৃদ্ধিশালী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেই সত্তা যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাদেরকে রিয্ক দিয়েছেন। এরপর তিনি তোমাদের মৃত্যু দেবেন, পরে আবার তোমাদের জীবন দেবেন। তোমাদের শরীকদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি, যে এ থেকে কোন কিছু করতে পারবে? তিনি পবিত্র এবং তারা যাদের শরীক করে তা থেকে তিন

সমকালীন বাংলা

আল্লাহই তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন, অতঃপর তোমাদেরকে রিযিক দিয়াছেন, তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাইবেন ও পরে তোমাদেরকে জীবিত করিবেন। তোমাদের দেব - দেবীগুলির এমন কেহ আছে কি, যে এ সমস্তের কোন কিছু করিতে পারে? উহারা যাহাদেরকে শরীক করে, তা থাকলে পবত্রি ও মহান।

আবদুস শহীদ নাসিম

, তিনিই তো তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাদের রিযিক দিয়েছেন, তারপর তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, তারপর তোমাদের পুনরায় জীবিত করবেন। তোমরা যাদেরকে আল্লাহর শরিকদার বানিয়েছো, তাদের কেউ কি এসবের কিছু করতে পারে? তারা যাদেরকে আল্লাহর শরিক বানায়, তা থেকে পবিত্র, মহান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন, অতঃপর তোমাদেরকে রিযিক দিয়াছেন, তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাইবেন ও পরে তোমাদেরকে জীবিত করিবেন। তোমাদের দেব - দেবীগুলির এমন কেহ আছে কি, যে এ সমস্তের কোন কিছু করিতে পারে? উহারা যাহাদেরকে শরীক করে, ‌ উহা হইতে পবিত্র, মহান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মানুষের কৃতকর্মের দরুন স্থলে ও সমুদ্রে ফাসাদ প্রকাশ পায়। যার ফলে তাদের কতিপয় কৃতকর্মের স্বাদ তাদেরকে আস্বাদন করান, যাতে তারা ফিরে আসে।

সমকালীন বাংলা

মানুষের কৃতকর্মের দরুন স্থলে ও সমুদ্রে বিপর্যয় ছড়াইয়া পড়ে; যাহার ফলে উহাদেরকে উহাদের কোন কোন কর্মের শাস্তি তিনি আস্বাদন করান, যাহাতে উহারা ফিরিয়া আসে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে স্থলে ও সমুদ্রে মানুষের কর্মফলে, এরি মাধ্যমে তাদের কোনো কোনো কাজের শাস্তি তাদের আস্বাদন করান, যাতে করে তারা ফিরে আসে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের কৃতকর্মের দরুন স্থলে ও সমুদ্রে বিপর্যয় ছড়াইয়া পড়ে; যাহার ফলে উহাদেরকে উহাদের কোন কোন কর্মের শাস্তি তিনি আস্বাদন করান, যাহাতে উহারা ফিরিয়া আসে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা যমীনে ভ্রমণ কর। অতঃপর দেখ পূর্ববর্তীদের পরিণাম কিরূপ হয়েছিল’। তাদের অধিকাংশই ছিল মুশরিক।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ কর এবং দেখ তোমাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কী হইয়াছে !’ উহাদের অধিকাংশই ছিল মুশরিক।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: পৃথিবীতে ভ্রমণ করে দেখো, তোমাদের আগেকার লোকদের কী পরিণতি হয়েছিল? তাদের অধিকাংশই ছিলো মুশরিক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ কর এবং দেখ তোমাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কী হইয়াছে !’ উহাদের অধিকাংশই ছিল মুশরিক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাই তুমি তোমার নিজকে সরল-সঠিক দীনের উপর কায়েম রাখ, আল্লাহর পক্ষ থেকে সেদিন আসার পূর্বে, যা ফেরানো যাবে না। সেদিন তারা বিভক্ত হয়ে পড়বে।

সমকালীন বাংলা

তুমি সরল দীনে নিজকে প্রতিষ্ঠিত কর, পক্ষ হইতে যে দিবস অনিবার্য তাহা উপস্থিত হইবার পূর্বে, সেই দিন মানুষ বিভক্ত হইয়া পড়িবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি নিজেকে কায়েম করো সঠিক সুষম দীনের উপর সেই দিনটি আসার আগেই, আল্লাহর পক্ষ থেকে যে দিনটির আগমন কেউই রুখতে পারবেনা। সেদিন মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়বে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি সরল দীনে নিজকে প্রতিষ্ঠিত কর, ‌র পক্ষ হইতে যে দিবস অনিবার্য তাহা উপস্থিত হইবার পূর্বে, সেই দিন মানুষ বিভক্ত হইয়া পড়িবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে করে তার কুফরীর পরিণাম তার উপরই। আর যারা সৎকর্ম করে তারা তাদের নিজদের জন্য শয্যা রচনা করে।

সমকালীন বাংলা

যে করে, কুফরীর শাস্তিতাহারই প্রাপ্য; যাহারা সৎকর্ম করে তাহারা নিজেদেরই জন্য রচনা করে সুখশয্যা।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে কুফুরি করে, তারই উপর পড়বে কুফুরির শাস্তি। আর যারা আমলে সালেহ্ করে তারা নিজেদের জন্যেই রচনা করে সুখশয্যা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে করে, কুফরীর শাস্তি তাহারই প্রাপ্য; যাহারা সৎকর্ম করে তাহারা নিজেদেরই জন্য রচনা করে সুখশয্যা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেন তিনি স্বীয় অনুগ্রহে প্রতিদান দেন, যারা ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে তাদেরকে। নিশ্চয় তিনি কাফিরদের ভালবাসেন না।

সমকালীন বাংলা

কারণ যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদেরকে নিজ অনুগ্রহে পুরস্কৃত করেন। তিনি কাফিরদেরকে পসন্দ করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে করে, যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে পুরস্কৃত করেন। নিশ্চয়ই কাফিরদের পছন্দ করেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কারণ যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে ‌ তাহাদেরকে নিজ অনুগ্রহে পুরস্কৃত করেন। তিনি কাফিরদেরকে পসন্দ করেন না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে, তিনি বাতাস প্রেরণ করেন [বৃষ্টির] সুসংবাদ বহনকারী হিসেবে এবং যাতে তিনি তোমাদেরকে তাঁর রহমত আস্বাদন করাতে পারেন এবং যাতে তাঁর নির্দেশে নৌযানগুলো চলাচল করে, আর যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ থেকে কিছু সন্ধান করতে পার। আর যাতে তোমর

সমকালীন বাংলা

তাঁহার নিদর্শনাবলীর একটি যে, তিনি বায়ু প্রেরণ করেন সুসংবাদ দিবার জন্য ও তোমাদেরকে তাঁহার অনুগ্রহ আস্বাদন করাইবার জন্য; এবং যাহাতে তাঁহার নির্দেশে নৌযানগুলি বিচরণ করে, যাহাতে তোমরা তাঁহার অনুগ্রহ সন্ধান করিতে পার ও তাঁহার প্রতি কৃতজ্ঞ হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর নিদর্শনাবলির একটি হলো, তোমাদেরকে সুসংবাদ দেয়ার জন্যে এবং তোমাদেরকে তাঁর রহমত থেকে আস্বাদন করানোর জন্যে তিনি বাতাস পাঠান, এছাড়া তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী যেনো নৌযানগুলো চলাচল করে এবং তোমরা যেনো শোকর আদায় করতে পারো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাঁহার নিদর্শনাবলীর একটি যে, তিনি বায়ু প্রেরণ করেন সুসংবাদ দিবার জন্য ও তোমাদেরকে তাঁহার অনুগ্রহ আস্বাদন করাইবার জন্য; এবং যাহাতে তাঁহার নির্দেশে নৌযানগুলি বিচরণ করে, যাহাতে তোমরা তাঁহার অনুগ্রহ সন্ধান করিতে পার ও তাঁহার প্রতি কৃতজ্ঞ হও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি তোমার পূর্বে রাসূলগণকে তাদের কওমের নিকট পাঠিয়েছিলাম। অতঃপর তারা তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে এসেছিল। অতঃপর যারা অপরাধ করেছিল আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করলাম। আর মুমিনদেরকে সাহায্য করা তো আমার কর্তব্য।

সমকালীন বাংলা

আমি তো তোমার পূর্বে রাসূলগণকে প্রেরণ করিয়াছিলাম তাহাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ের নিকট। তাহারা উহাদের নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শন লইয়া আসিয়াছিল; অতঃপর আমি অপরাধীদেরকে শাস্তি দিয়াছিলাম। মু’মিনদেরকে সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগে আমরা বহু রসূল পাঠিয়েছি তাদের নিজ নিজ কওমের কাছে। তারা তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে এসেছিল। তারপর আমরা অপরাধীদের থেকে প্রতিশোধ নিয়েছিলাম। আর মুমিনদের সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো তোমার পূর্বে রাসূলগণকে প্রেরণ করিয়াছিলাম তাহাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ের নিকট। তাহারা উহাদের নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শন লইয়া আসিয়াছিল; অতঃপর আমি অপরাধীদেরকে শাস্তি দিয়াছিলাম। মু’মিনদেরকে সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

, যিনি বাতাস প্রেরণ করেন ফলে তা মেঘমালাকে ধাওয়া করে; অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে খন্ড- বিখন্ড করে দেন, ফলে তুমি দেখতে পাও, তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বারিধারা। অতঃপর যখন তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের উপর ইচ্ছা বারি বর্ষণ

সমকালীন বাংলা

তিনি বায়ু প্রেরণ করেন, ফলে ইহা মেঘমালাকে সঞ্চালিত করে; অতঃপর তিনি ইহাকে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়াইয়া দেন; পরে ইহাকে খণ্ড - বিখণ্ড করেন এবং তুমি দেখিতে পাও উহা হইতে নির্গত হয় বারিধারা; অতঃপর যখন তিনি তাঁহার বান্দাদের মধ্যে যাহাদের নিকট ইচ্ছা পৌঁছান; তখন উহার হয় হর্ষোৎফুল্ল,

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই বাতাস পাঠান, তা মেঘমালাকে উড়িয়ে নিয়ে চলে, তারপর তিনি এগুলোকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন। পরে এগুলো খন্ড খন্ড করেন এবং তুমি দেখতে পাও সেগুলো থেকে বেরিয়ে আসে বারিধারা, তখন তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের ইচ্ছে তা পৌঁছে দেন, তখন তারা হয়ে উঠে চরম আনন্দিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌, তিনি বায়ু প্রেরণ করেন, ফলে ইহা মেঘমালাকে সঞ্চালিত করে; অতঃপর তিনি ইহাকে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়াইয়া দেন; পরে ইহাকে খণ্ড - বিখণ্ড করেন এবং তুমি দেখিতে পাও উহা হইতে নির্গত হয় বারিধারা; অতঃপর যখন তিনি তাঁহার বান্দাদের মধ্যে যাহাদের নিকট ইচ্ছা উহা পৌঁছাইয়া দেন; তখন উহারা হয় হর্ষোৎফুল্ল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যদিও এর আগে তাদের প্রতি বৃষ্টি বর্ষণের পূর্বে তারা ছিল নিরাশ।

সমকালীন বাংলা

যদিও ইতিপূর্বে উহাদের প্রতি বৃষ্টি বর্ষণের আগে উহারা নিরাশ ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদিও ইতোপূর্বে বৃষ্টি নাযিলের আগে তারা ছিলো হতাশ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদিও ইতিপূর্বে উহাদের প্রতি বৃষ্টি বর্ষণের আগে উহারা নিরাশ ছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি আল্লাহর রহমতের চি‎হ্নসমূহের প্রতি দৃষ্টি দাও। কিভাবে তিনি যমীনের মৃত্যুর পর তা জীবিত করেন। নিশ্চয় এভাবেই তিনি মৃতকে জীবিত করেন এবং তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান।

সমকালীন বাংলা

অনুগ্রহের ফল সম্বন্ধে চিন্তা কর, কিভাবে তিনি ভূমিকে জীবিত করেন উহার মৃত্যুর

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব আল্লাহর রহমতের প্রভাব সম্পর্কে চিন্তা করো, তিনি কিভাবে জমিনকে মরে (শুকিয়ে) যাবার পর আবার জীবিত করেন। এভাবেই তিনি মৃতদের জীবিত করবেন। তিনি প্রতিটি বিষয়ে শক্তিমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র অনুগ্রহের ফল সম্বন্ধে চিন্তা কর, কিভাবে তিনি ভূমিকে জীবিত করেন উহার মৃত্যুর পর। এইভাবেই ‌ মৃতকে জীবিত করেন, কারণ তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি আমি এমন বাতাস প্রেরণ করি যার ফলে তারা শস্যকে হলুদ রঙের দেখতে পায়। তখন তো তারা অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে।

সমকালীন বাংলা

আর আমি যদি এমন বায়ু প্রেরণ করি যাহার ফলে উহারা দেখে শস্য পীতবর্ণ ধারণ করিয়াছে, তখন তো উহারা অকৃতজ্ঞ হইয়া পড়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যদি এমন বাতাস পাঠাই যার ফলস্বরূপ তারা দেখে শস্য হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে, তখন তারা অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি যদি এমন বায়ু প্রেরণ করি যাহার ফলে উহারা দেখে শস্য পীতবর্ণ ধারণ করিয়াছে, তখন তো উহারা অকৃতজ্ঞ হইয়া পড়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তুমি মৃতকে শুনাতে পারবে না, না পারবে বধিরকে আহবান শুনাতে, যখন তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে ফিরে যায়।

সমকালীন বাংলা

তুমি তো মৃতকে শোনাইতে পারিবে না, বধিরকেও পারিবে না আহ্বান শোনাইতে, যখন উহারা মুখ ফিরাইয়া চলিয়া যায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি মৃতকে শুনাতে পারবেনা, বধিরকেও পারবেনা তোমার আহবান শুনাতে, যেহেতু তারা মুখ ফিরিয়ে চলে যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি তো মৃতকে শোনাইতে পারিবে না, বধিরকেও পারিবে না আহ্বান শোনাইতে, যখন উহারা মুখ ফিরাইয়া চলিয়া যায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি অন্ধদেরকেও তাদের ভ্রষ্টতা থেকে হিদায়াতে আনতে পারবে না, তুমি শুধু তাদেরই শুনাতে পারবে যারা আমার আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান আনে, কারণ তারা আত্মসমর্পনকারী।

সমকালীন বাংলা

আর তুমি অন্ধকেও পথে আনিতে পারিবে না উহাদের পথভ্রষ্টতা হইতে। যাহারা আমার নিদর্শনাবলীতে বিশ্বাস করে শুধু তাহাদেরকেই তুমি শোনাইতে পারিবে, কারণ তাহারা আত্মসমর্পণকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি অন্ধদের সঠিক পথে আনতে পারবেনা তাদের বিপথগামিতা থেকে। তুমি তো শুনাতে পারবে তাদেরকেই, যারা ঈমান আনে আমাদের আয়াতের প্রতি, তারপর আত্মসমর্পণ করে দেয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তুমি অন্ধকেও পথে আনিতে পারিবে না উহাদের পথভ্রষ্টতা হইতে। যাহারা আমার নিদর্শনাবলীতে বিশ্বাস করে শুধু তাহাদেরকেই তুমি শোনাইতে পারিবে, কারণ তাহারা আত্মসমর্পণকারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন দুর্বল বস্তু থেকে এবং দুর্বলতার পর তিনি শক্তি দান করেন। আর শক্তির পর তিনি আবার দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং তিনিই সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

সমকালীন বাংলা

তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেন দুর্বল অবস্থায়, দুর্বলতার পর তিনি দেন শক্তি ; শক্তির পর আবার দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যাহা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং তিনিই সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

, তিনিই তোমাদের সৃষ্টি করেন দুর্বল অবস্থায়। তারপর দুর্বলতার পরে দেন শক্তি। শক্তির পর পুনরায় দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। তিনি সর্বজ্ঞানী, সর্বশক্তিমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌, তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেন দুর্বল অবস্থায়, দুর্বলতার পর তিনি দেন শক্তি ; শক্তির পর আবার দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যাহা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং তিনিই সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যেদিন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে সেদিন অপরাধীরা কসম করে বলবে যে, তারা মুহূর্তকালের বেশী অবস্থান করেনি। এভাবেই তারা সত্যবিমুখ থেকেছে।

সমকালীন বাংলা

যেদিন কিয়ামত হইবে সেদিন অপরাধীরা শপথ করিয়া বলিবে যে, তাহারা মুহূর্তকালের বেশি অবস্থান করে নাই। এইভাবেই তাহারা সত্যভ্রষ্ট হইত।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে, সেদিন অপরাধীরা কসম খেয়ে বলবে: তারা ঘণ্টাখানেকের বেশি অবস্থান করেনি। এভাবেই তারা (দুনিয়ার জীবনেও) হতো সত্যভ্রষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন কিয়ামত হইবে সেদিন অপরাধীরা শপথ করিয়া বলিবে যে, তাহারা মুহূর্তকালের বেশি অবস্থান করে নাই। এইভাবেই তাহারা সত্যভ্রষ্ট হইত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যাদেরকে জ্ঞান ও ঈমান দেয়া হয়েছে তারা বলবে, ‘তোমরা আল্লাহর বিধান মত পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবস্থান করেছ। আর এটি পুনরুত্থান দিবস। কিন্তু তোমরা জানতে না।’

সমকালীন বাংলা

কিন্তু যাহাদেরকে জ্ঞান ও ঈমান দেওয়া হইয়াছে তাহারা বলিবে, ‘তোমরা তো বিধানে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবস্থান করিয়াছ। ইহাই তো পুনরুত্থান দিবস, কিন্তু তোমরা জানিতে না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদেরকে এলেম এবং ঈমান দেয়া হয়েছে, তারা বলবে: তোমরা আল্লাহর রেকর্ড অনুযায়ী পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবস্থান করেছো। আজ সেই পুনরুত্থান দিবস। কিন্তু তোমরা ছিলে অজ্ঞ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু যাহাদেরকে জ্ঞান ও ঈমান দেওয়া হইয়াছে তাহারা বলিবে, ‘তোমরা তো ‌র বিধানে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবস্থান করিয়াছ। ইহাই তো পুনরুত্থান দিবস, কিন্তু তোমরা জানিতে না।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যারা যুলম করেছে, সেদিন তাদের কোন ওযর-আপত্তি উপকারে আসবে না এবং (আল্লাহকে) সন্তুষ্ট করতেও তাদেরকে বলা হবে না।

সমকালীন বাংলা

সেই দিন সীমালংঘনকারীদের ওযর - আপত্তি উহাদের কাজে আসিবে না এবং উহাদেরকে তওবা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভরে সুযােগও তাদরে দয়ো হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন যালিমদের ওজর আপত্তি কোনো কাজে আসবেনা এবং তাদেরকে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভেরও সুযোগ দেয়া হবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন সীমালংঘনকারীদের ওযর - আপত্তি উহাদের কাজে আসিবে না এবং উহাদেরকে ‌র সন্তুষ্টি লাভের সুযােগও দেওয়া হইবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো মানুষের জন্য এই কুরআনে সব ধরনের দৃষ্টান্ত পেশ করেছি। আর যদি তুমি তাদের কাছে কোন আয়াত নিয়ে আস, তবে অবশ্যই কাফিররা বলবে, ‘তোমরা তো বাতিলপন্থী’।

সমকালীন বাংলা

আমি তো মানুষের জন্য এই কুরআনে সর্বপ্রকার দৃষ্টান্ত দিয়াছি। তুমি যদি উহাদের নিকট কোন নিদর্শন উপস্থিত কর, কাফিররা অবশ্যই বলিবে, ‘তোমরা তো মিথ্যাশ্রয়ী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মানুষের জন্যে এ কুরআনে সব ধরনের দৃষ্টান্ত দিয়েছি। তুমি যদি তাদের সামনে কোনো নিদর্শন হাজিরও করো, কাফিররা অবশ্যি বলবে: ‘তোমরা মিথ্যা বাতিল নিয়ে এসেছো।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো মানুষের জন্য এই কুরআনে সর্বপ্রকার দৃষ্টান্ত দিয়াছি। তুমি যদি উহাদের নিকট কোন নিদর্শন উপস্থিত কর, কাফিররা অবশ্যই বলিবে, ‘তোমরা তো মিথ্যাশ্রয়ী।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

এমনিভাবে মোহর মেরে দেন তাদের হৃদয়সমূহে যারা জানে না।

সমকালীন বাংলা

এমনিভাবে জ্ঞানহীনদের হৃদয় মােহরাঙ্কতি করে দনে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই অজ্ঞ লোকদের অন্তরে সীলমোহর মেরে দেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাদের জ্ঞান নাই ‌ এইভাবে তাহাদের হৃদয় মোহর করিয়া দেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব, তুমি সবর কর। নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা হক। আর যারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে না তারা যেন তোমাকে অস্থির করতে না পারে ।

সমকালীন বাংলা

অতএব তুমি ধৈর্য্ ধারণ কর, নিশ্চয়ই আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। যাহারা দৃঢ় নয় তাহারা যেন তোমাকে বিচলিত করিতে না পারে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, সবর অবলম্বন করো, অবশ্যি আল্লাহর ওয়াদা সত্য। যারা একীন রাখেনা, তারা যেনো তোমাকে (আহবান জানানোর কাজ থেকে) টলাতে না পারে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর, নিশ্চয়ই ‌র প্রতিশ্রুতি সত্য। যাহারা দৃঢ় নয় তাহারা যেন তোমাকে বিচলিত করিতে না পারে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme