You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল ছফ (সারি বা সারিবদ্ধ হওয়া)
Chapter 61, 14 verses
বয়ান ফাউন্ডেশন
সমকালীন বাংলা
মুহিউদ্দীন খান
আবদুস শহীদ নাসিম
বয়ান ফাউন্ডেশন
আসমানসমূহে যা কিছু আছে ও যমীনে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করছে। আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; আকাশসমূহে এবং পৃথিবীতে যা আছে, সবকিছুই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। আর তিনিই মহাশক্তিশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।
মুহিউদ্দীন খান
নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাবান।
আবদুস শহীদ নাসিম
যা কিছু আছে মহাকাশে এবং যা কিছু আছে পৃথিবীতে সবই আল্লাহর তসবিহ্ করে এবং তিনি মহাশক্তিধর, মহাপ্রজ্ঞাবান।
বয়ান ফাউন্ডেশন
হে ঈমানদারগণ, তোমরা তা কেন বল, যা তোমরা কর না?
সমকালীন বাংলা
হে যারা ঈমান এনেছো, তোমরা এমন কথা কেন বলো, যা তোমরা করো না?
মুহিউদ্দীন খান
মুমিনগণ! তোমরা যা কর না, তা কেন বল?
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমরা এমন কথা কেন বলো, যা তোমরা করোনা?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমরা যা কর না, তা বলা আল্লাহর নিকট বড়ই ক্রোধের বিষয়।
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর কাছে এটি অত্যন্ত অপছন্দনীয় যে, তোমরা এমন কথা বলো, যা তোমরা করো না।
মুহিউদ্দীন খান
তোমরা যা কর না, তা বলা আল্লাহর কাছে খুবই অসন্তোষজনক।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা যা করোনা, তোমাদের সেকথা বলাটা আল্লাহর কাছে খুবই অসন্তোষজনক।
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় তাদেরকে ভালবাসেন, যারা তাঁর পথে সারিবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করে যেন তারা সীসা ঢালা প্রাচীর।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই তাদেরকে ভালোবাসেন, যারা তাঁর পথে এমনভাবে সারিবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করে, যেন তারা সীসা দিয়ে গাঁথা এক সুদৃঢ় প্রাচীর।
মুহিউদ্দীন খান
তাদেরকে ভালবাসেন, যারা তাঁর পথে সারিবদ্ধভাবে লড়াই করে, যেন তারা সীসাগালানো প্রাচীর।
আবদুস শহীদ নাসিম
সেইসব লোকদের ভালোবাসেন, যারা তাঁর পথে লড়াই করে সীসা ঢেলে তৈরি করা মজবুত প্রাচীরের মতো সারিবদ্ধ হয়ে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর মূসা যখন তার সম্প্রদায়কে বলেছিল, ‘হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা আমাকে কেন কষ্ট দিচ্ছ, অথচ তোমরা নিশ্চয় জান যে, আমি অবশ্যই তোমাদের নিকট আল্লাহর রাসূল’। অতঃপর তারা যখন বাঁকাপথ অবলম্বন করল, তখন তাদের হৃদয়গুলোকে বাঁকা করে দিলেন। আর পাপাচারী সম্প্র
সমকালীন বাংলা
আর যখন মূসা তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলেন, “হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা আমাকে কেন কষ্ট দিচ্ছো? অথচ তোমরা তো জানো যে, আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর রাসূল।” অতঃপর যখন তারা বক্রপথে চলল, তখন তাদের অন্তরকে বক্র করে দিলেন। আর অবাধ্য জাতিকে পথনির্দেশ করেন না।
Note
বক্রপথে বা বাঁকা পথে
মুহিউদ্দীন খান
স্মরণ কর, যখন মূসা (আঃ) তাঁর সম্প্রদায়কে বললঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা কেন আমাকে কষ্ট দাও, অথচ তোমরা জান যে, আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর রসূল। অতঃপর তারা যখন বক্রতা অবলম্বন করল, তখন তাদের অন্তরকে বক্র করে দিলেন। পাপাচারী সম্প্রদায়কে পথপ্রদর্শন করেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
মূসা যখন তার কওমকে বলেছিল: ‘হে আমার কওম! তোমরা কেন আমাকে কষ্ট দাও? অথচ তোমরা তো জানো, আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর রসূল। তারপর তারা যখন বক্রতা অবলম্বন করে তখন আল্লাহ্ও তাদের অন্তরকে বক্র করে দেন। ফাসিকদের সঠিক পথ দেখাননা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যখন মারইয়াম পুত্র ঈসা বলেছিল, ‘হে বনী ইসরাঈল, নিশ্চয় আমি তোমাদের নিকট আল্লাহর রাসূল। আমার পূর্ববর্তী তাওরাতের সত্যায়নকারী এবং একজন রাসূলের সুসংবাদদাতা যিনি আমার পরে আসবেন, যার নাম আহমদ’। অতঃপর সে যখন সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নিয়ে আগমন করল, তখন তারা বলল, ‘এ
সমকালীন বাংলা
আর যখন মারইয়ামের পুত্র ঈসা বলেছিলেন, “হে ইসরাঈলের সন্তানগণ, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর রাসূল; আমার পূর্বে যে তাওরাত রয়েছে, আমি তার সত্যায়নকারী এবং আমার পরে এমন এক রাসূলের সুসংবাদদাতা, যার নাম আহমাদ।” অতঃপর যখন তিনি তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এলেন, তারা বলল, “এ তো স্পষ্ট জাদু।”
মুহিউদ্দীন খান
স্মরণ কর, যখন মরিয়ম - তনয় ঈসা (আঃ) বললঃ হে বনী ইসরাইল! আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমার পূর্ববর্তী তওরাতের আমি সত্যায়নকারী এবং আমি এমন একজন রসূলের সুসংবাদদাতা, যিনি আমার পরে আগমন করবেন। তাঁর নাম আহমদ। অতঃপর যখন সে স্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আগমন করল, তখন তারা বললঃ এ তো এক প্রকাশ্য যাদু।
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, মরিয়মের পুত্র ঈসা যখন বলেছিল: ‘হে বনি ইসরাঈল! আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর রসূল। আমার আগে থেকেই তোমাদের কাছে যে তাওরাত রয়েছে আমি তার সত্যায়ন করছি এবং আমি সুসংবাদ দিচ্ছি, আমার পরে একজন রসূল আসবেন, তাঁর নাম হবে আহমদ।’ তারপর সে (আহমদ) যখন স্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে তাদের কাছে এলো, তারা বললো: ‘এতো এক স্পষ্ট ম্যাজিক।’
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেই ব্যক্তির চেয়ে অধিক যালিম আর কে? যে সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে, অথচ তাকে ইসলামের দিকে আহবান করা হয়। আর যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়াত করেন না।
সমকালীন বাংলা
আর তার চেয়ে বড় যালিম আর কে, যে আল্লাহর সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে, অথচ তাকে ইসলামের দিকে আহ্বান করা হয়? আর যালিম জাতিকে পথনির্দেশ করেন না।
মুহিউদ্দীন খান
যে ব্যক্তি ইসলামের দিকে আহুত হয়েও সম্পর্কে মিথ্যা বলে; তার চাইতে অধিক যালেম আর কে? যালেম সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যাকে ইসলামের দিকে ডাকা সত্ত্বেও সে মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর প্রতি আরোপ করে? যালিম লোকদের সঠিক পথে পরিচালিত করেন না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নিভিয়ে দিতে চায়, কিন্তু তাঁর নূরকে পূর্ণতাদানকারী। যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে।
সমকালীন বাংলা
তারা তাদের মুখের ফুঁ দিয়ে আল্লাহর নূর নিভিয়ে দিতে চায়। কিন্তু তাঁর নূর পূর্ণ করবেন, যদিও অস্বীকারকারীরা তা অপছন্দ করে।
মুহিউদ্দীন খান
তারা মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়। তাঁর আলোকে পূর্ণরূপে বিকশিত করবেন যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে দিতে চায় আল্লাহর নূরকে, অথচ তাঁর নূরকে পরিপূর্ণ উদ্ভাসিত করবেনই, কাফিররা তা অপছন্দ করলেও।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনিই তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও সত্যদ্বীন দিয়ে প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি সকল দ্বীনের উপর তা বিজয়ী করে দেন। যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।
সমকালীন বাংলা
তিনিই যিনি তাঁর রাসূলকে পথনির্দেশ এবং সত্য ধর্মসহ প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি একে সব ধর্মের উপর বিজয়ী করেন, যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি তাঁর রসূলকে পথ নির্দেশ ও সত্যধর্ম নিয়ে প্রেরণ করেছেন, যাতে একে সবধর্মের উপর প্রবল করে দেন যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তো সেই মহান সত্তা, যিনি তাঁর রসূলকে হিদায়াত এবং সত্য দীন দিয়ে পাঠিয়েছেন, তাকে অন্যসব দীনের উপর বিজয়ী করার উদ্দেশ্যে, মুশরিকরা তা অপছন্দ করলেও।
বয়ান ফাউন্ডেশন
হে ঈমানদারগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক ব্যবসায়ের সন্ধান দেব, যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আযাব থেকে রক্ষা করবে?
সমকালীন বাংলা
হে যারা ঈমান এনেছো, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বাণিজ্যের সন্ধান দেবো , যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে?
মুহিউদ্দীন খান
মুমিনগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বানিজ্যের সন্ধান দিব, যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে মুক্তি দেবে?
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! আমি কি তোমাদের এমন এক তিজারতের (ব্যবসায়ের) সংবাদ দেবো, যা তোমাদের নাজাত (মুক্তি) দেবে বেদনাদায়ক আযাব থেকে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তোমরা আল্লাহর প্রতি ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনবে এবং তোমরা তোমাদের ধন-সম্পদ ও জীবন দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জানতে।
সমকালীন বাংলা
তোমরা ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনবে এবং আল্লাহর পথে তোমাদের সম্পদ ও জীবন দিয়ে সংগ্রাম করবে। এটি তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।
মুহিউদ্দীন খান
তা এই যে, তোমরা ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে এবং আল্লাহর পথে নিজেদের ধন - সম্পদ ও জীবনপণ করে জেহাদ করবে। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম; যদি তোমরা বোঝ।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাহলো: তোমরা ঈমান রাখবে আল্লাহর প্রতি এবং তাঁর রসূলের প্রতি, আর জিহাদ (চেষ্টা সংগ্রাম) করবে আল্লাহর পথে তোমাদের অর্থ সম্পদ এবং জান - প্রাণ দিয়ে। তোমাদের জন্যে এটাই কল্যাণকর যদি তোমরা জানো!
বয়ান ফাউন্ডেশন
তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। আর তোমাদেরকে এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন যার তলদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত এবং চিরস্থায়ী জান্নাতসমূহে উত্তম আবাসগুলোতেও (প্রবেশ করবেন)। এটাই মহাসাফল্য।
সমকালীন বাংলা
তিনি তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং তোমাদেরকে এমন উদ্যানসমূহে প্রবেশ করাবেন, যার নিচ দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়, এবং স্থায়ী উদ্যানসমূহে উত্তম বাসস্থানে। এটাই মহাসাফল্য।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করবেন এবং এমন জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত এবং বসবাসের জান্নাতে উত্তম বাসগৃহে। এটা মহাসাফল্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
(এ তিজারত করলে) তিনি ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের গুনাহ্ এবং তোমাদের দাখিল (প্রবেশ) করবেন জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে থাকবে বহমান নদ নদী নহর। আরো থাকবে স্থায়ী জান্নাতে চমৎকার আবাস (বাসগৃহ) সমূহ। এটাই মহাসাফল্য!
বয়ান ফাউন্ডেশন
এবং আরো একটি (অর্জন) যা তোমরা খুব পছন্দ কর। (অর্থাৎ) আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য ও নিকটবর্তী বিজয়। আর মুমিনদেরকে তুমি সুসংবাদ দাও।
সমকালীন বাংলা
আর আরেকটি, যা তোমরা ভালোবাসো; আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য এবং আসন্ন বিজয়। আর মুমিনদের সুসংবাদ দাও।
মুহিউদ্দীন খান
এবং আরও একটি অনুগ্রহ দিবেন, যা তোমরা পছন্দ কর। আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য এবং আসন্ন বিজয়। মুমিনদেরকে এর সুসংবাদ দান করুন।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমাদের জন্যে আরো থাকবে যা তোমরা আকাঙ্ক্ষা করো সেটা (অর্থাৎ) আল্লাহর সাহায্য আর নিকটবর্তী (সময়ের মধ্যে) বিজয়। (হে নবী!) মুমিনদের সুসংবাদ দাও।
বয়ান ফাউন্ডেশন
হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হও। যেমন মারইয়াম পুত্র ঈসা হাওয়ারীদেরকে* বলেছিল, আল্লাহর পথে কারা আমার সাহায্যকারী হবে? হাওয়ারীগণ বলল, আমরাই আল্লাহর সাহায্যকারী। তারপর বনী-ঈসরাইলের মধ্য থেকে একদল ঈমান আনল এবং অপর এক দল প্রত্যাখ্যান করল। অতঃপর যারা ঈ
সমকালীন বাংলা
হে যারা ঈমান এনেছো, তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হও; যেমন মারইয়ামের পুত্র ঈসা শিষ্যদের বলেছিলেন, “আল্লাহর পথে আমার সাহায্যকারী কারা?” শিষ্যরা বলেছিল, “আমরাই আল্লাহর সাহায্যকারী।” অতঃপর ইসরাঈলের সন্তানদের একটি দল ঈমান এনেছিল এবং একটি দল অবিশ্বাস করেছিল। তারপর আমরা যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে তাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে শক্তি দিয়েছিলাম। ফলে তারাই বিজয়ী হয়েছিল।
মুহিউদ্দীন খান
মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে যাও, যেমন ঈসা ইবনে - মরিয়ম তার শিষ্যবর্গকে বলেছিল, আল্লাহর পথে কে আমার সাহায্যকারী হবে? শিষ্যবর্গ বলেছিলঃ আমরা আল্লাহর পথে সাহায্যকারী। অতঃপর বনী - ইসরাঈলের একদল বিশ্বাস স্থাপন করল এবং একদল হয়ে গেল। যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, আমি তাদেরকে তাদের শত্রুদের মোকাবেলায় শক্তি যোগালাম, ফলে তারা বিজয়ী হল।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে যাও, যেমন ঈসা ইবনে মরিয়ম হাওয়ারীদের (তার সাথিদের) বলেছিল: ‘আল্লাহর পথে কে হবে আমার সাহায্যকারী?’ হাওয়ারীরা বলেছিল: ‘আমরা হবো আল্লাহর পথে সাহায্যকারী।’ ফলে বনি ইসরাঈলের একদল লোক ঈমান আনে, আরেক দল করে কুফুরি। তখন আমরা ঈমান আনা লোকদের সাহায্য করলাম তাদের শত্রুদের মোকাবেলায় এবং তারা অর্জন করলো বিজয়।