Kitab

আল সাফফাত (সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়ানো)

Chapter 37, 182 verses

  • বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম সারিবদ্ধ ফেরেশতাদের,

অতঃপর (মেঘমালা) সুচারুরূপে পরিচালনাকারীদের,

আর উপদেশ গ্রন্থ (আসমানী কিতাব) তিলাওয়াতকারীদের;

নিশ্চয় তোমাদের এক;

তিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু’য়ের মধ্যে যা আছে তার রব এবং রব উদয়স্থলসমূহের।

নিশ্চয় আমি কাছের আসমানকে তারকারাজির সৌন্দর্যে সুশোভিত করেছি।

আর প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান থেকে হিফাযত করেছি।

তারা ঊর্ধ্বজগতের কিছু শুনতে পারে না, কারণ প্রত্যেক দিক থেকে তাদের দিকে নিক্ষেপ করা হয় (উল্কাপিন্ড)।

তাড়ানোর জন্য, আর তাদের জন্য আছে অব্যাহত আযাব।

তবে কেউ সন্তর্পণে কিছু শুনে নিলে তাকে পিছু তাড়া করে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড।

অতঃপর তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘সৃষ্টি হিসেবে তারা বেশি শক্তিশালী, না আমি অন্য যা সৃষ্টি করেছি তা’? নিশ্চয় আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি আঠালো মাটি থেকে।

বরং তুমি বিস্মিত হচ্ছ আর ওরা বিদ্রূপ করছে।

আর যখন তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় তখন তারা স্মরণ করে না।

আর যখন তারা কোন নিদর্শন দেখে তখন বিদ্রূপ করে।

আর বলে, ‘এতো স্পষ্ট যাদু ছাড়া আর কিছুই নয়’!

‘আমরা যখন মারা যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব’?

‘আর আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষগণও’?

বল, ‘হ্যাঁ, আর তোমরা অপমানিত-লাঞ্ছিত হবে।’

তা হবে কেবল এক আওয়াজ আর তৎক্ষণাৎ তারা দেখতে পাবে।

আর তারা বলবে, ‘হায় আমাদের ধ্বংস, এ তো প্রতিদান দিবস’!

এটি ফয়সালা করার দিন যা তোমরা অস্বীকার করতে।

(ফেরেশতাদেরকে বলা হবে) ‘একত্র কর যালিম ও তাদের সঙ্গী-সাথীদেরকে এবং যাদের ইবাদাত তারা করত তাদেরকে।

‘আল্লাহকে বাদ দিয়ে, আর তাদেরকে আগুনের পথে নিয়ে যাও’।

‘আর তাদেরকে থামাও, অবশ্যই তারা জিজ্ঞাসিত হবে’।

‘তোমাদের কী হল, তোমরা একে অপরকে সাহায্য করছ না?’

বরং তারা হবে আজ আত্মসমর্পণকারী।

আর তারা একে অপরের মুখোমুখি হয়ে জিজ্ঞাসা করবে,

তারা বলবে, ‘তোমরাই তো আমাদের কাছে আসতে ধর্মীয় দিক থেকে’।* * এ আয়াতে اليمين বলতে দীন বুঝানো হয়েছে। কারো কারো মতে এ দ্বারা শক্তি-সামর্থ্য বা কল্যাণ-স্বাচ্ছন্দ্য বুঝানো হয়েছে।

জবাবে তারা (নেতৃস্থানীয় কাফিররা) বলবে, ‘বরং তোমরা তো ছিলে না’।

আর তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না, বরং তোমরা ছিলে সীমালঙ্ঘনকারী কওম’।

‘তাই আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের রবের বাণী সত্য হয়েছে; নিশ্চয় আমরা আস্বাদন করব (আযাব)’।

‘আর আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করেছি, কারণ আমরা নিজেরাই ছিলাম বিভ্রান্ত’।

নিশ্চয় তারা সেদিন আযাবে অংশীদার হবে।

অপরাধীদের সাথে আমি এমন আচরণই করে থাকি।

তাদেরকে যখন বলা হত, ‘ ছাড়া কোন (সত্য) নেই’, তখন নিশ্চয় তারা অহঙ্কার করত।

আর বলত, ‘আমরা কি এক পাগল কবির জন্য আমাদের উপাস্যদের ছেড়ে দেব?’

বরং সে সত্য নিয়ে এসেছিল এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলে ঘোষণা দিয়েছিল।

অবশ্যই তোমরা যন্ত্রণাদায়ক আযাব আস্বাদন করবে।

আর তোমরা যে আমল করতে শুধু তারই প্রতিদান তোমাদেরকে দেয়া হবে।

অবশ্য আল্লাহর মনোনীত বান্দারা ছাড়া;

তাদের জন্য থাকবে নির্ধারিত রিয্ক,

ফলমূল; আর তারা হবে সম্মানিত,

নি‘আমত-ভরা জান্নাতে,

মুখোমুখি পালঙ্কে।

তাদের চারপাশে ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে বিশুদ্ধ সুরাপাত্র,

সাদা, পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।

তাতে থাকবে না ক্ষতিকর কিছু* এবং তারা এগুলো দ্বারা মাতালও হবে না। * غول অর্থ নেশা, মাতলামি, মাথাব্যথা ও পেটের পীড়া।

তাদের কাছে থাকবে আনতনয়না, ডাগরচোখা।

তারা যেন আচ্ছাদিত ডিম।

অতঃপর তারা মুখোমুখি হয়ে পরস্পরকে জিজ্ঞাসা করবে।

তাদের একজন বলবে, (‘পৃথিবীতে) আমার এক সঙ্গী ছিল’,

সে বলত, ‘তুমি কি সে লোকদের অন্তর্ভুক্ত যারা বিশ্বাস করে’।

‘আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেয়া হবে’?

বলবেন, ‘তোমরা কি উঁকি দিয়ে দেখবে?’

অতঃপর সে উঁকি দিয়ে দেখবে এবং তাকে (পৃথিবীর সঙ্গীকে) দেখবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে।

সে বলবে, ‘আল্লাহর কসম! তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছিলে’।

‘আমার রবের অনুগ্রহ না থাকলে আমিও তো (জাহান্নামে) হাযিরকৃতদের একজন হতাম’।

(জান্নাতবাসী ব্যক্তি বলবে) ‘তাহলে আমরা কি আর মরব না’?

‘আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া, আর আমরা কি আযাবপ্রাপ্ত হব না’?

‘নিশ্চয় এটি মহাসাফল্য!’

এরূপ সাফল্যের জন্যই ‘আমলকারীদের আমল করা উচিত।

আপ্যায়নের জন্য এগুলো উত্তম না যাক্কূম* বৃক্ষ? * অতি তিক্ত স্বাদযুক্ত জাহান্নামের এক গাছ।

নিশ্চয় আমি তাকে যালিমদের জন্য করে দিয়েছি পরীক্ষা।

নিশ্চয় এ গাছটি জাহান্নামের তলদেশ থেকে বের হয়।

এর ফল যেন শয়তানের মাথা;

নিশ্চয় তারা তা থেকে খাবে এবং তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে।

তদুপরি তাদের জন্য থাকবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।

তারপর তাদের প্রত্যাবর্তন হবে জাহান্নামের আগুনে।

নিশ্চয় এরা নিজদের পিতৃপুরুষদেরকে পথভ্রষ্ট পেয়েছিল;

ফলে তারাও তাদের পদাঙ্ক অনুসরণে দ্রুত ছুটেছে।

আর নিশ্চয় এদের পূর্বে প্রাথমিক যুগের মানুষের বেশীরভাগই পথভ্রষ্ট হয়েছিল।

আর অবশ্যই তাদের কাছে আমি সতর্ককারীদেরকে পাঠিয়েছিলাম;

সুতরাং দেখ, যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল তাদের পরিণতি কী হয়েছিল!

অবশ্য আল্লাহর মনোনীত বান্দারা ছাড়া।

আর নিশ্চয় নূহ আমাকে ডেকেছিল, আর আমি কতইনা উত্তম সাড়াদানকারী!

আর তাকে ও তার পরিজনকে আমি মহাবিপদ থেকে উদ্ধার করেছিলাম।

আর তার বংশধরদেরকেই আমি অবশিষ্ট রেখেছিলাম,

আর পরবর্তীদের মধ্যে তার জন্য (সুখ্যাতি) রেখে দিয়েছিলাম।

শান্তি বর্ষিত হোক নূহের উপর সকল সৃষ্টির মধ্যে।

নিশ্চয় এভাবে আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।

নিশ্চয় সে আমার বান্দাদের একজন।

তারপর আমি অন্যদের ডুবিয়ে দিয়েছিলাম।

আর নিশ্চয় ইবরাহীম তার দীনের অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত।

যখন সে বিশুদ্ধচিত্তে তার রবের নিকট উপস্থিত হয়েছিল।

যখন সে তার পিতা ও তার কওমকে বলেছিল, ‘তোমরা কিসের ইবাদত কর’?

‘তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে মিথ্যা উপাস্যগুলোকে চাও’?

‘তাহলে সকল সৃষ্টির রব সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কী’?

অতঃপর সে তারকারাজির মধ্যে একবার দৃষ্টি দিল।

তারপর বলল, ‘আমি তো অসুস্থ’।

অতঃপর তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে তার কাছ থেকে চলে গেল।

তারপর চুপে চুপে সে তাদের দেবতাদের কাছে গেল এবং বলল, ‘তোমরা কি খাবে না?’

‘তোমাদের কী হয়েছে যে, তোমরা কথা বলছ না’?

অতঃপর সে তাদের উপর সজোরে আঘাত হানল।

তখন লোকেরা তার দিকে ছুটে আসল।

সে বলল, ‘তোমরা নিজেরা খোদাই করে যেগুলো বানাও, তোমরা কি সেগুলোর উপাসনা কর’,

‘অথচ আল্লাহই তোমাদেরকে এবং তোমরা যা কর তা সৃষ্টি করেছেন’?

তারা বলল, ‘তার জন্য একটি স্থাপনা তৈরী কর, তারপর তাকে জ্বলন্ত আগুনে নিক্ষেপ কর’।

আর তারা তার ব্যাপারে একটা ষড়যন্ত্র করতে চেয়েছিল, কিন্তু আমি তাদেরকে সম্পূর্ণ পরাভূত করে দিলাম।

আর সে বলল, ‘আমি আমার রবের দিকে যাচ্ছি, তিনি অবশ্যই আমাকে হিদায়াত করবেন।

‘হে আমার রব, আমাকে সৎকর্মশীল সন্তান দান করুন’।

অতঃপর তাকে আমি পরম ধৈর্যশীল একজন পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিলাম।

অতঃপর যখন সে তার সাথে চলাফেরা করার বয়সে পৌঁছল, তখন সে বলল, ‘হে প্রিয় বৎস, আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমি তোমাকে যবেহ করছি, অতএব দেখ তোমার কী অভিমত’; সে বলল, ‘হে আমার পিতা, আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, আপনি তাই করুন। আমাকে ইনশাআল্লাহ আপনি অবশ্যই ধৈর্যশীলদের অন্তর

অতঃপর তারা উভয়ে যখন আত্মসমর্পণ করল এবং সে তাকে* কাত করে শুইয়ে দিল * ইসমাঈলকে

তখন আমি তাকে আহবান করে বললাম, ‘হে ইবরাহীম,

‘তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ। নিশ্চয় আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি’।

‘নিশ্চয় এটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা’।

আর আমি এক মহান যবেহের* বিনিময়ে তাকে মুক্ত করলাম। * তা ছিল একটি জান্নাতী দুম্বা।

আর তার জন্য আমি পরবর্তীদের মধ্যে সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি।

ইবরাহীমের প্রতি সালাম।

এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি।

নিশ্চয় সে আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।

আর আমি তাকে ইসহাকের সুসংবাদ দিয়েছিলাম, সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত একজন নবী হিসেবে,

আর আমি তাকে ও ইসহাককে বরকত দান করেছিলাম, আর তাদের বংশধরদের মধ্যে কেউ কেউ ছিল সৎকর্মশীল এবং কেউ নিজের প্রতি স্পষ্ট যালিম।

আর আমি নিশ্চয় হারূন ও মূসার প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম,

আর আমি তাদেরকে ও তাদের কওমকে মহাসংকট থেকে নাজাত দিয়েছিলাম।

আর আমি তাদেরকে সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই ছিল বিজয়ী।

আর আমি উভয়কে সুস্পষ্ট কিতাব দান করেছিলাম।

আর আমি দু’জনকেই সরল সঠিক পথে পরিচালিত করেছিলাম।

আর আমি তাদের জন্য পরবর্তীদের মধ্যে সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি।

মূসা ও হারূনের প্রতি সালাম।

আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি।

নিশ্চয় তারা দু’জনই ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।

আর ইলইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।

যখন সে তার কওমকে বলেছিল ‘তোমরা কি (আল্লাহকে) ভয় করবে না’?

তোমরা কি ‘বা’ল’ কে* ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা- * بعل একটি দেবতার নাম, যার উপাসনা তারা করত।

আল্লাহকে, যিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষদেরও রব’?

কিন্তু তারা তাকে অস্বীকার করেছিল, ফলে তাদেরকে অবশ্যই (আযাবের জন্য) উপস্থিত করা হবে।

আল্লাহর (আনুগত্যের জন্য) মনোনীত বান্দাগণ ছাড়া ।

আর আমি তার জন্য পরবর্তীদের মধ্যে সুনাম সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি।

ইলইয়াসের প্রতি সালাম।

নিশ্চয় আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি।

নিশ্চয় সে ছিল আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।

আর নিশ্চয় লূতও ছিল রাসূলদেরই একজন।

যখন আমি তাকে ও তার পরিবার পরিজন সকলকে নাজাত দিয়েছিলাম-

পিছনে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত এক বৃদ্ধা ছাড়া ।

অতঃপর আমি অবশিষ্টদেরকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।

আর তোমরা নিশ্চয় তাদের (ধ্বংসাবশেষের) উপর দিয়ে অতিক্রম করে থাক সকালে-

ও রাতে। তবুও কি তোমরা বুঝবে না?

আর নিশ্চয় ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।

যখন সে একটি বোঝাই নৌযানের দিকে পালিয়ে গিয়েছিল।

অতঃপর সে লটারীতে অংশগ্রহণ করল এবং তাতে সে হেরে গেল।

তারপর বড় মাছ তাকে গিলে ফেলল। আর সে (নিজেকে) ধিক্কার দিচ্ছিল।

আর সে যদি (আল্লাহর) তাসবীহ পাঠকারীদের অন্তর্ভুক্ত না হত,

তাহলে সে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত তার পেটেই থেকে যেত।

অতঃপর আমি তাকে তৃণলতাহীন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম এবং সে ছিল অসুস্থ।

আর আমি একটি ইয়াকতীন* গাছ তার উপর উদগত করলাম। * শসা, কাঁকড় ও লাউ জাতীয় গাছকে ইয়কতীন বলে। যা কান্ডের উপর দাঁড়াতে পারে না। তার জন্য মাচা তৈরী করতে হয়।

এবং তাকে আমি এক লক্ষ বা তার চেয়েও বেশী লোকের কাছে পাঠালাম।

অতঃপর তারা ঈমান আনল, ফলে আমি তাদেরকে কিছুকাল পর্যন্ত উপভোগ করতে দিলাম।

অতএব তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার রবের জন্য কি কন্যা সন্তান এবং তাদের জন্য পুত্র সন্তান’?

অথবা আমি কি ফেরেশতাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করেছিলাম আর তারা তা প্রত্যক্ষ করছিল?

জেনে রাখ, তারা অবশ্যই তাদের মনগড়া কথা বলে যে,

‘ সন্তান জন্ম দিয়েছেন’ আর তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।

তিনি কি পুত্রসন্তানদের উপর কন্যা সন্তানদের বেছে নিয়েছেন?

তোমাদের কী হল? তোমরা কেমন ফয়সালা করছ!

তাহলে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?

নাকি তোমাদের কোন সুস্পষ্ট দলীল- প্রমাণ আছে?

অতএব তোমরা সত্যবাদী হলে তোমাদের কিতাব নিয়ে আস।

আর তারা ও জিন জাতির মধ্যে একটা বংশসম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জিন জাতি জানে যে, নিশ্চয় তাদেরকেও উপস্থিত করা হবে।

সে সব থেকে অতিপবিত্র ও মহান, যা তারা আরোপ করে,

তবে আল্লাহর (আনুগত্যের জন্য) নির্বাচিত বান্দাগণ ছাড়া।

নিশ্চয় তোমরা এবং তোমরা যাদের ইবাদাত কর তারা-

তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে (মুমিনদের) কাউকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশকারী ছাড়া।

আমাদের* প্রত্যেকের জন্যই একটা নির্ধারিতস্থান** রয়েছে। *এটা ফেরেশতাদের বক্তব্য।

আর অবশ্যই আমরা সারিবদ্ধ ।

আর আমরা অবশ্যই তাসবীহ পাঠকারী।

আর তারা (মক্কাবাসীরা) বলত,

‘যদি আমাদের কাছে পূর্বর্তীদের মত কোন উপদেশ (কিতাব) থাকত,

তাহলে অবশ্যই আমরা আল্লাহর মনোনীত বান্দা হতাম’।

অতঃপর তারা তা অস্বীকার করল অতএব শীঘ্রই তারা জানতে পারবে (এর পরিণাম)।

আর নিশ্চয় আমার প্রেরিত বান্দাদের জন্য আমার কথা পূর্ব নির্ধারিত হয়েছে যে,

‘অবশ্যই তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে’।

আর নিশ্চয় আমার বাহিনীই বিজয়ী হবে।

অতএব কিছু কাল পর্যন্ত তুমি তাদের থেকে ফিরে থাক।

আর তাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, অচিরেই তারা দেখবে (এর পরিণাম) ।

তারা কি আমার আযাব ত্বরান্বিত করতে চায়?

আর যখন তা তাদের আঙিনায় নেমে আসবে তখন সতর্ককৃতদের সকাল কতই না মন্দ হবে!

আরো কিছু কাল পর্যন্ত তুমি তাদের থেকে ফিরে থাক।

আর তাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, অচিরেই তারা দেখবে (এর পরিণাম)।

তারা যা ব্যক্ত করে তোমার রব তা থেকে পবিত্র মহান, সম্মানের মালিক।

আর রাসূলদের প্রতি সালাম।

আর সকল প্রশংসা সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহর জন্য।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme